Advocate Sunny Khan

Advocate Sunny Khan Civil,Criminal,Writ,Income-Tax, Marriage,Notary Public and others Practitioner Advocate. Contact No:-01679255311

 #আলোচ্য বিষয় -৭ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে বেদখল জমি উদ্ধারের সুযোগ-বছরের পর বছর দেওয়ানি মামলা চালিয়ে জমি উদ্ধারের পরিবর্তে, ন...
27/08/2026

#আলোচ্য বিষয় -৭ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে বেদখল জমি উদ্ধারের সুযোগ-
বছরের পর বছর দেওয়ানি মামলা চালিয়ে জমি উদ্ধারের পরিবর্তে, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এখন প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এর আইনি ভিত্তি হলো “ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩”।

👩‍⚖️ এই আইনের উদ্দেশ্য কী!
এই আইনের মাধ্যমে ভূমি-সংক্রান্ত অপরাধ দ্রুত প্রতিরোধ, অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

👫 কারা প্রতিকার চাইতে পারবেন!
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট জমির বৈধ মালিকানা ও স্বত্বের পক্ষে গ্রহণযোগ্য কাগজপত্র দেখাতে পারবেন, তারা আইনের নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রতিকার চাইতে পারবেন। যেমন—

- রেজিস্ট্রিকৃত দলিল
- খতিয়ান বা পর্চা
- নামজারি/মিউটেশনের কাগজপত্র
- মালিকানার সমর্থনে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি

🤷‍♂️ কীভাবে প্রতিকার চাইবেন!

১. অভিযোগ দাখিল:
বেদখল বা অবৈধ দখলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে।

২. তদন্ত:
অভিযোগ পাওয়ার পর নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই ও তদন্ত করা হবে। প্রয়োজনে সরেজমিনে জমির অবস্থা পরিদর্শন করা হবে।

৩. সিদ্ধান্ত:
তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও আইনগত ভিত্তি পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৪. দখল পুনরুদ্ধার:
আইনের আওতায় অবৈধ দখল প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তায় দখলমুক্ত করে প্রকৃত অধিকারীকে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হতে পারে।

🤹‍♀️ সময় কত লাগতে পারে!
আইনে নির্ধারিত প্রক্রিয়া ও পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত প্রতিকারের সুযোগ রয়েছে। তবে প্রতিটি মামলায় ৭ দিন বা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে জমি ফেরত পাওয়া নিশ্চিত—এভাবে বলা ঠিক নয়; তদন্ত, নথিপত্র, বিরোধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার ওপর সময় নির্ভর করতে পারে।

#কেন আইনটি গুরুত্বপূর্ণ-
দ্রুত প্রশাসনিক প্রতিকারের সুযোগ থাকায় ভূমি দখলসংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি আইনি ব্যবস্থা। একই সঙ্গে প্রকৃত মালিকের অধিকার রক্ষা এবং অবৈধ দখল নিরুৎসাহিত করাও এই আইনের অন্যতম লক্ষ্য।

২০২৬ সালে কোন টাকার মামলা কোন আদালতে হবে?কোন আদালতে মামলা করতে হবে, সেই মামলার Appeal কোন আদালতে যাবে এবং Revision কোন আ...
25/08/2026

২০২৬ সালে কোন টাকার মামলা কোন আদালতে হবে?

কোন আদালতে মামলা করতে হবে, সেই মামলার Appeal কোন আদালতে যাবে এবং Revision কোন আদালত শুনতে পারবে—এগুলো নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে।

বাংলাদেশের দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বা Pecuniary Jurisdiction মূলত Civil Courts Act, 1887 এবং Code of Civil Procedure, 1908-এর বিধান দ্বারা নির্ধারিত।

২০২৬ সালে Civil Courts (Amendment) Act, 2026 এবং Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2026 কার্যকর হওয়ার পরও দেওয়ানি মামলার এই মূল আর্থিক সীমাগুলো বহাল রয়েছে।
- ২০২৬ সালে দেওয়ানি আদালতের কাঠামো কী?

Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের শ্রেণিবিন্যাস হলো—

১. District Judge

২. Additional District Judge

৩. Joint District Judge

৪. Senior Civil Judge

৫. Civil Judge

২০২৬ সালের সংশোধনীতে পুরোনো “Assistant Judge” ও “Senior Assistant Judge” নাম পরিবর্তন করে যথাক্রমে “Civil Judge” ও “Senior Civil Judge” করা হয়েছে।

অর্থাৎ আদালতের নামের ক্ষেত্রে পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু ২০২১ সালে নির্ধারিত মূল আর্থিক এখতিয়ারের সীমা ২০২৬ সালের সংশোধনীতে পরিবর্তন করা হয়নি।

- Civil Judge কত টাকার মামলা শুনতে পারেন?

Civil Courts Act-এর ধারা ১৯(১) অনুযায়ী—

Civil Judge-এর আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।
অর্থাৎ সাধারণ দেওয়ানি মামলার মূল্য যদি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়, তাহলে তা Civil Judge-এর আদালতে দায়েরযোগ্য।
উদাহরণ:

মামলার মূল্য ১০ লাখ টাকা → Civil Judge
মামলার মূল্য ১৫ লাখ টাকা → Civil Judge
কিন্তু ১৫ লাখ টাকার বেশি হলে সাধারণ নিয়মে Civil Judge-এর আর্থিক এখতিয়ারের বাইরে চলে যাবে।

- Senior Civil Judge কত টাকার মামলা শুনতে পারেন?

Civil Courts Act-এর ধারা ১৯(১) অনুযায়ী Senior Civil Judge-এর আর্থিক এখতিয়ার—

সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।

অর্থাৎ—

১৫ লাখ টাকার বেশি কিন্তু ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দেওয়ানি মামলা → Senior Civil Judge-এর আদালত।

উদাহরণ:

মামলার মূল্য ১৮ লাখ টাকা → Senior Civil Judge

মামলার মূল্য ২৫ লাখ টাকা → Senior Civil Judge

২৫ লাখ টাকার বেশি হলে সাধারণভাবে মামলাটি Joint District Judge-এর আদালতে যাবে।
- Joint District Judge কত টাকার মামলা শুনতে পারেন?
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।
Civil Courts Act-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী District Judge এবং Joint District Judge-এর original jurisdiction বিস্তৃত। তবে CPC-এর ধারা ১৫ অনুযায়ী—
প্রতিটি মামলা সেই সর্বনিম্ন শ্রেণির উপযুক্ত আদালতে করতে হবে, যে আদালত মামলাটি বিচার করার জন্য আইনগতভাবে সক্ষম।
তাই সাধারণ দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে—
২৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের মামলা → Joint District Judge Court

এবং Joint District Judge-এর original pecuniary jurisdiction-এর কোনো সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত নেই।
অর্থাৎ ৩০ লাখ, ৫০ লাখ, ১ কোটি, ৩ কোটি কিংবা ১০ কোটি টাকার সাধারণ দেওয়ানি মামলা—মূল্যমানের কারণে Joint District Judge-এর jurisdiction-এর বাইরে চলে যায় না।
তবে কোন বিশেষ আইনে যদি আলাদা jurisdiction নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেই বিশেষ আইন প্রযোজ্য হবে।
- তাহলে District Judge-এর কাছে কি সরাসরি কোটি টাকার মামলা করা যায়?

এখানে অনেকের একটি ভুল ধারণা রয়েছে।

Civil Courts Act-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী District Judge-এর original jurisdiction বিস্তৃত হলেও CPC-এর ধারা ১৫-এর lowest competent court principle প্রযোজ্য।

তাই সাধারণ দেওয়ানি মামলা শুধু মূল্য বেশি হওয়ার কারণে সরাসরি District Judge-এর আদালতে দায়ের করা যাবে—এমন নয়।

সাধারণ নিয়মে ২৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের মামলা Joint District Judge-এর আদালতে দায়ের করা হয়।

তবে বিভিন্ন বিশেষ আইনে District Judge বা Additional District Judge-কে সরাসরি original jurisdiction দেওয়া থাকতে পারে।

- ৫ কোটি টাকার বিষয়টি তাহলে কোথায়?

৫ কোটি টাকা মূলত Appeal-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমা।

Civil Courts Act-এর ধারা ২১(১) অনুযায়ী Joint District Judge-এর decree বা order-এর বিরুদ্ধে—

মূল মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে → Appeal District Judge-এর কাছে যাবে।

আর—

মূল মামলার মূল্য ৫ কোটির বেশি হলে → Appeal High Court Division-এ যাবে।

অর্থাৎ ৫ কোটি টাকা হলো Joint District Judge-এর মামলার Appellate Jurisdiction-এর গুরুত্বপূর্ণ threshold, original trial jurisdiction-এর সর্বোচ্চ সীমা নয়।

এই পার্থক্যটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
- Civil Judge-এর রায়ের Appeal কোথায়?

Civil Judge-এর decree বা appealable order-এর বিরুদ্ধে সাধারণভাবে—
Appeal → District Judge

Civil Courts Act-এর ধারা ২১(২) অনুযায়ী Senior Civil Judge বা Civil Judge-এর decree বা order-এর বিরুদ্ধে Appeal District Judge-এর কাছে যায়। তবে High Court Division যদি সরকারি অনুমোদনসহ Gazette notification-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট Appeal গ্রহণের দায়িত্ব কোনো Joint District Judge-এর কাছে দেয়, তাহলে সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে Appeal সেখানে দায়ের হতে পারে।

- Senior Civil Judge-এর রায়ের Appeal কোথায়?

Senior Civil Judge-এর decree বা appealable order-এর বিরুদ্ধে সাধারণ নিয়ম হলো—

Appeal → District Judge

তবে ধারা ২১(৩) ও ২১(৪)-এর অধীনে নির্দিষ্ট administrative arrangement বা Gazette notification থাকলে Appeal Additional District Judge বা নির্দিষ্ট Joint District Judge-এর কাছেও prefer করা যেতে পারে।
- Joint District Judge-এর রায়ের Appeal কোথায়?
এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
Joint District Judge-এর decree বা order-এর বিরুদ্ধে—
মূল মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত → District Judge

মূল মামলার মূল্য ৫ কোটির বেশি → High Court Division

উদাহরণ:

মামলার মূল্য ২ কোটি টাকা
Joint District Judge-এর রায় → Appeal District Judge

মামলার মূল্য ৫ কোটি টাকা
Joint District Judge-এর রায় → Appeal District Judge

মামলার মূল্য ৬ কোটি টাকা
Joint District Judge-এর রায় → Appeal High Court Division
- District Judge বা Additional District Judge-এর রায়ের Appeal কোথায়?

Civil Courts Act-এর ধারা ২০ অনুযায়ী District Judge বা Additional District Judge-এর decree বা order-এর বিরুদ্ধে সাধারণভাবে—

Appeal → High Court Division

অর্থাৎ District Judge-এর আদালতের রায়ের Appeal সাধারণত District Judge-এর কাছেই আবার Appeal হিসেবে করা যায় না।

এক্ষেত্রে পরবর্তী Appellate Forum হলো High Court Division।
- Appeal-এর ক্ষেত্রে CPC কী বলে?

Code of Civil Procedure-এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, কোনো Court original jurisdiction প্রয়োগ করে decree দিলে, আইন অনুযায়ী সেই decree-এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট Appellate Court-এ Appeal করা যায়।

CPC-এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী appealable order-এর Appeal সাধারণত সেই আদালতে যাবে, যেখানে সংশ্লিষ্ট suit-এর decree-এর বিরুদ্ধে Appeal যেত।

অর্থাৎ শুধু “আদেশ” হয়েছে বলেই সব আদেশের বিরুদ্ধে Appeal করা যায় না।

CPC-এর ধারা ১০৪ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কিছু order-এর বিরুদ্ধে Appeal-এর সুযোগ রয়েছে। অন্য অনেক interlocutory order-এর বিরুদ্ধে সরাসরি Appeal থাকে না।
- Revision কোন আদালতে হয়?

Revision এবং Appeal এক বিষয় নয়।

যেখানে Appeal-এর সুযোগ নেই, সেখানে নির্দিষ্ট আইনগত শর্ত পূরণ হলে Revision-এর প্রশ্ন আসে।

CPC-এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী—

High Court Division নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে District Judge বা Additional District Judge-এর decree/order এবং Joint District Judge, Senior Civil Judge বা Civil Judge-এর নির্দিষ্ট decree/order-এর record তলব করে Revision করতে পারে, যদি আইনে নির্ধারিত শর্ত পূরণ হয়।

অন্যদিকে—

District Judge নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে Joint District Judge, Senior Civil Judge বা Civil Judge-এর এমন order-এর Revision করতে পারেন, যার বিরুদ্ধে Appeal নেই এবং আইনগত ত্রুটির কারণে failure of justice হয়েছে।

অর্থাৎ—

Appeal থাকলে সাধারণত Revision নয়।

Revision একটি সীমিত supervisory jurisdiction; এটি Appeal-এর বিকল্প নয়।

- District Judge-এর Revision-এর বিরুদ্ধে কোথায় যাওয়া যায়?

CPC-এর ধারা ১১৫(৪) অনুযায়ী District Judge বা Additional District Judge ধারা ১১৫(২) বা ১১৫(৩)-এর অধীনে Revision-এ কোনো order দিলে নির্দিষ্ট শর্তে High Court Division-এ Revision-এর আবেদন করা যেতে পারে।

তবে এর জন্য High Court Division-এর leave এবং আইনে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের শর্ত প্রযোজ্য।

তাই District Judge-এর Revision order-এর বিরুদ্ধে সরাসরি সাধারণ Appeal বলা ঠিক নয়; সংশ্লিষ্ট statutory conditions অনুসরণ করতে হয়।

- High Court Division-এর রায়ের পর কোথায়?

High Court Division-এর judgment, decree বা final order-এর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট সাংবিধানিক ও আইনগত শর্তে—

Appeal → Appellate Division of the Supreme Court

CPC-এর ধারা ১০৯ এবং সংবিধানের Article 103 এ Appellate Division-এর appellate jurisdiction-এর কাঠামো রয়েছে।

তবে High Court Division-এর প্রতিটি রায়ের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে Appeal হিসেবে Appellate Division-এ যাওয়া যায়—এমন নয়।

মামলার ধরন ও সাংবিধানিক/আইনি শর্ত অনুযায়ী leave বা certificate-এর প্রয়োজন হতে পারে।

- তাহলে ২০২৬ সালের দেওয়ানি আদালতের পুরো কাঠামো এক নজরে কী?

মামলা করার ক্ষেত্রে:

১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত
→ Civil Judge

১৫ লাখের বেশি থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত
→ Senior Civil Judge

২৫ লাখ টাকার বেশি
→ Joint District Judge

তবে বিশেষ আইন থাকলে jurisdiction ভিন্ন হতে পারে।
Appeal-এর ক্ষেত্রে:

Civil Judge-এর decree/order
→ District Judge

Senior Civil Judge-এর decree/order
→ District Judge

Joint District Judge-এর decree/order, মূল মামলা ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত
→ District Judge

Joint District Judge-এর decree/order, মূল মামলা ৫ কোটির বেশি
→ High Court Division

District Judge-এর decree/order
→ High Court Division

Additional District Judge-এর decree/order
→ High Court Division

High Court Division-এর judgment/decree/final order
→ নির্দিষ্ট শর্তে Appellate Division

Revision-এর ক্ষেত্রে:

Joint District Judge / Senior Civil Judge / Civil Judge-এর নির্দিষ্ট non-appealable order
→ District Judge

District Judge / Additional District Judge-এর নির্দিষ্ট decree/order এবং Joint District Judge-এর নির্দিষ্ট decree/order
→ High Court Division

District Judge-এর ধারা ১১৫-এর Revision order
→ নির্দিষ্ট শর্তে High Court Division

- ২০২৬ সালের Amendment-এ আসলে কী পরিবর্তন হয়েছে?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা দূর করা দরকার।

২০২৬ সালের Civil Courts (Amendment) Act, 2026-এর মাধ্যমে Civil Courts Act-এ বিভিন্ন পুরোনো পদবির পরিবর্তে নতুন nomenclature আনা হয়েছে।

যেমন—

Assistant Judge → Civil Judge

Senior Assistant Judge → Senior Civil Judge

Subordinate Judge-এর পুরোনো reference → Joint District Judge-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।

সরকারি গেজেটের ২০২৬ সালের সংশোধনীতে এসব nomenclature পরিবর্তন স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

অন্যদিকে ২০২৬ সালের Code of Civil Procedure (Amendment) Act, 2026-এ দেওয়ানি কার্যপ্রক্রিয়া আধুনিকীকরণের জন্য plaint-এর facts affidavit-এর মাধ্যমে প্রমাণ, summons-এর নতুন পদ্ধতি, cross-examination এবং execution-সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তবে এই ২০২৬ সালের CPC Amendment ১৫ লাখ, ২৫ লাখ ও ৫ কোটি টাকার উল্লিখিত pecuniary/appellate thresholds পরিবর্তন করেনি।

মনে রাখবেন:

১৫ লাখ, ২৫ লাখ এবং ৫ কোটি—এই তিনটি সংখ্যা গুলিয়ে ফেলবেন না।

১৫ লাখ → Civil Judge-এর সাধারণ original pecuniary limit

২৫ লাখ → Senior Civil Judge-এর সাধারণ original pecuniary limit

৫ কোটি → Joint District Judge-এর decree/order-এর Appeal District Judge নাকি High Court Divisionে যাবে, তা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সীমা

অর্থাৎ ৫ কোটি টাকা Joint District Judge-এর trial jurisdiction-এর সর্বোচ্চ সীমা নয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সব ধরনের দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে শুধু টাকার অঙ্ক দেখে আদালত নির্ধারণ করা যায় না।

কোনো বিশেষ আইন যদি নির্দিষ্ট আদালতকে original বা appellate jurisdiction দেয়, তাহলে সেই বিশেষ আইনের বিধান প্রাধান্য পেতে পারে।

তাই মামলা করার আগে মামলার প্রকৃতি, subject matter, territorial jurisdiction, pecuniary jurisdiction এবং কোনো special statute প্রযোজ্য কি না—সবগুলো বিষয় বিবেচনা করা জরুরি।

শেষ কথা:
২০২৬ সালের কার্যকর আইনের আলোকে সাধারণ দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে মূল কাঠামোটি হলো—

১৫ লাখ পর্যন্ত → Civil Judge

১৫ লাখের বেশি–২৫ লাখ পর্যন্ত → Senior Civil Judge

২৫ লাখের বেশি → Joint District Judge

এরপর Appeal-এর ক্ষেত্রে—

Civil/Senior Civil Judge → District Judge

Joint District Judge → ৫ কোটি পর্যন্ত District Judge, ৫ কোটির বেশি High Court Division

District/Additional District Judge → High Court Division

আর Revision-এর ক্ষেত্রে CPC-এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী নির্দিষ্ট non-appealable decree/order-এর জন্য District Judge ও High Court Division-এর পৃথক revisional jurisdiction রয়েছে।

সুতরাং শুধু মামলার টাকার পরিমাণ জানলেই হবে না; কোন আদালতে মামলা করতে হবে এবং তার Appeal বা Revision কোথায় হবে—তা নির্ধারণ করতে সংশ্লিষ্ট আইনের jurisdictional provisions দেখতে হবে।

ডিজিটাল বা সাইবার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ ক্রয়বিক্রয় ও আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বি...
14/07/2026

ডিজিটাল বা সাইবার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্যের অবৈধ ক্রয়বিক্রয় ও আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন)বিল,২০২৬ পাস।

যদি কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন সাইবার স্পেস,ডিজিটাল ডিভাইস, ওয়েবসাইট,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম,মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বা অন্য কোন ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মাদকদ্রব্য বা সাইকোঅ্যাক্টিভ সাবস্টেন্স ক্রয়, বিক্রয়,সরবরাহ, প্রস্তাব, বিজ্ঞাপন মধ্যস্থতা, যোগাযোগ বা এ সংক্রান্ত কোন অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন বা করার চেষ্টা করেন, তবে সেটা এ আইনে অপরাধ।

★ এ ক্ষেত্রে আসামির থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের বাধ্যবাধকতা নেই।

মোদ্দাকথা- আইন সংশোধনের ফলে সাইবার স্পেসে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ সংগঠিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড এবং অনূর্ধ্ব ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং উক্ত অপরাধ আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক বা সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মাধ্যমে পরিচালিত হলে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা।

★ এছাড়াও বিদ্যমান আইনে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে (নির্দিষ্ট মাদক ও নির্দিষ্ট পরিমাণ) সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছে।

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১বাড়িওয়ালার প্রশ্ন। আমি একজন বাড়িওয়ালা, আমার ভাড়াটিয়ার সাথে যদি অন্যায় করি তাহলে আমার  বিরুদ্...
04/07/2026

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১
বাড়িওয়ালার প্রশ্ন।
আমি একজন বাড়িওয়ালা, আমার ভাড়াটিয়ার সাথে যদি অন্যায় করি তাহলে আমার বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়ার কি আইনগত ভাবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার আছে?

🔷✅ হ্যাঁ অবশ্যই ভাড়াটিয়ার আইনি অধিকার আছে।

☑️✔️বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী কোনো ভাড়াটিয়াকে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া উচ্ছেদ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বাড়িওয়ালা নিজে আইন হাতে তুলে নিয়ে কাউকে জোরপূর্বক বের করে দিতে পারেন না।

🔷ভাড়াটিয়ার প্রধান আইনি অধিকারগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো____________

✔️বাড়িভাড়ার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তিপত্র (Tenancy Agreement) থাকতে হবে। এই চুক্তিপত্রের একটি মূল কপি বা সত্যায়িত কপি পাওয়ার অধিকার ভাড়াটিয়ার রয়েছে।

❌বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১৫(১) অনুযায়ী বাড়ির বাজার মূল্যের বার্ষিক ১৫ শতাংশের বেশি ভাড়া নেওয়া সম্পূর্ন বেআইনি।

❌বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১৬ এবং ২০ অনুযায়ী একবার ভাড়া নির্ধারনের পর ২ বছরের আগে কোনো ভাবেই ভাড়া বাড়ানো যাবে না।
বাড়াইলে তা আইনত অবৈধ।

✅যদি বাড়িওয়ালা জোর করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেন তার প্রথমবার অপরাধের জন্য তিনি অতিরিক্ত টাকার দ্বিগুন জরিমানা দিতে বাধ্য থাকবেন।

✔️বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এর ১৮ ধারা অনুসারে আপনি যদি নিয়মিত ভাড়া দেন এবং চুক্তির শর্ত মেনে চলেন তবে বাড়িওয়ালা চাইলেই আপনাকে উচ্ছেদ করতে পারবেন না। এমনকি মেয়াদ শেষ হলেও আপনি (Statutory Tenant)বা আইনগত ভাড়াটিয়া হিসেবে সুরক্ষা পাবেন।

✔️আর যদি বাড়িওয়ালা গ্যাস, পানি এবং বিদ্যুৎ লাইন কেটে দেন। বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রন আইন, ১৯৯১ এর ধারা ২১ অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ।সরাসরি (Rent Controller) ভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে অভিযোগ করে এর সংযোগ পুনঃস্থাপন করতে পারেন।

☑️সমস্যা হলে কি করবেন?

✅🔷🔷🔷 ৩ টি পরামর্শ-----

1️⃣১)রশিদ ছাড়া কোনো ভাড়া দিবেন না। রশিদ না দিলে বাড়িওয়ালা আদায়কৃত টাকার দ্বিগুন জরিমানার মুখে পরবেন।

2️⃣২) বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রন আইন,১৯৯১ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী বাড়িওয়ালা যদি ভাড়া নিতে না চান ভয় পাবেন না। আইনজীবীর মাধ্যমে সরাসরি আদালতে ভাড়া জমা দিবেন। একে বলা হয় Rent Deposit বা আদালতে ভাড়া জমা।

3️⃣৩) যদি তালা মেরে দেওয়া বা উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয় তাৎক্ষনিক নিকটস্থ থানায় জিডি করুন।

👉👉সর্বোপরি আইন জানলে এবং সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে আপনি আর ভুক্তভোগী নন বরং আপনি হবেন সচেতন নাগরিক। মনে রাখবেন সচেতনতাই আপনার আইনি লড়াইয়ের প্রধান হাতিয়ার।

-হাবিবুর রহমান (সানি)
এ্যাডভোকেট
ঢাকা জজ কোর্ট
☎️ 01679-255311

প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: Power of Attorney দিয়ে তালাকের আইনগত বৈধতাপ্রবাসে থাকা স্বামী Power of Attorney (আমমোক্তার...
23/06/2026

প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: Power of Attorney দিয়ে তালাকের আইনগত বৈধতা

প্রবাসে থাকা স্বামী Power of Attorney (আমমোক্তারনামা) দিয়ে সরাসরি তালাক “স্বয়ংক্রিয়ভাবে” দিতে পারেন না, তবে তিনি আইনগতভাবে একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে পুরো তালাক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তালাক অবশ্যই লিখিতভাবে ঘোষণা করতে হয় এবং তা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভায় নোটিশ দিতে হয়। প্রবাসী স্বামী চাইলে Power of Attorney এর মাধ্যমে একজন প্রতিনিধি নিয়োগ করে তার পক্ষ থেকে এই নোটিশ প্রদান, কাগজপত্র দাখিল এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করাতে পারেন।
নোটিশ দেওয়ার পর ৯০ দিন অনুসরণ করতে হয়। এই সময়ের মধ্যে সালিশি প্রক্রিয়া চলতে পারে এবং পুনর্মিলনের সুযোগও থাকে। ৯০ দিন শেষে আইন অনুযায়ী তালাক কার্যকর হয়।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—শুধু Power of Attorney দিলেই তালাক সম্পূর্ণ হয় না, বরং পুরো আইনগত প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

হাবিবুর রহমান সানি
এডভোকেট
ঢাকা জজ কোর্ট
☎️📞 01679-255311

📜⚖️ অছিয়তনামা (Will) দলিল কী? কেন করবেন? কীভাবে করবেন? | অছিয়তনামা (Will) দলিল।অনেকেই জানতে চান 👇✔️ অছিয়তনামা কী?✔️ কে অ...
23/06/2026

📜⚖️ অছিয়তনামা (Will) দলিল কী? কেন করবেন? কীভাবে করবেন? |

অছিয়তনামা (Will) দলিল।

অনেকেই জানতে চান 👇

✔️ অছিয়তনামা কী?
✔️ কে অছিয়ত করতে পারেন?
✔️ কতটুকু সম্পত্তি অছিয়ত করা যায়?
✔️ অছিয়তনামা কীভাবে তৈরি করতে হয়?
✔️ অছিয়তনামা কি পরে বাতিল করা যায়?

চলুন আইন অনুযায়ী বিষয়গুলো সহজ ভাষায় জেনে নেওয়া যাক। 👇

📌 অছিয়তনামা (Will) কী?

অছিয়তনামা হলো এমন একটি আইনগত ঘোষণা 📄, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি বা সম্পদের একটি অংশ কাকে, কীভাবে এবং কোন শর্তে দেওয়া হবে তা নির্ধারণ করে যান।

⚠️ অর্থাৎ, অছিয়ত কার্যকর হয় ব্যক্তির মৃত্যুর পরে।

✅ ব্যক্তি জীবিত থাকা অবস্থায় অছিয়ত কার্যকর হয় না।

📌 কেন অছিয়তনামা করা প্রয়োজন?

অছিয়তনামা করার মাধ্যমে—

✅ সম্পত্তি নিয়ে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিরোধ কমে
✅ এতিম, প্রতিবন্ধী সন্তান বা বিশেষ কোনো ব্যক্তির জন্য সম্পদের অংশ নির্ধারণ করা যায়
✅ মৃত্যুর পর সম্পত্তি বণ্টন সম্পর্কে নিজের ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা যায়
✅ দীর্ঘমেয়াদি পারিবারিক বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা এড়ানো সম্ভব হয়

📌 কে অছিয়ত করতে পারেন?

যে ব্যক্তি—

✔️ প্রাপ্তবয়স্ক 👨‍⚖️
✔️ সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন 🧠
✔️ স্বেচ্ছায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম ✅

তিনি তার সম্পত্তি সম্পর্কে অছিয়ত করতে পারেন।

📌 মুসলিম আইনে কতটুকু সম্পত্তি অছিয়ত করা যায়?

⚖️ মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী সাধারণভাবে একজন মুসলিম ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) পর্যন্ত অছিয়ত করতে পারেন।

📍 এক-তৃতীয়াংশের বেশি অছিয়ত করতে চাইলে উত্তরাধিকারীদের সম্মতি প্রয়োজন হবে।

📌 উত্তরাধিকারীর নামে অছিয়ত করা যায় কি?

মুসলিম আইনের সাধারণ নীতি হলো—

❝ কোনো বৈধ উত্তরাধিকারীর অনুকূলে অছিয়ত করা যায় না ❞

তবে 🤝 অন্যান্য উত্তরাধিকারীরা মৃত্যুর পর সম্মতি দিলে সেই অছিয়ত কার্যকর হতে পারে।

📌 অছিয়তনামা কীভাবে করতে হয়?

একটি বৈধ অছিয়তনামায় সাধারণত নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকে—

🔹 অছিয়তকারীর পূর্ণ পরিচয়
🔹 সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ
🔹 কাকে কতটুকু সম্পত্তি দেওয়া হবে
🔹 প্রয়োজনে বিশেষ শর্তাবলি
🔹 অছিয়তকারীর স্বাক্ষর ✍️
🔹 সাক্ষীদের স্বাক্ষর 👥

📍 যদিও অনেক ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়, তবুও ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে নিবন্ধিত অছিয়তনামা করা অধিক নিরাপদ।

📌 অছিয়তনামা কি বাতিল করা যায়?

✅ হ্যাঁ, অবশ্যই।

অছিয়তকারী জীবিত থাকা অবস্থায় যেকোনো সময়—

✔️ অছিয়ত পরিবর্তন করতে পারেন
✔️ নতুন অছিয়ত করতে পারেন
✔️ পূর্বের অছিয়ত সম্পূর্ণ বাতিল করতে পারেন

কারণ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অছিয়ত চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় না।

📌 অছিয়তনামা ও হেবা (দান) কি এক জিনিস?

❌ না, এক নয়।

অনেকেই এই দুটি বিষয়কে গুলিয়ে ফেলেন।

🎁 হেবা (Gift)

➡️ জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়
➡️ তাৎক্ষণিকভাবে মালিকানা পরিবর্তন হয়

📜 অছিয়ত (Will)

➡️ মৃত্যুর পর কার্যকর হয়
➡️ জীবিত অবস্থায় মালিকানা নিজের কাছেই থাকে

🚨 গুরুত্বপূর্ণ আইনি সতর্কতা

📌 অছিয়তনামা তৈরি করার আগে অবশ্যই একজন আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণ করুন।

📌 কারণ উত্তরাধিকার আইন, মুসলিম ব্যক্তিগত আইন এবং সম্পত্তির প্রকৃতি অনুযায়ী প্রতিটি অছিয়তের আইনগত ফলাফল ভিন্ন হতে পারে।

💡 সচেতন থাকুন, আইন জানুন, সম্পত্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে নিন।

👍 পোস্টটি ভালো লাগলে লাইক দিন
💬 আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

- হাবিবুর রহমান (সানি)

এডভোকেট
জজ কোৰ্টে ঢাকা,
☎️📞01679255311

Address

Room No-408, Agorbati Goli, 33, Court House Street, Kotwali, Dhaka Judge Court
Dhaka

Telephone

+8801679255311

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Sunny Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Sunny Khan:

Shortcuts

Share