আইন জিজ্ঞাসা-Aain Jiggyasha

আইন জিজ্ঞাসা-Aain Jiggyasha Legal service, land service, law interpret

12/06/2026

✅স্ত্রী অন্তঃসত্তা হলে Divorce কার্যকর হবে না।

✅ তালাকের 18 নম্বর কলামে স্ত্রীকে তালাকের অনুমতি দেওয়া না থাকলে স্ত্রী মামলা করে divorce চাইতে পারেন।

✅হিন্দু আইনে তালাকের কোন বিধান নাই।

✅তালাকের নোটিশ বা Divorce Notice Receive না করলেও ৯০ দিন পার হলে ডিভোর্স কার্যকর হবে অর্থাৎ, রেজিস্টার্ড কর্তৃক ডিভোর্স procedure করার পর থেকে time count হবে যা ৯০ দিন।

29/04/2026

জমির মামলা জেতার ১০টি শক্তিশালী কৌশল-

১. আগে কাগজ, পরে মামলাঃ

মামলা করার আগে নিশ্চিত করুন রেজিস্ট্রি দলিল, নামজারি, খতিয়ান, খাজনা রসিদ, মৌজা ম্যাপ, দাগ নম্বর সব ঠিক আছে কি না। দুর্বল কাগজ নিয়ে মামলা করলে সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট হয়।

২. বাস্তব দখল ধরে রাখুনঃ

কোর্টে দখল খুব গুরুত্বপূর্ণ। জমিতে ঘর, চাষাবাদ, গাছ, বেড়া, ব্যবহার ইত্যাদি থাকলে অবস্থান শক্ত হয়।

৩. খাজনা নিয়মিত দিনঃ

খাজনা না দিলে অনেক সময় প্রতিপক্ষ সুবিধা নেয় এজন্য হাল ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের রসিদ সংরক্ষণ করুন।

৪. নামজারি দ্রুত করুনঃ

দলিল হওয়ার পর দ্রুত নামজারি না করলে পরে বড় সমস্যা হয়। অনেকেই এখানেই ভুল করেন। দলিল হওয়ার সাথে সাথে নকল উঠিয়ে নামজারি করুন।

৫. ভুল রেকর্ড দ্রুত সংশোধন করুনঃ

খতিয়ান ভুল, দাগ ভুল, সীমানা ইত্যাদি ভুল থাকলে দ্রুত সংশোধন করুন। রেকর্ড ঠিক না করলে মামলায় জেতা কঠিন হবে।

৬. সব কথা লিখিত রাখুনঃ

মৌখিক কথা নয়, আপসনামা, বণ্টননামা, চুক্তি, রসিদ ইত্যাদি সব লিখিত রাখুন। মামলা জেতার জন্য লিখিত ডকুমেন্টস বড় হাতিয়ার।

৭. সঠিক মামলা নির্বাচন করুনঃ

সব সমস্যার মামলা এক না। ভুল মামলা করলে অযথা সময় নষ্ট হয়। ডিক্লারেশন, বিভাজন, নিষেধাজ্ঞা, দখল পুনরুদ্ধার, ১৪৪/১৪৫ ধারা যেটা দরকার সেটাই করুন।

৮. ভালো স্বাক্ষী রাখুনঃ

প্রতিবেশী, স্থানীয় ব্যক্তি, পুরনো মালিক বিশ্বস্ত স্বাক্ষী খুব গুরুত্বপূর্ণ। মামলা জেতার জন্য ভালো ও বিশ্বস্ত স্বাক্ষী নির্বাচন করুন।

৯. ভুয়া কাগজ থাকলে দ্রুত চ্যালেঞ্জ করুনঃ

প্রতিপক্ষ জাল দলিল করলে দ্রুত আপত্তি, মামলা, তদন্ত করুন। যত দ্রুত পারা যায় তার সমাধান করুন দেরি কিন্তু বিপদ বাড়ায় ও মামলাতে হারার সুযোগ তৈরি করে।

১০. আবেগ নয়, প্রমাণে লড়ুনঃ

“এই জমি আমাদের বহু বছরের”—
এটা যথেষ্ট নয় কোর্ট চায়— প্রমাণ, রেকর্ড, দখল, দলিল ডকুমেন্টস।

পোস্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন।

17/04/2026

#কোর্ট_কখন_রুল_জারি_করে

ধরুন পুলিশ আপনার পরিচিত কাওকে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু থানায় গিয়ে তাকে পেলেননা। তারা বলছে তারা কিছু জানেনা। এখন আপনি কোর্টে গেলেন। কোর্টের কাছে সমাধান চাইলেন। কোর্ট কি সাথে সাথে সিদ্ধান্ত দিয়ে দেবে আপনার পক্ষে? না। কারণ আদালত তো শুধু আপনার কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। অপর পক্ষকেও শুনতে হবে। তাহলে আদালত কী করে?

এখানেই আসে Rule Nisi। আদালত রুল জারী করে। এটি মূলত আদালতের একটি প্রশ্ন। কাকে করে এই প্রশ্ন? উত্তর হলো, যার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাকে করবে। প্রশ্নের মধ্যে সবসময় একটা কমন লাইন পাবেন, লাইনটি হলো "কেন করা হবে না?" Rule Nisi হলো আদালতে কোন রিট মামলার এমন একটি পর্যায় যখন আদালত গুরুতর কোন অভিযোগ দেখে বিপরীত পক্ষকে বলে, "তুমি এসে ব্যাখ্যা দাও, নইলে তোমার বিরুদ্ধে আদেশ/রায় হয়ে যাবে।" পুলিশ কোর্টে গিয়ে তখন ব্যাখ্যা দেয়।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে রাস্ট্রিকেট করে দিয়েছে, আপনি নিজেকে নির্দোষ মনে করেন। কোর্টের কাছে সমাধান চাইলেন, কোর্ট তখন বিশ্ববিদ্যালয় অথরিটির কাছে জওয়াব চেয়ে রুল জারি করে। "কিরে, ঘটনা কি"? এই পোলারে বাইর কইরা দিসো কেন? " (এভাবে বলেনা, ইংরেজিতে সুন্দর করে রুল জারি করে, আমি মজা করলাম)

কেউ হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করলে আদালত প্রথমে দেখে যে আবেদনটিতে আদৌ কোনো যুক্তিসংগত ভিত্তি আছে কিনা। ইংরেজিতে বলে (prima facie case). যদি আদালত মনে করে যে আবেদনকারীর অভিযোগ দেখে মনে হচ্ছে কিছুটা হলেও সত্যতা আছে, তখন আদালত Rule Nisi জারি করে। এই Rule জারি হওয়ার সময় রুলের ভেতর বিপরীত পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট সময় লিখে দেয়, জবাব দেওয়ার জন্য। তারা যদি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারে, তাহলে Rule discharge হয়ে যায় অর্থাৎ মামলা খারিজ হয়। আর যদি জবাব দিতে না পারে বা জবাব যথেষ্ট না হয়, তাহলে Rule absolute হয় , মানে চূড়ান্ত আদেশ জারি হয়।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন তীব্র রূপ নিচ্ছিল, তখন সারাদেশে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব সরাসরি গুলি চালাচ্ছিল। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানজুর আল মতিন ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা লিপি হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন, তখন কোর্ট রুল জারী করেন এবং সরকারের কাছে এই বিষয়ে উত্তর চান। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী এটর্নি জেনারেলরা সরকারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

Rule Nisi কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। এটা একটা মধ্যবর্তী পদক্ষেপ। আদালত বলছে "দেখো, এই অভিযোগটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে, তাই আমরা এটা গুরুত্বের সাথে নিচ্ছি।" Rule Nisi জারি মানেই এই নয় যে আবেদনকারী জিতে গেছে। এটা কেবল মামলার দরজা খুলে গেছে ,বিচার শুরু হবে এবং দুই পক্ষের যুক্তি শুনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। "ছাত্রদের গুলি না করার জন্য যেই রীট করা হয় তা কিন্তু খারিজ হয়ে যায়, অর্থাৎ কোর্ট সরকারের পক্ষেই রায় দেয়। কিন্তু তখন অনেকে মনে করেছিলো হাইকোর্ট রুল দিয়েছে "গুলি না করতে"।

17/04/2026

📚📚Doctrine of Necessity কী?

আইনে একটি প্রতিষ্ঠিত নীতি আছে যে, 'Necessity knows no law' অর্থাৎ প্রয়োজন আইন মানে না। এই ধারণার উপর ভিত্তি করে Doctrine of Necessity মতবাদের উত্থান।

১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের সাবেক প্রধান বিচারপতি জাস্টিস মুনীর গভর্নর জেনারেল গোলাম মো: এর অসাংবিধানিক পন্থায় জারিকৃত জরুরী অবস্থার বৈধতা দিতে Doctrine of Necessity এর জন্ম দেন।

এ্ই মতবাদের মূল কথা ব্যক্তি বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোন কিছু করে ফেললে উহা দোষের কারণ হয় না বা বেআইনী বলে গণ্য হয় না। যেমন- বর্তমান সেনা সমর্থিত কিংবা সংস্কারবাদী শিক্ষার্থী সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ। এই সময়ে এটা প্রয়োজন ছিলো।

আইনে বিধান নেই অথচ বিচারক বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ পক্ষদের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের জন্য একটি সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন কিংবা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কতিপয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে উহা 'Doctrine of necessity'র কারণে বৈধ বলে গণ্য হবে। এটি মূলত মার্শাল ল এর একটি বিষয়। এই মতবাদের উল্লেখযোগ্য মামলা-
Begun Nusrat Bhutto vs the Chief of Army Staff and the Fedaration of Pakistan

এই মামলায় পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক জিয়াউল হক কর্তৃক জারিকৃত মার্শাল ল এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং এই মামলার মাধ্যমে জিয়াউল হকের জারি করা মার্শাল ল কে বৈধতা দেয়া হয়েছিলো যদিও উক্ত সামরিক সরকার সংবিধান স্থগিত করেছিলো এবং অনেক রাজনৈতিক নেতাকে অবৈধভাবে গ্রেফতার করেছিলো। তবুও এই মামলার রায়ে আরো বলা হয় যে, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানও স্থগিত করা যাবে। অর্থাৎ ব্যক্তি বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কোন কিছু করে ফেললে তা দোষের কারণ হয় না বা বেআইনি বলে গণ্য হয় না।

(যারা এই রকম কাজ করবে তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে। যেমন- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিন্তু সেনা সমর্থিত এবং এই সরকার টিকে আছে বলা যায় এবং টিকে আছে বলেই সুপ্রীমকোর্ট তাদের পক্ষে রুলিং দিয়েছে। আরো সহজ করে বললে, দেশের ক্রান্তিলগ্নে কেউ রাষ্ট্রের হাল ধরলে, নানা রকম বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে সেই ক্রান্তিকালীন সরকারের প্রয়োজনই হচ্ছে Doctrine of necessity.)

বিধিবদ্ধ আইনে কোন বিধান নেই অথচ আদালত বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরাজমান সমস্যা সমাধানের জন্য কিংবা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কতিপয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তা আপাত দৃষ্টিতে অবৈধ মনে হলেও তা Doctrine of Necessity এর কারণে বৈধ বলে গণ্য হবে।

আমাদের দেশের হাইকোর্ট বিভাগ Shaluiar Rashid Khan v. Bangladesh 49 DLR. মামলার রায়ে 'Doctrine of necessity'র বিষয়ে পাকিস্তান সুপ্রীম কোর্টের মতই মতামত ব্যক্ত করেন। অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে শাহরিয়ার রশীদ খানেরা যে ক্যু করেছিল তা প্রয়োজন ছিলো বলে মতামত দেয়া হয়।

© Hasan Zahid
সূত্র: সংবিধানের বেসিক পাঠ (হাসান জাহিদ)

07/02/2026

অবৈধভাবে ভূমি বা জমি বেদখল হলে করণীয়!

#ভূমি
#বেদখল

29/01/2026

তিন মাসে বেদখল জমি উদ্ধারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন”
“বেদখল জমি উদ্ধার হবে তিন মাসে: কার্যকর হচ্ছে ভূমি আইন ২০২৩”

উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বেদখল (দখলকৃত) জমি উদ্ধার করতে বাংলাদেশে সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়—
১️⃣ জমির মালিকানা কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
প্রথমেই প্রমাণ করতে হবে যে জমিটি আপনার/রাষ্ট্রের—
দলিল (সাফ কবলা/রেজিস্ট্রি দলিল)
খতিয়ান (CS/SA/RS/BS)
পরচা
নামজারি (Mutation) কপি
খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর রশিদ
নকশা (প্রয়োজনে)
👉 কাগজ যত শক্ত হবে, কাজ তত সহজ হবে।
২️⃣ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (UNO) কাছে লিখিত আবেদন
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত দিতে হবে।
আবেদনে যা থাকবে:
আপনার পরিচয় ও ঠিকানা
জমির বিস্তারিত বিবরণ (মৌজা, দাগ, খতিয়ান, পরিমাণ)
কে/কারা বেদখল করেছে
কতদিন ধরে বেদখল
কীভাবে দখল হয়েছে
আইনগতভাবে জমি উদ্ধার করার আবেদন
👉 সব কাগজপত্রের ফটোকপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করুন।
৩️⃣ ভূমি অফিসে যাচাই ও তদন্ত
UNO সাধারণত বিষয়টি পাঠান—
সহকারী কমিশনার (ভূমি) / AC (Land)
কানুনগো / সার্ভেয়ার
তারা:
জমির রেকর্ড যাচাই করবে
সরেজমিন তদন্ত করবে
দখলের সত্যতা রিপোর্ট আকারে দাখিল করবে
৪️⃣ ভ্রাম্যমাণ আদালত / প্রশাসনিক ব্যবস্থা
যদি তদন্তে প্রমাণ হয় যে জমিটি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে, তাহলে—
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হতে পারে
দখলদারকে উচ্ছেদ করা হবে
প্রয়োজনে জরিমানা/শাস্তি দেওয়া হবে
জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হবে
📌 সরকারি (খাস) জমির ক্ষেত্রে প্রশাসন আরও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।
৫️⃣ পুলিশের সহায়তা (প্রয়োজনে)
উচ্ছেদকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে—
থানা পুলিশ
আনসার
সহায়তা দেওয়া হয়।
৬️⃣ যদি জটিলতা থাকে
কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসন জানাতে পারে—
বিষয়টি দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত
তখন আপনাকে আদালতে মামলা (Declaration + Recovery of Possession) করতে হতে পারে
✅ গুরুত্বপূর্ণ টিপস
সবসময় লিখিতভাবে যোগাযোগ করুন
আবেদন গ্রহণের রিসিভ কপি রাখুন
নিয়মিত খোঁজ নিন (Follow-up)
প্রয়োজনে একজন ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন

23/01/2026

"হ্যা" ভোট জয়যুক্ত হলে সংবিধানের শুরুতে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" কি থাকবে?

নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :
19/01/2026

নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :

BDS জরিপে রেকর্ড প্রস্তুতের সময় তিনটি বিষয় একসাথে যাচাই করা হয়—1️⃣ দলিল (Registered Deed)2️⃣ স্বত্বের ধারাবাহিকতা (Chain...
17/01/2026

BDS জরিপে রেকর্ড প্রস্তুতের সময় তিনটি বিষয় একসাথে যাচাই করা হয়—
1️⃣ দলিল (Registered Deed)
2️⃣ স্বত্বের ধারাবাহিকতা (Chain of Title)
3️⃣ ভোগদখল (Possession)

★ভোগদখলে আপনি, কিন্তু দলিল অন্যের নামে—BDS জরিপে কার নাম উঠবে?

অনেকে মনে করেন, “জমি তো আমি ভোগ করছি, চাষ করছি, বসতভিটা আমার দখলে—রেকর্ডও আমার নামেই হবে।”
কিন্তু BDS জরিপে বাস্তবতা এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি।

BDS জরিপে শুধু ভোগদখল দেখেই কারও নাম তোলা হয় না। এখানে প্রথমে দেখা হয় রেজিস্ট্রার্ড দলিল, তারপর স্বত্বের ধারাবাহিকতা, আর শেষে ভোগদখল। অর্থাৎ ভোগদখল একা কখনোই মালিকানা তৈরি করে না।

আপনি যদি জমি ভোগ করেন, কিন্তু বৈধ দলিল অন্যের নামে থাকে এবং সেই দলিল বাতিল হয়নি বা আদালতের কোনো ডিক্রি না থাকে—তাহলে BDS জরিপে দলিলধারীর নামই রেকর্ড হবে। আপনার ভোগদখল থাকলেও তা সর্বোচ্চ মন্তব্য কলামে নোট হতে পারে, মালিকানা হিসেবে নয়।

অনেক বছর ধরে দখলে থাকলেই স্বত্ব হয়ে যায়—এই ধারণাটাও ভুল। দখল স্বত্বে পরিণত হয় কেবল আদালতের চূড়ান্ত ডিক্রির মাধ্যমে। ডিক্রি ছাড়া শুধু দখলের জোরে BDS জরিপে নাম ওঠে না।

আবার যদি দলিল অন্যের নামে থাকে, কিন্তু আপনি আদালত থেকে স্বত্ব ঘোষণা বা দখল স্বীকৃতির ডিক্রি পেয়ে থাকেন—তাহলে ডিক্রির ভিত্তিতেই BDS জরিপে আপনার নাম উঠবে, দলিল যার নামেই থাকুক না কেন।

আর মামলা চলমান থাকলে সাধারণত বর্তমান বৈধ দলিলধারীর নাম রেকর্ড হয় এবং মন্তব্য কলামে লেখা থাকে—
“স্বত্ব সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন।”

এই ভুল ধারণার কারণে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জরিপে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পোস্টটা শেয়ার করুন—কারও ভবিষ্যৎ আইনি ঝামেলা কমে যেতে পারে।

14/01/2026

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার মধ্যে পার্থক্য:

(১)১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় বলা হয়েছে,সুনির্দিষ্ট স্হাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি ঐ সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্হায় পুনরুদ্ধার করতে পারে।★অপরপক্ষে ৯ ধারায় বলা হয়েছে,যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্হা ছাড়া স্হাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল হয়,তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার অন্য কোন ব্যক্তি উত্তম স্বত্ব খাড়া করলেও মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

(২)সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক খাস-দখল বা উচ্ছেদের মামলা দায়ের করা হয়।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করা হয়।

(৩)৮ ধারা অনুসারে বাদীকে সম্পত্তির স্বত্ব বা মালিকানা প্রমাণ করতে হয়।বাদী সম্পত্তিতে স্বত্ব প্রমাণ করতে না পারলে সে কোন ডিক্রী পাবে না এবং মামলাটি খারিজ হয়ে যাবে।★অপরদিকে,৯ ধারার বিধান অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।বাদী সম্পত্তিতে দখলে ছিল এবং তার বিনা অনুমতিতে বা যথাযথ আইনগত পন্হা ছাড়া তাকে সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হয়েছে-এতটুকু প্রমাণ করলেই চলবে।

(৪)৮ ধারার বিধান অনুসারে প্রতিকার একটি স্হায়ী ব্যবস্হা।★কিন্তু ৯ ধারার প্রতিকার একটি অস্হায়ী ব্যবস্হা।৯ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধার করার পর বিবাদী ৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণা ও খাস-দখলের মামলার মাধ্যমে ঐ সম্পত্তির দখল পুনরায় উদ্ধার করতে পারবে।

(৫)৮ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল বা বিরুদ্ধ দখলের তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখলের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

(৬)৮ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্হাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।★কিন্তু ৯ ধারা স্বত্বহীন কোন ব্যক্তিকে বেদখল হওয়া কোন সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

(৭)সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণা পূর্বক খাস-দখলের মামলা সরকারের বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা যায় না।

(৮)৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক খাস-দখলের মামলার রায় ও ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল ও রিভিউ করা যায়।★অন্যদিকে ৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিউ করা যাবে না।শুধুমাত্র রিভিশন করা যাবে।

(৯)৮ ধারা অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের মামলায় মূল্যানুপাতিক[Advalorem] কোর্ট ফি দিতে হয়।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে মামলা দায়ের করতে হলে মূল্যানুপাতিক[Advalorem] কোর্ট ফির অর্ধেক কোর্ট ফি দিতে হয়।

(১০)৮ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার ডিক্রীর বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায় না।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার ডিক্রীর বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।





#ভূমি

Address

Court House Street, Agarbati Goli, Kotowali
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন জিজ্ঞাসা-Aain Jiggyasha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category