Unidara Associates

Unidara Associates Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Unidara Associates, Tax Lawyer, 2nd floor, Noor Chember, 34, Agrabad C/A, Chittagong.

Unidara Associates is a trusted advisory and consulting firm, dedicated to empowering SMEs and startups with expert insights, compliance solutions, and strategic support for sustainable business growth.
🌟 Let’s grow together!

ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্স ইউনিট সহ ৪ টি আপীল অঞ্চল এবং একটি কর অঞ্চল নিয়ে মোত ৬ টি দপ্তর এর অনুমোদন । নতুন অনুমোদিত  হলো—১।...
20/08/2026

ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্স ইউনিট সহ ৪ টি আপীল অঞ্চল এবং একটি কর অঞ্চল নিয়ে মোত ৬ টি দপ্তর এর অনুমোদন ।

নতুন অনুমোদিত হলো—

১। কর অঞ্চল – পাবনা
২️। কর আপিল অঞ্চল – ৫, ঢাকা
৩️। কর আপিল অঞ্চল – ৬, ঢাকা
৪️। কর আপিল অঞ্চল – ২, চট্টগ্রাম
৫️। কর আপিল অঞ্চল – রংপুর
৬️। আন্তর্জাতিক কর ইউনিট – ঢাকা

প্রবাসীদের সঞ্চয় ও বিনিয়োগের আধুনিক ব্যাংকিং সমাধান এনআরসিটিএ (নন-রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা একাউন্ট)। তফসিলি ব্যাংকের মা...
19/08/2026

প্রবাসীদের সঞ্চয় ও বিনিয়োগের আধুনিক ব্যাংকিং সমাধান এনআরসিটিএ (নন-রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা একাউন্ট)। তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে হিসাব খুলে প্রবাসীরা এ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এমএসএমই (মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন।আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়...
19/08/2026

এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এমএসএমই (মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন।

আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাগণ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এবং নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাগণ জন্য ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের আয়ের ওপর করমুক্ত সুবিধা পাবেন। তবে তাদেরকে এসএমই ফাউন্ডেশনের অধীনে নিবন্ধিত হতে হবে। পরবর্তীতে সরকারের অন্যান্য কর সুবিধা ও নীতি সহায়তা পেতেও এই নিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হবে। এছাড়া এই নিবন্ধন সনদ ছাড়া এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় ও আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা, সহজ শর্তে ঋণ ও প্রস্তুতিতে সহায়তা, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার, জাতীয় এসএমই উদ্যোক্তা পুরস্কার, আন্তর্জাতিক মেলা, পণ্য রপ্তানিতে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা এবং Buyer–Seller Matchmaking-সহ কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা যাবে না।
এমএসএমই নিবন্ধন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা যাবে। এজন্য এসএমই ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট বা ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেয়া লিংকে লগইন করে বা QR কোড Scan করে সহজেই এমএসএমই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন করা যাবে। প্রথমে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধনের কাজ শুরু করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র ও তথ্য, যেমন জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসার তথ্য, প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, পণ্য বা সেবা, কর্মী সংখ্যা, বার্ষিক টার্নওভারসহ অন্যান্য তথ্য প্রদান শেষে ১০০০টাকা নিবন্ধন ফি পরিশোধ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। সব তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে অনলাইনেই নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করা যাবে।

রেজিস্ট্রেশন ফি: ১০০০/-

নিচের লিংক: https://services.smef.gov.bd/admin/mSME-registration

প্রয়োজনে যোগাযোগ:
০১৭৯৯৯৫৮২৯৪
০১৫২১৪৭২৩৬৪
০১৭৪১০২৭২৫৩
০১৪০৭২৭৭৫২৫

ফল আমদানিতে নতুন ঘোষণা;দেশের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকেরএলসি খোলায় ১০০% নগদ মার্জিনে...
19/08/2026

ফল আমদানিতে নতুন ঘোষণা;
দেশের জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের

এলসি খোলায় ১০০% নগদ মার্জিনের বাধ্যবাধকতা বাতিল।

এখন থেকে ফল আমদানিতে
ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে
মার্জিন নির্ধারণ করা হবে।

সার্কুলারের লিঙ্ক:
https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/aug162026brpd-1l28.pdf

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলা সংক্রান্ত নির্দেশনা।
19/08/2026

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলা সংক্রান্ত নির্দেশনা।

বর্ষাকালে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি, কাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও জনদুর্ভোগ কমাতে দেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন...
19/08/2026

বর্ষাকালে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি, কাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও জনদুর্ভোগ কমাতে দেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যমান জুলাই-জুনের পরিবর্তে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করা হবে।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন (ট্রানজিশনাল) অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ওই অর্থবছর নয় মাসের—জুলাই ২০২৭ থেকে মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত—হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন নিয়মে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর কার্যকর হবে।

অর্থ বিভাগের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বর্তমানে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছর হিসাব করা হয়। এর ফলে অর্থবছরের শেষ দিকে, বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের বর্ষা মৌসুমে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নকাজ চলমান থাকে। বর্ষার কারণে এসব কাজ দীর্ঘায়িত হয়, কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগও বাড়ে। এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালু হলে বর্ষা শুরুর আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ শেষ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে সরকার।

তবে অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন শুধু বাজেটের হিসাবের সময় বদলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর সঙ্গে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সিস্টেমেও বড় ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া সংবিধান ও জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

এ জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে। অর্থবছর পরিবর্তনের আইনগত, প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতিও এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

আয়কর আইনে বলেছে ৩ মাস পর পর TDS রিটার্ন জমা দিতে হবে। অর্থাৎ অক্টোবর, জানুয়ারি, এপ্রিল ও জুলাই মাসে এই রিটার্ন জমা দিতে ...
19/08/2026

আয়কর আইনে বলেছে ৩ মাস পর পর TDS রিটার্ন জমা দিতে হবে। অর্থাৎ অক্টোবর, জানুয়ারি, এপ্রিল ও জুলাই মাসে এই রিটার্ন জমা দিতে হবে। কিন্তু নতুন জারিকৃত বিধিমালায় বলেছে সেপ্টেম্বর মাসে দাখিলকৃত TDS রিটার্নের সাথে অফিসের কর্মচারীদের আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার তথ্য জমা দিতে! ওদিকে নতুন আইন অনুযায়ী এখন সারা বছর ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেয়া যাবে। তাহলে কোন এমপ্লয়ি যদি দেরি করে রিটার্ন জমা দেয় সেক্ষেত্রে অফিস তাঁর তথ্য কিভাবে ট্যাক্স অফিসকে জানাবে!

17/08/2026
17/08/2026

আগামী ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার অর্থবছর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০২৮ সাল থেকে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুনের পরিবর্তে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর গণনা করা হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয় বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংবাদে সিদ্ধান্তের কথা বলা হলেও বিস্তারিত সরকারি যুক্তি বা পূর্ণাঙ্গ রূপান্তর পরিকল্পনা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তাই নিচের কারণগুলোকে সরকারের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা নয়, বরং সিদ্ধান্তটির সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক যুক্তি হিসেবে দেখা উচিত।

১. বাজেট ও বাস্তবায়নের সময়ের সমন্বয়

বর্তমানে অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই—বর্ষা মৌসুমের মধ্যে। নতুন অর্থবছরের শুরুতে প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র, অর্থছাড় ও মাঠপর্যায়ের কাজ বর্ষার কারণে ধীর হতে পারে। এপ্রিল–মার্চ পদ্ধতিতে অর্থবছরের প্রথম দিকেই পরিকল্পনা ও ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরবর্তী শুষ্ক মৌসুমে বাস্তব কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

২. ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদারের সঙ্গে সামঞ্জস্য

ভারতের অর্থবছরও ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ। বাংলাদেশের আমদানি, স্থলবন্দর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ঋণ, বিনিয়োগ ও বিভিন্ন যৌথ প্রকল্পে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। একই অর্থবছর অনুসরণ করলে দ্বিপক্ষীয় প্রকল্পের বাজেট, হিসাব, তুলনামূলক পরিসংখ্যান ও অর্থায়নের সমন্বয় কিছুটা সহজ হতে পারে। ভারতের এপ্রিল–মার্চ অর্থবছরের উল্লেখ⁠

৩. রাজস্ব পূর্বাভাস আরও বাস্তবসম্মত করা

এপ্রিলের আগে—

* আগের ক্যালেন্ডার বছরের ব্যবসায়িক ফলাফল;
* আমদানি–রপ্তানি পরিস্থিতি;
* আয়কর ও VAT সংগ্রহের প্রবণতা;
* মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রানীতির তথ্য; এবং
* উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি

আরও পরিষ্কারভাবে পাওয়া যায়। ফলে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও ব্যয়ের প্রাক্কলন তুলনামূলক বাস্তবসম্মতভাবে নির্ধারণের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

৪. বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ব্যয়চাপ কমানো

বর্তমান ব্যবস্থায় অর্থবছরের শেষ প্রান্তিক—এপ্রিল থেকে জুনে—ADP বাস্তবায়ন ও সরকারি ব্যয়ের ব্যাপক চাপ দেখা যায়। এতে শেষ মুহূর্তে অর্থছাড়, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন এবং জুনকেন্দ্রিক বিল পরিশোধের প্রবণতা তৈরি হয়। অর্থবছর পরিবর্তনের মাধ্যমে এ ব্যয়চক্র পুনর্বিন্যাসের চেষ্টা থাকতে পারে।

৫. কৃষি উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্ক

এপ্রিল–মে সময়ে বোরো ধানসহ গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদন বাজারে আসে। কৃষকের আয়, খাদ্য মজুত, সরকারি ক্রয়, ভর্তুকি এবং মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বছরের বাজেট বাস্তবায়ন শুরু করা যেতে পারে। তবে এটিকে সরকারি ঘোষিত কারণ হিসেবে এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

৬. অর্থনৈতিক তথ্যের আন্তর্জাতিক তুলনা সহজ করা

এপ্রিল–মার্চ অর্থবছর অনুসরণকারী দেশ ও সংস্থার সঙ্গে—

* সরকারি হিসাব;
* বাণিজ্য ও বিনিয়োগের তথ্য;
* দ্বিপক্ষীয় প্রকল্প;
* ঋণ ও অনুদান;
* উন্নয়ন সহযোগিতা; এবং
* আর্থিক প্রতিবেদন

তুলনা ও সমন্বয় কিছু ক্ষেত্রে সহজ হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্পষ্টতা

যদি ২০২৮–২৯ অর্থবছর সত্যিই ১ এপ্রিল ২০২৮ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৯ পর্যন্ত হয়, তাহলে বিদ্যমান ২০২৭–২৮ অর্থবছরের সঙ্গে এপ্রিল–জুন ২০২৮—এই তিন মাসের সময়গত overlap সৃষ্টি হবে। এটি এড়াতে সরকারকে বিশেষ “Transition Period” নির্ধারণ করতে হবে। সম্ভাব্য পদ্ধতি হতে পারে—

* কোনো একটি অর্থবছরকে নয় মাসে সীমিত করা;
* কোনো একটি অর্থবছরকে ১৫ মাসে সম্প্রসারণ করা; অথবা
* নতুন ব্যবস্থা কার্যকরের নির্দিষ্ট তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা।

প্রজ্ঞাপন বা রূপান্তর নির্দেশনা ছাড়া এ বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

VAT ও Tax-এ স্বয়ংক্রিয় পরিবর্তন হবে না

রাষ্ট্রীয় অর্থবছর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হলেই VAT tax period, income year, assessment year, কোম্পানির accounting year বা return deadline স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হবে না। এর জন্য প্রয়োজন অনুসারে—

* আয়কর আইন, ২০২৩;
* মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২;
* সংশ্লিষ্ট বিধিমালা;
* অর্থ আইন;
* সরকারি হিসাব ও বাজেট বিধি; এবং
* NBR-এর e-VAT, e-Tax ও ASYCUDA ব্যবস্থা

সংশোধন বা পুনর্বিন্যাস করতে হবে। বর্তমানে সরকারি পরিসংখ্যানেও জুলাই–জুন অর্থবছরের ত্রৈমাসিক কাঠামো ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো⁠

সারকথা: সম্ভাব্য উদ্দেশ্য হলো বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব পূর্বাভাস, উন্নয়ন ব্যয়, কৃষি–অর্থনীতি ও আঞ্চলিক বাণিজ্যের সময়চক্রের মধ্যে ভালো সমন্বয় তৈরি করা। তবে প্রকৃত সরকারি কারণ, transitional fiscal period এবং VAT–Tax আইনে পরিবর্তন সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্যের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি ও পরবর্তী সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন। সংবাদসূত্র: অনলাইন নিউজ পোর্টাল ⁠

17/08/2026

ট্যাক্স রিটার্নে সম্পদ গোপনকারীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ

যারা জমি, ব্যাংক হিসাব, ফ্ল্যাট, প্লট, ক্রয়-বিক্রয়, হেবা বা অন্য কোনো সম্পদ/হস্তান্তরের তথ্য ট্যাক্স রিটার্নে সঠিকভাবে উল্লেখ না করে কম্পিউটারের দোকান বা পরিচিত কাউকে দিয়ে নামমাত্র টাকায় রিটার্ন দাখিল করেছেন বা করছেন—আরেকবার ভাবুন!

কিছু টাকা ফি বাঁচাতে, করের দায় এড়াতে কিংবা আয়-সম্পদের প্রকৃত তথ্য গোপন করতে গিয়ে নিজের বৈধ সম্পদকেও ভবিষ্যতে ব্যাখ্যা করা কঠিন করে ফেলবেন না।

বর্তমানে করদাতার বিভিন্ন তথ্য ও সম্পদের মধ্যে অসঙ্গতি শনাক্ত করার সক্ষমতা বাড়ছে। ইতোমধ্যে এ ধরনের বেশ কিছু ফাইল নিয়ে কাজ করার সুযোগ হচ্ছে। তাই “রিটার্ন দিয়ে দিলেই দায় শেষ”—এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন।

আমাদের চেম্বারের পরামর্শ—
✅ রিটার্নে প্রকৃত আয় ও সম্পদের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করুন।
✅ জমি, ফ্ল্যাট, প্লট, ব্যাংকসহ প্রাসঙ্গিক সম্পদের তথ্য যাচাই করুন।
✅ পূর্ববর্তী রিটার্নে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে দ্রুত একজন যোগ্য ট্যাক্স প্রফেশনালের পরামর্শ নিন।
✅ অল্প কিছু টাকা ফি বাঁচাতে ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের কর, জরিমানা, সুদ ও আইনি জটিলতার ঝুঁকি নেবেন না।

মনে রাখবেন—আজ ৫০০ টাকার রিটার্ন, আগামীকাল লাখ টাকার জবাবদিহি ডেকে আনতে পারে।

সঠিক রিটার্ন দাখিল করুন, সম্পদ ও আয়ের স্বচ্ছ হিসাব রাখুন।

Address

2nd Floor, Noor Chember, 34, Agrabad C/A
Chittagong
4100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unidara Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unidara Associates:

Shortcuts

Share

Category