Ehsan & Associates Law Firm

Call Contact the business

Ehsan & Associates Law Firm Ehsan and Associates is an esteemed law firm. This law firm helps you to ensure your justice

Our chamber deals with all kinds of legal issues, including civil, criminal, company, VAT, tax, family matters.

👰বাংলাদেশে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনসম্পর্ক করানো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে। ২০২৬ সালের সংশোধিত আই...
03/10/2026

👰বাংলাদেশে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনসম্পর্ক করানো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে। ২০২৬ সালের সংশোধিত আইনে এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
⚖️ ধারা ৯খ অনুযায়ী
যদি—
নারীটির বয়স ১৬ বছরের বেশি হয়,
অভিযুক্ত ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌনকর্ম করেন,
এবং তাদের মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে,
তাহলে অপরাধ প্রমাণিত হলে অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।
🔴তবে শুধু পরে বিয়ে না করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধ প্রমাণ হয় না—ঘটনার সময় কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেটি সত্যিই প্রলোভন/প্রতারণামূলক ছিল কি না, সম্পর্কের ধরন এবং অন্যান্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের রায়েও “deceitful means” বা প্রতারণামূলকভাবে সম্মতি নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

➡️প্রমাণ হিসেবে মেসেজ, ভয়েস রেকর্ড, বিয়ের প্রতিশ্রুতির লিখিত কথোপকথন, ছবি/ভিডিও, সাক্ষী ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

#আইন #আইনজীবী #আইনজীবীরপরামর্শ #বাংলাদেশেরআইন #আইনজানুন #আইনিসচেতনতা #নারীওশিশুনির্যাতন #নারীরঅধিকার #বিয়েরপ্রলোভন #শারীরিকসম্পর্ক #প্রতারণা #আইনিসহায়তা #আইনিসুরক্ষা

💍বাংলাদেশে প্রচলিত ভাষায় “কোর্ট ম্যারেজ” বলতে অনেক সময় আদালত/নোটারির সামনে বিয়ের ঘোষণা দিয়ে হলফনামা (Affidavit) করাকে বো...
30/09/2026

💍বাংলাদেশে প্রচলিত ভাষায় “কোর্ট ম্যারেজ” বলতে অনেক সময় আদালত/নোটারির সামনে বিয়ের ঘোষণা দিয়ে হলফনামা (Affidavit) করাকে বোঝানো হয়। তবে শুধু হলফনামা করলেই বৈধ বিবাহের সব আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় না। মুসলিম বিবাহ হলে বিবাহ নিবন্ধন করা আইনত প্রয়োজন।
কীভাবে করতে হয়?
➡️মুসলিম দম্পতির ক্ষেত্রে সাধারণভাবে—
বর-কনের বয়স ও পরিচয় যাচাই করা হয় (NID/জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি)।
দুজনের স্বেচ্ছায় বিবাহের সম্মতি থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় সাক্ষী উপস্থিত থাকে।
কাজী/নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নিকাহ সম্পন্ন করা হয়।
➡️কাবিননামা/বিবাহ নিবন্ধন করা হয়।
প্রয়োজন হলে আলাদাভাবে নোটারি/ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হলফনামা করা যায়।
সরকারি ডিজিটাল ব্যবস্থায়ও বিবাহ নিবন্ধনের সুবিধা রয়েছে এবং নিবন্ধিত কাজী খোঁজার ব্যবস্থাও আছে।
🔴কত টাকা লাগে?
একটি নির্দিষ্ট “কোর্ট ম্যারেজ ফি” নেই—খরচ নির্ভর করে আপনি হলফনামা, নিকাহ ও বিবাহ নিবন্ধন—কোন কোন সেবা নিচ্ছেন তার ওপর।
মুসলিম বিবাহের রেজিস্ট্রেশন ফি দেনমোহরের পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী প্রতি ১,০০০ টাকা বা তার অংশবিশেষ দেনমোহরের জন্য ১০ টাকা, ন্যূনতম ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪,০০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি উল্লেখ করা হয়েছে।

উদাহরণ:
দেনমোহর ১ লাখ টাকা হলে নিবন্ধন ফি = ১,০০০ টাকা (এই হিসাব অনুযায়ী)।
এর বাইরে নোটারি/হলফনামা, কাগজপত্রের কপি বা অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ থাকতে পারে।
#কোর্টম্যারেজ #বিবাহ #বিয়েরআইন #বাংলাদেশেরআইন #আইনজীবী #আইনিপরামর্শ #বিবাহনিবন্ধন #কাবিননামা #নিকাহ #নোটারি #হলফনামা #আইনমেনে_চলুন #নিরাপদেথাকুন

🔴মোবাইল দিয়ে নিজে নিজে জমির নামজারি (ই-নামজারি) করার ধাপগুলো সহজ করে দিচ্ছি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী মোট নির্ধারিত ফি ১,১৭০ ...
28/09/2026

🔴মোবাইল দিয়ে নিজে নিজে জমির নামজারি (ই-নামজারি) করার ধাপগুলো সহজ করে দিচ্ছি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী মোট নির্ধারিত ফি ১,১৭০ টাকা—প্রথমে ৭০ টাকা, আবেদন মঞ্জুর হলে পরে ১,১০০ টাকা।
📱 ধাপ ১ — আগে কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
সাধারণত এগুলো হাতে রাখবেন:
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
জমির সর্বশেষ খতিয়ান
ক্রয় করে থাকলে: রেজিস্ট্রি দলিল
ওয়ারিশ সূত্রে হলে: ওয়ারিশ সনদ
সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলা
আবেদনকারীর ছবি ও স্বাক্ষর
প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজ
সরকারি নির্দেশিকাতেও এসব কাগজের স্ক্যান কপি সংযুক্ত করার কথা বলা আছে।
📱 ধাপ ২ — ই-নামজারি ওয়েবসাইটে যান
সরকারি ই-মিউটেশন সাইট:
ই-নামজারি আবেদন সাইট⁠
সেখানে “অনলাইনে আবেদন করুন” → “মিউটেশন আবেদনের জন্য ক্লিক করুন” নির্বাচন করবেন।
✍️ ধাপ ৩ — জমির তথ্য দিন
ধাপে ধাপে দিতে হবে:
বিভাগ → জেলা → উপজেলা → মৌজা → জরিপের ধরন
এরপর:
খতিয়ান নম্বর
দাগ নম্বর
কতটুকু জমি নামজারি করবেন
ওই দাগে মোট জমির পরিমাণ
একটি আবেদন সাধারণত একটি মৌজার জমির জন্য করা হয়।
📝 ধাপ ৪ — কীভাবে জমি পেয়েছেন সেটা নির্বাচন করুন
যেমন:
ক্রয়
ওয়ারিশ
হেবা
আদালতের ডিক্রি
অন্যান্য
তারপর প্রয়োজনীয় মালিকানা ও আবেদনকারীর তথ্য পূরণ করবেন।
💳 ধাপ ৫ — প্রথমে ৭০ টাকা
আবেদন জমা দেওয়ার সময়:
কোর্ট ফি ২০ টাকা + নোটিশ ফি ৫০ টাকা = ৭০ টাকা
এই টাকা অনলাইনে বিকাশ/নগদ/রকেট/উপায়/কার্ড ইত্যাদির মাধ্যমে দেওয়া যায়।
🪷আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন নম্বরটি অবশ্যই সংরক্ষণ করবেন।
⏳ ধাপ ৬ — ভূমি অফিস যাচাই করবে
আবেদন জমা হওয়ার পর ভূমি অফিস তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই করবে। প্রয়োজন হলে তদন্ত/শুনানির জন্য SMS আসতে পারে। আবেদন অনুমোদিত হলে SMS-এর মাধ্যমে পরবর্তী ধাপের তথ্য পাবেন।
💰 ধাপ ৭ — মঞ্জুর হওয়ার পর ১,১০০ টাকা
নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর DCR ফি ১,১০০ টাকা অনলাইনে দিতে হবে। টাকা দেওয়ার পর অনলাইন খতিয়ান ও DCR-এর কপি পাওয়া যায়।
#নামজারি #ইনামজারি #জমিরনামজারি #ভূমিসেবা #জমি #খতিয়ান #মিউটেশন #অনলাইননামজারি #জমিরকাগজ #বাংলাদেশ #১১৭০টাকা

🔴বাংলাদেশে “মিউচুয়াল ডিভোর্স” কীভাবে হবে, তা মূলত স্বামী-স্ত্রীর ধর্ম ও প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইনের ওপর নির্ভর করে। মুসলিম ...
23/09/2026

🔴বাংলাদেশে “মিউচুয়াল ডিভোর্স” কীভাবে হবে, তা মূলত স্বামী-স্ত্রীর ধর্ম ও প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইনের ওপর নির্ভর করে। মুসলিম দম্পতির ক্ষেত্রে সাধারণত স্বামী-স্ত্রীর সম্মতিতে তালাক/খুলা বা তাফউইজের মাধ্যমে বিচ্ছেদ করা যায়।❤️‍🩹
⭕মুসলিম স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্মতিতে বিচ্ছেদের সাধারণ ধাপ
➡️দুজনের সম্মতি নিশ্চিত করা
উভয় পক্ষ স্বেচ্ছায় বিবাহবিচ্ছেদে রাজি—এটি লিখিতভাবে রাখা ভালো।
⭕সমঝোতা/Settlement তৈরি করা
এতে সাধারণত উল্লেখ থাকে—
➡️দেনমোহর ও বকেয়া ভরণপোষণ
➡️ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ
➡️সন্তান থাকলে হেফাজত ও দেখা করার ব্যবস্থা
সন্তানের খরচ
➡️যৌতুক/উপহার/ব্যক্তিগত মালামাল ফেরত
অন্যান্য আর্থিক দাবি নিষ্পত্তি
তালাকের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা
➡️মুসলিম স্বামী তালাক দিলে Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৭ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হয় এবং স্ত্রীকে তার কপি দিতে হয়। এরপর Arbitration Council-এর প্রক্রিয়া ও ৯০ দিনের সময়সীমা প্রযোজ্য হয়।
স্ত্রীর উদ্যোগে বিচ্ছেদ হলে
পরিস্থিতি অনুযায়ী খুলা, তাফউইজকৃত তালাক বা আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদের পথ হতে পারে। তাই কে কীভাবে বিচ্ছেদ শুরু করছেন, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।
ডকুমেন্ট সংরক্ষণ
কাবিননামা, তালাক নোটিশ, সমঝোতাপত্র, চেয়ারম্যানের কার্যক্রম ও তালাক নিবন্ধনের কাগজপত্র সংরক্ষণ করা উচিত।
🔴গুরুত্বপূর্ণ: শুধু দুজন মিলে একটি “Mutual Divorce Agreement” বা স্ট্যাম্পে কাগজে সই করলেই সব ক্ষেত্রে আইনগতভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়ে যায়—এমন নয়। প্রযোজ্য ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

#মিউচুয়ালডিভোর্স #পারস্পরিকসম্মতবিবাহবিচ্ছেদ #ডিভোর্স #তালাক #বিবাহবিচ্ছেদ #বাংলাদেশেরআইন #পারিবারিকআইন #তালাকেরআইন #দেনমোহর #সন্তানেরহেফাজত #ভরণপোষণ #আইনজীবী #আইনজীবীরপরামর্শ #আমারলচেম্বারমনিরামপুর #মনিরামপুর #যশোর #বাংলাদেশ #আইনজানুন #আইনিসচেতনতা

🔴বাংলাদেশে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ অনুযায়ী কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে। ২০২৬ সাল...
22/09/2026

🔴বাংলাদেশে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৪ অনুযায়ী কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে। ২০২৬ সালের সংশোধন অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:
👮 ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হতে পারে যখন—
পুলিশ কর্মকর্তার সামনে আমলযোগ্য (cognizable) অপরাধ সংঘটিত হলে।
⭕কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসংগত অভিযোগ, বিশ্বাসযোগ্য তথ্য বা যুক্তিসংগত সন্দেহ থাকে যে তিনি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন এবং আইনে নির্ধারিত শর্ত পূরণ হয়।
⭕গ্রেফতার প্রয়োজন হলে—যেমন আরও অপরাধ করা ঠেকাতে বা সঠিকভাবে তদন্ত পরিচালনার জন্য।
আইনে নির্দিষ্ট অন্যান্য পরিস্থিতিতেও ধারা ৫৪ অনুযায়ী ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারের ক্ষমতা রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ অধিকার: ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করলে পুলিশকে গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে—ধারা ৫৪A।

⭕এছাড়া সাধারণভাবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে অযথা বিলম্ব না করে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হয় এবং ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ছাড়া ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যায় না (যাত্রার প্রয়োজনীয় সময় বাদে)।

⭕পোস্টের জন্য সংক্ষিপ্ত লাইন:
“পুলিশ কখন ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে?” — ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-এর অধীনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।
#ওয়ারেন্টছাড়াগ্রেফতার #পুলিশ #গ্রেফতার #আইন #বাংলাদেশেরআইন #ফৌজদারিআইন #ধারা৫৪ #গ্রেফতারেরআইন #আইনজীবী #আইনজানুন #আইনিসচেতনতা #আইনিপরামর্শ #আইনজীবীরপরামর্শ #মনিরামপুর #যশোর #লচেম্বার #আইনজানুননিরাপদেথাকুন

⚖️ কারো প্ররোচনায় আত্মহত্যা করলে আইন কী বলে?বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী—🔹 ধারা ১০৭: কাউকে কোনো কাজ করতে প্ররোচনা, ...
22/09/2026

⚖️ কারো প্ররোচনায় আত্মহত্যা করলে আইন কী বলে?

বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী—

🔹 ধারা ১০৭: কাউকে কোনো কাজ করতে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা ইচ্ছাকৃত সহায়তা করা ‘Abetment’ হতে পারে।

🔹 ধারা ৩০৬: কেউ আত্মহত্যা করলে এবং প্রমাণিত হয় যে অন্য ব্যক্তি তাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা বা সহায়তা করেছে, তাহলে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।

🔹 শুধু ঝগড়া, কথা-কাটাকাটি বা সম্পর্কের বিরোধ থাকলেই ধারা ৩০৬ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য হয় না। প্ররোচনা/সহায়তা এবং আত্মহত্যার সঙ্গে তার আইনগত সম্পর্ক প্রমাণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

⚠️ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

আইনি পরামর্শ নিন, নিরাপদে থাকুন।
#আত্মহত্যায়প্ররোচনা #আত্মহত্যা #আইন #বাংলাদেশেরআইন #দণ্ডবিধি #ধারা৩০৬ #ধারা১০৭ #আইনজীবী #আইনিসচেতনতা #আইনিপরামর্শ #আইনিজ্ঞান #বাংলাদেশআইন #আইনজানুন #সচেতনহোন #আইনজীবীরপরামর্শ

Address

Mohonpur, Manirampur Bazar
Jessore
7440

Telephone

+8801718124616

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ehsan & Associates Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ehsan & Associates Law Firm:

Shortcuts

Share