PeoplesNews

PeoplesNews আমরা সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের কথা বলি!!

দ্য টেলিগ্রাফে পাওয়া তথ্য অনুসারে, প্রশিক্ষণমূলক একটি পরীক্ষায় প্রায় ১,২০০টি AI এজেন্টকে আলাদাভাবে কিছু জটিল সমস্যা সমাধ...
09/09/2026

দ্য টেলিগ্রাফে পাওয়া তথ্য অনুসারে, প্রশিক্ষণমূলক একটি পরীক্ষায় প্রায় ১,২০০টি AI এজেন্টকে আলাদাভাবে কিছু জটিল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে তারা সিস্টেমের একটি ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেট ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ পেয়ে যায়। এরপর প্রায় ৭০,০০০ বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে তারা নিজেদের মধ্যে একটি যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি করে, নেতৃত্ব ও উপ-দল গঠন করে এবং একে অপরকে গবেষণা ও সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে শুরু করে। কিছু এজেন্ট নিজেদের ‘The Collective’ নামে পরিচয় দেয়। তদন্তকারীদের মতে, ঘটনাটি দেখিয়েছে—স্বায়ত্তশাসিত AI সিস্টেম একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারলে তাদের সম্মিলিত সক্ষমতা একক এজেন্টের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে।

পরবর্তীতে এজেন্টদের একটি বড় দল AI-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম Hugging Face-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এড়িয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষায় প্রতারণার কৌশলও ব্যবহার করে। কয়েকজন এজেন্ট অবশ্য কাজটিকে অনৈতিক বা ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনা AI নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে—ভবিষ্যতে স্বায়ত্তশাসিত AI এজেন্টরা যদি একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেয়, টুল ব্যবহার করে এবং স্বাধীনভাবে লক্ষ্য পূরণে কাজ করে, তাহলে ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষা ব্যবস্থা বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। গবেষকদের মতে, তাই AI উন্নয়নের পাশাপাশি শক্তিশালী sandboxing, access control, agent monitoring এবং human oversight এখন অপরিহার্য।

09/09/2026

আমার ভাই কবরে, খু/নি কেন বাইরেন্যায়ের অপেক্ষায় আজও কাঁদে স্বজনের হৃদয়।
09/09/2026

আমার ভাই কবরে, খু/নি কেন বাইরে
ন্যায়ের অপেক্ষায় আজও কাঁদে স্বজনের হৃদয়।

এইটা বাধনের উপরে হামলা করা মনিরুলের বাড়ি। লোকজন গেসিলো আজকে। এইটারে বাড়ি না বইল্যা ছাপড়া বলাই ভালো। মা আর বোন ঘরে তাল...
09/09/2026

এইটা বাধনের উপরে হামলা করা মনিরুলের বাড়ি। লোকজন গেসিলো আজকে। এইটারে বাড়ি না বইল্যা ছাপড়া বলাই ভালো। মা আর বোন ঘরে তালা দিয়া পলাইসে। সে নিজে আদম বেপারীর হাত ধইর‍্যা কোনরকমে লিবিয়া হইয়া ইতালি পৌঁছাইসে, লেখাপড়া নাই, জানা গেসে কাগজপত্রও নাই।

আওয়ামী লীগ তারে না দিসে সচ্ছলতা, না দিসে দেশে একটা জীবিকা। তারপরও গুন্ডামিটা সে-ই করতেসে। ইতালি হয়তো তারে ডিপোর্ট করব, বাংলাদেশ সরকার ফিরায়া আনার চেষ্টা করতেসে, রক্ষা পাওয়ার রাস্তা তার নাই।

কিন্তু তার এই ডেস্পারেশনটা কীসের😅

কাগজ নাই মানে বৈধ কাজ নাই, বৈধ কাজ নাই মানে হাতে টাকা নাই। এই অবস্থায় কেউ আইস্যা যদি বলে মিছিলে থাকলে দিব, হামলায় থাকলে দিব, তার জায়গায় আপনি দাঁড়াইলে আপনিও যাইতেন।

তবে টাকার চাইতে দামি জিনিসটা পরিচয়। দেশে সে কেউ না, ইতালিতে সে পুলিশ দেখলে হাওয়া হওয়া একটা লোক। দলের সাথে ভিড়লে একটা পদ জোটে, নেতার ফোন আসে, ছবিতে মুখ থাকে। জীবনে প্রথমবার কেউ তার নাম ধইর‍্যা ডাকে।

আগের দিন সজীব ওয়াজেদের সাথে ছবি তুলসে। এর চাইতে বড় কোন মানুষের কাছে সে জীবনে যাইতে পারে নাই। আওয়ামী লীগের আদর্শ কী জিগাইলে সে ফেইল করব, এইটা নিশ্চিত। কিন্তু ছবিটা তার ফোনে আছে। ওইটাই তার মোটিভেশন।

আর ফিরার রাস্তা তার বহু আগেই বন্ধ। আদম বেপারীর টাকা জোগাড় করতে ঘরের জিনিস বেচা হইসে, ধার হইসে, সেই ধার আজও শোধ হয় নাই। খালি হাতে দেশে ফিরা তার জন্য সামাজিক মৃত্যু। যার ফিরার রাস্তা বন্ধ, সে-ই সবচেয়ে সস্তা লোক।

তার উপরে একটা আশ্বাস আছে, বিপদে পড়লে দল দেখব, উকিল দিব, কাগজ করায়া দিব, হয়তো আশ্বাস পাইসে কাজ দিবো। এই আশ্বাসের কোন ভিত্তি আছে কিনা সে জানে না। যার পিছনে কিছু নাই সে এইটুকুই আঁকড়ায়া ধরে।

তার গরিব হওয়াটা আজাইড়া তথ্য না। ওইটাই তার যোগ্যতা।

যার ইতালিতে কাগজ আছে, চাকরি আছে, বউ আছে, বাচ্চা স্কুলে যায়, সে ক্যামেরার সামনে গিয়া কারো উপরে ঝাঁপায়া পড়ব না। ডিপোর্টের ঝুঁকি সে নিবে ক্যান। ঝুঁকিটা নেওয়ার লোক খুঁজতে গেলে ঠিক মনিরুলের মতো লোকই লাগে। যার হারানোর কিছু নাই, তারে কেনা সবচেয়ে সোজা। আওয়ামী লীগ তারে কিছু দেয় নাই বইল্যাই আজকে সে এই ডার্টি কাজে লাগতেসে। বেচারা এইটাও বুঝে নাই, দেশে চাঁদাবাজি গুন্ডামি আর ইউরোপে সংঘবদ্ধ হামলা এক জিনিস না।

ভিডিওতে যার মুখ আছে সে ডিপোর্ট হইব, জেল খাটব, দেশে ফিরা মামলার ঘানি টানব। পরিবার আদম বেপারীর কর্জ শোধ করতে গিয়া এই ছাপড়াটাও হয়তো বেইচ্যা দিব। কিন্তু যে টাকাটা দিসে তার মুখ কোন ভিডিওতে নাই, নাম কোন এজাহারে উঠব না। সে লন্ডনে, কলকাতায়, দুবাইয়ে বইস্যা পরের মনিরুল খুঁজতেসে। খুঁজলে পাওয়া যায়, ব্যর্থ আত্মপরিচয়হীন দরিদ্র মানুষের অভাব বাংলাদেশে কোনদিন হয় নাই।

দরিদ্র মানুষগুলা এইভাবেই কিছু দুর্বৃত্তের জ্বালানি হয়। জ্বালানি পুইড়্যা শেষ হয়, আগুনটা যে জ্বালাইসে সে আগুনের পাশেই হাত সেঁকে। প্যাথেটিক।

09/09/2026

Is the world on the verge of destruction?

এ কেমন গজব আছড়ে পড়ল নেপালে?
26/08/2026

এ কেমন গজব আছড়ে পড়ল নেপালে?

31/07/2026
15/07/2026

যার যায় সে জানে কতো কষ্ট 😓

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PeoplesNews posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category