ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা

  • Home
  • Bangladesh
  • Gazipur
  • ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা

ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা Barrister-at-Law ⚖️
Member of Lincoln’s Inn, London
BPTC Cardiff University,Uk
LL.M BPP University ,UK
LL.B University of London,Uk
Advocate

প্রশ্ন‼️নিজের নামে কোনো মামলা আছে কিনা, তা কীভাবে জানবো যদি পরিবার থেকে বিষয়টি গোপন করে?এটি এমন একটি প্রশ্ন, যা আমাকে প...
06/08/2026

প্রশ্ন‼️

নিজের নামে কোনো মামলা আছে কিনা, তা কীভাবে জানবো যদি পরিবার থেকে বিষয়টি গোপন করে?

এটি এমন একটি প্রশ্ন, যা আমাকে প্রায়ই করা হয়।

যদি আপনার মনে হয়, আপনার নামে কোনো মামলা হয়েছে কিন্তু পরিবার বা অন্য কেউ বিষয়টি আপনাকে জানাচ্ছে না, তাহলে শুধু অনুমানের ওপর নির্ভর না করে কয়েকটি উপায়ে তা জানার চেষ্টা করতে পারেন।

১. একজন আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতে খোঁজ নিতে পারবেন।

২. যদি মনে হয় থানায় কোনো মামলা হয়েছে, তাহলে সম্ভাব্য থানায় গিয়ে বা একজন আইনজীবীর মাধ্যমে খোঁজ নিতে পারেন।

৩. যদি আপনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে থাকে, তাহলে আইনজীবী আদালতে খোঁজ নিয়ে তা নিশ্চিত করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে আগাম আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

গুজব বা অন্যের কথার ওপর ভরসা না করে সঠিক তথ্য জেনে সময়মতো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

আইন জানুন, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন।

🚨 “বাবা… দলিল তো আমার নামে। এখন এই বাড়িতে আপনার আর থাকার অধিকার নেই!” 💔একটি মাত্র বাক্য… অথচ এই একটি বাক্যই ভেঙে দিতে প...
06/08/2026

🚨 “বাবা… দলিল তো আমার নামে। এখন এই বাড়িতে আপনার আর থাকার অধিকার নেই!” 💔

একটি মাত্র বাক্য… অথচ এই একটি বাক্যই ভেঙে দিতে পারে একজন বাবা বা মায়ের সারাজীবনের ত্যাগ, ভালোবাসা আর স্বপ্ন।

যে বাবা-মা নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে, রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে গড়া সম্পত্তি সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ভালোবেসে হেবা (Gift) করে দেন, অনেক সময় সেই সম্পত্তিই তাঁদের শেষ আশ্রয়টুকু কেড়ে নেওয়ার অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায়।

এমন অসংখ্য বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষাপটেই আসছে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরিবর্তন।

⚖️ ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর প্রস্তাবিত খসড়ায় বলা হয়েছে, বাবা-মা সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করলেও তাঁদের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তির ভোগ, ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণের অধিকার তাঁদের কাছেই থাকবে।

✅ বাবা-মা জীবিত থাকা পর্যন্ত সন্তান সেই সম্পত্তি বিক্রি বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না।

✅ বাবা-মাকে সেই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার সুযোগ থাকবে না।

✅ বাবা-মায়ের মৃত্যুর পরই গ্রহীতার পূর্ণ মালিকানা কার্যকর হবে।

এটি শুধু একটি আইনি সংশোধন নয়, বরং হাজারো অসহায় বাবা-মায়ের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও শেষ জীবনের নিশ্চয়তা রক্ষার একটি মানবিক উদ্যোগ।

📌 মনে রাখবেন, বর্তমানে কোনো সন্তান সম্পত্তি নেওয়ার পর বাবা-মায়ের ভরণ-পোষণ না করলে ‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

❤️ বাবা-মায়ের ভালোবাসার মূল্য কি শুধু একটি দলিল? নাকি তাঁদের শেষ আশ্রয়টুকুও আইন দিয়ে সুরক্ষিত হওয়া উচিত?

👇 আপনার মতামত কী? এই প্রস্তাবিত আইন কি সময়োপযোগী? কমেন্টে জানান।

শেয়ার করুন, যাতে আরও মানুষ বিষয়টি জানতে পারেন।

⚖️ আইন জানুন, সচেতন হোন।
নিজে জানুন, অন্যকেও জানান।

— ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

ানুন #সচেতন_হোন

আজ একটা ঘটনা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে ইচ্ছে করছে। ❤️আমার অফিসে অনেক মানুষ আসতে ভয় পান। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবি...
04/08/2026

আজ একটা ঘটনা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে ইচ্ছে করছে। ❤️

আমার অফিসে অনেক মানুষ আসতে ভয় পান। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষজন। তাদের অনেকের ধারণা, “ব্যারিস্টারের চেম্বারে ঢুকলেই হয়তো অনেক টাকা দিতে হবে!”

এই ভয়টাই অনেক সময় তাদের আইনি সাহায্য নেওয়া থেকে দূরে রাখে।

কিছুদিন আগে এমনই একজন মানুষ আমার অফিসে এসেছিলেন। অনেকক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন, কিন্তু ভয়ে ভেতরে ঢুকছিলেন না। শেষ পর্যন্ত আমি নিজে বলার পর তিনি খুব সংকোচ আর ভয় নিয়ে আমার রুমে ঢুকলেন।

তার হাতে কিছু কাগজপত্র ছিল। খুব সাধারণ একজন মানুষ। নিজের সমস্যার কথা বললেন। আমি তার কাগজপত্র দেখলাম, পুরো বিষয়টা শুনলাম এবং কীভাবে সমস্যাটার সমাধান করা যায়, সেই বিষয়ে তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলাম।

এরপর তিনি খুব আমতা আমতা করে টাকার কথাটা তুলছিলেন। বুঝতে পারছিলাম, ভেতরে ভেতরে তিনি হয়তো ভাবছেন, এখন কত টাকা দিতে হবে!

আমি শুধু বললাম,
“আপনার কাছ থেকে আমার কোনো টাকা লাগবে না।”

আমার কথাটা শুনে মানুষটি যেন বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না। তার চোখে-মুখে যে বিস্ময়, আনন্দ আর স্বস্তি দেখলাম, সেটা সত্যিই আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। তার চোখ ছলছল করছিল। তিনি বললেন, “মা, আমি অনেকদিন ধরে আপনার কাছে আসতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু ভয় লাগছিল। ভাবছিলাম, ব্যারিস্টারের কাছে গেলে কত টাকা দিতে হবে! এমনকি আপনার ড্রাইভারের সাথেও কথা বলেছিলাম, কিন্তু কোনো ধারণা পাইনি। আজ এসে দেখি, আপনি আমার কাছ থেকে কোনো টাকাই নিলেন না। মানুষ তো টাকা ছাড়া কোনো কথা বলে না!

তিনি আমার জন্য এত দোয়া করলেন, এত মন থেকে দোয়া করলেন যে, আমার নিজের চোখও ছলছল করে উঠেছিল।

সেদিন মনে হলো, আমরা জীবনে অনেক কিছু অর্জন করতে চাই। টাকা, সম্মান, পরিচিতি, সফলতা…কিন্তু কখনো কখনো একজন মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি দেখতে পাওয়া, একজন অসহায় মানুষকে একটু সাহস দেওয়া, কিংবা কাউকে তার সমস্যার একটা সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া, এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই হয়তো জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

আমি সবসময় চেষ্টা করি, আমার এলাকার মানুষ যেন শুধু টাকার ভয়ে আইনি পরামর্শ নেওয়া থেকে পিছিয়ে না যান।

কেউ তার কাগজপত্র নিয়ে এলে আমি সময় দিয়ে তার কথা শুনি, কাগজপত্র দেখি, যতটা সম্ভব সঠিক পরামর্শ দিয়ে বিদায় দিই। আমার এলাকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ভিজিট বা পরামর্শ ফি নিই না। এমনকি কোনো ফাইলের দায়িত্ব নিলেও নিজের কোনো ফি নেওয়ার চেষ্টা করি না। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কোর্ট খরচ বা মামলার আনুষঙ্গিক খরচ থাকলে সেটুকুই বিবেচনা করি।

কারণ আমি বিশ্বাস করি,
আইন শুধু ধনী মানুষের জন্য নয়। আইন সবার জন্য।
কোনো মানুষ যেন শুধু এই ভেবে আমার অফিসের দরজায় দাঁড়িয়ে ফিরে না যান যে, “আমি গরিব, তাই হয়তো ব্যারিস্টারের কাছে যেতে পারব না।”

আপনার সমস্যা আমার কাছে হয়তো ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু আপনার কাছে সেটাই হয়তো আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা।তাই ভয় পাবেন না।আপনার কথা বলার অধিকার আছে।আপনার সমস্যার সমাধান জানার অধিকার আছে।আইন জানার অধিকার আপনারও আছে।

একজন অসহায় মানুষকে একটু স্বস্তি দিতে পারা, একজন মানুষকে তার অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে পারা, কিংবা একটি সঠিক পরামর্শ দিয়ে তার মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলতে পারা, আমার কাছে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

আর মানুষের মুখ থেকে পাওয়া একটা আন্তরিক দোয়া…
সেটা হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পারিশ্রমিক। ❤️

আলহামদুলিল্লাহ।

#মানুষের_জন্য_আইন
ার_জন্য
#মানবিক_আইনজীবী
#মানুষের_পাশে
#আইনি_সচেতনতা
#ন্যায়ের_পথে
#সবার_জন্য_ন্যায়বিচার
#মানুষের_দোয়া
#মানবিকতা
#সেবাই_আমার_লক্ষ্য





টাকা ধার দেওয়ার সময় লজ্জা পান না,কিন্তু নিজের পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ার সময় লজ্জা পান!এখানেই আপনার সবচেয়ে বড় ভুল।কাছে...
03/08/2026

টাকা ধার দেওয়ার সময় লজ্জা পান না,
কিন্তু নিজের পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ার সময় লজ্জা পান!
এখানেই আপনার সবচেয়ে বড় ভুল।

কাছের মানুষ বিপদে পড়েছে, তাই out of love টাকা দিলাম।কেউ লজ্জায় পড়েছে, তাই out of embarrassment টাকা দিলাম।কেউ খুব অনুরোধ করল, তাই না করতে পারলাম না।টাকা দেওয়ার সময় মনে হলো,
“আরে, মানুষটা তো আপন। টাকা ফেরত দিয়ে দেবে।”

কিন্তু কিছুদিন পর যখন নিজের টাকাটাই দরকার হলো, তখন শুরু হলো অস্বস্তি…

“টাকাটা কীভাবে চাই?”
“চাইলে যদি খারাপ মনে করে?”
“সম্পর্কটা যদি নষ্ট হয়ে যায়?”

আর অনেক সময় দেখা যায়, যাকে বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছিলেন, সেই মানুষটাই পরে বলে বসে,
“আমি তো টাকা নিইনি!”তখন আপনি কী করবেন?

তাই একটা কথা খুব পরিষ্কারভাবে বলি:

কাউকে সাহায্য করা ভালোবাসা হতে পারে, কিন্তু টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে সচেতন থাকা আপনার দায়িত্ব।

কাছের মানুষ হলেও টাকা দেওয়ার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই মেনে চলুন।

✅ টাকা দেওয়ার আগে লিখিত প্রমাণ রাখুন। কত টাকা দিলেন, কবে দিলেন এবং কবে ফেরত দেওয়ার কথা, এগুলো স্পষ্টভাবে লিখে রাখুন।

✅ বড় অঙ্কের টাকা হলে লিখিত চুক্তি করুন। প্রয়োজনে স্ট্যাম্পে লিখুন এবং সাক্ষী রাখুন।

✅ সম্ভব হলে হাতে হাতে নগদ টাকা দেবেন না। ব্যাংক, বিকাশ, নগদ বা রকেটের মতো ট্রেসযোগ্য মাধ্যমে লেনদেন করুন। লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করুন।

✅ মেসেজে লেনদেনের বিষয়টি নিশ্চিত করুন। যেমন, কত টাকা ধার দিলেন এবং কত তারিখে ফেরত দেওয়ার কথা, সেটা মেসেজে থাকলেও পরবর্তীতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে।

✅ বড় অঙ্কের টাকা হলে সাক্ষী রাখুন। আপনার বিশ্বাসের মানুষ হতে পারে, তবে লেনদেনের বিষয়টি যেন সে জানে।

আর একটা কথা…

আপনার চোখের লজ্জা যেন আপনার নিজের ক্ষতির কারণ না হয়।আপনি কাউকে টাকা দিয়েছেন মানে এই নয় যে, টাকা ফেরত চাইতে আপনার লজ্জা পেতে হবে।

আপনার টাকা, আপনার অধিকার।

সম্পর্কের কারণে টাকা দিয়েছেন, ঠিক আছে।
ভালোবাসার কারণে সাহায্য করেছেন, সেটাও ঠিক আছে।
কিন্তু নিজের অধিকার রক্ষা করার সময়ও সচেতন থাকুন।

কারণ টাকা দেওয়ার সময় মানুষকে বিশ্বাস করা ভালো, কিন্তু সেই বিশ্বাসের পাশাপাশি প্রমাণ রাখাও বুদ্ধিমানের কাজ।

মনে রাখবেন,“বিশ্বাস করবেন, কিন্তু প্রমাণ ছাড়া নয়।”

আজ আপনি হয়তো ভাবছেন,আমার কাছের মানুষ, আমার সঙ্গে এমন করবে না।কিন্তু কাল যদি সেই মানুষটাই টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে?তখন আবেগ নয়, আপনার কাছে থাকা লেনদেনের প্রমাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে।

তাই কাউকে টাকা দেওয়ার আগে একটু সচেতন হোন।
কারণ টাকা দেওয়ার সময় ৫ মিনিটের সচেতনতা, পরে মাসের পর মাসের আফসোস থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার পরিচিত এমন একজন মানুষের কাছে শেয়ার করুন, যিনি ভালোবেসে সবাইকে টাকা ধার দেন, কিন্তু নিজের টাকা ফেরত চাইতে লজ্জা পান।

আইন জানুন। সচেতন থাকুন। নিজের অধিকার সম্পর্কে জানুন।

ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা

#পাওনাটাকা #টাকাফেরত #টাকাধার #আইনজানুন #আইনিসচেতনতা #সচেতনহোন #নিজেরঅধিকার #আইনজীবী

আজ একজন বয়স্ক মানুষ আমার কাছে এসেছিলেন। আমার সামনে বসে তিনি হাউমাউ করে কাঁদছিলেন। তাঁর কান্না দেখে সত্যিই আমার খুব খারাপ...
01/08/2026

আজ একজন বয়স্ক মানুষ আমার কাছে এসেছিলেন। আমার সামনে বসে তিনি হাউমাউ করে কাঁদছিলেন। তাঁর কান্না দেখে সত্যিই আমার খুব খারাপ লাগছিল।

উনার ভাই খুনের মামলায় আসামি ছিলেন। কিন্তু সেই মামলায় তাকেও আসামি করা হয়েছিল। একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়েও তাঁকে জেলহাজতে থাকতে হয়েছে। প্রায় তিন মাস পর জামিন নিয়ে বের হয়েছেন। অথচ শেষ পর্যন্ত যিনি প্রকৃত অপরাধী, তিনি তাঁর অপরাধের জন্য সাজা ভোগ করেছেন।

কিন্তু এই বৃদ্ধ মানুষটির অপরাধ কী ছিল?

একজন বয়স্ক মানুষ, যিনি হয়তো জীবনের এই সময়ে শান্তিতে আল্লাহকে স্মরণ করে দিন কাটাবেন, তাঁকে কেন অযথা মামলা-মোকদ্দমা, জেলহাজত আর জামিনের ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হবে?

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, তিনি এখনো ভয় পান। নিজের বাড়িতে যেতে পারেন না। মামলা-মোকদ্দমার ভয়, গ্রেপ্তারের ভয়, আবার কোনো ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার ভয় তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়।

তাঁর সামনে বসে তাঁর কান্না দেখছিলাম, আর মনে হচ্ছিল, আমরা কি সত্যিই এতটা নিষ্ঠুর হয়ে গেছি যে কারও ওপর রাগ বা প্রতিশোধের আগুন মেটাতে গিয়ে একজন নির্দোষ বৃদ্ধ মানুষকেও এভাবে কষ্ট দিতে পারি?

আইন অবশ্যই তার নিজস্ব নিয়মে চলবে। মামলা প্রমাণের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমাদের মানুষ হতে হবে। কারণ প্রতিটি মামলার পেছনে একজন মানুষ থাকে, একটি পরিবার থাকে, তাদের ভয় থাকে, কষ্ট থাকে, অশ্রু থাকে।

আমরা যারা আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত, আমাদের আরও বেশি সংবেদনশীল হতে হবে। শুধু আইনের ধারা আর কাগজপত্র দিয়ে একজন মানুষের পুরো কষ্টকে বোঝা যায় না। আমাদের মানুষের অনুভূতিগুলোও বুঝতে হবে। আমাদের আরও মানবিক হতে হবে, আরও সহানুভূতিশীল হতে হবে।

যিনি অপরাধ করেছেন, তাঁর বিচার হোক। কিন্তু একজন নির্দোষ মানুষকে শুধুমাত্র রাগ, প্রতিশোধ বা আক্রোশের কারণে কষ্ট দেওয়ার মধ্যে কোনো মহত্ত্ব নেই।

আজ ওই বৃদ্ধ মানুষটির কান্না আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিল, ন্যায়বিচার শুধু আদালতের রায়ে নয়, আমাদের বিবেকেও থাকতে হয়।

কারও জীবন নষ্ট করে, একজন নির্দোষ মানুষকে কাঁদিয়ে, একটি অসহায় পরিবারকে কষ্ট দিয়ে কেউ কখনো সত্যিকারের জয়ী হতে পারে না।

কারণ জীবন একদিন সব হিসাব ফিরিয়ে দেয়।

তাই প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার চাই।
অন্যায় নয়, মানবিকতা চাই।
আর সবচেয়ে বেশি চাই, আমরা যেন মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে শিখি।

আমার পেশা আমার পরিচয়ের একটি অংশ, কিন্তু আমার পুরো পরিচয় নয়।আমি একজন ব্যারিস্টার। আমার পেশাগত জীবনে আমি অত্যন্ত সচেতন।...
31/07/2026

আমার পেশা আমার পরিচয়ের একটি অংশ, কিন্তু আমার পুরো পরিচয় নয়।

আমি একজন ব্যারিস্টার। আমার পেশাগত জীবনে আমি অত্যন্ত সচেতন। যতক্ষণ আমি আমার দায়িত্বে থাকি, আমি আমার কাজ সততা, নিষ্ঠা এবং সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে করার চেষ্টা করি। একজন ক্লায়েন্ট আমার ওপর যে আস্থা রাখেন, তার মর্যাদা দেওয়া আমার পেশাগত দায়িত্ব। একজন মানুষ আমার কাছ থেকে যে সেবা প্রত্যাশা করেন, সেই সেবা যথাযথভাবে দেওয়াই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে আমার পেশাগত দায়িত্ব শেষ হয়।তারপর আমি একজন সাধারণ মানুষ।

আমারও বিশ্রাম দরকার। আমারও আনন্দ করার অধিকার আছে। আমারও গান শুনতে ভালো লাগতে পারে, বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে ভালো লাগতে পারে, নিজের পছন্দ অনুযায়ী জীবনযাপন করতে ভালো লাগতে পারে।

এখানে আমার পেশার কোনো ভূমিকা নেই।

একজন শিক্ষক ক্লাসরুমের বাইরে গান শুনলে তিনি খারাপ শিক্ষক হয়ে যান না। একজন ডাক্তার অবসরে নিজের মতো করে সময় কাটালে তিনি খারাপ ডাক্তার হয়ে যান না। একজন আইনজীবী আদালতের বাইরে নিজের ব্যক্তিগত জীবন উপভোগ করলে তার পেশাগত দক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয় না।

একজন মানুষকে তার পেশাগত দায়িত্বের সময় তার কাজ দিয়ে মূল্যায়ন করুন। তার ব্যক্তিগত সময় দিয়ে নয়।

আপনি যদি আমার কাছ থেকে কোনো সেবা নেন, তাহলে দেখুন আমি সেই সেবা যথাযথভাবে দিচ্ছি কিনা। আপনি যদি আমার পেশাগত দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চান, তাহলে আমার কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলুন। সেখানে আপনার পূর্ণ অধিকার আছে।

কিন্তু আমি কাজের বাইরে কী করছি, কীভাবে জীবন কাটাচ্ছি, কী পছন্দ করছি, সেটা নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, যতক্ষণ না আমার ব্যক্তিগত জীবন অন্য কারও অধিকার বা ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

আমি মনে করি, একজন পরিণত ও শিক্ষিত মানুষের প্রথম পরিচয় হলো তার বিচারবোধ।সবকিছু বিচার করার বিষয় নয়।সবকিছু নিয়ে মন্তব্য করারও প্রয়োজন নেই।

জীবনটা ভীষণ ছোট।
এই ছোট্ট জীবনে অন্যের জীবন নিয়ে অযথা সমালোচনা করার সময় কোথায়?

আপনি নিজের জীবনটা সুন্দর করে বাঁচুন।
অন্যকেও তার জীবনটা নিজের মতো করে বাঁচতে দিন।

আমি আমার পেশাকে সম্মান করি। আমার দায়িত্বকে সম্মান করি। একইসাথে আমি আমার ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকেও সম্মান করি।

আমি একজন ব্যারিস্টার, কিন্তু তার আগে আমি একজন মানুষ।আর একজন মানুষ হিসেবে আমার পেশাগত সততা নিয়ে প্রশ্ন করার অধিকার আপনার থাকতে পারে, কিন্তু আমার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে অযথা বিচার করার অধিকার আপনার নেই।

আর হ্যাঁ, আপনি যেটা পারেন না, সেটা অন্য কেউ পারছে দেখে তাকে ছোট করার চেষ্টা করবেন না। আপনার অক্ষমতা কখনোই অন্যের স্বাধীনতার অপরাধ হতে পারে না।















💍 বিয়ে করছেন? কাবিননামায় চোখ বন্ধ করে স্বাক্ষর করবেন না!অবশ্যই। বিয়ের সময় কাবিননামায় শুধু দেনমোহরের টাকার অঙ্ক দেখলেই হব...
21/07/2026

💍 বিয়ে করছেন? কাবিননামায় চোখ বন্ধ করে স্বাক্ষর করবেন না!

অবশ্যই। বিয়ের সময় কাবিননামায় শুধু দেনমোহরের টাকার অঙ্ক দেখলেই হবে না। পাত্র ও পাত্রী দুজনেরই কয়েকটি বিষয় খুব ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।

বিশেষ করে দেখবেন:

* বর ও কনের নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা ও বয়স সঠিকভাবে লেখা হয়েছে কি না।

* দেনমোহরের মোট পরিমাণ এবং কত টাকা তাৎক্ষণিক (মু’আজ্জাল) ও কত টাকা বিলম্বিত (মু’আজ্জাল), তা স্পষ্ট আছে কি না।

* দেনমোহর নগদ, স্বর্ণ বা অন্য কোনো সম্পদ হলে তার সঠিক বিবরণ।

* কাবিননামায় তালাক-ই-তাফওয়ীজ বা স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা অর্পণ সংক্রান্ত ঘরটি কীভাবে পূরণ করা হয়েছে, তা বুঝে নেওয়া।

* স্বামীর আগের কোনো বিয়ে আছে কি না, থাকলে তার তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কি না।

* কাবিননামার বিশেষ শর্তের ঘর থাকলে সেখানে কোনো শর্ত লেখা হয়েছে কি না এবং শর্তগুলো দুপক্ষ বুঝে সম্মত কি না।

* সাক্ষী, কাজী ও রেজিস্ট্রেশনের তথ্য সঠিক আছে কি না।

* সবশেষে স্বাক্ষর করার আগে পুরো কাবিননামা পড়ে নেওয়া এবং নিজের কপি সংগ্রহ করা।

দেনমোহরের পরিমাণ, পরিশোধের শর্ত, বিশেষ কোনো শর্ত আছে কি না, এবং আপনার দেওয়া তথ্যগুলো সঠিকভাবে লেখা হয়েছে কি না, সবকিছু পড়ে ও বুঝে তারপর স্বাক্ষর করুন।

👉 কাবিননামা শুধু একটি কাগজ নয়, এটি আপনার গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দলিল।

সচেতন হোন, আইন জানুন, নিজের অধিকার বুঝুন।

— ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা

আজকের ফাইনাল ম্যাচটা যেন সত্যিই মনে রাখার মতো একটি ম্যাচ হয়। টানটান উত্তেজনা, দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর সুন্দর ফুটবলে ভ...
19/07/2026

আজকের ফাইনাল ম্যাচটা যেন সত্যিই মনে রাখার মতো একটি ম্যাচ হয়। টানটান উত্তেজনা, দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর সুন্দর ফুটবলে ভরে উঠুক পুরো খেলা। যে দলই জিতুক, বিজয়ী দলকে আগাম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আমার পরিবারের সবাই আর্জেন্টিনার সমর্থক। বাংলাদেশেরও অসংখ্য ফুটবলপ্রেমী আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসেন। তাই আমরাও দোয়া করছি, প্রিয় দল আর্জেন্টিনা যেন জয়ের হাসি হাসে। 💙🤍🇦🇷

আজ অনেকেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে একসাথে রান্না করবেন, খাওয়া-দাওয়া করবেন এবং খেলাটা উপভোগ করবেন। সবার প্রতি একটি অনুরোধ, খেলা নিয়ে কোনো ধরনের তর্ক, ঝগড়া বা মারামারি নয়। ফুটবল আনন্দের, ভালোবাসার এবং বিনোদনের একটি মাধ্যম।

দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা সবাইকে সুস্থ ও নিরাপদ
রাখুন। কারও যেন কোনো ক্ষতি না হয়। সবাই নিজের ও পরিবারের খেয়াল রাখবেন, সাবধানে থাকবেন এবং সুন্দর পরিবেশে খেলা উপভোগ করবেন।

সবশেষে, আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনার জন্য দোয়া রইল। আপনারাও দোয়া করবেন। আর যে দলই জিতুক, জয় হোক সুন্দর ফুটবলের। শুভকামনা সবাইকে।
⚽💙🤍

সম্পর্ক একদিনে ভাঙে না, একদিনে গড়েও ওঠে না।বেশিরভাগ সম্পর্ক বা সংসার ভেঙে যায় কোনো একটি বড় ঘটনার কারণে নয়। অনেক সময়...
18/07/2026

সম্পর্ক একদিনে ভাঙে না, একদিনে গড়েও ওঠে না।

বেশিরভাগ সম্পর্ক বা সংসার ভেঙে যায় কোনো একটি বড় ঘটনার কারণে নয়। অনেক সময় ভাঙনের শুরু হয় ছোট ছোট অবহেলা থেকে। কখনো ছেলেটার উদাসীনতা, কখনো মেয়েটার। আর এই ছোট ছোট অবহেলাগুলোই একসময় বড় দূরত্ব তৈরি করে।

যখন একজন মানুষ কাউকে খুব বেশি ভালোবাসে, তখন অনেক সময় অপর মানুষটি সেই ভালোবাসাকে স্বাভাবিক বা “গ্রান্টেড” ধরে নিতে শুরু করে। মনে হয়, “সে তো আছেই।” অথচ কেউ কারও জন্য কিছু করতে বাধ্য নয়।

কেউ বাধ্য নয় প্রতিদিন ফোন করতে, খোঁজ নিতে, সময় দিতে, যত্ন করতে কিংবা ভালোবাসা প্রকাশ করতে। মানুষ এগুলো করে টান থেকে, মায়া থেকে, নিজের ইচ্ছা থেকে। আর বিনিময়ে সে খুব বেশি কিছু চায় না। শুধু এটুকুই চায়, “আমি যেমন তোমাকে গুরুত্ব দিচ্ছি, তুমিও যেন আমাকে গুরুত্ব দাও।”

একটি সম্পর্কে সবসময় রোমান্টিক কথাবার্তা বা সারাদিন একসাথে লেগে থাকা জরুরি নয়। কিন্তু জরুরি হলো কিছু ছোট ছোট বিষয়।

“আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?”
“খেয়েছ?”
“কোনো সমস্যা হলে আমাকে বলো।”
“চলো আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু ভাবি।”

এই ছোট ছোট কথাগুলোই একজন মানুষকে অনুভব করায়, “আমি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”

আমার অভিজ্ঞতা থেকে এবং আশপাশের অসংখ্য সম্পর্ক দেখে আমি একটা বিষয় বুঝেছি। যে মেয়েটি তার স্বামী বা ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে জীবন কাটাতে চায়, সে সবসময় দামি উপহার বা বড় বড় চমক চায় না। সে চায় নিজেকে ভালোবাসার মানুষটির কাছে মূল্যবান মনে করতে। সে চায়, কেউ তার খোঁজ নিক, তার কথা মন দিয়ে শুনুক, তাকে অনুভব করাক যে সে গুরুত্বপূর্ণ।

ঠিক একইভাবে একজন ছেলেও চায় তাকে বোঝা হোক, তার অনুভূতিগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হোক, তার চেষ্টার মূল্য দেওয়া হোক।

দুঃখের বিষয় হলো, অনেক সম্পর্কে দুজনই ভালোবাসে, কিন্তু ভালোবাসাটা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।

মেয়েটি কথা বলতে চায়, ছেলেটি শোনে না।
ছেলেটি নিজের কষ্ট বলতে চায়, মেয়েটিও মন দিয়ে শোনে না।

ধীরে ধীরে যোগাযোগ কমে যায়। ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে। অভিমান জমতে থাকে। তারপর একদিন মানুষ বলে, “আমাদের সম্পর্কটা হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেল।”

আসলে কোনো সম্পর্কই হঠাৎ শেষ হয় না।

সম্পর্কটা একটা গাছের মতো। প্রতিদিন একটু যত্ন, একটু সময়, একটু আন্তরিকতা আর একটু যোগাযোগই তার পানি। কয়েকদিন পানি না দিলে গাছ সঙ্গে সঙ্গে মরে যায় না। প্রথমে পাতাগুলো হলুদ হয়, তারপর শুকিয়ে যায়, তারপর একসময় পুরো গাছটাই প্রাণ হারায়।

সম্পর্কও ঠিক তেমনই। অবহেলা, নীরবতা আর অপ্রকাশিত অনুভূতি ধীরে ধীরে ভালোবাসাকে শুকিয়ে দেয়।

তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বড় বড় প্রতিশ্রুতির চেয়ে ছোট ছোট অভ্যাস বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সময় দিন, মন দিয়ে শুনুন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন, ভালোবাসা প্রকাশ করুন। কারণ মানুষ শুধু ভালোবাসা পেতে চায় না, ভালোবাসাটা অনুভবও করতে চায়।

একটি সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখে বড় কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়। প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্ন, সম্মান, যোগাযোগ আর আন্তরিকতাই একটি সম্পর্ককে দীর্ঘদিন সুন্দর রাখে।

#সম্পর্ক #ভালোবাসা #ডিভোর্স #দাম্পত্যজীবন #সম্পর্কের_যত্ন #পারস্পরিক_সম্মান #যোগাযোগ #মানসিক_সম্পর্ক #জীবনের_কথা #বাস্তবতা #অনুভূতি #ভালোবাসার_গল্প #কেয়ার #বিশ্বাস #বাংলারিল #বাংলাকনটেন্ট

📢 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়েছেন? চিন্তার কিছু নেই!অনেকেই জানেন না যে, আপনার হাতের ফোনটি থেকেই মাত্...
17/07/2026

📢 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নিয়ে কোনো সমস্যায় পড়েছেন? চিন্তার কিছু নেই!

অনেকেই জানেন না যে, আপনার হাতের ফোনটি থেকেই মাত্র একটি কল করে NID সংক্রান্ত প্রায় সব সমস্যার সমাধান বা সঠিক তথ্য জেনে নেওয়া সম্ভব। আর এর জন্য কোনো টাকাও খরচ হবে না!

NID সংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সঠিক পরামর্শ পেতে কল করুন নির্বাচন কমিশনের টোল-ফ্রি হেল্পলাইন ১০৫।

📞 হেল্পলাইন নম্বর: ১০৫ (টোল-ফ্রি)

এই নম্বরে কল করে যেসব সেবা সম্পর্কে তথ্য পাবেন:

✅ নতুন ভোটার নিবন্ধনের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
✅ NID-তে নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম বা ঠিকানা সংশোধনের আবেদন করার নিয়ম।
✅ হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া NID পুনরায় পাওয়ার প্রক্রিয়া।
✅ NID আবেদন বা সংশোধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তথ্য।
✅ NID সংক্রান্ত অন্যান্য সাধারণ জিজ্ঞাসার উত্তর।

⏰ সেবা গ্রহণের সময়:
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৯:০০টা থেকে বিকেল ৫:০০টা।

💰 যেকোনো মোবাইল বা ল্যান্ডফোন থেকে ১০৫ নম্বরে কল করলে কোনো কল চার্জ প্রযোজ্য নয়।

🌐 অনলাইনে আবেদন বা সেবা নিতে ভিজিট করুন: services.nidw.gov.bd

📌 মনে রাখবেন:
১০৫ নম্বরে কল করে সরাসরি NID সংশোধন করা যায় না। তবে কীভাবে সংশোধনের আবেদন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং আপনার আবেদনের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

তথ্যটি নিজে জানুন, শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন।

#আইনি_সচেতনতা

Address

Sreepur
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ব্যারিস্টার সাম্মিয়া সুলতানা নিশা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share