FM Builders Legal Solutions

FM Builders Legal Solutions Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from FM Builders Legal Solutions, Property lawyer, Jonson road, Dhaka Judge Court, Dhaka.

"বাণিজ্যিক ভবন ভাড়া"
ফ্ল্যাট/জমি/রাজউক সংক্রান্ত যে কোনো আইনি সমস্যা সমাধানে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
ইনবক্সে এসএমএস করুন অথবা কল করুন।
০১৩০১-৭২০৩০১
০১৯২২-৩০২১৯১

ফ্ল্যাট ক্রয় করার আগে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন কি ? একজন মানুষের নিজের জীবনের ম্যাক্সিমাম উপার্জন দিয়ে নিজের একটি জমি/ফ্ল্...
23/12/2024

ফ্ল্যাট ক্রয় করার আগে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন কি ?
একজন মানুষের নিজের জীবনের ম্যাক্সিমাম উপার্জন দিয়ে নিজের একটি জমি/ফ্ল্যাট ক্রয় করে! কিন্তু অনেকেই রয়েছে সামান্য কিছু টাকা বাঁচাতে যেয়ে নিজের এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বিশাল একটি ঝামেলা ক্রয় করেন।

প্রথমেই দেখতে হবে ফ্ল্যাটের সকল কাগজপত্র ঠিক রয়েছে কি না।
আপনি যে মালিকের থেকে ফ্ল্যাট ক্রয় করছেন সে কিভাবে মালিক হয়েছে। বর্তমান মালিকের মালিকানা বৈধ কি না?

ফ্ল্যাটটি দেশের সকল আইন মেনে নির্মাণ করা হয়েছে কি না। ভবনে বিদ্যুৎ, গ্যাস সহ সকল প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো সংযোগ দেয়া রয়েছে কি না। সব থেকে বেশি যে বিষয়টি প্রয়োজন সেটা হচ্ছে আপনার প্রতিবেশী গুলো কেমন সে বিষয়ে বিস্তর ভাবে জানার চেষ্টা করে ফ্ল্যাট ক্রয় করবেন।

আপনি যদি ঢাকা এবং ঢাকার আশেপাশে যে কোনো এলাকায় ফ্ল্যাট ক্রয়/বিক্রয় করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দ্রুতই ক্রয় বিক্রয় এবং আবাসন বিষয়ে সকল আইনি পরামর্শ পাবেন।
ধন্যবাদ।

✅☎️☎️যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১


#ভূমি
#আইন

আসসালামু আলাইকুম আজ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছি। আপনারা অনেকেই রয়েছেন ঢাকার আশেপাশে যেমন; গাজীপুর, সাভার, কেরান...
16/12/2024

আসসালামু আলাইকুম
আজ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছি। আপনারা অনেকেই রয়েছেন ঢাকার আশেপাশে যেমন; গাজীপুর, সাভার, কেরানীগঞ্জ, ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ এসকল এলাকায় জমি ক্রয় করতে চাচ্ছেন অথবা চাচ্ছেন আপনার জমিটি বিক্রি করতে।
এ জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আপনি চাইলে ইনবক্সে এসএমএস করতে পারেন অথবা আমাদের মোবাইলে কল করতে পারেন।
মোবাইল : ০১৯২২-৩০২১৯১ / ০১৩০১-৭২০৩০১

আমাদের সেবা সমূহ :

🏠 জমি এবং ফ্ল্যাট ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত সেবা
🏠 সকল প্রকার দলিল সম্পাদন
🏠 জমি এবং ফ্ল্যাটের নামজারি ( মিউটেশন )
🏠 জমি বন্টন এবং সীমানা নির্ধারণ
🏠 জমি এবং ফ্ল্যাটের কাগজপত্র যাচাই করণ
🏠 আদালতে জমি এবং ফ্ল্যাট সংক্রান্ত মামলার পরামর্শ পরিচালনা

আপনার সারাজীবনের উপার্জিত অর্থ দিয়ে একটি সম্পদ ক্রয় করবেন; এই মূল্যবান সম্পদ আদও ঝামেলা মুক্ত কি না! আইনি জটিলতা মুক্ত ক...
02/12/2024

আপনার সারাজীবনের উপার্জিত অর্থ দিয়ে একটি সম্পদ ক্রয় করবেন; এই মূল্যবান সম্পদ আদও ঝামেলা মুক্ত কি না! আইনি জটিলতা মুক্ত কি না আপনি জানেন কি ?
নতুন জমি/ফ্ল্যাট ক্রয়, বিক্রয়,হস্তান্তর/ ট্রান্সফার, কাগজপত্র যাচাইকরণ এ জাতীয় সকল আইনি পরামর্শ অথবা সহযোগিতা পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমাদের ইনবক্সে এসএমএস করতে পারেন অথবা কল করুন আমাদের মোবাইল নাম্বারে।
০১৩০১-৭২০৩০১
০১৯২২-৩০২১৯১

#আইন #ফ্ল্যাট #ভূমি

✅✅ফ্ল্যাট কেনার সময় কোন কোন বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখা উচিৎ?ফ্ল্যাট কিনতে যাচ্ছেন? কিন্তু ফ্ল্যাট কেনার আগে আপনি কি নিশ্চি...
23/11/2024

✅✅ফ্ল্যাট কেনার সময় কোন কোন বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখা উচিৎ?

ফ্ল্যাট কিনতে যাচ্ছেন? কিন্তু ফ্ল্যাট কেনার আগে আপনি কি নিশ্চিত হয়েছেন ঝামেলামুক্ত কি না? আসল কথা হচ্ছে ফ্ল্যাটটির যাবতীয় দলিল-দস্তাবেজ এবং জমিজমার সব দলিল সঠিক আছে কি না। বিভিন্ন আবাসন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অফারের ফাঁদে পড়ে আর অসতর্কতার কারণে আপনি সর্বস্বান্ত হয়ে যেতে পারেন। তাই ফ্ল্যাট কেনার আগে কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রেখে আপনাকে যাচাই-বাছাই করে নিতে হবে এবং থাকতে হবে সাবধান।

১. যে প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির ফ্ল্যাটটি কিনতে যাচ্ছেন তার মালিকানা আছে কি না, প্রথমে সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটটি যে জমিতে অবস্থিত, তার সর্বশেষ রেকর্ডে বিক্রয়কারীর নাম উল্লেখ আছে কি না এবং সিএস, আরএসসহ অন্যান্য খতিয়ানের ক্রম মিলিয়ে দেখতে হবে। আর রিয়েল এস্টেট কোম্পানিটির যথাযথ নিবন্ধন আছে কি না এবং রিহ্যাবের সদস্য কি না জেনে নিতে হবে। জমিটি যদি ডেভেলপার কোম্পানি কোনো মালিকের কাছ থেকে নিয়ে থাকে, তাহলে এ সম্পর্কে চুক্তিপত্র আছে কি না যাচাই করতে হবে।

২. জমিটির নামজারি ঠিক আছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। বিক্রয়কারী ওয়ারিশসূত্রে জমির মালিক হয়ে থাকলে বণ্টনের মোকদ্দমা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

৩. জমিটির হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ভূমি কর না দেওয়ার কারণে কোনো সার্টিফিকেট মামলা আছে কি না, এ বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে। জমিটির ওপর অন্য কোনো মামলা আছে কি না, জেনে নিতে হবে।

৪. বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটটি সরেজমিনে নকশার সঙ্গে বাস্তব অবস্থা মিলিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী ভূমিমালিকদের কাছ থেকে দাগ-খতিয়ান জেনে মেলাতে হবে। অবশ্যই স্পষ্ট করে সব শর্ত উল্লেখ করে আইনগত উপায়ে চুক্তি সম্পাদন করে একটি কপি নিজের কাছে রাখতে হবে।

৫. ফ্ল্যাটটির ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকের অনুমোদন আছে কি না এবং এ-সংক্রান্ত সনদ দেখে নিতে হবে। বিদ্যুৎ-সংযোগ আছে কি না এবং তা থাকলে এ বিদ্যুৎ বিল কি বাণিজ্যিক, না আবাসিক, তা যাচাই করে নিতে হবে। গ্যাস-সংযোগ নেওয়ার কথা থাকলে তা আইনগতভাবে নেওয়া হয়েছে কি না দেখতে হবে। যদিও বর্তমানে নতুন ফ্ল্যাটে গ্যাস-সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

৬. প্রস্তাবিত ফ্ল্যাটটি সরকারের খাসজমিতে পড়েছে কি না কিংবা সরকারের কোনো স্বার্থ থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। জমিটি অর্পিত সম্পত্তি কিংবা পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকায় আছে কি না, সেটাও দেখতে হবে। জমিটি আগে কোনো সময়ে অধিগ্রহণ হয়েছে কি না বা প্রক্রিয়াধীন কি না, ওয়াক্ফ, দেবোত্তর অথবা কোর্ট অব ওয়ার্ডসের জমি কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে। জমিটি কখনো খাজনা অনাদায়ের কারণে নিলাম হয়েছে কি না, খোঁজ নিতে হবে।

৭. ঋণের জন্য ফ্ল্যাটটি কোনো ব্যাংকের কাছে বন্ধক আছে কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে।

৮. জমিটির মালিক কোনো আমমোক্তার বা অ্যাটর্নি নিয়োগ করেছে কি না, জেনে নিন। আমমোক্তার সঠিক কি না যাচাই করে দেখতে হবে। বিক্রেতা যদি আমমোক্তারনামার মাধ্যমে ক্ষমতা পেয়ে থাকে, এর বৈধতা যাচাই করতে হবে। প্রকৃত মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখতে হবে প্রকৃত মালিক যথাযথ কি না এবং আমমোক্তারটি যথাযথ হয়েছে কি না।

৯. কোনো প্রকার মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ফ্ল্যাটটি না কিনে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে কেনা ভালো। যদি কিস্তির মাধ্যমে কেনার কথা থাকে, তাহলে কয় কিস্তি এবং হস্তান্তর কবে হবে, এ বিষয়ে সুস্পষ্ট করে চুক্তিনামায় লেখা থাকতে হবে। যদি কোনো কারণে না কেনা যায়, তাহলে এটি কীভাবে নিষ্পত্তি হবে, তা-ও স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে।

১০. ফ্ল্যাটটি এর আগে অন্য কারও কাছে বিক্রি হয়েছে কি না, খোঁজ নিতে হবে। সব ধরনের চার্জ, রেজিস্ট্রেশন ফি এবং দায়দায়িত্ব স্পষ্ট করে
জেনে নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা না হয়।

✅☎️যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

⭕✅ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট কিনতে কত টাকা লাগতে পারে?ঢাকাতে এক কোটি টাকার ফ্লাট আছে আবার ৩৫ লাখ টাকার ফ্লাটও আছে। কথা হচ্ছে আপন...
23/11/2024

⭕✅ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট কিনতে কত টাকা লাগতে পারে?

ঢাকাতে এক কোটি টাকার ফ্লাট আছে আবার ৩৫ লাখ টাকার ফ্লাটও আছে। কথা হচ্ছে আপনি ফ্লাট কোন এলাকায় কিনবেন? কত স্কয়ার ফিটের কিনবেন? ধানমন্ডি বা গুলশান এলাকায় একটি ফ্লাটের দাম এক কোটি টাকা। এক কোটি টাকার উপরেও ফ্লাট আছে। আবার ধরুন, নন্দীপাড়া, গোড়ান, বেড়িবাধ ইত্যাদি এলাকায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকায় ফ্লাট পাবেন।

✅ঢাকা শহরের সবচেয়ে কম দামে কোথায় ফ্ল্যাট কিনতে পাওয়া যাবে?ঢাকা শহর কেন, আপনি ঢাকা শহর শুধু নয় বাংলাদেশের কোথাও আপনি ...
23/11/2024

✅ঢাকা শহরের সবচেয়ে কম দামে কোথায় ফ্ল্যাট কিনতে পাওয়া যাবে?

ঢাকা শহর কেন, আপনি ঢাকা শহর শুধু নয় বাংলাদেশের কোথাও আপনি কম দামে পাবেন না। কারণ মোটামুটি গ্রাম এবং শহর সব জায়গায় জমির দাম প্রায় কাছাকাছি। অন্যদিকে নির্মাণ সামগ্রী যেমন রড, সিমেন্ট, বালু, পাথর এবং লেবার কস্ট সর্বত্রই সমান। সুতরাং কম দামে পাওয়া যাওয়ার সুযোগ নেই।

তবে হ্যাঁ হতাশ হবেন না!
কম দামে ফ্ল্যাট পাওয়ার একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেটি হচ্ছে আপনি যদি শেয়ারে জমি কিনে নিজেরাই ডেভেলপ করেন। এখন হয়তো বলতে পারেন সেটি কীভাবে সম্ভব?

বর্তমানে এ কাজটি অনেকেই করছেন। আমি নিজেও এরকম দু একটি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানি। আমার এক বন্ধু তিনি এভাবে ১০ জন /২৫ জন / ৩০ জন ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি একত্রিত করে জমি ক্রয় করেন। সবার নামে জমি রেজিস্ট্রি করা হয়। এরপর সকলের নিজের ভাগের নির্মাণ খরচ টি দিয়ে ধীরে ধীরে বিল্ডিং তৈরি করা হয়। এভাবে বিল্ডিং তৈরি করলে ৮০ লক্ষ টাকার ফ্ল্যাট ৪0 লক্ষ টাকায় পাওয়া সম্ভব।

✅☎️☎️যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

✅⭕ফ্ল্যাট কেনা হলে কি উক্ত জমির মালিকানাও পাওয়া যায়?আপনি যদি ফ্লাট Developer Companies থেকে ক্রয় এবং জমির মালিকের সাথে ৫...
23/11/2024

✅⭕ফ্ল্যাট কেনা হলে কি উক্ত জমির মালিকানাও পাওয়া যায়?

আপনি যদি ফ্লাট Developer Companies থেকে ক্রয় এবং জমির মালিকের সাথে ৫০% ৫০% তে ভাগ থাকে তাহেলে জমির ও ৫০% মালিকা Company পায় পাওয়ারনামা বলে। ধরুন ৫ কাঠার উপর ৮ তলা বাড়ি করা হলে Company নিচ তলা গ্যারেজ ৫০% এবং মোট ১৪ টা ফ্লাট ৭ টি পাবেসাথ্ জমি ভাগ পাবে ২.৫ কাঠা, চুক্তি মোতাবেক। এখন আপনি developer থেকে একটি ফ্লাট কেনেন তাহলে আপনি ফ্লাট সহ ৫কাঠা জমির ১৪ ভাগের এক ভাগ ০.৩৫৭ কাটা জমির সাফ কবলা দলিল পাবেন। তাই developers companies থেকে ফ্লাট কিনলে, ফ্লাট সহ হারাহারি জমির মালিক হবে। দলিলে ও উল্লেখ থাকবে তাই ফ্লাট ক্রয় করার আগে ভালো ভাবে কাগজ পত্র যাচাই করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে ঝামেলায় পড়তে পারেন।

✅যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

ঢাকা শহরে জমি ও ফ্ল্যাট কেনার সময় মূল দামের সাথে আর কী কী খরচ আছে, যেমন ভূমিকর, রাজস্ব ইত্যাদির বিস্তারিত জানতে চান?প্রথ...
22/11/2024

ঢাকা শহরে জমি ও ফ্ল্যাট কেনার সময় মূল দামের সাথে আর কী কী খরচ আছে, যেমন ভূমিকর, রাজস্ব ইত্যাদির বিস্তারিত জানতে চান?

প্রথমেই আমাদের মত সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে তিল তিল করে টাকা জমিয়ে জীবনের একটা সময় একটি ঠিকানা গড়ে তোলার জন্য যার যার সাধ্যমত এক টুকরো জমি বা বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে চান। আর এখানেই থাকে সর্বস্ব হারাবার ঝুঁকি তাই ভালো ভাবে ভেবে চিন্তে এগোবেন।

জমি/বাড়ি/ফ্ল্যাট কেনার আগে যে সমস্ত বিষয় যাচাই বাছাই করতে হবেঃ

১. প্রথমেই আপনি জমি/বাড়ি বা ফ্ল্যাটটি নিজে সরজমিনে গিয়ে দেখবেন।

২. জমির রাস্তা আছে কিনা , জমির সীমানা যা বলা হয়েছে তা ঠিক আছে কিনা বা সীমানা নির্ধারিত করা আছে কিনা এবং যিনি মালিক জমিটি তার দখলে আছে কিনা এসব বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৩. জমির কাগজ পত্র বা দলিল পত্র দেখবেন। জমির মূল দলিল, সি.এস.পর্চা, আর.এস.পর্চা, সিটি জরিপ, খাজনা, ডি.সি.আর, নামজারি জমা ভাগের প্রস্তাব পত্র, যিনি জমির মালিক তার জাতীয় পরিচয় পত্র এসব নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে রেকর্ড চেক করবেন, খাজনার অফিসে গিয়ে চেক করবেন যে জমির দলিলের মালিকের নামের সাথে সরকারি রেকর্ড ঠিক আছে কিনা।
বাড়ি/জমি ফ্ল্যাটটি যদি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের হয় তবে অবশ্যই সেই অফিসে যেয়ে ভালো ভাবে খোঁজ খবর নিবেন যে সেই অফিসে দলিলের মালিকের নামে নামজারি আছে কিনা।

৪. বাড়ি/জমি/ফ্ল্যাটের মূল মালিকের সাথে কথা বলুন।তিনি কি কি কাজ করে দিবেন তা স্পষ্ট ভাবে বলে নিবেন। যেমন- বাড়ি/জমি ফ্ল্যাটটি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের হলে বেচা বিক্রির আগে সেল পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতি নিতে হয় এবং সেল পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতির জন্য বিক্রেতাকে আবেদন করবেন তারপর সরকারি ফি জমা দিয়ে সেল পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতি নিবেন, দখল বুঝিয়ে দিবেন কি ভাবে, টাকার লেন দেন কি ভাবে হবে ইত্যাদি।

৫. দলিল লেখকের কাছে গিয়ে জেনে নিন দলিল রেজিস্ট্রি খরচ কত হবে।জানার পর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি কিনতে পারবেন তবে পরিকল্পিত ভাবে বাড়ি/জমি/ফ্ল্যাট কেনার কাজটা সেরে ফেলুন।

✅☎️যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

একটি ফ্ল্যাট কেনার আগে ফ্ল্যাটটির কী কী বৈশিষ্ট্য দেখে নিতে হবে?একটু নিজের বাসস্থানের স্থায়ী ব্যবস্থা করার জন্য আমরা অনে...
22/11/2024

একটি ফ্ল্যাট কেনার আগে ফ্ল্যাটটির কী কী বৈশিষ্ট্য দেখে নিতে হবে?

একটু নিজের বাসস্থানের স্থায়ী ব্যবস্থা করার জন্য আমরা অনেক কষ্ট করে, নিজেদের অনেক আনন্দ স্ফূর্তির খরচকে কমিয়ে, সঞ্চয় করি । কিনতু, আমার সুদীর্ঘকাল কর্মজীবনের সুবাদে দেখেছি, অনেকেই ফ্ল্যাট কিনতে গিয়ে, শুধু মাত্র অজ্ঞতার কারণে এবং যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য সারাজীবনের সঞ্চয়কে জলাঞ্জলি দিয়ে নি:স্ব হয়ে গেছেন । জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ।

যদিও আপনি ফ্ল্যাটটির কী কী বৈশিষ্ট দেখে নেয়ার কথা বলেছেন, আমি এখানে সংক্ষিপ্তভাবে ফ্ল্যাট কেনার ব্যাপারে কী কী সতর্কতা বাঞ্ছনীয়, তার উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করছি ।

১ । প্রথমেই দেখতে হবে স্থানটি, অর্থাত্‍ ফ্ল্যাটটি কোথায় । সেখান থেকে হাট বাজার, নিজের কর্মক্ষেত্র, স্কুল,কলেজ, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, হাসপাতাল ইত্যাদির দূরত্ব এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধাগুলো ।

২ । ফ্ল্যাটটি কত তলায় অবস্থিত । একদম উপরের তলায় হলে, অত্যধিক গরমের সময় অসুবিধার কথা মাথায় রাখতে হবে এবং দুই তলার বেশী উঁচুতে হলে, লিফ্টের সুবিধা আছে কি না । পরিপার্শ্বিক পরিবেশ আপনার পরিবারের জন্য অনুকূলে কি না ?

৩। ফ্ল্যাটটি যে ব্যক্তির থেকে কিনছেন, তার মালিকানা সঠিক কি না, নিশ্চিত করার জন্য , প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখে নিতে হবে ।

যদি প্রোমোটার বা ডেভেলাপার থেকে কেনা হচ্ছে, তাহলে যে জমিটির উপর ফ্ল্যাট কেনা হচ্ছে, সেই জমির প্রকৃত মালিকানা কার এবং সরকারী ভাবে সেটা পঞ্জিকৃত আছে কি না, সেটা দেখতে হবে । জমির মালিক এবং ডেভেলাপার মিলে যুক্তভাবে যদি প্রকল্পটি হয়ে থাকে, তবে মালিক এবং ডেভেলাপার এর মধ্যে কি চুক্তিপত্র হয়েছে বিশদে দেখতে হবে এবং বিশেষভাবে দেখতে হবে যে মালিক ডেভেলাপারকে ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য যথাযথ ভাবে কর্তৃত্ব আরোপ করেছেন কি না ? এবং এই চুক্তিপত্রে ফ্ল্যাটের ক্রেতাকে কোনোভাবে অযৌক্তিক শর্তে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে কি না ?

8। যে ফ্ল্যাটটি কিনছেন, বা যে জায়গার উপর ফ্ল্যাটটি কিনছেন সেটি অন্য কোনো ঋণের দায়ে ব্যাংক বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়বদ্ধ আছে কি না ?

এবার আসি ফ্ল্যাটের ক্রেতা বিক্রেতার চুক্তিপত্র সম্পর্কে :

ক্রেতা হিসাবে আপনার উচিত্‍ হবে চুক্তিপত্রটি বার বার পুংখানুপুঙ্খ রূপে দেখে নেয়া ।

এই চুক্তিপত্রে এমন সব শর্তাবলী লেখা থাকে যেগুলি ঠিকভাবে দেখে না নিলে, এই চুক্তিপত্র ক্রেতার জন্য মৃত্যুবানে পরিনত হতে পারে এবং আইনি সহায়তার সুযোগকে নষ্ট করে দিয়ে ক্রেতাকে বিপদে ফেলে দিতে পারে । সেজন্য এই চুক্তিপত্রটি বারংবার পড়ে দেখে নিন এবং অবশ্যই আপনার সুপরিচিত কোনো আইনজীবি (বিক্রেতার নয়) কে দিয়ে দেখিয়ে নিন । যদিও চুক্তি পত্রে অনেক কিছুর উল্লেখ থাকে, যথা ফ্ল্যাটের আয়তন, কমন স্পেস, প্রতি স্কোয়ার ফিট এর মুল্য, ফ্ল্যাটের দাম মেটাবার পদ্ধতি, পজেশন এর সময় সীমা ইত্যাদি, কিনতু, যে বিষয়গুলি ক্রেতাকে খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে, সেগুলি নীচে একটু আলোচনা করছি ।

ক) সাধারণত: চুক্তিপত্রে দেখা যায় যে ফ্ল্যাটের পজেসনের সময়সীমা একটা সময় ধরে দেখিয়ে দেওয়া হয় । সেটা দু বা তিন বছর, কিনতু নির্দিষ্ট সময় দেয়া হয় না । ক্রেতার উচিত্‍ হবে এটা নিশ্চিত করা যে চুক্তিপত্রে যেন এই সময়সীমা যাতে নির্দিষ্ট থাকে যথা কোন বছরের কোন মাসের কোন তারিখের ভেতর ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করা হবে ।

খ) চুক্তিপত্রে এটা উল্লেখ থাকে যে যদি ক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাটের দাম মিটিয়ে না দেন, তাহলে তাকে শতকরা এত হারে সুদ দিতে হবে । কিনতু, এটা লেখা থাকে না যে যদি প্রমোটার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাটটি পুরোপুরি ভাবে হস্তান্তর না করতে পারেন, তাহলে ক্রেতাকে তিনি কি ক্ষতিপূরণ দেবেন ।

গ) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করার সপক্ষে যে শর্তগুলি চুক্তিপত্রে দেখানো হয় , সেগুলি যেমন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য দেরী, শ্রমিক সমস্যার জন্য দেরী, হাতের বাইরে কোনো পরিস্থিতির জন্য দেরী ইত্যাদি। এইগুলি সবই অস্পষ্ট শর্তাবলী ।

কারণ, ধরুন ভূমিকম্পের কারণে যদিও বা ফ্ল্যাটটির নির্মাণে কোনো ক্ষতি হলো না বা শ্রমিকরা কোনো কারণে (যেটাতে ক্রেতার কোনো ভূমিকা নেই) কাজ বন্ধ করে দিলো, তখন ওই সব চাতুরীপূর্ণ শর্তগুলিকে ক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হতে পারে । তারপর, “নিয়ন্ত্রণের বাইরে কোনো পরিস্থিতি” এটা পুরোটাই একটি অস্পস্ট শর্ত । পরিস্থিতির নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন ।

ঘ) ক্রয়-বিক্রয় চুক্তিতে ক্রেতা, বিক্রেতা উভয়ের পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার দায় বাধ্যতামূলক । কিনতু, বাস্তবে দেখা যায় চুক্তির শর্তগুলির অধিকাংশই বিক্রেতার বা প্রমোটারের সপক্ষে থাকে ।

সুতরাং, এই পরিস্থিতিতে ক্রেতার কি করনীয় ?

১ । ফ্ল্যাট কিনতে গিয়ে একদম তাড়াহুড়ো করবেন না ।

২ । প্রমোটার এর কথাগুলির ভালোভাবে বিশ্লেষন করুন ।

৩। অতি অবশ্যই আপনার নিজের পরিচিত একজন দক্ষ আইনজীবিকে আপনার সাথে রাখুন । বিক্রেতা বা প্রমোটারের আইনজীবীকে ভরসা করার আগে দ্বিতীয়বার ভাবুন ।

8। গোগুলে বিভিন্ন আইনি সংস্থার সাইটে ফ্ল্যাট কেনাবেচার চুক্তিপত্র পাওয়া যায় । একবার দেখে নিন ।

কষ্টার্জিত পয়সা দিয়ে বাড়ী বা ফ্ল্যাট কেনা।

পদে পদে সতর্ক থাকুন।

বিপদে পড়ে লড়াই করার চাইতে, বিপদে যাতে পড়তে না হয়, তার জন্য আগাম সতর্কতাই কাম্য।

ধন্যবাদ।

✅যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

✅জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !-----প্রথম উপায়: প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ!  ১) প্রথম ধাপ : প্রথমে  #জমির দাগ...
21/11/2024

✅জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !

-----প্রথম উপায়: প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ!
১) প্রথম ধাপ : প্রথমে #জমির দাগ নাম্বার জানুন।
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা কি দাগ তা নিশ্চিত হোন ?
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা
cs দাগ/SA/MR/MRR/PS, না RS দাগ, না BS/BDRS দাগ নিশ্চিত হোন ।
২) ধাপ ২:দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন।
কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।
৩) ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।
-----কোথায় করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।
আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।
----উপায় ২:-তিনটি ধাপ অনুসরণ করে দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।
🔎 তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -
→সম্ভাব্য সাল।
→ দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।
→ দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।
→ দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!!

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কাজগুলো সঠিকভাবে করলে হারিয়ে যাওয়া দলিল সহজে পাওয়া যাবে। অনেক সময় অসাবধানতা বা দূর্ঘটানাজনিত কারনে মূল্যবান দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়।যেমনঃ- কোন দুর্ঘটনায় বা আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারনে বা বন্যার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মূল্যবান কাগজ বা দলিল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।ঠিক এই সময় হারানো কাগজ ফিরে পাবার জন্য বা কাগজের নকল সংগ্রহ করার জন্য পুলিশের সাহায্য নেয়া যাবে।

আমরা জানি কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে গেলে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি করতে হয়। জিডি করার পর পুলিশ অভিযোগকারীকে জিডির একটা কপি এবং কপির সাথে একটি নম্বর প্রদান করবেন। সেটিকে আপনার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এরপর পুলিশ হারিয়ে যাওয়া কাগজ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বা নকল বা নতুন কাগজপত্র বা দলিল প্রদান করার জন্য অনুমতি প্রদান করবেন।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
উদাহরণঃ-

ধরূণ আপনার বাবা আজিজ পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা জমি ভোগদখল করাকালে ২ বছর পূর্বে মারা যান।আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুর পর এক পুত্র আব্দুল হক প্রামানিক ও এক কন্যা সেলিনা বেগম ওয়ারিশ থাকেন। আপনার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান, এসএ এবং আরএস খতিয়ান এবং আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামের দলিলগুলোর ফটোকপি থাকলেও মূল কাগজপত্র খুঁজে পান নাই ।

মূল কপি কি প্রকারে সংগ্রহ করবেন সে বিষয়টা তুলে ধরা হলোঃ-

আপনি আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুকালে রেখে যাওয়া ঐ সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান ও এসএ এবং আরএস খতিয়ানের জায়গার নকল তোলা কলেক্টরেট অফিস (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) রেকর্ড রুম হতে নির্দিষ্ট জায়গার নকলের ফরমে আবেদন করে জায়গার নকল তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামীয় দলিল ভোলা জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে জায়গার নকল তুলতে পারবেন। আপনি দলিলের ফটোকপি দেখে দলিলের নম্বর অনুসারে জায়গার নকলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় আর ও মাধ্যম
দলিলের নকল (Certified Copy) প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ-

রেজিস্ট্রেশন #আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ১ নং (স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিলের) ও ২ নং (রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করা দলিলের) রেজিস্টার বহি ও ১ নং রেজিস্টার বহি সম্পর্কিত সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারে এবং উক্ত আইনের ৬২ ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে উক্ত দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রহন করতে পারে।
রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(২) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিল সম্পাদনকারী বা তার এজেন্ট এবং সম্পাদনকারীর মৃত্যুর পর যে কোন আবেদনকারী ৩ নং নিবন্ধিত উইলের রেজিস্টার ৩ নং লিপিবদ্ধ বিষয়ের (অর্থাৎ উইল বা অছিয়ত দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি) এবং ৩ নং বহি সম্পর্কিত সূচিপত্রের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৩) ধারা মতে, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিলের সম্পাদনকারী বা দাবীদার ব্যক্তি বা তার এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি ৪ নং বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৪) ধারা মতে, ৩ নং ও ৪ নং বহিতে লিখিত বিষয়ের তল্লাশি, সাব-রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে করা যাবে।

জমির দলিল
জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
কিভাবে দলিল তল্লাশ করবেন?
যদি মূল দলিল থাকে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্টার উল্টোদিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত নম্বর পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছ, তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হয় । এভাবে খুব সহজে সহজেই রেজিস্ট্রি অফিসে থেকে দলিলের নকল উঠানো যায়/পাওয়া যায়।

মূল দলিল না থাকলে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি শেষ হলে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লিখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতা বা অন্য কোন পক্ষের নাম দিয়ে, আর একটি তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।

দলিলের নকল প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলিঃ
রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদে সূচিবহি তল্লাশ ও দলিলের নকলের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী লিপিবদ্ধ আছে।
এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে সকল ক্ষেত্রে তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য কোন ফিস পরিশোধযোগ্য নহে, সে সকল ক্ষেত্র ব্যতিত, সকল ক্ষেত্রে নকলের জন্য আবেদন দাখিল করিবার পূর্বে (৩৬ নং ফরম অনুযায়ী) তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করিতে হইবে। এরপর ৩৭ নং ফরমে নকলের জন্য আবেদন করিতে হইবে।

☎️☎️যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

বাটোয়ারা মামলা’ কী?ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে যার যার প্রাপ্ত স্বত্ব বুঝে নেয়ার প্রক...
20/11/2024

বাটোয়ারা মামলা’ কী?

ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে যার যার প্রাপ্ত স্বত্ব বুঝে নেয়ার প্রক্রিয়াটি হচ্ছে ‘বণ্টন’। স্থানীয় বা পারিবারিকভাবে বণ্টনের আইনগত ভিত্তি তুলনামূলকভাবে দুর্বল। আদালতের মাধ্যমে উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন করে নিলে জটিলতা অনেক কমে। এ জন্য সব শরিককে এখতিয়ারসম্পন্ন দেওয়ানি আদালতে একটি মামলা করতে হয় যা ‘বণ্টন মোকদ্দমা’ বা ‘বাটোয়ারা মামলা’ নামে পরিচিত। ইংরেজিতে একে ‘পার্টিশন স্যুট’ বলা হয়।

সম্পত্তির শরিক দুই ধরনেরঃ

উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক এবং
খরিদ সূত্রে শরিক ।
বাটোয়ারা মামলা করার সময় সকল অংশীদারকে মামলায় পক্ষভুক্ত হতে হবে। কোনো একজন শরিক বাদ থাকলে বণ্টননামা শুদ্ধ হবে না। যদি অংশীদাররা আপস মতে বণ্টন করতে রাজি না হন, সে ক্ষেত্রে যে কোনো অংশীদার বণ্টনের জন্য আদালতে মামলা করতে পারেন।

বাটোয়ারা মামলায় কী কী প্রয়োজন?

প্রথমেই আপনাকে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর শরণাপন্ন হতে হবে। পাশাপাশি সম্পত্তির মালিকানা সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র যেমন ভূমি জরিপ খতিয়ান, নামজারি খতিয়ান, মালিকানা দলিল, উত্তরাধিকার সনদ ইত্যাদি সংগ্রহে রাখতে হবে।

বণ্টনের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জড়িত। যেমনঃ

১/সম্পত্তি পরিমাপ করে অংশীদারদের জমির সীমানা চিহ্নিত করতে হবে এবং বণ্টন তালিকায় প্রত্যেক সহ-মালিকের বরাদ্দকৃত সম্পত্তির উল্লেখ থাকতে হবে।

২/তালিকায় মালিকানার বিভাজন সকল সহ-মালিক কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে।

৩/বণ্টনের বিবরণ সুস্পষ্ট হতে হবে; প্রত্যেকটি তালিকা সহ-মালিকদের কাছ থেকে স্বাক্ষরিত হতে হবে
৪/যথাযথভাবে স্ট্যাম্প শুল্ক দিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে
৫/সহ-অংশীদাররা আপস বণ্টন করে পরবর্তীতে তাদের কেউ তা না মানলে দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করা যায়

৬/বাটোয়ারা মামলায় সাধারণত প্রত্যেক দাগের জমি সব সহ-শরিকের মধ্যে বণ্টিত হয়ে থাকে।

এ ধরনের মামলায় দুইবার দুটি ডিক্রি হয়, যার প্রথমটির নাম প্রাথমিক ডিক্রি আর পরেরটার নাম চূড়ান্ত ডিক্রি। প্রাথমিক ডিক্রিতে হিস্যা অনুযায়ী বণ্টনের আদেশ দেয়া হয়। আর চূড়ান্ত ডিক্রিতে প্রয়োজনে আমিন কমিশন পাঠিয়ে সরেজমিনে সম্পত্তির দখল দেয়া হয় এবং সীমানা পিলার দ্বারা বিভাজন (জমির ভাগ) করার মাধ্যমে চূড়ান্ত ডিক্রি প্রচার করা হয়।

বণ্টন হওয়ার পর করণীয়ঃ

আদালতের মাধ্যমে বণ্টন হওয়ার পর এবং বণ্টন দলিল রেজিস্ট্রি করার পর অবশ্যই নিজ নামে নামজারি, জমাভাগ খতিয়ান করে নিতে হবে। পাশাপাশি খাজনাও প্রদান করতে হবে। মনে রাখতে হবে, নামজারি হচ্ছে সরকারিভাবে সম্পত্তিকে নিজ নামে রেকর্ড করা।

বণ্টনের পরও দখল না পেলেঃ

আদালত থেকে বাটোয়ারা মামলার ডিক্রি পাওয়ার পরও সেই মোতাবেক দখল বুঝিয়ে দেয়া না হলে ‘উচ্ছেদের মামলা’ করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে অংশীদারদের ভয়-ভীতি ও হুমকি দেয়া হলে সংশ্লিষ্ট ও নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা যেতে পারে। ভয়-ভীতি-হুমকি ও জীবননাশের আশঙ্কায় আদালতে ফৌজদারি মামলাও করা যায়।

যোগাযোগ:
এফ এম বিল্ডার্স লিগ্যাল সলুশ্যনস
০১৩০১৭২০৩০১
০১৯২২৩০২১৯১

Address

Jonson Road, Dhaka Judge Court
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FM Builders Legal Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share