আইন শিখি-ain sikkhi

আইন শিখি-ain sikkhi আইন শিখি শিক্ষামূলক কর্মসূচি। Advocate at district judge's court. Chittagong
& Satkania court, Satkania. Chittagong

26/04/2024
31/12/2023

আলহামদুলিল্লাহ,,, আমরা নতুন বছরে পদার্পন করলাম।সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা...
তাং ১/১/২০২৪ইং

ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন২০২৩ইং....
22/09/2023

ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধ
ও প্রতিকার আইন২০২৩ইং....

এনরোলমেন্ট পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লঃ_বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূ...
20/09/2023

এনরোলমেন্ট পরীক্ষার
ফরম পূরণের সময় বাড়লঃ_

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির এমসিকিউ পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফরম ফিলাপ করা যাবে।

আইনজীবীদের সনদ প্রদান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আজ মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তির নৈর্ব্যক্তিক (MCQ) পরীক্ষার চলমান অনলাইন ফরম পূরণ কার্যক্রম নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (http://bar.teletalk.com.bd) আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ রেজিস্ট্রেশনের কারণে আসন্ন এম.সি.কিউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী যেসকল প্রার্থীকে পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, সেসব প্রার্থীর জন্য পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন লিংক পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা সাপেক্ষে অনলাইনে (http://bar.teletalk.com.bd) সংশ্লিষ্টদেরকে রি-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে নিতে হবে। সেই সাথে পরবর্তী এক কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ সর্বশেষ ২৬ সেপ্টেম্বর অফিস চলাকালীন সময়ে আবশ্যিকভাবে সংশ্লিষ্ট পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশনের হার্ড কপি ফাইল বার কাউন্সিলে যথানিয়মে দাখিল করে রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিত করতে হবে।

উক্ত তারিখের পর এনরোলমেন্ট পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্তদের আসন্ন এম.সি.কিউ পরীক্ষার অনলাইন ফরম পূরণ ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে না। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহের জন্য নিম্নআদালত-অনলাইন-রেজিস্ট্রেশন লিংক বন্ধ থাকবে।

এছাড়া পূর্বোল্লিখিত বিজ্ঞপ্তিসমূহের ঘোষিত অন্যান্য সুল নির্দেশনা/শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর যোগ্যতা-নির্ধারণী শর্ত যথা শিক্ষানবিশকাল সময়সীমা, রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ প্রভৃতি অপরিবর্তির থাকবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট উপযুক্ত প্রার্থীদের পিউপিলেজ সময়সীমা, রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ প্রভৃতি ২০ সেপ্টেম্বর তারিখই নির্ধারিত থাকবে।

20/09/2023

চেক ডিজঅনার: সর্বশেষ আপডেটসহ চেকের মামলা দায়েরের নতুন নিয়মঃ
ছগির আহমেদ টুটুল: হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। এখানকার জটিল জটিল বিষয়গুলো ছোট ছোট আলোচনার মাধ্যমে ক্লিয়ার করার চেষ্টা করব। আদালতে চেক ডিজঅনারের মামলা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। তাই এই সম্পর্কে আমাদের সবার কমবেশি ধারণা থাকা প্রয়োজন। তাতে করে আমরা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো বেশি সচেতন হয়ে উঠতে পারব।

(১) চেক ডিজঅনার বলতে কী বুঝায়?
সুপ্ত নামে এক ব্যক্তির প্রয়োজনে স্বরণ নামে একজন ব্যক্তি সুপ্তকে টাকা ধার দিয়েছেন। টাকা দেওয়ার সময় স্বরণ সুপ্তকে বলেছেন, ভাই তোমোকে যে আমি টাকা দিলাম, তার প্রমাণ তো আমার কাছে থাকল না। আমার তো কিছু প্রমাণ থাকা দরকার। যাকে ধার দিলেন সে বলল, ভাই এই যে আমার চেক। এই চেক তোমাকে ফাকা স্বাক্ষর করে দিলাম। এবার যাকে (সুপ্তকে) টাকা ধার দিয়েছিলেন তার চেক তো স্বরণের কাছে আছে। স্বরণ চেকের টাকা তুলে আনতে ব্যাংকে গেলেন। তারপর ব্যাংকে গিয়ে ব্যাংকের কাউন্টারে চেক দিলেন। ব্যাংক অফিসার স্বরণকে বলল, একাউন্টে টাকা নাই। তখন স্বরণ ব্যাংক অফিসারকে বললেন, তা হলে লিখিত দেন। ব্যাংক অফিসার, স্বরণকে একটি লিখিত মেমো দিলো। যাতে লেখা আছে, টাকার পরিমান কম। চেকসহ মেমো নিয়ে স্বরণ ফিরে আসলেন। এই চেক সহ মেমো নিয়ে ফেরত আসার ঘটনাকে চেক ডিজঅনার বলে।
(২) চেক ডিজঅনার করার শর্তসমূহঃ-
চেক ডিজঅনার করার শর্তগুলো নিচে আলোচনা করা হলো। যথাঃ

ক) চেকের উপরে যে তারিখ লেখা আছে, সেই তারিখ হতে ০৬ (ছয়) মাসের মধ্যে আপনাকে চেক ডিজঅনার করাতে হবে।

খ) ব্যাংক হিসাবে পরিমান মতো টাকা থাকলে আপনি চেক ডিজঅনার করাতে পারবেন না।

গ) ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে আপনাকে চেক ডিজঅনার করাতে হবে।

(৩) চেক ডিজঅনারের (cheque dishonour) মামলা করার কারণ
ক) ব্যাংকের হিসাবে অপর্যাপ্ত তহবিল বা অর্থ থাকলে। তার মানে চেকে যে পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে তা অপেক্ষা কম অর্থ হিসাবে থাকা।
খ) যে ব্যক্তি চেক প্রদান করেছে যদি তার স্বাক্ষর না মেলে।

গ) যদি চেকে উল্লেখিত অর্থের অংক ও কথার গরমিল পাওয়া যায়।

ঘ) চেক মেয়াদ উর্ত্তীণ হলে।

ঙ) যথাযথভাবে চেক পূরণ করা না হলে।

চ) চেকে ঘষামাজা করলে।

ছ) চেকে কাটাকাটি থাকলে পূর্ণ স্বাক্ষর দিয়ে তা সত্যকরণ করা না হলে।

(৪) চেক ডিজঅনার মামলা করার পদ্ধতি কি?
ক) প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে চেক ডিজঅনার করে নিয়ে আসতে হবে।

খ) এরপর চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিয়ে উকিল নোটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে।

গ) উকিল নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

আরো সহজ করে বলতে গেলে, চেক গ্রহীতা বা ধারক চেক ডিজঅনারের বিষয়টি জানার পর ১৩৮ ধারার বিধান মোতাবেক ৩০ দিন সময় দিয়ে টাকা পরিশোধের জন্য চেক দাতাকে নোটিশ দিবেন। ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে তার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
মামলা দায়েরের সময় বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র, চেক ডিজঅনারের স্লিপ, লিগ্যাল নোটিশের একটি করে ফটোকপি ফিরিস্তি করে জমা দিতে হবে এবং মামলা দায়েরের সময় মূল কপি আদালতে প্রদর্শন করতে হবে। তাছাড়াও মামলার আরজির সাথে প্রসেস ফি দাখিল করতে হবে।
(৫) উকিল নোটিস প্রদান করার পদ্ধতি
চেক ইস্যুকারীর প্রতি উকিল নোটিস মূলত তিনভাবে প্রদান করা যায়। যথা-

ক)চেক ইস্যুকারীর হাতে নোটিসটি সরাসরি পৌঁছে দেওয়া।

খ) প্রাপ্তি স্বীকার রসিদসহ (এডি) রেজিস্টার্ড ডাকযোগে বাংলাদেশে তার সঠিক ঠিকানায় নোটিস প্রেরণ করা।

গ) বহুল প্রচারিত কোনো বাংলা জাতীয় দৈনিকে ও উকিল নোটিস প্রকাশ করা যায়। একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, উকিল নোটিস কিন্তু কোন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়ও প্রকাশ করা যাবে।
(৬) চেক ডিজঅনারের মামলা করার সময়সীমা
চেকগ্রহীতা ব্যাংক থেকে চেকটি অপরিশোধিত হয়ে ফেরত এসেছে, তা জানার ৩০ দিনের মধ্যে চেক দাতাকে নোটিশ দিতে হবে।নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতা চেকগ্রহীতাকে টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলো। চেকদাতা টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হবার ১ মাসের মধ্যে চেকগ্রহীতা মামলা দায়ের করতে পারবে।
(৭) নোটিশে দেওয়া ৩০ (ত্রিশ) দিন শেষ হওয়ার আগে চেক ডিজঅনারের মামলা করা যাবে কিনা?
নোটিশে দেওয়া ৩০ দিন সময় শেষ হওয়ার আগেও চেক ডিজঅনারের মামলা করা যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে তা না করাই ভালো। আইন মোতাবেক মামলা করাই উত্তম।
(৮) চেক ডিজঅনারের নতুন আইনঃ-
আমরা জানি পূর্বে শুধুমাত্র চেক ডিজঅনার হলেই চেকদাতাকে সাজা দেওয়া হতো কিন্তু এখন এ আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে। চেকগ্রহীতার টাকা পাওয়ার কোনো কারণ আছে কিনা, সেটি দেখা হতো না। এখন চেকগ্রহীতাকে প্রমাণ করতে হবে চেকদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে লেনদেন সম্পর্কিত কোনও বৈধ চুক্তি ছিল এবং মনে রাখতে হবে চেক প্রাপ্তির বৈধ কোনও প্রমাণ দিতে না পারলে চেকদাতার আর কোন সাজা হবে না।
(৯) চেক ডিসঅনারের মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
চেক ডিসঅনারের মামলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করতে হয়। মেট্রোপলিটন এরিয়াতে চেক ডিসঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।

নোটঃ- একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিসঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের Primafacie ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন। তারপর মামলাটি দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
(১০) চেক ডিজঅনারের মামলার বিচার সম্পর্কিত উচ্চ আদালতের নতুন রায়
১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ Sessions Judge, Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন। তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।

NB: উচ্চ আদালতের এ রায় সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো
চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে।এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যাহা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক।রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।

(১১) গুরুত্বপূর্ণ কেইস রেফারেন্স
[Md. Abul kaher Shahin VS Emran Rashid and others,25 BLC (AD)115]
এতদিন চেক ডিজঅনার হলেই চেকদাতাকে সাজা দেওয়া হতো। সর্বোচ্চ আদালতের এ রায়ের ফলে এখন থেকে চেকের বৈধ বিনিময় প্রমাণে ব্যর্থ হলে কোনো চেকদাতাকে সাজা দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে চেকপ্রাপ্তির বৈধ কারণ থাকতে হবে। যদি প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকারের ভিত্তিতে চেক প্রদান করা হয় এবং সেই প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকার যদি বাস্তবায়িত না হয় তাহলে চেক প্রদানকারীর টাকা পরিশোধে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না এবং চেক গ্রহীতার কোনো অধিকার তৈরি হবে না।

আদালত এই মামলার রায়ে উল্লেখ করেন যে,
Where the amount promised shall depend on some other complimentary facts or fulfillment of another promise and if check is issued on that basis, but the promise is not fulfilled it will not create any obligations on the part of the drawer of the check or any right which can be claimed by the Holder of the cheque
(১২) চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতে মামলা করার পদ্ধতিঃ-
আমরা জানি চেক ডিসঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিসঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।
নোটঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়। মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান বিবেচনায় রাখতে হবে।

১৫ ধারায় বলা হয়েছে, বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে হবে। তাই বাদীকে এই ধরণের মামলা জেলা জজ আদালতে দায়ের করতে হবে। এক্ষেত্রে বাদী হাইকোর্ট বিভাগকে এই ধরণের মামলা আমলে নিতে বাধ্য করতে পারবে না। [Bengal Techno Consult v. Registrar, 2005 BCR 133]
(১৩) চেক ডিজঅনারের কারণে ১৩৮ ধারায় মামলা না করে দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা করা যায় কিনা?
১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।
নুরুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য [49 DLR(HCD) 464] মামলায় উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা করে হাইকোর্ট বিভাগ মতামত দেন যে, বাদীপক্ষ ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪২০ ধারায় আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবে।
উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, চেক ডিজঅনার হলে বাদীপক্ষ আসামীর বিরুদ্ধে ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় মামলা করতে পারবে অথবা ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারাতেও মামলা করতে পারবে।
(১৪) চেক ডিজঅনারের মামলা চলাকালীন সময়ে আসামীর মৃত্যু হলে উক্ত টাকা আদায়ের পদ্ধতি
চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করার আগেই চেকদাতা মৃত্যুবরণ করলে চেক গ্রহীতার আর কোনো প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এমনকি আসামী মামলা চলমান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলেও তার উত্তরাধিকারী বা আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ মামলা চালাতে পারে না। মামলা দায়েরের আগে বা পরে যখনই আসামী মারা যাক না কেনো উভয় ক্ষেত্রেই বাদীর প্রতিকার হলো মৃত ব্যক্তি উত্তরাধিকারী বা আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে টাকার মামলা দায়ের করে উক্ত টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করা।
(১৫) চেক ডিজঅনার হলে শাস্তি বা জরিমানা
ক)এক বছর পর্যন্ত কারাদন্ড।

খ) অথবা জরিমানা যা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন।

গ) অথবা উভয়।
নোট: হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদন্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়। এখন কথা হল চেক ডিজঅনারের শাস্তি যদি চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা হয়, তাহলে টাকাটা কে পাবে? এক্ষেত্রে চেকগ্রহীতাকে তার দাবীকৃত টাকাটা পরিশোধ করে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চলে যাবে।
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে,উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে। সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
(১৬) আপীল
ক. ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
খ. ১৩৮ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি।
গ. এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপীলের বিধান প্রযোজ্য হবে।
ঘ. ১৩৮ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে দায়রা জজের নিকট।
নোট: আপীল সম্পর্কে কিছু কথা বলে রাখা প্রয়োজন।হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনে আপীল সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে CrPC এর আপীলের বিধান কার্যকর হবে। চেক ডিসঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপীলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।
আপীল দায়েরের পূর্বশর্তঃ-
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
(১৭) রিভিশন দায়েরঃ-
চেক ডিসঅনারের মামলায় রিভিশন দায়ের করা যায়। শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখানেও ফৌজদারী কার্যবিধির রিভিশনের বিধান প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখন কথা হলো আইনগত প্রশ্ন বলতে আমরা কি বুঝি? যেমন-ব্যাংক থেকে চেকটি অপরিশোধিত হয়ে আসার পর ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে নোটিশ না দেয়া। এটাও একটা আইনগত প্রশ্ন। আবার মামলা করার কারণ আছে কিনা এটাও একটা আইনগত প্রশ্ন। মামলাটি তামাদিতে বারিত কিনা, এটাও একটা আইনগত প্রশ্ন।
১৩৮ ধারার মামলা থেকে আইনগত বিষয় উদ্ভূত হলে ফৌজধারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগে অথবা একই আইনের ৪৩৯ক ধারা মতে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। আগে একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতেন।১৯৭৮ সালে Law Reforms Ordinance দ্বারা ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
রিভিশন দায়েরের সময়সীমা:-
তামাদি আইনে ফৌজদারী মামলায় রিভিশন দায়েরের সময়সীমা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।এক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের case law এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হবে।উচ্চ আদালত অভিমত প্রকাশ করেন,”ফৌজদারী আপীল মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে প্রচলিত সময়সীমাই রিভিশন মামলা দায়েরের সময়সীমা বলে গণ্য হবে।”
১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ১৫৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,বিচারিক আদালত রায় প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে ফৌজদারী আপীল দায়ের করতে হয়।রিভিশন দায়েরের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।তার মানে বিচারিক আদালত কর্তৃক রায় প্রচারের ৬০ দিনের মধ্যে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
রিভিশন নিষ্পত্তির সময়সীমা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৪২ক(২) ধারায় বলা হয়েছে,পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিশন আদালত রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
নোট:ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক(২) ধারায় বলা হয়েছে,কোন পক্ষ কর্তৃক দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে,এই বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।তার মানে ফৌজদারী মামলায় দ্বিতীয় রিভিশনের কোন সুযোগ নেই।
(১৮) রিভিউ(Review)
দেওয়ানী মোকদ্দমায় রিভিউ(Review) করার বিধান রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ করার বিধান আছে। ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন বিধান নেই। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত কোন বিধান রাখা হয়নি। তাই ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন সুযোগ নেই। তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্ত থেকে দেখা যায়, ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা ফৌজদারী এবং কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃতির। তার আলোকে চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিউ করা যেতে পারে।
Nizam Uddin Mahmood v. Abdul Hamid Bhuiyan and another[24 BLD (2004)(AD)239] মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ সংক্রান্ত বিধানের অনুমতি দিয়েছেন।
Cp #সংগৃহীত

"মাকে অভিভাবকের স্বীকৃতি দিয়ে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায় প্রকাশ।শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থীর তথ্য সংক্রান্ত ফর...
30/08/2023

"মাকে অভিভাবকের স্বীকৃতি দিয়ে হাইকোর্টের যুগান্তকারী রায় প্রকাশ।

শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থীর তথ্য সংক্রান্ত ফরম (এসআইএফ) সংশোধনের মাধ্যমে ‘বাবা’ অথবা ‘মা’ অথবা আইনগত অভিভাবকের নাম যুক্ত করতে নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৩০ আগস্ট) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ ১৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করেন।

এ রায়ের ফলে তিনজনের যেকোনো একজনের নাম দিয়ে শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা যাবে। সব ফরম সংশোধনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সব শিক্ষাবোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে প্রকাশিত রায়ে।

এ বছরের শুরুতে গত ২৪ জানুয়ারি শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর তথ্য সংক্রান্ত ফরম সংশোধনের মাধ্যমে ‘বাবা অথবা ‘মা’ অথবা ‘আইনগত অভিভাবকের নাম যুক্ত করতে নির্দেশ দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার (এসএসসি) পর্যায়ে বাবার নাম না দিয়ে মায়ের নাম দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণের সুযোগ নিয়ে ১৪ বছর আগে করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আবেদনকারীদের আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা বলেন, এই রায়ের ফলে মায়ের অধিকারও আংশিক প্রতিষ্ঠিত হলো। আর মা-বাবার পরিচয়হীন যেকোনো শিশুর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত হলো।

‘বাবার পরিচয় নেই, বন্ধ হলো মেয়ের লেখাপড়া’ শিরোনামে ২০০৭ সালের ২৮ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও নারীপক্ষ ২০০৯ সালে ওই রিট করে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৩ আগস্ট রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দেওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা, এস এম রেজাউল করিম ও আইনজীবী আয়শা আক্তার। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

আইনজীবী আয়শা আক্তার বলেন, রাজশাহী বোর্ডের অধীন এসএসসির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণে বাবার নাম দিতে না পারায় এক শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন হয়নি। তখন শিক্ষার্থীর অভিভাবক হিসেবে বাবা ও মায়ের নাম লেখা বাধ্যতামূলক ছিল। বৈষম্যমূলক এই বিধান চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়েছিল। অভিভাবক হিসেবে এখনো শিক্ষাক্ষেত্রের প্রতিটি স্তরে বাবা ও মায়ের নাম লিখতে হয়।

রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, বাবা অথবা মা অথবা আইনগত অভিভাবকের যেকোনো একজনের নাম উল্লেখ করে রেজিস্ট্রেশনসহ শিক্ষাক্ষেত্রে সব ফরম পূরণ করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সব শিক্ষা বোর্ডের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে বাবা অথবা মা অথবা আইনগত অভিভাবক হিসেবে যেকোনো একটি পরিচয় উল্লেখ করে ফরম পূরণ করা যাবে।

আইনজীবী বলেন, যখন রিটটি করা হয়, তখন শিক্ষাক্ষেত্রে অভিভাবকের ঘরে তথ্য হিসেবে বাবার নাম লেখা বাধ্যতামূলক ছিল। এরপর মায়ের নাম উল্লেখ করতে হতো। ফরমে অভিভাবক হিসেবে শুধু বাবার নাম উল্লেখ করা অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহৃত সব ফরম পূরণে অভিভাবকের ঘরে বাবা অথবা মা অথবা আইনগত অভিভাবক শব্দ বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।"

- ঢাকা পোস্ট

21/08/2023

কোর্ট ফি
কোর্ট ফি সংক্রান্ত বিষয়াদিঃ-

ক্রমিক মামলার ধরণ
১)কোর্ট ফি টাকা মামলা-এডভেলরেম

২)ক্ষতিপুরণ সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরেম

৩)বাজার মূল্য আছে এরকম স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরেম

৪)বাজার মূল্য নেই এরকম স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরেম

৫)দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মামলা-অর্ধেক এডভেলরেম

৬)নিষেধাজ্ঞার মামলা-এডভেলরেম

৭)মুসলিম আইনের অধীনে অগ্রক্রয়-এডভেলরেম

৮)দলিল রদ সংক্রান্ত-এডভেলরেম

৯)দলিল সংশোধন সংক্রান্ত-এডভেলরেম

১০)চুক্তিরদ সংক্রান্ত-এডভেলরেম

১১)ঘোষণা মামলা পরবর্তী প্রতিকার সহ-এডভেলরেম

১২)চুক্তি প্রবলের মামলা-এডভেলরেম

১৩)ইজমেন্ট অধিকার সংক্রান্ত-এডভেলরেম

১৪)বন্ধক খালাসের মামলা-এডভেলরেম

১৫)ফোরক্লোসার সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরেম

১৬)মোহরানা সংক্রান্ত-নির্ধারিত

১৭)ভরণপোষণ সংক্রান্ত-নির্ধারিত

১৮)দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত-নির্ধারিত

১৯)বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলা-নির্ধারিত

২০)অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা-নির্ধারিত

২১)সাধারণ ঘোষনা সংক্রান্ত মামলা-নির্ধারিত

২২)বাটোয়ারা ও পৃথক দখল সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরাম

২৩)অগ্রক্রয় মামলা ৯৬ ও ২৪ ধারায়-নির্ধারিত

২৪)সাধারন ঘোষণা সংক্রান্ত মামলা-নির্ধারিত

২৫)জমি, ভবন ও বাগান দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরাম

২৬)সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা-এডভেলরাম

২৭)ভাড়া মামলা-এডভেলরাম

২৮)ডিক্রী রদের মামলা-এডভেলরাম

২৯)ঘোষণা ও নিষেধাজ্ঞা একত্রে-এডভেলরাম

৩০)আপিল ও রিভিশন

*

৩১)ক্রোক রদের মামলা-এডভেলরাম

৩২)ধারা ৭(i-xi) বহির্ভূত মামলা- এডভেলরাম

৩৩)বেদখল অবস্থায় ঘোষণা মামলা- এডভেলরাম

৩৪)দখলে থাকাবস্থায় ঘোষণা মামলা-নির্ধারিত

20/08/2023

শিখে রাখুন.....
জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিঃ-
জেলা:চট্টগ্রাম

জে,এল নং ও মৌজার নাম -পশ্চিম কলাউজান।

# খতিয়ান নম্বর : আর এস খতিয়ান.... নং,আরএস দাগ....
বিএস চূড়ান্ত..... নং খতিয়ানভুক্ত।
# দাগ নম্বর :সাবেক.... নং দাগের হালে বিএস..... দাগে ভিটা মোয়াজে ৪০শতাংশ।(নিজ অংশে)
জমি বিক্রয়ের পরিমাণ :৪০ শতাংশ।

বিক্রেতা: রহিম উদ্দিন ।

ক্রেতা : কাজিম উদ্দিন
মোবাইল-০১৭৫৪.......

ও ছলিম উদ্দিন
মোবাইল-০১৭১৮.........

উক্ত জমি ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত কোন অভিযোগ থাকলে,উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

19/08/2023

প্ররােচনা বা অপরাধে সহায়তা (Abetment):-
প্ররােচনা বা অপরাধে সহায়তা (Abetment) এর অর্থ হচ্ছে অনুপ্রেরণা, ষড়যন্ত্র, সহায়তা, উসকানি, সাহায্য করা ইত্যাদি। এমন কোন কাজ যা করলে বা না করলে আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ বলে গণ্য হয় সেইসব কাজ বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্রিয়ভাবে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া বা সমর্থন করা বা উত্তেজিত করাকে প্ররােচনা বা অপরাধে সহায়তা (Abetment) বলা হয়। যখন কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তি/অপরাধীকে অপরাধ সংঘটনের জন্য বিভিন্নভাবে অনুপ্রেরণা, সহায়তা, উসকানি প্রদান করে তখন দন্ডবিধির বিধান অনুসারে তিনিও মূল অপরাধীর ন্যায় অপরাধ করেছে বলে ধরে নেওয়া হবে এবং তিনি দন্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী প্ররােচনাকারী (Abettor) হিসেবে বিবেচিত হবে। দন্ডবিধির ১০৭ হতে ১২০ ধারায় প্ররােচনা বা অপরাধে সহায়তা (Abetment) সম্পর্কে নানা প্রকার বিধান বর্ণিত হয়েছে।
দন্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধানানুসারে, যে ব্যক্তির নিম্নরূপ কাজ করে, সেই ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সাহায্য বা সহায়তা করে বলে গণ্য হবে। কোন ব্যক্তি যদি-
১)কোন কোন কাজ করার জন্য কোন ব্যক্তিকে প্ররোচিত করে[Instigates any person to do that thing];
২)উক্ত কাজ করার জন্য কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত মোতাবেক কোন কাজ সম্পাদিত হয় কিংবা কার্য হতে বেআইনিভাবে বিরত রাখা হয়[Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing];
৩)কোন কার্য করা কিংবা কার্য হতে অবৈধ বিচ্যুতির মাধ্যমে অর্থাৎ বেআইনিভাবে বিরত থেকে উক্ত কাজে ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে [Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing]।
তবে সেই ব্যক্তি উক্ত বিষয়ে সম্পাদনের জন্য সহায়তা করে বলে গণ্য হবে।
Abdul Latif vs The crown [8 DLR 238] মামলায় মতামত প্রদান করা হয় যে, The abatement must be an act facilitating the commission of offence.

প্ররােচনা বা অপরাধে সহায়তা (Abetment)এর উপাদান :-

১/কোন একটি অপরাধমূলক কার্য সংঘটন বা সংঘটনে অনুপ্রাণিত বা সাহায্য করা;

২/উক্ত কার্যটি দন্ডবিধির বিধান অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ;

৩/সাহায্যকৃত কার্যটি প্ররোচনা বা ষড়যন্ত্র বা কার্য বা অবৈধ বিচ্যুতির মাধ্যমে সংঘটিত করা;

৪/প্ররোচনাদানকারী নিজে অপরাধ করে না বরং অন্য কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে থাকে।
মোটকথা, তিন প্রকার মাধ্যমে [প্ররোচনা, ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ এবং ইচ্ছাকৃত ভাবে কার্য বা কার্য বিরতি দ্বারা] দুষ্কর্মের সহায়তা(Abetment) করতে পারে।
অপরাধ সংঘটনের সহায়তা শাস্তিযোগ্য :-

🔸🔹দন্ডবিধির ১০৯ ধারা মতে, যে ব্যক্তি অপরাধ অনুষ্ঠানের জন্য সহায়তা করা হয়েছে এবং সে অপরাধ সংঘটিত হলে, অনুরূপ সহায়তার দণ্ড প্রদানের স্পষ্ট কোনো বিধান না থাকলে অনুরূপ সহায়তাকারী যে অপরাধ অনুষ্ঠানের জন্য সহায়তা করেছে, সেই অপরাধের জন্য যে দণ্ডের বিধান আছে, তাকেও সেই দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Address

Lohagara. Chittagong
Chittagong
4396

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন শিখি-ain sikkhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আইন শিখি-ain sikkhi:

Share

Category