15/04/2026
উপহার" হিসেবে প্রাপ্ত সোনার ঝুঁকি:
অবৈধ বাণিজ্য মোকাবিলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ‘উপহার’ (মূল্য = ০) হিসেবে ঘোষিত মজুদ এবং উচ্চমূল্যের ব্যক্তিগত বিক্রয় খতিয়ে দেখায় বাংলাদেশে সোনার ওপর কর নিরীক্ষা বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনুমিত আয়ের ওপর কর এড়াতে সোনার উৎস প্রমাণ করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে।
প্রধান নিরীক্ষা ঝুঁকি এবং পরিপালন (আয়কর আইন, ২০২৩):
■ "উপহার" হিসেবে প্রাপ্ত সোনার ঝুঁকি: পূর্বে উপহার (শূন্য মূল্য) হিসেবে ঘোষিত সোনা বিক্রি করার ক্ষেত্রে নিরীক্ষা ঝুঁকি দেখা দেয়। করদাতাদের কাছে নথিপত্র (যেমন, দাতার ক্রয়ের প্রমাণ) চাওয়া হতে পারে এবং তা পাওয়া না গেলে, বিক্রয়লব্ধ অর্থ করযোগ্য আয় হিসেবে গণ্য হতে পারে।
■ ক্রয়/উৎস এর প্রমাণ: সোনা বিক্রি করা হলে, আপনাকে এর উৎস প্রমাণ করতে হবে, বিশেষ করে যদি বিক্রয়লব্ধ অর্থ ব্যাংক ব্যালেন্সের পরিবর্তন দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।
■ ব্যক্তিগত ব্যবহারের ব্যতিক্রম: ব্যক্তিগত/পারিবারিক ব্যবহারের জন্য রাখা গহনা সাধারণত মূলধনী লাভ করের আওতাভুক্ত হয় না, যদি না এটিকে কোনো ব্যবসায়িক কার্যকলাপের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।