One-Stop Legal solutions

One-Stop Legal solutions Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from One-Stop Legal solutions, Lawyer & Law Firm, Kabbokas super market, level-7, Kawran, Dhaka.

08/05/2025

২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধিতে যুগান্তকারী সংস্কার

➤ মৌখিক জবানবন্দির পরিবর্তে লিখিত এফিডেভিট: এখন বাদী ও বিবাদীকে দিনের পর দিন আদালতে এসে মৌখিক জবানবন্দি দিতে হবে না। তারা এখন এফিডেভিট আকারে লিখিত জবানবন্দি দাখিল করতে পারবেন, যা মামলার গতি বৃদ্ধি করবে।

➤ রায় কার্যকরে আইনের বল প্রয়োগ: দেওয়ানি আদালত এখন প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রায় ও আদেশ কার্যকরে নির্দেশ দিতে পারবে।

➤ কারাদণ্ডের ব্যয়ে রাষ্ট্রীয় বহন: দেওয়ানি মামলায় কোনো পক্ষ জেলে গেলে, তার খরচ আর প্রতিপক্ষকে বহন করতে হবে না। এই ব্যয় সরকার বহন করবে, যা ন্যায়বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

➤ জারি মামলা বাতিল: রায় পাওয়ার পর আর পৃথকভাবে জারি মামলা করতে হবে না। মূল মামলার অধীনেই জারি কার্যক্রম চলবে, ফলে মামলার প্রক্রিয়া হবে আরও সরল ও দ্রুত।

➤ অযথা সময় চাওয়ার সুযোগ সীমিত: মামলার প্রলম্বন ঠেকাতে সময় চেয়ে বারবার আবেদন করার প্রবণতায় নিয়ন্ত্রণ এসেছে, যা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিকে ত্বরান্বিত করবে।

➤ হয়রানিমূলক মামলায় ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি: ইচ্ছাকৃত হয়রানিমূলক দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে, যা এমন মামলা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

প্রথমে এসি ছিলো ধনীদের জন্য, বিলাসবহুল দ্রব্য হিসেবে। মিডলক্লাসও যে এসি এফোর্ড করতে পারবে, সেই বিশ্বাস অর্জনের জন্য প্রথ...
03/04/2025

প্রথমে এসি ছিলো ধনীদের জন্য, বিলাসবহুল দ্রব্য হিসেবে। মিডলক্লাসও যে এসি এফোর্ড করতে পারবে, সেই বিশ্বাস অর্জনের জন্য প্রথমে বাজারে কমদামে এসি আনলো ওয়াল্টন। ওদের পার্টস সবই চাইনিজ, দেশে এসেম্বল করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় তারা প্রথমে দুই বছর ভালো কম দাম রেখে বেশ কিছু এসি সেল করলো, যাদের কোয়ালিটি একেবারে ফেলে দেয়ার মত না।

কোয়ালিটি ভালো হবার সুবাদে তারা অনেকগুলো ভালো রিভিউ পেলো। দুই বছরে সেই রিভিউগুলো দেখিয়ে মার্কেটে তারা একটা পজিশান করে নিলো। এরপরেই তারা একটা ইন্টারেস্টিং কাজ করলো।

পরের বছর ২০২৩ এর গরমের শুরুতে তারা কোনো ধরণের কথাবার্তা ছাড়াই এসির প্রত্যেক মডেলের দাম দশ হাজার বাড়িয়ে দিলো। না, তাদের কোনো পণ্যের উপর শুল্ক বাড়ানো হয় নাই। আমদানিকৃত পার্টসের উপরও না, দেশীয় বাজারেও না। তারা কাজটা করলো একেবারে বেহুদা, সিম্পলি "মিডলক্লাস এফোর্ড করতে পারে", এই কার্ড দিয়ে।

তাদের দেখাদেখি মার্কেটে ব্যবসা, ইনফ্লুয়েন্স এবং কোয়ালিটি দেখানোর জন্য চায়না থেকে সরাসরি ইমপোর্ট করা গ্রি, হায়ার তো এসির দাম বাড়ালোই, একই সাথে বাড়ালো মার্কেটে অলরেডি সুনাম কামিয়ে এস্ট্যাবলিশড থাকা জেনারেল, প্যানাসনিক, এলজি, ডাইকিনের মত ব্র‍্যান্ডগুলো। দাঁড়িয়ে গেলো একটি চমৎকার সিন্ডিকেট। বেহুদা দাঁড়ালো, কেউ কিছু বললো না। প্রচন্ডে গরমে মানুষ যখন একটু কমদামে পাওয়ার আশায় এফোর্ডেবল একটা এসি কিনার চেষ্টা করলো, তখন তাদের গলা চেপে ধরা হলো।

এই ঈদের বাজারে আমরা পাঞ্জাবিতে সেইম একটা সিন্ডিকেট দেখতে পেলাম। পাঞ্জাবি বিক্রি করা ইলিয়েন নাম কামিয়ে দেখতে পেলো, মিডলক্লাসের প্রচুর ব্র‍্যান্ড ফেটিশ আছে। তারা ঈদে পাঞ্জাবি পরে ব্র‍্যান্ডের নাম বলে নিজেকে গর্বিত করতে প্রচুর পছন্দ করে। তারা এইটুকুকে পুঁজি করে একেকটা পাঞ্জাবির যেই দাম রাখা শুরু করলো, সেই দামে দুইটা মিডিয়াম সাইজের আস্ত ভেড়া কিনা যায়। মানুষের যেহেতু ব্র‍্যান্ডটাই লাগবে, তারা ১১-১২ হাজার দিয়ে পাঞ্জাবি কেনা বন্ধ করলো না।

যেহেতু ইলিয়েন এত দামে সেল করে পাঞ্জাবিকে দামি প্রোডাক্টের কাতারে তুলে নিয়ে গেলো, বাকি কাপড়ের ব্র‍্যান্ডগুলো দেখলো, এইটা তাদের জন্যও সুবর্ণ সুযোগ। তারা জানে, মানুষ রোজার ঈদে পাঞ্জাবি কিনবেই। যে ইলিয়েন এফোর্ড করতে পারবে না, সে অন্য কোথাও কিনবে। কিন্তু কিনবেই।

কাজেই, এখন মার্কেটে আড়াই তিন হাজারের নীচে কোনো পাঞ্জাবি নাই। দাঁড়িয়ে গেছে একটি সুন্দর সিন্ডিকেট। পাঞ্জাবির দাম এত কেন, এই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করারও সুযোগ নাই। প্রশ্ন করলেই ইলিয়েনকে দেখিয়ে বলা হয়, ওরা সেল করতেছে, মানুষ কিনতেছে তো। আপনি কেন পারেন না??

অথচ মার্কেটে পাঞ্জাবির নামে সেল হচ্ছে গামছার কাপড়। এইসব পাঞ্জাবি কিছুদিন পরার পরে ঘর মোছার ত্যানা হিসেবেও ব্যবহারের অযোগ্য।

তরমুজ না কিনে মানুষ তরমুজের সিন্ডিকেট সাইজ করেছে। পেঁয়াজ না কিনে মানুষ পেঁয়াজের সিন্ডিকেট সাইজ করেছে। ঈদটা শেষ হইলে আপনারা একটু ঠান্ডা মাথায় ভাইবেন, গলাকাটা দামে এই জিনিস কিনাটা কি আসলেই আপনারা ওর্থ ইট মনে করেন?? এই সিন্ডিকেট কি আপনারা চলতে দিবেন?? নাকি অভিনব কোনো কায়দায় এদেরকে সাইজ করবেন??

ভাইবেন ভাই, একটু ঠান্ডা মাথায় ভাইবেন।

© Hazat Sabbir

24/03/2025

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

Address

Kabbokas Super Market, Level-7, Kawran
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when One-Stop Legal solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share