InfoBangla

Directions Website Contact the business

InfoBangla Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from InfoBangla, Abu Dhabi.

ইউরোপসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর ভিসা, ভ্রমণ ও অভিবাসন সংক্রান্ত সর্বশেষ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে আমাদের পেইজের সঙ্গে থাকুন।

অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল: https://youtube.com/

বিজ্ঞাপন/স্পন্সরশিপ: [email protected]

🇸🇦 সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড প্রবাসীদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদসৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখ...
18/10/2026

🇸🇦 সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড প্রবাসীদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, প্রবাসীরা যে দেশেই থাকুন না কেন, সেই দেশের আইন মেনে চলতে হবে।

ঘটনার বিস্তারিত জানতে সৌদি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি, তাঁদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষা রয়েছে।

💬 আপনার কী মতামত? এমন ঘটনায় সরকারের কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের InfoBangla page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

সুখবর ! UAE-তে ‘গোল্ডেন ভিসা’, আবুধাবি বিদেশিদের আবেদনের জন্য চালু করেছে সরকারি ওয়েবসাইট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাদি ক...
17/10/2026

সুখবর ! UAE-তে ‘গোল্ডেন ভিসা’, আবুধাবি বিদেশিদের আবেদনের জন্য চালু করেছে সরকারি ওয়েবসাইট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাদি কর্তৃপক্ষ বিদেশি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়িক অংশীদার, দক্ষ কর্মী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য উক্ত সংক্রান্ত তথ্য সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। সেখানে ভিসার বিভিন্ন ক্যাটাগরি, যোগ্যতার শর্ত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি মূলত গ্রিন ভিসা নিয়ে তথ্য ও আবেদন নির্দেশনার সরকারি পোর্টাল, সব বিদেশির জন্য নতুন করে ভিসা অনুমোদন কিংবা সবার আবেদন গ্রহণের ঘোষণা নয়।

আবুধাদির অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিভাগ (ADDED)-এর সরকারি ওয়েবসাইটে গ্রিন ভিসার জন্য আলাদা বিভাগ রয়েছে। ওয়েবসাইটটির তথ্য অনুযায়ী, গ্রিন ভিসার মেয়াদ পাঁচ বছর এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে এটি নবায়ন করা যায়। তবে আবেদন প্রক্রিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটির (ICP) নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে।

- কারা গ্রিন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন?
আবুধাদির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রধানত তিন ধরনের আবেদনকারীর জন্য গ্রিন ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে।

১. দক্ষ কর্মী (Skilled Employees): যেসব দক্ষ কর্মী সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাকরি করছেন বা উপযুক্ত চাকরির চুক্তি পেয়েছেন, তাঁরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে আবেদন করতে পারেন।

প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- UAE-তে বৈধ চাকরির চুক্তি ও প্রয়োজনীয় ওয়ার্ক পারমিট।
- নির্ধারিত পেশাগত শ্রেণির প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তরের অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
- অন্তত স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের যোগ্যতা।
- মাসিক ন্যূনতম ১৫,০০০ দিরহাম বেতন।
অর্থাৎ, সাধারণ শ্রমিকের চাকরি পেলেই এই ভিসা পাওয়া যাবে এমন নয়। নির্দিষ্ট পেশাগত যোগ্যতা ও বেতনের শর্ত পূরণ করতে হবে।

২. ফ্রিল্যান্সার ও স্বনিয়োজিত পেশাজীবী: যাঁরা স্বাধীনভাবে কাজ করেন, তাঁদের জন্যও গ্রিন ভিসার সুযোগ রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় ফ্রিল্যান্স বা স্বনিয়োজিত কাজের অনুমতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আগের দুই বছরে ফ্রিল্যান্স কাজ থেকে বার্ষিক অন্তত ৩ লাখ ৬০ হাজার দিরহাম আয়ের প্রমাণ দিতে হতে পারে। বিকল্পভাবে, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

৩. বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদার: UAE-তে ব্যবসায় বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমোদন থাকলে এই ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগের ধরন, ব্যবসার নথিপত্র এবং প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতা যাচাই করা হবে।

গ্রিন ভিসার সুবিধা কী?

নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে ভিসা পেলে আবেদনকারীরা—

- পাঁচ বছর পর্যন্ত বসবাসের অনুমতি পেতে পারেন।
- UAE-তে স্থানীয় স্পনসরের ওপর নির্ভর না করে বসবাস ও কাজের সুযোগ পান, প্রযোজ্য নিয়ম সাপেক্ষে।
- নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানদের স্পনসর করতে পারেন।
- ভিসার মেয়াদ শেষ হলে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট অতিরিক্ত সময় পেতে পারেন।

তবে মনে রাখতে হবে, স্পনসর ছাড়াই বসবাসের সুযোগ মানে কাজের অনুমতি বা অন্যান্য আইনি শর্ত থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি নয়। ভিসার ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমতি বজায় রাখতে হবে।

- গোল্ডেন ভিসা কি একই?
না। গ্রিন ভিসা ও গোল্ডেন ভিসা দুটি আলাদা ব্যবস্থা।

- গ্রিন ভিসা: নির্ধারিত দক্ষ কর্মী, ফ্রিল্যান্সার, বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের জন্য পাঁচ বছরের আবাসিক ভিসা।
- গোল্ডেন ভিসা: যোগ্য বিনিয়োগকারী, বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তি, উদ্যোক্তা ও অন্যান্য নির্ধারিত ক্যাটাগরির জন্য সাধারণত ১০ বছরের আবাসিক ভিসা।

দুই ভিসার যোগ্যতা, আর্থিক শর্ত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া আলাদা। শুধু UAE-তে চাকরি করা বা বসবাস করার কারণে কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে গোল্ডেন ভিসার যোগ্য হন না।

- বাংলাদেশিদের জন্য কতটা সুযোগ রয়েছে?
বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী, যোগ্য ফ্রিল্যান্সার এবং প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের জন্য এই ব্যবস্থা প্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরির চুক্তি, নির্ধারিত আয় বা বিনিয়োগের প্রমাণ রয়েছে, তাঁরা নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন।

তবে এই ওয়েবসাইট চালু বা হালনাগাদ হওয়ার অর্থ বাংলাদেশিদের জন্য নতুন কোনো বিশেষ কোটা, ভিসা ছাড়, কিংবা সবার আবেদন অনুমোদনের ঘোষণা নয়। যোগ্যতা পূরণ করলেও আবেদন যাচাই ও অনুমোদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। আবেদন করার আগে সরকারি ওয়েবসাইটে নিজের ক্যাটাগরি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করুন।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের "InfoBangla" page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

#প্রবাসী

🇮🇹 নভেম্বর থেকে ইতালিতে যাওয়ার প্রস্তুতিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ! বাংলাদেশিদের জন্য নতুন উদ্যোগ, জেনে নিন বিস্তারিতইতালিতে বৈধ...
17/10/2026

🇮🇹 নভেম্বর থেকে ইতালিতে যাওয়ার প্রস্তুতিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ! বাংলাদেশিদের জন্য নতুন উদ্যোগ, জেনে নিন বিস্তারিত

ইতালিতে বৈধভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। আগামী নভেম্বর মাস থেকে ঢাকায় এই প্রশিক্ষণ শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইতালি দূতাবাস। এতে ইতালীয় ভাষা, দেশটির সংস্কৃতি এবং পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্টোনিও আলেসান্দ্রো ১৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ উদ্যোগের কথা জানান। ইতালি দূতাবাসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিটি ইতালির বেসরকারি খাতের অর্থায়নে পরিচালিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি কর্মীদের প্রস্তুত করা এবং দক্ষ ও বৈধ শ্রম অভিবাসনের পথকে আরও কার্যকর করা।

নভেম্বর থেকেই কি প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ইতালিতে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশিরা ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পেতে পারেন।

তবে প্রশিক্ষণের নির্দিষ্ট শুরুর তারিখ, আবেদন গ্রহণের সময়, আসনসংখ্যা, যোগ্যতা এবং নিবন্ধনপদ্ধতি সম্পর্কে চূড়ান্ত ঘোষণা এখনো প্রকাশিত হয়নি। তাই আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির জন্য নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশিক্ষণে কী শেখানো হতে পারে?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কর্মসূচিতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে:

▪️ ইতালীয় ভাষা: ইতালিতে দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য ভাষাগত প্রস্তুতি।

▪️ নাগরিক ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা: ইতালির সামাজিক রীতিনীতি, সংস্কৃতি এবং কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা।

▪️ পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা: ইতালির শ্রমবাজারে কাজের উপযোগী দক্ষতা উন্নয়ন।

কোন কোন পেশায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, কতজন অংশ নিতে পারবেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থা থাকবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

প্রশিক্ষণ থেকে ইতালিতে চাকরি ও ওয়ার্ক ভিসা পাওয়ার সম্ভাব্য পথ

কর্মসূচির চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশিত হলে প্রকৃত প্রক্রিয়া জানা যাবে। সাধারণভাবে বৈধভাবে ইতালিতে চাকরি করতে আগ্রহীদের যেসব ধাপের মধ্য দিয়ে যেতে হতে পারে, সেগুলো হলো:

১. সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও নিবন্ধন: প্রশিক্ষণের আবেদন, যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিবন্ধনপদ্ধতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রকাশ।

২. প্রার্থী নির্বাচন: নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী আগ্রহীদের যোগ্যতা যাচাই ও প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচন।

৩. ভাষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ: ইতালীয় ভাষা এবং সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন।

৪. নিয়োগদাতার কাছে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ: কর্মসূচিতে নিয়োগের ব্যবস্থা থাকলে প্রার্থীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নিয়োগদাতার চাহিদা অনুযায়ী বাছাই করা হতে পারে।

৫. চাকরির চুক্তি ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন: চাকরির ধরন অনুযায়ী নিয়োগদাতার মাধ্যমে প্রযোজ্য ওয়ার্ক পারমিট ও অন্যান্য অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

৬. ভিসা ও ইতালিতে যাত্রা: প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং ভিসা পাওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের জন্য যাত্রা করা।

মনে রাখবেন, এগুলো সাধারণ কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য ধাপ। নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে চাকরি নির্বাচন বা ভিসা প্রক্রিয়া ঠিক কীভাবে পরিচালিত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বাংলাদেশ থেকে এখনই কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?

যারা ইতালিতে কাজ করতে আগ্রহী, তারা এখন থেকেই কয়েকটি বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে পারেন:

▪️ ইতালীয় ভাষা শেখা শুরু করুন।

▪️ নিজের পছন্দের পেশায় ব্যবহারিক ও কারিগরি দক্ষতা অর্জন করুন।

▪️ কাজের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখুন।

▪️ সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও বৈধ বিদেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখুন।

বাংলাদেশ সরকারের Overseas Employment Platform (OEP) এবং Bangladesh Talent Partnership-এর ওয়েবসাইটও অনুসরণ করতে পারেন।

সরকারি ওয়েবসাইট:

OEP: https://www.oep.gov.bd/

Bangladesh Talent Partnership: https://tp.oep.gov.bd/

উল্লেখ্য, Bangladesh Talent Partnership একটি বৃহত্তর দক্ষতা উন্নয়ন ও বৈধ কর্মসংস্থান উদ্যোগ। এটি ইতালির নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আবেদনপোর্টাল, এমন কোনো ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি।

ইতালিতে কোন কাজগুলোর চাহিদা বেশি? কোন দক্ষতা থাকলে সুযোগ বাড়তে পারে?

ইতালিতে বৈধভাবে কাজ করতে চাইলে কোন পেশায় দক্ষতা অর্জন করা সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে? ইতালীয় নিয়োগদাতারা কোন ধরনের কর্মী খোঁজেন? বাংলাদেশ থেকেই কীভাবে ভাষা, প্রশিক্ষণ ও কাজের অভিজ্ঞতা তৈরি করে নিজেকে প্রস্তুত করবেন?

InfoBangla এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট তৈরি করবে। সেখানে ইতালির চাহিদাসম্পন্ন পেশা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান এবং বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে চাকরি পাওয়ার সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এই তথ্যগুলো জানতে চাইলে কমেন্টে ‘I’ লিখুন। আপনাদের আগ্রহের ভিত্তিতে পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

নভেম্বর থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করার পরিকল্পনার কথা জানানো হলেও চূড়ান্ত সময়সূচি, আবেদনপদ্ধতি, যোগ্যতা, আসনসংখ্যা, ফি এবং প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগের নিয়ম আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকুন।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি সরকারি বিজ্ঞপ্তির আগেই নিশ্চিত ভিসা, চাকরি বা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা চায়, তাহলে যাচাই ছাড়া অর্থ প্রদান করবেন না। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া মানেই চাকরি বা ওয়ার্ক ভিসা নিশ্চিত নয়। চূড়ান্ত সুযোগ নির্ভর করবে কর্মসূচির নিয়ম, নিয়োগদাতার নির্বাচন এবং ইতালির প্রযোজ্য অভিবাসনবিধির ওপর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS), ইতালি দূতাবাস, Bangladesh Talent Partnership এবং Overseas Employment Platform।

InfoBangla-র সঙ্গে থাকুন। এই কর্মসূচির আবেদন, যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ শুরুর বিষয়ে নতুন নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশিত হলে আমরা বিস্তারিত জানাব।

🇧🇩🇦🇿 বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহ আজারবাইজানের! বাড়তে পারে বিদেশে কাজের সুযোগবাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে দক্ষ...
16/10/2026

🇧🇩🇦🇿 বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহ আজারবাইজানের! বাড়তে পারে বিদেশে কাজের সুযোগ

বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে দক্ষ কর্মী নিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বায়রামভের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে তিনটি খাত:

🔹 দক্ষ কর্মী নিয়োগ: বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভবিষ্যতে নতুন কর্মসংস্থানের পথ তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

🔹 আকাশপথে যোগাযোগ: দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ উন্নয়নের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ হলে ভবিষ্যতে ব্যবসা, ভ্রমণ ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

🔹 জ্বালানি খাতে সহযোগিতা: জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

🇧🇩 বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহ করে আসছে। নতুন দেশের সঙ্গে শ্রমবাজারভিত্তিক সহযোগিতা বাড়লে কর্মীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে যাঁরা বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য নতুন বাজার সম্পর্কে জানা এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ।

এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। আলোচনার বিষয়গুলো ভবিষ্যতে বাস্তব উদ্যোগে রূপ নিলে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে।

কর্মপ্রত্যাশীদের এখন কী করা উচিত?

বিদেশে কাজের প্রস্তুতি নিতে চাইলে এখন থেকেই নিজের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং ভাষাগত যোগ্যতা উন্নয়নে মনোযোগ দিন। পাশাপাশি আজারবাইজানে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সরকারি ঘোষণা ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের দিকে নজর রাখুন।

এই তথ্যটি আপনার পরিচিত চাকরিপ্রত্যাশী, দক্ষ কর্মী এবং বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যাতে তাঁরাও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের নতুন সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারেন।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের InfoBangla page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

থাইল্যান্ডে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন শ্রমবাজারের সম্ভাবনা! কৃষি ও নির্মাণ খাতে কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা। বাংলাদেশ, নেপাল ও ...
16/10/2026

থাইল্যান্ডে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন শ্রমবাজারের সম্ভাবনা! কৃষি ও নির্মাণ খাতে কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা। বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ তবে এখনো চূড়ান্ত হয়নি কোটা, বেতন বা আবেদনপ্রক্রিয়া।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কৃষি ও নির্মাণ খাতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা থেকে কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করছে থাইল্যান্ড। দেশটির শ্রমবাজারে কর্মীর ঘাটতি পূরণ এবং শ্রমিক নিয়োগের উৎস বাড়ানো এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

কোন খাতে কাজের সুযোগ হতে পারে?

প্রাথমিকভাবে দুটি খাতের কথা বলা হয়েছে:
- কৃষি: কৃষিকাজ ও সংশ্লিষ্ট শ্রমনির্ভর কাজ।
- নির্মাণ: নির্মাণ প্রকল্পের বিভিন্ন শ্রমিকের পদ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কা থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে প্রথম দফার কর্মী পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে পারে। তবে এটি সম্ভাব্য সময়সূচি নিশ্চিত নিয়োগের তারিখ নয়।

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এখন কী করণীয়?
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশিদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়োগ কোটা, বেতন, ভিসার ধরন বা আবেদন শুরুর তারিখ নিশ্চিত নয়।

সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও বৈধ আবেদনপদ্ধতি প্রকাশ হলে তবেই আবেদন করুন। নতুন শ্রমবাজার তৈরি হলে তা বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য ভালো সুযোগ হতে পারে, কিন্তু নিরাপদ ও বৈধ পথে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের "InfoBangla" page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

#বিদেশেচাকরি

প্রবাসীদের প্রশ্ন:- আলোচনা তো অনেক হলো, এবার কি মিলবে কার্যকর সমাধান? কবে স্বাভাবিক হবে নতুন ভিসা ও ভিসা নবায়নের সুযোগ?...
16/10/2026

প্রবাসীদের প্রশ্ন:- আলোচনা তো অনেক হলো, এবার কি মিলবে কার্যকর সমাধান? কবে স্বাভাবিক হবে নতুন ভিসা ও ভিসা নবায়নের সুযোগ?

একের পর এক বৈঠক, তবুও কবে কাটবে UAE ভিসা জটিলতা?
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশিদের ভিসা সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। সরকার ভিসা বাতিলের ঘটনাগুলো পর্যালোচনার উদ্যোগও নিয়েছে। তবে ১৫ সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদনে ৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের কথা উঠে আসে।

প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের এই কষ্ট ও অনিশ্চয়তার অবসান হোক দ্রুত।

🔔 নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক খবর ও আপডেট পেতে InfoBangla ফলো করুন।

🇮🇹 ২০৫০ সালের মধ্যে ইতালিতে কমতে পারে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ! বাংলাদেশিদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?ইতালির জাতীয় পরিসংখ্যান সংস...
16/10/2026

🇮🇹 ২০৫০ সালের মধ্যে ইতালিতে কমতে পারে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ! বাংলাদেশিদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ইতালির জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ISTAT-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশটির জনসংখ্যা ২০২৫ সালের প্রায় ৫ কোটি ৮৯ লাখ থেকে ২০৫০ সালে কমে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখে নেমে আসতে পারে।

একই সময়ে বাড়বে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা এবং কমবে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর অনুপাত। ফলে ভবিষ্যতে ইতালির শ্রমবাজারে কর্মী সংকট মোকাবিলা এবং বিদেশি কর্মীদের প্রয়োজনীয়তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

🇧🇩 বাংলাদেশিদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

জনসংখ্যাগত এই পরিবর্তনের কারণে কেয়ার সার্ভিস, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে কর্মীর চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ইতালিতে বৈধভাবে কাজ করতে আগ্রহী দক্ষ বাংলাদেশিদের জন্য ভবিষ্যতে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে জনসংখ্যা কমলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়ার্ক ভিসা বা চাকরির সুযোগ নিশ্চিত হয় না। প্রকৃত সুযোগ নির্ভর করবে ইতালির শ্রমবাজারের চাহিদা, সরকারি নিয়োগনীতি, ওয়ার্ক পারমিট এবং ভিসার নিয়মের ওপর।

আপনার কী মনে হয়, ইতালির এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন ভবিষ্যতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে? কমেন্টে আপনার মতামত জানান।

বিদেশে চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা ও অভিবাসনসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য আপডেট পেতে InfoBangla-এর সঙ্গে থাকুন।

বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১৫ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অন...
16/10/2026

বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১৫ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় মোট ৩৩৮টি সংস্থাকে যুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি জানানো হয়েছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিনা খরচে যাওয়ার ঘোষণা মানেই এখনই সবার আবেদন শুরু হয়ে গেছে, এমন নয়। নির্দিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, যোগ্যতা, কর্মী নির্বাচন এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

চলুন, পুরো বিষয়টি সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক।

১. কারা বিনা খরচে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন?

সরকারের ঘোষণায় প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার কর্মীকে বিনা অভিবাসন ব্যয়ে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। তবে এই কর্মীদের নির্বাচন কীভাবে হবে, কোন কোন পেশায় নিয়োগ দেওয়া হবে এবং আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট যোগ্যতা কী হবে? এসব তথ্য আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা অনুযায়ী নিশ্চিত করতে হবে।

আপনি যদি মালয়েশিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী হন, তাহলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারেন।
- নিজের কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার তথ্য প্রস্তুত রাখুন।
- পাসপোর্ট না থাকলে বৈধভাবে পাসপোর্ট করার প্রস্তুতি নিন।
- নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও কাজের অভিজ্ঞতার সনদ গুছিয়ে রাখুন।
- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যে পেশা ও যোগ্যতা চাওয়া হবে, তার সঙ্গে নিজের যোগ্যতা মিলিয়ে দেখুন।
"মনে রাখবেন:" শুধু পাসপোর্ট থাকলেই চাকরি বা ভিসা নিশ্চিত হয় না। নিয়োগকর্তার চাহিদা, কাজের ধরন, যোগ্যতা ও সরকারি প্রক্রিয়া অনুযায়ী কর্মী নির্বাচন হবে।

২. কোন সংস্থার মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া হবে?

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৩৩৮টি সংস্থার কথা বলা হয়েছে।
- বোয়েসেল (BOESL): বাংলাদেশের সরকারি জনশক্তি প্রেরণকারী সংস্থা।
- ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি: ভিসা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
- ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি: মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা খোঁজা, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ এবং কর্মী নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবে।

তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার থাকা দরকার: ৩৩৮টি সংস্থার তালিকায় থাকা মানেই প্রতিটি সংস্থার কাছে বিনা খরচে পাঠানোর জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক চাকরি রয়েছে এমন নয়। চাকরির প্রকৃত চাহিদাপত্র, নিয়োগের শর্ত এবং কোন সংস্থা কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করবে, তা যাচাই করতে হবে। বিশেষ করে বিনা খরচে যাওয়ার সুযোগের জন্য বোয়েসেল বা সরকার ঘোষিত নির্দিষ্ট নিয়োগপদ্ধতি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

৩. আবেদন করার সঠিক পদ্ধতি কী হবে?

মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়। তবে নির্দিষ্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্দেশনাই চূড়ান্ত।

ধাপ ১: নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খুঁজুন

বোয়েসেলের সরকারি ওয়েবসাইট এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
বোয়েসেল: (https://boesl.gov.bd)
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: (https://probashi.gov.bd)

ধাপ ২: চাকরি ও নিয়োগকর্তার তথ্য যাচাই করুন

কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন, কী কাজ করবেন, বেতন কত, কাজের সময় কত এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা কে করবে, এসব তথ্য লিখিতভাবে জানুন।

ধাপ ৩: আবেদন ও কর্মী নির্বাচন

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ্ধতিতে আবেদন করুন। নিয়োগকর্তার চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য যোগ্যতা যাচাই করে কর্মী নির্বাচন করা হতে পারে।

ধাপ ৪: মেডিকেল পরীক্ষা

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। তবে ১৫ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মেডিকেল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া তখনো চলমান ছিল। তাই নতুন আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ও অনুমোদিত তালিকা যাচাই না করে কোনো সেন্টারে পরীক্ষা করাবেন না।

ধাপ ৫: ভিসা ও অন্যান্য প্রক্রিয়া

চাকরির চাহিদাপত্র, প্রয়োজনীয় অনুমোদন, কলিং ভিসা, ই-ভিসা এবং বাংলাদেশের প্রযোজ্য সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ও অনুমোদন ছাড়া যাত্রার পরিকল্পনা করবেন না।

৪. বিনা খরচে যাওয়ার কথা বলা হলেও কি টাকা লাগতে পারে?

এখানেই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। সরকার ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতির কথা জানিয়েছে। কিন্তু প্রত্যেক আবেদনকারীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সুবিধার আওতায় ধরা যাবে না। কারা এই সুযোগ পাবেন এবং কোন কোন ব্যয় এর আওতায় থাকবে, তা সংশ্লিষ্ট নিয়োগের আনুষ্ঠানিক শর্তে নিশ্চিত করতে হবে।

কেউ যদি বলেন—
- “১০ হাজার ফ্রি ভিসার তালিকায় আপনার নাম আছে, আগে টাকা দিন।”
- “চাকরি নিশ্চিত, এখনই মেডিকেল করাতে হবে।”
- “সরকারি তালিকায় নাম তুলতে আলাদা টাকা লাগবে।”
- “আজ টাকা না দিলে আপনার সুযোগ শেষ হয়ে যাবে।”

তাহলে যাচাই না করে টাকা দেবেন না। বিনা খরচের সুযোগ পেতে কোনো দালালকে অগ্রিম টাকা দেওয়ার প্রয়োজন আছে - এমন দাবি বিশ্বাস করবেন না। নিয়োগের লিখিত প্রমাণ, সরকারি নির্দেশনা ও খরচের বিবরণ যাচাই করুন।

৫. পাসপোর্ট, মেডিকেল ও কাগজপত্র নিয়ে কী করবেন?

এই মুহূর্তে নিজের প্রস্তুতি গুছিয়ে রাখুন। তবে নতুন নিয়োগের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মেডিকেল পরীক্ষা, পাসপোর্ট জমা বা অন্য কোনো অর্থ প্রদান করবেন না।

প্রস্তুত রাখতে পারেন:
- বৈধ পাসপোর্ট
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র
- শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণের সনদ, যদি চাওয়া হয়
- কাজের অভিজ্ঞতার সনদ, যদি প্রযোজ্য হয়
- নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে চাওয়া অন্যান্য কাগজপত্র
নিজের মূল কাগজপত্র কাউকে দিলে লিখিত রসিদ নিন এবং কেন নেওয়া হচ্ছে তা নিশ্চিত করুন।

৬. কোনো এজেন্সি টাকা চাইলে কী করবেন?

প্রথমে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লাইসেন্স ও অনুমোদন যাচাই করুন। এরপর চাকরির চাহিদাপত্র, নিয়োগকর্তার পরিচয়, লিখিত চুক্তি এবং প্রতিটি খরচের বিবরণ চান। কোনো অর্থ দিতে হলে বৈধ রসিদ নিন। প্রতারণার আশঙ্কা হলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বিএমইটি বা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান।

সরকারি তথ্যের জন্য বিএমইটির ওয়েবসাইট: (https://bmet.gov.bd)

৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ তৈরির এই উদ্যোগ অনেক কর্মপ্রত্যাশীর জন্য আশার খবর। কিন্তু সুযোগটি কাজে লাগাতে হলে সঠিক তথ্য, বৈধ নিয়োগপদ্ধতি এবং প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

এখনই লাখ লাখ টাকা ঋণ করে কাউকে দেবেন না। আগে সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন, নিজের যোগ্যতা প্রস্তুত করুন এবং বিনা খরচে যাওয়ার সুযোগের চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশিত হলে সেই অনুযায়ী আবেদন করুন।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের "InfoBangla" page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগের কথা জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্...
15/10/2026

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগের কথা জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় খবর, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পাশাপাশি, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে যুক্ত করার বিষয়ে সম্মতির কথা জানানো হয়েছে।

১০ হাজার কর্মী কি সত্যিই বিনা খরচে যেতে পারবেন?
সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১০ হাজার কর্মীকে বিনা অভিবাসন ব্যয়ে নেওয়ার বিষয়ে মালয়েশিয়া নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তবে এই ঘোষণাকে সবার জন্য এখনই বিনা খরচে মালয়েশিয়া যাওয়ার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। কারা আবেদন করতে পারবেন, কোন পেশায় কর্মী নেওয়া হবে এবং কীভাবে নির্বাচন হবে, এসব ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ও নিয়োগের শর্ত অনুসরণ করতে হবে।

কোন ৩৩৮টি এজেন্সি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে?

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তালিকায় থাকছে :-
- ১টি সরকারি সংস্থা: বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)।
- ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি।
- ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সি।

অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তা খুঁজতে, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ করতে এবং নিয়োগের জন্য কর্মী নির্বাচন করতে পারবে। কলিং ভিসা, ই-ভিসাসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজে বোয়েসেল ও তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি সহায়তা করবে।

তবে তালিকাভুক্ত এজেন্সি মানেই যে তাদের কাছে এখনই সবার জন্য চাকরি বা ভিসা প্রস্তুত আছে, তা নয়। নিয়োগকর্তার চাহিদা, পদের যোগ্যতা ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী নিয়োগ সম্পন্ন হবে।

মেডিকেল পরীক্ষা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে?
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ এখনো চলছে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া যৌথভাবে এ তালিকা চূড়ান্ত করবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান অনুমোদিত তালিকা থেকে বিতর্কিত ও অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেন্টারগুলো বাদ দিয়ে অবশিষ্ট সেন্টারের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে সেন্টারগুলো যাচাই করবে। অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করা হতে পারে।

কোনো একটি মেডিকেল সেন্টারকে এককভাবে সব কর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কর্মীদের জন্য জরুরি সতর্কতা:-
বিদেশে যাওয়ার আশায় দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির হাতে টাকা, পাসপোর্ট কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র তুলে দেবেন না। কোনো এজেন্সির মাধ্যমে এগোনোর আগে সেটির অনুমোদন, চাকরির চাহিদাপত্র, বেতন, কাজের ধরন এবং অভিবাসন ব্যয়ের লিখিত তথ্য যাচাই করুন।

মালয়েশিয়ার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আগে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তাই এবার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কর্মীদের আর্থিক ঝুঁকি কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ও অনুমোদিত তালিকা যাচাই না করে মেডিকেল পরীক্ষা বা অন্য কোনো খাতে টাকা দেবেন না। মন্ত্রণালয়ের আগের সতর্কতাতেও প্রতারণা থেকে সাবধান থাকতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির উদ্যোগ এগোচ্ছে। তবে বিনা খরচে যাওয়ার সুযোগ, চাকরির যোগ্যতা, মেডিকেল পরীক্ষা ও আবেদনপ্রক্রিয়ার চূড়ান্ত নির্দেশনা জেনে তবেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিন।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের "InfoBangla" page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

এবার প্রবাসীদের সম্পদের সুরক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার! শিগগিরই আসতে পারে নতুন উদ্যোগপ্রবাসীদের জমি, বাড়ি ও ...
15/10/2026

এবার প্রবাসীদের সম্পদের সুরক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের কথা ভাবছে সরকার! শিগগিরই আসতে পারে নতুন উদ্যোগ

প্রবাসীদের জমি, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদ নিয়ে বিরোধসহ বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রাথমিক খসড়া তৈরি হয়েছে।

১৩ অক্টোবর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘সোনার মানুষ সম্মিলন-২০২৬’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও তাঁদের মামলা পরিচালনার জন্য এই বিশেষ আদালত কাজ করবে। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে দেশে থাকা সম্পদ নিয়ে আইনি জটিলতায় পড়া প্রবাসীদের জন্য সহায়তার নতুন পথ তৈরি হতে পারে।

তবে আদালতটি এখনো পরিকল্পনা ও খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। এর কার্যক্রম, এখতিয়ার ও বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানানো হয়নি।

আপনার কী মনে হয়, প্রবাসীদের সম্পদ সুরক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে? এটি কি প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে, নাকি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নতুন কোনো ঝুঁকি বা জটিলতা তৈরি হতে পারে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

🔔 বিদেশে পড়াশোনা, স্কলারশিপ, চাকরি, ওয়ার্ক ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খবর ও নির্ভরযোগ্য আপডেট নিয়মিত পেতে আমাদের InfoBangla page এবং YouTube Channel ফলো করুন।

#প্রবাসী #প্রবাসীদেরঅধিকার #বাংলাদেশ #প্রবাসজীবন

Address

Abu Dhabi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when InfoBangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to InfoBangla:

Shortcuts

Share