Tashrifa Jolly's Moner Ejlash

Tashrifa Jolly's Moner Ejlash Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tashrifa Jolly's Moner Ejlash, Legal Service, Dhaka.

আবেগ, আইন ও মানবিক চিন্তার মিলনস্থল "তাসরিফা জলির মনের এজলাস "পেইজে স্বাগতম ‌।
উৎসাহ দিয়ে যুক্তির দীপ্তি, সাহসের শব্দ এবং সত্যের সুর দিয়ে নতুন স্বপ্ন নিয়ে সচেতনতা তৈরি করবেন নিশ্চয়।🙏🏼

মেয়েদের মুড সুইং, পর্ব:১একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম, যৌনজীবন, আত্মবিশ্বাস, এ...
29/11/2025

মেয়েদের মুড সুইং, পর্ব:১

একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম, যৌনজীবন, আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে—এসবের মূল ভিত্তি হলো তার emotional safety। আর এই emotional safety সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ, অর্থাৎ তার স্বামী বা তার প্রেমিকের আচরণে। মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে খুব সংবেদনশীল। তাদের হরমোনগুলো minute-to-minute পরিবর্তন হয়। পুরুষদের হরমোন স্থির হয়—কিন্তু মেয়েদের estrogen, progesterone, oxytocin, cortisol সারাক্ষণ ওঠানামা করে। তাই একজন পুরুষের বা তার কাছের মানুষগুলোর একটা কথা, একটা আচরণ, একটু রূঢ়তা, কিংবা একটু মমতা তার হরমোনে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলে।

যখন একজন পুরুষ গভীরভাবে সম্মান দেয়, কথা বলার সময় নরম থাকে, তার feelings–কে গুরুত্ব দেয়—তখন মেয়েদের শরীরে oxytocin দ্রুত বাড়ে। এই oxytocin শুধু bonding নয়, শরীর ও মনকে ভিতর থেকে শান্ত করে। এই শান্ত অবস্থাই estrogen–progesterone–thyroid–insulinকে সুন্দরভাবে ব্যালান্স করে রাখে। তার ফলে period regular থাকে, mood stable থাকে, anxiety কমে, ঘুম গভীর হয়, মাথা ব্যথা কমে, হজম শক্তিশালী হয়।

আশি বছরের পথে কীভাবে জীবনটাকে আনন্দে ভরে তোলা যায়— সেটাই আজকের কথার মূল বিষয়। জাপানের এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, হিদেকি ওয়াদ...
07/11/2025

আশি বছরের পথে কীভাবে জীবনটাকে আনন্দে ভরে তোলা যায়— সেটাই আজকের কথার মূল বিষয়। জাপানের এক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, হিদেকি ওয়াদা নামের এক মানুষ, এই নিয়েই লিখেছিলেন এক অসাধারণ বই – “The 80-Year-Old Wall”। বইটা বেরোতেই যেন আগুন লেগে গেল বাজারে, অল্প দিনের মধ্যেই পাঁচ লক্ষেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। মানুষ যেন নতুন করে ভাবতে শুরু করল— বার্ধক্য মানে ক্লান্তি নয়, বরং জীবনের আরেক রঙিন অধ্যায়।

সুখে বার্ধক্য কাটানোর ৪৪টি সহজ উপায়:

১. প্রতিদিন অন্তত কিছুটা হেঁটে বেড়ান। হাঁটা মানেই জীবন চলার ইন্ধন।
২. রাগ এলে চুপ করে গভীর শ্বাস নিন, দেখবেন রাগটা নিজে থেকেই উবে যাচ্ছে।
৩. শরীরটা একটু ঘাম ঝরিয়ে নিন, ব্যায়াম না করলে মনও জমে যায়।
৪. গরমে এসি চালালে জলপান বাড়িয়ে দিন, শরীর শুকিয়ে ফেলবেন না।
৫. যা আছে তা নিয়েই খুশি থাকুন, অতিরিক্ত চাওয়া মনকে ক্লান্ত করে।
৬. হাঁটলে শুধু শরীর না, মাথাটাও তাজা থাকে।
৭. ভুলে যাওয়া বয়সের জন্য নয়, কম চিন্তা করার জন্য— তাই মনটাকে সক্রিয় রাখুন।
৮. যত ওষুধ কম, তত মঙ্গল। প্রয়োজনে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
৯. কৃত্রিমভাবে শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে নিজেকে কষ্ট দেবেন না।
১০. একা থাকা দুঃখ নয়, যদি নিজের সঙ্গ পেতে পারেন।
১১. একটু অলস হওয়ায় দোষ নেই, নিজেকে বিশ্রাম দিন।
১২. বয়স বাড়লে গাড়ি চালানো না করাই নিরাপদ— প্রয়োজনে ছেলে-মেয়ে বা ড্রাইভারকে বলুন।
১৩. যা ভালো লাগে তাই করুন, জোর করে কিছু নয়।
১৪. ইচ্ছেগুলোকে দমন করবেন না— এগুলোই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখে।
১৫. সারাদিন ঘরে বসে থাকবেন না, একটু বাইরে যান।
১৬. যা খেতে ভালো লাগে খান, সামান্য মোটা হলে ক্ষতি নেই।
১৭. কাজ হোক ছোট বা বড়, মনোযোগ দিয়ে করুন।
১৮. যাদের সঙ্গে মন মেলে না, তাদের এড়িয়ে চলাই ভালো।
১৯. ঘন্টার পর ঘন্টা টিভি না দেখে, কিছু সময় নিজের সঙ্গে কাটান।
২০. অসুখের সঙ্গে যুদ্ধ না করে, তাকে মেনে নিয়ে বাঁচতে শিখুন।
২১. মনে রাখবেন— ঢালু রাস্তাতেও গাড়ি নিজের পথ খুঁজে নেয়।
২২. প্রতিদিন তাজা ফল আর সব্জি খান।
২৩. স্নানটা তাড়াতাড়ি সেরে ফেলুন, ঠান্ডা লাগার ভয় কমে।
২৪. জোর করে ঘুম আনবেন না, মন শান্ত হলে ঘুম নিজেই আসবে।
২৫. যেসব কাজ আনন্দ দেয়, সেগুলোই বার্ধক্যের আসল ওষুধ।
২৬. মনে যা আসে বলুন, অতিরিক্ত ভেবে থেমে যাবেন না।
27. একজন বিশ্বস্ত পারিবারিক ডাক্তার রাখুন।
28. অতিরিক্ত সহনশীল হওয়ার দরকার নেই, মাঝে মাঝে একটু দুষ্টুমি করাও ভালো।
29. কখনও কখনও জেদ ছেড়ে দেওয়াও একরকম শান্তি।
30. বার্ধক্যে ভুলে যাওয়া খারাপ নয়, বরং ঈশ্বরের দান— কম চিন্তা, বেশি শান্তি।
31. নতুন কিছু শেখা বন্ধ করবেন না।
32. নাম-যশের পেছনে ছুটবেন না, নিজের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান।
33. শিশুর মতো সরল থাকুন, এতে মন হালকা থাকে।
34. জীবনে সমস্যা না থাকলে, রোমাঞ্চও থাকবে না।
35. রোদে একটু বসুন, রোদ মানেই উষ্ণতা, মানেই জীবন।
36. অন্যের ভালো করতে শিখুন, তাতেই সত্যিকারের আনন্দ।
37. আজকের দিনটাকেই সুন্দর করে কাটান, আগামীকাল নিয়ে ভাববেন পরে।
38. ইচ্ছে থাকা মানেই জীবনের স্পন্দন।
39. সবকিছুর মাঝেও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখুন।
40. খোলা মনে শ্বাস নিন, দম আটকে বাঁচা যায় না।
41. নিজের জীবনের নিয়ম নিজের মতো তৈরি করুন।
42. জীবনের প্রতিটি ঘটনার দিকে শান্ত চোখে তাকান।
43. সুখী মানুষদের সবাই ভালোবাসে, তাই সুখী থাকুন।
44. আর হ্যাঁ, হাসিটাই হল সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ— যত হাসবেন, তত সৌভাগ্য আসবে।

এ জীবনের এই সহজ কথাগুলো হয়তো আপনার দাদু, ঠাম্মা বা বাবা-মায়ের জীবনটাকে একটু হালকা করে দিতে পারে। তাই দয়া করে এই লেখাটা ওদের সঙ্গে শেয়ার করুন— হয়তো কারও একাকী বিকেলটা এই কথাগুলো পড়ে একটু উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। (সংগৃহীত)।

06/11/2025

একজন ডাক্তার শুধু প্রেসক্রিপশন লেখেন না, কখনও কখনও তিনি লিখে দেন মানবতার নতুন ইতিহাস।
ঠিক এমনই একজন মানুষ ভারতের বরাক উপত্যকার ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. রবি কান্নান (Dr. Ravi Kannan) — যিনি প্রমাণ করেছেন, চিকিৎসা মানে শুধু চিকিৎসা নয়, সেটি এক ধরণের ভালোবাসা, করুণা ও মানবতার অনুশীলন।

ধর্মনগরের এক ক্যানসার রোগী রমেশ নমঃশূদ্র (ছদ্মনাম), শেষ চিকিৎসার জন্য হাজির হন শিলচরের কাছাড় ক্যানসার হাসপাতালে। হাতে টাকা নেই, ঘরবাড়ি বিক্রি শেষ, শেষমেশ নিজের সাত বছরের ছেলেকে বন্ধক রেখে মাত্র ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।

চিকিৎসার শেষ দিনে যখন ডাক্তার কান্নান পরবর্তী তারিখ লিখতে যাচ্ছিলেন, রমেশ কাঁদতে কাঁদতে বলেন —

“স্যার, আর তারিখ দেবেন না... আমার আর আসা হবে না।”

একজন চিকিৎসক হিসেবে কান্নান থেমে যান।

তিনি জানতে চান — “কেন?”

রমেশ জানালেন, “সব বিক্রি শেষ। এখন শুধু ছেলেটা বন্ধক আছে। ওকেও না ছাড়ালে বাঁচতে পারব না।”

সেই মুহূর্তে কান্নানের চোখে জল এসে যায়।

তিনি তৎক্ষণাৎ ৫ হাজার টাকা দিয়ে দেন, বলেন —

“তোমার চিকিৎসা এখন থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে।”

এরপর স্থানীয় বিধায়কের সহায়তায় তিনি ছেলেটিকেও মুক্ত করে দেন।

সেই দিন থেকেই ডা. কান্নান বুঝেছিলেন —

চিকিৎসা শুধু শরীরের জন্য নয়, এটা সমাজেরও একটি দায়িত্ব।

তাঁর উদ্যোগে হাসপাতালে চালু হয় একটি নতুন নিয়ম —

যে রোগী নির্ধারিত তারিখে না আসে, তার বাড়িতে ফোন যায় — “আপনি আসেননি কেন? সমস্যা কী?”

রোগীর না আসা মানে, হয়তো তিনি টাকাহীন, হয়তো পথহীন — আর কান্নান তাদের পাশে দাঁড়াতে চান, যেভাবে রমেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

আজ পর্যন্ত তিনি ৭,০০০-এরও বেশি ক্যানসার রোগীর অস্ত্রোপচার করেছেন সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে।

তিনি নেন না বড় হাসপাতালের মতো বেতন, নেন না কোনো বিলাসী সুযোগ।

তিনি শুধু নেন মানুষের দোয়া, রোগীর হাসি আর সন্তুষ্টির নিঃশব্দ আশীর্বাদ।

ডা. রবি কান্নান ২০২3 সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন — কিন্তু তাঁর নিজের কথায়,

“এই সম্মান আসলে আমার নয়, সেই রমেশের — যিনি আমাকে মানবতা শিখিয়েছিলেন।”

আজকের পৃথিবীতে, যেখানে চিকিৎসা অনেক সময় পণ্য হয়ে দাঁড়ায়,

সেখানে রবি কান্নান দেখিয়ে দিলেন —

মানুষের প্রতি ভালোবাসা এখনো চিকিৎসার সবচেয়ে কার্যকর ঔষধ ।

সংগৃহীত

World Vision (বিশ্ব দর্শন)

দুজনই ডক্টর। মহেন্দ্র গ্যাস্ট্রোলজিস্ট, এবং কীর্তিকা ডার্মাটোলজিস্ট। ধুমধাম করেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। হলোও তাই।  কীর্তিকা...
01/11/2025

দুজনই ডক্টর। মহেন্দ্র গ্যাস্ট্রোলজিস্ট, এবং কীর্তিকা ডার্মাটোলজিস্ট। ধুমধাম করেই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। হলোও তাই। কীর্তিকার অনেকগুলো অসুখ ছিল। গ্যাস্ট্রিক, পেটব্যথা, অমুক, তমুক নানাবিধ অসুখ।

তবে সুবিধা ছিল তার। স্বামী মহেন্দ্র গ্যাস্ট্রোলজিস্ট। সে তার কর্মস্থলে একটু দূরে থাকে। তবে যখন তখন ব্যথা উঠলে তাকে ফোন দিয়ে ফ্রি চিকিৎসা পাওয়া যায় । ডার্মাটোলজিস্ট হলেও নিজের ক্যারিয়ার স্টার্ট করেনি কীর্তিকা। সম্ভবত নিজের অসুস্থতা ও নতুন বিয়ের আনন্দ - সব মিলিয়ে সে ভেবেছিল আর কিছুদিন যাক।

মহেন্দ্র এই ফিল্ডে একজন স্পেশালিষ্ট হিসেবে কীর্তিকার চিকিৎসা দিতে লাগল। ব্যথা উঠলে মহেন্দ্রের দেওয়া ওষুধ বা ইনজেকশন নিলেই ব্যথাটা কমে যায়। কীর্তিকার ভরসার নামই মহেন্দ্র। মহেন্দ্রও জানে প্রিয় বউ কীর্তিকা আর কারও কাছে চিকিৎসার জন্য যাবেই না।

এর মাঝে ডক্টর মহেন্দ্র শ্বশুরকে বলল কীর্তিকার নামে একটা ক্লিনিক দিলে কেমন হয়? তাহলে কীর্তিকা ওখানে বসে ডার্মাটোলজিস্ট হিসেবে প্রাকটিস শুরু করতে পারবে, আর বাড়তি ব্যবসাও হবে। টাকাটা যদি শ্বশুরমশায় ম্যানেজ করে দেন তো বেশ হয়।

শ্বশুরমশায় এতোগুলা টাকা হুট করে কোথায় পাবেন?

যাই হোক। কীর্তিকার অসুস্থতা বাড়তে লাগল। মহেন্দ্র তার কর্মক্ষেত্র থেকে ফোনেই ইনজেকশন ও ওষুধ বলতে লাগল। কীর্তিকা সেগুলো গ্রহণ করতে লাগল।

এর মাঝে একদিন শরীর প্রচন্ডরকম খারাপ লাগতে শুরু করলে কীর্তিকা মহেন্দ্রের কর্মস্থলের বাসায় ছুটে গেল। ভরসার আরেক নাম প্রিয় মহেন্দ্র। এর মাঝে তিন দিন ধরে ব্যথার ইনজেকশন চলেছে। ব্যথা কমেছে কিন্তু শরীর প্রচন্ড খারাপ। প্রিয় মানুষটার কাঁধটায় কিছুক্ষণ মাথা রাখলে হয়তো আরাম লাগবে।

দিন- রাত কেটে গেল মহেন্দ্রের সঙ্গে।
পরদিন সকালে কীর্তিকা আর উঠছে না দেখে হসপিটালে হন্তদন্ত হয়ে তাকে নিয়ে ছুটল মহেন্দ্র। বাসায় সবাইকে খবর দেওয়া হলো।
কিন্তু কীর্তিকা আর জাগল না।

হসপিটালের নিয়ম অনুযায়ী কীর্তিকার মৃত্যুটি 'অসময়ে' রোগে ভুগে হওয়ায় রিপোর্ট তৈরি করা জরুরি ছিল। পেছনের কারণ কী তা জানা জরুরি ছিল। ফলে পোস্ট মর্টেম জরুরি ছিল। কিন্তু বাসার কেউ চাইল না, যে মেয়েটা মাত্র আটাশ বছরের জীবনে এতোটা কষ্ট সহ্য করে মৃত্যুবরণ করল তার সেই কষ্ট সহ্যকারী শরীরটা আবার কাটাছেড়া করা হোক। মহেন্দ্রও চাইলো না প্রিয় কীর্তিকার সাথে এমন কিছু হোক।

কিন্তু নিয়ম নিয়মই। সেটা পালন করলেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।

গত ১৩ তারিখ, মানে ১৩/১০/২০২৫, কীর্তিকার মৃত্যুর কারণ সংবলিত রিপোর্ট পরিপূর্ণভাবে তৈরি হয়ে ডক্টর ও সংশ্লিষ্টদের হাতে এসেছে।

সেখানে উল্লেখ আছে, কীর্তিকার মৃত্যুর কারণ তার পেট ব্যথা বা অসুখ নয়। বরং তার শরীরে ধীরে ধীরে প্রয়োগ করা এনেস্থিসিয়া।

কে এটা করল? কীর্তিকা তার চিকিৎসার জন্য কোনো ডক্টরের শরণাপন্ন হয়নি, কেবল মহেন্দ্র ছাড়া। এবং এনেস্থিসিয়ার এই ডোজ এতো সূক্ষ্মভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে যাতে কীর্তিকা সুস্থ বোধ করে, সেই সাথে ধীরে ধীরে তার অবস্থার অবনতি হয়।

এবং আলটিমেট ডেস্টিনেশন মৃত্যু।

যে কোনো বিপদে সব 'প্রিয়'দের বাইরে সবার আগে নিজের রক্তই ছুটে যায় সবার আগে। কীর্তিকার ক্ষেত্রেও তাই হলো।। বোন সবকিছু পরখ করে ভেবেচিন্তে ছুটে গেল পুলিশ স্টেশন। জানালো বিয়ের এগারো মাসের মাথায় তার বোন কে হ'ত্যা করা হয়েছে। কৌশলে, সূক্ষ্মভাবে।

পুলিশ মহেন্দ্রকে এরেস্ট করল। গত কয়েকদিনে ভারতীয় আদালতে মহেন্দ্র ধীরে ধীরে সব স্বীকার করল৷ কীভাবে সে নিজের পরিকল্পনামতো একজন 'অসুস্থ' কীর্তিকাকে দুনিয়া থেকে ওপারে পাঠিয়ে দিয়েছে।

ছোটবেলায় মায়ের কাছে শুনেছিলাম, আমাদের খুব পরিচিত একজন গ্রাম্য ডক্টর বিয়ের পর দেখলেন শ্যালিকা বড়ো হচ্ছে। ডাক্তারি কায়দায় বউকে মে'রে ফেললেন। এমনভাবে মা'রলেন, লোকে ভাবল স্বাভাবিক মৃত্যু। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোক খুব ব্যথিত হয়ে জামাইয়ের বউ হারানো শোক কাটানোর জন্য জামাইয়ের সেই শ্যালিকাকেই তার সাথে বিবাহ দিলেন। এই শ্যালিকাকে বিবাহের পর দেখলেন ছোট শ্যালিকাও বড়ো হচ্ছে। চোখে লাগছে। ভালো লাগছে। অতএব এখানেও পূর্বের নাটক মঞ্চস্থ করলেন। এবং ভাবতে পারেন রেজাল্ট?

মৃত্যু।

তবে এবার শ্বশুরবাড়ির লোক নাটক ধরতে পেরে সরে যায়। আইন পর্যন্ত গিয়েছিল কিনা জানা নেই।

বিশ্বাস হয় না। হোতো না। কিন্তু সমস্ত অবিশ্বাসের মাঝে আমি তীব্রভাবে বিশ্বাস করি- মানুষ তার সুন্দর চেহারার ভেতরে একটা বিভৎস জন্তুর হৃদয় পুষে রাখে।

কোনো কারণে সেই জন্তুর কোনো শিকারী আকাঙ্খা পূরণ না হলে সেটা বিভৎসতা দেখাতে পিছপা হয় না।

পৃথিবীতে মানুষের থেকে বিশ্রী কোনো প্রাণী আদৌ আছে কি?

চারপাশের সমস্ত প্রজাপতি আমাদেরকে বারবার এটাই বলতে আসে-

"মানুষের কাছে কোনো চাওয়া রেখো না, প্রত্যাশা রেখো না, চাইলে বাসতে পারো ভালো তবে ফিরতি ভালোবাসা আশা কোরো না, মানুষকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হতেই পারে তবে বিশ্বাস করে বাঁশ খেয়ো না। বিশ্বাস নয়, অবিশ্বাসও নয়- মানুষকে মানুষের মতো ছেড়ে দাও। এই মানুষে তোমার কীসের প্রয়োজন? "

🖊️ঊন-মানুষ Nusrat Tazri

প্যারেনটিং টিপস ।প্যারেনটিং এর ক্ষেত্রে একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন, বাচ্চাকে যত কন্ট্রোলে রাখতে চাইবেন বাচ্চা তত কন্ট্রোল...
01/11/2025

প্যারেনটিং টিপস ।

প্যারেনটিং এর ক্ষেত্রে একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন, বাচ্চাকে যত কন্ট্রোলে রাখতে চাইবেন বাচ্চা তত কন্ট্রোলের বাইরে চলে যাবে।

বেহালায় যেমন আলতো হাতে বাজায় বাজায় সুর তুলতে হয়। পারেনটিং ঠিক তেমন। বাচ্চাকে সব কিছু explore করতে দিবেন। আপনার কাজ হলো moral সিস্টেম strong করে দেয়া। আপনার যেন বলতে না হয় এটা করোনা,ওটা করো না।বাচ্চার ভিতর থেকে যেন আসে কতটুকু করা যাবে, কতটুকু যাবে না।কোথায় তার লিমিট.

আপনার বাচ্চা ডাইরেক্ট আপনার রিফ্লেকশন। তাই বাচ্চাকে নিয়ে complain না করে নিজের প্রব্লেম নিয়ে কাজ করবেন বলে আশা রাখি।

আপনি একটা জিনিস পারেন না তাই তাই বলে বাচ্চা ও পারবে না এমন না। আপনার limiting belief দিয়ে বাচ্চাকে বাঁধবেন না।

তার strength ধরে কাজ করবেন। আপনার কাজ হলো কোন দিকে বাচ্চার আগ্রহ সেদিক নিয়ে কাজ করা।

বাচ্চার মনে এই বিস্বাস জন্মাবেন, যে পৃথিবী একদিকে আর সে যদি একদিকে থাকে, আপনি তাকে বেছে নিবেন। সেই সব বাচ্চারা কখনো খারাপ করতে পারে না, যাদের প্যারেন্টস তাঁদের কে বিশ্বাস করে, ভরসা করে।

দিন শেষে আপনি ও মানুষ, আপনার ও ভুল হয়। আপনি ও শিখছেন। বাচ্চার সাথে খোলাখুলি সেটা আলোচনা করেন। Sorry আমার ভুল হইছে, next time আর হবে না, thank you তোমার এই কাজটা আমার ভালো লাগছে, i am so lucky, allah তোমাকে দিয়েছে ---- এই কথাগুলো just make daily ritual, daily habit.

Positive parenting বাচ্চাকে জাপ্টে ধরতে শিখাবে না, শিখাবে ছেড়ে দিতে, শিখাবে তাকে explore করতে দিতে। বাচ্চা হারায় ফেলবেন এজন্য তাকে যতো জাপটে ধরবেন, তত হারাবেন।

নিজের ভয়, লিমিটেশনস, insecurity, ইমোশনাল baggage এইগুলো পারেনটিং এ project করবেন না।

Parenting হবে ঘুড়ি সব আকাশে উড়বে, কিন্তু লাটাই থাকবে পারেন্টস এর হাতে। কিভাবে অন্য ঘুড়ির সাথে কাটাকাটিতে টিকে থাকতে হয়, কিভাবে বাতাসের agaist এ যেতে হয় সেটা শেখানোর দায়িত্ব আপনার।আকাশে অন্য ঘুড়ির সাথে সুতা কাটাকাটিতে যদি আপনার ঘুড়িটা নিচে পরে যায় আপনি তাকে শিখাবেন আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে কিভাবে আকাশে উড়তে হয়।

মা বাবা হলো তাই যেন বাচ্চা জানে যেকোনো কিছুর পরে ও বাবা মার দরজা তার জন্য খোলা, যেখানে কোনো জাজমেন্ট নাই, আছে শুধু love, friendship, connections এন্ড growth

Happy parenting

#বাংলাকাউন্সেলিং

Mental Strength:Part: 1মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে', তবে তার ...
31/10/2025

Mental Strength:Part: 1

মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে', তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন।যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন।বলতে চাইবেন না।
কথা বলতে চাওয়া ,দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা; তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই, "হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক। সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না।

অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।

আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা।
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।

🌸 সন্তান জন্মের পর নারীদের আরো বেশি ভালোবাসা প্রয়োজন… 🌸একজন নারী যখন মা হন, তখন পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র পরিবর্তনটা ঘটে—ত...
30/10/2025

🌸 সন্তান জন্মের পর নারীদের আরো বেশি ভালোবাসা প্রয়োজন… 🌸

একজন নারী যখন মা হন, তখন পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র পরিবর্তনটা ঘটে—
তিনি শুধু একটি সন্তান জন্ম দেন না, জন্ম দেন এক নতুন নিজেকে 💫

👩‍🍼 কিন্তু সন্তান জন্মের পর এক নারীকে ঘিরে যে অদৃশ্য যন্ত্রণার সাগর তৈরি হয়, সেটা অনেকেই দেখতে পায় না।
ঘুমহীন রাত, শারীরিক ব্যথা, হরমোনের পরিবর্তন, আত্মবিশ্বাসের ভাঙন, অপরাধবোধ—সবকিছু মিলিয়ে তিনি মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

এই সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন একজন মানুষের ভালোবাসা—
❤️ স্বামীর ভালোবাসা, বোঝাপড়া আর পাশে থাকা।

🤝 একজন স্বামী যদি এই সময়ে স্ত্রীর পাশে দাঁড়ায়—
তার কষ্ট শোনে, কিছুটা কাজের ভাগ নেয়, তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাহলে সেই নারী আগের চেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।
কারণ ভালোবাসা হল সেই ঔষধ, যা মানসিক ঘা সারিয়ে তোলে।

💬 মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, postpartum depression-এর মূল কারণ শুধু শারীরিক ক্লান্তি নয়, বরং “emotional neglect” — মানে আবেগগত অবহেলা।
যখন স্বামী ও পরিবার সহানুভূতির বদলে অভিযোগ করে,
যখন বলে “তুমি এখন বদলে গেছো”, “সবকিছু তোমার দোষ”, তখন মায়ের মনটা একদম ভেঙে যায়।

💔 এই মানসিক চাপের প্রভাব শুধু মায়ের উপর নয়—
সন্তানও সেই বিষণ্ণতা অনুভব করে। শিশুর মস্তিষ্কে মায়ের মানসিক অবস্থা সরাসরি প্রভাব ফেলে।

🧠 গবেষণায় দেখা গেছে — সুখী মায়ের সন্তান মানসিকভাবে বেশি স্থিতিশীল, আত্মবিশ্বাসী এবং সহানুভূতিশীল হয়।
আর অবহেলিত মায়ের সন্তান পরোক্ষভাবে অনিরাপত্তা আর স্ট্রেস অনুভব করে।

🌷 তাই শুধু “বাচ্চার যত্ন” নিলেই হবে না,
প্রথমে “মায়ের যত্ন” নিতে হবে।
কারণ একজন সুখী মা মানে, একটি সুখী পরিবার ❤️

👉 বাচ্চার মায়ের যত্ন নিন, তাহলে বাচ্চাও ভালো থাকবে।
সংগৃহীত

কার্নিশে ভুল, অবেলা বকুলথাকো ছুঁয়ে একুল ওকুলথাকো ছুঁয়ে, শহুরে বাতাসছুঁয়ে থাকো নিয়ন আকাশ.............. ..…..............
26/10/2025

কার্নিশে ভুল, অবেলা বকুল
থাকো ছুঁয়ে একুল ওকুল
থাকো ছুঁয়ে, শহুরে বাতাস
ছুঁয়ে থাকো নিয়ন আকাশ.............. ..…..................................
আহারে জীবন, আহা জীবন
জলে ভাসা পদ্ম যেমন

এই মেট্রোরেল দুর্ঘটনায় নিহত ‌এই যুবকে জান্নাতে নসিব করে, তার পরিবারকে আল্লাহ হেফাজত করুন ।
আমিন

Part :1নিজের উন্নতি আর মর্যাদা ধরে রাখার ২০টি জীবনের পাঠ :একসময় আসে, যখন তুমি বুঝে ফেলো—সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে তুমি নিজে...
24/10/2025

Part :1
নিজের উন্নতি আর মর্যাদা ধরে রাখার ২০টি জীবনের পাঠ :

একসময় আসে, যখন তুমি বুঝে ফেলো—সবাইকে খুশি রাখতে গিয়ে তুমি নিজের মর্যাদা হারাচ্ছো।
তখনই শুরু হয় আসল পরিবর্তন।
এই গল্প সেই মানুষটার, যে শিখে নিয়েছে নিজের প্রতি শ্রদ্ধা কেমন জিনিস।

1. যারা তোমাকে খোঁজে না, তাদের খুঁজে বেড়ানো বন্ধ করো।
তুমি কারও পিছনে নয়, নিজের পথে হাঁটার জন্যই জন্মেছো।

2. কারও কাছে কিছু ভিক্ষা কোরো না।
প্রাপ্য জিনিস অর্জন করো নিজের যোগ্যতায়।

3. অযথা কথা বলে নিজের মান কমিয়ে ফেলো না।
নীরবতা অনেক সময় সবচেয়ে জোরালো উত্তর হয়।

4. কেউ অসম্মান করলে সীমা টেনে দাও।
কারণ আত্মসম্মান একবার হারালে, সেটা ফেরত পাওয়া কঠিন।

5. অন্যের জিনিসে নির্ভরশীল হয়ো না।
নিজের সামর্থ্য তৈরি করাই আসল স্বাধীনতা।

6. যারা শুধু নেয়, দেয় না—তাদের থেকে দূরে থাকো।
অসম সম্পর্ক একসময় তোমাকেই ক্লান্ত করে দেবে।

7. নিজের উপর বিনিয়োগ করো।
নতুন কিছু শেখো, নিজেকে উন্নত করো, নিজের সুখকে গুরুত্ব দাও।

8. অন্যদের নিয়ে গসিপ বন্ধ করো।
অন্যকে ছোট করে কেউ বড় হয় না।

9. বলার আগে ভেবে নাও।
তোমার কথাই তোমার চরিত্রের প্রতিচ্ছবি।

10. সবসময় নিজেকে সেরা ভার্সনে রাখো।
পোশাকে, আচরণে, ব্যক্তিত্বে—সব জায়গায় তোমার উপস্থিতি যেন সম্মানের প্রতীক হয়।

Part:2 নিজের উন্নতি আর মর্যাদা ধরে রাখার শেষ দশটি কৌশল 11. নিজের লক্ষ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকো।অন্যদের গল্পে সময় নষ্ট না করে ন...
24/10/2025

Part:2 নিজের উন্নতি আর মর্যাদা ধরে রাখার শেষ দশটি কৌশল

11. নিজের লক্ষ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকো।
অন্যদের গল্পে সময় নষ্ট না করে নিজের গল্প লিখো।

12. সময়কে সম্মান করো।
সময় নষ্ট করার অভ্যাসই তোমাকে পিছিয়ে দেয়।

13. যেখানে সম্মান নেই, সেখান থেকে দূরে সরে আসো।
নিজের উপস্থিতি কাউকে বোঝানোর দরকার নেই—সম্মান না পেলে চলে আসো।

14. নিজের উপর খরচ করো।
নিজেকে ভালো রাখার অভ্যাসই তোমার মান তৈরি করে।

15. নিজেকে মাঝে মাঝে দুর্লভ করে তুলো।
সবসময় পাওয়া যায় এমন মানুষকে কেউ গুরুত্ব দেয় না।

16. দাতা হওয়ার চেষ্টা করো।
দেয়া শিখো—প্রতিদান আসবেই।

17. যেখান থেকে আমন্ত্রণ নেই, সেখানে যেও না।
আর যেখানেই যাও, সীমা বুঝে থেকো।

18. মানুষকে তাদের প্রাপ্য অনুযায়ী আচরণ করো।
সবাই একই সম্মান পাওয়ার যোগ্য নয়।

19. যদি টাকা ধার না থাকে, তাহলে কাউকে দু’বারের বেশি ফোন কোরো না।
যারা সত্যিই তোমাকে মূল্য দেয়, তারা নিজেরাই ফিরে আসবে।

20. যা করো, তাতে দক্ষ হও।
তোমার দক্ষতাই হবে তোমার পরিচয়।

---

জীবন মানে সবার সঙ্গে ভালো থাকা নয়—নিজের সঙ্গে ভালো থাকা।
একদিন তুমি বুঝবে, আত্মসম্মান হারিয়ে পাওয়া কোনো সম্পর্ক, কোনো সুযোগ, কোনো জায়গাই আসলে তোমার ছিল না।

নিজেকে তৈরি করো এমনভাবে, যেন একদিন সবাই বুঝে—
তোমার উপস্থিতিই ছিল তাদের জন্য সম্মানের বিষয়।

#সংগৃহীত 💯 ゚viralシypシ゚viralシhtag

আপনার 'সোনার টুকরো' কি আজকাল ঘরের কোণে? - সাবধান! গুটিয়ে যাওয়াটা কিন্তু শুধু "লাজুকতা" নয়।শিশুদের গুটিয়ে যাওয়া, চুপ করে ...
22/10/2025

আপনার 'সোনার টুকরো' কি আজকাল ঘরের কোণে? - সাবধান! গুটিয়ে যাওয়াটা কিন্তু শুধু "লাজুকতা" নয়।

শিশুদের গুটিয়ে যাওয়া, চুপ করে থাকা বা একা থাকতে চাওয়া—এটাকে আমরা প্রায়ই 'লাজুক স্বভাব' বা 'শান্ত ছেলে/মেয়ে' বলে চালিয়ে দিই। কিন্তু অনেক সময় এর পেছনে লুকিয়ে থাকে তাদের মনের গভীরের কিছু কষ্ট বা ভয়ের গল্প।

আসুন, আজ আমরা সেই নীরব সংকেতগুলো বোঝার চেষ্টা করি। আপনার সন্তান কেন নিজের ভেতরে গুটিয়ে যাচ্ছে?

১. ভয়ের অদৃশ্য শেকল 🔗 (The Invisible Chains of Fear)
অনেক অভিভাবক অজান্তে সন্তানকে ভয় দেখিয়ে বসেন। সামান্য ভুল করলেই তীব্র বকুনি বা শারীরিক শাস্তি? এতে সে দ্রুত শিখে যায়—কথা বলা বা কিছু চেষ্টা করা মানেই শাস্তি পাওয়া। ফলাফল? সে নিজেকে গুটিয়ে নেয়।

করণীয়: ভুল হলেও তাকে শান্তভাবে বোঝান। আপনার সন্তান যেন আপনাকে ভয় নয়, বরং বিশ্বাস করে।

২. তীব্র তুলনার বিষ 💔 (The Poison of Constant Comparison)
"ও তো তোমার চেয়ে ভালো রেজাল্ট করেছে।" "পাশের বাড়ির ছেলেটা কত সুন্দর ছবি আঁকে, আর তুমি?"

যখন একটি শিশু অনুভব করে যে সে আপনার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না, তখন তার আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়। নিজেকে অযোগ্য মনে করে সে বাইরের জগৎ থেকে সরে আসে এবং নিজের মধ্যে গুটিয়ে যায়।

করণীয়: তুলনা নয়, তার ছোট ছোট অর্জনকে মন থেকে প্রশংসা করুন। তাকে বোঝান, সে যেমন, তেমনই যথেষ্ট!

৩. মনের কথা বলার অভাব 🔇 (Lack of Emotional Space)
সারাদিন স্কুলের চাপ, হোমওয়ার্কের বোঝা, আর খেলার সময় হাতে মোবাইল। তার মন খারাপের কথা, বন্ধুদের সাথে ঝগড়ার গল্প, বা কোনো ভয়—এগুলো শোনার কি আপনার সময় আছে? যদি না থাকে, তবে তার মনের কথাগুলো ভেতরেই চাপা পড়ে যায়।

করণীয়: প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট সময় রাখুন শুধু 'কথা বলার' জন্য। তাকে জিজ্ঞেস করুন, "আজ তোমার মন কেমন ছিল?"

৪. পারিবারিক অশান্তির নীরব সাক্ষী 🏡 (Silent Witness to Conflict)
মা-বাবার মধ্যে ঘন ঘন ঝগড়া বা টেনশনের পরিবেশ শিশুদের মনে তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। তারা ভাবে, হয়তো তাদের জন্যই এই সমস্যা। নিজের ওপর দোষারোপ করতে করতে তারা মানসিকভাবে গুটিয়ে যেতে শুরু করে।

করণীয়: সন্তানের সামনে ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকুন। ঘরে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখা আপনার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

যদি দেখেন আপনার প্রাণবন্ত শিশুটি হঠাৎ করে চুপচাপ হয়ে গেছে, বন্ধু-বান্ধব এড়িয়ে চলছে বা মেজাজ হারাচ্ছে, তবে তাকে জোর করবেন না। শুধু পাশে থাকুন। তাকে কথা বলার সুযোগ দিন, বিচারের দৃষ্টিতে নয়, ভালোবাসার দৃষ্টিতে শুনুন।

মনে রাখবেন, মনের ভেতর গুটিয়ে যাওয়াটা কোনো দুর্বলতা নয়, এটা সাহায্যের জন্য তার নীরব কান্না। আপনি তার সবচেয়ে বড় ভরসা।

আপনার সন্তানকে হাসিখুশি রাখতে আপনি কী করেন? কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত দিন। 👇

আংটি পরলেও কবুলের পূর্বে সচেতনতার বাস্তব গল্পটা পর্ব:১সব মেয়ে আংটি পরতে পছন্দ করবে এটা কি কোনো নিয়মের মধ্যে পড়ে? তবুও...
15/10/2025

আংটি পরলেও কবুলের পূর্বে সচেতনতার বাস্তব গল্পটা
পর্ব:১
সব মেয়ে আংটি পরতে পছন্দ করবে এটা কি কোনো নিয়মের মধ্যে পড়ে? তবুও এনগেজমেন্ট রিং বলে আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু চেষ্টা করলেই সব মানুষ সবকিছু পারেনা। আমি সদ্য ইন্টার্ন শেষ করা একজন এমবিবিএস ডাক্তার।

একটা প্রাইভেট হসপিটালে চাকরি করি, চাকরিটা একেবারেই নতুন, যখন তখন ওটি অ্যাসিস্ট এর জন্য ডাক পড়ে। আর আংটি খুলে বারবার ওয়াস নেয়া সত্যি কষ্টকর। একদিন ভুল করে প্রায় আংটিটা রেখেই চলে এসেছিলাম। সেই দিন এসে বাসায় আংটি খুলে রাখলাম।

বিয়ে আরো ছয় মাস পরে, আর আংটি খুলে রাখলেই এনগেজমেন্ট ভেঙ্গে যায় না। আমার বাসায় এসব নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই, থাকবেই বা কেন কারন এটার কোনো লজিক নেই।

কিন্তু হঠাৎ একদিন না জানিয়ে আমার হবু ননদ আর ভাসুরের বউ আমাদের বাসায় এলেন, আংটি টা হাতে নেই এটা দেখেও এই বিষয়ে কিছু বললেন না।
কিন্তু রাতে শাহেদের ফোন কলে আমি বুঝে গেলাম এটা নিয়ে ওদের বাসায় তুলকালাম কাণ্ড হয়ে গেছে।

-তুমি নাকি আংটি খুলে রেখেছো, কি এনগেজমেন্ট টা ভেঙে দিচ্ছ নাকি, শাহেদ এর কন্ঠে উত্তাপ।
-এসব কি বলছেন, আপনি নিজেও ডাক্তার আপনি জানেন কোন কারণের জন্য আমি আংটি খুলে রাখতে পারি।
-আমার সাথে ডাক্তারি ঝেড়ো না আমি তোমার আট বছর এর সিনিয়র কাজেই আমার সাথে এইসব টপিক নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করো না, ভালোই ভালোই হাতে আংটি পড়ে রাখবে।
শাহেদ লাইন কেটে দিল, আমি অবাক হয়ে গেলাম এতো ছোট্ট একটা বিষয় আর এত বড় একটা কান্ড।

💯

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tashrifa Jolly's Moner Ejlash posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category