আইন জিজ্ঞাসা-Aain Jiggyasha

আইন জিজ্ঞাসা-Aain Jiggyasha Legal service, land service, law interpret

07/02/2026

অবৈধভাবে ভূমি বা জমি বেদখল হলে করণীয়!

#ভূমি
#বেদখল

29/01/2026

তিন মাসে বেদখল জমি উদ্ধারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন”
“বেদখল জমি উদ্ধার হবে তিন মাসে: কার্যকর হচ্ছে ভূমি আইন ২০২৩”

উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বেদখল (দখলকৃত) জমি উদ্ধার করতে বাংলাদেশে সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়—
১️⃣ জমির মালিকানা কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
প্রথমেই প্রমাণ করতে হবে যে জমিটি আপনার/রাষ্ট্রের—
দলিল (সাফ কবলা/রেজিস্ট্রি দলিল)
খতিয়ান (CS/SA/RS/BS)
পরচা
নামজারি (Mutation) কপি
খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর রশিদ
নকশা (প্রয়োজনে)
👉 কাগজ যত শক্ত হবে, কাজ তত সহজ হবে।
২️⃣ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (UNO) কাছে লিখিত আবেদন
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত দিতে হবে।
আবেদনে যা থাকবে:
আপনার পরিচয় ও ঠিকানা
জমির বিস্তারিত বিবরণ (মৌজা, দাগ, খতিয়ান, পরিমাণ)
কে/কারা বেদখল করেছে
কতদিন ধরে বেদখল
কীভাবে দখল হয়েছে
আইনগতভাবে জমি উদ্ধার করার আবেদন
👉 সব কাগজপত্রের ফটোকপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করুন।
৩️⃣ ভূমি অফিসে যাচাই ও তদন্ত
UNO সাধারণত বিষয়টি পাঠান—
সহকারী কমিশনার (ভূমি) / AC (Land)
কানুনগো / সার্ভেয়ার
তারা:
জমির রেকর্ড যাচাই করবে
সরেজমিন তদন্ত করবে
দখলের সত্যতা রিপোর্ট আকারে দাখিল করবে
৪️⃣ ভ্রাম্যমাণ আদালত / প্রশাসনিক ব্যবস্থা
যদি তদন্তে প্রমাণ হয় যে জমিটি অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে, তাহলে—
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হতে পারে
দখলদারকে উচ্ছেদ করা হবে
প্রয়োজনে জরিমানা/শাস্তি দেওয়া হবে
জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হবে
📌 সরকারি (খাস) জমির ক্ষেত্রে প্রশাসন আরও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।
৫️⃣ পুলিশের সহায়তা (প্রয়োজনে)
উচ্ছেদকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে—
থানা পুলিশ
আনসার
সহায়তা দেওয়া হয়।
৬️⃣ যদি জটিলতা থাকে
কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসন জানাতে পারে—
বিষয়টি দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত
তখন আপনাকে আদালতে মামলা (Declaration + Recovery of Possession) করতে হতে পারে
✅ গুরুত্বপূর্ণ টিপস
সবসময় লিখিতভাবে যোগাযোগ করুন
আবেদন গ্রহণের রিসিভ কপি রাখুন
নিয়মিত খোঁজ নিন (Follow-up)
প্রয়োজনে একজন ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন

23/01/2026

"হ্যা" ভোট জয়যুক্ত হলে সংবিধানের শুরুতে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" কি থাকবে?

নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :
19/01/2026

নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র :

BDS জরিপে রেকর্ড প্রস্তুতের সময় তিনটি বিষয় একসাথে যাচাই করা হয়—1️⃣ দলিল (Registered Deed)2️⃣ স্বত্বের ধারাবাহিকতা (Chain...
17/01/2026

BDS জরিপে রেকর্ড প্রস্তুতের সময় তিনটি বিষয় একসাথে যাচাই করা হয়—
1️⃣ দলিল (Registered Deed)
2️⃣ স্বত্বের ধারাবাহিকতা (Chain of Title)
3️⃣ ভোগদখল (Possession)

★ভোগদখলে আপনি, কিন্তু দলিল অন্যের নামে—BDS জরিপে কার নাম উঠবে?

অনেকে মনে করেন, “জমি তো আমি ভোগ করছি, চাষ করছি, বসতভিটা আমার দখলে—রেকর্ডও আমার নামেই হবে।”
কিন্তু BDS জরিপে বাস্তবতা এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝি।

BDS জরিপে শুধু ভোগদখল দেখেই কারও নাম তোলা হয় না। এখানে প্রথমে দেখা হয় রেজিস্ট্রার্ড দলিল, তারপর স্বত্বের ধারাবাহিকতা, আর শেষে ভোগদখল। অর্থাৎ ভোগদখল একা কখনোই মালিকানা তৈরি করে না।

আপনি যদি জমি ভোগ করেন, কিন্তু বৈধ দলিল অন্যের নামে থাকে এবং সেই দলিল বাতিল হয়নি বা আদালতের কোনো ডিক্রি না থাকে—তাহলে BDS জরিপে দলিলধারীর নামই রেকর্ড হবে। আপনার ভোগদখল থাকলেও তা সর্বোচ্চ মন্তব্য কলামে নোট হতে পারে, মালিকানা হিসেবে নয়।

অনেক বছর ধরে দখলে থাকলেই স্বত্ব হয়ে যায়—এই ধারণাটাও ভুল। দখল স্বত্বে পরিণত হয় কেবল আদালতের চূড়ান্ত ডিক্রির মাধ্যমে। ডিক্রি ছাড়া শুধু দখলের জোরে BDS জরিপে নাম ওঠে না।

আবার যদি দলিল অন্যের নামে থাকে, কিন্তু আপনি আদালত থেকে স্বত্ব ঘোষণা বা দখল স্বীকৃতির ডিক্রি পেয়ে থাকেন—তাহলে ডিক্রির ভিত্তিতেই BDS জরিপে আপনার নাম উঠবে, দলিল যার নামেই থাকুক না কেন।

আর মামলা চলমান থাকলে সাধারণত বর্তমান বৈধ দলিলধারীর নাম রেকর্ড হয় এবং মন্তব্য কলামে লেখা থাকে—
“স্বত্ব সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন।”

এই ভুল ধারণার কারণে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জরিপে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পোস্টটা শেয়ার করুন—কারও ভবিষ্যৎ আইনি ঝামেলা কমে যেতে পারে।

14/01/2026

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার মধ্যে পার্থক্য:

(১)১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় বলা হয়েছে,সুনির্দিষ্ট স্হাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি ঐ সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্হায় পুনরুদ্ধার করতে পারে।★অপরপক্ষে ৯ ধারায় বলা হয়েছে,যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে যথাযথ আইনগত পন্হা ছাড়া স্হাবর সম্পত্তি থেকে বেদখল হয়,তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবীদার অন্য কোন ব্যক্তি উত্তম স্বত্ব খাড়া করলেও মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।

(২)সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক খাস-দখল বা উচ্ছেদের মামলা দায়ের করা হয়।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করা হয়।

(৩)৮ ধারা অনুসারে বাদীকে সম্পত্তির স্বত্ব বা মালিকানা প্রমাণ করতে হয়।বাদী সম্পত্তিতে স্বত্ব প্রমাণ করতে না পারলে সে কোন ডিক্রী পাবে না এবং মামলাটি খারিজ হয়ে যাবে।★অপরদিকে,৯ ধারার বিধান অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।বাদী সম্পত্তিতে দখলে ছিল এবং তার বিনা অনুমতিতে বা যথাযথ আইনগত পন্হা ছাড়া তাকে সম্পত্তি থেকে বেদখল করা হয়েছে-এতটুকু প্রমাণ করলেই চলবে।

(৪)৮ ধারার বিধান অনুসারে প্রতিকার একটি স্হায়ী ব্যবস্হা।★কিন্তু ৯ ধারার প্রতিকার একটি অস্হায়ী ব্যবস্হা।৯ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধার করার পর বিবাদী ৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণা ও খাস-দখলের মামলার মাধ্যমে ঐ সম্পত্তির দখল পুনরায় উদ্ধার করতে পারবে।

(৫)৮ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল বা বিরুদ্ধ দখলের তারিখ থেকে ১২ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখলের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

(৬)৮ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্হাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।★কিন্তু ৯ ধারা স্বত্বহীন কোন ব্যক্তিকে বেদখল হওয়া কোন সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

(৭)সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণা পূর্বক খাস-দখলের মামলা সরকারের বিরুদ্ধেও দায়ের করা যায়।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা যায় না।

(৮)৮ ধারা অনুসারে স্বত্ব ঘোষণাপূর্বক খাস-দখলের মামলার রায় ও ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল ও রিভিউ করা যায়।★অন্যদিকে ৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিউ করা যাবে না।শুধুমাত্র রিভিশন করা যাবে।

(৯)৮ ধারা অনুযায়ী দখল পুনরুদ্ধারের মামলায় মূল্যানুপাতিক[Advalorem] কোর্ট ফি দিতে হয়।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে মামলা দায়ের করতে হলে মূল্যানুপাতিক[Advalorem] কোর্ট ফির অর্ধেক কোর্ট ফি দিতে হয়।

(১০)৮ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার ডিক্রীর বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায় না।★কিন্তু ৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার ডিক্রীর বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।





#ভূমি

12/01/2026

বিভিন্ন খতিয়ানের সময়কাল:
সি.এস (CS) খতিয়ান (Cadastral Survey): ব্রিটিশ আমলে ১৮৮৮ সাল থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত প্রথম জরিপ।
আর.এস (RS) খতিয়ান (Revisional Survey): ১৯০৯ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত পরিচালিত সংশোধনী জরিপ।
এস.এ (SA) খতিয়ান (State Acquisition): ১৯৫০ সালের আইনের পর ১৯৫৬-১৯৬০ সালের মধ্যে প্রস্তুতকৃত, যা ১৯৫৬-১৯৬৩ সাল পর্যন্ত চলে।
পি.এস (PS) খতিয়ান (Pakistan Survey): ১৯৫৬ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত পরিচালিত, যা SA জরিপের সমসাময়িক ছিল।
বি.আর.এস (BRS) / সিটি জরিপ (Bangladesh/City Survey): ১৯৯৮ সাল থেকে শুরু হওয়া আধুনিক জরিপ, যা এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে।

#শরীয়তপুর
#ভূমি
#রেকর্ড

11/01/2026

★দ্বিতীয় বিবাবহ করতে লাগবে না স্ত্রীর সম্মতি লাগবে চেয়রাম্যানের (আরবিট্রেশন কাউন্সিল) অনুমোদন ।

১৯৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্ত্রী বা স্বামীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ০৬ ধারা অনুযায়ী দ্বিতীয় বিবাহ করতে হলে চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত দরখাস্ত করতে হবে যৌক্তিক কারন উল্লেখ করে। চেয়ারম্যান অনুমোদন দিলে করতে পারবেন।

উক্ত অনুমোদন না নিয়ে দ্বিতীয় বিবাহ করিলে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

#মহামান্য হাইকোর্টের এমন রায়ে যেসকল পুরুষগন আনন্দে আত্মাহারা হয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি স্ত্রীর অনুমতি না লাগলেও আপনাকে আরবিট্রেশন কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ঠিকই নিতে হবে।
এর জন্য আপনাকে দ্বিতীয় বিবাহ করার পক্ষে যথাযথ এবং যুক্তিসংগত কারন দর্শাতে হবে।। তখন আরবিট্রেশন কাউন্সিল শুনানি শেষে যৌক্তিক মনে করলে আপনাকে লিখিত অনুমতি প্রদান করতে পারে দ্বিতীয় বিবাহের জন্য। কারন মুসলিম পারিবারিক আইনে সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট এই রায় প্রদান করেন যে,
"দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ভিত্তিতেই বিষয়টি নিষ্পন্ন হবে"।
#সুতরাং আপনি যখন তখন দ্বিতীয়, তৃতীয় বিয়ে করে নিবেন বিষয়টা এমন নয়!!




10/01/2026

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনী ২০২৫-এর ৫৪ ধারা অনুযাই,

(1) যেকোন পুলিশ অফিসার, ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়া এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারেন-

★প্রথম, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ-অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেন;

★দ্বিতীয়, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, অথবা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, অথবা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ রয়েছে যে তিনি সাত বছরের কম কারাদণ্ড অথবা জরিমানা সহ বা ছাড়াই সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:-

(i) এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য, বা সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ অফিসারের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে এই ব্যক্তি উক্ত অপরাধ করেছেন; এবং

পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার প্রয়োজনীয়-

(ক) এই ধরনের ব্যক্তিকে আরও কোনও অপরাধ করা থেকে বিরত রাখার জন্য; অথবা

(খ) অপরাধের সঠিক তদন্তের জন্য; অথবা

(গ) এই ধরনের ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা এই ধরনের প্রমাণ কোন ভাবে বিকৃত করা থেকে বিরত রাখার জন্য, অথবা

(ঘ) মামলার তথ্যের সাথে পরিচিত কোনও ব্যক্তিকে আদালত বা পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের তথ্য প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই ধরনের ব্যক্তিকে কোনও প্রলোভন, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার থেকে বিরত রাখার জন্য; অথবা

(ঙ) যদি না এই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে প্রয়োজনে আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না;

এবং পুলিশ অফিসার এই গ্রেপ্তার করার সময় লিখিতভাবে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার বিধান অনুসারে যেখানে কোনও ব্যক্তির গ্রেপ্তার প্রয়োজন হয় না, সেখানে একজন পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;

★তৃতীয়, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি সাত বছরেরও বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা জরিমানা সহ বা ছাড়াই, অথবা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, সেই ব্যক্তি উক্ত অপরাধ করেছেন;

★চতুর্থ, যে ব্যক্তির দখলে আইনত অজুহাত ছাড়াই, কোন অজুহাত প্রমাণ করার দায়িত্ব সেই ব্যক্তির উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার যে কোনও সরঞ্জাম;

★পঞ্চম, যে ব্যক্তিকে এই কর্যবিধীর অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে;

★ষষ্ঠ, যে ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ করা যেতে পারে যে তিনি কোনও অপরাধ করেছেন;

★সপ্তম,; যে ব্যক্তি একজন পুলিশ অফিসারকে তার কর্তব্য পালনের সময় বাধা দেয়, অথবা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছেন বা পালানোর চেষ্টা করেছেন;

★অষ্টম : , যে ব্যক্তিকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে যে তিনি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক;

★নবম : যে ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরে যে কোনও স্থানে সংঘটিত কোনও কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিলেন, অথবা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ রয়েছে যে তিনি জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হত, এবং যার জন্য তিনি প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত কোনও আইনের অধীনে, অন্যথায়, বাংলাদেশে হেফাজতে আটক বা আটক থাকার জন্য দায়ী;

★দশম, ধারা ৫৬৫, উপধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনও নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য মুক্তিপ্রাপ্ত কোনও দোষী সাব্যস্ত;

★একাদশ, যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য অন্য পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, যদি অনুরোধে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি এবং অপরাধ বা অন্য কোনও কারণ উল্লেখ থাকে এবং এর থেকে মনে হয় যে অনুরোধকারী কর্মকর্তা কর্তৃক পরোয়ানা ছাড়াই আইনত তাকে গ্রেপ্তার করা যেতে পারে।

(২) কোনও পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনও ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের বিধানকারী কোনও আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।"




Address

Court House Street, Agarbati Goli, Kotowali
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন জিজ্ঞাসা-Aain Jiggyasha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category