Black Coat Stories

Black Coat Stories Black Coat Stories explains law in simple language—sometimes serious, sometimes with a touch of humour.

Court stories | Legal facts | Law memes | Public awareness
Maintained by an Advocate.
⚖️ Law should be understood, not feared. ।। কিছু না বলা আবেগ লেখে অসমাপ্ত সাতকাহন,
কিছুটা বা ইশারায়, হয়তো স্পষ্ট তখন ।।

ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার এর তরফ থেকে বলা হয়েছে ২৬ শে জানুয়ারি থেকে তারা আর পরিষেবা দিতে পারবে না। এতো দিন ২০২৩ এর পরবর্তী ...
02/12/2025

ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার এর তরফ থেকে বলা হয়েছে ২৬ শে জানুয়ারি থেকে তারা আর পরিষেবা দিতে পারবে না। এতো দিন ২০২৩ এর পরবর্তী সময়ে এই বিমান সংস্থা টি একটি নয় আসনের সিঙ্গেল ইঞ্জিন ক্যাসেনা গ্র্যান্ড ক্যারাভান মডেলের বিমান দিয়ে কোচবিহার হতে কলকাতা পর্যন্ত বিমান পরিষেবা দিয়ে আসছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এখন আবার নতুন করে কোনো বিমান সংস্থার সাথে কেন্দ্র কে কথা বলতে হতে পারে। তবে খবরের একটি সূত্রের মারফত জানা যাচ্ছে এবার হয়তো ন্যূনতম ১৪ আসনের এবং পরবর্তীতে কিছু পরিকাঠামো উন্নয়ন করে ২৮ আসনের বিমান পরিষেবা চালু করা হতে পারে।
#কোচবিহার

চাকরির সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত জানতে Page Follow করে রাখুন! মনে রাখবেন কাজের জন্য কোনো টাকা পয়সা নেওয়া হয় না!
26/11/2025

চাকরির সংক্রান্ত আরো বিস্তারিত জানতে Page Follow করে রাখুন! মনে রাখবেন কাজের জন্য কোনো টাকা পয়সা নেওয়া হয় না!

🌟 *নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা* 🌟

​ _প্রিয় প্রার্থী,
​আমরা আপনাদের দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সেরা সুযোগটি এনে দিতে বদ্ধপরিকর। আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে!_

*​১. আবেদনের প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক বাছাই*
*​অগ্রাধিকার:* সিভি (CV)। আমাদের প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হলো আপনার সিভি জমা দেওয়া। আপনি যে পদের জন্য আবেদন করছেন, তার জন্য আপনি যোগ্য কিনা, তা যাচাই করাই আমাদের প্রথম কাজ।
​সিভি ছাড়া তথ্য নয়। অনেকেই সিভি না দিয়েই সাক্ষাৎকারের স্থান (Location) বা কাজের বিস্তারিত তথ্য (Job Details) জানতে চান। এটি আমাদের প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। সিভি জমা না দিলে আমরা কোনো তথ্য প্রদান করতে পারি না।

​২. *সঠিক যোগাযোগের ধাপসমূহ*
​সিভি শর্টলিস্টিং (CV Shortlisting): আপনার সিভি উপযুক্ত মনে হলে, আমরা আপনাকে কল করব।
​প্রাথমিক আলোচনা: ফোনে আপনার যোগ্যতা ও আগ্রহ সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য যাচাই করার পর আমরা কাজের বিস্তারিত বিবরণ (Job Details) আপনার সঙ্গে শেয়ার করব।
​সাক্ষাৎকারের সময়সূচি (Interview Scheduling): সমস্ত প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলেই আমরা আপনার সাক্ষাৎকারের দিনক্ষণ নির্ধারণ করে দেব।

​৩. *কর্মক্ষেত্র ও ঠিকানার সঠিকতা (Location Clarity)*
​লোকেশন অপরিহার্য। যদি শূন্যপদটি কলকাতা লোকেশনের জন্য হয়, কিন্তু আপনার সিভিতে কেবল কোচবিহারের ঠিকানা দেওয়া থাকে, তবে আপনার সিভি শর্টলিস্ট নাও হতে পারে।
​ঠিকানা উল্লেখ: আপনি যদি কোচবিহারের বাসিন্দা হয়েও বর্তমানে কলকাতায় থাকেন, তবে আপনার স্থায়ী ঠিকানা (Permanent Location) এবং বর্তমান ঠিকানা (Current Location)—উভয়ই সিভিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ করুন।
​সঠিক ঠিকানা সহ সিভিই অগ্রাধিকার পাবে।

​৪. *সাক্ষাৎকারে উপস্থিতির গুরুত্ব*
​সময় ও প্রতিশ্রুতির মূল্য দিন। আমরা যখন সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং আপনার পক্ষ থেকে সম্মতি পাওয়ার পর সাক্ষাৎকারের জন্য আপনার নাম তালিকাভুক্ত করি, তখন সেই দিন আপনার উপস্থিত থাকা অত্যন্ত জরুরি।
​অজুহাত পরিহার করুন। সাক্ষাৎকারের দিন ফোন না তোলা বা নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে অনুপস্থিত থাকা কাম্য নয়। এর ফলে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং আমাদেরও প্রক্রিয়াগত জটিলতা সৃষ্টি হয়।

*​গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:* অনুপস্থিতি বা বারবার অজুহাত দেখানোর ফলে পরবর্তীতে আপনি ভালো সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন এবং সিস্টেমের দৃষ্টিতে আপনাকে 'ডুপ্লিকেট ক্যান্ডিডেট' হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, যা আপনার নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্থায়ীভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
​আমরা বিশ্বাস করি আপনি আপনার সময়কে গুরুত্ব দেবেন এবং ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবেন।

​ _আমরা আপনার একটি সুন্দর ও সফল সাক্ষাৎকার এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য প্রার্থনা করি।_

Thanks Regards
Sujan Kr Sarkar
Senior HR Recruiter

​ #চাকরিরখোঁজ #নিয়োগপ্রক্রিয়া

23/11/2025

এক বছরের অপেক্ষায় এরকম একটা রাতের জন্য কোচবিহার🌟✨

চিনতে পারছেন?কোচবিহার ঘোষকাডাঙ্গা ঋজু & রাজুএবার দেখা গেলো INDIA GOT TALENT এ ।আরো এগিয়ে যাও
22/11/2025

চিনতে পারছেন?
কোচবিহার ঘোষকাডাঙ্গা ঋজু & রাজু
এবার দেখা গেলো INDIA GOT TALENT এ ।
আরো এগিয়ে যাও

09/11/2025

কোচবিহার রাসচক্র তৈরীর কারিগর #আলতাফ_মিঞা পরিবারের সমস্যার কথা।



কোচবিহার মদনমোহন মন্দির এসে পৌঁছলেন জেলাশাসক রাজু মিশ্রা। অল্প সময়েই রাসচক্র ঘুরিয়ে রাস উৎসবের শুভ সূচনা করবেন তিনি সত...
05/11/2025

কোচবিহার মদনমোহন মন্দির এসে পৌঁছলেন জেলাশাসক রাজু মিশ্রা। অল্প সময়েই রাসচক্র ঘুরিয়ে রাস উৎসবের শুভ সূচনা করবেন তিনি সত্যিই ওনাকে দেখে একেবারে কোচবিহারের রাজার মতোই দেখাচ্ছে কোচবিহারের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি কে আপন করে একেবারে যেন মিলেমিশে সত্যি কারের রাজা হয়ে উঠছেন ❤️🙏
সূত্র: উত্তরের সংবাদ

05/11/2025

বাঙালি, আর কতদিন শুধু অতীত নিয়ে থাকবেন?আসুন, চিনে নিন বর্তমানকে।এই মেয়েটিও বাঙালি। কিন্তু এখনো অনেকে আছে আমরা ঠিকমতো চিন...
04/11/2025

বাঙালি, আর কতদিন শুধু অতীত নিয়ে থাকবেন?
আসুন, চিনে নিন বর্তমানকে।

এই মেয়েটিও বাঙালি।
কিন্তু এখনো অনেকে আছে
আমরা ঠিকমতো চিনিই না এনাকে।

আমরা যখন 'বাঙালি' ও 'ক্রিকেট'—এই দুটো শব্দকে এক ফ্রেমে বাঁধি, তখন আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে
লর্ডসের ব্যালকনিতে এক মহারাজের জার্সি ওড়ানোর দৃশ্য।

আমাদের মনে পড়ে চাকদহ এক্সপ্রেসের সেই অদম্য দৌড়,
যা বিশ্ব ক্রিকেটকে শাসন করেছে।

কিন্তু আজ, এই বিশ্বজয়ের সন্ধ্যায়,
আমি আপনাকে এমন এক বাঙালির গল্প শোনাবো,
যার উত্থান রূপকথাকেও হার মানায়।

তাহলে আজ শুনুন।
এই লেখাটা পড়ুন
এবং এই আগুনপাখির গল্পটার সাক্ষী হয়ে থাকুন।

এই গল্পটা ঠিক কোথা থেকে শুরু করা উচিত?
শুরুটা কি সেই চার বছরের মেয়েটা থেকে,
যে শিলিগুড়ির বাড়ির উঠোনে প্লাস্টিকের ব্যাট ঘোরাচ্ছে?

নাকি সেই একরোখা বাবা, মানবেন্দ্র ঘোষের থেকে,
যিনি ক্রিকেটারের চোখে এক জহুরীর মতো নিজের সন্তানকে চিনে ফেলেছিলেন?

নাহ্, এই গল্পের শুরুটা আরও গভীর।
এর শুরুটা কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে তাকিয়ে থাকা একটা শহর থেকে।

শিলিগুড়ি।
পাহাড়ের পায়ের কাছে, চা বাগানের সবুজ গালচের পাশে যার বাস।

শহরটা শান্ত, স্নিগ্ধ, বড়ই ঘরোয়া।
এই শান্ত, কুয়াশামোড়া শহর থেকে কি কোনো ঝড়ের জন্ম হতে পারে? এমন কালবৈশাখী, যা গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দেবে?

পারে।
সেই ঝড়েরই নাম, রিচা ঘোষ।

এই গল্পটা শুধু রিচার নয়।
এই গল্পটা একটা মেয়ের আড়ালে থাকা এক বাবার।

মানবেন্দ্র ঘোষ।
শিলিগুড়ির এক পার্ট-টাইম আম্পায়ার
এবং স্থানীয় ক্লাবের একনিষ্ঠ সেবক।

মানবেন্দ্রবাবুর নিজের একটা স্বপ্ন ছিল।
তিনি নিজে ক্রিকেটার হতে পারেননি।

সেই অতৃপ্ত স্বপ্নটা, সেই না-পাওয়াটা,
তিনি চার বছরের ছোট্ট মেয়েটার চোখে রোপণ করে দিয়েছিলেন।

যখন রিচা প্রথম ব্যাট হাতে নিল,
তখন সেই বাবা শুধু এক টুকরো কাঠ দেননি,
তিনি মেয়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন নিজের অপূর্ণ জীবনের এক পবিত্র দায়িত্ব।

কিন্তু এ যে শিলিগুড়ি!
এ শহর কলকাতা নয়।
এখানে মেয়েদের ক্রিকেট খেলার 'রেওয়াজ' নেই,
পরিকাঠামো তো দূরের কথা।

মানবেন্দ্রবাবু যখন মেয়েকে নিয়ে মাঠে যেতেন,
তখন চারপাশ থেকে হয়তো ভেসে আসত সেই পরিচিত হাসির শব্দ,
সেই কটু মন্তব্য,
"আরে, মেয়ে হয়ে ছেলেদের সাথে খেলছে!"
"এসব করে কী হবে?"

এইসব প্রশ্ন যাঁর কানে ঢোকেনি, তিনি হলেন রিচা।
আর যিনি এই প্রশ্নগুলোকে মেয়ের কান পর্যন্ত পৌঁছাতে দেননি, তিনি হলেন মানবেন্দ্র ঘোষ।

গল্প নয়, এটা এক কঠিন সত্যি।
রিচার যখন প্রথম একটা ভালো ব্যাটের দরকার হলো,
একটা ইংলিশ উইলো ব্যাট,
তখন তার দাম শুনে থমকে গিয়েছিলেন বাবা।

একজন সামান্য আম্পায়ার, ব্যবসা চলে সামান্য।
যিনি ছোটখাটো ব্যবসা করে সংসার চালান,
তাঁর কাছে অত টাকা কোথায়?

কিন্তু তিনি যে জহুরী!
তিনি জানতেন, তাঁর ঘরে যে হীরা আছে,
তাকে ঘষামাজা করার জন্য এইটুকু দরকার।

রিপোর্ট অনুযায়ী, মানবেন্দ্রবাবু তাঁর ছোট্ট ব্যবসার প্লটটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

ভাবতে পারেন?
একটা গোটা পরিবারের রুটি-রুজি, ভবিষ্যতের ভরসা,
সবটা তিনি বাজি ধরেছিলেন মেয়ের স্বপ্নের ওপর।

আজ,
এই বাবা এক রূপকথার জন্মদাতা।

আর রিচা?
সেই মেয়েটা কী করছিল?

সে তখন শিলিগুড়ির মাঠে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
বাঘা যতীন অ্যাথলেটিক ক্লাবে সে-ই ছিল একমাত্র মেয়ে।

মেয়েদের কোনো টুর্নামেন্ট নেই,
তাই সে নির্দ্বিধায় খেলে যাচ্ছে ছেলেদের সাথে, ছেলেদের দলেই।

আর সেই কারণেই বোধহয় রিচার ব্যাটিং-এ কোনো 'মেয়েলি' নমনীয়তা নেই,
আছে এক অদম্য, কাঁচা বারুদের জোর।

তাকে যে ছেলেদের বল খেলতে হতো,
ছেলেদের থেকে জোরে বল করতে হতো,
তাই তাঁর ব্যাটে আজ এত তেজ।

তাঁর আইডল? মহেন্দ্র সিং ধোনি।
তাই প্রথম থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বলকে সীমানার বাইরে পাঠানো।

এই যে মেয়েটা, যাকে দেখে আজ সবাই মুগ্ধ,
তাঁর শৈশবটা কেমন ছিল জানেন?

যখন তাঁর বন্ধুরা পুতুল খেলায় মত্ত,
তখন রিচা শিলিগুড়ির মাঠে ছেলেদের বলকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠাচ্ছে।

সেই বল কুড়াতে গিয়ে কতবার যে কটু কথা শুনতে হয়েছে,
তার ইয়ত্তা নেই।

বাবা ছিলেন পার্ট টাইম আম্পায়ার,
মেয়েকে নিয়ে বাইকে করে যেতেন এক মাঠ থেকে আরেক মাঠে।

সেই ছোট্ট মেয়েটা, বাবার আঙুল ধরে,
পিঠে ভারী কিটব্যাগ নিয়ে,
রোদে-জলে পুড়ে এক অদম্য জেদকে লালন করছিল।

রিচার ব্যাটটা কোনো কবির তুলি নয়।
রিচা ঘোষ নামের এই মেয়েটি বাইশ গজে ললিতকলা আঁকতে আসেনি।

সে এসেছে আগুন ঝরাতে।
তাঁর ব্যাটিং-এ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ঘরানা নেই,
আছে বাঁধভাঙা নদীর উদ্যামতা।

তাঁর ব্যাটটা কোনো তরোয়াল নয়,
ওটা একটা গদা।

যখন তিনি ক্রিজে আসেন,
তখন বোলারদের চোখে ভয় ঘনায়।

কারণ তাঁরা জানেন,
এই মেয়েটি 'অপেক্ষা' করতে শেখেনি,
সে শিখেছে শুধু 'আঘাত' করতে।

প্রতিভা চাপা থাকে না।
শিলিগুড়ির সেই ঝড় এসে পৌঁছালো কলকাতায়।

ডাক এল বাংলার (Cricket Association of Bengal) ক্যাম্পে।

আর তারপর যা ঘটল,
তা কোনো স্বাভাবিক উত্থান নয়,
তা এক উল্কা-পতন!

মাত্র এগারো বছর বয়সে রিচা বাংলার অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পেলেন।
বারো বছর বয়সে ডাক পেলেন অনূর্ধ্ব-২৩ দলে।
আর মাত্র তেরো বছর বয়সে বাংলার সিনিয়র দলে তাঁর অভিষেক হলো!

ভাবুন একবার,
যে বয়সে মেয়েরা স্কুলের গণ্ডি পেরনোর কথা ভাবে,
সেই বয়সে রিচা বাংলার সিনিয়র দলের ড্রেসিংরুমে।

এটা কোনো গল্প নয়,
এটাই রিচা ঘোষের বাস্তব।

বাংলার হয়ে তাঁর বিধ্বংসী ইনিংসগুলো নির্বাচকদের বাধ্য করল তাঁর কথা ভাবতে।
ফল?
মাত্র ১৬ বছর বয়স।

রিচা ঘোষ ডাক পেলেন ভারতের সিনিয়র দলে।
সোজা ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে!

যে মেয়েটা ক'দিন আগেও শিলিগুড়ির মাঠে ছেলেদের সাথে অনুশীলন করছিল, সে আজ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতের জার্সি গায়ে।

তারপরের যাত্রাটা আমাদের চোখের সামনেই।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়
(যেখানে তিনি সিনিয়র হয়েও জুনিয়রদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন), WPL-এ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে ১.৯ কোটির সেই ঐতিহাসিক চুক্তি, বিদেশে আরেক সাইনিং।
আর সবশেষে...
ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়।

২০২৫-এর বিশ্বকাপ ফাইনাল।
২৯৮ রানের পুঁজি।

রিচা ঘোষের অবদান?
২৪ বলে ৩৪।

অনেকে বলবেন, "এ আর এমন কী!"
কিন্তু তাঁরা জানেন না, রিচার খেলার ধরনটাই ওইরকম।

সে ক্রিজে আসে অক্সিজেন সাপ্লাই কমে যাওয়া একটা দলকে নিবিড় পরিচর্যা দিতে নয়,
সে আসে 'শক থেরাপি' দিতে।

ওই ২৪টা বলই দক্ষিণ আফ্রিকার মনোবলকে ভেঙে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। ওই ইনিংসটা ছিল ছোট, কিন্তু তীব্র।

ঠিক যেন উত্তরের সেই কালবৈশাখী,
আসার আগে জানান দেয় না,
কিন্তু যখন আসে, তখন সব ওলটপালট করে দিয়ে যায়।

আর শুধু ব্যাট?
ওই উইকেটের পিছনে গ্লাভস হাতে মেয়েটাকে দেখেছেন?

চিতার মতো ক্ষিপ্র।
গোটা ম্যাচটা সে-ই তো পরিচালনা করে।

অধিনায়কের থেকেও বেশি কথা বলে ওই কিপার।

রিচা শুধু একজন পাওয়ার-হিটার নয়,
সে একজন ধুরন্ধর মস্তিষ্কও বটে।

যখন মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে রিচা বিশ্বজয়ের ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখছিল, যখন সতীর্থদের সাথে সেই বাঁধভাঙা উল্লাসে সে মত্ত,
তখন...
..তখন স্টেডিয়ামে উপস্থিত,
তার নিজের বাবা হয়তো নিঃশব্দে চোখ মুছছিলেন।
সঙ্গ দিয়েছিলেন তার মা।

আজ তাঁর স্বপ্নটা মহীরুহ হয়েছে।

আজ তাঁর মেয়ে শুধু তাঁর মেয়ে নয়,
সে গোটা বাংলার গর্ব, গোটা দেশের অহংকার।

রিচা ঘোষ একটা নাম নয়।
রিচা ঘোষ একটা বিশ্বাসের নাম।

এই বিশ্বাস যে,
ছোট শহর কোনো বাধা নয়।
এই বিশ্বাস যে,
বাবার হাতটা শক্ত করে ধরলে যেকোনো দুর্গম পথই পার হওয়া যায়।
এই বিশ্বাস যে,
মেয়ে মানেই 'ললিত' শিল্প নয়,
মেয়ে মানে বারুদও হতে পারে।

মানবেন্দ্র ঘোষের সেই বাজিটা আজ সার্থক।
যে ব্যাটটা তিনি তাঁর সর্বস্ব বিক্রি করে কিনেছিলেন,
সেই ব্যাট আজ বিশ্বজয়ী।

কাঞ্চনজঙ্ঘা আজ হয়তো একটু বেশিই উজ্জ্বল।
কারণ তাঁরই ঘরের মেয়ে আজ বিশ্বসেরা।

বাঙালি, আবার পড়ুন।
ইনিও বাঙালি।

01/11/2025

কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী রাস মেলার সাংস্কৃতিক মঞ্চে আসছে


Address

Cooch Behar
736 101

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Black Coat Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Black Coat Stories:

Share