Ali Ahmed Masud

Ali Ahmed Masud Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ali Ahmed Masud, Sylhet.

19/09/2024

আইনের শাসন আর ন্যায়বিচার প্রতিষ্টার জন্য গত ০৫ ই আগষ্ট যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিলো, সেই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট লালন করে এমন কেউই মব জাস্টিস বা মব লিঞ্চিং তথা কাউকে গণপিটুনি দেওয়া কিংবা গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলাকে সমর্থন করতে পারেন না।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এবং জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে গণপিটুনীতে মেরে ফেলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মব লিঞ্চিং সহ দেশের সকল অরাজকতা বন্ধের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানাচ্ছি। ঢাকা ইউনিভার্সিটি এবং জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে সংগঠিত গণপিটুনীতে জড়িতদের পরিচয় যাই হোক না কেন, অতি দ্রুত তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।

দেশে ইনসাফ আর ন্যায় বিচার সুপ্রতিষ্টিত হোক।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

18/09/2024

আওয়ামী লীগের আরেকটা চোর, সাবেক ভূমি মন্ত্রী Saifuzzaman Chowdhury Javed এর মুখোশ উন্মোচন করেছে আল-জাজিরা আই ইউনিট।

17/09/2024

আচ্ছা! ত্রানের টাকা কি এস আলমের পকেটে গেছে? এতো হাউকাউ কেন?

এদেশে কোরবানির ঈদে গরু পাঠাবেন, আপনার দেশে দুর্গাপূজায় ইলিশ যাবে।
17/09/2024

এদেশে কোরবানির ঈদে গরু পাঠাবেন,
আপনার দেশে দুর্গাপূজায় ইলিশ যাবে।

28/01/2021

মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রানীর মধ্যে যথেষ্ট মানবতা বোধ আছে, ভিডিও'র ছাগলটি তার প্রমাণ। অথচ আমরা মানুষ বেশীরভাগ সময় এমন মানবিকতা দেখাতে পারিনা। ভিডিও #সংগৃহীত।

31/08/2020

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
তবে, একলা চলোরে,,,

জেলে পেশা এবং আমি; একটা পর্যালোচনামানব সমাজের আদি ও অকৃত্রিম পেশা হচ্ছে শিকার করা। আদি মানুষেরা বনের পশু এবং নদী, সমুদ্র...
25/07/2020

জেলে পেশা এবং আমি; একটা পর্যালোচনা

মানব সমাজের আদি ও অকৃত্রিম পেশা হচ্ছে শিকার করা। আদি মানুষেরা বনের পশু এবং নদী, সমুদ্র বা বিস্তৃত জলরাশির হাওর থেকে মাছ শিকার করে খাদ্যের যোগান নিশ্চিত করতো। তখন শিকার, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং অন্যান্য কারনে মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে বসবাস করতে হতো। যার মধ্য দিয়ে গোষ্ঠী বা এক একটি কাল্ট এর সৃষ্টি হয়। পশু, মৎস এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক ফলজ খাদ্যের অভাব জনিত কারনে মানুষ অভিবাসন শুরু করে। পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়তে থাকে আদি মানুষেরা।

সভ্যতার ক্রমবিকাশের শুরুতেই শিকারের সাথে সাথে কৃষি ব্যবস্থার শুরু হয়। কেননা অভিবাসন করে নতুন জায়গায় যাওয়ার পরও সময়ের পরিক্রমায় খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। আর এই সমস্যার সমাধান করতে গিয়েই কৃষি ব্যবস্থার উদ্ভব। এক পর্যায়ে কৃষির প্রয়োজনে মানুষ বনের পশুকে পোষ মানাতে শুরু করে।

বনের পশুকে পোষ মানানোর ব্যাপারটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। কেননা পশু পোষ মানানোর ফলে এটা আর বনের পশু রইলোনা। হয়ে গেলো গবাদিপশু। আর গবাদিপশু কৃষির প্রয়োজনীয়তা পূরনের পাশাপাশি পশু শিকারের প্রয়োজনীয়তাকেও প্রায় শূন্যের কোটায় নামিয়ে দেয়। ফলে প্রাচীন যাযাবর জনগোষ্ঠী কৃষি আর মাছ শিকারের প্রয়োজনে নদীর তীরবর্তী বিস্তর্ন তৃণভূমি সংলগ্ন এলাকায় থিতু হতে শুরু করে। এজন্যই প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছে নীল নদের তীরে, মেসোপটোমিয়ো সভ্যতার সন্ধান পাই আমরা ইউফ্রেটিস এবং টাইগ্রিস নদীর তীরে, আমাদের ভারতীয় সিন্ধু সভ্যতারও সন্ধান পাওয়া যায় সিন্ধু নদীর তীরে।

এমনকি আধুনিক সভ্যতার ইউরোপের প্রায় সকল উন্নত শহরও গড়ে উঠেছে দানিউব নদীর তীরে।

সভ্যতার ক্রমবিকাশের এই পর্যায়ে এসে এখন আর খাদ্যের প্রয়োজনে পশু শিকার করতে হয়না। কিন্তু মাছ শিকারের প্রয়োজনীয়তা কমেনি বরং বেড়েছে হাজার গুন। যার ফলে মাছ শিকারের পাশাপাশি এখন মাছ চাষও করতে হচ্ছে।

প্রযুক্তির উন্নতিতে নদী, হাওর বা সমুদ্র থেকে মাছ শিকারতো বেড়েছেই একই সাথে গভীর সমুদ্র থেকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হয়। যা আদি মানুষেরা হয়তোবা কল্পনাও করতে পারতোনা।

সারা পৃথিবীতেই সি-ফুড বা সামুদ্রিক খাবার অনেক জনপ্রিয়।

সভ্যতার এই অতি আধুনিক সময়ে মানুষের জীবন যাত্রায় ব্যাপক বৈচিত্র্য এসেছে। বৈচিত্র্য এসেছে পেশায়ও। কিন্ত আদি পেশা মাছ শিকার এখনো প্রাসঙ্গিক এবং প্রয়োজনীয়। বরং আগের চেয়েও অনেক বেশি প্রয়োজন।

কিছু কিছু মানুষ বংশ পরম্পরায় এখনো টিকে আছে মাছ ধরার আদি পেশায়। আমাদের দেশে, বিশেষত বৃহত্তর সিলেটের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এদের জীবন যাত্রার মান একেবারে তলানিতে। এজন্যই হয়তোবা সামাজিক ভাবে এই পেশাকে নেতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। অথচ এরাই আদি, অকৃত্রিম এবং অনন্য এক পেশায় জড়িত। আমাদের সবারই খাদ্যে আমিষের সিংহভাগের যোগান দেয় এরাই।

মানব সভ্যতার একইসাথে আদিম ও অত্যাধুনিক অনন্য এবং বংশ পরম্পরায় আমার পৈত্রিক এই পেশার প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধাবোধ। এই পেশায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতিই আমার আলাদা ভালোবাসা এবং মমতাবোধ কাজ করে।

আমার অনেক অক্ষমতার সাথে একটা বড় অক্ষমতা হচ্ছে, গ্রামে বড় হওয়া সত্বেও একদিনও মা-বাবাকে মাছ ধরে এনে খাওয়াতে পারিনি। নিম্ন মধ্যবিত্ত একটা পরিবারে জন্ম নেওয়া সত্বেও মা-বাবা এমন কোন কিছু করতে দিতে চাননি। যার ফলে আজকের অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র এই আমি।

আকাশ-মেঘ-পাহাড় যেখানে মিশে একাকার সেই মেঘালয় পর্বতমালা চুইয়ে বিভিন্ন নদী-নালা আর খাল পানি বয়ে নিয়ে এসে ভরিয়ে দেয় আমাদের বিস্তির্ন প্রান্তর, প্লাবিত হয় নিম্নভূমি।

কানাইঘাট-দরবস্ত রোড সংলগ্ন সীমান্তবর্তী তেমনি এক খালে জাল ধরে বসে আছেন দুই জেলে ভাই। তাদের মধ্যে একজন আবার সনাতন ধর্মাবলম্বী। অনেকক্ষণ তাদের সাথে গল্পগুজব আর জেলে সাজার আনাড়ি প্রচেষ্টায় এই ছবি গুলো।

আলী আহমদ মাসুদ
বিএসএস (অনার্স) এমএসএস (১ম শ্রেণী)
এলএল,বি (এন,ইউ)
জুলাই ২৪, ২০২০ খ্রীস্টাব্দ।

18/07/2020

প্রসঙ্গঃ ন্যায় বিচার; রিজেন্ট'র শাহেদ, জেকেজি'র সাবরিনা ও অন্যান্য

কয়েকদিন আগে স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত Bridge Of Spies মুভিটা দেখছিলাম।

নব্বই দশকের কোল্ড ওয়ার চলাকালীন সময়ের কাহিনী নিয়ে নির্মিত মুভিটিতে একজন রুশ গুপ্তচর আমেরিকায় গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার হন। তার বিচার শুরু হয়, রুশ গুপ্তচরের জন্য সরকারি ভাবে ডিফেন্স এটর্নি নিযুক্ত হন নিউইয়র্কের একজন বিখ্যাত আইনবিদ। এই আইনবিদ আবার আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ'র এজেন্ট। তা সত্ত্বেও তিনি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে তার মক্কেলকে রক্ষার যথাযথ চেষ্টা করেন। তিনি একপর্যায়ে তার মক্কেলকে মৃত্যুদণ্ড না দেয়াই যথাযথ, তা আদালতকে বুঝাতে সক্ষম হন এবং এই গুপ্তচরের ত্রিশ (৩০) বছরের কারাদণ্ড হয়। এই আদেশের বিপক্ষেও উচ্চ আদালতে আপীল করা হয়।

মামলার শুনানি কালে এই ডিফেন্স এটর্নির পরিবার নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত হয়ে পড়ে। কেননা জনমত এবং গণমাধ্যম এই রুশ গুপ্তচরের বিরুদ্ধে ছিলো। একপর্যায়ে জনগণ এই বিখ্যাত আইনবিদের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে।

তবুও এই আইনবিদ তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে পিছপা হননি। তিনি আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার সমুন্নত রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন।

প্রত্যেক মানুষেরই ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। একইসাথে অধিকার আছে আইনগত সুরক্ষা ও সহায়তা পাওয়ার।

আমাদের দেশে প্রায়ই চাঞ্চল্যকর হত্যা, ধর্ষণ এবং বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও জালিয়াতির মতো ঘটনা ঘটে থাকে। অনেক সময়ই দায়ী হিসাবে অভিযুক্তদেরকে আইনের মুখোমুখি দাড় করানো হয়। স্বাভাবিকভাবেই তারা আইনগত সহায়তা পান, তাদের পক্ষে আইনজীবীরা দাড়ান।

এই ব্যাপারে ঢালাওভাবে আইনজীবীদের দোষারোপ করা হয়। অনেকে মনে করেন, আইনজীবীরা শুধুমাত্র টাকার জন্যই এই ধরনের চাঞ্চল্যকর হত্যা, ধর্ষণ কিংবা দুর্নীতির মামলা গুলোয় ডিফেন্স করেন।

অথচ, ন্যায় বিচারের স্বার্থে একটা সভ্য সমাজে প্রত্যেকেরই আইনগত সুরক্ষা ও সহায়তা পাওয়া একান্ত জরুরি। একটা সভ্য সমাজে চাইলেই কাউকে শ্যুট করে মেরে ফেলা যায়না। কাউকে প্রাণদন্ড কিংবা যেকোন দন্ড দিতে হলে তার যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।

এজন্যই আমরা সশস্ত্র বাহিনীগুলোর এনকাউন্টারের বিরোধিতা করি, র‍্যাব-পুলিশের ক্রসফায়ারের বিরোধিতা করি। একই কারণে আমরা মব-জাস্টিস তথা গণপিটুনি দিয়ে মানুষ হত্যারও বিরোধিতা করি।

একজন সভ্য, সুশিক্ষিত নাগরিক হিসাবে, একজন আইনের ছাত্র হিসাবে, একজন মানবাধিকার কর্মী হিসাবে এই কথা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, প্রত্যেকেরই ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। প্রত্যেক মানুষেরই আত্মপক্ষ সমর্থনের সু্যোগ পাওয়ার অধিকার আছে। কোন অবস্থাতেই ট্রায়াল ব্যাতিরেকে কাউকে শাস্তি প্রদান কোনভাবেই সমর্থন করা যায়না।

যেকোনো ফৌজদারি অভিযোগের ক্ষেত্রে ভিকটিমের যেরূপ ন্যায় বিচার পাওয়া অধিকার, একইভাবে আইনগত সুরক্ষা ও সহায়তা পাওয়া আসামীরও ন্যায্য অধিকার।

বর্তমানে মহামারির এই সময়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী দুর্নীতি কান্ডে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ এবং জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডাক্তার সাবরিনা চৌধুরীকে গ্রেফতার করে কোর্টে তোলা হয়েছে। তাদের পক্ষে যাতে কোর্টে কোন আইনজীবী না দাড়ান সেজন্য অনলাইনে ক্যাম্পেইনিংও চোখে পড়েছে। তাদের পক্ষে যেসকল আইনজীবী কোর্টে দাড়িয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে হেইট-স্পিচ ছড়ানো হচ্ছে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়।

আমাদেরকে বুঝতে হবে, দুর্নীতি বা খুন কিংবা ধর্ষণের জন্য অভিযুক্তদের পক্ষে কোর্টে দাড়ানোর মানে গুম, খুন কিংবা ধর্ষণের সমর্থন করা নয়।

এদেশের নানা বিষয় নিয়ে আমাদের হতাশা আছে, একইভাবে বিচার বিভাগের প্রতিও মানুষ যথাযথ আস্থাবান নয়। পুলিশ এবং প্রসিকিউশন বিভাগের দুর্বলতার জন্যও অনেক সময় আসামিরা ছাড়া পেয়ে যায়। তারজন্যও সাধারণ মানুষ বিচার বিভাগের প্রতি বিতৃষ্ণ হয়। সাধারণ মানুষ ভাবে, বিচার বিভাগ যথাযথ কাজ করেনা। অথচ আমরা বুঝিনা যে, শুধুমাত্র ভালো বিচার বিভাগই একটা ভালো বিচার এনে দিতে পারেনা। এজন্য প্রয়োজন সামগ্রিক উন্নয়ন।

একটা সভ্য ও উন্নত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য একটা উন্নত বিচার ব্যবস্থা অতি আবশ্যক।

একটা সুন্দর সমাজের স্বপ্নচারী হিসাবে আমি চাই, আমরা জনসাধারণ আরো সচেতন হই। সকল ধরনের গুম, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদির বিরুদ্ধে অবস্থান নিই। একই সাথে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসি।

আলী আহমদ মাসুদ
বিএসএস (অনার্স), এমএসএস (১ম শ্রেণী)
(সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, এনইউ)
এলএল.বি (এন,ইউ)

15/05/2020

করোনা পরবর্তী ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা

গত কয়েকদিন ইন্টারনেটে করোনা পরবর্তী সময়ের আর্থিক মন্দা সংক্রান্ত কিছু আর্টিকেল পড়লাম। বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন, ১৯৩০ এর পর পৃথিবী সবচে বড় আর্থিক দুরাবস্থায় পড়তে যাচ্ছে।

এবং এটা আগামী দুবছর চলতে পারে।

এসময় আমাদের মতো সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিকল্পনা কী হওয়া উচিত, সে ব্যাপারেও অনেক আলোচনা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ ব্যাপারে সাধারণ কিছু ধারণা শেয়ার করলাম।

১. ক্রেডিট কার্ড অবশ্যই পরিত্যাজ্য। এর সুদের হার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। মানে যে জিনিস আপনি ক্রেডিট কার্ডে ১০০ টাকায় কিনছেন, তার আসল দাম পড়ছে ১৩০ টাকা। তা আবার চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে। তার মানে ৩০ ভাগ সুদ বেড়েই চলে। এজন্যই মিনিমাম পেমেন্ট করে যারা ক্রেডিট কার্ডে লোন রেখে দেন, তাঁদের পাওনা কমে না বললেই চলে। এছাড়া আছে বার্ষিক ফি, লেইট ফি। এসময়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যতো ফিচার পড়লাম, সবাই ক্রেডিট কার্ডকে বর্জনকে এক নম্বরে রেখেছেন। বিশেষজ্ঞরা অতি প্রয়োজন ছাড়া ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে মানা করেছেন।

২. যা কিনবেন, নগদ টাকায় কিনুন। বাকিতে নয়। নগদ টাকায় কিনলে 'টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে' এই সাইকোলজিক্যাল ফিলিংসটি কাজ করে। যা অযথা ব্যয় থেকে আমাদের রক্ষা করে। বাকিতে কিনলে যেহেতু টাকা তাৎক্ষণিকভাবে হাতছাড়া হয় না, তাই খরচ করতে মন খচখচ করে না। ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রেও এই নীতি প্রযোজ্য।

৩. সুপারশপ নয় ছোট মুদি দোকান/কাঁচা বাজার থেকে কেনাকাটা করুন। সুপারশপের এস্টাবলিশমেন্ট খরচের কারণে যেকোনো জিনিষের দাম বেশি থাকে। তাছাড়া করোনার দুর্যোগে সুপারশপগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। বরং তাদের বিক্রি বেড়েছে। মাঠে মারা পড়েছেন ছোট দোকানিরা। আপনি ওখান থেকে কিনলে টাকাও বাঁচবে, ওই সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবেন।

৪. বিদ্যুত/মোবাইল ফোনের খরচ কমান। পারলে গাড়ির তেল খরচও কমান। রেস্টুরেন্টে খাওয়া কমিয়ে দিন। বাড়িতেও খাওয়াদাওয়ার বাহুল্য কমিয়ে দেয়াই ভালো।

৫. খুব দরকার না হলে নতুন জামাকাপড় বা জুতো না কেনাই ভালো।

৬. বিলাস দ্রব্য বর্জন করুন। আগামী দুবছর দামি ব্রান্ডের দোকানে যাওয়ার সময় নয়, টিকে থাকার সময়।

৭. ফার্নিচারে আরো পাঁচ/দশ বছর যাবে, ওগুলো না বদলানোই ভালো।

৮. ছোটবেলায় মায়েরা মুষ্টিচাল বাঁচাতেন, সম্ভব হলে প্রতিদিন অন্তত একশো/দুশো টাকা বাঁচান।

৯. কোন রোগী দেখতে গেলে ফলমূল নয়, নগদ টাকা নিয়ে যান।

১০.ভুলেও না বুঝে শেয়ার মার্কেটে যাবেন না। পুরো দুনিয়ায় এ মার্কেট ঘুরে দাঁড়াতে অনেক সময় নেবে।

১১. বড় কোন সামাজিক অনুষ্ঠান না করাই ভালো। আগামী দুবছর এগুলো করে অপচয় করার সময় না।

১২. সুদ/লাভ যুক্ত ঋণ নেবেন না। এটা বড় ধরণের দায় হয়ে দাঁড়াবে।

১৩. যদ্দুর সম্ভব সঞ্চয়ে হাত দেবেন না। যা আয় সে অনুযায়ী বাজেট করুন। আমাদের বুঝতে হবে, যে টাকা মার্কেট থেকে পালিয়েছে তা ফিরিয়ে আনতে অন্তত দুবছর সময় লাগবে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। তাই সামনের দুবছর কঠোর সংযম ও দূরদর্শিতা দেখানোর সময়। মনে রাখবেন, 'পয়সা বাঁচানো' মানে 'পয়সা আয়' করা।

বিশেষ পরামর্শ, সামনের দুবছর ভোগের নয়, দেওয়ার সময়। সম্ভব হলে অন্যদের সাহায্য করুন। কারণ দানে কমে না, দানে আনে।

ধন্যবাদ।

(সংগৃহীত ও ঈষৎ পরিবর্তিত)

06/04/2020

বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি মোট ১৭টি ল্যাবে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণে কাজ চালু হচ্ছে।
নাম ও ফোন নাম্বার দেওয়া হলোঃ

১। রোগতত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IEDCR), ঢাকা।
📞☎ যোগাযোগ: 02-9898796

২। ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ (জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট), মহাখালী, ঢাকা।
📞☎ যোগাযোগ: 02-8821361

৩। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস, চট্টগ্রাম।
📞☎ যোগাযোগ: 031-2780426

৪। শিশু স্বাস্থ্য গবেষণা ফাউন্ডেশন (CHRF), ঢাকা।
📞☎ যোগাযোগ: 02-48110117

৫। আইসিডিডিআরবি (icddr,b), ঢাকা।
📞☎ যোগাযোগ: 09666-771100

৬। আইডিইএসএইচআই (ideSHi), ঢাকা।
📞📲 যোগাযোগ: 01793-163304

৭। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরী মেডিসিন, ঢাকা।
📞☎ যোগাযোগ: 02-9139817

৮। রংপুর মেডিকেল কলেজ, রংপুর।
📞☎ যোগাযোগ: 0521-63388

৯। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।
📞☎ যোগাযোগ: 0721-772150

১০। ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
📞☎ যোগাযোগ: 02-55165088

১১। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।
📞☎ যোগাযোগ: 091-66063

১২। এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, সিলেট।
📞☎ যোগাযোগ: 0821-713667

১৩। খুলনা মেডিকেল কলেজ, খুলনা।
📞☎ যোগাযোগ: 041-760350

১৪। শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল।
📞☎ যোগাযোগ: 0431-2173547

১৫। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, কক্সবাজার।
📞📲 যোগাযোগ: 01821-431144

১৬। আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি, ঢাকা।
📞📲যোগাযোগ: 01769-016616

১৭। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
📞📲 01866-63748

(কপি পোস্ট )

01/04/2020

কি জ্বালা দিয়ে গেলা মোরে

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ali Ahmed Masud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ali Ahmed Masud:

Share