08/05/2026
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ সাইবার বুলিং, অনলাইন এবিউজ, ফেইক আইডি, মানহানি, হুমকি বা ছবি/ভিডিও ছড়িয়ে হয়রানির শিকার হলে বাংলাদেশে আইনগত প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কোথায় অভিযোগ করবেনঃ
#বাংলাদেশ পুলিশ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন
#পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন
#জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯
@নিকটস্থ থানায় জিডি বা মামলা করতে পারেন। এছাড়াও নিয়োজিত আইনজীবীর মাধ্যমে সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করা যায়।
অনলাইন অভিযোগঃ
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
Crime Investigation Division
Cyber Support for Women
@ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহঃ
▪️ ধারা ২৫ — ভয়ভীতি, অপমান, মানহানিকর তথ্য প্রচার
# শাস্তি: অনূর্ধ্ব ২ বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৩ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।
# পুনরায় অপরাধে: ৫ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা।
▪️ ধারা ২৬ — পরিচয় গোপন করে প্রতারণা বা ফেইক আইডি ব্যবহার
# শাস্তি: অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।
# পুনরায় অপরাধে: ৭ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা।
▪️ ধারা ২৯ — মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার
# শাস্তি: অনূর্ধ্ব ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।
# পুনরায় অপরাধে: ৫ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা।
▪️ ধারা ৩১ — ভয়ভীতি, বিশৃঙ্খলা বা আইন-শৃঙ্খলা অবনতির উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক প্রচার
# শাস্তি: অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।
# পুনরায় অপরাধে: ১০ বছর কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা।
▪️ ধারা ৩৪ — হ্যাকিং বা কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ প্রবেশ
# শাস্তি: অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।
# পুনরায় অপরাধে: ১৪ বছর কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা জরিমানা।
গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃ
✔️ স্ক্রিনশট, লিংক, আইডি নাম ও প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
✔️ দ্রুত আইনগত সহায়তা নিন।
✔️ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ করুন।
“সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা ও আইনের প্রয়োগ—দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।”
'আইন জানি আইন মানি "
এ্যাডঃমোঃফয়সাল খান
হেড অব চেম্বারস্
রেসকিউ "ল "ফার্ম
ঝালকাঠি।