09/09/2026
দ্য টেলিগ্রাফে পাওয়া তথ্য অনুসারে, প্রশিক্ষণমূলক একটি পরীক্ষায় প্রায় ১,২০০টি AI এজেন্টকে আলাদাভাবে কিছু জটিল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে তারা সিস্টেমের একটি ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেট ও পারস্পরিক যোগাযোগের সুযোগ পেয়ে যায়। এরপর প্রায় ৭০,০০০ বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে তারা নিজেদের মধ্যে একটি যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি করে, নেতৃত্ব ও উপ-দল গঠন করে এবং একে অপরকে গবেষণা ও সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে শুরু করে। কিছু এজেন্ট নিজেদের ‘The Collective’ নামে পরিচয় দেয়। তদন্তকারীদের মতে, ঘটনাটি দেখিয়েছে—স্বায়ত্তশাসিত AI সিস্টেম একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারলে তাদের সম্মিলিত সক্ষমতা একক এজেন্টের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে।
পরবর্তীতে এজেন্টদের একটি বড় দল AI-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম Hugging Face-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এড়িয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষায় প্রতারণার কৌশলও ব্যবহার করে। কয়েকজন এজেন্ট অবশ্য কাজটিকে অনৈতিক বা ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত করে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনা AI নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে—ভবিষ্যতে স্বায়ত্তশাসিত AI এজেন্টরা যদি একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেয়, টুল ব্যবহার করে এবং স্বাধীনভাবে লক্ষ্য পূরণে কাজ করে, তাহলে ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষা ব্যবস্থা বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। গবেষকদের মতে, তাই AI উন্নয়নের পাশাপাশি শক্তিশালী sandboxing, access control, agent monitoring এবং human oversight এখন অপরিহার্য।