ACH Advisory

Website

ACH Advisory Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ACH Advisory, Tax Lawyer, Dhaka.

🔥 আয়কর ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন! নতুন বাজেটে রিটার্ন দেওয়ার নিয়ম ও জরিমানার বিধান জেনে রাখুন এখনই! ⚡
20/06/2026

🔥 আয়কর ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন! নতুন বাজেটে রিটার্ন দেওয়ার নিয়ম ও জরিমানার বিধান জেনে রাখুন এখনই! ⚡

💼 করমুক্ত আয়সীমা বেড়েছে। কিন্তু মধ্যবিত্ত করদাতাদের জন্য পুরো ছবিটা কি এতটাই সুখবর?বাজেট ২০২৬-২৭ এ ব্যক্তিগত কর ব্যবস্...
15/06/2026

💼 করমুক্ত আয়সীমা বেড়েছে। কিন্তু মধ্যবিত্ত করদাতাদের জন্য পুরো ছবিটা কি এতটাই সুখবর?
বাজেট ২০২৬-২৭ এ ব্যক্তিগত কর ব্যবস্থায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। অনেকেই শুধু করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির বিষয়টি দেখছেন। তবে প্রকৃত প্রভাব বুঝতে হলে পুরো কাঠামোটি একসাথে দেখতে হবে।
📌 আগের ব্যবস্থা:
▪ করমুক্ত আয়সীমা: ৩,৫০,০০০ টাকা
▪ পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা: ৫% কর
▪ পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা: ১০% কর
📌 নতুন ব্যবস্থা:
▪ করমুক্ত আয়সীমা: ৩,৭৫,০০০ টাকা
▪ পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা: সরাসরি ১০% কর
অর্থাৎ করমুক্ত আয়সীমা ২৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি পেলেও সর্বনিম্ন ৫% কর স্তর বিলুপ্ত করা হয়েছে।
তাই শুধুমাত্র করমুক্ত সীমা বৃদ্ধি দেখলে পুরো চিত্র বোঝা যাবে না; করের হার, বিনিয়োগ রেয়াত এবং ব্যক্তিগত আয়ের স্তর একসাথে বিবেচনা করতে হবে।
ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কিছু করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত সীমা বৃদ্ধির সুবিধা আংশিকভাবে সমন্বিত হয়ে যেতে পারে। প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে ব্যক্তির আয়ের পরিমাণ ও বিনিয়োগ কাঠামোর উপর।
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
📊 নতুন করের হার (AY 2026-27)
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
প্রথম ৩,৭৫,০০০ টাকা → শূন্য
পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা → ১০%
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা → ১৫%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা → ২০%
পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকা → ২৫%
অবশিষ্ট অংশ → ৩০%
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
✅ ইতিবাচক পরিবর্তন
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
▪ বছরজুড়ে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ
▪ নতুন করদাতাদের জন্য সর্বনিম্ন কর মাত্র ১,০০০ টাকা
▪ আগামী ৫ বছরের করমুক্ত আয়সীমার রোডম্যাপ প্রকাশ
▪ ২০৩০-৩১ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা
বিশেষ করমুক্ত সীমা:
▪ মহিলা ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে করদাতা: ৪,২৫,০০০ টাকা
▪ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ: ৫,০০,০০০ টাকা
▪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গেজেটভুক্ত যোদ্ধা: ৫,২৫,০০০ টাকা
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
⚠️ যেসব বিষয় নতুন করে ভাবতে হবে
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
▪ বিনিয়োগ রেয়াতের হার ১৫% থেকে ১০%-এ নামানো হয়েছে
▪ সর্বোচ্চ বিনিয়োগ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে ৭.৫ লাখ টাকায় কমানো হয়েছে
▪ DPS, জীবন বীমা ও অন্যান্য যোগ্য বিনিয়োগে কর সুবিধা কমতে পারে
▪ দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় ও বিনিয়োগ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
💡 আমার পর্যবেক্ষণ
━━━━━━━━━━━━━━━━━━
কর কাঠামোকে আরও সরল, স্বচ্ছ এবং পূর্বানুমানযোগ্য করার প্রচেষ্টা এই বাজেটে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
তবে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, ৫% কর স্তর বিলুপ্তি এবং বিনিয়োগ রেয়াত হ্রাসের সম্মিলিত প্রভাব বিভিন্ন আয়ের করদাতার ক্ষেত্রে ভিন্ন হবে।
তাই শুধুমাত্র "করমুক্ত আয়সীমা বেড়েছে" দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে প্রত্যেক করদাতার উচিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী নিজের সম্ভাব্য কর দায়িত্ব পুনঃগণনা করা।
💼 Finance & HR Team-এর জন্য বার্তা:
▪ FY 2026-27 Salary Tax Projection পুনঃপর্যালোচনা করুন
▪ Employee Tax Deduction Sheet আপডেট করুন
▪ কর্মীদের নতুন কর কাঠামো সম্পর্কে আগাম অবহিত করুন
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো:
"করমুক্ত সীমা কত বাড়লো?" নয়,
বরং,
"এই পরিবর্তন আমার প্রকৃত কর দায়িত্ব ও আর্থিক পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে?"

🏦 ব্যাংক হিসাব খুলতে TIN বাধ্যতামূলক, তবে সব হিসাবের ক্ষেত্রে নয়!অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৪-এ ...
14/06/2026

🏦 ব্যাংক হিসাব খুলতে TIN বাধ্যতামূলক, তবে সব হিসাবের ক্ষেত্রে নয়!

অর্থ আইন, ২০২৬-এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৪-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

নতুন সংযোজিত দফা (১৩) অনুযায়ী—

📌 Student Account, No-Frills Account এবং বোর্ড কর্তৃক সময় সময় সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে TIN দাখিলের বাধ্যবাধকতা হতে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য যেকোনো ধরনের ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে TIN দাখিল বাধ্যতামূলক হবে।

🔎 সহজভাবে বললে, Student Account, No-Frills Account এবং NBR (বোর্ড) কর্তৃক গেজেটের মাধ্যমে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ নতুন ব্যাংক হিসাব খুলতে চাইলে TIN দাখিল করতে হবে।

📌 অর্থাৎ সাধারণভাবে নিম্নোক্ত হিসাবসমূহ খুলতে TIN প্রয়োজন হবে—

✅ Savings Account
✅ Current Account
✅ Business Account
✅ Joint Account
✅ FDR Account
✅ অন্যান্য সাধারণ ব্যাংক হিসাব

✅ কোন ক্ষেত্রে TIN প্রয়োজন হবে না?

🔹 Student Account
🔹 No-Frills Account
🔹 বোর্ড কর্তৃক সরকারি গেজেটের মাধ্যমে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি

📖 আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী—

🔹 No-Frills Account বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত No-Frills Account-কে বোঝাবে।

💡 এবার TIN বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখা যাক—

অনেকেই মনে করেন, "TIN করে রাখি, এতে আবার সমস্যা কী?"

আসলে TIN গ্রহণ করা কোনো সমস্যা নয়; বরং এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি।

📌 TIN থাকলে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। তাই TIN গ্রহণের পর প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানা প্রয়োজন—

✅ রিটার্ন দাখিল মানেই কর পরিশোধ করতে হবে—বিষয়টি এমন নয়।

অনেক ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করলেও কোনো কর পরিশোধযোগ্য নাও হতে পারে। তবে রিটার্ন কী, কেন দাখিল করতে হয় এবং কী তথ্য প্রদান করতে হয়—এসব বিষয় না বুঝে রিটার্ন দাখিল করলে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

তাই সচেতনভাবে এবং সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে রিটার্ন দাখিল করা গুরুত্বপূর্ণ।

🎯 এই পরিবর্তনের ফলে আরও বেশি মানুষ ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি কর ব্যবস্থার আওতায় আসবে এবং দেশের কর সংস্কৃতি ও তথ্যভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে—এটাই মূল লক্ষ্য।

ধন্যবাদ সবাইকে।

Md.Ajhar Chowdhury
ITP








২০২৬-২০২৭ কর বর্ষ থেকে শুরু করে ২০৩০-২০৩১ কর বর্ষ পর্যন্ত আগামী ৫ বছর পর্যন্ত কোন বছরে কত হারে আয়কর দিতে হবে তা জেনে নি...
11/06/2026

২০২৬-২০২৭ কর বর্ষ থেকে শুরু করে ২০৩০-২০৩১ কর বর্ষ পর্যন্ত আগামী ৫ বছর পর্যন্ত কোন বছরে কত হারে আয়কর দিতে হবে তা জেনে নিন।
মনে রাখবেন এখন থেকে দেশের যে কোন স্থানে কারো আয় করযোগ্য সীমা অতিক্রম করলেই নূন্যতম ৫০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে। তবে নতুন করদাতাদের জন্য এটি ১,০০০ টাকা প্রযোজ্য হবে।

জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে: ১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনও সময় ...
10/06/2026

জুলাই ২০২৬ থেকে আয়কর ও ভ্যাট আইনে উল্লেখযোগ্য যে সকল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে:

১) ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনও সময় আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের শুরুতে রিটার্ন জমা দিলে করছাড় মিলবে, আর দেরি করলে গুনতে হবে জরিমানা। এক্ষেত্রে..

> প্রথম প্রান্তিকে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করলে করদাতা পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাবেন।

>দ্বিতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে কোন জরিমানা না থাকলেও বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত পাওয়া যাবে না।

>তৃতীয় প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ জরিমানা দিতে হবে।

>চতুর্থ প্রান্তিকে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই হারে জরিমানা আরোপ করা হবে। এই অর্থ মূল করের সঙ্গে যুক্ত হবে।

২) কমছে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা:

>নতুন প্রস্তাবে রেয়াতের হার অনুমোদিত বিনিয়োগের ১৫% এর পরিবর্তে ১০% এবং সর্বোচ্চ সীমা ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে কর রেয়াতের আওতাভুক্ত খাতগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।

৩) স্বর্ণ ও ডিজিটাল সম্পদ বিক্রিতে গেইন ট্যাক্স আরোপ:

>বাজেট প্রস্তাবে স্বর্ণালংকার, স্বর্ণের বার, রৌপ্য, মূল্যবান রত্ন, ধাতব মুদ্রা, ডিজিটাল মুদ্রা, চিত্রকর্ম, এন্টিকস এবং ক্লাব সদস্যপদ হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে মূলধনি সম্পদ হিসেবে গণ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় করদাতার রিটার্নে প্রদর্শিত স্বর্ণ বিক্রি করে যে মুনাফা অর্জিত হবে, তার ওপর ১৫% মূলধনি কর আরোপ করা হবে।

৪) অতিরিক্ত কর ফেরত মিলবে ৬০ দিনের মধ্যে:

>করদাতাদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত কর পরিশোধ হলে তা ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

৫) ৭ সেবায় বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে:

ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী:

>ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চলতি হিসাব খোলা।
>ঋণ গ্রহণ।
>ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন।
>মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা।
>বাণিজ্য সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়ন।
>ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ গ্রহণ। এবং
>বিআরটিএতে প্রতিষ্ঠানের নামে যানবাহন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে।

নতুন ধারণা।আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের প্রায় ৩ কোটি খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছে স...
03/06/2026

নতুন ধারণা।

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের প্রায় ৩ কোটি খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে করের আওতায় আনার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো খুচরা ব্যবসার জন্য নামমাত্র টার্নওভার ট্যাক্স চালুর প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।

এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কর ব্যবস্থার বাইরে থাকা অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি থেকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর আশা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় ডিলার ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো খুচরা দোকানে পণ্য সরবরাহের সময় বিলের ওপর শূন্য দশমিক দুই শতাংশ হারে কর উৎসে কেটে রাখবে। অর্থাৎ প্রতি ১ হাজার টাকার পণ্য ক্রয়ে খুচরা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২ টাকা কর কেটে সরকারের কোষাগারে জমা হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, কর পরিশোধের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করতে মোবাইল অ্যাপভিত্তিক এ-চালান ব্যবস্থার সঙ্গে এই কর সংযুক্ত করা হবে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতি তিন মাস অন্তর মোবাইলে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে জানতে পারবেন তাদের নামে কত টাকা কর জমা হয়েছে। ফলে তারা সহজেই বুঝতে পারবেন তাদের আয় করযোগ্য সীমায় পৌঁছেছে কি না। কর কর্মকর্তারা বলছেন, এই মডেলটি ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে। সেখানে সরবরাহ শৃঙ্খলের ওপরের স্তরে কর সংগ্রহের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র ও অনানুষ্ঠানিক ব্যবসায়ীকে কর নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশেও একই ধরনের পদ্ধতির মাধ্যমে করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর আশা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি খুচরা দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের অধিকাংশই এখনো আয়কর নেটওয়ার্কের বাইরে। ফলে অর্থনীতির একটি বড় অংশের লেনদেন কর ব্যবস্থার আওতায় আসে না। নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে অন্তত তাদের ক্রয়বিক্রয়ের একটি নথিভুক্ত তথ্যভাণ্ডার তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়া মনে করেন, উৎস পর্যায়ে কর সংগ্রহের এই পদ্ধতি জাতীয় কর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তার ভাষায়, খুচরা ব্যবসায়ীদের ক্রয়ের তথ্য নথিভুক্ত হওয়ার ফলে তাদের প্রকৃত আয় সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে বড় করপোরেট সুপারশপ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার মধ্যে কর-অনুবর্তিতার (ট্যাক্স কমপ্লায়েন্স) ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্যও কিছুটা কমবে।

তিনি আরও বলেন, এই তথ্যভাণ্ডার ভ্যাট প্রশাসনের জন্যও সহায়ক হবে। কারণ এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে খুচরা ব্যবসাগুলোকে ভ্যাট নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত করার পথ সহজ হবে এবং সামগ্রিক রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, করের বোঝা যদি শেষ পর্যন্ত উৎপাদনকারী বা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়ে, তাহলে তাদের পরিচালন ব্যয় বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে সেই অতিরিক্ত ব্যয় পণ্যের মূল্যে যোগ হয়ে ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে নতুন ব্যবস্থার বাস্তবায়নে কর প্রশাসনকে বাজারের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবও সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

এনবিআর কর্মকর্তাদের আশা, করের হার অত্যন্ত কম হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে এ নিয়ে তেমন আপত্তি থাকবে না। বরং ধাপে ধাপে দেশের বৃহৎ অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে করের আওতায় এনে রাজস্বভিত্তি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

03/06/2026

💰 অবৈধ অর্থকে বৈধ রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়া “মানি লন্ডারিং”— পরীক্ষার পাশাপাশি বাস্তব জীবনেও জানা জরুরি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 📚

সতর্কতাবর্তমানে কর কর্তৃপক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে করদাতাদের আয়, ব্যয়, সম্পদ ও লেনদেন য...
17/05/2026

সতর্কতা
বর্তমানে কর কর্তৃপক্ষ তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে করদাতাদের আয়, ব্যয়, সম্পদ ও লেনদেন যাচাই করে থাকে। রিটার্নে প্রদত্ত তথ্যের সাথে বাস্তব তথ্যের অসঙ্গতি দেখা গেলে আয়কর রিটার্ন অডিটে যেতে পারে। নিচে আয়কর রিটার্ন অডিটে যাওয়ার ১৫টি প্রধান কারণ তুলে ধরা হলো—

📌 ১. আয় ও ব্যয়ের অসঙ্গতি
ঘোষিত আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয়, ব্যাংক লেনদেন বা সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিক বেশি হলে কর কর্তৃপক্ষ রিটার্ন যাচাই করতে পারে।

📌 ২. হঠাৎ সম্পদ বৃদ্ধি
আয়ের তুলনায় হঠাৎ জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি, স্বর্ণালংকার বা অন্যান্য সম্পদ বৃদ্ধি পেলে এবং তার বৈধ উৎসের ব্যাখ্যা না থাকলে অডিটের সম্ভাবনা বাড়ে।

📌 ৩. ব্যবসায় অতিরিক্ত খরচ দেখানো
কর কমানোর উদ্দেশ্যে ভুয়া বা অতিরিক্ত ব্যবসায়িক ব্যয়, অবচয় (Depreciation), ভ্রমণ ব্যয় বা প্রশাসনিক খরচ দেখালে তা সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচিত হয়।

📌 ৪. উৎসে কর গরমিল
উৎসে কর্তিত করের তথ্য, সনদপত্র ও রিটার্নে প্রদর্শিত তথ্যের মধ্যে অমিল থাকলে কর কর্তৃপক্ষ রিটার্ন যাচাই করতে পারে।

📌 ৫. অসম্পূর্ণ কাগজপত্র জমা
ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভ্যাট/ট্যাক্স চালান, ভাড়ার চুক্তিপত্র, ক্রয়-বিক্রয় দলিল বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিলে অডিটের ঝুঁকি বাড়ে।

📌 ৬. অস্বাভাবিক ঋণ বা দায় দেখানো
বড় অঙ্কের ঋণ বা দায় দেখালেও তার বৈধ উৎস, ব্যাংক লেনদেন বা উপযুক্ত প্রমাণ না থাকলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

📌 ৭. হাতে অস্বাভাবিক নগদ অর্থ (Cash in Hand)
আয় ও সঞ্চয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক পরিমাণ নগদ অর্থ প্রদর্শন কর কর্তৃপক্ষের সন্দেহের কারণ হতে পারে।

📌 ৮. সম্পদ গোপন বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান
নিজের নামে থাকা জমি, ফ্ল্যাট, শেয়ার, প্রাইজবন্ড বা অন্যান্য সম্পদের তথ্য গোপন করলে অডিটের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

📌 ৯. ভুল বা ভুয়া বিনিয়োগ তথ্য
কর রেয়াত সুবিধা পাওয়ার জন্য মিথ্যা বিনিয়োগ তথ্য বা জাল সনদ ব্যবহার করলে তা গুরুতর অনিয়ম হিসেবে ধরা হয়।

📌 ১০. পূর্ববর্তী বছরের সঙ্গে বড় অসঙ্গতি
গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে হঠাৎ অস্বাভাবিক আয় কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া কর কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

📌 ১১. ব্যাংক লেনদেনে অস্বাভাবিক কার্যক্রম
ব্যাংক হিসাবে বড় অঙ্কের জমা বা উত্তোলন থাকলেও তার যথাযথ উৎস বা ব্যাখ্যা না থাকলে অডিট হতে পারে।

📌 ১২. তৃতীয় পক্ষের তথ্যের সাথে অমিল
ব্যাংক, কোম্পানি, জমি রেজিস্ট্রি অফিস বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তথ্যের সাথে রিটার্নে প্রদত্ত তথ্য না মিললে অডিটের সম্ভাবনা বাড়ে।

📌 ১৩. একই ধরনের ব্যবসার তুলনায় অস্বাভাবিক কম মুনাফা দেখানো
একই খাতের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অস্বাভাবিক কম আয় বা লাভ দেখালে কর কর্তৃপক্ষ সন্দেহ করতে পারে।

📌 ১৪. বিদেশ ভ্রমণ ও আয়ের অসামঞ্জস্য
ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণ বা উচ্চ ব্যয়ের জীবনযাত্রা থাকলেও রিটার্নে কম আয় দেখালে তা যাচাইয়ের আওতায় আসতে পারে।

📌 ১৫. বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন
ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন বা নগদে সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় করলে কর কর্তৃপক্ষ তদন্ত করতে পারে।

12/05/2026

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ACH Advisory posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category