21/09/2026
BMET ট্রেনিং ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে প্রবাসী হতে ইচ্ছুকদের চরম ভোগান্তি—দায় নেবে কে?
বিদেশগামী কর্মীদের জন্য BMET রেজিস্ট্রেশন, ট্রেনিং ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করা এখন যেন আরেকটি বড় ভোগান্তির নাম। প্রতিটি জেলায় ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে অতিরিক্ত চাপের কারণে রেজিস্ট্রেশন করার পরও নির্ধারিত সময়ে ট্রেনিংয়ের সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।
যেখানে আগে BMET রেজিস্ট্রেশন করার পর মাত্র ৩ দিনের মধ্যেই ক্লাস করার সুযোগ পাওয়া যেত, সেখানে এখন অনেককে দুই মাস অপেক্ষা করেও সিডিউল পাওয়া যাচ্ছে না। ট্রেনিং সেন্টার থেকে বলা হচ্ছে—“ক্লাস ফাঁকা নেই।”
এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—হঠাৎ করে ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে এত ভিড় কেন? এত বিপুল সংখ্যক মানুষ কোন দেশের জন্য বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
বিশেষ করে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের খবর শোনা যাচ্ছে। কখনো বলা হচ্ছে বাজার খুলবে, আবার কখনো অনিশ্চয়তার কথা শোনা যাচ্ছে। অথচ মালয়েশিয়ায় আদৌ কতজন শ্রমিক যাবে, কবে যাবে কিংবা শ্রমবাজারটি বাস্তবে কী অবস্থায় আছে—এ বিষয়ে সাধারণ প্রবাসী প্রত্যাশীদের মধ্যে এখনো পরিষ্কার ধারণা নেই।
অন্যদিকে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়/সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়াগামীদের আগে থেকেই BMET রেজিস্ট্রেশন ও ৩ দিনের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে মালয়েশিয়াগামীদের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের বৈধ ভিসা পাওয়া কর্মীরাও একই ট্রেনিং সেন্টারের চাপের মধ্যে পড়ছেন।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—যারা ইতোমধ্যে অন্যান্য দেশের ভিসা পেয়েছেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারাও সময়মতো ট্রেনিং ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করতে পারছেন না। এতে তাদের ভিসার মেয়াদ, ফ্লাইটের সময়সূচি এবং বিদেশ যাওয়ার পুরো প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।