Narrative Voice

Narrative Voice বয়ান - অনুধাবন - বিশ্লেষণ

ন্যায় ও ইনসাফের পথে প্রকৃত ইসলামের পক্ষে আপনার ভোটটি আমানত হিসাবে কবুল হোক, আমীন।শুভ কামনা......
12/02/2026

ন্যায় ও ইনসাফের পথে প্রকৃত ইসলামের পক্ষে আপনার ভোটটি আমানত হিসাবে কবুল হোক, আমীন।

শুভ কামনা......

11/02/2026

১১ দলীয় জোটের নির্বাচন-পূর্ব আমলনামা।

#জামাতের_অপকর্ম
#রাজনীতি
#নির্বাচন

11/02/2026

১১ দলীয় জোটের নির্বাচন পূর্ব আমলনামা নিয়ে ন্যারেটিভ আসছে খুউব শীগগিরই।

দেখতে চোখ রাখুন আমাদের অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজে।

বাংলাদেশ-এর রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসলামের নামধারী দল হিসাবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। ৪ই ফেব্রুয়া...
11/02/2026

বাংলাদেশ-এর রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসলামের নামধারী দল হিসাবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। ৪ই ফেব্রুয়ারী এই বড় দুই দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে। আজ আমরা বিশ্লেষণের দৃষ্টিতে ’ইসলামী মূল্যবোধ’, ‘দেশত্ববোধ’ ও ‘সামগ্রিক সেবাদান’ এর প্রেক্ষিতে তাদের ইশতেহার পর্যালোচনা করতে চলেছি।

ইসলামী দল হিসাবে জনমতের চাওয়া ছিলো, দলগুলো তাদের ইশতেহারে ইসলামকে অগ্রাধিকার দিবে। কিন্তু বিশ্লেষণ ও বাস্তবতা বলছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তাদের ইশতেহারে ইসলাম ও শরীয়াহ শাসনকে অগ্রাধিকার দিলেও জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে ইসলামের কোনো নামগন্ধ নেই। যা ধর্মপ্রাণ মানুষের মনে নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্র বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে ইসলাম না থাকাটার পিছনে আমেরিকা ও ভারতের সাথে তাদের গোপন বৈঠক ও আলাপচারিতা মূল কারণ হিসাবে থাকতে পারে।

বিশ্লেষন বলছে, জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে ইসলামের পাশাপাশি দেশত্ববোধেও ব্যাপক ঘাটতি দেখা গিয়েছে। জুলাই গণ অভ্যুত্থান পরবর্তি বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ ভারতকে শত্রু হিসাবে দেখলেও জামায়াতের ইশতেহারে সেই ভারতের ছবিই রয়েছে ১৩টি। এছাড়াও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে। এখন প্রশ্ন হলো, যেই ভারতে হাসিনা সহ আওয়ামীপন্থী নেতারা আত্মগোপন করে আছে সেই ভারতের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার পিছনে জামায়াতের স্বার্থটা ঠিক কোথায়? ধারণা করা হচ্ছে, দেশে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভোট পেতেই তারা ভারতের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলছে। তবে জুলাই বিশ্লেষকরা বলছে, ভারতের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার অর্থ জুলাইয়ে শহীদ হওয়া ২হাজার মানুষের রক্তকে অস্বীকার করা, যা দেশত্ববোধকে অস্বীকার করার নামান্তর।

তবে ইসলামী মুল্যবোধ ও দেশত্ববোধের জামায়াতে ইসলামী পিছিয়ে থাকলেও সামগ্রিক সেবাদানে তারা ইসলামী আন্দোলনের মতই শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে দরিদ্রতা বিমোচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতি মাসে ৫০০০টাকা প্রদান, স্বাস্থ্য কার্ড ও ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, সামরিক খাতে দেশেই অস্ত্র তৈরী ও উচ্চমানের প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করলেও জামায়াত ইসলামীর ইশতেহারে এধরণের কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। তবে দেশকে স্বপ্রযুক্তি নির্ভর ও পূর্বের খুনগুমের বিচার করার কথা জামায়াতে ইসলামী তাদের ইশতেহারে উল্লেখ করেছে। যা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়নি।

রাষ্ট্র বিশ্লেষকরা এসকল বিষয় বিশ্লেষণ করে এই মর্মে ন্যারেটিভ টিমকে মতামত জানিয়েছেন যে, আগামীর নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ‘ইসলামী মূল্যবোধ' ও ‘দেশত্ববোধ'কে পুরোপুরি এড়িয়ে বহির্বিশ্বকে খুশি করে ক্ষমতায় যাওয়াকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে। যা ধর্মপ্রাণ ও দেশপ্রমে উদ্বুদ্ধ জনগণকে হতাশ করেছে।
এখন দেখার বিষয়, তাদের এই স্বপ্ন কি আদৌও বাস্তবায়ন হবে নাকি ইসলামী দল হিসাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এযাত্রায় এগিয়ে থাকবে?

09/02/2026

জামায়াতে ইসলামী-এর অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড!

#জামাতের_অপকর্ম
#রাজনীতি
#আব্দুল_মালেক
#হেফাজত

আমরা এখন ইউটিউবে......নিত্যনতুন তথ্য ও বিশ্লেষণ পেতে আজ এখনই সাবস্ক্রাইব করুন।
07/02/2026

আমরা এখন ইউটিউবে......
নিত্যনতুন তথ্য ও বিশ্লেষণ পেতে আজ এখনই সাবস্ক্রাইব করুন।

এপস্টিন ফাইলের সাথে জামায়াতের সম্পর্ক!বিশ্বজুড়ে এখন আলোচিত ও সমালোচিত বিষয় এপস্টিন ফাইলস। শিশু যৌন পাচারকারী জেফ্রি এপস্...
07/02/2026

এপস্টিন ফাইলের সাথে জামায়াতের সম্পর্ক!

বিশ্বজুড়ে এখন আলোচিত ও সমালোচিত বিষয় এপস্টিন ফাইলস। শিশু যৌন পাচারকারী জেফ্রি এপস্টিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দলিল সমৃদ্ধ এই ফাইলে উঠে এসেছে বিশ্ব মোড়লদের সংশ্লিষ্টতা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সদস্য এবং বড় বড় অভিনেতাদের নামও রয়েছে এই তালিকায়। কি আছে এই ফাইলে? জেফ্রি এপস্টিনের অপরাধচক্রের পরিধি কত বড়? সভ্যতার মুখোশ পরে থাকা পাশ্চাত্যের অসভ্যতার মুখোশ যেন আজ বিশ্ববাসীর নিকট স্পষ্ট হয়েছে।

প্রশ্ন হলো, কুখ্যাত এই জেফ্রি এপস্টিন কে, কি তার পরিচয়?
জেফ্রি এপস্টিনের প্রথম পরিচয় হলো একজন যৌন নিপীড়ক। যার নিকট শিশু যৌনাচার একটা ব্যবসা ও উল্লাসের বিষয়। ২০১১ সালে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে এপস্টিন নিজেই বলেছিল, "আমি যৌন শিকারী নই, আমি একজন 'যৌন অপরাধী"।

এপস্টিন গড়ে দুলেছিল লিটল সেন্ট জেমস নামীয় দ্বীপ। যেখানে সে গড়ে তোলে অপ্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে যৌনাচারের এক অঙ্গরাজ্য। যা ছিল শিশু নিপীড়নের এক করুণ দৃশ্য। এপস্টিন ফাইলে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী এই অপরাধচক্রের সাথে বিশ্বের নানান প্রান্তে থাকা অসংখ্য প্রভাবশালীদের নাম রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাস্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন, ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সদস্য প্রিন্স আন্ড্রু, প্রযুক্তিখাতে ব্যপক পরিচিত বিশ্বের অন্যতম ধনী বিল গেটস, ইলন মাস্ক সহ হলিউড-বলিউডের নামি-দামি সব তারকার নামও রয়েছে এই তালিকায়।

এই তালিকায় বাদ যায়নি বাংলাদেশও। বাংলাদেশের ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে এই ফাইলে। এপস্টিনের সেক্রেটারির ই-মেইলে বলা হয়েছে যে, আমাদের টিমের সাথে বাংলাদেশের প্রাইম মিনিস্টার এগ্রি হয়েছে, যদিও এই এগ্রি হওয়ার বিষয়টা নিয়ে ধোয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর পিছনে আর্থিক লেনদেন অথবা নারী পাচারের কোনো বিষয় থাকতে পারে। এছাড়াও বাংলাদেশের কিছু এনজিও এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও এসেছে।

তবে ৫ই আগষ্টের পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি বদলে গেছে। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—ফ্যাসিস্ট হাসিনামুক্ত বাংলাদেশে আগামী দিনে কাদের সাথে হতে যাচ্ছে এপিস্টিন বা আমেরিকার সম্পর্ক? এপিস্টিনের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যতম নাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাস্প। ২০০২ সালে এপস্টিন সম্পর্কে নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিনকে ডোনাল্ড ট্রাস্প বলেছিলেন, "আমি জেফকে ১৫ বছর ধরে চিনি। অসাধারণ মানুষ। তার সাথে থাকতে অনেক মজা লাগে। বলা হয় যে সে আমার মতোই সুন্দরী মহিলাদেরকে পছন্দ করে, যাদের অনেকেই তরুণ বয়সী।"

এপস্টিনের সাথে জড়িয়ে থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন নাকি বর্তমান বাংলাদেশে ক্ষমতায় দেখতে চায় জামায়াতে ইসলামীকে। একথা বলেছিলেন খোদ জামায়াতেরই এক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। অপরদিকে দলটির নায়েবে আমীর আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এক বক্তব্যে মার্কিন দূতাবাসের সাথে তাদের বৈঠকের কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক জামায়াতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করলে দেখা যায়, মার্কিনকে সন্তুষ্ট করেই জামায়াত ক্ষমতায় আসতে চায়। জামায়াতের ঘোষিত ইশতেহারে ইসলাম বিষয়কে পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে সে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়াও এপিস্টিন ফাইলে থাকা মেয়র মামদানির নির্বাচনী ফান্ডে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ব্যারিষ্টার আরমানের পরিবার কর্তৃক মোটা অংকের টাকা ডোনেট করার বিষয় নিয়েও জনমনে নানান প্রশ্ন উঠেছে।

সবশেষে জামায়াতের সাথে মার্কিনদের এই দহরমমহরমকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্র বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন—যদি জামায়াত মার্কিন সন্তুষ্টির মধ্য দিয়েই ক্ষমতায় আসে তাহলে এপস্টিন বিষয়ে জামায়াতের পলিসি কি হবে? ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন কি জামায়াতকে দিয়েই বাংলাদেশ ও এশিয়া মহাদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়? নানান ধুম্রজালের মধ্য দিয়েই বইছে সময়। আগামীর বাংলাদেশ ভারত ও আমেরিকার আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত থেকে একটি নতুন বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠুক। এটাই এখন জনগণের প্রত্যাশা।

ইন্টিরিম—তোমার জন্য একরাশ ঘৃণা রেখে গেলাম!আমার ভাইদের রক্ত অবশ্যই কথা বলবে, তখন সহ্য করবার পারবা? #হাদি_হত্যার_বিচার_চাই
06/02/2026

ইন্টিরিম—তোমার জন্য একরাশ ঘৃণা রেখে গেলাম!
আমার ভাইদের রক্ত অবশ্যই কথা বলবে, তখন সহ্য করবার পারবা?

#হাদি_হত্যার_বিচার_চাই

জাতীয় নির্বাচন; জনগণের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব!জাতীয় নির্বাচন গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি ও জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রকাশের প্রধান ...
06/02/2026

জাতীয় নির্বাচন; জনগণের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব!

জাতীয় নির্বাচন গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি ও জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত। এমনকি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জাতীয় নির্বাচন জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। নির্বাচন মানে জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশ, শাসক নির্বাচন এবং রাষ্ট্রক্ষমতার বৈধতা নিশ্চিত করা। নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশের পরবর্তী সরকার বা কর্ণধার নির্ধারিত হয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশও এর থেকে ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু বাংলাদেশের অতীত ও বর্তমান বাস্তবতা হলো নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে নির্বাচনের পূর্বেই জনগণের মাঝে মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব তৈরি করতে বিভিন্ন মহল কাজ করে।
অতীতে আমরা দেখেছি নির্বাচনের পূর্বে দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন, সুশীল সমাজ, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও গোটা মিডিয়া হাুউজ আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকত। দেশের ইন্ডাস্ট্রি হাউজগুলো তৎকালীন সরকারি দলের দলীয় প্রচারণায় তাদের অর্থ ব্যয় করত। এমনকি জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ২২শে জুলাই ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো শেখ হাসিনাকে সমর্থন দিয়ে তার পাশে থাকার ঘোষণা দেন। (সুত্র: https://da.gd/V9CTPj)।

অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুণরায় সেই রূপ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন মিডিয়া হাউজ, বিজনেসম্যান এবং তথাকথিত সুশীল সমাজকে এখনই বিএনপির প্রতি ঝুঁকে পড়তে দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই শীর্ষ ব্যবসায়ীরা তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছে। (সুত্র: https://da.gd/Nr6oFm)। এভাবেই তারা জনগণের মনে আগামীর সরকারের একটি রূপ দেখা দাঁড় করিয়ে জনগণের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব তৈরি করে।

সংবাদমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের দর্পণ। যা সরকারের অন্যায় বা ভুলগুলো তুলে ধরার মধ্য দিয়ে সরকারকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করবে। কিন্তু আমাদের সংবাদ মাধ্যমগুলো সরকারের অন্যায়-অপকর্ম তুলে ধরার চেয়ে সেগুলোর জাস্টিফিকেশন করতে বেশি ব্যস্ত। এমনকি ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসন ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে তারা নির্বাচনের সময় ফ্যাসিবাদী সরকারের পক্ষে বয়ান নির্মাণ করতো।
নির্বাচনের পূর্বে বিভিন্ন প্রোপাগাণ্ডা ও তথাকথিত জরিপের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হয়। রাষ্ট্রীয় ও দলীয় নিয়ন্ত্রণাধীন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জরিপ এবং একপাক্ষিক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে জনগণের মনে দু-একটি দলকে ক্ষমতায় যাওয়ার কাছাকাছি প্রমাণের চেষ্টা করা হয়। ফলত, জনগণ নিজের প্রকৃৃত মতপ্রকাশে অক্ষম হয়ে পড়ে। গত কিছুদিন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একইভাবে বিভিন্ন জরিপ ও প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে। যা আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে বলে প্রতীয়মান হয়।

এছাড়াও বিশ্লেষণ বলছে, এদেশের মানুষ নতুনত্বকে চাইতে পারে না, পুরোনো শাসনব্যবস্থাকেই আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়। এ যেন লাশটা এখনো খুনিকেই ভালোবাসে—প্রবাদের বাস্তব প্রতিচ্ছবি। বিদেশী কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠানের রিপোর্ট মতে, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ নেতা নির্বাচনে সর্বদাই অসৎ ক্ষমতাশালী ও অধিক অর্থবিত্তের মালিক এমন মানুষকে বেছে নেন। যে মানুষের হাতে গুন্ডাবাহিনি আছে ভয়ে হোক বা ঝামেলা এড়াতে হোক—ভোটটা তাকেই দেয়। ফলে নির্বাচিত শাসক কম শোষক হয়ে ওঠে বেশী। অথচ ইসলাম এবং নির্বাচনের মূল লক্ষ্য পুরোপুরি ভিন্ন।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক বিষয় হলো জনগণ কর্তৃক মনোনীত হয়ে কোন দল ক্ষমতায় আরোহন করবে এবং জনগণের কল্যাণেই তারা কাজ করবে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতা হলো যারা ক্ষমতায় আরোহন করে তারা জনগণের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় আসলেও জনগণের কল্যাণের চেয়ে নিজেদের কল্যাণ চিন্তায় অধিক ব্যস্ত থাকে। কেননা, এখানে ক্ষমতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের ভোটের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে না।
বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন কেবল একটি সাংবিধানিক ইভেন্ট নয়; এটি জনগণের রাজনৈতিক চেতনার প্রতিচ্ছবি। যখন নির্বাচন জনগণকে ক্ষমতাবান করার বদলে ভয়, হতাশা ও নিরুপায়ত্ব শেখায়, তখন তা মনস্তাত্ত্বিক দাসত্বে রূপ নেয়। এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনব্যবস্থা। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শক্তিশালী বিরোধী রাজনীতি এবং সর্বোপরি জনগণের নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন ও সাহসী হয়ে ওঠা। কারণ প্রকৃত মুক্তি আসে কেবল মানসিক স্বাধীনতার মধ্য দিয়েই।
নতুন বাংলাদেশে সময় এসেছে এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা। অতএব জনতার উচিত, সকল মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব বর্জন করে নিজের প্রকৃত মতামত ব্যক্ত করা।

আসুন, একটি সুন্দর ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে আগামী নির্বাচনে মনস্তাত্ত্বিক দাসত্বের বাহিরে গিয়ে, ভয়ডর কিংবা প্রভাব প্রতিপত্তিকে দূরে সরিয়ে রেখে সততা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমকে প্রাধান্য দিয়ে আপনার মূল্যবান ভোট প্রদান করুন।

05/02/2026

তবে কি জামায়াত আধিপত্যবাদী শক্তির কবলে পড়ে দেশ বিক্রি করছে?

#জামাতের_অপকর্ম
#রাজনীতি
#নির্বাচন
#ভারত
#আমেরিকা

03/02/2026

জামায়াত কি তবে হয়ে উঠছে মাদকচক্রের চৌকিদার?

( ভিডিওটি ন্যারেটিভ টিম কর্তৃক সংরক্ষিত )

#জামাতের_অপকর্ম
#জামায়াত
#রাজনীতি
#টেকনাফ
#শিবির
#মাদক
#নির্বাচন
#ডাকসু

02/02/2026

অর্থ কেলেঙ্কারি-ই জামায়াতের সম্পদের উৎস!

( ভিডিওটি ন্যারেটিভ টিম কর্তৃক সংরক্ষিত )

#জামাতের_অপকর্ম
#জামায়াত
#রাজনীতি
#জামালাপুর
#শিবির
#নরসিংদী

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Narrative Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share