Jurist bd-জুরিষ্ট বিডি

Jurist bd-জুরিষ্ট বিডি equality before law

25/05/2024

আইন_আদালত_বিষয়ক_কতিপয়_প্রতিশব্দ :

⚖ আপীল (Appeal): নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা।

⚖ আরবিট্রেশন (Arbitration): বিবাদকারী দুই দলের অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কলহের বিচার - যার রায় বিবাদকারীরা মানতে স্বীকৃত।

⚖ এলিবাই (Alibi): অপরাধ সংঘটিত হবার সময় অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবী।

⚖ ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory): অস্থায়ী, অন্তর্বতী কালের জন্য।

⚖ উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ধনসম্পত্তি কি ভাবে বণ্টন করা হবে - সে বিষয়ে তাঁর ইচ্ছাপত্র।

⚖ ইনটেস্টেট (Intestate): যে ব্যক্তি উইল বা ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে - তার স্ট্যাটাস বা অবস্থা।

⚖ একস্‌ট্রাডিশান (Extradition): অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি) থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা।

⚖ এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment): কাউকে অন্যায় কর্মে প্রণোদিত করা - যাতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।

⚖ এফ.আই.আর. (F.I.R.): এটি ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোন অপরাধ সংঘটিত হবার পর আক্রান্ত ব্যক্তি বা অন্য কেউ সেই সম্পর্কে থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে অভিযোগ জানালে - অফিসারের দায়িত্ব সেটিকে নথিভুক্ত করা। সেই লিখিত রিপোর্টটি হল এফ.আই.আর। এর ভিত্তিতে পুলিশের তার অনুসন্ধান শুরু করে।

⚖ এফিডেভিট (Affidevit): হলফপত্র বা শপথনামা: শপথ দেওয়ানোর ক্ষমতা আছে এমন কোনও লোকের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা।

⚖ এমবেজেলমেণ্ট (Embezzlement) বা তহবিল তছরুপ: বিশ্বাস ভঙ্গ করে কারোর গচ্ছিত অর্থ বা সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাত করা।

⚖ ওয়ারেণ্ট (Warrant): সাধারণ ভাবে কাউকে আটক করা বা কোথাও তল্লাসী চালাবার জন্য পুলিশকে দেওয়া আদালতের হুকুম। আদালতের কাছে থেকে এই ওয়ারেণ্ট বার করার জন্য পুলিশকে আটক বা তল্লাসী চালানোর প্রয়োজনীয়তা তথ্য সহযোগে আদালতে পেশ করতে হয়।

⚖ কনটেমপ্ট অফ কোর্ট (Contempt of Court) বা আদালতের অবমাননা: ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারকের আদেশ বা বিচার-বিভাগীয় হুকুম অমান্য করা।

⚖ কনভেয়্যান্স (Conveyance): কোনও জমির সত্ব এক বা একাধিক লোকের হাত থেকে অন্য হাতে যাওয়ার দলিল।

⚖ করপাস ডেলিকটি (Corpus delicti): যার ওপর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে - তার বস্তু-অবশেষ উদ্ধার করা। যেমন, খুনের লাস বা পুড়িয়ে দেওয়া বাড়ির দগ্ধাবেশেষ, ইত্যাদি।

⚖ কুইড প্রো কো (Quid pro quo): এই ল্যাটিন শব্দটির অর্থ - 'কিসের জন্য কি' বা 'কিছুর জন্য কিছু'। অর্থাৎ, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। কোন কণ্ট্র্যাক্ট পালন বাধ্যতামূলক হয় যখন দুই পক্ষের মধ্যে মূল্যবান কোন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। সেইজন্য যখন কোনো কোম্পানী তাদের নতুন তৈরী করা জিনিষ বাজারে বিক্রি করার আগে পরীক্ষা করার জন্য লোকদের ব্যবহার করতে দেয়, তখন তার জন্য সাধারণত টাকা নেয় না। এই জন্য যে, সেই বস্তু কাজ না করলেও তার জন্য ব্যবহারকারীদের আইনত কিছু করার থাকে না।

⚖ কোডিসিল (Codicil): উইল বা ইচ্ছাপত্রের সংশোধন।

⚖ ক্যাপিটল ক্রাইম (Capital crime): যে অপরাধের দণ্ড হল মৃত্যু।

⚖ ক্রিমিন্যাল ইনস্যানিটি (Criminal insanity): ভালো ও মন্দের তফাৎ বোঝার অক্ষমতা; কোনও কিছু করার বা করা থেকে বিরত হবার মানসিক অক্ষমতা।

⚖ ক্লাশ একশন (Class action): যে মামলা এক বা একাধিক লোক একটি সমগ্র দলের হয়ে আদালতে আনে।

⚖ জয়েণ্ট এণ্ড সেভারেল লায়াবিলিটি (Joint and several liability): আইনের একটি ভাষা, যার অর্থ দুর্ঘটনার জন্য কোন দল দায়ী হলে, সেই দলের প্রত্যেকটি ব্যক্তি আলাদাভাবে পুরো ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে - যদি অন্য কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অসমর্থ হয়।

⚖ জয়েন্ট টেনানসি(Joint tenancy): যুগ্মভাবে সম্পত্তির মালিকানা (একে অনেক সময়ে 'সার্ভাইভারশিপ' বলা হয়)। এক্ষেত্রে একজন মালিকের মৃত্যু হলে, অন্যজন সম্পাত্তির পুরো মালিকানা পায়।

⚖ জাজমেণ্ট (Judgement) বা রায়: মামলায় দুই পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ শোনার পর বিচারক তাঁর যে সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে প্রকাশ করেন।

⚖ জুভেনাইল ডেলিনকোয়েন্সি (Juvenile delinquency): বালক-বালিকাদের করা অপরাধ।

⚖ ডমিসাইল (Domicile): স্থায়ী বাসস্থান।

⚖ ডিফেমেশন (Defamation): মানহানি।

⚖ ডিসকভারি (Discovery): মামলা শুরু হবার আগে তার সম্পর্কিত ঘটনাসমূহ ও তথ্যাদি জানার উপায়গুলি।

⚖ ডিসমিস্যাল (Dismissal): মামলার খারিজ।

⚖ নেগলিজেন্স (Negligence): সাধারণভাবে একজন বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন পরিণামদর্শী লোক যে সাবধনতা অবলম্বন করবে সেটা না করা।

⚖ নোটারি পাবলিক (Notary Public): সরকারী কর্মচারী যার কাজ হল লোককে শপথ করানো, স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত কাগজে কেউ সই করার পর সেটিতে সই করে তাকে প্রামাণিক করা, ইত্যাদি।

⚖ পেটেণ্ট (Patent): উদ্ভাবকদের দেয় অধিকার - যার বলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর উদ্ভাবন বিনা অনুমতিতে অন্য কেউ তৈরী, ব্যবহার বা বিক্রি করে লাভবান হতে পারে না।

⚖ প্লি (Plea): আদালতে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের স্বপক্ষে প্রথম উচ্চারিত কথা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তরে সে নিজেকে, 'দোষী' বা 'নির্দোষী' বলতে পারবে।

⚖ প্লি বার্গেইনিং (Plea bargaining): ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সরকারী পক্ষের একটা সমঝোতায় আসার জন্য আলোচনা। এর উদ্দেশ্য দীর্ঘস্থায়ী মামলা (যার ফল অনিশ্চিত) না চালিয়ে দুপক্ষেরই সময় ও অর্থের সাশ্রয় করা। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম অপরাধের জন্য নিজেকে দোষী বলে স্বীকার করে ও সরকার তার অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু বিচারক এই সমঝোতা অগ্রাহ্য করে মামলা চালাবার নির্দেশ দিতে পারেন।

⚖ পাওয়ার অফ এটোর্নি (Power of attorney): একটি দলিল - যার ভিত্তিতে একজনের হয়ে দলিলে উল্লেখিত বিভিন্ন কাজ অন্য কেউ করতে পারে।

শুভকামনা চিরন্তন সারবস্তুর
কে এম নাহিদ নাজীর
এডভোকেট
01745207475

03/05/2024

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে বিজ্ঞ বিচারক বৃন্দের অভিনীত নাটক দেখুন

26/04/2024
পবিত্র শবে বরাত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে এক ইসলামী বক্তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধব...
29/02/2024

পবিত্র শবে বরাত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে এক ইসলামী বক্তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করা হয়।

মামলাটি দায়ের করেছেন আরেক ইসলামী বক্তা মাওলানা ইউসুফ জিলানী। এজাহারে শায়েখ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম মাদানী এবং ‘রেগুলার দ্বীন মিডিয়া’ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলকে বিবাদী করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত আকরামুজ্জামাজ ‘ইহইয়া-উস সুন্নাহ’ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ফয়েজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, আদালত শুনানি শেষে মামলাটি সিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত আকরামুজ্জামান পবিত্র ‘শবে বরাত’ নিয়ে বলেছেন, ১৪ই সাবান তথা শবে বরাতের রাত্রিতে এভাবে মসজিদে ভিড় না করে যদি বেশ্যাখানায় সময় কাটায় তাও ভালো। এর চেয়ে, সারারাত যদি সে বেইশ্যা খানায় থাকে সেটাও ভালো।

একই বক্তা অন্য জায়গায় আরও বলেছিলেন, শবে বরাত জিনার চেয়েও খারাপ। আক্রমণাত্মক এ বক্তব্য মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছে বলে দাবি বাদী’র।

29/02/2024

নাবালক ও পাগলের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়, আইন কি বলে?

✅১৯৭৫ সালের সাবালকত্ব আইন অনুযায়ী ১৮ বৎসরের কম বয়সী যে কোন ব্যক্তি নাবালক। ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের বিধান অনুযায়ী তিনি নিজে কোন সম্পত্তি বিক্রি বা কোন চুক্তি করতে পারেন না। এছাড়া রেজিস্ট্রিশন আইনে ১৯০৮ এর ৩৫ ধারা অনুসারে কোন নাবালক দলিল সম্পাদন করতে পারে না। নাবালকের পক্ষে তার পিতা বা মাতা কিংবা অন্য কোন অভিভাবক সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। পিতা স্বাভাবিক অভিভাবক, তাই পিতাকে নাবালকের অভিভাবক নিযুক্ত হতে হয় না। নাবালকের পক্ষে কোন কাজ সম্পন্ন করতে হলে পিতাকে আদালতের হুকুমের জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। পিতা ব্যতীত অন্যরা নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয় করতে চাইলে প্রথমে আদালত থেকে অভিভাবক নিযুক্ত হতে হয়। মেজরিটি এ্যাক্ট ১৮৭৫ এ জেলা জজকে এ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। ১৮৯০ সালের গার্ডিয়ান এন্ড ওয়ার্ডস এ্যাক্ট এর ৮ নং ধারা মতে, নাবালকের অভিভাবক নিয়োগের জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে হবে। আদালত সেই দরখাস্ত পরীক্ষা করে দেখবেন এবং প্রয়োজন মনে করলে নাবালকের কল্যাণের জন্য অভিভাবক নিযুক্ত করবেন। আদালত যাকে অভিভাবক নিয়োগ করবেন তিনি আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি বা বন্ধক দিতে পারবেন না। এবং ১০ নং ধারা অনুযায়ী অনুমোদিত ফরমে তা করতে হবে। আদালত কর্তৃক নাবালকের অভিভাবক নিয়োগ না করা হলে সেক্ষেত্রে নাবালকের বয়স ১৮ বছর পূর্ন হলেই সে সাবালক গণ্য হবে। কাজেই নাবালকের পক্ষে ওই সম্পত্তি বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হয়। কোন মানসিক প্রতিবন্ধী বা পাগলের সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্যেও একইভাবে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। এক্ষেত্রে নির্বোধ, উন্মাদ বা অপ্রকৃতিস্থ বলতে যে কোনো বয়সের ব্যক্তিকেই বোঝাবে।

তবে নাবালকের অনুকূলে বা বরাবরে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে আইনে কোন বিধি-নিষেধ নেই। অর্থাৎ অভিভাবক কোনো সম্পত্তি নাবালকের পক্ষে ক্রয় করলে তা বৈধ বলে বিবেচিত হবে। কোনো ব্যাক্তি নাবালকের কাছে কোন সম্পত্তি বিক্রয় করার পর নাবালকত্বের অজুহাতে তা অস্বীকার করতে পারবে না। সুতরাং একজন নাবালক হস্তান্তর গ্রহীতা হতে পারে। কিন্তু দাতা হতে পারে না। দাতা হতে হলে যথাযথ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তার পক্ষে তার অভিভাবক সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।

কে হবেন নাবালকের অভিভাবক
নাবালক শিশুর অভিভাবক হিসেবে যেসব ব্যক্তির আইনগত স্বীকৃত রয়েছে তারা হলেন বাবা, বাবা কর্তৃক উইল দ্বারা নিয়োগকৃত ব্যক্তি, দাদা ও দাদা কর্তৃক উইল দ্বারা নিয়োগকৃত ব্যক্তি। আপন ভাই, রক্ত সম্পর্কের ভাই, আপন ভাইয়ের ছেলে, রক্ত সম্পর্কীয় ভাইয়ের ছেলে, বাবার আপন ভাইয়ের ছেলে, বাবার রক্ত সম্পর্কীয় ভাইয়ের ছেলে। যে ক্ষেত্রে এ রকম কোনো আত্মীয়ও নেই, সে ক্ষেত্রে আদালত তার স্ববিবেচনামূলক ক্ষমতাবলে যে কাউকে নাবালক, নির্বোধ, উন্মাদ বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির অভিভাবক নিয়োগ করতে পারে। মুসলিম আইনে বাবা হলেন সন্তানের স্বাভাবিক আইনগত অভিভাবক। মুসলিম আইনে মা সন্তানের অভিভাবক হতে পারেন না। তবে মা ৭ বছর বয়স পর্যন্ত পুত্র সন্তানকে ও বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত কন্যা সন্তানকে কাছে রাখতে পারেন। এ অধিকারকে বলে ‘হিজানা’ বা জিম্মাদারিত্ব। কিন্তু মা কখনই সন্তানের স্বাভাবিক অভিভাবক হতে পারেন না। কিন্তু বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি অভিভাবকত্বের আবেদন করতে পারেন, যেমন মা যদি দেখেন সন্তানের প্রকৃত অভিভাবক যিনি, তিনি ঠিকমতো দেখাশোনা করছেন না বা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছেন তবে মা নিজ সন্তানের প্রকৃত কল্যাণের জন্য তার কাছে সন্তান থাকা উচিত মর্মে অভিভাবকত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন করতে পারেন।

আদালত কখন অভিভাবক নিয়োগ করেন
যদি কোনো নাবালকের স্বাভাবিক অভিভাবক থেকে থাকে, তবে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিয়োগের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে স্বাভাবিক অভিভাবক তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বা স্বাভাবিক অভিভাবকের মৃত্যু হলে বা অভিভাবকত্বের অধিকার নিয়ে মা-বাবা বা দাদা বা নানি-বাবার মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হলে ও সন্তানের অভিভাবকত্ব দাবি করে একাধিক আবেদনপত্র জমা হলে আদালত সমগ্র পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ শেষে নাবালকের কল্যাণের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত ব্যক্তিকে অভিভাবক নিয়োগ করতে পারেন।

সন্তানের সম্পত্তির অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রচলিত মুসলিম আইন ৩ ধরনের অভিভাবকত্ব স্বীকার করে।

আইনগত অভিভাবক কখন নাবালকের সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন
নাবালকের খাদ্য, বস্ত্র বা লালন-পালনের মতো অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে নাবালকের জিনিসপত্র ও অস্থাবর সম্পত্তি আইনগত অভিভাবক বিক্রয় বা বন্ধক দিতে পারেন। এ ছাড়া একজন আইনগত অভিভাবক শুধু নিম্নলিখিত এক বা একাধিক কারণে নাবালকের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারেন যখন ১. ক্রেতা দ্বিগুণ মূল্য দিতে প্রস্তুত, ২. সম্পত্তিটি ধ্বংসের পথে, ৩. যদি সম্পত্তির ব্যয় তার আয়কে ছাড়িয়ে যায়। তবে এ জাতীয় বিক্রয় কেবল নাবালকের ভরণপোষণ বা উইলের দাবি পরিশোধ, ঋণ বা ভূমি কর পরিশোধের জন্যই করা যেতে পারে, ৪. সম্পত্তি অন্যায়ভাবে গ্রাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।

আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত অভিভাবক
উপরোক্ত আইনগত অভিভাবকদের অনুপস্থিতিতে সন্তানের সম্পত্তির অভিভাবকদের জন্য আদালত কর্তৃক কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে নাবালকের সম্পত্তির তত্ত¡াবধানের জন্য নিযুক্ত অভিভাবক আদালতের অনুমতি ছাড়া নাবালকের স্থাবর সম্পত্তি কোনো অংশ বন্ধক দিতে বা বিক্রয়, দান, বিনিময় বা অন্য কোনো প্রকারে হস্তান্তর করতে পারেন না।

কার্যত অভিভাবক
কোনো ব্যক্তি আইনগত অভিভাবক কিংবা আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত অভিভাবক না হলেও স্বেচ্ছায় নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির দায়িত্ব নিতে পারেন। এ ধরনের অভিভাবকত্বকে কার্যত অভিভাবক বলা হয়। একজন কার্যত অভিভাবক নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক মাত্র। তিনি নাবালকের স্থাবর সম্পত্তির কোনো স্বত্ব, স্বার্থ বা অধিকার হস্তান্তর করতে পারেন না এবং তিনি তা করলে সে হস্তান্তর বাতিল হবে। মা, চাচা, ভাই, শ্বশুর প্রমুখ হলেন কার্যত অভিভাবক।
চলমান...

29/01/2024

সংগ্রহে রাখুন সময়মত কাজে আসবেঃ
বিচারকদের আচরণবিধিতে যা আছেঃ
ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে ফিরল সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল

বিচারকদের পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মানদণ্ড কেমন হবে, কোন কোন বিষয়ে তাদের সচেতন থাকতে হবে, কোন ধরনের আচরণ পরিহার করতে হবে, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে তাদের কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে- তার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এই আচরণ বিধিতে।

আপিল বিভাগ বলেছে, এই আচরণবিধি মেনে না চললে তা বিচারকের অসদাচরণ বলে গণ্য হবে। অভিযোগ পেলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করে তাকে অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া যাবে।

স্বাধীনতার পর প্রথম সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলেও ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর সময়ে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ওই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়। পরে জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের সময় ১৯৭৭ সালে সংবিধানে যুক্ত হয় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের বিধান।

সেখানে বলা ছিল, প্রধান বিচারপতি এবং দুজন জ্যেষ্ঠ বিচারককে নিয়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠিত হবে। বিচারকদের জন্য পালনীয় একটি আচরণবিধি কাউন্সিল নির্ধারণ করে দেবে এবং কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে সে বিষয়ে তদন্ত করবে।

কাউন্সিল অথবা অন্য কোনো সূত্র থেকে রাষ্ট্রপতি যদি জানতে পারেন যে, কোনো বিচারক শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে দায়িত্ব পালনের অযোগ্য হয়ে পড়েছেন বা তার বিরুদ্ধে গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে, তাহলে রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্ত করে ফলাফল জানানোর নির্দেশ দিতে পারবেন।

তদন্তে অভিযোগ বা বিচারকের অসমর্থ্যতার প্রমাণ পেলে এবং কাউন্সিল বিষয়টি রাষ্ট্রপতিকে জানালে তিনি ওই বিচারককে অপসারণের আদেশ দেবেন।

সোমবার প্রকাশিত ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারকদের আচরণবিধি বলে কিছু নেই- এমন একটা কথা বলা হলেও তা সত্য নয়।

“বিচারকদের আচরণবিধি ছিল বলেই বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে অপসারিত হয়েছেন।”

পেশাগত অসদাচরণের কারণে হাই কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে অপসারণের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে আপিল বিভাগ গতবছর যে রায় দিয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে বিচারকদের জন্য ৪০ দফার একটি আচরণবিধি ঠিক করে দেওয়া হয়।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “কোনো রকম বিভ্রান্তি বা সংশয় যাতে দেখা না যায়, সেজন্য আমরা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের অধীনে আচরণ বিধিটি সংস্কার করে দিলাম।”

আচরণবিধির ৩৯ দফা
১. বিচার বিভাগের সংহত সততা ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজন বিচারকের উচ্চতর মান নিয়ে বিচারকাজে অংশগ্রহণ করা উচিত।

২. দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি সম্মান রেখে বিচারকের কাজ করা উচিত যাতে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় থাকে।

৩. একজন বিচারকের রায় পারিবারিক, সামাজিক বা অন্যান্য সম্পর্কের দ্বারা প্রভাবিত হতে পারবে না। নিজের বা অন্য কারো ব্যক্তিগত স্বার্থে বিচারকাজ প্রভাবিত করা যাবে না।

৪. আইন অনুযায়ী একজন বিচারকের পেশাদারী যে এখতিয়ার বা ক্ষমতা, তা আইনের প্রতি সম্মান ও বিশ্বস্ততার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে। গণদাবি বা সমালোচনার ভয়ে প্রভাবিত হওয়া যাবে না।

৫. প্রত্যেক বিচারককে বিচারকাজ পরিচালনায় ধৈর্যশীল হতে হবে। সম্মান, শ্রদ্ধাবোধ ও পক্ষপাতহীনভাবে আইনজীবী ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে বিচারকাজ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৬. ঘোষিত রায় বা আদেশ প্রকাশ করতে অযাচিত বিলম্ব করা উচিত নয়। দ্রুত নিষ্পত্তি করা উচিত। একটি রায় ঘোষণার পর ছয় মাসের বেশি সময় ক্ষেপনের পর স্বাক্ষর করা ঠিক নয়। তার আগেই স্বাক্ষর করতে হবে।

৭. আদালতে মুলতবি বা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা মামলার মেরিটের ক্ষেত্রে বিচারককে প্রকাশ্যে মন্তব্য এড়াতে হবে।

৮. যে ক্ষেত্রে বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা থাকে, সেই মামলার বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকের নিজে থেকেই সরে যাওয়া উচিত।

৯. কোনো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, কোনো মামলার সঙ্গে আগে সম্পর্ক ছিল বা আগে কোনো মামলায় তিনি আইনজীবী হিসেবে লড়েছেন বা মামলার কোনো পক্ষের সঙ্গে বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল এমন ক্ষেত্রে তিনি ওই মামলার বিচারকাজে নিজেকে অযোগ্য ঘোষণা করবেন।

১০. একজন বিচারক এমন কোনো বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করবেন না যেখানে তার স্ত্রী-সন্তান বা আত্মীয়-স্বজনরা কোনোভাবে জড়িত থাকেন। অথবা এমন কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকেন যার দ্বারা বিচারক প্রভাবিত হতে পারেন।

১১. বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থায় নিরবচ্ছিন্নতা ও বিচার বিভাগীয় কার্যালয়ের শপথ রক্ষার সনদ থাকতে হবে একজন বিচারকের।

১২. বিচার কার্যালয়ের মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ আচরণ অনুশীলন করতে হবে বিচারককে।

১৩. একজন বিচারক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিজে বা কোনো সংগঠন বা সমিতির সঙ্গে ব্যবসায় জড়িত থাকতে পারবেন না।

১৪. একজন বিচারককে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে যে তিনি জনগণের নজরদারির মধ্যে আছেন। সুতরাং বিচারকের কার্যালয়ের সম্মানহানি হয় বা জনগণের কাছে অপ্রত্যাশিত- তেমন কোনো কাজ তিনি করবেন না।

১৫. দেশে বা বিদেশে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কোনো বিচারক জড়িত হতে পারবেন না।

১৬. প্রধান বিচারপতি যদি জানতে চান, একজন বিচারক তার সম্পদের তথ্য তার কাছে প্রকাশ করবেন।

১৭. শুধু বিচার করলেই হবে না, এটা দৃশ্যমান হতে হবে যে একজন বিচারক ন্যায় বিচার করেছেন। বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনগণের যে আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা, তা তাকে বিবেচনায় রাখতে হবে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যাতে নিরপেক্ষতার ওই ধারণা পরিবর্তনের কারণ ঘটে।

১৮. আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্যের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এমন কেউ তার আদালতে মামলা পরিচালনা করলে সেটা পক্ষপাতদুষ্ট বলে বিবেচিত হবে।

১৯. একজন বিচারকের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, শ্যালক, শ্যালিকা বা ঘনিষ্ট আত্মীয়-স্বজন, যারা আইনজীবী সমিতিতে অনুশীলন করেন, তাদের কাউকে তার আদালতে মামলা পরিচালনার অনুমতি ওই বিচারক দেবেন না।

২০. পরিবারের সদস্য নয়, কিন্তু আইনজীবী সমিতির সদস্য এমন কোনো ব্যক্তিকে কোনো বিচারক তার বাসস্থানে রাখতে পারবেন না বা নিজের সুযোগ সুবিধা ব্যবহার করতে দেবেন না।

২১. একজন বিচারক জনবিতর্কে অংশ নেবেন না। বিচারাধীন কোনো বিষয় বা রাজনৈতিক কোনো বিষয়ে প্রকাশ্যে নিজের মত প্রকাশ বা আলোচনায় তিনি অংশ নেবেন না।

২২. একজন বিচারক রায় দেবেন, নিজেদের মধ্যে কথা বলবেন। কিন্তু কোনোভাবেই গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেবেন না।

২৩. বিচারক যদি কোনো মামলায় সিদ্ধান্ত দিতে অক্ষম হন, তাহলে তিনি ওই মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেবেন।

২৪. একজন বিচারক নিজেই যুক্তিসঙ্গত পর্যবেক্ষণ দ্বারা নির্ধারণ করবেন যে তার আচরণ বা তিনি যা করছেন তা সঠিক কিনা।

২৫. একজন বিচারককে তার আচরণ ও কাজ দিয়ে বিচার বিভাগের মর্যাদা ও জনগণের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।

২৬. অসদাচরণ ও অযৌক্তিক কর্মকাণ্ড থেকে একজন বিচারক সব সময় বিরত থাকবেন।

২৭. ন্যায়বিচারের স্বার্থে একজন বিচারককে ব্যক্তিগত চলাফেরা বা সামাজিক মেলামেশা সীমিত রাখার নীতি গ্রহণ করতে হবে।

২৮. জজ আদালতে অনুশীলন (মামলা পরিচালনা করেন) করেন এমন কোনো নিকটাত্মীয়কে বিচারকের এড়িয়ে চলা উচিৎ, যেন কোনো প্রকার পক্ষপাতিত্বের সন্দেহ কেউ করতে না পারে।

২৯. বিচারকের পরিবারের কোনো সদস্য যদি কোনো মামলার কোনো পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাহলে ওই বিষয়ে বিচারক অংশ নিতে পারবেন না।

৩০. আইন পেশায় জড়িত রয়েছেন এবং মক্কেলকে আইনি সহযোগিতা দেন- এমন কোনো ব্যক্তিকে বিচারক তার বাসস্থানে স্থান দেবেন না।

৩১. একজন বিচারক তার পরিবারের কোনো সদস্যকে এমন কোনো সামাজিক বা অন্য কোনো সম্পর্কে জড়াতে দেবেন না, যা তার আদালতের কোনো বিষয়কে প্রভাবিত করতে পারে।

৩২. একজন বিচারক কারো সম্পদ ব্যবহার করতে পারবেন না বা কারো কাছ থেকে ঋণ নিতে পারবেন না, যে ব্যক্তির দ্বারা বিচারকাজে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরিবারের সদস্যদেরও এমন কাজ থেকে বিরত রাখবেন।

৩৩. বিচার বিভাগে কর্মরত থাকা অবস্থায় একজন বিচারক ব্যক্তিগত চেম্বার ব্যবহার করতে পারবেন না বা আইন পেশায় অংশ নিতে পারবেন না।

৩৪. বিচারক বা বিচারকের পরিবারের সদস্যরা বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো উপহার চাইবেন না, উপহার গ্রহণ করবেন না বা কোনো ঋণ গ্রহণ করবেন না।

৩৫. একজন বিচারক শালীনতা বজায় রেখে আদালতে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী তথা সাক্ষী, আসামি, বাদী, বিবাদী, আইনজীবী, আদালতের কর্মচারিদের নিয়ন্ত্রণ করবেন। প্রত্যেকের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবেন।

৩৬. একজন বিচারক বিচার বিভাগীয় দায়িত্বের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কোনো আচার-আচরণ করবেন না।

৩৭. প্রধান বিচারপতির বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী একজন বিচারক এজলাসে উঠেবেন ও নামবেন। দৈনন্দিন কার্যতালিকায় থাকা বিচারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি আদালতের সময়সীমার আগে এজলাস ত্যাগ করতে পারবেন না।

৩৮. কোনো বিচারকের অসাদাচরণ বা বিচারকাজের অযোগ্যতা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বা অন্য কোনো সূত্রে যদি প্রধান বিচারপতি জানতে পারেন, এই অভিযোগ তদন্তে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগে তার পরবর্তী দুইজন সিনিয়র সিনিয়র বিচারপতিকে নিয়ে কমিটি করবেন।

চূড়ান্ত তদন্ত হওয়ার পর প্রধান বিচারপতি অভিযুক্ত বিচারপতিকে অপসারণের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবেন।

৩৯. উপরোক্ত আচার আচরণ মেনে না চললে একজন বিচারক অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য করা হবে।
#সংগৃহীত

উদ্বেগের বিষয়...
29/01/2024

উদ্বেগের বিষয়...

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jurist bd-জুরিষ্ট বিডি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jurist bd-জুরিষ্ট বিডি:

Share