Md Oliul Alam Shifat

Call Website

Md Oliul Alam Shifat You came from Allah, you will go to Allah, so why worry so much?

16/11/2025

📜 জামিনযোগ্য অপরাধের ধারা সমূহ:
৩৩৪-৩৫২, ৩৫৪, ৩৫৫. ৩৫৭-৩৬৩, ৩৭০, ৩৭৪, ৩৮৪, ৩৮৮, ৩৮৯, ৪০৩, ৪০৪, ৪১৭-৪৩৫, ৪৪৭, ৪৪৮, ৪৫১, ৪৬১-৪৬৫, ৪৬৯-৪৭৫, ৪৭৭ক-৪৮৯, ৪৮৯গ, ৪৯১, ৪৯৪-৫০৪, ৪০৬-৫১০।।

📜 জামিন অযোগ্য অপরাধের ধারা সমূহ:
৩৫৩, ৩৫৬, ৩৬৪, ৩৬৪ক, ৩৬৫, ৩৬৬ক, ৩৬৬খ-৩৬৯, ৩৭১-৩৭৩, ৩৭৬-৩৮২, ৩৮৫-৩৮৭, ৩৯২-৪০২, ৪০৬-৪১৪, ৪৩৬-৪৪০, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫২-৪৬০, ৪৬৬-৪৬৮, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯ঘ, ৪৯৩, ৫০৫, ৫০৫ক, ৫১১।।

📜 মৃত্যু দন্ডের ধারাসমূহ:
১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩২৬-ক, ৩৬৪-ক, ৩৯৬ দন্ডবিধির মোট ৯টি ধারায় এবং আরো কয়েকটি বিশেষ আইনের ধারায়ও মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪, এসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২, ইত্যািদি।।

📜 যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ধারাসমূহ:
১২১, ১২১-ক, ১২২, ১২৪-ক, ১২৫, ১২৮, ১৩০, ১৩২, ১৯৪, ১৯৫, ২২২, ২২৫
(মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তিকে আইনসঙ্গত হেফাজতে বাধা দিলে), ২৩২, ২৩৮, ২৫৫, ৩০২, ৩০৪, ৩০৫, ৩০৭, ৩১১, ৩১৩, ৩২৬, ৩২৬-ক, ৩২৯, ৩৬৪, ৩৬৪-ক,
৩৭১, ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৮৭, ৩৮৮, ৩৮৯।
(সম্পত্তি আদায়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত করার অস্বাভাবিক ভয় দেখালে), ৩৯৪-৩৯৬, ৪০০, ৪০৯, ৪১২, ৪১৩, ৪৩৬, ৪৩৮, ৪৪৯, ৪৫৯, ৪৬০, ৪৬৭, ৪৭২, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৭, ৪৮৯-ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯-ঘ, ধারা।
এছাড়া বিশেষ কয়েকটি আইনের ধারায়ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।

📜 শুধুমাত্র বিনাশ্রম কারাদন্ডের ধারাসমূহ:
১৬৩, ১৬৬, ১৬৮, ১৬৯, ১৭২, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৬, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০, ১৮৭, ১৮৮, ২২৩, ২২৫-ক(খ), ২২৮, ২৯১, ৩০৯, ৩৪১, ৩৫৮, ৫০৯, ৫১০।
শুধুমাত্র জরিমানা দন্ডের ধারাসমূহ:
১৩৭, ১৫৪, ১৫৫, ১৫৬, ১৭১ছ, ১৭১জ, ১৭১ঝ, ২৬৩ক, ২৭৮, ২৮৩, ২৯০।।

ফৌজদারী কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে, দন্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদন্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।।

16/11/2025

বিনামূল্যে আইন সেবা।

বাংলাদেশ সরকার ‘লিগ্যাল এইড’কে এখন আরও শক্তিশালী করেছে। যে কোন পারিবারিক সমস্যায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে যান। নতুন আইনে, তারাই প্রথমে সমাধানের চেষ্টা করবে। দরিদ্র হলে আপনার পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেবে। সকল কিছু একদম বিনামূল্যে।

আরও তথ্য পেতে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করুন। ফোন করতেও পয়সা কাটবে না।

15/11/2025

সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ একনজরে....
The Evidence Act,1872

১) সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ সালের ১ নং আইন।
২) সাক্ষ্য আইন পাশ হয় ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ।
৩) সাক্ষ্য আইন কার্যকর হয় ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে।
৪) সাক্ষ্য আইন পদ্ধতিগত আইন।
৫) সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করেন স্যার জেমস স্টিফেন।
৬) সাক্ষ্য আইনের মোট ধারা ১৬৭টি।
৭) মোট অংশ ৩টি
৮) মোট অধ্যায় ১১টি।
৯) সাক্ষ্য আইনের ৩ধারা অনুসারে সাক্ষ্য বলতে বুঝানো হয়েছে, বিচার কার্যের জন্য কোন বিষয় সম্পর্কে, সাক্ষির যে বিবৃতি প্রদান করার জন্য বা যে সকল দলিল আদালতে উপস্থাপন করার জন্য, আদালত অনুমতি প্রদান করে তাকেই বুঝানো হয়েছে। সাক্ষ্য প্রধানত দু প্রকার, যথাঃ
ক) মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence)
খ) দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence)

ধারাঃ ১- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
ধারাঃ ৩-ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ (Interpretation Clause )- ঘটনা, প্রাসঙ্গিক বিষয়, বিচার্য বিশয়/ঘটনা, দলিল,
সাক্ষ্য, প্রমানিত, মিথ্যা প্রমানিত, প্রমানিত নয়।

ধারাঃ ৪- অনুমান (Presumtion)
 ক) অনুমান করতে পারে (May Presume)
 খ) অনুমান করবে ( Shall Presume)
 গ) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof)

ধারাঃ ৫- যে সকল বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়-
 ক) বিচার্য বিষয়
 খ) প্রাসঙ্গিক বিষয়
ধারাঃ ৬- যে সকল ঘটনা একই কাজের অংশ সেগুলো প্রাসঙ্গিক (Res Gestae)
ধারাঃ ৭- ঘটনার উপলক্ষ, কারণ যা ঘটনার তথ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৮- উদ্দেশ্য/ আচরণ/বিদ্বেষ/প্রস্তুতি (Motive/Malice/Preparation) প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৯- প্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১০- ষড়যন্ত্রকারীর কথা ও কাজ প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১১ – অন্য কোনভাবে প্রাসঙ্গিক নয় সেগুলো যখন প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১২- যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারন করতে সহায়তা করে তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৩- যে সকল ঘটনা অধিকার ও প্রথার সাথে সম্পর্কিত, তা প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৪- যে সকল বিষয় দ্বারা মানসিক ও শারিরিক অবস্থা ও অনুভূতি প্রকাশ পায় সে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ১৬- কার্য পরম্পরার অস্তিত্ব যখন প্রাসঙ্গিক

ধারাঃ ১৭- স্বীকৃতির সংজ্ঞা/Admission
১) মৌখিক বিবৃতি
২) লিখিত বিবৃতি
#দোষ স্বীকারোক্তি/Confession
১) বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি (Judicial Confession)
২) বিচারবহির্ভূত দোষস্বীকারোক্তি (Extra-Judicial Confession)

সাক্ষ্য আইনের ১৮ থেকে ২০ ধারার মধ্যে কারা স্বীকৃতি প্রদান করতে পারবে সে বিষয়ে উল্লেখ আছেঃ
ধারাঃ ১৮-
ক) কার্যবাহের কোন পক্ষ বা তার এজেন্ট কতৃক
খ) প্রতিনিধিত্ব ভুমিকায় মোকদ্দমাকারি কতৃক
গ) বিষয়বস্তুতে স্বার্থানিত পক্ষ কতৃক
ঘ) যার নিকট থেকে স্বার্থের প্রাপ্তি ঘটেছে এমন ব্যক্তি কতৃক
ধারাঃ ১৯- যে ব্যক্তিগনের অধিষ্ঠান মোকদ্দমার কোন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রমানিত হওয়া প্রয়োজন তাদের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ২০- মোকদ্দমার পক্ষ কতৃক উল্লেখিত ব্যক্তিগন কতৃক স্বীকৃতি।

ধারাঃ ২৩- দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ২৪- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি দ্বারা আদায়কৃত দোষস্বীকারোক্তি ফৌজদারি মামলায় অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ২৫- পুলিশের নিকট দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৬- পুলিশ হেফাজতে থাকাকালিন প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি
ধারাঃ ২৭- আসামির নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য যতটুকু প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ২৮- প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি অপসারণ করার পর প্রদত্ত দোষস্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ২৯- অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক হলে শুধুমাত্র গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতির ফলে অপ্রাসঙ্গিক হবেনা।
ধারাঃ ৩০- একজন অপরাধীর দোষস্বীকারোক্তি যখন অন্য সহ আসামির/অপরাধির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩১- প্রমানে বাধা(Estoppel)

এমন ব্যাক্তি যাদেরকে সাক্ষী হিসেবে তলব করা যায়না
 মৃত ব্যক্তি
 খুঁজে পাওয়া যায়না এমন ব্যক্তি
 সাক্ষ্য দেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তি
 যে ব্যক্তিকে হাজির করা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ্য
(বিঃদ্রঃ মৃত ব্যক্তির সাক্ষ্য মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক)

ধারাঃ ৩২- প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে মৃত ব্যক্তি/নিখোঁজ ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৩২(১) মৃত্যুকালিন ঘোষণা (Dying Declaration)
ধারাঃ ৩৩- কোন মামলায় প্রদত্ত সাক্ষ্যের সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় যখন প্রাসঙ্গিক (শর্ত সাপেক্ষে)

ধারাঃ ৩৬- মানচিত্র, রেখাচিত্র ও নকশায় বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
ধারাঃ ৩৭- কোন কোন আইনের বা প্রজ্ঞাপনের অন্তর্ভুক্ত সার্বজনিক প্রকৃতির তথ্য সম্পর্কিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।

ধারাঃ ৪০- ২য় মোকদ্দমায় বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তি মামলার রায় প্রাসঙ্গিক।
ধারাঃ ৪১- প্রবেট বিষয়ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে রায়ের প্রাসঙ্গিকতা।

তৃতীয় পক্ষের অভিমত যখন প্রাসঙ্গিকঃ
ধারাঃ ৪৫- বিশেষজ্ঞের মতামত
ধারাঃ ৪৬- বিশেষজ্ঞগণের অভিমতের সাথে তথ্য যখন সম্পর্কযুক্ত হয় তা প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৪৭- হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির অভিমত
ধারাঃ ৪৮- অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৪৯- প্রচলিত রীতিনীতি সম্পর্কে অভিমত
ধারাঃ ৫০- আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত

চরিত্র কখন প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫২- দেয়ানি মামলায় চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৩- ফৌজদারি মামলায় চরিত্র প্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৪- ফৌজদারি মামলায় অসচরিত্র প্রাসঙ্গিক/ অপ্রাসঙ্গিক
ধারাঃ ৫৫- দেওয়ানী মামলায় বাদির চরিত্রে প্রাসঙ্গিকতা

যে সকল ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেইঃ
ধারাঃ ৫৬- বিচারকের দৃষ্টিগোচরের ঘটনা
ধারাঃ ৫৭- যে সকল বিষয় আদালতকে বিচারিকভাবে লক্ষ্য করতেই হবে।
ধারাঃ ৫৮- স্বীকৃত ঘটনা প্রমানের প্রয়োজন নেই।

মৌখিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
ধারাঃ ৫৯- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণ
ধারাঃ ৬০- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

দালিলিক সাক্ষ্য বিষয়েঃ
দালিলিক সাক্ষ্য বলতে যে সকল দলিল আদালতে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করার অনুমতি প্রদান করা হয় তাকেই বুঝায়। দালিলিক সাক্ষ্য(Documentary Evidence) দু প্রকার, যথাঃ
 প্রাথমিক সাক্ষ্য ( Primary Evidence)
 মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)

ধারাঃ ৬১- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ- দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
ধারাঃ ৬২- প্রাথমিক সাক্ষ্য(Primary Evidence)
ধারাঃ ৬৩- মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence)
ধারাঃ ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ
ধারাঃ ৬৫- যে ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু প্রমানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
ধারাঃ ৬৬- দলিল উপস্থাপনের নোটিশ
ধারাঃ ৬৮- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত আবশ্যক তা সম্পাদনের প্রমাণ।
ধারাঃ ৬৯- যে ক্ষেত্রে কোন প্রত্যায়ক সাক্ষ্য খুঁজে পাওয়া যায়না সে ক্ষেত্রে প্রমান।
ধারাঃ ৭০- প্রত্যায়িত দলিলে পক্ষ কতৃক নিষ্পাদনের স্বীকৃতি।
ধারাঃ ৭১-প্রত্যায়ক সাক্ষী নিষ্পাদ্ন অস্বীকার করলে তার প্রমাণ।
ধারাঃ ৭৩- সাক্ষর, লিখন বা সিলমোহর অন্য স্বীকৃত বা প্রমানিত সাক্ষর, লিখন বা সীলমোহরের সাথে মেলানো।

সরকারি/বেসরকারি দলিল প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ৭৪- সরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৫- বেসরকারি দলিল
ধারাঃ ৭৬- সরকারি দলিলের সার্টিফাইড কপি(জাবেদা নকল)
ধারাঃ ৭৭- জাবেদা নকল দ্বারা দলিলের প্রমাণ
ধারাঃ ৭৯- জাবেদা নকলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮০- সাক্ষ্য হিসেবে দাখিলকৃত দলিল সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৮৩- সরকারি কতৃত্বাধিনে প্রনিত নকশা
ধারাঃ ৮৫- আমমোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান
ধারাঃ ৯০- ত্রিশবছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান

প্রমানের ভার/ দায়িত্ব বিষয়েঃ
ধারাঃ ১০১- প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০২- প্রমানের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়
ধারাঃ ১০৩- কোন নির্দিষ্ট তথ্য প্রমানের দায়িত্ব (Plea of aliv নীতি)
ধারাঃ ১০৪- সাক্ষ্য প্রমাণ করার জন্য যে তথ্য প্রমান করতে হবে তা প্রমাণ করার দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৫- সাধারণ ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৬- বিশেষভাবে জানা ঘটনা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৭- ত্রিশ বচর ধরে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত প্রমানের দায়িত্ব

ধারাঃ ১০৮- সাত বছর ধরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১০৯- কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১০- মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব
ধারাঃ ১১২- সন্তানের বৈধতা প্রমানের দায়িত্ব/সন্তানের বৈধতার চূড়ান্ত প্রমাণ
ধারাঃ ১১৪- আদালত কতিপ্য ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে

স্বীকৃতির বাধা সম্পর্কেঃ
ধারাঃ ১১৫- স্বীকৃতির বাধা (Estoppel)- কোন ব্যক্তির, কোন জমিতে স্বত্ব বা কোন কিছুতে কোন অধিকার না থাকার পরেও অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত স্বত্বের বা অধিকারের বিষয়ে বিশ্বাস অর্জন করিয়ে যদি হস্তান্তর করতে চায় এবং হস্তান্তর করার পুর্বে যদি স্বত্ব অর্জন করে তাহলে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় উক্ত পুর্বকার স্বত্বহীনতার অজুহাত দিয়ে হস্তান্তর অস্বীকার বা স্থগিত করতে পারবেনা, আর এই নীতিকে বলা হয় স্বীকৃতির বাধা বা Estoppel.

>১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টোপেল নীতির প্রয়োগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
ধারাঃ ১১৬- সাক্ষ্য আইনের ১১৬ধারা অনুযায়ী দুইটি ক্ষেত্রে এস্টপেল নীতির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে......
ক) ভাড়াটিয়া(Tenant) এবং মালিক (Landlord)
খ) দখলি ব্যক্তির অনুমতিক্রমে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি(Licensee) এবং অনুমতিদাতা (Licensor)
ধারাঃ১১৭- বিল অফ এক্সচেঞ্জের বা বিনিময় বিলের ক্ষেত্রে এস্টপেল।

সাক্ষী প্রসঙ্গেঃ
ধারাঃ ১১৮- কে সাক্ষ্য দিতে পারে
ধারাঃ ১১৯- বোবা সাক্ষী
ধারাঃ ১২০- স্বামি বা স্ত্রি সাক্ষি
ধারাঃ ১২১- জজ বা ম্যজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২২- স্বামী বা স্ত্রির মধ্যে পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৩- রাষ্ট্রীয় বিষয়ে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১২৪- সরকারি বার্তায় আদান প্রদান
ধারাঃ ১২৫- অপরাধের সংঘটন সম্পর্কে তথ্য
ধারাঃ ১২৬- পেশা সম্পর্কিত পত্রালাপ
ধারাঃ ১২৮- সেচ্ছায় সাক্ষ্য প্রদান করতে উধ্যত হলে বিশেষাধিকার অধিত্যক্ত হয়না
ধারাঃ ১২৯- আইন উপদেষ্টা
ধারাঃ ১৩০- পক্ষ নয় এরূপ সাক্ষির স্বত্বদলিল উপস্থাপন
ধারাঃ ১৩২- কোন প্রশ্নের উত্তর কোন সাক্ষিকে কোন অপরাধের সাথে জড়িত করবে এজন্য উক্ত সাক্ষিকে উত্তর দান থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবেনা।
ধারাঃ ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী
ধারাঃ ১৩৪- সাক্ষির সংখ্যা
ধারাঃ ১৩৫-সাক্ষীগনের উপস্থাপন ও পরিক্ষনের অনুক্রম
ধারাঃ ১৩৬- বিচারকগন সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারন করবেন
ধারাঃ ১৩৭- জবানবন্দী/জেরা/পুনঃজবানবন্দি
ধারাঃ ১৩৮- সাক্ষ্য গ্রহনের ধারাবাহিকতা
ধারাঃ ১৩৯- যে ব্যক্তিকে কোন দলিল উপস্থাপন করার জন্য তলব করা হয়েছে তার জেরা
ধারাঃ ১৪০- চরিত্র সম্পর্কে
ধারাঃ ১৪১- ইঙ্গিতপুর্ন প্রশ্ন (Leading Question)
ধারাঃ ১৪২- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবেনা
ধারাঃ ১৪৩- যে ক্ষেত্রে ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন করা যাবে।
ধারাঃ ১৪৪- লিখিত বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য
ধারাঃ ১৪৫- পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা
ধারাঃ ১৪৬- জেরায় যে ধরনের প্রশ্ন আইনসম্মত করা যাবে
ধারাঃ ১৪৭- কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে
ধারাঃ ১৪৮-কখন প্রশ্ন করা এবং কখন সাক্ষিকে উত্তর দিতে বাধ্য করা যাবে তা আদালত কতৃক নির্ধারিত হবে
ধারাঃ ১৪৯- প্রশ্ন যুক্তিসংগত হেতু ব্যতীত করা যাবেনা
ধারাঃ ১৫০-যুক্তিসঙ্গত হেতু ব্যতীত প্রশ্ন করলে আদালতের করনীয় বা প্রকক্রিয়া
ধারাঃ ১৫১- অশালিন ও কুৎসাজনক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫২-অপমান কিংবা উত্যক্তমূলক প্রশ্ন
ধারাঃ ১৫৩-সত্যবাদিতা পরিক্ষা করার জন্য প্রশ্নের উত্তর খণ্ডন করতে সাক্ষ্যের পরিবর্জন
ধারাঃ ১৫৪- নিজের সাক্ষিকে প্রশ্ন করা
ধারাঃ ১৫৫- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিযোগ

ধারাঃ ১৫৯- স্মৃতি পুরুজ্জিবিত করা
ধারাঃ ১৬১- স্মৃতি পুরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে বিরুদ্ধপক্ষের অধিকার
ধারাঃ ১৬২- দলিলের উপস্থাপন/দলিলের অনুবাদ
ধারাঃ ১৬৫- বিচারক কতৃক প্রশ্ন কিংবা কিছু দাখিলের আদেশ।

14/11/2025

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভাইবা পরীক্ষার ১০০ বেসিক প্রশ্ন
1. বাংলাদেশের সংবিধান কবে গৃহীত হয়?
➡️ ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
2. সংবিধান কার্যকর হয় কবে?
➡️ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
3. বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অনুচ্ছেদ আছে?
➡️ ১৫৩টি।
4. সংবিধানে কয়টি তফসিল আছে?
➡️ ৭টি তফসিল।
5. সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
➡️ ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা)।
6. রাষ্ট্রের প্রধান কে?
➡️ রাষ্ট্রপতি।
7. সরকারের প্রধান কে?
➡️ প্রধানমন্ত্রী।
8. সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদে কী বলা হয়েছে?
➡️ প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ।
9. সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
➡️অনুচ্ছেদ 94।
10. সংবিধানের 102 অনুচ্ছেদ কী নিয়ে?
➡️ রিট (Writ Jurisdiction)।
11. CPC কবে প্রণীত হয়?
➡️ ১৯০৮ সালে।
12. CPC এর Section 9 কী বলে?
➡️ সিভিল কোর্ট সকল দেওয়ানী মামলা শুনতে পারবে যদি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ না হয়।
13. Res Judicata কী?
➡️ একবার সিদ্ধান্ত হলে একই বিষয়ে পুনরায় মামলা করা যায় না (Section 11 CPC)।
14. Temporary Injunction কোন Order এ আছে?
➡️ Order 39, Rule 1 & 2।
15. Appeal কোথায় দায়ের হয়?
➡️ Decree বা Order-এর বিরুদ্ধে নির্ধারিত উচ্চ আদালতে।
16. Revision কোন ধারা অনুযায়ী?
➡️ Section 115 CPC।
17. Ex*****on Petition কোন Order এ?
➡️ Order 21 CPC।
18. Pleadings কী বোঝায়?
➡️ Plaint ও Written Statement।
19. Plaint কাকে বলে?
➡️ বাদীর পক্ষ থেকে দায়েরকৃত দাবিনামা।
20. Written Statement কী?
➡️ বিবাদীর উত্তরপত্র।
21. Penal Code কবে প্রণীত হয়?
➡️ ১৮৬০ সালে।
22. বাংলাদেশ দণ্ডবিধির Section 34 কী?
➡️ Common intention।
23. Section 302 কী?
➡️ Murder (খুন)।
24. Section 300 কী?
➡️ Murder এর সংজ্ঞা।
25. Section 304 কী?
Culpable homicide not amounting to murder।
26. Section 420 কী?
➡️ Cheating and dishonestly inducing delivery of property।
27. Section 379 কী?
➡️ Theft (চুরি)।
28. Section 415 কী?
➡️ Cheating এর সংজ্ঞা।
29. Section 503 কী?
➡️ Criminal intimidation (ভয় দেখানো)।
30. Section 506 কী?
➡️ Criminal intimidation এর শাস্তি
31. Evidence Act কবে প্রণীত?
➡️ ১৮৭২ সালে।
32. Section 3 কী সংজ্ঞা দেয়?
➡️ Evidence, fact, proved, disproved ইত্যাদি।
33. Burden of Proof কোন Section এ?
➡️ Section 101–104।
34. Confession কী?
➡️ অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি।
35. Dying declaration কোন Section এ?
➡️ Section 32(1)।
36. Primary Evidence কী?
➡️ মূল দলিল।

37. Secondary Evidence কী?
➡️ মূল দলিলের কপি বা বিকল্প প্রমাণ।
38. Hostile witness কে বলে?
➡️ যিনি সাক্ষ্য বদলান বা পক্ষ বদলান।
39. Cross examination কী?
➡️ প্রতিপক্ষের জেরা।
40. Leading question কী?
➡️ এমন প্রশ্ন যা উত্তর নির্দেশ করে।
41. CrPC কবে প্রণীত?
➡️ ১৮৯৮ সালে।
42. Section 154 কী নিয়ে?
➡️ FIR (First Information Report)।
43. Section 161 কী?
➡️ Police statement during investigation।
44. Section 164 কী?
➡️ Confession before Magistrate।
45. Section 173 কী?
➡️ Final police report বা Charge sheet।
46. Section 190 কী?
➡️ Cognizance of offence by Magistrate।
47. Bail সংক্রান্ত ধারা কোনটি?
➡️ Section 496–502।
48. Compoundable offence কী?
➡️ যেটি আপোষযোগ্য (Section 345 CrPC)।
49. Non-compoundable offence কী?
➡️ যেটি আপোষযোগ্য নয়।
50. Charge কী?
➡️ অপরাধের নির্দিষ্ট বিবরণ।
51. Registration Act কবে প্রণীত?
➡️ ১৯০৮ সালে।
52. Registration বাধ্যতামূলক কোন Section এ?
➡️ Section 17।
53. Contract Act কবে প্রণীত?
➡️ ১৮৭২ সালে।
54. Valid Contract এর উপাদান কয়টি?
➡️ ৫টি (Offer, Acceptance, Consideration, Capacity, Legality)।

55. Offer ও Acceptance কোথায় সংজ্ঞায়িত?
➡️ Section 2(a) ও 2(b)।
56. Consideration কী?
➡️ কোন কিছুর বিনিময়ে প্রতিশ্রুতি (Section 2(d))।
57. Void contract কী?
➡️ যা আইনি বৈধ নয়।
58. Voidable contract কী?
➡️ যা এক পক্ষ বাতিল করতে পারে।
59. Coercion কী?
➡️ জবরদস্তি করে চুক্তি করানো (Section 15)।
60. Undue influence কী?
➡️ প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি করানো (Section 16
61. Muslim Family Laws Ordinance কবে?
➡️ ১৯৬১ সালে।
62. Nikah রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক কি?
➡️ হ্যাঁ, Section 5 অনুযায়ী।
63. Talaq প্রদান কিভাবে হয়?
➡️ লিখিতভাবে ইউনিয়ন পরিষদে নোটিশ দিয়ে।
64. Iddat সময় কত?
➡️ ৩টি মাসিক পর্ব বা ৯০ দিন।
65. Maintenance (ভরণপোষণ) কার দায়িত্ব?
➡️ স্বামীর।
66. Dower (Denmohor) কী?
➡️ স্ত্রীর দাবিকৃত অর্থ।
67. Talaq-effective হয় কবে?
➡️নোটিশের ৯০ দিন পর বা মেয়াদ শেষে।
68. Succession কী?
➡️ উত্তরাধিকার।
69. মেয়ে উত্তরাধিকার কত অংশ পায়?
➡️ ছেলের অর্ধেক।
70. Muta marriage কী?
➡️ সাময়িক বিবাহ (শিয়া সম্প্রদায়ে প্রচলিত)।
71. Transfer of Property Act কবে প্রণীত?
➡️ ১৮৮২ সালে।
72. Gift (Hiba) কী?
➡️ বিনা মূল্যে সম্পত্তি হস্তান্তর।
73. Lease কী?
➡️ ভাড়ার মাধ্যমে সম্পত্তি ব্যবহারের অধিকার।
74. Mortgage কী?
➡️ ঋণের নিরাপত্তার জন্য স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক।
75. Sale কী?
➡️ মূল্যের বিনিময়ে মালিকানা হস্তান্তর।
76. Adverse Possession কী?
➡️ দীর্ঘ দখলে থাকার মাধ্যমে মালিকানা অর্জন।
77. Partition suit কবে দায়ের হয়?
➡️ যৌথ মালিকানার সম্পত্তি ভাগের জন্য।
78. Pre-emption (অগ্রক্রয়) কী?
➡️ প্রতিবেশী বা অংশীদারের অগ্রাধিকার ক্রয় অধিকার।
79. Mutation কী?
➡️ নামজারি বা মালিকানা পরিবর্তনের রেকর্ড।
80. Khatian কী?
➡️জমির রেকর্ড (Record of Rights)।
81. Advocate এর মূল কর্তব্য কী?
➡️ ন্যায়বিচার রক্ষা করা।
82. Advocate ক্লায়েন্টের কাছ থেকে মিথ্যা বলার পরামর্শ দিতে পারে কি?
➡️ না।
83. Client-এর গোপনীয়তা ভঙ্গ করা যাবে কি?
➡️ না, বিশেষ পরিস্থিতি ব্যতীত।
84. Court-এর প্রতি আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
➡️ বিনয়ী, সম্মানজনক ও পেশাদার।
85. Bar Council এর কাজ কী?
➡️ আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণ ও লাইসেন্স প্রদান।
86. Advocate Act কবে প্রণীত?
➡️ ১৯৭২ সালে।
87. Misconduct কী?
➡️ পেশাগত আচরণবিধি ভঙ্গ।
88. Bar Council এর শাস্তি কত প্রকার?
➡️ ৩ প্রকার—Warning, Suspension, Removal।
89. Advocate কি একাধিক ক্লায়েন্টের বিপরীত স্বার্থে মামলা নিতে পারে?
➡️ না।
90. Advocate-এর Dress Code কী?
➡️ কালো কোট, সাদা ব্যান্ড ও কালো প্যান্ট।
91. বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে?
➡️ (ভাইবা সময়ের তথ্য অনুযায়ী উত্তর দিতে হবে)।
92. আইনের শাসন (Rule of Law) কে প্রচলন করেন?
➡️ এ.ভি. ডাইসি (A.V. Dicey)।
93. Judicial Review কী?
➡️ আদালতের ক্ষমতা, আইনের বৈধতা যাচাই করা।
94. Habeas Corpus কী?
➡️ অবৈধ আটক থেকে মুক্তি।
95. Mandamus কী?
➡️ সরকারি কর্তৃপক্ষকে কাজ করতে বাধ্য করা।
96. Certiorari কী?
➡️ নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করা।
97. Quo Warranto কী?
➡️ অননুমোদিত পদে বসা ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা।
98. Prohibition কী?
➡️নিম্ন আদালতকে কার্য থেকে বিরত রাখার আদেশ।
99. বাংলাদেশের আইনি ভাষা কী?
➡️ বাংলা (সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদ)।
100. একজন ভালো আইনজীবীর গুণ কী হওয়া উচিত?
➡️ সততা, অধ্যবসায়, যুক্তিবোধ ও নৈতিকতা।
Copy

আদালতের রায়ে ব্যবহৃত ৫০টি শব্দ ও মানে1. এক্স-পার্টে রায় (Ex-Parte Judgment) – এক পক্ষ উপস্থিত না থাকলে একতরফা রায়।2. আদে...
14/11/2025

আদালতের রায়ে ব্যবহৃত ৫০টি শব্দ ও মানে

1. এক্স-পার্টে রায় (Ex-Parte Judgment) – এক পক্ষ উপস্থিত না থাকলে একতরফা রায়।

2. আদেশ (Order) – আদালতের নির্দেশ, যা রায়ের আগে বা চলাকালে দেওয়া হয়।

3. ডিক্রি (Decree) – দেওয়ানি মামলার চূড়ান্ত আদেশ।

4. আংশিক ডিক্রি (Preliminary Decree) – মামলার আংশিক নিষ্পত্তি সংক্রান্ত রায়।

5. চূড়ান্ত ডিক্রি (Final Decree) – মামলার সবদিক নিষ্পত্তি করে দেওয়া রায়।

6. এক্স-পার্টে রায় (Ex-Parte Judgment) – এক পক্ষ উপস্থিত না থাকলে একতরফা রায়।

7. ডিফল্ট রায় (Default Judgment) – নির্দিষ্ট সময়ে হাজির না হলে দেওয়া রায়।

8. সুপ্রিম কোর্টের রায় (Supreme Court Judgment) – দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত।

9. হাইকোর্টের রায় (High Court Judgment) – উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত।

10. আপিল (Appeal) – নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়া।

11. আপিল খারিজ (Appeal Dismissed) – আপিল বাতিল।

12. আপিল গৃহীত (Appeal Allowed) – আপিল গ্রহণ।

13. রিভিশন (Revision) – নিম্ন আদালতের আদেশ সংশোধনের আবেদন।

14. রিট (Writ) – সাংবিধানিক প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন।

15. ইনজাংশন (Injunction) – আদালতের নিষেধাজ্ঞা।

16. অস্থায়ী ইনজাংশন (Temporary Injunction) – নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষেধাজ্ঞা।

17. স্থায়ী ইনজাংশন (Permanent Injunction) – স্থায়ীভাবে কার্যকর নিষেধাজ্ঞা।

18. স্টে অর্ডার (Stay Order) – মামলার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতের আদেশ।

19. কন্টেম্পট অব কোর্ট (Contempt of Court) – আদালত অবমাননা।

20. সাজা (Sentence) – অপরাধ প্রমাণিত হলে দেওয়া শাস্তি।

21. কারাদণ্ড (Imprisonment) – জেল সাজা।

22. মৃত্যুদণ্ড (Death Penalty) – মৃত্যুর সাজা।

23. অর্থদণ্ড (Fine) – জরিমানা।

24. প্রবেশন (Probation) – শর্তসাপেক্ষে সাজা স্থগিত।

25. বেকুইটাল (Acquittal) – আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা।

26. কনভিকশন (Conviction) – আসামিকে দোষী ঘোষণা।

27. রিমান্ড (Remand) – তদন্তের স্বার্থে হেফাজতে রাখা।

28. ডিসচার্জ (Discharge) – অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া।

29. খারিজ (Dismissed) – মামলা বাতিল।

30. গ্রহণযোগ্য (Maintainable) – মামলা গ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা।

31. অগ্রহণযোগ্য (Not Maintainable) – মামলা গ্রহণযোগ্য নয় বলে ঘোষণা।

32. জবানবন্দি (Deposition) – সাক্ষীর লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য।

33. সাক্ষ্য (Evidence) – প্রমাণ হিসেবে আদালতে দেওয়া তথ্য।

34. ফাইন্ডিংস (Findings) – আদালতের পর্যবেক্ষণ।

35. অবজারভেশন (Observation) – বিচারকের মন্তব্য।

36. কজ অব অ্যাকশন (Cause of Action) – মামলার মূল কারণ।

37. রিজনিং (Reasoning) – বিচারক কেন রায় দিলেন তার ব্যাখ্যা।

38. অর্ডার শিট (Order Sheet) – প্রতিটি তারিখে আদালতের আদেশ লিখিত নথি।

39. এক্সিকিউশন (Ex*****on) – আদালতের রায় বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া।

40. ডিক্রি হোল্ডার (Decree Holder) – রায় পক্ষে যিনি জয়ী হয়েছেন।

41. জাজমেন্ট ডেবটর (Judgment Debtor) – যার বিরুদ্ধে রায় গেছে।

42. সেটেলমেন্ট (Settlement) – আপসে সমাধান।

43. কম্প্রোমাইজ ডিক্রি (Compromise Decree) – উভয় পক্ষের আপসে দেওয়া রায়।

44. মডিফিকেশন (Modification) – রায় আংশিক পরিবর্তন।

45. রেক্টিফিকেশন (Rectification) – রায়ের ভুল সংশোধন।

46. রিভিউ (Review) – রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন।

47. ইন্টারলোকিউটরি অর্ডার (Interlocutory Order) – মামলার চলাকালে দেওয়া আদেশ।

48. ফাইনাল অর্ডার (Final Order) – মামলার শেষ আদেশ।

49. আবেদনের মঞ্জুরি (Petition Allowed) – আবেদন গ্রহণ।

50. আবেদন খারিজ (Petition Rejected) – আবেদন বাতিল।

President Order 2025
13/11/2025

President Order 2025

The Code Of Criminal procedure 1989
12/11/2025

The Code Of Criminal procedure 1989

Address

Kurigram Sadar Upazila
Kurigram
5600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Oliul Alam Shifat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category