Khandoker Firoz Ahmed

Khandoker Firoz Ahmed Advocate , Supreme Court of Bangladesh
Lawyering for Justice. Focused on proactive counsel that prevents issues and creates value for orgunizational success.

Accomplished legal professional with advanced law degrees and comprehensive expertise across diverse practice areas. Proven track record in delivering strategic legal solutions for complex matters through litigation excellence, precise legal drafting, effective client counseling, and skillful negotiation. Core Expertise---

Litigation & Advocacy: Adequate courtroom experience in civil and crimi

nal litigation in various phases from discovery through trials and subsequent stages. Legal Drafting: Expert in crafting sophisticated contracts, agreements, compliance frameworks, and transactional documentation with precision and regulatory compliance. Client Relations: Strong ability to build lasting relationships through clear communication, strategic guidance, and practical legal solutions for diverse client portfolios. Negotiation: Accomplished in complex transactions, dispute resolution, and commercial arrangements with proven success in high-stakes negotiations. Practice Areas---

Corporate law and governance, civil & criminal litigation, regulatory compliance, real estale transactions, employment law, contract disputes, intellectual property, company matters, and business advisory services. Professional Approach---

Comitted to providing innovative legal solutions that aliun with client objectives while maintaining the highest ethical standards.

04/06/2026

"আসামীর দোষ স্বীকারোক্তি "সত্য ও স্বেচ্ছাধীন" হলেও তা হত্যা মামলায় আসামীর বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণ হয়েছে মর্মে গণ্য হবে না।"

Bhuboni Sahu Vs. The King". [1949] UKPC
সাক্ষ্য আইনের -৩০, ১১৪(b) এবং ১৩৩ ধারা অত্যন্ত চেনা। কিন্তু এই ধারাগুলোর মধ্যকার জটিল সম্পর্কের সবচেয়ে সহজ ও ঐতিহাসিক সমাধান এসেছিল ১৯৪৯ সালে প্রিভি কাউন্সিলের একটি বিখ্যাত রায়ের মাধ্যমে— "Bhuboni Sahu Vs. The King"।.

১. সহ-আসামীর জবানবন্দি কোনো ‘মূল সাক্ষ্য’ নয়: প্রিভি কাউন্সিলের লর্ড স্যার জন বিউমন্ট স্পষ্ট জানান, সহ-আসামীর দোষস্বীকারোক্তি (Confession of co-accused) কোনো প্রথাগত বা স্বতন্ত্র সাক্ষ্য (Substantive Evidence) নয়।
কারণ এতে কোনো শপথ নেওয়া হয় না এবং একে জেরা (Cross-examination) করার সুযোগ থাকে না।

২. এটি কেবল আদালতের 'মন ভাঙার' বা 'আশ্বস্ত' করার অস্ত্র: আদালত প্রথমে মামলার অন্যান্য সাধারণ ও অকাট্য প্রমাণগুলো দেখবেন। সেগুলো দিয়ে যদি অপরাধ প্রায় প্রমাণ হয়েই যায়, কিন্তু বিচারকের মনে সামান্য একটু খটকা বা সন্দেহ থাকে— কেবল সেই সন্দেহ দূর করতেই সহ-আসামীর জবানবন্দিকে অতিরিক্ত সাহায্য (Assistance) হিসেবে নেওয়া যাবে।

৩. দুর্বল + দুর্বল = শক্তিশালী নয়! একজন দুষ্কর্মের সহযোগীর (Accomplice) সাক্ষ্য এমনিতেই দুর্বল। সেই দুর্বল সাক্ষ্যকে সমর্থন দেওয়ার জন্য অন্য সহ-আসামীর জবানবন্দি ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ, দুটি দুর্বল প্রমাণ মিলে একটি সবল প্রমাণ তৈরি করতে পারে না।

লর্ড জন বিউমন্টের সেই ঐতিহাসিক উক্তি:
"সহ-আসামীর জবানবন্দি কেবল তখনই মামলা পরিচালনায় সাহায্য করতে পারে, যখন অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আসামীর বিরুদ্ধে একটি ভিত্তি বা কাঠামো দাঁড় করিয়ে ফেলেছে। এটি কেবল আদালতের মনকে আশ্বস্ত করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, কোনো সাজার মূল ভিত্তি হিসেবে নয়।"

বাংলাদেশ ও ভারতের বিচার ব্যবস্থায় এই রায়টি আজো একটি মাইলফলক। পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থা যাতে কেবল একজনের মুখে দেওয়া স্বীকারোক্তির জোরে অন্য কাউকে ফাঁসিয়ে দিতে না পারে এবং কোনো "স্বেচ্ছাচারী সাজা" যেন না হয়— এই রায় আজো তা নিশ্চিত করে।

এক লাইনে বললে: কারো মুখের কথায় সাজা নয়, সাজা হবে অকাট্য প্রমাণে!

16/05/2026

প্রাইভেট কোম্পানির শেয়ার ক্যাপিটাল রিডাকশন করতে হলে কোম্পানির Articles of Association এ এই প্রভিশন থাকতে হবে। যদি না থাকে তাহলে Article সংশোধন পূর্বক ক্যাপিটাল রিডাকশন করা যায়। বেশ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে এই কাজ টি সম্পন্ন করতে হয়।

22/04/2026
পাঁচ লক্ষ-(৫,০০ ০০০/-) টাকা পর্যন্ত চেক ডিজঅনার মামলার বিচার করবে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্র...
16/02/2026

পাঁচ লক্ষ-(৫,০০ ০০০/-) টাকা পর্যন্ত চেক ডিজঅনার মামলার বিচার করবে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

Negotiable Instruments (Amendment) Ordinance, 2026


ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক্রয়ের হ্মেত্রে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আগাবেন অন্যথায় বড় ঝামেলায় পরতে পারেন দলিল হওয়ার পরে...
29/01/2026

ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি ক্রয়ের হ্মেত্রে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে আগাবেন অন্যথায় বড় ঝামেলায় পরতে পারেন দলিল হওয়ার পরে।

ডিসেম্বর মাস। আজ হাই কোর্ট এর শেষ কার্যদিবস। শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল স্যার সহ স্যার এর চেম্বারে।
18/12/2025

ডিসেম্বর মাস। আজ হাই কোর্ট এর শেষ কার্যদিবস। শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল স্যার সহ স্যার এর চেম্বারে।

20/11/2025

মেজর সিনহা হত্যা: ওসি প্রদীপ, এসআই লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ; আপিল করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে

20/09/2025

চেক প্রতারণা সংক্রান্ত এক মামলায় রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক গুরুত্বপূর্ণ আইনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আদালত পর্যবেক্ষণ করেছেন— যে কোনো ব্যাংক চেকে প্রাপকের নাম, টাকার অঙ্ক এবং তারিখ উল্লেখ না থাকলে সেটি আইনের চোখে বৈধ চেক নয়। এমনকি ব্ল্যাঙ্ক বা ফাঁকা চেক ইস্যু করা হলেও দাতা আইনগতভাবে উক্ত অঙ্ক প্রদানে বাধ্য থাকবেন না।

১৯ মে ২০২৫ তারিখে বিচারপতি মো. শহরওয়ার্দীর একক বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন। মামলাটি ছিল ক্রিমিনাল আপিল নং-৫৯৩০/২০২৪ (Md. Saiful Islam বনাম The State and another), যা সেশনস কোর্ট, সাতক্ষীরা-২ কর্তৃক প্রদত্ত এক খালাসাদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল।

মামলার পটভূমি
অভিযোগকারী মো. সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, আসামি মো. আব্দুল মান্নান তার কাছ থেকে ২০১৯ সালের আগস্টে ব্যবসার কাজে ৪৮ লাখ টাকা ঋণ নেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত না দিয়ে ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি একটি চেক প্রদান করেন। তবে উক্ত চেক ব্যাংকে উপস্থাপন করলে “insufficient funds” মন্তব্যে তা ফেরত আসে। পরবর্তীতে নোটিশ প্রেরণ করা হলেও আসামি টাকা পরিশোধ করেননি।

আসামির বক্তব্য
ডিফেন্সে দাঁড়িয়ে আসামি আব্দুল মান্নান জানান, তিনি দীর্ঘদিন ব্রিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিন্তু ৫-৭ বছর আগে অবসর নেন এবং শারীরিকভাবে (এক চোখে দৃষ্টিশক্তি হারানো) অসুস্থ। তার দাবি, অভিযোগকারীর পিতা আহমেদ আলীর সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেনের সময় তিনি নিরাপত্তা স্বরূপ কিছু চেক দিয়েছিলেন। ঋণ শোধের পরও ওই চেক ফেরত না দিয়ে অভিযোগকারী ও তার পিতা একটি পুরোনো চেক ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা করেছেন।

ট্রায়াল কোর্টের রায়
সাতক্ষীরার যৌথ জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ (সেশন কেস নং-১৮৩৫/২০০০, কালীগঞ্জ) মামলাটি বিচার করে ২০২৪ সালের ২৩ মে মান্নানকে খালাস দেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, অভিযোগকারী টাকার উৎস বা ৪৮ লাখ টাকা নগদে দেওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এছাড়া অভিযোগকারীর স্বাক্ষ্যেও অসঙ্গতি রয়েছে এবং চেকের লেখার অংশে ভিন্ন হস্তাক্ষরের বিষয়টি নজরে আসে। আদালত মনে করেন, চেকটি আসলে অভিযোগকারীর বাবা আহমেদ আলীর কাছে ব্যবসায়িক লেনদেনের সময় আমানত রাখা হয়েছিল, যা পরে ব্যবহার করে এ মামলা করা হয়।

আপিলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ
হাইকোর্ট রায়ে বলেন—

৪৮ লাখ টাকার লেনদেনের কোনো দলিল বা উৎস প্রমাণ হাজির করা যায়নি। অভিযোগকারী নিজেও স্বীকার করেছেন যে তিনি ঘরে এত টাকা নগদ রাখতেন না, অথচ কোনো ব্যাংক থেকে উত্তোলনের প্রমাণও দেননি।

উপস্থাপিত চেক (এক্সহিবিট-২) পরীক্ষা করে দেখা যায়, আসামির স্বাক্ষর ও অন্য লেখার হাতের লেখা এক নয়। অভিযোগকারীও বলেননি কে বাকি অংশ পূরণ করেছেন।

অভিযোগকারী স্বীকার করেছেন যে আসামি শুধু স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু নাম, তারিখ ও টাকার অঙ্ক কে লিখেছে সে সম্পর্কে কিছু বলেননি।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়—

একটি চেক বৈধ হতে হলে অবশ্যই প্রাপকের নাম, অর্থের পরিমাণ এবং তারিখ উল্লেখ থাকতে হবে। খালি (blank) বা অস্বাক্ষরিত অংশসহ চেক আইনের চোখে চেক নয়। এ ধরনের ব্ল্যাঙ্ক চেক প্রদানের পর আসামিকে অর্থ পরিশোধে বাধ্য করার কোনো আইনি সুযোগ নেই।

নজির স্থাপনকারী মন্তব্য
আদালত A.H. Ershadul Haque vs State, 75 DLR (2023) 447 মামলার নজির উদ্ধৃত করে বলেন—

চেক প্রদানের ছয় মাসের মধ্যে তা উপস্থাপন করতে হবে।

“Undated cheque” বা “Blank cheque” উপস্থাপনযোগ্য নয়।

আইন অনুযায়ী চেকদাতাকে ব্ল্যাঙ্ক চেক সম্মান করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

আপিল খারিজ ও জরিমানা
হাইকোর্ট মনে করেন, অভিযোগকারী সাইফুল ইসলাম প্রকৃত প্রমাণ হাজির করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং প্রতিরক্ষার উত্থাপিত যুক্তিগুলো দ্বারা আইনের ১১৮(ক) ধারার প্রাথমিক অনুমান খণ্ডিত হয়েছে। ফলে ট্রায়াল কোর্টের রায় সঠিক হয়েছে।

সব দিক পর্যালোচনা শেষে হাইকোর্ট বলেন, অভিযোগকারী তার পিতার হেফাজতে থাকা পুরোনো চেক ব্যবহার করে মামলা করেছেন। ফলে সেশনস কোর্টের খালাসের রায় বহাল রাখা হয়।

একইসঙ্গে মামলাটি অযৌক্তিকভাবে করার কারণে অভিযোগকারীকে ৫,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা ৩০ দিনের মধ্যে ট্রায়াল কোর্টে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
.....খন্দকার ফিরোজ আহমেদ
এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

18/09/2025

লিগ্যাল ইস্যু --

দেওয়ানী মামলায় আদালত কোন দলিল কে জাল ,মিথ্যা ,যোগসাজশী দলিল হিসেবে সিদ্ধান্ত দিলে উক্ত আদালতের বিচারক বা উক্ত আদালত যে আদালতের অধীন সেই আদালতের বিচারক বাদী হয়ে ক্রিমিনাল মামলা না করলে কোন ব্যাক্তি বিশেষ বা Private Party ক্রিমিনাল মামলা করতে পারবে না।

Address

House #27/A, Road #12/A, Dhanmondi
Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khandoker Firoz Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share