Adv Seraj & Associates

Adv Seraj & Associates Civil, Criminal and Corporate Law firm

চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপন প্রসঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
17/05/2024

চট্টগ্রামে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ স্থাপন প্রসঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।

12/04/2024
কোন ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় বিক্রয় বা বয়নানামাবা নির্মার্ণ চুক্তি জনিত বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে,  বায়নানামা বা চুক...
07/12/2023

কোন ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় বিক্রয় বা বয়নানামাবা নির্মার্ণ চুক্তি জনিত বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে, বায়নানামা বা চুক্তি পত্র অ-রেজিস্ট্রিকৃত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের জন্য প্রতিকার রয়েছে।যা Section 36 of Realestate Development and Mangement Act, 2010 এ বিধিত হয়েছে। এমনকি অ-রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তিপত্র বা বায়নাপত্রে আরবিট্রেশন বা সালিশী ক্লজ না থাকলেও ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ সালিশী আইন, ২০০১ অনুযায়ী প্রতিকারের জন্য সালিশী ট্রাইব্যুনালে বিচার চাইতে পারে।

In case of dispute regarding the sale or purchase of a flat, apartment or contract or construction contract, even if the contract or contract is unregistered, there is a remedy for the aggrieved party as stipulated in the Section 36 of Real Estate Development and Management Act, 2010. Even if there is no arbitration or arbitration clause in the unregistered contract or deed, the aggrieved party can seek redress in the arbitral tribunal under the Arbitration Act, 2001.

[[ Civil Revision No. 930 of 2020]]

06/09/2023

চেকের মামলায় রায়ের পর আপিলের শর্তে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক 561A ধারায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে জামিন দেয়ার সুযোগ নেই।
28 ALR (AD) 5

23/07/2023

সাকসেশন অ্যাক্ট, ১৯২৫ অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণের সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জ্ঞাতব্য বিষয় সমূহঃ-
================================
উত্তরাধিকার সূত্রে আমরা সবাই কিছু না কিছু প্রপার্টি পেয়ে থাকি। কিন্তু, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এসব প্রপার্টির মালিকানা আইনীভাবে বুঝে পেতে, সবার আগে প্রয়োজন সাকসেশন সার্টিফিকেট বা উত্তরাধিকার সনদ। কেননা যে ব্যক্তি মারা গেলেন, তার বৈধ উত্তরাধিকার যে আপনি সাকসেশন সার্টিফিকেট তারই প্রমাণপত্র। শুধুমাত্র উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত প্রপার্টির আইনী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই নয়, সঠিকভাবে প্রপার্টি বণ্টনের জন্যও এই ডকুমেন্টটি গুরুত্বপূর্ণ। সাকসেশন সার্টিফিকেট আসলে কী? কেন এটি জরুরি? কীভাবে এটি বুঝে পাবেন? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়তে থাকুন আজকের আর্টিকেল।

✔ সাকসেশন সার্টিফিকেট কী
সাকসেশন সার্টিফিকেট হচ্ছে মৃত ব্যক্তির স্থাবর সম্পত্তি, ব্যাংকে জমানো টাকা, কোম্পানীর শেয়ার, ডিবেঞ্চার, রয়্যালটি সর্বোপরি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির বৈধ উত্তরাধিকার প্রমাণ করার প্রমাণপত্র। সাধারণত নিজেকে মৃত ব্যক্তির বৈধ উত্তারাধিকার প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজন হয় এই ডকুমেন্টের। সাকসেশন অ্যাক্ট ১৯২৫ এর ধারা ৩৭০-৩৮৯ এ সাকসেশন সার্টিফিকেট এর ব্যপারে বলা আছে। ধারাঃ ৩৭২(৩) এ বলা হয়েছে “মৃত ব্যক্তির পাওনাদারের নিকট দেয় কোন দেনা বা দেনা সমূহ বিষয়ে কিংবা তার কোন অংশ বিষয়ে উক্ত সার্টিফিকেটের জন্য দরখাস্ত করা যাইবে।”
অনেক সময় দেখা যায়, কোন ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে, তাঁর ব্যাংক একাউন্টে টাকা রেখে গিয়েছেন। কিন্তু, কোন প্রকার নমিনী করে যাননি, আবার দেখা যায় কাউকে নমিনী করা হয়ে থাকলেও অন্য ওয়ারিশদের বাধার কারণে ব্যাংক কাউকে টাকা দিচ্ছেন না। সেই কারণে ব্যাংক সাকশেসন সার্টিফিকেট চাইতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাকশেসন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন দেখা দেয়।
আবার হয়ত এমনও হতে পারে যে, মৃত ব্যক্তি ব্যাংকের কাছে ঋণ রেখে গেছেন এই ঋণ কোন ওয়ারিশ কত শতাংশ পরিশোধ করবেন এজন্য সাকশেসন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
আবার হয়ত দেখা যায়, কোন কোম্পানীতে মৃত ব্যক্তির নামে শেয়ার আছে, সেক্ষেত্রে কোন ওয়ারিশ কতটুকু শেয়ারের মালিক হবেন সে মর্মে সাকশেসন সার্টিফিকেটের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

➤১৯২৫ সালের এই আইনে সাকসেশন সার্টিফিকেট গ্রহনের করার জন্য আবেদনের কোন সময়সীমা নির্দিষ্ট করা নেই। অর্থাৎ সাকসেশান সার্টিফিকেট মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির কোন বিষয় নেই।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় কোন আইনের কোন ধারা অনুযায়ী ?
সাকসেশন সার্টিফিকেট মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে সাকশেসন অ্যাক্ট, ১৯২৫ এর ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী এবং এই আইনের ৩৭২ ধারা অনুযায়ী দি কোড অব সিভিল প্রসিডিওর, ১৯০৮ এর বিধান অনুযায়ী আরজি আকারে দাখিল করতে হবে।

✔যিনি আবেদন করতে পারবেন
মৃত ব্যক্তির বৈধ উত্তরাধিকারীরা প্রত্যেকে কিংবা তাদের পক্ষে যিনি প্রপার্টি বুঝে নেবেন, তিনি আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হয়?
এই আইনে জেলা জজকে এখতিয়ার দেওয়া হয়ে থাকলেও জেলা জজ সাধারণত এ ক্ষমতা অন্য কোন আদালতকে প্রদান করে থাকেন। যেমন জেলা জজ অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ (ডেলিগেটেড জজ) এর আদালতে বদলী করতে পারেন।

✔এখন আসি সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমায় পক্ষ (প্রার্থীক/প্রতিপক্ষ) কে হবেন?
এই মোকদ্দমার সকল ওয়ারিশ মিলে একত্রে করতে পারেন আবার কোন ওয়ারিশ যদি একত্রে দরখাস্ত না করেন তাহলে যারা একত্রে দরখাস্ত করতে ইচ্ছুক নন তাদের প্রতিপক্ষ করতে হয়।

✪✪সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমার আরজিতে কি কি বিষয় উল্লেখ করতে হয়?
সাকশেসন অ্যাক্ট, ১৯২৫ এর ৩৭২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী, দি কোড অব সিভিল প্রসিডিওর, ১৯০৮ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে দরখাস্তকারীর দ্বারা বা পক্ষে স্বাক্ষরিত এবং প্রত্যায়িত আরজির মাধ্যমে উক্ত সার্টিফিকেটের দরখাস্ত দাখিল করতে হবে। দরখাস্তের জন্য বাদীর দ্বারা বা পক্ষে আরজি স্বাক্ষরিত এবং প্রত্যায়িত হবে এবং নিম্ন লিখিত বিবরণ অবশ্যই উল্লেখ থাকবে, যথা:
(ক) মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময়,
(খ) মৃত্যুর সময়ে মৃত ব্যক্তির সাধারণ বাসস্থান এবং উক্ত বাসস্থান যে, আদালতের নিকট দরখাস্ত করা হয় ঐ আদালতে স্থানীয় এখতিয়ারে(লোকাল জুরিসডিকশান) না থাকলে উক্ত সীমার মধ্যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি,
(গ) মৃত ব্যক্তির পরিবার বা অন্যান্য নিকট আত্মীয় এবং তাদের নিজ নিজ বাসস্থান সমূহ,
(ঘ) আরজি দাখিলকারী যে অধিকার দাবী করেন,
(ঙ) সার্টিফিকেট মঞ্জুর করা হলে, বৈধতার ক্ষেত্রে ৩৭০ ধারা বা এই আইনের কোন বিধানাবলী বা অন্য কোন আইনে কোন প্রতিবন্ধকতার অনুপস্থিতি, এবং
(চ) দরখাস্তকৃত সার্টিফিকেট বিষয়ে দেনা এবং সিকিউরিটিজ।
আবেদনের সঙ্গে একটি হলফনামা দিতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
১। তিনি মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে কী হন
২। মৃত ব্যক্তির এ টাকা কাউকে দান বা উইল করে যাননি
৩। উইলের জন্য কোনো প্রবেট বা লেটার অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দরখাস্ত দাখিল করে যাননি
৪। তাঁকে অন্য উত্তরাধিকারীরা টাকা তোলার ক্ষমতা দান করেছেন।
৫। মৃত ব্যক্তির টাকার হিসাবের বিবরণও তফসিল আকারে দিতে হবে।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমা দায়েরের সময় নিম্নোক্ত প্রয়োজনীয় দলিল সমূহ ফিরিস্তি আকারে দাখিল করতে হবে।
১। মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদপত্র (Death Certificate)।
২। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত পরিচয়পত্র/নাগরিকত্বের সনদ।
৩। শেয়ার সার্টিফিকেট/ রয়্যালিটি প্রমাণপত্র/ ব্যাংক ব্যালেন্স বা জমার স্লিপ ইত্যাদি।

✔আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ সমূহঃ-
আদালতে আবেদন করার পর নির্ধারিত সময়ে আদালত আবেদনকারীর জবানবন্দি নেবেন এবং সকল তথ্যের সত্যতা যাচাই করবেন। এসময়, আদালত মৃত ব্যক্তির নিকট আত্বীয়দের নোটিশ প্রদান করে কারো কোন দাবি/আপত্তি আছে কিনা তা জেনে নিয়ে থাকেন।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমায় বিবাদী কর্তৃক আপত্তি দাখিলের সময়সীমাঃ-
আদালত মৃত ব্যক্তির নিকট আত্মীয়দের নোটিশ প্রদান করে কারো কোন দাবি/আপত্তি আছে কিনা তা জেনে নিয়ে থাকেন। কারো কোন আপত্তি থাকলে এই সময় আপত্তি দাখিল করা যায়। কারো কোন আপত্তি থাকলে দেড় মাস সময়ের মধ্যে আপত্তি দাখিল করা যায়।
কারো কোন আপত্তি না থাকলে অথবা আপত্তি থাকলে তা শুনানির পর আদলত আবেদনকারীর অনকুলে সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। সাধারণত সাকসেশন সার্টিফিকেট পেতে তিন-চার মাস সময় লাগে।

✔সার্টিফিকেট প্রাপ্তির সময় সীমাঃ-
সাধারণত সাকসেশন সার্টিফিকেট পেতে তিন-চার মাস সময় লাগে।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমার কোর্ট ফি কোন আইনের বিধান মোতাবেক নির্ধারিত হয় এবং কত টাকার কোর্ট ফি দিতে হয়?

আদালতে সাকসেশন মামলা দায়ের করার পর আদালত উত্তারাধিকার সনদের আবেদন মঞ্জুর করলে কোর্ট ফি দাখিল করতে হবে। সে ক্ষেত্রে আবেদনকারী ব্যাংক থেকে কত টাকা ওঠানোর জন্য আবেদন করছেন, তার ভিত্তিতে কোর্ট ফি নির্ধারিত হয়। দাবিকৃত অর্থের পরিমাণ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে কোনো কোর্ট ফি দিতে হয় না। কিন্তু ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত এক শতাংশ কোর্ট ফি দিতে হয়। আবার এক লাখ এক টাকা থেকে যে কোনো পরিমাণ অর্থের ওপর দুই শতাংশ কোর্ট ফি জমা দিতে হয়। কোর্ট ফি জমা দেওয়া হলে নির্ধারিত সময়ে আদালত থেকে সনদ ইস্যু করা হয়।

✔কোর্ট ফি প্রদানের ক্ষেত্রে কোর্ট ফিস অ্যাক্ট, ১৮৭০ এর জ্ঞাতব্য বিষয় সমূহঃ-
কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে কোর্ট ফিস আইন, ১৮৭০ এর ১ম তফসিলের ১১ দফা মোতাবেক নিম্নলিখিত হারে ‌-
১) মোকদ্দমার মূল্য মান ২০ হাজার টাকার অধিক হয় কিন্তু এক লক্ষ টাকার অধিক নয় সেক্ষেত্রে ১% হারে কোর্ট ফি দিতে হবে। তবে ১-২০,০০০ টাকার মধ্যে কোন কোর্ট ফিস দিতে হবে না।
২) মোকদ্দমার মূল্যমান ১ লক্ষ টাকার অধিক হয় সেক্ষেত্রে হতে ২% হারে কোর্ট ফি দিতে হয়।
৩) +১৫% ভ্যাট।
সাকসেশন অ্যাক্ট, ১৯২৫ এর ৩৭২ ধারা এবং কোর্ট ফিস অ্যাক্ট, ১৮৭০ এর ১ম তফসিলের টেবল এ এর ১১ দফা একত্রে করলে বুঝা যায় ১% অথবা ২% কোর্ট ফিস+এর উপর ১৫% ভ্যাট যা সর্বোচ্চ ৪৬,০০০টাকা।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের বিধানঃ-
সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দামার রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ কর্তৃক সাকসেশন অ্যাক্ট , ১৯২৫ এর ৩৮৪ ধারা মোতাবেক শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যায়।

✔সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমা প্রত্যাহারের বিধানঃ-
সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মোকদ্দমার আর্জি সাকশেসন অ্যাক্ট, ১৯২৫ এর ৩৮৩ ধারা অনুযায়ী প্রত্যাহার করা যায়।

Jamal Naser Mustakim
LL.B( Hon's), LLM (JnU)
Apprentice Lawyer &
Research Associate
Adv Seraj & Associates
District & Sessions Judge Court, Chattogram
Cell: 01835047808 (WhatsApp)

21/07/2023

১৬ বছরের মেয়ে বিয়ে দেওয়ার বিশেষ বিধানের ক্ষেত্রে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭।

বিস্তারিত আলোচনাঃ-
==========================================

A to Z: বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ এর ১৯ ধারার আলোচনা-

বিশেষ বিধানের আওতায় বিয়ের অনুমতি দিতে ১৯ ধারায় অনেকগুলো শর্ত আরোপ করা হয়েছেঃ-

১. আদালতের নির্দেশ (court’s order) থাকতে হবে।

২. বাবা মা অথবা অভিভাবকের সম্মতি (consent of parents or guardians) থাকতে হবে।

৩. অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে (for the highest interest of the minor) হতে হবে।

বাল্যবিবাহ নিরোধ বিধিমালা এর ১৭ বিধি অনুযায়ী বিশেষ বিধান প্রয়োগে কোর্টে দুইপক্ষকে যৌথভাবে আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে পারবেন উভয়পক্ষের -

ক. পিতামাতা,
খ. আইনগত অভিভাবক,
গ. অপ্রাপ্ত বয়স্ক পাত্রপাত্রী সহ উভয়পক্ষ।

এমন আবেদন পাওয়ার পর কোর্ট আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য যাচাই কমিটির কাছে প্রেরণ করবেন।

ইউএনও এর সভাপতিত্বে ৭ সদস্যের যাচাই কমিটি আবেদিত বিয়ের বিষয়ে ১৫ দিনের মধ্যে কোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

তবে আবেদন যাচাইয়ে কমিটিকে ২ টি মানদন্ড বিবেচনায় নিতে হবে।

১. বিয়েটি অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থে হবে।
২. বিয়েটা হবে সর্বশেষ বিকল্প অর্থাৎ আর কোন বিকল্প (Option) হাতে নেই।

এছাড়া এই কমিটি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিয়ে না হওয়ার জন্য সুপারিশ করতে পারবে।

সেগুলো হলো- বিয়েটি

ক. জোরপূর্বক হলে,

খ. ধর্ষণ, অপহরণ বা জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের কারনে হলে,

৩. এ সংক্রান্তে কোন মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকলে, কোর্ট কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সন্তুষ্ট হলে বিয়ের অনুমতি দিবেন, বা নামঞ্জুর করবেন অথবা পুনরায় তদন্ত করাবেন, এমনকি কমিটিকে আদালতে উপস্থিত করিয়ে বক্তব্য শুনবেন।

তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই বিশেষ বিধানের আওতায় বিয়ের অনুমতি পাওয়া সহজ নয়।

কোর্ট অপ্রাপ্ত বয়স্কের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করবে।

দুইপক্ষের যৌথ আবেদন হতে হবে, কোর্ট সাথে সাথে অনুমতি দিবে না, একটা কমিটি সত্যতা যাচাই করে সুপারিশ করবে, তারপর কোর্ট আইন ও বিধির শর্ত পূরণ হলেই এই বিশেষ বিধান প্রয়োগ করে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিয়ের অনুমতি দিবে।

এক্ষেত্রে একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া উচিত।

এই ২০১৭ সনের আইন এবং পরের ২০১৮ সনের বিধিতে কোথাও কোন আদালত এমন অনুমতি দিবে তা বলা হয়নি।

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ও বিধি একত্রে পড়লে বিষয়টি পরিষ্কার হয় যে, এ বিষয়ে যথাপোযুক্ত ফোরাম হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

কেননা বিধিতে কয়েকটি ফরম সংযুক্ত আছে যেখানে ‘বিচারিক আদালত’ ও মোবাইল কোর্ট পৃথক ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯ ধারা ও ২য় তপসীলের ৮ম কলাম মতে, offense under other laws নীতিতে ২ বছর পর্যন্ত শাস্তিযোগ্য হওয়ায় এ আইনের অধীন অপরাধের বিচার ও তদন্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট করবেন।

এ আইনের অপরাধগুলো আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য এবং অ-আপোষযোগ্য। আইনের ৪, ৫ ধারা ও ১৫ বিধি মতে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যাবে। অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা ঘটনা হতে ২ বছর।

মজার বিষয় হলো, আদালত (জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) বাল্যবিবাহ ঠেকাতে প্রয়োজনে বিয়ের উপর নিষেধাজ্ঞাও দিতে পারবে।

মামলার নিষ্পত্তি হবে ২ ভাবে-
১. বিচারে খালাস বা শাস্তি,
২. মুচলেকা সম্পাদন।

মুচলেকার ক্ষেত্রে শর্ত হলো, বিয়েটি সম্পাদন হয়নি এবং বলতে হবে, ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহ নিরোধে তৎপর থাকবে। অত্র আইনের কোন অপরাধ সংগঠিত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি মোবাইল কোর্টও তাৎক্ষণিকভাবে ও স্বীকারোক্তি আদায়ের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর ৬ ও ৭ ধারার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বন করে শাস্তি দিতে পারবে, তবে অপ্রাপ্ত বয়স্ক নারী বা পুরুষের ক্ষেত্রে পারবে না, সেক্ষেত্রে বিচার ও শাস্তি হবে শিশু আদালতে।

আগে বিয়ের ক্ষেত্রে এভিডেভিড করে বয়স কম দেখিয়ে কিছু ক্ষেত্রে অপ্রাপ্ত বয়স্ককে বিয়ে দেওয়া হতো। এখন বয়স প্রমাণে এমন এভিডেভিড এর সুযোগ নেই। বৈধ কাগজপত্র হিসেবে
ক. জন্ম নিবন্ধন সনদ,
খ. জাতীয় পরিচয় পত্র,
গ. এসএসসি সার্টিফিকেট,
ঘ. জেএসসি সার্টিফিকেট,
ঙ. পিইসিই সার্টিফিকেট এবং
চ. পাসপোর্ট বিবেচনায় নেওয়া যাবে।

বয়স প্রমাণে এই কাগজপত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করায় এখন প্রতারণার সুযোগও কমে এসেছে।

সমাজ ও বাস্তবতায় বিশেষ বিধান এর প্রয়োজনীয়তা ছিল। আর, এর অপব্যবহার যেন না হয় তা নিশ্চিত করতে আইন প্রণেতাগণ অনেকগুলো নিরাপত্তা স্তর রেখেছেন।

©Collected and Modified

J N Mustakim
LL.B (Hon's), LL.M (JnU)
Research Associate
Adv Seraj & Associate
Supreme Court Of Bangladesh &
Judge Court, Chattogram
01835-047808 (Whatsapp)

State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর নতুন সংশোধনী 2023.State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2023।
12/07/2023

State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর নতুন সংশোধনী 2023.

State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2023।

মামলার বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা রোধ করার জন্য,  সম্ভবপর হলে রিমান্ড  ( পুনঃ বিচার) আবেদন নামঞ্জুর করা উচিত। দালিলিক ও মৌখিক...
09/06/2023

মামলার বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা রোধ করার জন্য, সম্ভবপর হলে রিমান্ড ( পুনঃ বিচার) আবেদন নামঞ্জুর করা উচিত। দালিলিক ও মৌখিক সাক্ষ্য যদি মামলার নথিতে যথেষ্ট থাকে, আপিল আদালত মামলা রিমান্ডে না পাঠিয়ে গুণাগুণের ভিত্তিতে মামলার সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

Order 41, Rule 23--
Remand:
In view of the long line of judicial decision is to the effect that the remand order shall be avoided as far as possible, I am unable to accept the submission of the learned Advocate for the petitioner on the point of remand since both oral and documentary evidence having been available on record to decide case on merit. The court of appeal below having decided the case on consideration of the materials on record and in accordance with law, the same calls for no interference. [27 BLT (AD) 104].

Section 107,  Order 06 and Rule 17 read with section 151 of The Code of Civil Procedure,1908:---------------------------...
08/06/2023

Section 107, Order 06 and Rule 17 read with section 151 of The Code of Civil Procedure,1908:
-----------------------------
সাধারণত যখন হাইকোর্ট ডিভিশনে কোন সিভিল মামলা আপিলেট বা রিভিশনাল স্টেজে এসে মামলার প্লিডিং এ কোন তথ্যগত সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আইনজীবীর দৃষ্টিগোচর হয় এবং তিনি যদি মনে করেন Pleading Amendment করা প্রয়োজন না হয় মামলার সংশ্লিষ্ট পক্ষের অপূরণীয় ক্ষতি হবে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশনেও অর্ডার ০৬ রুল ১৭ এবং সাথে ১৫১ ধারা (CPC) অনুযায়ী Pleading Amendment এর দরখাস্ত দিতে পারেন এবং যদি মামলার প্রকৃতি পরিবর্তিত না হয় তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত সেক্ষেত্রে মঞ্জুরও হয়। তবে এক্ষেত্রে Section 107(1) (b) অনুযায়ী মামলা পুনঃবিচারের ( remand) জন্য Lower Court এ ফেরৎ পাঠানো হয়। কিন্তু নিচের দুটি Case Law দুটি ( ১ টি হাইকোর্ট ডিভিশন, অন্যটি অ্যাপিলেট ডিভিশন) অনুযায়ী হাইকোর্ট Lower Appellate Court/ Trial Court এ মামলা Remand এ না পাঠিয়ে মামলার হাল অবস্থাতেই বিচার করতে পারেন।
যা আবার 107 (2) ধারা interprete করলেও বুঝা যায়।
========================
Remand:
----------------
It is well settled that it cannot be sent back to the trial court on remand in order to fillup the lacuna if any in the evidence on remand. [65 DLR(HCD), 500.

Remand:
-----------------
When there is no necessity of taking an additional evidence, the High Court Division can dispose of the Rule on merit without remanding the case to the appellate court. -- [19 ALR (AD), 142]

Address

Lawyers' Building, Room No/439, Kotwali, Chattogram, BD
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801827129596

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv Seraj & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Adv Seraj & Associates:

Share