Syed Asif Hossain

Syed Asif Hossain এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

12/01/2026





দেশের জন্য কারো সাথে আপোষ না করে এখানেই শুয়ে আছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তার সহধর্মিনী মরহুমা বেগম খালেদা জ...
11/01/2026

দেশের জন্য কারো সাথে আপোষ না করে এখানেই শুয়ে আছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং তার সহধর্মিনী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া।
মহান আল্লাহ তা'আলা ওনাদের জান্নাত বাসী করুক।




11/01/2026

হাদী ভাই

 #জমির দলিল বা কাগজপত্র হারিয়ে গেলে কী করবেন? জেনে নিন সহজ সমাধান!​হঠাৎ করে আপনার মূল্যবান জমির দলিল, খতিয়ান বা নকশা হা...
16/09/2025

#জমির দলিল বা কাগজপত্র হারিয়ে গেলে কী করবেন? জেনে নিন সহজ সমাধান!

​হঠাৎ করে আপনার মূল্যবান জমির দলিল, খতিয়ান বা নকশা হারিয়ে গেছে? আগুনে পুড়ে গেছে, চুরি হয়ে গেছে অথবা ভুলবশত নষ্ট হয়ে গেছে? এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান এবং ভাবেন যে, জমি বিক্রি বা নামজারি করা আর সম্ভব নয়। তবে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই! ঠান্ডা মাথায় সঠিক পরিকল্পনা অনুসরণ করলে হারানো জমির কাগজপত্র পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।
​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমির মূল কাগজপত্র হারিয়ে গেলেও ঘাবড়ানোর কিছু নেই। নির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করে আপনি খুব সহজেই আপনার হারানো নথিগুলো পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।

​১. প্রথমেই নিশ্চিত হোন কোন কোন কাগজ হারিয়ে গেছে:
জমির মূল কাগজপত্র বলতে মূলত খতিয়ান (যেমন: CS, SA, RS, BS), রেজিস্ট্রি দলিল (বায়া দলিল) এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশাকে বোঝায়। এই কাগজগুলো ছাড়া জমির মালিকানা প্রমাণ, ব্যাংক ঋণ গ্রহণ বা নামজারি প্রক্রিয়ায় সমস্যা হতে পারে।

​২. খতিয়ান পুনরুদ্ধারের উপায়:
খতিয়ান সংগ্রহের জন্য আপনাকে নিম্নলিখিত অফিসগুলোতে যোগাযোগ করতে হবে:
​ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তহশিল অফিস): এখান থেকে আপনি প্রাথমিক বা খসড়া খতিয়ানের তথ্য জানতে পারবেন এবং খাজনা পরিশোধ করতে পারবেন।
​উপজেলা ভূমি অফিস: এখানে নামজারির কাজ সম্পন্ন হয় এবং মাঝে মাঝে খসড়া কপিও পাওয়া যায়।
​জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিস: এখান থেকে সার্টিফাইড খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করা যায়, যা আইনগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
​সেটেলমেন্ট অফিস: নতুন জরিপের পর সৃষ্ট খতিয়ান এবং ম্যাপ এখান থেকে পাওয়া যায়।
টিপস: যদি আপনার জমির খতিয়ান নম্বর জানা না থাকে, তাহলে প্রথমে তহশিল অফিস থেকে জেনে নেওয়া ভালো।

​৩. দলিল সংগ্রহের প্রক্রিয়া:
হারানো দলিল বা তার নকল দুটি জায়গা থেকে সংগ্রহ করা সম্ভব:
​উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস: নতুন বা তুলনামূলক সাম্প্রতিক দলিলের নকল এখান থেকে পাওয়া যেতে পারে।
​জেলা রেজিস্ট্রি অফিস (সদর রেকর্ড রুম): পুরোনো বা নতুন যেকোনো দলিলের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহের জন্য এটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান।
টিপস: দলিল হারিয়ে গেলে প্রথমে এই অফিসগুলোতে খোঁজ করুন। প্রয়োজনবোধে একজন বিজ্ঞজনের মাধ্যমে তল্লাশি করিয়ে দলিল সংগ্রহ করুন।

​৪. ম্যাপ বা মৌজা নকশা প্রাপ্তি:
জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা সাধারণত নিচের অফিসগুলি থেকে সংগ্রহ করা যায়:
​জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিস: এখান থেকে মৌজাভিত্তিক ম্যাপ পাওয়া যায়।
​ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর (DLR অফিস, তেজগাঁও, ঢাকা): এই দপ্তর থেকে মৌজাভিত্তিক ম্যাপ এবং জরিপ কপি পাওয়া যেতে পারে।

​৫. খরচ কেমন হতে পারে?
সরকারি ফি সাধারণত খুবই কম হয়। যেমন, সিটি জরিপ খতিয়ানের জন্য প্রায় ১০০ টাকা ফি নির্ধারিত আছে। তবে, স্থানীয় সিন্ডিকেট বা দালালদের কারণে অনানুষ্ঠানিক কিছু খরচ হতে পারে। তাই সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

​গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
​ভয় না পেয়ে ঠান্ডা মাথায় কাজ করুন।
​দালালদের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না হয়ে নিজে তথ্য জেনে নিন।
​সম্ভব হলে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী বা জমি বিষয়ক বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন, যা আপনার কাজকে সহজ করে তুলবে।

​উদাহরণ: ধরুন, আপনার দাদা ১৯৪০ সালে একটি জমি বিক্রি করেছেন বলে একটি পক্ষ দাবি করছে, কিন্তু আপনার কাছে কোনো দলিল নেই। এই অবস্থায় আপনি জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে সেই পুরাতন দলিলের নকল তল্লাশি করতে পারেন। পাশাপাশি, সেটেলমেন্ট অফিস থেকে ১৯৬২ সালের খতিয়ান সংগ্রহ করে জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই করতে পারবেন। এভাবে ধাপে ধাপে তথ্য সংগ্রহ করে আপনি আপনার হারানো জমির কাগজপত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবেন।

​সুতরাং, জমির কাগজপত্র হারিয়ে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে এই নির্দেশিকা অনুসরণ করে সঠিক পদক্ষেপ নিন।

01301-665544

বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (BDS) শুরু হয়েছে ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে।➡️ এটিই হতে যাচ্ছে দেশের...
16/09/2025

বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (BDS) শুরু হয়েছে ল্যান্ড ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে।
➡️ এটিই হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম Plot-to-Plot ডিজিটাল জরিপ, যেখানে জমি চালেন্ডার, দাগ, খতিয়ান এবং মালিকানার তথ্য স্যাটেলাইট ও ড্রোন ব্যবহার করে একসঙ্গে নজরে রাখা হবে ।

🔴🔴এতে ভূমি মালিক হিসেবে আপনার করণীয় হচ্ছেন:

✅ ধাপ–১: নিজের জমির তথ্য যাচাই করুন

আপনার জেলা > উপজেলা > মৌজা > দাগ নম্বর অনুযায়ী Plot-to-Plot ম্যাপে যান

চেক করুন —
✔️ কার নাম বসেছে
✔️ দাগ নম্বর ঠিক আছে কিনা
✔️ জমির পরিমাণ ও সীমা সঠিক চিহ্নিত হয়েছে কিনা

✅ ধাপ–২: অভিযোগ ও আপত্তি জানান দ্রুত

ম্যাপে ভুল দেখলে অনলাইনে **তৎক্ষণাৎ আপত্তি বা অভিযোগ দাখিল করুন।**

BDS-এ প্রত্যেকের জন্য ভিডিও শুনানির সুযোগ থাকবে

মনে রাখবেন—যত দ্রুত দাখিল করবেন, তত সহজ হবে সংশোধন!

✅ ধাপ–৩: দলিল-পর্চা, খাজনা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে রাখুন

রেজিস্ট্রি দলিল, খতিয়ান কপি, মিউটেশন ও খাজনা রশিদ — এগুলো আপলোডের সময় কাজে লাগবে।

ডিজিটাল ম্যাপে ফিডব্যাকে প্রয়োজন হলে এগুলো প্রয়োজন হতে পারে

✅ ধাপ–৪: স্থানীয় ভূমি অফিস/ভ্যালুয়েশন অফিসের ফোকাল পয়েন্টের সাথে যোগাযোগ করুন

Zonal Settlement Office, Upazila Settlement Office বা DC office–তে গোলযোগ মারতে সাহায্য পাবেন।

ফোন করে নির্দিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন

✅ ধাপ–৫: সুনির্দিষ্ট নজর ও ট্র্যাকিং রাখতে ভুলবেন না

Plot-to-Plot ম্যাপে আপনার সংশোধন অনুরোধের অবস্থা নিয়মিত চেক করুন।

শুনানির তারিখ, স্ট্যাটাস মেসেজ ইত্যাদি ডট-কমে পাবেন— নিয়মিত নজর রাখুন

⚠️ কেন এখনি করণীয়:

1. ✅ একবার BDS চলে গেলে আর পুরনো দলিলের ভিত্তিতে মানে হালনাগাদ যোগাযোগ করা কঠিন হবে

2. ✅ ভুল ধরলে জমি হারানোর ঝুঁকি থাকবে

3. ✅ মোবাইল-লাইনে মুহূর্তে বাধা/জন্য তদারকি করা যাবে না

✍️ আপনার করণীয়:

Plot-to-Plot ম্যাপে নিজের দাগ চেক করুন

ভুল থাকবে, এখনই অভিযোগ করুন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন

01301-665544

#জমিসচেতনতা #ভূমি_প্রটেকশন

"খতিয়ান মানেই মালিকানা নয়, খতিয়ান হলো জমির জন্মসনদ"একটু ভিন্ন তথ্য.....,জেনে রাখুন কাজে দিবে.......!!! কি মূলে রেকর্ড হয়...
16/09/2025

"খতিয়ান মানেই মালিকানা নয়, খতিয়ান হলো জমির জন্মসনদ"
একটু ভিন্ন তথ্য.....,জেনে রাখুন কাজে দিবে.......!!!

কি মূলে রেকর্ড হয়েছে জানতে চান? খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান সংগ্রহ করলেই পাবেন আসল সত্য!

আমাদের দেশে অনেকেই শুধু খতিয়ান হাতে পেলেই মনে করেন
“এই তো জমির মালিকানা প্রমাণ হয়ে গেলো!”
কিন্তু আসল সত্য হলো, খতিয়ান মানেই মালিকানা নয়।

খতিয়ান হলো শুধু রেকর্ড, আর এই রেকর্ড কি মূলে হয়েছে তা বোঝার জন্য প্রয়োজন খসড়া খতিয়ান।

খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান কি!
খসড়া খতিয়ান হলো রেকর্ড প্রস্তুতের সময়কার একটি প্রাথমিক নথি। এটাকে জমির “প্রথম খসড়া ইতিহাস” বলা যায়।

এখানে লেখা থাকে
১/ জমির রেকর্ড দলিল মূলে হলো, নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে হলো।
২/ যদি দলিল মূলে হয়ে থাকে, তাহলে কোন দলিল নম্বর ও সাল অনুযায়ী রেকর্ড হলো।
৩/ জমির পূর্বতন মালিক কে ছিলেন।
৪/ কার নামে কত শতক রেকর্ড হয়েছে।

মানে এক কথায়, খসড়া খতিয়ান ছাড়া কখনোই আপনি জমির আসল ইতিহাস জানতে পারবেন না।

উদাহরণ:
ধরুন, আপনার দাদার নামে সি.এস রেকর্ড আছে। কিন্তু আপনার দাদা জীবনে কখনো জমি কেনেননি।
তাহলে কি মূলে রেকর্ড হলো?

উত্তর আছে কেবল ড্রাফট খতিয়ানে।
এখান থেকে বুঝবেন, রেকর্ডটা কোনো পুরনো দলিলের ভিত্তিতে হলো, নাকি দাদার পৈতৃক সম্পত্তির ভিত্তিতে হলো।

সমস্যা হলো, অনেকেই খসড়া খতিয়ান সংগ্রহ করেন না। শুধু আপডেটেড খতিয়ান হাতে পেয়ে জমির মালিকানা নিশ্চিত হয়ে যান। কিন্তু পরে হঠাৎ দেখা যায়, আরেকজন এসে দাবি করছে
“এই জমি আমার দাদার দলিল মূলে রেকর্ড, আপনার নামে ভুলে গেছে!”
তখন শুরু হয় লম্বা মামলা আর ঝামেলা।

তাই সচেতন হোন

আপনার জমির রেকর্ড দলিল মূলে হয়েছে নাকি উত্তরাধিকার মূলে, তা জানুন।
আজই সংগ্রহ করুন ড্রাফট খতিয়ান।

কোথায় পাবেন?
জেলা বা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে।

মনে রাখবেন
খসড়া বা ড্রাফট খতিয়ান হলো জমির জন্মসনদ। এটি ছাড়া জমির প্রকৃত ইতিহাস জানা অসম্ভব।

01301-665544

ফৌজদারী মামলার জট নিরসনে অদ্য ঢাকায় নতুন করে আলাদা ভাবে ৮টি বিজ্ঞ যুগ্ম দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হল। মেট্রোপলিটন এলা...
16/09/2025

ফৌজদারী মামলার জট নিরসনে অদ্য ঢাকায় নতুন করে আলাদা ভাবে ৮টি বিজ্ঞ যুগ্ম দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হল। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের শুধুমাত্র ফৌজদারী/ক্রিমিনাল মামলা এসকল আদালতে নিষ্পত্তি করা হবে।

আয়কর_আইনজীবীর_মাধ্যমে_আয়কর_রিটার্ন_জমা_দিতে_হবে।                  #ট্যাক্স  #টিন  #ভ্যাট  #ট্যাক্সসার্টিফিকেট  #ইরিটার্ন...
16/09/2025

আয়কর_আইনজীবীর_মাধ্যমে_আয়কর_রিটার্ন_জমা_দিতে_হবে।



#ট্যাক্স #টিন #ভ্যাট #ট্যাক্সসার্টিফিকেট #ইরিটার্ন #টিনসংশোধন #অডিট #আয়কর #জরিমানা

⁨01301-665544⁩ (WhatsApp)

৮০ বছরের উর্ধে এবং ১২ বছরের নিচের বয়সে 🇸🇦 উমরাহ ভিসা বন্ধ 🇸🇦
15/09/2025

৮০ বছরের উর্ধে এবং
১২ বছরের নিচের বয়সে
🇸🇦 উমরাহ ভিসা বন্ধ 🇸🇦

E-Return নিয়ে যত প্রশ্ন আছে সব গুলোর উত্তর এই খানে আছে দেখে নিন এক নজরে!!!!১.আমি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাই। কিভাবে ...
15/09/2025

E-Return নিয়ে যত প্রশ্ন আছে সব গুলোর উত্তর এই খানে আছে দেখে নিন এক নজরে!!!!
১.
আমি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাই। কিভাবে শুরু করব?
উত্তরঃ অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। উক্ত সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহারপূর্বক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিমকার্ড সম্বলিত মোবাইল ফোন নম্বর ও একটি টিআইএন প্রয়োজন। প্রথমবার সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করার পর সাইন-ইন করে প্রোফাইলের তথ্য প্রয়োজন অনুসারে আপডেট করতে পারবেন। এরপর ধাপে ধাপে আপনার খাত ভিত্তিক আয়, বিনিয়োগ, পারিবারিক ব্যয়, সম্পদ ও দায় এবং কর পরিশোধের তথ্য ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, তথ্য ইনপুট দেবার সময় সকল প্রমাণ ও তথ্য দেখে সঠিকভাবে ইনপুট দেওয়া বাঞ্ছনীয়।
২.
e-Return সিস্টেমে সাইন-ইন করব কিভাবে?
উত্তরঃ এই সিস্টেমে সাইন-ইন করার জন্য টিআইএন ও পাসওয়ার্ড প্রয়োজন। আপনি www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার সময় নিজের পাসওয়ার্ড ঠিক করে নিবেন। এরপর যেকোন সময় টিআইএন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সাইন-ইন করতে পারবেন। এছাড়া আপনার প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন।
৩.
e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য কি প্রয়োজন?
উত্তরঃ e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার টিআইএন ও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাবহার পূর্বক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিমকার্ড সম্বলিত মোবাইল ফোন নম্বর প্রয়োজন। আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি আপনার নামে রেজিস্টার্ড কিনা তা যাচাইয়ের জন্য *১৬০০১ # ডায়াল করুন।
৪.
e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশনের পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ www.etaxnbr.gov.bd ওয়েবসাইটে I am not registered yet বাটনে ক্লিক করে পরবর্তীতে আপনার টিআইএন ও মোবাইল ফোন নম্বর ইনপুট দিয়ে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করলে আপনার মোবাইলে ৬ ডিজিটের একটি ওটিপি যাবে যা টাইপ করে পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে এবং রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করলে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।
৫.
টিআইএন খোলার সময় যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিলাম তা আর নেই, আমি কি e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, পারবেন। টিআইএন খোলার সময় যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছিলেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যাবহারপূর্বক বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত সিমকার্ড সম্বলিত মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব। কোন একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে e-Return সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করার পর মোবাইল নম্বর পরির্বতনের সুবিধাও রয়েছে।
৬.
পাসওয়ার্ড কিভাবে সেট করব? পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিভাবে তা রিসেট করব?
উত্তরঃ পাসওয়ার্ড কমপক্ষে আট character বিশিষ্ট হবে। এর মধ্যে কমপক্ষে একটি করে lower case alphabete, upper case alphabete, digit (0-9) এবং special character (@, #, $, %, *, &, ! ইত্যাদি) থাকতে হবে। ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করলে সিস্টেম আপনাকে গাইড করবে। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে Forget password এ ক্লিক করলে আপনার মোবাইলে একটি OTP যাবে এবং আপনি পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারবেন।
৭.
মোবাইল নম্বর আমার নামে নিবন্ধিত কিনা তা কিভাবে জানতে পারব?
উত্তরঃ আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি আপনার নামে নিবন্ধিত কিনা তা যাচাইয়ের জন্য *১৬০০১ # ডায়াল করে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরের সর্বশেষ ৪ ডিজিট ইনপুট দিতে হবে। ইনপুট দেবার পর ফিরতি মেসেজে মোবাইল ফোন কোম্পানী আপনাকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কয়টি মোবাইল ফোন নম্বর নিবন্ধিত তা জানিয়ে দিবে।
৮.
e-Return এর কোন সমস্যার ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য কোথায় যোগাযোগ করব?
উত্তরঃ e-Return এর কোন সমস্যার ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারবেন। কল সেন্টারের ০৯৬৪৩ ৭১৭১৭১ নম্বরে ছুটির দিন ব্যতীত সকাল ৯.০০ টা হতে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত ফোনে আয়কর কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক e-Return এর যেকোন সমস্যা বা জিজ্ঞাসার উত্তর দিয়ে থাকেন। Etax service center পোর্টালে ইমেইল করে সহায়তা চাইতে পারবেন। এছাড়া আয়কর সেবা মাসে প্রতিটি কর অঞ্চল e-Return সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করছে।
৯.
মোবাইল ফোনে কি e-Return তৈরী করা যাবে?
উত্তরঃ e-Return সিস্টেমকে সহজ ও user friendly করার জন্য অনেক feature দেয়া আছে যার অনেকগুলো মোবাইল ডিভাইসে পাওয়া যাবে না। তাই ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটারে এই সিস্টেম ব্যবহার করুন।
১০.
অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর সাপোর্টিং কাগজপত্র কোথায় জমা দিব বা কিভাবে attach করব?
উত্তরঃ এই বছরে অনলাইন রিটার্ন দাখিলে কোনো ডকুমেন্টস upload করতে হবে না। আপনি দরকারি কাগজপত্র সাথে নিয়ে বসুন এবং প্রয়োজনীয় ফিল্ডগুলোতে নির্ভুলভাবে এন্ট্রি দিন। অনলাইনে রিটার্ন submit করার সাথে সাথে সিস্টেমে আপনার অ্যাসেসমেন্ট হয়ে যাবে এবং আপনি Acknowledgement slip পেয়ে যাবেন। Tax certificate (ট্যাক্স সার্টিফিকেট) সাথে সাথে তৈরি হয়ে যাবে। বামপাশের Tax record মেনুতে ক্লিক করে আপনি যে কোনো সময় Acknowledgement slip, Tax certificate ও রিটার্নের কপি প্রিন্ট করতে পারবেন।
১১.
অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর পুনরায় কি সার্কেলে রিটার্ন বা কোন প্রমাণ দাখিল করতে হবে?
উত্তরঃ অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার পর পুনরায় সার্কেলে রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন নাই। অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার সাথে সাথেই আপনার কর নির্ধারণ(এসেসমেন্ট) সম্পন্ন হয়ে যাবে।
১২.
আমি রেজিস্ট্রেশন করেছি। সাইন-ইন করার পর কিভাবে রিটার্ন পূরণ শুরু করব?
উত্তরঃ রিটার্ন জমা দেওয়ার নীচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুনঃ
ক। www.etaxnbr.gov.bde এ প্রবেশ করার পর আপনি একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন যার বাম দিকে তিনটি মেনু দেখায় – Home, Return submission, Tax record
খ। সেই স্ক্রীন থেকে Return submission মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর সিস্টেম আপনাকে আরেকটি স্ক্রীনে নিয়ে গিয়ে Assessment information এবং heads of income দেখাবে ।
গ। তারপর ধাপে ধাপে এগিয়ে যান এবং সফটওয়্যার আপনাকে গাইড করবে, যেকোন টার্ম বুঝতে যদি কোন অসুবিধা হয় অনুগ্রহ করে প্রথমে ইউজার ম্যানুয়াল অনুসরণ করুন। এছাড়াও অনলাইনে অধিকাংশ অপশনের উপরেই প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়েছে যার উপরে ক্লিক করলে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত ব্যাখা পাওয়া যাবে এবং তারপরেও যদি তা বোঝা কঠিন হয় তাহলে কল সেন্টারে কল দিয়ে বুঝে নিতে পারেন।
১৩.
অনলাইনে রিটার্ন জমা দেবার প্রক্রিয়া কি?
উত্তরঃ রিটার্ন জমা দেওয়ার ৭টি ধাপ রয়েছে, সেগুলি নিচে দেয়া হল-
i) Assessment - প্রথমে আপনাকে কিছু মৌলিক তথ্য দিতে হবে
ক। Assessment information- Assessment year, Income year ইত্যাদি।
খ। Heads of income- চাকরি হতে আয়, সম্পত্তি ভাড়া হতে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা আয়, মূলধনী লাভ, আর্থিক পরিসম্পদ হতে আয়, অন্যান্য উৎসের আয়। এই খাতসমূহের মধ্যে প্রযোজ্যটি সিলেক্ট করতে হবে।
গ। Additional information- আয়ের প্রধান উৎসের অবস্থান এবং অন্যান্য আয়।
ঘ। IT-10B requirements সম্পদ সম্পর্কিত তথ্য যেমন সম্পদের পরিমাণ, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
ii) Income – এই পেজে খাতভিত্তিক আয়ের সমস্ত তথ্য দিন, যেমন- চাকরি হতে আয়, ভাড়া হতে আয়, কৃষি হতে আয়, ব্যাবসা হতে আয়, মূলধনি হতে আয়, আর্থিক পরিসম্পদ হতে আয় এবং অন্যান্য উৎস হতে আয়।
iii) Rebate- রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ যেমন জীবন বিমা, ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র, জিপিএফ ইত্যাদির তথ্য উল্লেখ করুন।
iv) Expenditure- আপনার বাৎসরিক ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করুন।
v) Asset & liabilities- সম্পদ এবং দায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। যেমন: ব্যবসার মূলধন, অ-কৃষি সম্পত্তি, কৃষি সম্পত্তি, আর্থিক সম্পদ (শেয়ার, ডিবেঞ্চার, সেভিংস সার্টিফিকেট, এফডিআর, ডিপিএস), মোটর গাড়ি, সোনা, হীরা, গৃহস্থালীর জিনিসপত্র, নগদ ইত্যাদি। এছাড়া ঋণের তথ্যও প্রদান করুন।
vi) Tax & payment- এই সেকশনে সিস্টেম আপনাকে আপনার মোট আয়ের বিবরণ, ট্যাক্স কম্পিউটেশনের বিবরণ, প্রদেয় করের পরিমাণ দেখাবে । এই সেকশন থেকে আপনি ইতোমধ্যে উৎসে কর্তিত কর, অগ্রিম প্রদত্ত কর, পূর্ববর্তী বছরে পরিশোধিত অতিরিক্ত কর এবং রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের তথ্য প্রদান করে আপনার কর পরিশোধের তথ্য আপডেট করতে পারবেন। এরপর অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এই সেকশন হতে আপনি আপনার জন্য প্রযোজ্য প্রদেয় কর মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।
vii) Return view- এখানে সম্পূর্ণ রিটার্ন দেখাবে, আপনি ভুল কোন তথ্য এন্ট্রি দিয়েছেন কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবেন, সেভ করে রাখতে পারবেন এবং সবশেষে সাবমিট করতে পারবেন।অনলাইন রিটার্ন পূরণে আপনি চাইলে সব তথ্য একেবারে ইনপুট দিয়ে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন আবার প্রয়োজনে সময়ে সময়ে তথ্য ইনপুট দিয়ে সেভ রাখতে পারবেন এবং সময় নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সাবমিট করতে পারবেন। সাবমিট করা হলে যেকোনো সময়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র, রিটার্ন, সার্টিফিকেট, চালান ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
১৪.
আমার উৎসে কর ও অগ্রিম কর প্রদান করা আছে। আমি কি অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, পারবেন। Tax & Payment সেকশনে আপনি ইতোমধ্যে উৎসে কর্তিত কর, অগ্রিম প্রদত্ত কর, পূর্ববর্তী বছরে পরিশোধিত অতিরিক্ত কর এবং রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের তথ্য প্রদান করে আপনার কর পরিশোধের তথ্য আপডেট করে রির্টান দাখিল করতে পারবেন।
১৫.
কর্তিত উৎসে কর ও অগ্রিম করের ক্রেডিট কিভাবে পাব?
উত্তরঃ Tax & Payment সেকশনে Total Amount Payable এর নিচে Update Tax Payment Status বাটনে ক্লিক করলে e-Return Ledger এর হোম পেজ আসবে। এখানে যে নির্দেশনা দেওয়া আছে তা অনুসরণ করে বাম পাশের মেনু হতে আপনি উৎসে কর, অগ্রিমকরসহ সকল ধরনের কর পরিশোধের বিবরণ হালনাগাদ করতে পারবেন। উৎসে করের ক্ষেত্রে Claim source tax, অগ্রিম করের ক্ষেত্রে Claim AIT, রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের ক্ষেত্রে Tax paid with return, পূর্ববর্তী বছরের অতিরিক্ত পরিশোধিত কর সমন্বয়ের ক্ষেত্রে Adjustment of tax return অপশনে গিয়ে তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

প্রথমে Purpose of payment হতে উৎসে কর কর্তনের খাত সিলেক্ট করতে হবে। যে কর্তৃপক্ষ উৎসে কর কর্তন করে জমা প্রদান করেছে তার নাম, উৎসে করের চালান নম্বর, তারিখ, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম পূরণ করতে হবে। তবে কোন ক্ষেত্রে চালানের পরিবর্তে সার্টিফিকেট বা প্রত্যয়ন থাকলে সার্টিফিকেটের রেফারেন্স/নথি/স্মারক নম্বর ও তারিখ পূরণ করতে হবে। এরপর উক্ত চালান/সার্টিফিকেটের মোট অংক Challan/Certificate amount এ এবং আপনার নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত অংক Claimed amount এ টাইপ করতে হবে। উল্লেখ্য, চালান বা সার্টিফিকেটটি শুধুমাত্র আপনার জন্য প্রযোজ্য হলে Challan/Certificate amount ও Claimed amount এক হবে। কিন্তু একাধিক ব্যক্তির জন্য হলে Challan/Certificate amount এ সম্পূর্ণ অংক এবং Claimed amount এ নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত উৎসে করের তথ্য ইনপুট দিতে হবে।

অগ্রিম কর চালানে পরিশোধের ক্ষেত্রে AIT (154) হতে চালানের তথ্য এবং গাড়ির অগ্রিম করের ক্ষেত্রে AIT on Car হতে ব্যাংক স্লিপের উপরের দিকে ডানে ট্র্যানজাকশন আইডি (Transaction ID) পূরণ করে কর পরিশোধের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।

e-Return Ledger অংশের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হাতে নিয়ে সতর্কতার সাথে পূরণ করতে হবে। অন্যথায় রিটার্ন পূরণ অসত্য ও অসম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

ফেসবুকের মনিটাইজেশনের জন্য অনেকেই TIN খুলতে চান বা অনেকেই TIN  খুলেছেন কিন্তু,  অনেকেই  কনফিউশানে থাকেন  TIN খুললেই ট্যা...
15/09/2025

ফেসবুকের মনিটাইজেশনের জন্য অনেকেই TIN খুলতে চান বা অনেকেই TIN খুলেছেন কিন্তু, অনেকেই কনফিউশানে থাকেন TIN খুললেই ট্যাক্স দিতে হবে নাকি??
TIN থাকলেই ট্যাক্স দিতে হবে ব্যাপার টা এমন নয়। তবে,
বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের TIN খুলতে হয়।
ট্যাক্স আমরা তখনই দিবো যখন আমাদের আয় একটা নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করবে। যেমন

মহিলাদের ইনকাম বছরে ৪,০০,০০০৳ ( চার লক্ষ টাকা)
এবং পুরুষদের ৩,৫০,০০০৳ ( তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) অতিক্রম করলে ট্যাক্স দিতে হবে।

আপনার ইনকাম, এই সীমার নিচে হলে ট্যাক্স দিতে হবে না তবে, রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

ফেইসবুকে কাজ করার জন্য TIN খুলতেই পারেন কিন্তু মাথায় রাখবেন আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে🙂🙂

প্রয়োজনে:
সৈয়দ আসিফ হোসেন
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
০১৩০১-৬৬৫৫৪৪

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Asif Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share