Advocate Mohammad Robel Uddin

Advocate Mohammad Robel Uddin lawyer and Advocate of Chittagong District Court and Fatickchari Court, Chittagong.

17/11/2025

ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত অপরাধের প্রমাণ গোপন করা, মুছে ফেলা দণ্ডনীয় অপরাধ।

#ক্রিমিনাল #কেইস #অপরাধ #প্রমাণ #অভিযোগ

18/01/2025

ডু প্রমোট 🫡😄

18/01/2025
21/10/2023

ভূমি আইনে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।

07/10/2023

জেনে রাখুন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোন ওয়ার্ডে কি চিকিৎসা দেওয়া হয় তার একটি ছক নিচে দেওয়া হলঃ--

ওয়ার্ড ১- জরুরী বিভাগ
ওয়ার্ড ২- চর্ম ও যৌন বিভাগ
ওয়ার্ড ৩- মানসিক বিভাগ
ওয়ার্ড ৬- রেডিওথেরাপি বিভাগ
ওয়ার্ড ৭- ডেন্টাল ও শিশু (বহিঃবিভাগ)
ওয়ার্ড ৮- শিশু ও মেডিসিন
ওয়ার্ড ৯- শিশু বিভাগ
ওয়ার্ড ১০- প্রসাশনিক ব্লক
ওয়ার্ড ১১- সি সি ইউ
ওয়ার্ড ১২- কার্ডিওলজি বিভাগ
ওয়ার্ড ১৩- মেডিসিন বিভাগ ১
ওয়ার্ড ১৪- মেডিসিন বিভাগ ২
ওয়ার্ড ১৫- রেডিওলজি বিভাগগ
ওয়ার্ড ১৬- মেডিসিন বিভাগ ৩
ওয়ার্ড ১৭- নেফ্রোলজী বিভাগ
ওয়ার্ড ১৮- নিউরো মেডিসিন বিভাগ
ওয়ার্ড ১৯- নাক,কান,গলা
ওয়ার্ড ২০- চক্ষু বিভাগ
ওয়ার্ড ২১-ও,টি (পশ্চিম)
ওয়ার্ড ২২- আই,সি,ইউ
ওয়ার্ড ২৩- ও,টি (পূর্ব)
ওয়ার্ড ২৪- সার্জারি ইউনিট ১
ওয়ার্ড ২৫- সার্জারি ইউনিট ২ ও থোরাসিক সার্জারি ইউনিট
ওয়ার্ড ২৬; ৭৯- অর্থোপেডিক্স সার্জারি
ওয়ার্ড ২৭- সার্জারি ইউনিট ৩
ওয়ার্ড ২৮- নিউরো সার্জারি বিভাগ
ওয়ার্ড ২৯- কেবিন (সাধারণ)
ওয়ার্ড ৩০- কেবিন (গৃহিণী)
ওয়ার্ড ৩১- গাইনী (স্ত্রী রোগ)
ওয়ার্ড ৩২- নিউনেটাল পেয়িং
ওয়ার্ড ৩৩- প্রসূতি বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৪- মা ও শিশু বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৫- ইউরোলজি বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৬- বার্ণ ও প্লাস্টিক বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৭- রক্ত রোগ বিভাগ
ওয়ার্ড ৩৮- গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ,লিভার কেন্সার
ওয়ার্ড ৩৯- এন্ড্রোক্রাইনোলজি বিভাগ,ডায়বেটিস আর হরমোন
ওয়ার্ড ৭৭- কার্ডিয়াক সার্জারি
ওয়ার্ড ৮৩,৮৪- শিশু সার্জারি
ওয়ার্ড নং ২০৪ : পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি ওয়ার্ড
এরা বাচ্চাদের দাঁতের(দুধদাঁত) যত্ন, সুরক্ষা ও চিকিৎসা, প্রভৃতি দিয়ে থাকেন।
ওয়ার্ড নং ২০২: অর্থোডন্টিকস ওয়ার্ড
আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু, ফাকা দাঁত সুবিন্যস্ত ও সুন্দর করেন।
ওয়ার্ড নং ২০১ : কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডন্টিকস ওয়ার্ড : দাঁতের ফিলিং, রিশেপিং, রুট ক্যানেল চিকিৎসা ইত্যাদি দিয়ে থাকেন।
ওয়ার্ড নং ১০৭ : ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী ওয়ার্ড :
আক্কেল দাঁতের সমস্যা,মুখমণ্ডল ও চোয়ালের ফ্র্যাকচার, সিস্ট, টিউমার,
মুখের ক্যান্সার, ঠোট ও তালু কাটা, চোয়ালের হাড় বাঁকা সহ মুখমণ্ডলের যাবতীয় রিকন্সট্রাক্টিভ সার্জারি করে থাকেন।
ওয়ার্ড নং২০৫ :প্রস্থোডন্টিকস ওয়ার্ড
দাঁত ও মাড়ির আংশিক বা সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপন ইত্যাদি করেন।
ওয়ার্ড নং ১১০ : পেরিওডন্টোলজি ওয়ার্ডঃ দাঁতের স্কেলিং সহ মাড়ির রোগের চিকিৎসা করেন।
ওয়ার্ড নং ১০৩ :ওরাল & ম্যাক্সিলোফেসিয়াল যাবতীয় জটিল রোগের ডায়াগনোসিস ওয়ার্ড।

২A- ফিজিক্যাল মেডিসিন
ল্যাব- আউটডোর বিল্ডিং ৪র্থ তলা

04/10/2023

সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩
ধারা ৪
বিদেশে থেকে অপরাধ এই আইনে প্রযোজ্য।

21/09/2023

#ভূমি #আইনের ৭ ও ৮ #ধারা।

20/09/2023

# #ভূমি সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিষয়ক আইন পাস হয়েছে এবং এর গেজেট কপি। এখন থেকে নতুন আইনে মামলা শুরু হবে। ব্যবহার - অপব্যবহার দুইটায় চলবে।..............................
# #ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন: বিচারাঙ্গনে যা ঘটতে যাচ্ছে

# # #'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩' জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে কার্যকর হয়েছে। এতদিন যাবত ভূমি সংক্রান্ত ফৌজদারি মামলাগুলো দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৩৭৯/৪৪৭/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ প্রভৃতি ধারার অধীনে দায়ের হতো। নতুন আইনে ভূমি সম্পর্কিত অপরাধগুলোকে সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই আইনটি দৃশ্যত ফৌজদারি প্রকৃতির বলে মনে হলেও এখানে 'দেওয়ানি' প্রতিকার প্রদানের পাশাপাশি 'দেওয়ানি আদালত'-এর এখতিয়ার বৃদ্ধিরও চেষ্টা করা হয়েছে। এই আইন কার্যকর হলে বিচারাঙ্গনে কী ঘটতে যাচ্ছে, সেটি নিয়ে এই লেখা।

১. ভূমি সম্পর্কিত 'প্রতারণা' ও 'জালিয়াতি'র অপরাধ 'জামিনঅযোগ্য' ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হবে

ভূমি সংক্রান্ত প্রতারণা/ জালিয়াতিকে আইনের ৪ ও ৫ ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে দণ্ডনীয় করা হয়েছে। প্রতারণা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা ‘জামিনযোগ্য’। নতুন আইনে ভূমি সম্পর্কিত প্রতারণাকে ‘জামিনঅযোগ্য’ করা হয়েছে (ধারা ১৯)। এই আইনের অন্যসব অপরাধের বিচারে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের যুগপৎ এখতিয়ার (concurrent jurisdiction) রাখা হলেও ভূমি সম্পর্কিত প্রতারণা (ধারা ৪) ও জালিয়াতির (ধারা ৫) বিচারের এখতিয়ার ন্যস্ত করা হয়েছে কেবল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর (ধারা ১৯ ও ২২)।

২. দলিল বাতিলের মামলায় বিচারপ্রার্থীদের দেওয়ানি আদালতে আর যেতে হবে না

দলিল বাতিলের মামলা এখন থেকে দেওয়ানি আদালতে দায়ের করার আর কোনো প্রয়োজন পড়বে না। কারণ প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত/ প্রস্তুতকৃত দলিলের বিরুদ্ধে এই আইনের ৪ ও ৫ ধারায় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মামলা করা যাবে। বিচার শেষে কোনো দলিল 'প্রতারণামূলক' বা 'জাল' মর্মে সাব্যস্ত হলে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো কর্তৃপক্ষকে (যেমন সাবরেজিস্ট্রার) সংশ্লিষ্ট নথি বা রেজিস্টারে নোট দেওয়ার আদেশ প্রদান করবেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ধারা ৬)।

আগে প্রতারণামূলক/ জাল দলিলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আদালতে মামলা করার পাশাপাশি দেওয়ানি আদালতেও আরেকটি মামলা করতে হতো কারণ দলিলটিকে বাতিল গণ্যে সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার বা নথিতে নোট প্রদানের ক্ষমতা কেবল দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার ছিল। নতুন আইন কার্যকর হলে প্রতারণামূলক বা জাল দলিল প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো কর্তৃপক্ষকে (যেমন সাবরেজিস্ট্রার) সংশ্লিষ্ট নথি বা রেজিস্টারে নোট দেওয়ার আদেশ প্রদান করতে পারবেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ধারা ৬)। এতে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। ফৌজদারি আদালতের মাধ্যমেই দলিল বাতিল সম্পর্কিত যাবতীয় প্রতিকার পাওয়া যাবে।

৩. জেলা প্রশাসকের ওপর দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার বাড়বে

এই আইনের ফলে জেলা প্রশাসকের ওপর দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার বাড়বে। কারণ আইনটির ৬ ধারা জাল/ প্রতারণামূলক দলিলের বিরুদ্ধে নথি/ রেজিস্টারে নোট দেওয়ার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা ‘যেকোনো আদালতকেই’ প্রদান করেছে। সুতরাং দেওয়ানি আদালত কোনো মামলায় (যেমন বাঁটোয়ারা বা ঘোষণামূলক মোকদ্দমা) যদি কোনো দলিলকে প্রতারণামূলক/ জাল মর্মে গণ্য করেন, সেক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষকে সংশ্লিষ্ট নথিতে নোট প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন দেওয়ানি আদালত।

আবার এই আইন অনুসারে ‘দলিল’ বলতে কেবল সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দলিলকে বোঝাবে না, বরং খতিয়ান, পর্চাসহ ভূমিসম্পর্কিত যাবতীয় কাগজপত্রই ‘দলিল’ হিসেবে গণ্য হবে [ধারা ২(৫)]। ফলে ‘খতিয়ানের’ প্রতারণামূলক লিখনের বিষয়ে জেলা প্রশাসক/ এসি ল্যান্ডদের নির্দেশ দিতে পারবে দেওয়ানি আদালত।

৪. দেওয়ানি আদালতে দখলোদ্ধার প্রক্রিয়া সহজতর হবে

আইনের ৮(৭) ধারার বিধান অনুসারে দেওয়ানি আদালত কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে বা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কোনো জমির দখল উদ্ধার করে দেওয়ার দায়িত্ব এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর অর্পণ করতে পারবেন। ফলে দেওয়ানি আদালত থেকে বিনাখরচায় দখলোদ্ধারের একটা সুযোগ তৈরি হবে।

৫. দেওয়ানি আদালতে মামলার চাপ কমবে এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের ওপর চাপ বাড়বে

জাল/ প্রতারণামূলক দলিলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে যেহেতু ফৌজদারি আদালতই নোট দেওয়ার আদেশ দিতে পারবে, সেহেতু দেওয়ানি আদালতে মামলা করার প্রয়োজন থাকবে না। শুধু তাই নয়- জাল/ প্রতারণামূলক দলিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি কোনো পক্ষের অনুকূলে জমির দখল প্রদান করা প্রয়োজন পড়লে সেই কাজটিও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটই করতে পারবেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ প্রদানের মাধ্যমে (ধারা ২০)। ফলে দলিল/ খতিয়ানকে অকার্যকর করা, জাল/ প্রতারণামূলক দলিল/ খতিয়ানের পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের সাজা প্রদান করা এবং প্রকৃত হকদার ব্যক্তিকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া সবকিছুই হবে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে। বায়নানামা প্রবলের মামলাও আর দেওয়ানি আদালতে করতে হবে না। কারণ দেওয়ানি আদালত কেবল ‘রেজিস্ট্রিকৃত’ বায়নানামা প্রবলের ডিক্রি দিতে পারে (ধারা ২১ক, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন)। নতুন আইনের ৯ ধারার আওতায় ‘অরেজিস্ট্রিকৃত’ বায়নানামার বিরুদ্ধেও প্রতিকার পাওয়া যাবে। আবার দখল-উদ্ধারের মোকদ্দমাও করতে হবে না দেওয়ানি আদালতে। কারণ এই আইনের ৮ ধারায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ০৩ মাসের মধ্যে বিনাখরচায় দখল-উদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে। ফলে দেওয়ানি আদালতের কাজ যে কমে আসবে, সেটি বলাই বাহুল্য।

৬. দখল ও দলিল নিয়ে এই আইনের অবস্থান যা হবে

এই আইনের ধারা ৭ অনুসারে জমি দখলে রাখতে পারবেন নিচের যেকেউ-

ক. হালনাগাদকৃত সবশেষ ‘খতিয়ানের মালিক’
খ. উক্ত সবশেষ খতিয়ানের মালিক থেকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে’ মালিকানা বা দখলের অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি
গ. হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে ‘আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল’-এর মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি
ঘ. ‘আদালতের আদেশ’-এর মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি

তবে বাস্তবে দেখা যায়, একই জমির ওপর উল্লিখিত একাধিক ধরনের দাবিদার ব্যক্তি থাকেন। এখন এই চার ধরনের ব্যক্তির মধ্যে কার ওপর কে প্রাধান্য পাবে, সেটি এই আইনে স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে এ ব্যাপারে উচ্চ আদালত কর্তৃক স্থিরিকৃত বিদ্যমান আইন ও নীতিই প্রযোজ্য হবে (ধারা ৩)।

উল্লেখ্য, বৈধ মালিকের জমি গায়ের জোরে দখল করাকে অতীতে কখনই আমাদের আইন অনুমোদন করেনি। আইনের অবস্থান সবসময় জবরদখলকারীর বিরুদ্ধে এবং প্রকৃত মালিকের পক্ষেই ছিল। তবে তামাদি আইনের ২৮ ধারা অনুসারে, দখলহীন ব্যক্তি ১২ বছরের মধ্যে নিজ জমির দখলোদ্ধারের মামলা না করলে জমির ওপর অধিকার হারান এবং উচ্চ আদালতের বহু সিদ্ধান্ত অনুসারে ওই জমিতে উল্টো সেই দখলদারের অধিকার জন্মায় যিনি অন্য সবার স্বত্ব প্রকাশ্যভাবে অস্বীকারপূর্বক নিরবচ্ছিন্নভাবে ১২ বছর ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে রেখেছিলেন।

নতুন আইনে দখলহীন মালিক কর্তৃক দখল-উদ্ধারের মামলা করার কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়নি [ধারা ৮(১)]। ফলে দৃশ্যত মনে হচ্ছে, ১২ বছরের পরও এই আইনে দখলউদ্ধারের মামলা ‘রক্ষণীয়’ হতে পারে। কিন্তু লক্ষ্যণীয় হলো- নতুন আইনে তামাদি আইনের ২৮ ধারা কিংবা ‘বিরুদ্ধ দখল’ (adverse possession) সম্পর্কিত বিদ্যমান আইনকে নাকচ করা হয়নি। বরং এই আইনের ৩ ধারা বলছে, এই আইনের বিধানাবলি বিদ্যমান অন্যান্য আইনের কোনো বিধানের ব্যত্যয় না ঘটিয়ে সেগুলোর ‘অতিরিক্ত’ হবে। সে হিসেবে তামাদি আইনের ২৮ ধারা যদি বহালই থাকে, সেক্ষেত্রে দখলহীন ব্যক্তি ১২ বছরের পরও দখল-উদ্ধারের মামলা করতে পারবেন- এমনটি বলার সুযোগ থাকে না।

উল্লেখ্য, এই আইনের দখল-উদ্ধার সম্পর্কিত ৮ ধারাটি একটি ‘দেওয়ানি’ প্রতিকার। যে-কারণে দখল-উদ্ধারের কার্যক্রম দেওয়ানি কার্যবিধির ‘ডিক্রিজারি’ সম্পর্কিত বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে মর্মে আইনটিতে বলা হয়েছে [ধারা ৮(৮)]। যেহেতু প্রতিকারটি ‘দেওয়ানি’ প্রকৃতির এবং আইনটি বিদ্যমান আইনের ‘অতিরিক্ত’, ফলে তামাদি আইনকে অগ্রাহ্য করে ১২ বছর পরও দখল-উদ্ধারের কার্যক্রমকে রক্ষণীয় বলার সুযোগ থাকবে না।

৭. ভূমির সীমানা নিয়ে মামলা বাড়বে

নতুন আইনের ১০ ধারায় ‘আইনানুগভাবে’ দখলকৃত ভূমির সীমানা বা সীমানাচিহ্নের ক্ষতিসাধন করাকে দণ্ডনীয় করা হয়েছে এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে বিচারের এখতিয়ার প্রদান করেছে। দখলকৃত ভূমির সীমানা ‘আইনানুগভাবে’ সঠিক কি না, তা নিরূপণ করা জটিল প্রকৃতির ও সময়সাপেক্ষ বিচারিক কাজ। আমাদের দেশে সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ প্রচুর। এই আইন কার্যকর হলে সীমানা বিষয়ক ফৌজদারি মামলা বাড়বে।

৮. থানায় ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো অপরাধের মামলা করা যাবে

ভূমি সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে দণ্ডবিধির যেসব ধারায় এতদিন মামলা হতো, তার বড় একটি অংশ 'আমলঅযোগ্য' (non-cognizable) ছিল বিধায় এসব মামলা দায়ের করতে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে যেতে হতো। নতুন ভূমি আইনে প্রতিটি অপরাধ 'আমলযোগ্য' (cognizable) করা হয়েছে (ধারা ১৯)। ফলে বিচারপ্রার্থীরা এখন থেকে এসব মামলা থানাতেই দায়ের করতে পারবে। ভূমি সংক্রান্ত এসব অপরাধের দায়ে আসামিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারবে পুলিশ।

৯. সাক্ষীর সুরক্ষায় ও ক্ষতিপূরণ প্রদানে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ যেকোনো ব্যবস্থা নিতে পারবেন

# # #এই আইনের ২১ ধারায় সাক্ষীদের সুরক্ষা প্রদানে এবং ২০ ধারায় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানে যেকোনো ধরণের ব্যবস্থা ও পদক্ষেপ নেয়ার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের। এটি আদালতের প্রতি আস্থা বৃদ্ধিতে ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে সহায়ক হবে। পৃথক সাক্ষী সুরক্ষা আইন প্রণয়নের পথে এটি বিরাট অগ্রগতি।
লেখক: মারুফ আল্লাম, বিচারক, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস.
________

Address

Chittagong Judges Court
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Mohammad Robel Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Mohammad Robel Uddin:

Share