Advocate Md Abdus Samad Ajad

Advocate Md Abdus Samad Ajad I am an advocate of the Satkhira Judge Court. I hope it would create a room for sharing thoughts.

I am focusing on criminal and civil laws.The contents of this page will reflect my perspective of courtroom experiences, law review and legal research.

⚖️ চেক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!📜 Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে নতুন গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।🔹 এখন থেকে—চেকের ...
16/04/2026

⚖️ চেক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ আপডেট!

📜 Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে নতুন গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

🔹 এখন থেকে—
চেকের টাকার পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকার কম হলে, মামলার বিচার হবে:
👉 মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
অথবা
👉 ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে

✅ এর ফলে কী হবে?
✔️ বিচার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হবে
✔️ ভুক্তভোগীদের ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমবে
✔️ মামলা পরিচালনা হবে আরও সহজ ও কার্যকর

⚠️ সচেতন থাকুন, আইন জানুন—নিজের অধিকার রক্ষা করুন।

15/04/2026

⚖️ চেকের মামলায় যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত!
📌 হুমায়ুন রশিদ বনাম শাহিন আকন্দ (৭১ DLR AD)

❓ চেকে “Security Cheque” লেখা থাকলে কি মামলা হবে না?
এই প্রশ্নে দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তির অবসান ঘটিয়েছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।

চলুন সহজভাবে বুঝে নেওয়া যাক এই ঐতিহাসিক রায়ের মূল কথা—

📖 মামলার সংক্ষিপ্ত ঘটনা:
বাদী তার পাওনা টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে বিবাদীর দেওয়া একটি চেকের ভিত্তিতে Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী মামলা করেন।

🔹 বিবাদীর দাবি ছিল—
👉 এটি কোনো ঋণ পরিশোধের চেক নয়
👉 বরং একটি “Security Cheque”
👉 তাই এটি ডিজঅনার হলেও ১৩৮ ধারায় অপরাধ হবে না

প্রথমে হাইকোর্ট বিভাগ মামলা বাতিল করলেও, পরবর্তীতে আপিল বিভাগ চূড়ান্তভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেয়।

⚖️ আপিল বিভাগের যুগান্তকারী পর্যবেক্ষণ:

✅ ১. “Security Cheque” বললেই দায়মুক্তি নয়
চেকটি “Security” বা “Payment”—যাই লেখা থাকুক না কেন,
👉 যদি এটি কোনো বৈধ দায় (legally enforceable debt) পরিশোধের জন্য দেওয়া হয়,
👉 এবং ব্যাংকে ডিজঅনার হয়,
➡️ তাহলে ১৩৮ ধারায় অপরাধ হবে।

✅ ২. স্বাক্ষর মানেই দায়বদ্ধতা
👉 কেউ যদি স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করা চেক অন্যকে দেন,
➡️ ধরে নেওয়া হবে সেটি দায় পরিশোধের উদ্দেশ্যেই দেওয়া হয়েছে।

✅ ৩. প্রমাণের ভার কার?
👉 চেকটি কোনো দায়ের বিপরীতে দেওয়া হয়নি—এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব বিবাদীর
❗ শুধু “Security Cheque” বললেই দায় এড়ানো যাবে না

📌 রায়ের গুরুত্ব:
🔸 “Security Cheque” শব্দকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দায় এড়ানোর সুযোগ বন্ধ
🔸 পাওনাদারের অধিকার আরও সুরক্ষিত
🔸 চেক লেনদেনে সতর্কতা বহুগুণ বৃদ্ধি

📢 সারকথা:
👉 চেকের গায়ে “Security” লেখা থাকলেও আইনি দায় থেকে মুক্তি নেই
👉 চেক দিলে দায় আপনার—নাম যাই হোক

⚠️ সতর্কতা:
চেক ইস্যু করার আগে শতভাগ নিশ্চিত হন—
কারণ এটি শুধু কাগজ নয়, এটি একটি আইনি প্রতিশ্রুতি

✍️ মোঃ আব্দুস সামাদ (আজাদ)
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সাতক্ষীরা

15/04/2026

⚖️ প্রশ্ন: ২য় বিয়ে করতে ১ম স্ত্রীর অনুমতি কি বাধ্যতামূলক? আইন কী বলে?
চলুন বিষয়টি পরিষ্কারভাবে আইন অনুযায়ী বুঝে নেওয়া যাক—

📌 আইনে যা আছে:
১৯৬১ সালের Muslim Family Laws Ordinance এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী—
কোনো ব্যক্তি তার পূর্বের বিবাহ বহাল থাকা অবস্থায় Arbitration Council (সালিস পরিষদ)-এর লিখিত অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না।
👉 অর্থাৎ, সরাসরি ২য় বিয়ে করা আইনসম্মত নয়—প্রথমে অনুমতি নিতে হবে।

📌 অনুমতির প্রক্রিয়া:
▪️ নির্ধারিত ফিসসহ চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে
▪️ আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে—
✔️ কেন ২য় বিয়ে প্রয়োজন
✔️ বর্তমান স্ত্রী/স্ত্রীদের সম্মতি নেওয়া হয়েছে কি না
▪️ এরপর সালিস কাউন্সিল গঠন করা হবে
▪️ তারা বিষয়টি যাচাই করে “প্রয়োজনীয় ও যুক্তিসঙ্গত” মনে করলে অনুমতি দিতে পারে
📌 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
❗ আইনে সরাসরি “প্রথম স্ত্রীর অনুমতি বাধ্যতামূলক”—এমন কথা বলা নেই
✔️ তবে তার মতামত/সম্মতি বিবেচনায় নেওয়া হয়

📌 অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে কী হবে?
আইনের ধারা ৬(৫) অনুযায়ী—
🔸 বর্তমান স্ত্রী/স্ত্রীদের সম্পূর্ণ দেনমোহর তাৎক্ষণিক পরিশোধ করতে হবে
🔸 পরিশোধ না করলে তা ভূমি রাজস্বের মতো আদায়যোগ্য হবে
🔸 এছাড়া শাস্তি হিসেবে—
⚠️ সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
⚠️ বা জরিমানা (১০,০০০ টাকা পর্যন্ত)
⚠️ বা উভয় দণ্ড হতে পারে

📌 সাম্প্রতিক আইনি অবস্থান:
হাইকোর্টের রুল ডিসচার্জের মাধ্যমে আগের বিধানই বহাল রয়েছে।
👉 অর্থাৎ, এখনো Arbitration Council-এর অনুমতি বাধ্যতামূলক—এটাই চূড়ান্ত অবস্থান।
📢 সারকথা:
✔️ ১ম স্ত্রীর অনুমতি সরাসরি বাধ্যতামূলক নয়
✔️ তবে তার মতামত গুরুত্বপূর্ণ
✔️ মূল শর্ত হলো—সালিস পরিষদের অনুমতি ছাড়া ২য় বিয়ে বৈধ নয়

✍️ মোঃ আব্দুস সামাদ (আজাদ)
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, সাতক্ষীরা

15/04/2026

⚖️ বিচার বিভাগ কি আইন তৈরি করতে পারে?

কমন ল সিস্টেমে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—বিচারকরা কি শুধু আইন ব্যাখ্যা করবেন, নাকি প্রয়োজনে আইন “তৈরি”ও করবেন?

এই বিতর্কটি স্পষ্টভাবে উঠে আসে Magor and St Mellons Rural District Council v Newport Corporation মামলায়। এখানে Lord Denning মত দেন—আইনে যদি কোনো গ্যাপ থাকে, তাহলে আদালত সেই গ্যাপ পূরণ করতে পারে। অর্থাৎ, বিচারকরা আইনকে বাস্তবতার সাথে মানিয়ে নিতে পারেন। সহজভাবে বললে, কিছু ক্ষেত্রে “আইন তৈরি” করতেও পারেন।

কিন্তু যুক্তরাজ্যের House of Lords এই মত প্রত্যাখ্যান করে জানায়—আইনের গ্যাপ পূরণ করা বিচার বিভাগের কাজ নয়; এটি সংসদের দায়িত্ব।

📌 বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী—
▪️ সংসদ আইন প্রণয়ন করে (অনুচ্ছেদ ৬৫(১))
▪️ বিচার বিভাগ আইন ব্যাখ্যা করে (অনুচ্ছেদ ১০২)

তবে বাস্তবে দেখা যায়, আদালত অনেক ক্ষেত্রে guidelines, directions, এমনকি কিছু নীতিমালা নির্দেশনাও প্রদান করে—বিশেষ করে রিট মামলায়।

🔹 উদাহরণ:
▪️ BLAST v. Bangladesh (2003) – গ্রেফতার ও রিমান্ড বিষয়ে ১৫টি গাইডলাইন প্রদান
▪️ BNWLA v. Bangladesh (2009) – কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানি প্রতিরোধে গাইডলাইন

এই নির্দেশনাগুলো তখন দেওয়া হয়েছিল, যখন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট আইন ছিল না এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছিল।

❓ তাহলে প্রশ্ন—এটা কি Separation of Powers-এর লঙ্ঘন?

বাস্তবতা হলো—
বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে অনেক সময় আইন প্রণয়নে ঘাটতি থাকে, সেখানে আদালতের এই সক্রিয় ভূমিকা নাগরিক অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে—
⚠️ এই ক্ষমতার একটি সীমারেখা থাকা জরুরি।
⚠️ আদালতের দেওয়া গাইডলাইনগুলো অস্থায়ী—সংসদ আইন প্রণয়ন না করা পর্যন্তই কার্যকর থাকে।
⚠️ এবং আদালত সাধারণত তখনই এমন ভূমিকা নেয়, যখন আইন না থাকার কারণে মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়।

📢 সারকথা:
বিচার বিভাগ সরাসরি আইন প্রণয়ন করে না, তবে প্রয়োজনে “judicial activism”-এর মাধ্যমে আইনগত শূন্যতা পূরণ করে—যা নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

13/04/2026

⚖️ কে ভরণপোষণ দাবি করতে পারবেন?

📌 স্ত্রীর ভরণপোষণ দাবি:

সাধারণভাবে, স্ত্রী তার স্বামীর নিকট থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী—যতদিন পর্যন্ত বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকে। তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এই অধিকার তালাক বা বিচ্ছেদের পরও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বহাল থাকে।

🔹 স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক হলে, স্ত্রী তালাকের পর ৩ মাস পর্যন্ত (সুরা তালাক, আয়াত ৪ অনুযায়ী) ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী।
🔹 স্বামীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে, স্ত্রী ইদ্দতকালীন সময়—৪ মাস ১০ দিন (সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৩৪ অনুযায়ী) ভরণপোষণ পেতে পারেন।

📌 স্ত্রী কখন ভরণপোষণ দাবি করতে পারবেন:

✔️ স্বামী ভরণপোষণ দিতে অবহেলা করলে বা দিতে অস্বীকার করলে
✔️ একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে সমানভাবে ভরণপোষণ প্রদান না করলে
✔️ স্বামীর নিষ্ঠুর আচরণের কারণে স্ত্রী গৃহ ত্যাগে বাধ্য হলে

📌 সন্তানের ভরণপোষণ দাবি:

স্বামীর ঔরসে ও স্ত্রীর গর্ভে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্বও স্বামীর উপর বর্তায়। স্ত্রী নিজের ভরণপোষণের পাশাপাশি একই মামলায় সন্তানের ভরণপোষণও দাবি করতে পারেন।

⚖️ প্রাসঙ্গিক মামলার রায়সমূহ:
🔹 16 BLD (AD) 61
🔹 1 MLR (AD) 113 — জমিলা খাতুন বনাম রুস্তম আলী
🔹 50 DLR 180

📢 গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সন্তানের ভরণপোষণের জন্য আলাদা মামলা দায়ের করা বাধ্যতামূলক নয়; মা নিজেই একই মামলায় সন্তানের পক্ষ থেকে দাবি করতে পারেন।

#আইন #ভরণপোষণ #পারিবারিক_আইন

13/04/2026

⚖️ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পরিবর্তন হিসেবে নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে ধারা ২১খ, যা প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা (Pre-case Mediation) সম্পর্কিত একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিধান।

এই ধারার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ধরনের মামলায় সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করার সুযোগ আর থাকছে না। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে প্রথমেই আইনগত সহায়তা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে, এবং শুধুমাত্র মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে পরবর্তী ধাপে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।

🔹 ধারা ২১খ-এর মূল বক্তব্য:
এই ধারার অধীনে বলা হয়েছে যে, কিছু নির্দিষ্ট মামলার ক্ষেত্রে আদালতে যাওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে হবে। যদি এই প্রক্রিয়ায় সমাধান না আসে, তবে তবেই মামলা দায়েরের সুযোগ থাকবে।

🔹 গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
মধ্যস্থতা চলাকালীন সময়টি তামাদি (Limitation) গণনার বাইরে থাকবে, অর্থাৎ এই সময়কাল তামাদির হিসাবের মধ্যে ধরা হবে না।

📌 তফসিলের মাধ্যমে নির্ধারিত মামলাসমূহ:
এই ধারা কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোকে একটি তফসিলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সংশোধিত আইনের তফসিলে উল্লেখিত আইন ও ধারাসমূহের অধীনে প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে—

1️⃣ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৫ – পারিবারিক বিরোধ (বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান)

2️⃣ Negotiable Instruments Act, 1881 এর ধারা ১৩৮ – চেক ডিজঅনার মামলা (৫ লক্ষ টাকার কম)

3️⃣ যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩ ও ৪

4️⃣ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) – আপসযোগ্য নির্যাতন মামলা

5️⃣ পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা ৮ – পিতামাতার ভরণপোষণ সংক্রান্ত বিরোধ

6️⃣ বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১

7️⃣ State Acquisition & Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৯৬

8️⃣ Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪

9️⃣ সহকারী জজ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বণ্টন সংক্রান্ত বিরোধ

🔍 বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া:
উপরোক্ত আইন ও ধারার অধীনে মামলা দায়েরের পূর্বে অবশ্যই লিগ্যাল এইড কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মধ্যস্থতায় অংশগ্রহণ করতে হবে। মধ্যস্থতায় সমাধান না হলে তবেই আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।

🔗 ধারা ২১খ ও তফসিলের সম্পর্ক:
ধারা ২১খ নির্দেশনা দেয় কখন মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক হবে, আর তফসিল নির্ধারণ করে কোন কোন আইন ও ধারায় এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, উভয়ই একে অপরের পরিপূরক।

🌿 সমগ্র মূল্যায়ন:
এই নতুন বিধান আদালতের ওপর মামলার চাপ কমাতে সহায়ক হবে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) সংস্কৃতি গড়ে তুলবে এবং বিচার প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, সহজ ও মানবিক করে তুলবে।

📣 আইন জানুন, সচেতন হোন—সঠিক পথে বিরোধের সমাধান করুন।

13/04/2026

⚖️ সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রাপ্তির আইনগত প্রক্রিয়া (বাংলাদেশ)

🌿 আইনি ভিত্তি (Legal Basis)
সাকসেশন সার্টিফিকেট সংক্রান্ত মূল আইন হলো —
📘 The Succession Act, 1925
🔹 Section 370–390 অনুযায়ী সার্টিফিকেট প্রদান, প্রক্রিয়া ও আদালতের এখতিয়ার নির্ধারিত।

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 সাকসেশন সার্টিফিকেট কী?
সাকসেশন সার্টিফিকেট হলো আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একটি বৈধ নথি, যার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা তার movable সম্পত্তি—
💰 ব্যাংক জমা
📄 বীমার টাকা
📊 শেয়ার
📦 সঞ্চয়পত্র
📁 প্রভিডেন্ট ফান্ড
ইত্যাদি আইনগতভাবে দাবি ও উত্তোলন করতে পারেন।
📘 Ref: Section 370(1)

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 কোন আদালতে আবেদন করতে হয়? (Jurisdiction)
🏛️ মৃত ব্যক্তি যে জেলায় বসবাস করতেন, সেই জেলার District Judge Court-এ আবেদন করতে হয়।
📘 Ref: Section 371

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 কে আবেদন করতে পারেন? (Who Can Apply)
✔️ স্বামী/স্ত্রী
✔️ সন্তান
✔️ পিতা/মাতা
✔️ অন্যান্য বৈধ উত্তরাধিকারী (Legal heir)
📘 Ref: Section 372(1)(f)

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 আবেদনে যা যা উল্লেখ করতে হবে
📌 মৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও মৃত্যুর তারিখ
📌 আবেদনকারীর নাম ও মৃত ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক
📌 সকল উত্তরাধিকারীর তালিকা
📌 দাবিকৃত সম্পত্তির বিবরণ
📌 সম্পত্তির অবস্থান
📘 Ref: Section 372(1)(a–f)

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 কোর্ট ফি (Court Fee)
📊 Court Fees Act, 1870 অনুযায়ী সম্পত্তির মূল্যের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 নোটিশ জারি (Notice to Heirs)
📢 আদালত আবেদন গ্রহণের পর অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের নোটিশ প্রদান করে, যাতে তারা প্রয়োজনে আপত্তি জানাতে পারে।
📘 Ref: Section 373(1)

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 আপত্তি ও শুনানি (Objection & Hearing)
⚖️ আপত্তি থাকলে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে প্রকৃত উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে এবং আবেদন যাচাই করে।

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 সার্টিফিকেট ইস্যু (Grant of Certificate)
✅ আদালত সন্তুষ্ট হলে আবেদনকারীর অনুকূলে সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
📘 Ref: Section 373(3)

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 সার্টিফিকেটের ক্ষমতা (Effect of Certificate)
📜 সার্টিফিকেটধারী ব্যক্তি বৈধভাবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি দাবি, গ্রহণ ও হস্তান্তর করতে পারেন।
📘 Ref: Section 381

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 নিরাপত্তা বন্ড (Security Bond)
🔐 প্রয়োজনে আদালত আবেদনকারীর কাছ থেকে Security Bond গ্রহণ করতে পারে, যাতে অন্য উত্তরাধিকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।
📘 Ref: Section 375

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 বাতিল বা সংশোধন (Revocation)
❌ মিথ্যা তথ্য, জালিয়াতি বা বৈধ কারণ প্রমাণিত হলে আদালত সার্টিফিকেট বাতিল বা সংশোধন করতে পারে।
📘 Ref: Section 383

━━━━━━━━━━━━━━━

⚖️ গুরুত্বপূর্ণ রায় (Case Law)
📚 Md. Ali Hossain vs Rokeya Begum, 44 DLR 321

━━━━━━━━━━━━━━━

📢 আইন জানুন, নিজের অধিকার নিশ্চিত করুন।

Address

Satkhira District Bar Association
Satkhira
9400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md Abdus Samad Ajad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share