অনুপ্রেরণার গল্প

অনুপ্রেরণার গল্প inspiration can make a man top of his position food from cultivation field

26/12/2025

কিস্তির দিন
আমি একজন এনজিও কর্মী।
ব্যাগে থাকে ফাইল, খাতা আর হিসাবের কাগজ—
কিন্তু বুকের ভেতর জমা থাকে মানুষের গল্প,
যেগুলো কোনো রিপোর্টে লেখা যায় না।
আজ কিস্তির দিন।
রওশন আপার চোখে লজ্জা, মুখে ভয়।
বললেন—
“ভাই, আজ একটু সময় দেন… গরুটা ম*রে গেছে।”
নিয়ম বলে কিস্তি আদায় করতে হবে।
মানবতা বলে—একটু সময় দিতে।
একটা শিশু ছেঁড়া খাতা হাতে এসে জিজ্ঞেস করল,
“চাচা, আম্মা কাঁদে কেন?”
আমি উত্তর দিতে পারিনি।
শেষ পর্যন্ত কিস্তি নিলাম।
ফাইলে টিক পড়ল,
কিন্তু মনে পড়ে রইল গভীর এক দাগ।
সন্ধ্যায় রিপোর্ট জমা দিয়ে ভাবি—
আমরা কি সত্যিই উন্নয়ন করি?
নাকি শুধু হিসাব ঠিক রাখি?
পরদিন আবার নতুন বাড়ি, নতুন কিস্তি।
কাঁধে এনজিও ব্যাগ,
আর বুকে একরাশ অপরাধবোধ।
#কিস্তিরদিন
#মাঠকর্মীরগল্প
#মানবতা_নাকি_নিয়ম
#অদৃশ্যকষ্ট

16/08/2025

✈️ বিদেশে পড়াশোনা করার ১ বছর আগের প্রস্তুতির পূর্ণ গাইডলাইন
Follow: Future English

🔎 ১. ডকুমেন্ট যাচাই ও সংশোধন

জন্মসনদ, এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স/মাস্টার্স সার্টিফিকেটে নিজের ও পিতামাতার নামের বানান ভোটার আইডি, জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটে মিলিয়ে নিন।যদি কোনো ভুল থাকে, সংশোধন অবশ্যই ১ বছর আগেই শুরু করুন, কারণ এটি সময়সাপেক্ষ।

📘 ২. পাসপোর্ট প্রস্তুত

পাসপোর্টে নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা সবকিছু জন্মসনদ ও সার্টিফিকেটের সাথে মিলিয়ে তৈরি করুন।পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তা নবায়ন করুন এবং তথ্য হালনাগাদ করুন।

📄 ৩. একাডেমিক সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট সংগ্রহ

এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স/মাস্টার্সের মূল সার্টিফিকেট ও নম্বরপত্র বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করুন।দুই সেট ফটোকপি নোটারি পাবলিক দিয়ে সত্যায়িত করুন।

🏛️ ৪. মন্ত্রণালয় সত্যায়ন (যদি দরকার হয়)

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একাডেমিক কাগজপত্র এটেস্টেশন করিয়ে রাখুন।কিছু দেশে ভেরিফিকেশন ছাড়া আবেদন গ্রহণ করে না।

📚 ৫. ইংরেজি পরীক্ষার প্রস্তুতি (IELTS/TOEFL)

আইইএলটিএস/টফেল পরীক্ষার প্রস্তুতি কমপক্ষে ৬-৯ মাস আগে শুরু করুন।কাঙ্খিত স্কোর (যেমন 6.5+/7.0+) পেতে প্রয়োজনে কোচিং বা প্রাইভেট টিউটর নিন।

🎓 ৬. স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট (SAT, GRE, GMAT) প্রস্তুতি

SAT/ACT: আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য।GRE/GMAT: মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য প্রয়োজন হতে পারে।সময়মতো প্রস্তুতি নিয়ে স্কোর নিশ্চিত করুন।

🧾 ৭. রেকমেন্ডেশন লেটার (LOR)

যেসব শিক্ষক বা সুপারভাইজার আপনাকে ভালো জানেন, তাদের কাছ থেকে ২-৩টি রিকমেন্ডেশন লেটার আগেই সংগ্রহ করুন।অফিসিয়াল প্যাডে সাইন ও স্ট্যাম্পসহ লেখা থাকতে হবে।

📝 ৮. স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) লেখার প্রস্তুতি

SOP লেখা শুরু করুন কমপক্ষে ৬ মাস আগে।নিজের একাডেমিক পটভূমি, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কেন ঐ দেশ/বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছেন এসব পরিষ্কারভাবে লিখুন।একাধিক ড্রাফট বানিয়ে সিনিয়র, মেন্টর বা কনসালট্যান্ট দিয়ে রিভিউ করিয়ে নিন।

🎯 ৯. সাবজেক্ট ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন

আপনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড ও আগ্রহের সাথে মিলে এমন ৫-১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স বেছে নিন।প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন রিকয়ারমেন্ট, স্কলারশিপ অপশন ও আবেদন ডেডলাইন ভালোভাবে রিসার্চ করুন।

💸 ১০. ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং ও বাজেটিং

পড়াশোনার খরচ (টিউশন ফি, অ্যাকমোডেশন, জীবনযাপন) ও ভিসা প্রসেসিং খরচ মিলিয়ে বাজেট তৈরি করুন।ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রস্তুত রাখুন (ভিসার জন্য প্রয়োজন)স্পন্সর থাকলে, তার নির্ভরযোগ্যতা ও ব্যাংক ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখুন।

🤝 ১১. ভলান্টিয়ারিং ও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস

ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপ বা ভিসা আবেদন সহজ করতে ভলান্টিয়ার ও সামাজিক কাজের অভিজ্ঞতা জোগাড় করুন।এর প্রমাণস্বরূপ সার্টিফিকেট/লেটার সংগ্রহ করুন।

🍳 ১২. রান্না শেখা

বাইরে যাওয়ার আগে নিজের জন্য সহজ রান্না শিখে নিন – যেমন ভাত, ডাল, সবজি, ডিম, নুডুলস।হোস্টেলে বা শেয়ার্ড অ্যাপার্টমেন্টে রান্না একান্ত দরকারি।

🚘 ১৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স

দেশে ড্রাইভিং শিখে ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন।চাইলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট (IDP) সংগ্রহ করতে পারেন।

💻 ১৪. কম্পিউটার স্কিল ডেভেলপমেন্ট

Microsoft Word, Excel, PowerPoint, Google Docs, Zoom ইত্যাদিতে দক্ষতা অর্জন করুন।

চাইলে কোর্স করে সার্টিফিকেট নিয়ে রাখুন।প্রেজেন্টেশন, এসাইনমেন্ট ও গ্রুপ ওয়ার্কে এসব খুব কাজে লাগবে।

🌐 ১৫. অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ও ইমেইল হ্যান্ডলিং স্কিল

ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে আবেদন করতে পারার মতো দক্ষতা অর্জন করুন।

Gmail ব্যবহার, পিডিএফ বানানো, ফাইল কমপ্রেস করা, ফর্ম ফিলআপ, Google Drive ব্যবহারে অভ্যস্ত হোন।

✉️ ১৬. আবেদন ও ভিসা ডেডলাইনের ট্র্যাক রাখা

প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লিকেশন ডেডলাইন, স্কলারশিপ ডেডলাইন ও ভিসা টাইমলাইনের জন্য একটা গুগল শিট বা নোটবুক রাখুন।সময় মতো ফাইল সাবমিশন নিশ্চিত করুন।

📂 ১৭. একাডেমিক পোর্টফোলিও বানানো (বিশেষ করে মাস্টার্সের জন্য)

নিজের সব একাডেমিক কাগজপত্র, কোর্সওয়ার্ক, প্রজেক্ট, রিসার্চ এক জায়গায় সাজিয়ে রাখুন।

14/08/2025

যে কাজগুলো অফিসে কখনই করা উচিৎ নয়

অফিস মানেই দায়িত্ব, শৃঙ্খলা আর পেশাদারিত্ব। এখানে শুধু কাজ নয়, সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক, নিয়ম মানা এবং নিজের ভাবমূর্তি গঠনের ক্ষেত্রেও অফিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু কিছু অভ্যাস বা আচরণ আছে, যেগুলো অজান্তেই আমাদের বিপদে ফেলতে পারে, সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে, এমনকি চাকরি হারানোর কারণও হতে পারে!

চলুন জেনে নিই এমন কিছু কাজ যা অফিসে কখনই করা উচিত নয়

১. গসিপ বা পরনিন্দা করা
অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়, তা আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা ও সম্মান নষ্ট করতে পারে।
২. অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার
চ্যাট, সোশ্যাল মিডিয়া বা ব্যক্তিগত কল নিয়ে ব্যস্ত থাকলে কর্মদক্ষতা কমে যায় এবং বস ও সহকর্মীরা বিরক্ত হতে পারেন।
৩. দেরিতে আসা বা সময় অপচয় করা
প্রতিদিন দেরিতে অফিসে আসা বা কাজে ঢিলেমি দেয়া আপনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়।
৪. রেগে গিয়ে ঝগড়া করা
বিরোধ হলে তা শান্তভাবে মিটিয়ে নেওয়াই পেশাদারিত্বের পরিচয়। হুট করে রেগে যাওয়া বা তর্কে জড়ানো অফিস পরিবেশ নষ্ট করে।
৫. গোপন তথ্য ফাঁস করা
অফিসের ভেতরের নীতিমালা, ক্লায়েন্ট ডেটা বা আর্থিক তথ্য বাইরে প্রকাশ করাটা গুরুতর অপরাধ।
৬. অফিসে ঘুমানো বা অলস থাকা
হালকা ক্লান্তি থাকলেও অফিসে ঘুমিয়ে পড়া মোটেই পেশাদার আচরণ নয়। এটা দায়িত্বহীনতার পরিচয়।
৭. মিথ্যা বলা বা দোষ চাপানো
নিজের ভুল অন্যের ঘাড়ে চাপানো বা বসকে মিথ্যা বলা, এইসব আচরণে আপনার প্রতি বিশ্বাস ভেঙে যায়।
৮. নিজের জায়গা অপরিচ্ছন্ন রাখা
ডেস্ক, ক্যান্টিন বা অফিস স্পেস অপরিচ্ছন্ন রাখলে তা আপনার অসচেতন মানসিকতা ফুটিয়ে তোলে।

অফিসে আপনার আচরণই বলে দেয় আপনি কতটা পেশাদার, দায়িত্বশীল ও সম্মানযোগ্য। কিছু ভুল কাজ না করলেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন সবার প্রিয় ও নির্ভরযোগ্য সহকর্মী। তাই সাবধান হোন, সচেতন থাকুন এবং নিজেকে একজন আদর্শ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলুন!

07/08/2025

টিপস গুলো সবসময় লাগবেইঃ🥀

👉বমি বমি ভাব হচ্ছে?
চোখ বন্ধ করে,অন্ধকার রুমে শুয়ে থাকুন কিছুক্ষণ,কিছুটা লেবু খেতে পারেন।

👉প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করছে?
২.৫-৩ লিটার পানি খান।প্রস্রাব আটকে রাখবেন না।ডায়াবেটিস হয়েছে কিনা চেক করুন।

👉হেঁচকি উঠেছে?
১-২ গ্লাস পানি খেয়ে ফেলুন কিংবা ২০-৩০ সেকেন্ড শ্বাস নেয়া বন্ধ রাখুন।

👉কোষ্ঠকাঠিন্য হচ্ছে?
২.৫-৩ লিটার পানি ও প্রচুর শাকসবজি খান,খাবারের পর ৩০-৪০ মিনিট হাঁটুন।

👉পা ফুলে গেছে?
রাতে ঘুমানোর সময় পায়ের নিচে বালিশ রেখে ঘুমান।তাতে পায়ের ফোলা কমবে।

👉ঘাড়ে ব্যথা?ঘাড় কামড়ায়?
নরম বালিশ ও নরম বিছানা পরিহার করুন।গরম পানির ব্যাগ দিয়ে সেক দিন।

👉হাটতে সমস্যা নেই,হাটতেও ভাল লাগে?
হাটুন,হোক সেটা ১-২ ঘন্টা কিংবা ৩০মিনিট।

👉গাড়ীতে চড়লে বমি হয়?
গাড়ী চড়ার সময় কোন লেখা পড়বেন না।মোবাইলে চ্যাট করবেন না যা আপনার মোশন সিকনেসকে উদ্রেক করবে।

👉হঠাৎ পায়ের গোড়ালি মচকে গেছে?
বরফের সেক দিন এবং পায়ের নিচে বালিশ রেখে সোজা হয়ে শুয়ে থাকুন।

👉করেন তো?

প্রাথমিকভাবে এসব করেও কাজ না হলে তাহলে ডাক্তার দেখান।

14/04/2025

আপনার হাতে যদি পরিবারকে নিয়ে চলার মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ থাকে …

মাথা গোজার মতো মোটামুটি মানের একটা আবাস থাকে …

আর তিন বেলা খাওয়ার মতো সামর্থ্য থাকে …

তাহলে মেনে নিন পৃথিবীর সুখী মানুষের তালিকায় আপনি একজন ।

এর জন্য আপনাকে দেশের সেরা মেডিকেলে ভর্তি হতে হবে না ।

নট নেসেসারি আপনাকে বুয়েটিয়ানই হতে হবে ।

এবং এইটাও জরুরী না যে আপনাকে ঢাবি থেকেই বড় আকারের একটা সাবজেক্ট নিয়ে অনার্স মাস্টার্স পাস করতে হবে ।

এরপর দুলকি চালে একটা স্কলারশিপ নিয়ে দেশের বাইরে যেতে হবে । নাহ … একদম জরুরী না এগুলো । অন্তত বেঁচে থাকার জন্য তো নয়ই ।

ঢাবিতে দুইবার এক্সাম দিয়েছিল । চান্স হয় নাই । জীবন কি তাকে আটকে রেখেছে ভাই ? খবর নিয়ে দেখুন জীবন তাকে আটকে রাখে নাই । বাংলাদেশে এমন অনেক মানুষ পাবেন ,যারা ঢাবি থেকে না পড়েও , একজন ঢাবি গ্র্যাজুয়েট থেকে ঢের বেশি টাকা ইনকাম করছে ।

একটা ছেলেকে দেখলাম ।
শুধু সিজনাল ম্যাঙ্গো বিজনেস করে যে টাকা কামায় , সেটা আমার সারা বছরের ইনকামের সমান । তাহলে আমি কেন করছি না ? ওই যে , আমার আগ্রহ অন্য জায়গায় ।

যারা ফার্মাতে বিভিন্ন ধরনের ল্যাব ইকুইপমেন্ট সাপ্লাই করে তাদেরকে বলা হয় সাপ্লাইয়ার । তো এমনই একজন তরুণ সাপ্লাইয়ারের সাথে কথা বলছিলাম ।

-পড়াশুনা কই থেকে করলেন ? বুয়েট ? নাকি ঢাবির আইবিএ ?

-না ভাই আমি তো একটা বেসরকারী থেকে পড়াশুনা করলাম ।

- আপনার বিজনেস স্ট্র্যাটেজি দেখলে মনে হয় আপনি অনেক বড় জায়গা থেকে আসছেন ।

-বড় প্রতিষ্ঠানে পড়লেই কি কেউ বড় বিজনেসম্যান হয় ?

কথাটা আমার ভালো লেগেছে ।

সফলতাকে আসলে বিসিএস ক্যাডার ,ঢাবি , বুয়েট , ঢাকা মেডিকেল , মেধা তালিকা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এই শব্দগুলোর মধ্যে আবদ্ধ করে রাখা উচিত না ।

জীবনটা সফলতার এই ডেফিনেশন থেকেও আরো অনেক বড় ।

মেধা তালিকা থেকে বাদ পড়ে কারো জীবন আটকে থাকে না ।

৭০ হাজার টাকার জব না করেও অনেকেই দিব্যি ভালো আছে ।

বিসিএসটা যার হলো না সেও কোন না কোন ভাবে জীবন চালিয়ে নিচ্ছে ।

আমরা সেটা দেখি না । বলা ভালো আমাদের সেটা দেখানো হয় না ।

জীবনে আমি এমন অনেক সন্ধ্যা এক্সপ্লোর করেছি ,যখন আমাকে মেধা তালিকায় থাকার চাপ নিতে হয়নি । পতেঙ্গাতে গিয়ে মন ভরে শ্বাস নিয়েছি ।

কীর্তনখোলার জলে পা ডুবিয়েছি ।

ন্যাশনালে যে ছেলেটা ম্যাথ নিয়ে পড়ছে , সে শুধু আজকে থেকে এইটা ভাবা বাদ দিক তার পাব্লিকে চান্স হয় নি । দেখবেন ঠিক সেই দিনটা থেকেই তার মধ্যে থাকা গ্লানিটা কেটে যেতে শুরু করেছে ।

আজকে যার সরকারী চাকুরিটা হলো না, সে শুধু এটা ভাবা বাদ দিক , সরকারি জবটা হলো না । দেখবেন তার মধ্যে ভিন্ন রকম একটা এনার্জি কাজ করছে ।

আমরা যে পশ লাইফটা সোশ্যাল সাইটে পোট্রে করি , এর বাইরেও একটা সুন্দর জীবন আছে ।

সেই জীবনে সুন্দর একটা বিকেল আছে ।

সেই বিকেলের পরে সুন্দর একটা সন্ধ্যা আছে ।

আর সেই সন্ধ্যার শেষে একটা সুন্দর রাত আছে । একটা গ্লানিহীন রাত । একটা শান্তির ঘুমের রাত ।

একটা কথা মাথায় রাখুন , যে জিনিস সৎ ভাবে চেষ্টা করেও আপনি পান নাই , উপরওয়ালা সেটার বিপরীতে আপনার সাফল্য লিখে রাখেন নাই ।

বরং আপনার এই সততাটুকু তিনি এমন এক জায়গায় কাজে লাগিয়ে দেবেন যে , জীবনের একটা সুন্দর সন্ধ্যায় এসে আপনি আবিস্কার করবেন , আল্লাহ আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো পজিশনটা সবচেয়ে ভালো সময়ে দান করেছেন ।

তখন সেই কৃতজ্ঞতা কিভাবে প্রকাশ করবেন সেটা নিয়ে ভাবুন ।

ধন্যবাদ ।

14/04/2025

১. যত দ্রুত সম্ভব, শুরু করুন: বুড়ো বয়সে ‘যৌবনে কি-ই না করতে পারতাম!’—এই আফসোস যেন আপনাকে না ভোগায়। তাই বিল গেটস সব সময় বলেছেন, ‘শুরু করুন।’ যে ‘আইডিয়া’ আপনি মাথায় নিয়ে বসে আছেন, সেটা কাজে লাগিয়ে হয়তো কয়েক বছর পর অন্য কেউ সফল হবে। ছাত্রজীবন থেকেই স্বপ্নপূরণের শুরুটা হলে আপনার সফলতার সম্ভাবনা যতটুকুই থাকুক, অন্তত হাল ছেড়ে দেওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে।

২. প্রতিদিন নিজের সেরাটা দিতে হবে: বিল গেটস বলছেন, ‘জীবনটা সেমিস্টার হিসেবে ভাগ করা নেই, যে দশ সপ্তাহ পর পর আপনি ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনকি এখানে “ব্রেক” বলেও কিছু নেই।’ অতএব, প্রতিদিন আপনাকে আপনার সেরাটাই দিতে হবে।

৩. নিজেই নিজের বস হোন: আপনি নিজেই যদি নিজের স্বপ্নপূরণের কাজে না নামেন, অন্য কেউ তাঁর স্বপ্ন পূরণে আপনাকে নিয়োগ করবে। তার চেয়ে বরং এই শ্রম নিজের স্বপ্নপূরণের পেছনে খরচ করুন।

৪. ‘না’ বলা শিখুন: আপনি যতই প্রতিভাবান হোন না কেন, দিনে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় আপনি পাচ্ছেন না। এই ২৪ ঘণ্টা কে কীভাবে ব্যবহার করে, সেটাই সফল এবং অসফল মানুষের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে এক বক্তব্যে একবার বিল গেটস বলেছিলেন, ‘জীবনের সেরা উপদেশ আমি পেয়েছি আমার বন্ধু ওয়ারেন বাফেটের কাছ থেকে। সে বলেছিল, তোমাকে “না” বলতে জানতে হবে।’ বিল গেটস মনে করেন, কখনো কখনো ‘না’ বলতে পারা আপনাকে লক্ষ্যে অবিচল থাকতে সাহায্য করবে।

৫. প্রতিজ্ঞ হোন, প্রত্যয়ী হোন: সব সফল উদ্যোক্তাই জোর দিয়ে এই পরামর্শ দিয়েছেন। যে কাজটি করছেন, তার প্রতি ভালোবাসা থাকতেই হবে। সফল মানুষেরা একমাত্র ভালোবাসা দিয়েই কঠিন কাজটাকে সহজে করেন।

৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, জীবনই সেরা স্কুল: যত বই-ই পড়েন না কেন, শিক্ষাজীবনে যত পরীক্ষাই দেন না কেন—এসব কখনোই পুরোপুরি আপনাকে সত্যিকার জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা শেখাবে না। নিজের জীবন থেকে শিখেই তৈরি হতে হবে।

৭. আশা হারাবেন না: লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে হতাশাবাদী হলে চলবে না। বরং সব সময় আশাবাদী হতে হবে। ২০১৩ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিল গেটস বলেছিলেন, ‘আশাবাদ অনেক সময় মিথ্যে আশায় পরিণত হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, “মিথ্যে হতাশা” বলেও কিছু আছে।’

৮. সমালোচনাকে স্বাগত জানান: বিল গেটস তাঁর বিজনেস অ্যাট দ্য স্পিড অব থট বইয়ে সমালোচনার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, অভিযোগ আর অসন্তুষ্টি আপনাকে আরও ভালো করার সুযোগ করে দেয়। তিনি লিখেছেন, ‘আপনার সবচেয়ে অসন্তুষ্ট কাস্টমাররাই আপনার শেখার সবচেয়ে বড় উৎস।’

৯. সাফল্যের হিসাব করুন: ২০০৩ সালে বিল গেটস দ্য মোস্ট পাওয়ারফুল আইডিয়া ইন দ্য ওয়ার্ল্ড নামে একটা বই থেকে তাঁর শিক্ষা কী, তা বলেছেন। ‘আপনি যদি একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করে সব সময় হিসাব করেন, আপনি কতটুকু এগোলেন, তাহলেই লক্ষ্যে অবিচল থাকতে পারবেন।’ সঙ্গে তিনি এ-ও যোগ করেছেন, ‘এটা বলা যত সহজ, করা ততটাই কঠিন।’

১০. জীবনটা সহজ নয়, এটা মেনে নিন: আপনি যতই কঠোর পরিশ্রম করেন না কেন, এমন একটা সময় নিশ্চয়ই আসবে, যখন সবকিছু আপনার মনমতো হবে না। সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। আপনি পড়ে যাবেন, কিন্তু আপনাকে আবার দাঁড়াতে হবে।

11/04/2025

#মুদি দোকান করার ইচ্ছে যাদের আছে তারা সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে শুরু করতে পারলে অন্যদের তুলনায় সফলতার হার বেশি থাকবেঃ

#মুদি দোকান হচ্ছে ব্যবসা জগতের প্রথম ও সহজ একটা ধরন। যেকেউ চাইলে শুরু করতে পারে যখন তখন।
তবে ভালো প্ল্যান ও প্রস্তুতির মাধ্যমে লস এর হাত থেকে বাচা যেতে পারে, এমন কি অন্যদের তুলনায় বেশি লাভবান হওয়া যেতে পারেঃ
#আসুন দেখি কি কি ধাপ অনুস্মরণ করলে মুদি দোকান করে সফলতা অর্জন করা যাবেঃ
______________________________
১। পরিকল্পনা ও বাজেট তৈরিঃ
[] দোকানের আকার ও অবস্থান ঠিক করুন (বাসার নিচে/বাজারে/পাড়া-মহল্লায়)।
[] কেমন পুঁজিতে শুরু করবেন (প্রাথমিক বাজেট: ৫০ হাজার – ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত)।
[] কোন কোন পণ্য রাখবেন তা ঠিক করুন (নুডলস, চাল, ডাল, আটা, ময়দা, তেল, মসলা, বিস্কুট, সাবান, শ্যাম্পু ইত্যাদি)।
______________________
২। লোকেশন নির্বাচনঃ
[] বাজারের কাছাকাছি বা জনবহুল এলাকায় দোকান হলে বেশি লাভজনক।
[] আশেপাশে একই ধরনের দোকান কতগুলো আছে তা দেখে সিদ্ধান্ত নিন।
__________________________________
৩। দোকান সাজানো ও ইন্টেরিয়রঃ
[] তাক, শেলফ, কাচের কাউন্টার বানাতে হবে।
[] পণ্যের ধরন অনুযায়ী আলাদা আলাদা জায়গা নির্ধারণ করুন।
[] আলোর ব্যবস্থা ভালো রাখুন (গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে)।
_______________
৪। পণ্য সংগ্রহঃ
[] হোলসেল মার্কেট থেকে পণ্য কিনুন (যেমন: মৌচাক, চকবাজার, কাওরান বাজার)।
[] কোম্পানির প্রতিনিধি বা পরিবেশক থেকে পণ্য নিলে সঠিক মূল্যে পণ্য পেতে পারেন।
[] ভালো সম্পর্ক ও ভালো লেনদেন থাকলে থাকলে হোলসেল/পরিবেশক থেকে ক্রেডিট সুবিধাতেও পণ্য কেনা যায়।
____________________________________________________
৫। লাইসেন্স ও কাগজপত্র (যদি বড় পরিসরে হয়) ঃ
[] ট্রেড লাইসেন্স (সিটি কর্পোরেশন/ইউনিয়ন অফিস থেকে)।
[] টিন নম্বর/ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন (বড় দোকানের ক্ষেত্রে)।
____________________________________
৬। দাম নির্ধারণ ও লাভের হিসাবঃ
[] প্রতিটি পণ্যে সাধারণত ৫% – ২০% লাভ রাখা যায়।
[] কিছু আইটেমে কম লাভ হলেও ক্রেতা ধরে রাখার জন্য রাখতে হয়।
_____________________
৭। কর্মী ও নিরাপত্তাঃ
[] দোকান বড় হলে ১-২ জন কর্মী রাখুন। অবশ্যই সত হতে হবে।
[] সিসি ক্যামেরা বা ক্যাশ মেশিন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা বাড়ে।
[] দোকান বন্ধের সময় ঝিলিক বাল্ব জালিয়ে রাখুন।ঘুরতে থাকে লাল/নিল/সবুজ/ বিভিন্ন কালার। এতে ইদুর ঢুকবেনা। ইদুর ভয়ে পালিয়ে যাবে ঘর থেকে।
__________________________
৮। প্রমোশন ও পরিচিতিঃ
[] এলাকাবাসীকে জানান যে নতুন দোকান এসেছে।
[] ডিসকাউন্ট বা অফার দিলে প্রথম দিকে বেশি ক্রেতা পাওয়া যায়।
[] লিফলেট বানান। শুক্রবারে নামাজের পর মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে সকল মুসল্লির হাতে হাতে লিফলেট দিন দোকান পরিচিতির।
[] প্রথম ১ মাসের লটারি পুরস্কার শুরু করে তাক লাগিয়ে দিতে পারেন। ৫ হাজার টাকার বাজার করলেই ২০০/- বা ৩০০/- সমমূল্যের পুরস্কার ঘোষনা করুন। এতে অন্য দোকানের অনেক ক্রেতা আপনার এখানে প্রথম বার এসে ভীর করবে।
__________________________
৯। বাকি বা ক্রেডিট নিয়ন্ত্রনঃ
[] যেকোন এলাকায় মুদি ব্যবসা শুরুউ করলে বাকি বা ক্রেডিট একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই আমাদের কে বিবেচনা করেই কাজ শুরু করতে হবে। এটা একেবারে বন্ধ করে এই ব্যবসায় বাংলাদেশের মার্কেটে টিকে থাকা কঠিন।
[] ক্রেডিট যাকে দিচ্ছেন তাকে অবশ্যই চিনতে হবে। তার ঠিকানা ও ফোন নম্বর ক্রেডিট খাতায় নামের পাশে লিখে রাখবেন। এমন কি পরিবারের অন্য একজনের নম্বর নিয়ে সেটাও পাশে লিখে রাখবেন।
[] ক্রেডিট টা কে একেবারে ওপেন করা যাবেনা। যেমন যে বা যিনি মাসিক ক্রেডিট নিচ্ছেন তার লিমিট করে রাখবেন। লিমিট শেষ হবার আগেই ক্রেডিট বন্ধ করতে হবে এবং পূর্বের ক্রেডিট উত্তলনের জন্য অনুরোধ করবেন।
[] কিছু দুষ্টু ক্রেতা আছে যাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে বিভিন্ন দোকান থেকে ক্রেডিট নিয়ে সেটা সঠিক সময়ে ফেরৎ না দেয়া। ঐসকল ক্রেতা কে ক্রেডিটের আওতা থেকে বাদ দিবেন।
[] ক্রেডিট নেয়া কোন ক্রেতা ১ মাসের মধ্যে দোকানে না আসলে তার খোজ নিন । প্রয়োজনে ঐ ক্রেতা অন্য দোকান থেকে কেনাকাটা চালু করলে ঐ দোকান কে ঐ ক্রেতা সম্পর্কে জানিয়ে রাখুন।
___________________________________
১০। সততা ও নিষ্ঠাঃ
[] সুযোগ থাকলেও কোনরূপ প্রতারণা করা যাবেনা কোন কাস্টমারের সাথে। এতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায় ধীরে ধীরে ক্রেতা সূন্য হতে পারে।
[] ওজনে কম দেয়া যাবেনা। এম আর পি থেকে কোনভাবেই বেশি নেয়া যাবেনা। মেয়াদ উত্তীর্ন পণ্য বিক্রি করা যাবেনা। এতে সুনাম বাড়বে এবং আস্থা বাড়বে । ক্রেতার ভীর বাড়বে ইনশাল্লাহ!

ধন্যবাদ।
আহমেদ হালিম।

02/04/2025

লম্বা সুতা আর লম্বা কথা,প্যাচ,লেগেই যায় তাই,সুতা যতই গুছিয়ে রাখা যায়,আর কথা, যতোটা কম বলা যায়!

28/03/2025

প্লেন ত আমি ও কিনতে পারি,
কিন্তু কিনি না কারন পরে আত্মীয় স্বজনরা বলবে বাড়ির উপর দিয়ে গেলি একটু দেখা ও করলি না।

17/03/2025

আছিয়ার মৃ"ত্যু"র সত্য ঘটনা উদঘাটনঃ
এক জায়গায় পেলাম তাই শেয়ার করলাম।
আমি সবটা জানি। সেদিন রাত্রে কি ঘটেছিল। শুধু সে রাত্রে নয়। প্রতি রাত্রে কি ঘটেছে তোমার শশুর বাড়িতে। সেসব কথা আমি বলবো নাকি তুমি নিজেই বলবে?
এবার আফিয়া বসে পরে। অপরাজিতার পায়ে ধরে। আপা কিছু বলেন না। আমার ছোট বোনের জীবনতো শেষ হয়েছে। আমার জীবন নষ্ট হতে দিয়েন না।
উৎসুক জনতা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ কি কথোপকথন হয়েছে যে, আফিয়া পল্টি খাইয়া গেল?
তাঁরদিকটা একবার দেখে নিল অপরাজিতা। তাঁরপর আফিয়ার দুই কাঁধে হাত রেখে উঠিয়ে নেয়।
তাঁরপর বলে, দুর পাগলী। তোমার কিছুই হবে না।
ধর্ষকরা তো ধরা পরেছে।
তাছাড়া যারা অপরাধ করেছে তাদের দোষ, তুমি অকারণে ভয় পাচ্ছো কেন? আমি, আমরা সবাই, পুরো দেশবাসি তোমার পাশে আছি, তোমার সাথে থাকবো। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছড়বো না।
এবার ওড়না দিয়ে মুখ লুকিয়ে রাখে আফিয়া।
অপরাজিতা আফিয়ার মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিয়ে বলে, তুমি চাও না আছিয়া সঠিক বিচার পাক? অপরাধীরা শাস্তি পাক?
জী আপা চাই।
তাহলে মুখ খোল। সত্যি কথা বলে দাও। সবাই জানুক সত্য ঘটনা।
আফিয়া এবার ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা তারঁ দিকে তাকিয়ে আছে?।
আফিয়া আবার দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকে। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে।
অপরাজিতা বলে, কাঁদো। কেঁদে কেঁদে হাল্কা হও।নিজের মাধ্যে সাহস ফিরে আনো। শক্ত হয়ে দাঁড়াও। মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে উঠাও। চিৎকার করে বলো, আমি মানুষ। আমারও আছে ভালোভাবে বাঁচার অধিকার।
আফিয়া ওড়নার আঁচলে মুখ মুছে নেয়।তাঁরপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়ায়।
সাংবাদিক ভাইদের বলে, শোনেন আমার ও আমার ছোট বোনের সাথে কি ঘটেছিল সেই রাত্রে।

আফিয়া নির্ভয়ে বলে, আমি আফিয়া। বাবা মায়ের প্রথম কন্যা সন্তান। অভাবের সংসার আমাদের। তাই পড়া শোনা করা হয়নি।একটি ভালো সমন্ধ আসায় অল্প বয়সে মা বাবা আমাকে বিয়ে দেয়। আমি প্রথমে বিয়ে করতে রাজি হইনি। সবাই আমাকে বোঝায়, অভাবের সংসারে একজন খাওয়ার মানুষ কমলে ছোট ভাই বোনেরা ভালো খেতে পারবে। তাই আমি রাজি হয়েছি।
বিয়ের প্রথম দিন থেকেই আমার শশুরের কুনজর বুঝতে পারছি। রাত্রে বিছানায় স্বামী ব্যাবহারের পর আমাকে পোশাক পরতে না দিয়ে রুমের বাহিরে যায়। তারপর অন্ধকারে আমার শরীরের উপর কারো উপস্থিতি বুঝতে পারছি। এটাও খেয়াল করি এখন যে আছে সে আমার স্বামী না। অন্য পুরুষ। কিন্তু কে তা বুঝতে পারছি না। আমার ছোট শরীর। স্বামীকে সহ্য করাই অসম্ভব। তাঁরপর আরেক জন। আমি ব্যাথায় কুকরে উঠি। চিৎকার করার চেষ্টা করি। কিন্তু আমার মুখ চেপে ধরে। ফিসফিস করে আমাকে চুপ করতে বলে। মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এবার কন্ঠ চিনতে পারি। এ কন্ঠ আমার শশুরের কন্ঠ।
তাঁরপর সে ছেড়ে চলে গেলে আবার আরেক জন আসে। একেও চিনতে পারি। সে হচ্ছে আমার দেবর। এরপর আমার স্বামী ভিতরে আসে। তাঁকে বিষয়টি জানালে, সে রেগে যায়। বলে সে ছাড়া ঘরে আর কেউ আসেনি।
পরের দিন শাশুড়ীকে জানালে বলে, আমি স্বপ্ন দেখেছি।
এভাবে প্রতি রাত্রেই আমার স্বামী, শশুর ও দেবর আমাকে ধর্ষণ করে।
আমি স্বামীকে বললে মারধর করে। আর শাশুড়ীকে বললে বলে ভুতের আছর আছে। ভুত প্রতি রাত্রে আসে আমার কাছে।
তাঁরপর বাড়িতে আসলে মাকে জানাই বিষয়টি। মা বিষয়টি বিশ্বাস করেনি। ভেবেছে মেয়ের বয়স কম তাই স্বামীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই স্বান্তনা দেয়। সময় হলে সব ঠিক হবে।
আছিয়ার বড় বোন শশুর বাড়িতে যেতে চাচ্ছে না দেখে ছোট বোন আছিয়াকে সাথে পাঠায়।
সে আবার বলে, আছিয়াকে আমার শাশুড়ী সাথে রাখতে চায়। কিন্তু আমি দেইনি।
আছিয়া পাশে থাকা অবস্থায় ওই ঘটনার আগেন রাত্রে একইভাবে আমার স্বামী দরজা খুলে বাথরুমে যায়। তাঁরপর আমার শশুর ঘরে আসে। স্বামীকে দেখাতে হবে এটা ভুত না, তাঁর বাপ। এটা ভেবেই আমি আছিয়াকে পা দিয়ে ধাক্কা দেই। কয়েকবার ধাক্কা দেওয়ার পর আছিয়া জেগে যায়। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে বুঝতে পারে। সে বিছানা থেকে নেমে গিয়ে রুমের লাইট জালিয়ে দেয়। তখুনি আমার শশুরকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়। আছিয়া সাথে সাথে বলে, তালোই আপনি এঘরে কেন? আর এ অবস্থায় কেন?
তখন শশুর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘরে আসে। তখন আমাদের মাঝে ঝগড়া হয়। আমার স্বামী আমাকে মারধর করে।
আমাকে মারে আর নিষেধ করে, একথা যেন কাউকে না বলি। কিন্তু আছিয়া বলে সে আব্বা মার কাছে সব বলে দিবে। এদিকে মারামারির শব্দ শুনতে পেয়ে লোকজন চলে আসে। তখন আছিয়াকে এক ঘরে আটকে রাখে হাত পা ও মুখ বেঁধে রেখে। কাউকে বুঝতে দেয়না আছিয়াার কথা।
আর আমার কথা বলে ভুতে ধরেছে তাই স্বামীকে সন্দেহ করে। লোকজনও তাই বিশ্বাস করে। ততক্ষণে সকাল হয়েছে।
এদিকে আফিয়ার শশুর বুঝতে পারে, যে আছিয়া বাড়িতে ফিরে সব বলে দিবে। আছিয়াকে বলতে দেওয়া যাবে। তাই তাকে আটকে রাখে। রাত্রের অপেক্ষা করে।
সন্ধ্যার পর লোকজন ঘুমিয়ে পরলে, গভীর রাত্রে আছিয়াকে ধ"র্ষ"ণ করতে যায়।
আছিয়াকে কতটা নির্মমভাবে ধ*র্ষ"ণ করা হযেছিল আজকে সেটার বর্ণনা দিয়েছে ডাক্তাররা। চিকিৎসারত ডাক্তার বলেছে - আছিয়া যেহেতু বাচ্চা মেয়ে তাই তার পো"প"না"ঙ্গের ডেপথ খুবই ছোট।
সেজন্যে ধ*র্ষ"ককরা কিছুটা ধারালো ব্লেড/ কাঠি দিয়ে গো'প"না"ঙ্গে ছিদ্র করার চেষ্টা করেছিল। সে ছিদ্রটা ছিল আনুমানিক ৫ সে.মি. গভীর।
তারপর গো"প"না"ঙ্গের একদম ভিতরের দিকে অনেকগুলো স্ক্রেচ করা হয় এবং সেটা করা হয় একদম সূক্ষ্মভাবে, অনেকটা সময় নিয়ে।
একাজ করার সময় তার নাক-মুখ চেপে ধরা হয়েছিল যাতে কোনরকম চিৎকার করতে না পারে। তারপর মানুষ চলে আসার আওয়াজ পেয়ে আরেকজন গলা চেপে ধরেছিল মেরে ফেলার জন্যে।
আর এজন্যেই অক্সিজেনের অভাবে অজ্ঞান হয়ে পড়ে মেয়েটা। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল তখন।
এ নির্মম বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কণ্ঠস্বর কাঁপছিল ডাক্তারের। তিনি বলছিলেন - 'এরকম কন্ডিশনে ভিক্টিম স্পটেই মারা যায়। এ মেয়েটা যে এখনও বেঁচে তাতেই অবাক হচ্ছি আমি।'
তাহলে এবার বুঝুন কতটা অমানবিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল বাচ্চা মেয়েটাকে। একে একে শশুর, স্বামী ও দেবর তিনজনেই পালাক্রমে ধ"র্ষ"ণ করে আছিয়াকে। আর পর জিজ্ঞেস করে কাউকে বলবি? আছিয়া ক্ষীণ কন্ঠে বলে, আপনারা খারাপ। আমি বলবোই।
এবার সিদ্ধান্ত নেয় আছিয়াকে মে"রে ফেলার। আছিয়া প্রাণপনে চিৎকার করে আর বলে আপনারা খারাপ।
আছিয়ার চিৎকার বন্ধ করার জন্য গলা চেপে ধরে । আছিয়া অতিরিক্ত র"ক্ত"ক্ষ"রণের কারনে আর ব্যাথায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওরা ভেবেছে আছিয়া মরে গেছে।
এবার তারা আফিয়ার নিকট আসে। প্রতি রাত্রের মতো তিনজনই আফিয়া ধ"র্ষ"ণ করে। এবার তারা বলে তুই একথা কাউকে বললে তোরও অবস্থা তোর বোনের মতো হবে। আফিয়া সাক্ষাৎ মৃ"ত্যু দেখে ভয়ে কাঁপছে। আর লজ্জায় তাঁর ধ"র্ষ'ণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার ভয়ে সে উল্টো পাল্টা কথা বলেছে। এব্যাপারে তাঁকে ইন্ধন দিচ্ছে তাঁর ও আছিয়ার দাদী।
সত্য ঘটনা হচ্ছে এই, শুধু আছিয়া ধ"র্ষ"নের স্বীকার হয়নি তাঁর চাইতেও ভয়ংকর রকমের নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে আছিয়ার বড় বোন। আছিয়া ম"রে হয়তো বেঁচে গেছে কিন্তু আছিয়ার বড় বোন বেঁচেও ম"রার মতো বেঁচে আছে।

17/03/2025

যারা এলার্জি চর্মরোগ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ভুগছেন তারা প্রথমেই বরই গাছের কাছে গিয়ে কিছু পরিমান পাতা ছিঁড়ে বাসায় এনে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। এরপর এই পাতাগুলোকে ব্লেন্ডার করে চা কাপের হাফ গ্লাস পরিমাণ রস করে এই রসের সাথে এক চামচ পরিমান কালো জিরার গুড়া মিশাবেন।
রস হয়ে যাওয়ার পর প্রতিদিন এই বরই পাতার রস বানিয়ে রাতে ঘুমানোর আগেই খেয়ে ফেলবেন। এভাবে শুধু সাতদিন করুন দেখবেন চর্ম রোগ জনিত যেকোনো সমস্যা চিরতরে গায়েব হবে। ইনশা আল্লাহ।

Address

Poyat
Burichang
3500

Telephone

+8801946682641

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনুপ্রেরণার গল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অনুপ্রেরণার গল্প:

Share

Category