Advocate Salina huda chowdhury

Advocate Salina huda chowdhury মানুষ পরিবর্তনশীল

আজ ১২ই ভাদ্র। কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি একাধারে বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি, সাম্যের কবি, নারী জাগ...
28/08/2026

আজ ১২ই ভাদ্র। কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি একাধারে বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি, সাম্যের কবি, নারী জাগরণের কবি, ধর্মীয় সম্প্রীতির কবি, সূফী কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।
#প্রয়াণ_দিবসে_বিনম্র_শ্রদ্ধা 🙏
আজ ১২ই ভাদ্র। কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি একাধারে বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি, সাম্যের কবি, নারী জাগরণের কবি, ধর্মীয় সম্প্রীতির কবি, সূফী কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

শৈশবের দুখু মিয়াই যৌবনে হয়ে ওঠেন উপমহাদেশের বিখ্যাত বিদ্রোহী কবি। মাত্র ২২ বছরের লেখক জীবনেই ৩ হাজার গান, অসংখ্য কবিতা, ছোটগল্প আর উপন্যাস দিয়ে দখল করে নিয়েছেন বাংলা সাহিত্যের অনন্য স্থান।

ছোটবেলায় কাজী নজরুল ইসলাম’এর যে কবিতাটি আমরা প্রথম পড়েছিলাম সেটি হল-
"আমি হব সকাল বেলার পাখি,
সবার আগে কুসুম-বাগে উঠব আমি ডাকী।
সূর্যি মামা জাগার আগে উঠব আমি জেগে,
'হয়নি সকাল, ঘুমো এখন'-মা বলবেন রেগে।"
মা আমাদের ঘুম থেকে উঠাতেই বেশি কষ্ট করতেন, তারপরও এ কবিতাটি আমাদের খুবই প্রিয়।

তারপর প্রথমিক বিদ্যালয়ে আমাদের প্রিয় কবিতার জায়গাটা দখল করলঃ -
"থাকব না'ক বদ্ধ ঘরে
দেখব এবার জগতটাকে
কেমন করে ঘুরছে মানুষ
যুগান্তরের ঘুর্ণিপাকে।"
এ কবিতা থেকেই আমাদের দূরন্তপনা জীবনের শুরু। কবির মতো আমরাও জগত দেখার স্বপ্নে বিভর, এবং তা এখনো।

"বল বীর-
বল উন্নত মম শীর।
শীর নেহারী আমারি নত শির ওয় শিখর হিমাদ্রির।"
এ কবিতাটা পড়ার পর সব সময় নিজের মতো করে মাথা উচু করে বাচার ইচ্ছে জাগলো আমাদের ছোট্ট মনে।

"উহারা প্রচার করুক হিংসা বিদ্বেষ আর নিন্দাবাদ,
আমরা বলিব 'সাম্য শান্তি এক আল্লাহ জিন্দাবাদ'."
এই দুটো লাইন খুবই ভালো লাগে।

কবি লিখে গিয়েছেন-
"যেদিন আমি হারিয়ে যাব,
বুঝবে সেদিন বুঝবে,
অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে - বুঝবে সেদিন বুঝবে।"
কবি, সত্যি আজ আমরা তোমাকে বুঝতেছি কিংবা হয়তো এখনো বুঝে উঠতে পারি নাই।

21/08/2026

আপনি কি কখনো কাউকে বিশ্বাস করে একটি ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করে দিয়েছিলেন?
#ব্যবসায়িক লেনদেন, ঋণের নিশ্চয়তা কিংবা নিছক বিশ্বাসের জায়গা থেকে অনেকেই ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করে দেন। পরবর্তীতে সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ চেকের গায়ে নিজের ইচ্ছামতো টাকার অংক, তারিখ বা প্রাপকের নাম বসিয়ে আদালতে দ্য নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় মামলা করে বসেন। ফলে নিরপরাধ মানুষও ফেঁসে যান দীর্ঘ মামলার জালে।

তবে সুখবর হলো—মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ এমন হয়রানির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন, যা ভুক্তভোগীদের জন্য একটি বড় ঢাল হয়ে উঠতে পারে।

একটি চেকে সাধারণত থাকে স্বাক্ষর, তারিখ, প্রাপকের নাম আর টাকার অংক (সংখ্যায় ও কথায়)। বাস্তবে দেখা যায়, চেকের স্বাক্ষরটি হয়তো আসামির নিজের, কিন্তু ভেতরের অন্য লেখাগুলো—তারিখ, নাম কিংবা টাকার অংক—সম্পূর্ণ ভিন্ন হাতের লেখা এবং ভিন্ন কালিতে করা। অর্থাৎ চেকটি আসামি নিজে পূরণ করেননি, করেছেন অন্য কেউ। এখানেই আসে এ.এইচ. এরশাদুল হক বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য (৭৫ ডিএলআর, ৪৪৭) মামলার গুরুত্ব। হাইকোর্ট বিভাগ এই মামলায় স্পষ্ট করে বলেছেন—

চেক দাতা (ড্রয়ার) নিজে সম্পূর্ণ চেকটি না লিখলে এবং অন্য কেউ পরে অংক, তারিখ বা নাম বসিয়ে দিলে, আর সেখানে হাতের লেখায় স্পষ্ট গরমিল থাকলে, মামলার প্রাথমিক অনুমান ভেঙে যায়।

সহজ কথায়—শুধু স্বাক্ষর মিললেই মামলা টিকবে, এমন ভাবার সুযোগ নেই। বাকি লেখাগুলোর সঙ্গে অসংগতি থাকলে গোটা মামলার ভিত্তিই নড়ে যেতে পারে।

দ্য নেগোসিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ৮৭ ধারায় বলা আছে, চেকদাতার সম্মতি বা স্বাক্ষর ছাড়া যদি চেকের মূল বিষয়বস্তুতে—যেমন টাকার অংকে—কোনো পরিবর্তন বা সংযোজন করা হয়, যা চেকের মূল চরিত্র বদলে দেয়, তাহলে সেই চেকটি আইনি দৃষ্টিতে বাতিল বলে গণ্য হয়। আইনের ভাষায় একে বলে "বস্তুগত পরিবর্তন" বা Material Alteration।

অর্থাৎ, কেউ যদি ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নিয়ে পরে নিজের সুবিধামতো অংক বসিয়ে দেন, সেই চেক দিয়ে ফৌজদারি মামলা চালানোর আইনগত ভিত্তি থাকে না।

সাধারণত ১৩৮ ধারার মামলায় আদালত প্রাথমিকভাবে ধরে নেয় যে, চেকটি বৈধ দেনা পরিশোধের জন্যই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যখনই আসামি হাতের লেখায় অসংগতি বা চেকে কাটাকাটি-ঘষামাজার প্রমাণ দেখাতে পারেন, তখন প্রমাণের দায়িত্ব ঘুরে যায় বাদীর ঘাড়ে।

চেকটি কেন আসামি নিজে পূরণ করেননি? তাহলে চেকের ভেতরের লেখাগুলো কার হাতে লেখা? অন্য কেউ চেক পূরণ করলে তার জন্য আসামির সুনির্দিষ্ট অনুমতি ছিল কি না? এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে মামলার ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়ে।

সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা অনুযায়ী হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ বা ফরেনসিক প্রতিবেদনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চেকের ভেতরের লেখা ও কালিতে যদি ফরেনসিক পরীক্ষায় গরমিল ধরা পড়ে, তা মামলার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দিতে পারে।

তবে মনে রাখা জরুরি, ফরেনসিক রিপোর্টই একমাত্র নির্ধারক নয়—আদালত সামগ্রিক সাক্ষ্য-প্রমাণ ও পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

যারা এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন বা পড়তে পারেন, তাদের জন্য কিছু সতর্কতা ও করণীয়।

কখনোই সম্পূর্ণ ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করবেন না। প্রয়োজনে টাকার অংক ও তারিখ নিজ হাতে লিখে দিন। মামলায় জড়ালে আইনজীবীর মাধ্যমে হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞের মতামত (ফরেনসিক পরীক্ষা) চেয়ে আবেদন করুন।
জেরার সময় বাদীকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন—চেকের ভেতরের লেখা কার হাতে, চেকটি কি আপনার সামনে পূরণ হয়েছিল? প্রয়োজনে পাল্টা ব্যবস্থা নিন। অনুমতি ছাড়া চেকে পরিবর্তন প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় জালিয়াতির মামলা করার সুযোগও থাকে।

চেক-সংক্রান্ত মামলা মানেই আসামির দোষী হওয়া নয়। হাতের লেখার অসংগতি, বস্তুগত পরিবর্তন এবং ফরেনসিক প্রমাণ একটি মামলাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে পারে। ৭৫ ডিএলআর ৪৪৭ নজিরটি এই বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জন্য একটি শক্তিশালী আইনগত হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

তবে প্রতিটি মামলার তথ্য-প্রমাণ ভিন্ন হয়, তাই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

লেখক: seraj.pramanik

20/08/2026

মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা পেল সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির আওতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে।
পরিপত্রে বলা হয়, সুনির্দিষ্ট কয়েকটি আইনের অধীন দায়ের করা মামলাগুলোর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস যাতে সমাধান করতে পারে, সে বিষয়ে প্রধান বিচারপতি অনুমোদন দিয়েছেন।
যেসব আইনের মামলায় এই আপস-মীমাংসার পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে সেগুলো হলো—পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ৫ নম্বর ধারা; পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর ৫ নম্বর ধারা; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ও ৪ নম্বর ধারা; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(গ) ধারা; দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩৫৪, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৮১, ৪০৬, ৪১৭, ৪২০, ৪৯৪, ৫০০, ৫০১ ও ৫১১ নম্বর ধারা; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৮, ৯, ১২, ৩৯, ৪২ ও ৫৪ নম্বর ধারা এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ নম্বর ধারা।

20/08/2026
20/08/2026

ওয়ারেন্ট (Warrant) বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কী?

ওয়ারেন্ট বলতে সাধারণভাবে আদালত কর্তৃক জারি করা লিখিত আইনগত আদেশকে বোঝায়। এর মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তল্লাশি পরোয়ানাসহ বিভিন্ন ধরনের warrant রয়েছে।

বাংলাদেশে ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত প্রধান বিধান রয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898)-এ।

১. গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কী?

কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইন অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির করার জন্য আদালত যে লিখিত আদেশ জারি করেন, সেটিই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বা Warrant of Arrest।

২. গ্রেপ্তারি পরোয়ানার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭৫ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা লিখিত হতে হবে, presiding officer-এর স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং আদালতের seal থাকতে হবে।

৩. ওয়ারেন্ট কতদিন কার্যকর থাকে?

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা শুধু সময় অতিবাহিত হওয়ার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না।

যে আদালত ওয়ারেন্ট জারি করেছে, সেই আদালত তা বাতিল না করা পর্যন্ত অথবা ওয়ারেন্ট কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকে।

৪. ওয়ারেন্ট কার্যকরের সময় কী হবে?

ধারা ৮০ অনুযায়ী, ওয়ারেন্ট কার্যকরকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তি গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তিকে ওয়ারেন্টের মূল বিষয়বস্তু জানাবেন এবং তিনি চাইলে ওয়ারেন্ট দেখাতেও হবে।

৫. তল্লাশি পরোয়ানা কী?

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং তল্লাশি পরোয়ানা এক বিষয় নয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৬ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো document বা thing খুঁজে বের করার জন্য অথবা কোনো inquiry, trial বা proceeding-এর উদ্দেশ্যে search বা inspection-এর প্রয়োজন হলে আদালত search warrant জারি করতে পারেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ওয়ারেন্ট জারি হওয়া মানেই তার প্রকৃতি বা আইনগত ফলাফল সব ক্ষেত্রে একই নয়। কোন আদালত, কোন পরিস্থিতিতে এবং কী আইনগত ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট জারি করেছে.

19/08/2026

সয়েল টেস্ট, Soil Test) কী সয়েল টেস্ট হলো জমির মাটির শক্তি, প্রকারভেদ, বহন ক্ষমতা, ভূগর্ভস্থ স্তর (strata), পানির স্তর (water table) ইত্যাদি নির্ণয়ের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এটি যেকোনো বিল্ডিং, ব্রিজ বা ভারী কাঠামো নির্মাণের আগে মাটি কতটা লোড বহন করতে পারবে তা জানতে করা হয়।
🧪 সয়েল টেস্টে কি কি পরীক্ষা করা হয়?

1. Field Test (জমিতে পরীক্ষা)
✔️ SPT – Standard Pe*******on Test
মাটির ঘনত্ব, শক্তি ও bearing capacity বের করা হয়।
✔️ Bore Hole Drilling
মাটির স্তর অনুযায়ী স্যাম্পল সংগ্রহ।
✔️ Water Table Measurement
মাটির নিচে পানির স্তর কোথায় আছে।

2. Laboratory Test (ল্যাবে পরীক্ষা)
ড্রিলিং থেকে নেওয়া soil sample ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়।
✔️ Moisture Content Test – মাটিতে পানির পরিমাণ
✔️ Atterberg Limits (LL, PL, PI) – মাটির প্লাস্টিসিটি
✔️ Grain Size Analysis – মাটির কণা আকার
✔️ Specific Gravity
✔️ Direct Shear Test / Triaxial Test – shear strength
✔️ Compaction Test (Proctor Test) – optimum moisture, density
✔️ Unconfined Compression Test (UCC)

🛠️ SPT (Standard Pe*******on Test) বিস্তারিত

SPT হলো সবচেয়ে ব্যবহৃত field test, যেটা দ্বারা মাটির ঘনত্ব ও শক্তি নির্ণয় করা হয়।
🔧 SPT কিভাবে করা হয়?
1. জমিতে 100mm, 150mm, 200mm depth করে একটি bore hole করা হয়।
2. একটি split spoon sampler মাটিতে ঢোকানো হয়।
3. 63.5 kg (140 lb) হ্যামার 75 cm height থেকে ফেলে sampler কে মাটির ভেতর ঢোকানো হয়।
4. প্রথম 15 cm pe*******on কে seating মানা হয় — এর blow count ধরা হয় না।
5. পরের দুইটি 15 cm pe*******ons এর blow count যোগ করে N-value পাওয়া যায়।
📌 SPT N-Value = (2nd 15cm blows) + (3rd 15cm blows)

উদাহরণ:
1st 15 cm → 8 blows (seating)
2nd 15 cm → 12 blows
3rd 15 cm → 16 blowsআসসালামু আলাইকুম। সয়েল টেস্ট, Soil Test) কী সয়েল টেস্ট হলো জমির মাটির শক্তি, প্রকারভেদ, বহন ক্ষমতা, ভূগর্ভস্থ স্তর (strata), পানির স্তর (water table) ইত্যাদি নির্ণয়ের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।
এটি যেকোনো বিল্ডিং, ব্রিজ বা ভারী কাঠামো নির্মাণের আগে মাটি কতটা লোড বহন করতে পারবে তা জানতে করা হয়।
🧪 সয়েল টেস্টে কি কি পরীক্ষা করা হয়?

1. Field Test (জমিতে পরীক্ষা)
✔️ SPT – Standard Pe*******on Test
মাটির ঘনত্ব, শক্তি ও bearing capacity বের করা হয়।
✔️ Bore Hole Drilling
মাটির স্তর অনুযায়ী স্যাম্পল সংগ্রহ।
✔️ Water Table Measurement
মাটির নিচে পানির স্তর কোথায় আছে।

2. Laboratory Test (ল্যাবে পরীক্ষা)
ড্রিলিং থেকে নেওয়া soil sample ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়।
✔️ Moisture Content Test – মাটিতে পানির পরিমাণ
✔️ Atterberg Limits (LL, PL, PI) – মাটির প্লাস্টিসিটি
✔️ Grain Size Analysis – মাটির কণা আকার
✔️ Specific Gravity
✔️ Direct Shear Test / Triaxial Test – shear strength
✔️ Compaction Test (Proctor Test) – optimum moisture, density
✔️ Unconfined Compression Test (UCC)

🛠️ SPT (Standard Pe*******on Test) বিস্তারিত

SPT হলো সবচেয়ে ব্যবহৃত field test, যেটা দ্বারা মাটির ঘনত্ব ও শক্তি নির্ণয় করা হয়।
🔧 SPT কিভাবে করা হয়?
1. জমিতে 100mm, 150mm, 200mm depth করে একটি bore hole করা হয়।
2. একটি split spoon sampler মাটিতে ঢোকানো হয়।
3. 63.5 kg (140 lb) হ্যামার 75 cm height থেকে ফেলে sampler কে মাটির ভেতর ঢোকানো হয়।
4. প্রথম 15 cm pe*******on কে seating মানা হয় — এর blow count ধরা হয় না।
5. পরের দুইটি 15 cm pe*******ons এর blow count যোগ করে N-value পাওয়া যায়।
📌 SPT N-Value = (2nd 15cm blows) + (3rd 15cm blows)

উদাহরণ:
1st 15 cm → 8 blows (seating)
2nd 15 cm → 12 blows
3rd 15 cm → 16 blows
👉 N = 12 + 16 = 28

📊 SPT N-Value দিয়ে কী নির্ণয় করা হয়?

1. Soil Density / Consistency
N-value Soil Condition
0–4 Very loose (বিপজ্জনক)
4–10 Loose
10–30 Medium dense
30–50 Dense
>50 Very dense

2. Allowable Bearing Capacity (qᴀll)
Empirical formula ব্যবহার করে বিভিন্ন soil-এ allowable bearing capacity নির্ণয় করা হয়।

উদাহরণ:
Sandy soil → qᴀll ≈ N × 40 – 70 kN/m² (general idea)
ধরুন N-value = 20, soil = medium-dense s
👉 N = 12 + 16 = 28

📊 SPT N-Value দিয়ে কী নির্ণয় করা হয়?

1. Soil Density / Consistency
N-value Soil Condition
0–4 Very loose (বিপজ্জনক)
4–10 Loose
10–30 Medium dense
30–50 Dense
>50 Very dense

2. Allowable Bearing Capacity (qᴀll)
Empirical formula ব্যবহার করে বিভিন্ন soil-এ allowable bearing capacity নির্ণয় করা হয়।

উদাহরণ:
Sandy soil → qᴀll ≈ N × 40 – 70 kN/m² (general idea)
ধরুন N-value = 20, soil = medium-dense s

18/08/2026

একজন মুসলিম কি তার ১০০% সম্পত্তি অসিয়ত (Will) করতে পারেন?

​সংক্ষিপ্ত ও সোজা উত্তর: না, একদমই পারেন না!
​অনেকেই মনে করেন নিজের কষ্টার্জিত সম্পত্তি যাকে ইচ্ছা তাকে অসিয়ত (Will ) এর মাধ্যমে লিখে দেওয়া যায়। কিন্তু ইসলামিক শরিয়াহ এবং বাংলাদেশের মুসলিম আইন অনুযায়ী একজন মুসলিম চাইলেই তার সমস্ত সম্পত্তি অসিয়ত করতে পারেন না।
​এ বিষয়ে আইন ও আদালতের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ নিচে দেওয়া হলো:

​১. আইনি সীমাবদ্ধতা (The 1/3rd Rule)
মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, একজন সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ (১/৩ অংশ) অসিয়ত করতে পারেন।

​ব্যতিক্রম: ১/৩ অংশের বেশি অসিয়ত করলে তা তখনই কার্যকর হবে, যদি অসিয়তকারীর মৃত্যুর পর তার বৈধ ওয়ারিশরা (Heirs) তাতে সম্মতি দেন। ওয়ারিশরা আপত্তি জানালে ১/৩ অংশের অতিরিক্ত অংশ বাতিল হয়ে যাবে।

​২. ওয়ারিশদের নামে অসিয়ত করা যায় না
অসিয়তের সাধারণ নিয়ম হলো—যিনি এমনিতেই আপনার ওয়ারিশ (যেমন: সন্তান, স্ত্রী বা পিতা-মাতা), তার নামে আলাদা করে অসিয়ত করা যায় না। অসিয়ত করতে হয় সাধারণত কোনো অ-ওয়ারিশ (যেমন: এতিমখানা, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, বা দূরসম্পর্কের কোনো আত্মীয় যিনি সম্পত্তি পাচ্ছেন না) তাদের উদ্দেশ্যে।

​ওয়ারিশদের কারো নামে অসিয়ত করলেও বাকি সব ওয়ারিশের সম্মতি বাধ্যতামূলক।

​৩. আদালতের বিখ্যাত নজির (Landmark Precedent)

বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের উচ্চ আদালতের বেশ কিছু বিখ্যাত মামলায় (যেমন: Gulam Mohammad v. Gulam Hussain এবং Faziruddin v. Shahed Ali)

আদালত স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন:
​"একজন মুসলিমের অসিয়ত করার ক্ষমতা সীমিত। শরিয়াহ ও আইনের উদ্দেশ্য হলো মূল ওয়ারিশদের অধিকার সুরক্ষা করা, যেন অসিয়তের মাধ্যমে কোনো আইনি ওয়ারিশকে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না করা হয়।"

​৪. কখন অসিয়ত কার্যকর হয়?
যেকোনো অসিয়ত কার্যকর করার আগে দুটি কাজ করা বাধ্যতামূলক:

১. মৃত্যুর পর অসিয়তকারীর দাফন-কাফনের খরচ পরিশোধ করা।
২. অসিয়তকারীর কোনো ঋণ থাকলে তা পূর্ণাঙ্গ পরিশোধ করা।

এসব মেটানোর পর যে সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকবে, কেবল তার ১/৩ অংশ অসিয়ত অনুযায়ী বণ্টন করা যাবে।
​📌 মূল কথা: নিজের সম্পত্তি হলেও ইচ্ছামতো ১০০% কাউকে অসিয়ত মুলে লিখে দিয়ে আসল ওয়ারিশদের বঞ্চিত করার সুযোগ মুসলিম আইনে নেই। আইন ও শরিয়াহ—উভয়ই ওয়ারিশদের অধিকার রক্ষায় শক্ত প্রাচীর তুলে দিয়েছে!

18/08/2026

স্বামী মারা যাওয়ার পর স্ত্রী আবার বিয়ে করলে কি মৃত স্বামীর সম্পত্তির অধিকার হারাবেন?!!

​এককথায় উত্তর: না, স্ত্রী সম্পত্তির অধিকার হারাবেন না। তিনি মৃত স্বামীর সম্পত্তির যে অংশের আইনি ওয়ারিশ, তা তিনি পূর্ণাঙ্গভাবেই পাবেন—এমনকি পরবর্তীতে আবার বিয়ে করলেও।

​সামাজিক ভুল ধারণা ও আইনের আসল চিত্রটি নিচে তুলে ধরা হলো:
​১. ইসলামিক ফারায়েজ ও পারিবারিক আইন
ইসলামী আইন (এবং বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন) অনুযায়ী, স্বামী মারা যাওয়ার মুহূর্তেই স্ত্রী তাঁর ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী হিসেবে নির্ধারিত হয়ে যান।

​সন্তান থাকলে স্ত্রী পাবেন স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৮ অংশ (আটভাগের একভাগ)।
​সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন ১/৪ অংশ (চারভাগের একভাগ)।
​মৃত স্বামীর ত্যাজ্য সম্পত্তি থেকে স্ত্রীর এই পাওনা একটি অর্জিত অধিকার। পরবর্তীতে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করলেন নাকি আজীবন বিধবা থাকলেন, তার ওপর এই স্বত্ব নির্ভর করে না।

​২. আইনি ও আইনি নজির (Legal Precedents)
​মুসলিম আইন (Muslim Law): উত্তরাধিকার সত্ত্ব হস্তান্তরিত হয় সম্পত্তি মৃত্যুর মুহূর্তে। স্ত্রী যখন স্বামীর মৃত্যুর পর সম্পত্তি লাভ করেন, তখন থেকে তিনি ওই অংশের একক মালিক। তিনি পরবর্তীতে যাকে ইচ্ছা বিয়ে করতে পারেন, এতে তাঁর অর্জিত মালিকানা বাতিল বা বাজেয়াপ্ত হয় না।

​১৮৫৬ সালের হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন vs মুসলিম আইন: অনেকে ভুল করে হিন্দু দায়ভাগ বা বিধবা আইনের কিছু পুরোনো ধারণার সঙ্গে মুসলিম আইনকে গুলিয়ে ফেলেন। মুসলিম পারিবারিক আইনে বিধবা স্ত্রীর পুনর্বিবাহের কারণে পূর্ববর্তী স্বামীর সম্পত্তি হারানোর কোনো সুযোগ বা ধারা নেই।

​৩. বকেয়া দেনমোহর ও ইদ্দতকালীন খোরপোশ
সম্পত্তির ভাগের বাইরেও স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি থেকে নিম্নলিখিত বকেয়া আদায় করতে পারবেন:
​বকেয়া দেনমোহর: স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীর দেনমোহর একটি অগ্রগণ্য ঋণ (Prior Debt) হিসেবে গণ্য হয়। স্বামীর ত্যাজ্য সম্পত্তি থেকে উত্তরাধিকার বন্টনের আগেই স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধ করতে হয়।
​ইদ্দতকালীন খোরপোশ: স্বামী মারা যাওয়ার পর ইদ্দত পালনকালে (৪ মাস ১০ দিন) স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি থেকে খোরপোশ পাওয়ার হকদার।

​সাধারণ ভুল ধারণা ও সত্য:
​ভুল ধারণা: "দ্বিতীয় বিয়ে করলে আগের স্বামীর সব সম্পত্তি বাপের বাড়ি বা শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে ফেরত দিতে হয়।"

​আইনি সত্য: এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও কুসংস্কার। আইন ও শরিয়াহ অনুযায়ী হস্তান্তরিত সম্পত্তি স্ত্রীর ব্যক্তিগত আমানত ও সম্পত্তি। কেউ জোরপূর্বক তা ছিনিয়ে নিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

​আইন জানুন, অধিকার বুঝে নিন এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ান। শেয়ার করে অন্যদের জানিয়ে দিন |
​ #আইনিপরামর্শ #জমিরদলিল #আইনকানুন

18/08/2026

লাইসেন্স পাওয়ার প্রধান শর্তাবলি
আত্মরক্ষা: জীবন বা সম্পত্তির প্রত্যক্ষ ঝুঁকি বা হুমকি রয়েছে—এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে হবে (যেমন: এফআইআর/জিডির কপি, হুমকির চিঠি বা প্রমাণ)। সংবেদনশীল পদ বা সামাজিক অবস্থানের ব্যক্তির ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
ব্যবসা: সোনার দোকান, ব্যাংক, পেট্রোল পাম্পের মতো বড় অংকের নগদ বা মূল্যবান সামগ্রী লেনদেনকারী ব্যবসায়ী হতে হবে (প্রয়োজনীয় নথি: ট্রেড লাইসেন্স, GST রিটার্ন, ITR, বার্ষিক টার্নওভার)।
খেলাধুলা (Sports): রাজ্য/জাতীয় রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের সক্রিয় সদস্য হতে হবে, স্পোর্টস আইডি থাকতে হবে এবং অন্তত ২ বছর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার প্রমাণ থাকতে হবে।
২. বয়সসীমা
সাধারণ/ব্যবসায়িক: সর্বনিম্ন ২১ বছর।
স্পোর্টস ক্যাটাগরি: বিশেষ শর্তে ১২ বছর বা তার বেশি।
৩. যে অস্ত্র নেওয়া যাবে এবং যাবে না
অনুমোদিত: শটগান, একনলা/দুইনলা (SBBL/DBBL) বন্দুক এবং শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট কিছু পিস্তল/রিভলবার (Non-Prohibited Bore)।
নিষিদ্ধ: সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, মেশিনগান, ৩০৩ রাইফেল বা ৭.৬২ এমএম-এর মতো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র।
৪. আবেদন প্রক্রিয়া
পদ্ধতি: এনডিএএল-এএলআইএস পোর্টালের (ndal-alis.gov.in) মাধ্যমে ফর্মে (Form A-1) আবেদন করতে হয়।
যাচাই: আবেদনটি স্থানীয় থানা ও জেলা গোয়েন্দা দপ্তরের (DIB) রিপোর্টে উত্তীর্ণ হওয়ার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেলাশাসকের (DM) কাছে যায়

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Salina huda chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share