Jubayer,s Law Firm

Jubayer,s Law Firm All kinds of civil and criminal solve center. Specially who lives in district of Bramanbaria peoples
will get special facility. Specially poor peoples

আল্লাহ কেন বান্দাকে পরীক্ষা করেন?আল্লাহ তাআলা বান্দাকে পরীক্ষা করেন নানা উদ্দেশ্যে, যা কুরআন ও হাদীসে সুস্পষ্টভাবে উল্লে...
06/10/2025

আল্লাহ কেন বান্দাকে পরীক্ষা করেন?

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে পরীক্ষা করেন নানা উদ্দেশ্যে, যা কুরআন ও হাদীসে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। এই পরীক্ষার পেছনে রয়েছে প্রজ্ঞা, রহমত ও ঈমান যাচাইয়ের এক মহামূল্যবান দিক।

১. ঈমান যাচাই করার জন্য:
আল্লাহ বলেন,
“মানুষ কি ধারণা করে যে তারা ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে এবং পরীক্ষা করা হবে না?”
(সূরা আল-আনকাবূত: ২)
অর্থাৎ কেবল মুখে ঈমান বললেই নয়, বরং বাস্তবে বিপদ-আপদে কেমন স্থির থাকে, তাই দ্বারা ঈমানের সত্যতা যাচাই হয়।

২. গুনাহ মোচন ও আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য:
রাসূল ﷺ বলেন,
“মুমিন পুরুষ ও নারীকে আল্লাহ তার নিজের, সন্তান বা সম্পদের মাধ্যমে পরীক্ষা করেন, এমনকি মৃত্যুর সময় তার কোনো গুনাহ অবশিষ্ট থাকে না।”
(তিরমিজি)

৩. সত্যিকার মুমিন ও মুনাফিক আলাদা করার জন্য:
পরীক্ষা প্রকাশ করে কার ঈমান দৃঢ় আর কারটা স্বার্থসংশ্লিষ্ট।

৪. ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার শিক্ষা দেওয়ার জন্য:
কষ্টে ধৈর্য, সুখে কৃতজ্ঞতা—এই দুটোই ঈমানের পরিপূর্ণতা।

৫. মর্যাদা বৃদ্ধি করার জন্য:
নবীদের জীবনেই ছিল সর্বোচ্চ পরীক্ষা, আর তাতে ছিল সর্বোচ্চ মর্যাদা।
রাসূল ﷺ বলেন,

“সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা দেওয়া হয় নবীদেরকে, তারপর তাদের নিকটবর্তীকে।”
(তিরমিজি)

৬. অন্তর পরিশুদ্ধ করার জন্য:
আল্লাহ বলেন,
“আল্লাহ মুমিনদেরকে এমন অবস্থায় রাখবেন না, যতক্ষণ না তিনি মন্দকে ভাল থেকে আলাদা করে দেন।”
(সূরা আলে ইমরান: ১৭৯)

৭. বান্দাকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে আনার জন্য:

“আমি তাদেরকে অবশ্যই বড় শাস্তির আগে দুনিয়ার ক্ষুদ্র শাস্তি আস্বাদন করাবো, যাতে তারা ফিরে আসে।”
(সূরা আস-সাজদাহ: ২১)

৮. বান্দার প্রকৃত শক্তি প্রকাশের জন্য:
পরীক্ষা না হলে মানুষ নিজের ধৈর্য ও ঈমানের গভীরতা জানতে পারে না।

৯. জান্নাতের যোগ্য বানানোর জন্য:
“তোমরা কি ধারণা কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ আল্লাহ এখনও তোমাদের মধ্য থেকে যারা জিহাদ করেছে ও ধৈর্য ধরেছে তাদের প্রকাশ করেননি?”
(সূরা আলে ইমরান: ১৪২)

১০. কিয়ামতের দিনের সাক্ষী রাখার জন্য:

“আমি তোমাদের পরীক্ষা করবো মন্দ ও ভালো দ্বারা, আর তোমাদের আমার দিকেই ফিরতে হবে।”
(সূরা আল-আম্বিয়া: ৩৫)

সংক্ষেপে:
আল্লাহর পরীক্ষা —
➤ ঈমান যাচাইয়ের উপায়,
➤ গুনাহ মোচনের মাধ্যম,
➤ ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার শিক্ষা,
➤ মর্যাদা বৃদ্ধির সোপান,
➤ জান্নাতের যোগ্যতা অর্জনের পথ।

আল্লাহর পরীক্ষা কখনো শাস্তি নয়; বরং তা এক ভালোবাসা ও উন্নতির সুযোগ।

17/01/2024

উচিৎ কথা বলতে পারে না. সবাইকে সন্তুষ্ট রাখতে চায়. এমন মানুষ থেকে দূরে থাকবেন। এরা কখনো কারো বন্ধু হতে পারে না। এরা সবার জন্য আতংক।✍

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো বাংলাদেশে দূতাবাস খোলার ঘোষণা দিয়েছেন
15/12/2022

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো বাংলাদেশে দূতাবাস খোলার ঘোষণা দিয়েছেন

12/07/2020

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ফাইলিং, এফিডেভিট এবং নকল শাখার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ রোববার (১২ জুল...

10/07/2020
স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত মামলার হিসাব নিকাশআইনের সাধারন নীতি হলো কোনো সম্পত্তি যিনি দখলে আছেন তিনি ই দখ...
03/07/2020

স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত মামলার হিসাব নিকাশ

আইনের সাধারন নীতি হলো কোনো সম্পত্তি যিনি দখলে আছেন তিনি ই দখলে থাকবেন। দখল মালিকানার নয়-দশমাংশ বলে অনেকেই মনে করেন। কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা ক্রয়,দান,বন্ধক,ইজারা বা বিনিময় মূলে হস্তান্তর গ্রহন করলে, দীর্ঘদিন দখল দ্বারা স্বত্ব অর্জন করলে তিনি দখলের অধিকারী ব্যাক্তি। অর্থাৎ স্বত্ববান ব্যাক্তি দখলে থাকবেন, এটাই আইনের সাধারন নিয়ম। তবে এর কিছুটা ব্যাতিক্রম নীতি আছে। সেটা হল স্বত্বহীন ব্যক্তিও তার দখলীয় স্থাবর সম্পত্তির দখলে থাকবেন। অর্থাৎ উত্তম মালিকানা স্বত্বহীন ব্যক্তি শান্তিপূর্নভাবে দখলে থাকলে তাকে গায়ের জোরে বেদখল করা যাবে না। কী একটু খটকা লাগছে? আসুন বেপারটা ক্লিয়ার করা যাক।

কেউ তার দখলীয় সম্পত্তি হতে বেদখল হলে বা দখলচ্যুত হলে তাকে যথাযথ দেওয়ানী আদালতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ অথবা ৯ ধারায় প্রতিকার চাইতে হবে। সহজ কথায় বলতে গেলে স্বত্ববান ব্যক্তি যদি বেদখল হন তবে তাকে ৮ অথবা ৯ ধারায় এবং স্বত্বহীন ব্যক্তি বেদখল হলে তাকে শুধুমাত্র ৯ ধারায় মামলা করতে হবে। এখন আসুন ৮ ধারা এবং ৯ ধারার মামলার বিষয়ে জেনে নিই।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্বত্ববান বা স্বত্বহীন ব্যক্তি তার সম্মতি ছাড়া, যথাযথ আইনগত পন্থা ব্যতীত তার দখলীয় স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হলে শুধুমাত্র খাস দখল পূনরুদ্ধার এর জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন। দখলচ্যুত ব্যক্তি বা তার মাধ্যমে দাবীদার যেকোনো ব্যক্তি অথবা একাধিক ব্যক্তি বেদখল হলে যেকোনো একজন মামলা দায়ের করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে স্বত্বের প্রশ্ন বিবেচিত হবে না। যিনি দখলে আছেন তার পক্ষে স্বত্বের কোনো দলিল না থাকলেও উত্তম স্বত্ববান ব্যক্তিকে মামলা দায়ের করে যথাযথ পন্থায় দখল পূনরূদ্ধার করতে হবে। গায়ের জোরে বেদখল করতে পারবেন না।

আদালতের তদন্তের পরিসরঃ- খুব ই সীমাবদ্ধ। এক্ষেত্রে আদালত শুধুমাত্র দখল সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনা করবেন, মালিকানা ও স্বত্ব সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন না। বাদী দখলচ্যুত সম্পত্তির দখল কিভাবে পেয়েছে তা ও অনুসন্ধান করতে পারেন না।

এক্ষেত্রে বিচার্য বিষয়ঃ-
১) দখলচ্যুত বাদী সম্পত্তির দখল ছিল কিনা
২) তাকে জোর পূর্বক সম্পত্তি হতে বেদখল করা হয়েছে কিনা
৩) তার সম্মতি ব্যতিরেকে দখলচ্যুত করা হয়েছে কিনা
৪) যথাযথ আইনগত পদ্ধতি ব্যতীত বেদখল করা হয়েছে কিনা
৫) দখলচ্যুত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করেছে কিনা

কোর্ট ফিঃ- মামলার সম্পত্তির মূল্যানুপাতে এডভেলোরাম কোর্ট ফি যা আসবে তার অর্ধেক কোর্ট ফি দিতে হবে। (Section 35A & Article 2 of Schedule 1, Court Fees Act)

তামাদির মেয়াদঃ- দখলচ্যুতির তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। (Article 3, Schedule 1, Limitation Act)

সীমাবদ্ধতাঃ- বেদখলকারী বিবাদী সরকার হলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দখল পূনরুদ্ধার করা যাবে না। (Act viii of 1973)

আপীল-রিভিউ-রিভিশনঃ- ৯ ধারার মামলার ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপীল বা রিভিউ চলবেনা। তবে রিভিশন চলবে। মামলার মূল্য ৫ লক্ষ টাকার কম হলে জেলা জজ আদালতে আর ৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে হাইকোর্ট ডিভিশনে রিভিশন দায়ের করতে হবে।

জারী কার্য্যক্রমঃ- মামলায় শুধু ডিক্রী পেলে তো চলবে না। জারী মামলা করে ডিক্রী জারীতে দিয়ে দখল পুনরুদ্ধার করতে হবে। (সিপিসি, আদেশ ২১, নিয়ম ৩৫ মতে)

রেফারেন্সঃ-
(বাদী পক্ষে)
১) যখন কোনো ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি হতে দখলচ্যুত হয় তখন সে তার দখল উদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং এরুপ মামলার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বত্বের প্রশ্ন বিবেচিত হতে পারে না। (16 BLD(AD),277_49 DLR(AD),133_39 DLR(HC),8_18 DLR(HC),691_16 DLR(HC), 599)

২) The Court is quite competent to pass a decree in favor of the plaintiff for recovery of possession of the suit land, notwithstanding any claim of title that may be set up in defense. (20 BLD(AD),183)

৩) When it is proved that the plaintiff was in possession of the suit land wherefrom he has been dispossessed and the suit has been instituted within 6 months of such dispossession, the court is bound to restore the possession in favor of the plaintiff. (13 MLR(AD),69_XI BSCD,128)

(বিবাদী পক্ষে)
১) বিবাদী দখলচ্যুত বাদী বা বাদীর কিছু সহশরীকের কাছ থেকে জমি কিনলে এবং দখলে থাকা অন্যান্য সহশরিককে হটিয়ে ক্রয়কৃত সম্পত্তির দখল নিতে পারেনা, সেক্ষেত্রে তাকে বিভাগের মামলা করতে হবে। (13 MLR(AD), 196 _ XI BSCD, 128)

২) স্বত্ববান বিবাদীর বিরুদ্ধে দখলচ্যুত স্বত্বহীন বাদী ডিক্রী পেলে বিবাদী-দায়িক স্বত্ব ঘোষনার মামলা করে ডিক্রী পেয়ে দখল পূনরূদ্ধার করতে পারে। (40 DLR(AD), 251)

৩) স্বত্ববান মালিক স্বত্ব ঘোষনাপূর্বক খাস দখলের মামলা দায়েরের মাধ্যমে দখল পূনরূদ্ধার করতে পারে।

দখল উদ্ধারের সময় আদালতকে বিরোধীয় ভূমিতে অবস্থিত বসতঘর বা অন্যান্য স্থায়ী কাঠামো ভেঙ্গে ফেলার বা অপসারন করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেয় না যেহেতু স্বত্বের বিচার হয় না। (39 DLR, 8 _ 50 DLR, 271)

No injunction can be granted on the plea of title to restrain the ex*****on proceeding.
(40 DLR(AD), 251) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় দখলচ্যুত স্বত্ববান ব্যক্তিকে স্বত্ব সাব্যস্তপূর্বক খাস দখল পূনরূদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে তাকে তার স্বত্ব বা মালিকানা প্রমান করতে হবে।

তামাদির মেয়াদঃ- যে দিন থেকে বিবাদীর দখল বাদীর বিরুদ্ধে প্রতিকূল হিসেবে গণ্য হবে সেদিন থেকে বা বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। (Article 144, Limitation Act)

কোর্ট ফিঃ- মামলার সম্পত্তির মূল্যের উপর এডভেলরাম কোর্ট ফি দিতে হবে।

আপীল-রিভিউ-রিভিশনঃ- সব করা চলবে, সিপিসি অনুসারে।

সীমাবদ্ধতাঃ- নেই। সরকারের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাবে।

জারী কার্য্যক্রমঃ- সিপিসি, আদেশ ২১, নিয়ম ৩৫ মতে জারী মামলা করে দখল লাভ করতে হবে।

পাদটীকাঃ-
Practically আদালতে স্বত্বসাব্যস্তে খাস দখল পূনরূদ্ধারের মামলা ই বেশি করতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে সুবিধা হল এই মামলার তামাদির মেয়াদ ১২ বছর। অর্থাৎ মামলা করার জন্য ১২ বছর সময় পাওয়া যায়। তাছাড়া এতে স্বত্বের প্রশ্ন নির্ধারিত হয় বলে এটি একটি স্থায়ী ব্যবস্থা। তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে ৯ ধারার বিধান কেন? আসলে ৯ ধারার কার্য্যধারা একটি সংক্ষিপ্ত ব্যবস্থা। কেউ বেদখল হলে তাকে দ্রুত তার পূর্বাবস্থায়, দখলে স্থাপনের জন্যই এই ব্যবস্থা। এতে এডভেলরাম কোর্ট ফি দিতে হয় কম অর্থাৎ অর্ধেক। আপীল-রিভিউ এর বেবস্থা নেই বলে এবং মূল মামলায় স্বত্বের প্রশ্ন বিবেচিত হয় না বলে দ্রুত নিষ্পত্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই ধারার মামলা খুব একটা হতে দেখা যায় না। ঊল্লেখ্য, বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াকে আইনগত পন্থা ছাড়া দখল বঞ্চিত করলে যে সকল ব্যক্তি Tenant বা বর্গাদারের মাধ্যমে দখল দাবী করে তারাও এই ধারা অনুসারে মামলা দায়ের করতে পারে। (21 DLR, 929 _ AIR 1954 Bom., 358). অর্থাৎ ভাড়াটিয়া কর্তৃক ৯ ধারার মামলা হতে পারে। তাতে কী? বাড়ীওয়ালা তখন ৮ ধারার মামলা করতে পারবে। বাধা নেই। তবে বাড়ীওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ১৯৯১ সালের বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন রয়েছে।

01/06/2020

মোবাইল ফোন হারালে বা চুরি হয়ে গেলে কী করবেন?
সময়ের পরিক্রমায় মোবাইল ফোন এখন এক অতি প্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিণত হয়ে পড়েছে। দ্রুত যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন এখন অপরিহার্য। কারণ, এতে রয়েছে নানা ধরনের সুবিধা। কেউ চাইলেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষের সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যেই যোগাযোগ করতে পারেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। বস্তুত, মোবাইল ফোনের ব্যবহার বিশ্বকে মানুষের হাতের নাগালে এনে দিয়েছে। এর সবচেয়ে বড় যে সুবিধা তা হলো দ্রুত যোগাযোগ। বর্তমানে স্মার্ট মোবাইল ফোন কথা বলা ছাড়াও ডিজিটাল ক্যামেরা, অডিও-ভিডিও রেকর্ডার, মাল্টিমিডিয়া মেসেজিং, ই-মেইল, ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও গেম সুবিধা, উপাত্ত পর্যবেক্ষণ, গান শোনা, টিভি দেখা, ভিডিও দেখা, বারকোড রিডারসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এই ধরনের দরকারি একটি জিনিস চুরি হয়ে গেলে কিংবা হারিয়ে গেলে দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। পাশাপাশি বেশি দুশ্চিন্তা থাকে যে, কেউ যদি ওই মোবাইল ফোনটির কোনো অপব্যবহার করে থাকে। মোবাইল ফোন হারানোর দুঃখ কেবল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিই ভালো বলতে পারবেন। মোবাইল ফোন চুরি হলে মনে জাগে, চোর বুঝি মোবাইল ফোনে রক্ষিত সব তথ্য পড়ে ফেললো। আর অপরদিকে চোর ভাবে, চোরাই ফোন বিক্রি করে যদি কিছু কামানো যায়। মোবাইল ফোন চালু রাখা ও বন্ধ রাখার প্রযুক্তি রয়েছে। কিন্তু দূর থেকে মোবাইল ফোন অকেজো করে ফেলার কার্যকর কোনো পদ্ধতি এখন পর্যন্ত নেই। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন বসে নেই চুরি ঠেকাতে নিত্য নতুন প্রযুক্তি বা সফটওয়্যার তৈরিতে, তেমনি চোরেরাও প্রতিনিয়ত বের করছে নানান ফন্দি-ফিকির। যদি আপনার মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়, তাহলে নিম্নোক্ত তিনটি ধাপ অনুসরণ করুন-

১. আপনার মোবাইল ফোনের আইএমইআই (International Mobile Equipment Identity) নম্বর উল্লেখ পূর্বক নিকটস্থ থানায় জিডি করুন। প্রত্যেক ব্যক্তিরই নিজ নিজ মোবাইল ফোনের আইএমআই নম্বর শুরু থেকেই জেনে রাখা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, আপনার মোবাইলের "কি" (key) বাটনে গিয়ে * #০৬ # চেপে আপনার মোবাইল ফোনের আইএমআই নম্বর জানতে পারবেন। উক্ত নম্বরটি জানার পর উপযুক্ত কোনো জায়গায় লিপিবদ্ধ করে রাখুন, কারণ পরে এটি কাজে লাগতে পারে।
২. উক্ত জিডির একটি কপিসহ র‌্যাব (RAB) বরাবর অভিযোগ করুন।
৩. জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি)- এর ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন।
অনেক সময় দেখা যায়, আইটিতে দক্ষ ইউজার নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন মোবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্য বসে থেকে লাভ নেই, লোকেশনসহ জিডিতে উল্লিখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে মোবাইল ফোন চোরকে ধরতে এগিয়ে চলুন। দেখা গেছে, থানায় জিডি করে বেশিরভাগ সময়েই ফোন ফেরত পাওয়া যায় না। এর কারণ হচ্ছে, আমাদের ট্র্যাকিং টিম মূলত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কেইসগুলোর ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন এবং মোবাইল ট্র্যাকিং করেন। খুন, সন্ত্রাস, বড় ধরনের অপরাধ ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট মোবাইল ট্র্যাক করাই যেন এদের মূল কাজ। তাই সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে এরা তেমন একটা গুরুত্ব দেওয়ার সময় পান না অথবা গুরুত্ব দিতে চান না। যদিও সকলের ক্ষেত্রেই এই টিমের গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তবুও জিডি করবেন কেন?
১. আপনার মোবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম, অন্যায়-অপরাধ করলে সেগুলো যেন আপনার ঘাড়ে না বর্তায়। আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, জিডির কপি দেখিয়ে সেটার দায় থেকে আপনি রক্ষা পেতে পারবেন।
২. হঠাৎ জিডির দ্বারা ট্র্যাকিং করে মোবাইল পাওয়া গেলেও যেতে পারে।

সাবধানতা : মোবাইল ফোনে এমন কোনো ছবি রাখা ঠিক হবে না, যেটা প্রকাশ হলে আপনার জন্যে সামাজিক এবং অন্যান্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। অন্তরঙ্গ মুহূর্তে কেউ ওরকম ছবি তুলতে চাইলে সতর্ক থাকুন। কারণ, এ ধরনের ‘ভালোবাসা’ আপনার সারা জীবনের জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

collected

Address

Ghatura
Brahmanbaria
3400

Telephone

01716316529

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jubayer,s Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jubayer,s Law Firm:

Share