Shamim2digit

Shamim2digit মানুষের পক্ষে সব স্বপ্নই পূরণ করা সম্ভব যদি সে যথেষ্ট সাহসী হয়
WaltDisney
চিন্তা এবং কল্পনা শক্তি...

24/01/2025

🔰সাক্ষ্য আইন🔰
সাক্ষ্য আইন-১৮৭২
The Evidence Act, 1872
এক নজরে সাক্ষ্য আইন-
১) সাক্ষ্য আইন প্রণয়ন শুরু হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৮৩৫ সালে।
২) এই আইনের খসড়া তৈরি করেন কে?
উত্তরঃস্যার জেমস স্টিফেন, ১৮৭১ সালে।
৩) বর্তমানের সাক্ষ্য আইন প্রকাশিত হয় কত সালে?
উত্তরঃ১৮৭২ সালের ১৫-ই মার্চ।
৪) এটি বলবৎ বা কার্যকর হয় কখন?
উত্তরঃ১৮৭২ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর।
৫) এটা ১৮৭২ সালের কত নাম্বার আইন?
১ নং আইন।
৬) সাক্ষ্য আইনের ধারা আছে কয়টি?
১৬৭টি
৭) সাক্ষ্য আইনের অধ্যায় আছে কয়টি?
১১টি
৮) সাক্ষ্য আইনের খন্ড আছে কয়টি?
৩টি
৯) এটা কী ধরনের আইন?
পদ্ধতিগত আইন।
১০) সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হয় কোন ক্ষেত্রে?
- দেওয়ানি আদালতে
- ফৌজদারি আদালতে
-সামরিক আদালতে, ১৯১১ সালের কোর্ট মার্শাল আইন অনুযায়ী।
১১) সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হয় না কোন ক্ষেত্রে?
হলফনামার ক্ষেত্রে।
১২) সাক্ষ্য আইনের বিষয়বস্তু কী?
- কি প্রমাণ করতে হবে।
- কোন ধরনের প্রমাণ গ্রহণযোগ্য
- কোন পদ্ধতিতে প্রমাণ করতে হবে।
★Definition Clause
সংজ্ঞার ব্যাখা-
১৩) সাক্ষ্যের সংজ্ঞা আছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
-৩ ধারায়
১৪) সাক্ষ্য কী?
কোনো বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব প্রমাণের জন্য আদালতে উপস্থাপিত কোন
-বিবৃতি
-দলিল বা
-বস্তু
১৫) সাক্ষ্য আইনে কত প্রকার সাক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে?
দুই প্রকার। যথাঃ ১) মৌখিক সাক্ষ্য এবং ২) দালীলিক সাক্ষ্য।
১৬) মৌখিক সাক্ষ্য কত প্রকার?
দুই প্রকার। যথাঃ ১)প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য এবং ২) জনশ্রুত সাক্ষ্য।
১৭)দালীলিক সাক্ষ্য কত প্রকার?
দুই প্রকার। যথাঃ ১) প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং ২) মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
১৮) দলীলের সংজ্ঞা আর কোন কোন আইনে এবং কত ধারায় বলা হয়েছে?
সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারায়, দণ্ডবিধির ২৯ ধারায় এবং জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ৩(১৬) ধারায়।
১৯) যখন কোন বিষয় প্রমাণিত (Proved) বা ভুল প্রমাণিত (Disproved) কোনটাই হয়নি তাকে কী বলে?
-অপ্রমাণিত (Not Proved)।
অনুমান
Presumption
২০) অনুমান সম্পর্কে বলা আছে কত ধারায়?
সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায়।
২১) অনুমান কত প্রকার?
৩ প্রকার। যথাঃ
১) অনুমান করতে পারেন (May Presume)
২) অবশ্যই অনুমান করবেন (Shall Presume)
৩) চূড়ান্ত অনুমান (Conclusive Proof)
Fact, Facts in Issue and Relevant Fact
ঘটনা, বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা
২২) ফ্যাক্ট বা ঘটনার বিষয়বস্তুগুলো কী কী?
- কোনো বস্তুর অবস্থা
- কোনো জিনিস সম্পর্কে ধারণা
-মানসিক অবস্থা
-একজন ব্যক্তি যা শুনেছে, দেখেছে বা বলেছে ইত্যাদি।
-
২৩) Facts In Issue বা বিচার্য বিষয় কত ধরণের?
-দুই ধরনের। যথাঃ ১) তথ্যগত বিচার্য বিষয় এবং ২) আইনগত বিচার্য বিষয়।
২৪) সাক্ষ্য দেওয়া যাবে কেবলমাত্র কত ধারায়?
- ৫ ধারায়।
২৫) সাক্ষ্য দেওয়া যায় কোন কোন বিষয়ে?
১) বিচার্য বিষয় সম্পর্কে এবং ২) প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে।
২৬) বিচার্য এবং প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য নিলে অবশ্যই থাকতে হবে?
- অস্তিত্ব আছে বা
-অস্তিত্ব নেই।
২৭) Doctrine Of Res Gestae এর কথা বলা আছে কত ধারায়?
- ৬ ধারায়।
২৮) সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার প্রাসঙ্গিক বিষয় কী?
- মোটিভ, ম্যালিস,প্রস্তুতি এবং আচরণ। এই বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক বিষয়।
২৯) Test Identification সম্পর্কে বলা আছে কত ধারায়?
-৯ ধারায়।
৩০) সশনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification কী?
অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোন অপরাধী বা সম্পত্তিকে সঠিকভাবে সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া।
৩১) Plea of Alibi কী?
আসামি কর্তৃক দাবি করা যে, সে ঘটনার সময় অন্যত্র ছিলো।
৩২) Plea of Alibi প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- আসামির উপর।
৩৩) Plea Of Alibi সম্পর্কে বলা আছে কত ধারায়?
১১ এবং ১০৩ ধারায়।
৩৪) ক্ষতিপূরণ মামলায় প্রাসঙ্গিকতা বলা আছে?
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারায়।
৩৫) মানসিক এবং শারীরিক অবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনার সম্পর্কিত ধারা কোনটি?
- ১৪ ধারা।
Admission
স্বীকৃতি
৩৬) স্বীকৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে কত ধারায়?
-১৭ ধারায়।
৩৭) স্বীকৃতি কী?
- বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত প্রদান বা অনুমান প্রতিষ্ঠা করা।
৩৮) স্বীকৃতি কিভাবে প্রদান করা যায়?
-১) মৌখিকভাবে ২) লিখিত ভাবে বা ৩) ইশারায়।
৩৯) যাদের বিবৃতি স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হতে পারে তাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে কত ধারায়?
-১৮ ধারায়।
৪০) " মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠাযোগ্য লোকের স্বীকৃতি গ্রহণ করা হবে" কত ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
-১৯ ধারার সঙ্গে।
৪১) যে ব্যক্তি স্বীকার করে বা যার পক্ষ হতে স্বীকার করা হয় তার বিরুদ্ধে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় কী?
-হ্যাঁ, ২১ ধারায় বলা আছে।
৪২) দলীলের বিষয় সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
- ১)মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়ার অধিকার থাকলে
এবং ২) উপস্থাপিত দলীলের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্তাপিত হলে।
৪৩) স্বীকৃতি গ্রহণযোগ্য কাদের?
-মামলার যেকোনো পক্ষের।
Confession
দোষ স্বীকার
৪৪) Confession বা দোষ স্বীকার কী?
- অপরাধের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে দোষ স্বীকার করা।
৪৫) দোষ স্বীকারোক্তি কখন স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য হবে?
-অপরাধ স্বীকার করে, অপরাধের সঙ্গে নিজেকে না জড়ালে।
৪৬) শুধুমাত্র কার নিকট দোষ স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে দন্ড দেওয়া যায়?
-ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট।
৪৭) পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তির কথা বলা হয়েছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
-২৫ ধারায়।
৪৮) ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পুলিশের নিকট স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে কী?
- গ্রহণযোগ্য নয়।
৪৯) পুলিশের নিকট স্বীকারোক্তি ফলে আলামত উদ্ধার হলে ফলাফল কী?
-যতটুকু অংশ উদঘাটিত ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ততটুকু তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে।
৫০) এই সম্পর্কে কত ধারায় বলা হয়েছে?
-২৭ ধারায়।
৫১) প্রতারণা বা মাতাল অবস্থায় স্বীকারোক্তির ফলাফল কী?
- দোষ স্বীকার যদি অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক হয় তাহলে কেবল এই প্রতারণা বা মাতাল হওয়ার কারণে অপ্রাসঙ্গিক হবে না।
৫২) Co-Accuesd বা সহ-আসামির দোষ স্বীকারোক্তির কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
- ৩০ ধারায়।
যাদেরকে আদালতে হাজির করা যায় না তাদের বিবৃতি।
৫৩) Dying Declaration বা মৃত্যুকালীন ঘোষণা কোন ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
-৩২ ধারার সঙ্গে।
৫৪) Dying Declaration করা যায় কিভাবে?
- লিখিতভাবে, মৌখিকভাবে বা ইশারায়।
৫৫) মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করা যায় কার কাছে?
- যেকোনো ব্যক্তির কাছে।
৫৬) এক মামলার যেকোনো বিবৃতি পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে- কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৩৩ ধারায়।
৫৭) "হিসাবের খাতায় ব্যবসার রীতি অনুযায়ী লিখিত বিবৃতি" আদালত গ্রহণ করতে পারেন কখন?
-যখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা সম্ভব না হয়। ধারা ৩৪ অনুযায়ী।
৫৮) "গণ-প্রকৃতিমূলক বিষয়ে পার্লামেন্টের কোনো আইন বা বিজ্ঞপ্তিতে প্রচারিত বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হবে" কত ধারায় বলা হয়েছে?
-৩৭ ধারায়।
৫৯) সরকারের কর্তৃত্বাধীনে প্রকাশিত আইন গ্রন্থের বা আদালতের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট প্রাসঙ্গিক- কত ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- ৩৮
৬০) "এক মামলার রায় পরবর্তী মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক" কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৪০ ধারায়।
৬১) একই বিষয়ে পুনরায় বিচার না করার বিধান কোন কোন আইনে কোথায় বলা হয়েছে?
- ফৌজদারি কার্যবিধির, ৪০৩ ধারায়।
- দেওয়ানি কার্যবিধির, ১১ ধারায়।
- সাক্ষ্য আইনের, ৪০ ধারায়।
- জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের, ২৬ ধারায় এবং
- সংবিধানের, ৩৫(২) অনুচ্ছেদে।
Expert Opinion
বিশেষজ্ঞদের মতামত।
৬২) কারা বিশেষজ্ঞ?
- কোনো বিষয়ে যিনি বিশেষভাবে দক্ষ বা অভিজ্ঞ তিনি বিশেষজ্ঞ।
৬৩) কত ধারায় বলা আছে?
- ৪৫ ধারায়।
৬৪) বিশেষজ্ঞদের অভিমত গ্রহণ করা যেতে পারে কোন বিষয়ে?
- বিজ্ঞান বা চারুকলার প্রশ্নে
- বিদেশি আইনি প্রশ্নে
- হস্তলিপি বা টিপসহি প্রশ্নে।
Character
চরিত্র
৬৫) খারাপ চরিত্র সাক্ষ্য হিসেবে প্রাসঙ্গিক হবে কখন?
- পূর্বে দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হলে।
৬৬) ফৌজদারি মামলায় চরিত্র প্রাসঙ্গিক হবে কখন?
- পূর্বে সৎচরিত্র হলে।
৬৭) চরিত্র সম্পর্কে বলা হয়েছে কত ধারায়?
-৫২-৫৫ ধারায়।
যেসব ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
৬৮) কোন বিষয়গুলো প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
- বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়সমূহ। (ধারা, ৫৬-৫৭)
- স্বীকৃত বিষয়সমূহ। (ধারা-৫৮) এবং
- আইনের মাধ্যমে অনুমানযোগ্য বিষয়সমূহ।(ধারা ৭৯-৯০)
Oral and Documentary Evidence
মৌখিক এবং দালীলিক সাক্ষ্য-
৬৯) মৌখিক সাক্ষ্য সবসময়ই কী রকম হতে হবে?
- প্রত্যক্ষ হতে হবে।
৭০) মৌখিক সাক্ষ্য যদি শোনার ভিত্তিতে হয় তবে কী গ্রহণযোগ্য হবে?
- গ্রহণযোগ্য নয়।
৭১) মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে কত ধারায় বলা হয়েছে?
-৬০ ধারায়।
৭২) দালীলিক সাক্ষ্য কত ধারার সাথে সংশ্লিষ্ট?
- ৬১ ধারার সঙ্গে।
৭৩) দলীলের বিষয়বস্তু কিভাবে প্রমাণ করা যায়?
- প্রাথমিক বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা।
৭৪) প্রাথমিক সাক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
- ৬২ ধারায়।
৭৫) মাধ্যমিক সাক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
- ৬৩ ধারায়।
৭৬) Best Evidence Rule কী?
- প্রাথমিক সাক্ষ্যই হলো Best Evidence Rule.
৭৭) "কোন দলীল যখন কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত বা হাতের লেখায় লিখিত তখন তা প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত দলিল ঐ ব্যক্তিরই হাতের লেখা"-- কত ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- ৬৭ ধারার সঙ্গে।
৭৮) কোন দলীলসমূহ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের জন্য প্রত্যায়ন প্রয়োজন?
- উইল দলীল
- ১০০ টাকার বেশি মূল্যের বন্ধকী দলিল।
- স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র।
৭৯) কোন দলিল সাক্ষ্য হিসেবে প্রমাণের জন্য প্রত্যায়ন প্রয়োজন নেই?
- প্রবেটকৃত উইল দলীল।
- বিরুদ্ধপক্ষ দলিলের সম্পাদনা স্বীকার করলে এবং
- ৩০ বছরের উর্ধ্বে পুরোনো দলিল।
৮০) আইনে যদি কোন দলীল প্রত্যায়ন করার বিধান থাকে তাহলে উহা সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
- ৬৮ ধারা।
Public and Private Documents
সরকারি এবং বেসরকারি দলিল-
৮১) সরকারি দলিলের কথা কত ধারায় বলা আছে?
- ৭৪ ধারা।
৮২) বেসরকারি দলিলের কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
-৭৫ ধারায়।
৮৩) বেসরকারি দলিল কী?
- সরকারি দলিল ছাড়া অন্যান্য সকল দলিল বেসরকারি দলিল।
দলিল সম্পর্কে অনুমান-
৮৪) জাবেদা নকল সঠিকভাবে প্রণীত ও সম্পাদিত কী ধরণের অনুমান?
- Shall Presume অর্থাৎ সঠিক বলে ধরে নিবেন।তবে, খণ্ডনযোগ্য। (৭৯ ধারা)।
৮৫) জজ, ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য সত্য ও সঠিক কোন ধরণের অনুমান?
- Shall Presume অর্থাৎ সঠিক বলে ধরে নিবেন।তবে, খণ্ডনযোগ্য। (৮০ ধারা)।
৮৬) সরকার কর্তৃক প্রণীত মানচিত্র ও জমির নকশা সঠিক কোন ধরণের অনুমান?
- Shall Presume অর্থাৎ সঠিক বলে ধরে নিবেন।তবে, খণ্ডনযোগ্য। (৮৩ ধারা)।
৮৭) আইন আদালতের সিদ্ধান্তের রিপোর্টসমূহ সঠিক কোন ধরণের অনুমান?
- Shall Presume অর্থাৎ সঠিক বলে ধরে নিবেন।তবে, খণ্ডনযোগ্য। (৮৪ ধারা)।
৮৮) বিদেশি বিচার-বিভাগীয় নথিপত্রের সই-মোহর নকল সত্য ও সঠিক কোন ধরণের অনুমান?
- May Presume অর্থাৎ সঠিক বলে ধরে নিবেন।তবে, খণ্ডনযোগ্য। (৮৬ ধারা)।
৮৯) ৩০ বৎসরের পুরাতন দলিলের সম্পাদনা ও প্রত্যায়ন শুদ্ধ কোন ধরণের অনুমান?
- May Presume অর্থাৎ সঠিক বলে ধরে নিবেন।তবে, খণ্ডনযোগ্য। (৯০ ধারা)।
দালীলিক সাক্ষ্য দ্বারা মৌখিক সাক্ষ্য বাতিল
৯০) লিখিত দলিল প্রমাণের কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
-৯১ ধারায়।
৯১) "দলিলের ভাষা অস্পষ্ট ও ত্রুটিযুক্ত হলে তা ত্রুটিমুক্ত করার বা দলিলের ভাষা বুঝার জন্য মৌখিক সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না" কোথায় বলা হয়েছে?
- ৯৩ ধারায়।
৯২) "দলিলের শূন্যস্থান থাকলে শূন্যস্থান কিভাবে পুরণ করার কথা ছিলো" তা বলা থাকলে কী করা যাবে না?
- উক্ত বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
প্রমাণের দায়িত্ব।
Burden Of Proof
৯৩) প্রমাণের দায়িত্ব কত ধারায়?
-১০১ ধারায়।
৯৪) প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ের অস্তিত্ব আছে দাবী করে সে বিষয়ে প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর।
৯৫) মামলায় কোনো পক্ষই সাক্ষ্য না দিলে কার উপর প্রমাণের দায়িত্ব ন্যস্ত হবে?
- যে পক্ষ হেরে যাবে। (১০২ ধারা)
৯৬) কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা প্রমাণের দায়িত্ব তার উপর যে স্বীকার করে তার অস্তিত্ব আছে। কত ধারায় বলা হয়েছে?
-১০৩ ধারায়।
৯৭) সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর ন্যস্ত?
- যে সাক্ষ্য দিতে চায় তার উপর। (১০৪ ধারা)
৯৮) দণ্ডবিধির ব্যতিক্রম প্রমাণের দায়িত্ব আসামীর কত ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
-১০৫ ধারার সঙ্গে।
৯৯) জমিদার ও প্রজার সম্পর্ক প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- যে পক্ষ সম্পর্ক অস্বীকার করে তার উপর। (১০৯ ধারা)
১০০) মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- মালিকানা যে অস্বীকার করে তার উপর। (১১০ ধারা)
১০১) যে ব্যক্তি গত ৩০ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলো, তার মৃত্যু হয়েছে দাবি করলে প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- যে তার মৃত্যু দাবি করেছে তার উপর। (১০৭ ধারা)
১০২) গত ৭ বছর যাবৎ নিখোঁজ ব্যক্তির জীবিত থাকা দাবি করলে প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- যে ব্যক্তি দাবি করেছে যে, সে জীবিত তার উপর। (১০৮ ধারা)
১০৩) সন্তানের জন্মের বৈধতা কিভাবে প্রমাণ করবে?
- বিবাহ স্থির থাকাকালে সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে।
- বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে মাতা অবিবাহিত থাকাবস্থায় সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে। (১১২ ধারা)
১০৪) চোরাইমাল যার কাছে পাওয়া যাবে সে কারণ দর্শাতে না পারলে ধরে নেওয়া হবে যে, সে চোর বা জেনেশুনে চোরাইমাল গ্রহণ করেছে কত ধারায় বলা হয়েছে?
-১১৪ ধারায়।
১০৫) গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ সমর্থিত না হলে দুষ্কর্ম্মের সহচর তা কী ধরণের অনুমান বলে আদালত ধরে নিবে?
- বিশ্বাসের অযোগ্য।
Estoppel
প্রতিবন্ধকতা
১০৬) Estoppel বা প্রতিবন্ধকতা কত ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারার সঙ্গে।
১০৭) স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
-১১৬ ধারায়।
১০৮) "কোনো চেক বা বিল অফ এক্সেঞ্জের স্বীকৃতিদাতা এ কথা বলতে পারবে না যে তার চেক প্রণয়ন বা তাতে পৃষ্ঠাঙ্কন করার ক্ষমতা তার ছিলো না" কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ১১৭ ধারায়।
১০৯) স্টপেলের উপর ভিত্তি করে মামলা দায়ের করা যায় কী?
- না, মামলা দায়ের করা যায় না। তবে Waiver এর উপর ভিত্তি করে মামলা দায়ের করা যায়।
১১০) Estoppel কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
- শুধুমাত্র দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে।
সাক্ষীর যোগ্যতা ও বাধ্যবাধকতা
Witnesses
১১১) কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য কিসের উপর নির্ভর করে?
- তার বোধশক্তির উপর। (সে যেকোনো বয়সের হোক আদালতের প্রশ্ন বুঝতে পারলেই সে সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য ব্যক্তি বলে বিবেচিত হবে)
১১২) সাক্ষীর যোগ্যতা সম্পর্কে বলা আছে কত ধারায়?
- ১১৮ ধারায়।
১১৩) বোবা সাক্ষীর সাক্ষ্য কী গ্রহণযোগ্য?
- হ্যাঁ, বোবা সাক্ষী লিখে বা ইশারায় সাক্ষ্য দিতে পারেন।তবে, তা আদালতের সামনে প্রকাশ্যে দিবেন। (১১৯ ধারা)
১১৪) কোন কোন ক্ষেত্রে সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্যবাধকতা রয়েছে?
- বিচারকের, বিবাহ থাকাকালীন স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে পত্রালাপ, রাষ্ট্রীয় বিষয় প্রকাশ, সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী ও মক্কেলের মধ্যকার যোগাযোগ, আইন উপদেষ্টার সাথে গোপনে পত্রালাপ। এগুলো যথাক্রমে, ১২১, ১২২,১২৩,১২৪,১২৫,১২৬,১২৯ ধারায় বলা হয়েছে।
(নোটঃ উপরে উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে কিছু কিছু শর্ত সাপেক্ষে স্বাক্ষী দেওয়া যাবে)
১১৫) মামলার পক্ষ নহে এইরূপ সাক্ষীর স্বত্বের দলিল দাখিল করলে তার কোনো অপরাধ ধরা পড়ার আশংকা থাকে এমন কোনো দলিল আদালতে দাখিল করতে বাধ্য করা যাবে না। কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ১৩০ ধারায়।
১১৬) দুষ্কর্মের সহযোগীর আসামির সাক্ষীর কথা বলা হয়েছে?
- ১৩৩ ধারায়।
১১৭) সাক্ষীর সংখ্যা কতজন?
- সাক্ষীর সংখ্যা অনির্দিষ্ট। এক বা একাধিক সাক্ষী থাকতে পারেন।(১৩৪ ধারা।)
সাক্ষীগণের সাক্ষ্য গ্রহণ
১১৮) বাদীর আহবানে যারা সাক্ষী দিতে আসে তাদেরকে কী বলে?
- Plaintiff Witness অর্থাৎ বাদীর সাক্ষী।
১১৯) বিবাদীর আহবানে যারা সাক্ষী দিতে আসে তাদেরকে কী বলে?
-Defendant Witness অর্থাৎ বিবাদীর সাক্ষী।
১২০) সাক্ষীর পরীক্ষার কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
- ১৩৭ ধারায়।
১২১) যে পক্ষ সাক্ষী হাজির করে সে পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে কি বলে?
-Examination in Chief অর্থাৎ জবানবন্দি বলে।
১২২) বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে কি বলে?
-Cross Examination অর্থাৎ জেরা বলে।
১২৩) জেরার পর সাক্ষী উপস্থাপনকারী পক্ষ যদি পুনরায় সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে কি বলে?
- Re-examination অর্থাৎ পুনঃজবানবন্দি।
১২৪) সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী সাক্ষীর পরীক্ষা কোন ক্রমানুসারে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
- জবানবন্দি
- জেরা এবং
-পুনঃজবানবন্দি ক্রমানুসারে।
১২৫) Leading Question কী?
- প্রশ্নকারী যে উত্তর প্রত্যাশা করে প্রশ্নের মধ্যে সে উত্তরের ইঙ্গিত দেওয়া থাকলে সেটাই Leading Question.
১২৬) ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading Question এর কথা বলা হয়েছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
- ১৪১ ধারায়।
Hostile Witness
বৈরী সাক্ষী
১২৭)Hostile Witness বা বৈরী সাক্ষী কারা?
- যে পক্ষ সাক্ষী উপস্থাপন করে সেই সাক্ষী যদি তার বিপক্ষে সাক্ষ্য দেয় বা সত্য গোপন করে তখন উপস্থাপনকারী পক্ষ তাকে বৈরী সাক্ষী ঘোষণা করে।এরাই বৈরী সাক্ষী।
১২৮) বৈরী সাক্ষী সম্পর্কে কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ১৫৪ ধারায়।
Memory Refreshment
স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা
১২৯) Memory Refreshment সম্পর্কে বলা আছে কত ধারায়?
-১৫৯ ধারায়।
১৩০) স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
-১৬১ ধারায়।
আদালত কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা
১৩১) কত ধারা অনুযায়ী আদালতও সাক্ষীকে প্রশ্ন করতে বা কোনো কিছু উপস্থাপন করতে বলতে পারেন?
-১৬৫ ধারা অনুযায়ী।
১৩২) কত ধারার অধীনস্থ বিষয়গুলো আদালত কাউকে প্রশ্নের উত্তর করতে বাধ্য করতে পারবে না?
- ১২১-১৩১ ধারায় অধীনস্থ বিষয়গুলো।
১৩৩) একজন সাক্ষীর আচরণ সংক্রান্ত মন্তব্য প্রাসঙ্গিক হলে তা কে লিপিবদ্ধ করবেন?
- আদালত (বিচারক)।
সংগৃহীত....

24/01/2025

সাক্ষ্য আইন (সংশোধিত) ২০২২
[১৮৭২ সালের ১ নং আইন][১ সেপ্টেম্বর ১৮৭২]

১ ধারা- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, কার্যকর সীমা ও প্রবর্তন।
৩ ধারা- ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ।
প্রাসঙ্গিক বিষয়: বিচার্য বিষয়ঃ
দলিলঃ /
সাক্ষ্যঃ
সাক্ষী: /
প্রমাণিত:
মিথ্যা
প্রমাণিত: অপ্রমাণিত:
ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড কি?
ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেক্ট্রনিক রেকর্ডের প্রমাণ:
ডিজিটাল স্বাক্ষর বা ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর অর্থ কি?
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ কি?
৪ ধারা- বিজ্ঞ আদালত অনুমান করতে পারে, অনুমান করবে, চূড়ান্ত প্রমাণ।
৫ ধারা- বিচার্য্য ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে।
৬ ধারা যে সমস্ত বিষয় একই কার্যের অংশ সেগুলির প্রাসঙ্গিকতা।
৭ ধারা যে সমস্ত বিষয় বিচার্য্য ঘটনায় উপলক্ষ, কারণ বা পরিণাম।
৮ ধারা- উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ।
৯ ধারা প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনার জন্য আবশ্যকীয় ঘটনা।
১০ ধারা- অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ|
১১ ধারা- যে সমস্ত বিষয় অন্যকোন ভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেইগুলি যখন প্রাসঙ্গিক
হয়।
১২ ধারা- যে সমস্ত বিষয় ক্ষতি পূরণের মামলায় আদালত কর্তৃক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলি প্রাসঙ্গিক।
১৩ ধারা- যখন অধিকার বা প্রথা সম্পর্কে প্রশ্ন ওঠে, তখন যে সমস্ত বিষয় প্রাসঙ্গিক।
১৪ ধারা যে সমস্ত বিষয় মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক অবস্থা উপলব্ধির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক।
১৫ ধারা- কোন কাজ আকস্মিক বা ইচ্ছাকৃত এ প্রশ্নে যে সমস্ত বিষয়ের প্রভাব থাকে।
১৬ ধারা ব্যবসার ক্ষেত্রে কোন রীতির অস্তিত্ব যখন প্রাসঙ্গিক।
১৭ ধারা- স্বীকৃতির সংজ্ঞা।
১৮ ধারা-স্বীকৃতি যারা দিতে পারে।
১৯ ধারা- মামলার পক্ষের সহিত যার সম্পর্ক অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে এরূপ ব্যক্তির স্বীকৃতি।
২০ ধারা- মামলার কোন পক্ষ কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তির স্বীকৃতি।
২১ ধারা- যে ব্যক্তি স্বীকার করে বাযার পক্ষ হতে স্বীকার করা হয় তার বিরুদ্ধে স্বীকৃতির প্রমাণ।
২২ ধারা-দলিলের অন্তর্ভুক্ত বিষয় সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক
২২-ক ধারা- যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হয়।
২৩ধারা- দেওয়ানী মামলায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক।
২৪ ধারা প্রলোভন দেখিয়ে, ভীতি প্রদর্শন করে বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করা হলে ফৌজদারী মামলায় যখন তা অপ্রাসঙ্গিক।
২৫ ধারা- পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রমাণ করা যাবে না।
২৬ ধারা- আসামী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবে না।
২৭ ধারা আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য যতখানি প্রমাণ করা যেতে পারে।
২৮ ধারা- প্রলোভন, ভীতি ও প্রতিশ্রুতি জনিত ধারণা অপসারণের পর প্রদত্ত স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক।
২৯ ধারা- স্বীকারোক্তি অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক হলে কেবল গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতির কারণে তা অপ্রাসঙ্গিক হবে না।
৩০ধারা প্রমাণিত যে স্বীকারোক্তি উক্ত স্বীকারোক্তিকারক ও তার সহিত একই অপরাধে যৌথভাবে বিচারাধীন ব্যক্তিকে প্রভাবিত করে তাবিবেচনা।
৩১ ধারা স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নহে, তবে প্রমাণে প্রতিবন্ধ সৃষ্টি করতে পারে।
৩২ ধারা- যে ব্যক্তি মৃত বা নিখোঁজ ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে তার বিবৃতি যে সকল ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
৩৩ ধারা-কোন সাক্ষ্য প্রদত্ত বিবৃতির সত্যতা পরবর্তী মামলায় প্রমাণের জন্য উক্ত সাক্ষ্যে ও প্রাসঙ্গিকতা |
৩৪ ধারা হিসাবের খাতায় লিপিবদ্ধ অথবা ডিজিটাল রেকর্ডে থাকা বিষয় যখন প্রাসঙ্গিক।
৩৫ ধারা কর্তব্য সম্পাদন কালে সরকারি দলিলে লিপিবদ্ধ অথবা ডিজিটাল রেকর্ড আছে এমন বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতা।
৩৬ ধারা- মানচিত্র, চাট ও পরিকল্পনা ও ডিজিটাল রেকর্ডে প্রকাশিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
৩৭ ধারা কোন আইন বা বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণের জ্ঞাতব্য ধরণের বিষয় সম্পর্কিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
৩৮ ধারা- আইন গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত কোন আইন সম্পর্কিত বিবৃতির প্রাসঙ্গিকতা।
৩৯ ধারা- বিবৃতি যখন কোন কথোপকথন, দলিল, গ্রন্থ, ডিজিটাল রেকর্ড অথবা পত্র বা কাগজ সমষ্টির অংশবিশেষ হয় তখন যে সাক্ষ্য দিতে হবে।
৪০ ধারা- দ্বিতীয় মামলার বিচার নিষিদ্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী মামলার রায়ের কপি আদালতে প্রাসঙ্গিক।
৪১ ধারা প্রবেট, এখতিয়ার, ইত্যাদির ক্ষেত্রে কোন রায়ের প্রাসঙ্গিকতা।
৪২ ধারা ৪১ ধারায় উল্লিখিত রায় ব্যতীত অন্য কোন রায়, আদেশ বা ডিক্রীর প্রাসঙ্গিকতা ও পরিণাম।
৪৩ ধারা-৪০ হতে ৪২ পর্যন্ত ধারায় উল্লিখিত রায় ব্যতীত অন্য রায় যখন প্রাসঙ্গিক। ৪৪ ধারা রায় দেওয়ার জন্য প্রবঞ্চনা বা ষড়যন্ত্র বা আদালতের অযোগ্যতা প্রমাণ করা যাইতে পারে।
৪৫ ধারা- বিশেষজ্ঞদের মতামত।
৪৫-ক ধারা- ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক প্রমাণ বা সাক্ষ্যর বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত-
৪৬ ধারা বিশেষজ্ঞের অভিমতের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়।
৪৭ ধারা হস্তক্ষর সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক।
৪৭-ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক।
৪৮ ধারা অধিকার ও প্রথার অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক।
৪৯ ধারা প্রচলিত রীতি, মতবাদ সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক।
৫০ ধারা- আত্মীয়তা সম্পর্কে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক।
৫১ ধারা মতামতের হেতু যখন প্রাসঙ্গিক।
৫২ ধারা- দেওয়ানী মামলায় কথিত আচরণ প্রমাণ করার জন্য চরিত্র অপ্রাসঙ্গিক।
৫৩ ধারা- ফৌজদারী মামলায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
৫৪ ধারা- পূর্ববর্তী অসৎ চরিত্র উত্তরদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নহে।
৫৫ ধারা ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ে চরিত্রের গুরুত্ব।
৫৬ ধারা যে সকল বিষয় বিচারকের দৃষ্টিগোচরে নেওয়ার যোগ্য সেগুলি প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
৫৭ ধারা- যে সকল বিষয় বিচারক হিসেবে জানাতে হবে।
৫৮ ধারা- স্বীকৃতি বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
৫৯ ধারা- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ।
৬০ ধারা- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।
৬১ ধারা- দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণপদ্ধতি।
৬২ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য।
৬৩ ধারা মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
৬৪ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ।
৬৫ ধারা- যে সকল দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে।
৬৫-ক ধারা- ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত প্রমাণের জন্য বিশেষ বিধান।
৬৫-খ ধারা- ডিজিটাল রেকর্ডের গ্রহণযোগ্যতা।
৬৬ ধারা- দলিল উপস্থাপিত করার নোটিশ সংক্রান্ত নিয়মাবলী।
৬৭ ধারা- উপস্থাপিত দলিলের লেখক বা স্বাক্ষরকারী বলে কথিত ব্যক্তির স্বাক্ষর ও
হস্তাক্ষরের প্রমাণ।
৬৭-ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ।
৬৮ ধারা- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ।
৬৯ ধারা- যেক্ষেত্রে সত্যায়নকারী সাক্ষী পাওয়া যায় না, সেক্ষেত্রে প্রমাণ।
৭০ ধারা- সত্যায়িত দলিলের পক্ষ কর্তৃক সম্পাদনের স্বীকৃতি।
৭১ ধারা- সত্যায়নকারী সাক্ষী দলিল সম্পাদন অস্বীকার করলে সেক্ষেত্রে প্রমাণ।
৭২ ধারা যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন নেই উহার প্রমান।
৭৩ ধারা- স্বীকৃত বা প্রমাণিত স্বাক্ষর, হস্তান্তর বা সীলের সহিত অন্য কোন স্বাক্ষর
বা সীলের তুলনা।
৭৩-ক ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করণের প্রমাণ।
৭৩-খ ধারা- স্বীকৃত বা প্রমাণিত হয়েছে এরূপ অন্যান্য সাক্ষ্যের সঙ্গে বস্তুগত বা ফরেনসিক সাক্ষ্যের তুলনা।
৭৪ ধারা সরকারি দলিল।
৭৫ ধারা-বেসরকারি দলিল।
৭৬ ধারা- সরকারি দলিলের প্রত্যায়িত অনুলিপি।
৭৭ ধারা প্রত্যায়িত অনুলিপি উপস্থিত করে দলিল প্রমাণ।
৭৮ ধারা অন্যান্য সরকারি দলিল।
৭৯ ধারা প্রত্যায়িত অনুলিপির শুদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান।
৮০ ধারা- লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপিত দলিল সম্পর্কে অনুমান (বিশুদ্ধ দলিল)।
৮১ ধারা- সরকারি গেজেট, সংবাদপত্র ও অন্যান্য দলিল সম্পর্কে অনুমান।
৮১-ক ধারা- ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসাবে অনুমান।
৮২ ধারা- যে সকল দলিল সীল ও স্বাক্ষর প্রমাণ ব্যতীত গ্রাহ্য হয় সেগুলি সম্পর্কে অনুমান।
৮৩ ধারা- সরকারি কর্তৃত্বাধীনে প্রণীত নকশা বা পরিকল্পনা সম্পর্কে অনুমান।
৮৪ ধারা আইন ও আদালতের সিদ্ধান্তের রিপোর্ট সংকলন সম্পর্কে অনুমান।
৮৫ ধারা- মোক্তারনামা সম্পর্কে অনুমান।
৮৫-ক ধারা- ডিজিটাল ফর্মে চুক্তির অনুমান।
৮৫-খ ধারা- ডিজিটাল রেকর্ড এবং ডিজিটাল স্বাক্ষরের অনুমান।
৮৫-গধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান।
৮৬ ধারা- বিদেশী বিচার বিভাগীয় নথিপত্রের জাবেদা নকল সম্পর্কে অনুমান।
৮৭ ধারা- পুস্তক, মানচিত্র ও চাট সম্পর্কে অনুমান।
৮৮ ধারা- তারবার্তা সম্পর্কে অনুমান।
৮৮-ক ধারা- ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগ সম্পর্কে অনুমান।
৮৯ ধারা- উপস্থাপিত হয় নাই এরূপ দলিলের যথাযথ সম্পাদন সম্পর্কে অনুমান।
৮৯-ক ধারা- ফিজিক্যাল বা ফরেনসিক সাক্ষ্য সম্পর্কে অনুমান।
৯০ ধারা- ৩০ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান।
৯০-ক ধারা- পাঁচ বছরের পুরাতন ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে অনুমান।
৯১ ধারা- চুক্তি, গ্রান্ট বা সম্পত্তি আদান-প্রদানের ব্যাপারে সাক্ষ্য।
৯২ ধারা- মৌখিক চুক্তির সাক্ষ্য বর্জন।
৯৩ ধারা- দ্ব্যর্থবোধক দলিলের ব্যাখ্যা বা সংশোধনের সাক্ষ্য বর্জন।
৯৪ ধারা- বিদ্যমান ঘটনায় দলিলের প্রয়োগের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য বর্জন।
৯৫ধারা- বিদ্যমান বিষয় প্রসঙ্গে অর্থহীন দলিল সম্পর্কে সাক্ষ্য।
৯৬ ধারা- কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে কেবল একজনের প্রতি প্রযোজ্য ভাষা প্রয়োগ সম্পর্কে সাক্ষ্য।
৯৭ধারা- দুইটি বিষয় সমষ্টির মধ্যে একটির প্রতিও যে ভাষা সম্পূর্ণ ও সঠিকভাবে প্রয়োজ্য নহে, উহার একটির প্রতি উহা প্রয়োগ সম্পর্কে সাক্ষ্য।
৯৮ ধারা- অষ্পষ্ট বর্ণলিপি সম্পর্কে সাক্ষ্য।
৯৯ ধারা- দলিলের শর্তবালী পরিবর্তনের চুক্তি সম্পর্কে যে সাক্ষ্য দিতে পারে।
১০০ ধারা উইল সম্পর্কে উত্তরাধিকার আইনের বিধানসমূহ সংরক্ষণ।
১০১ ধারা প্রমাণের দায়িত্ব।
১০২ ধারা প্রমাণের দায়িত্ব যার উপর ন্যস্ত থাকে।
১০৩ ধারা- কোন নির্দিষ্ট বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব।
১০৪ ধারা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য করার জন্য যে বিষয় প্রমাণ করতে হবে তা প্রমাণের দায়িত্ব।
১০৫ ধারা- আসামীর মামলা যে ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে তা প্রমাণের দায়িত্ব আসামীরই।
১০৬ ধারা যে বিষয় বিশেষ কারো অবগতির মধ্যে থাকে তা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির।
১০৭ ধারা- যে ব্যক্তি জীবিত বলে ৩০ বছর যাবৎজ্ঞাত আছে তার মৃত্যু প্রমাণের দায়িত্ব।
১০৮ ধারা- যে ব্যক্তি সম্পর্কে ৭ বছর যাবৎ কোন খবর পাওয়া যায়নি সেযে জীবিত আছে তা প্রমাণের দায়িত্ব।
১০৯ ধারা- অংশীদারগনের মধ্যে, জমিদার ও প্রজার মধ্যে, মালিক ও প্রতিনিধির মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণের দায়িত্ব।
১১০ ধারা- মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব।
১১১ ধারা- যে লেনদেনের ক্ষেত্রে এক পক্ষের সক্রিয় আস্থার সম্পর্ক সেক্ষেত্রে সরল বিশ্বাসের প্রমাণ।
১১২ ধারা- বিবাহ স্থির থাকাকালে সন্তানের জন্মই বৈধ তার চূড়ান্ত প্রমাণ।
১১৪ ধারা- আদালত কতিপয় বিষয়ের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারেন।
১১৫ ধারা- প্রতিবন্ধ।
১১৬ ধারা- প্রজার এবং দখলকারীর অনুমতিক্রমে ব্যবহারকারীর প্রতিবন্ধ।
১১৭ ধারা বরাত চিঠির স্বীকৃতি দাতা, গচ্ছিত গ্রহীতা ও অনুমতিক্রমে ব্যবহারকারীর প্রতিবন্ধ।
১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে বা সাক্ষীর যোগ্যতা।
১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী।
১২০ ধারা- দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং স্বামী-স্ত্রী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রীর সাক্ষ্য।
১২১ ধারা- জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাক্ষ্য।
১২২ ধারা- বিবাহ বজায় থাকাকালীন কথাবার্তা।
১২৩ ধারা- রাষ্ট্রীয় ব্যাপার সম্পর্কে সাক্ষ্য।
১২৪ ধারা সরকারি বার্তার আদান-প্রদান।
১২৫ ধারা- অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে সংবাদ।
১২৬ ধারা- পেশা সম্পর্কিত বার্তা।
১২৭ ধারা-দোভাষী ক্ষেত্রে ১২৬ ধারার প্রয়োগ।
১২৮ ধারা- স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার ফলে সুবিধা পরিত্যক্ত হয় না।
১২৯ ধারা- আইন উপদেষ্টার সহিত গোপন বার্তার আদান প্রদান।
১৩০ ধারা- মামলার পক্ষ নহে এরূপ সাক্ষীস্বত্ত্বের দলিল উপস্থাপন।
১৩১ ধারা- যে দলিল অপর কোন লোকের দখলে থাকলে সে তা উপস্থাপন করতে
অস্বীকার করতে পারত, তা উপস্থাপন।
১৩২ ধারা- কোন প্রশ্নের উত্তর সাক্ষীকে অপরাধের সহিত জড়িত করবে, এই
অজুহাতে সাক্ষীকে উত্তরদান হতে অব্যাহতি দেওয়া যাবেনা।
১৩৩ ধারা- দুষ্কর্মের সহযোগী।
১৩৪ ধারা সাক্ষীর সংখ্যা।
১৩৫ ধারা- সাক্ষীগণকে উপস্থিত করা এবং সাক্ষ্য গ্রহণ করা।
১৩৬ ধারা- বিচারক সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ করবেন।
১৩৭ ধারা- জবানবন্দি, জেরাও পুনঃজবানবন্দি।
১৩৮ ধারা- সাক্ষ্য গ্রহণের নিয়ম।
১৩৯ ধারা- দলিল উপস্থাপনের জন্য আহুত ব্যক্তির জেরা।
১৪০ ধারা- চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষ্য।
১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন।
১৪২ ধারা যখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবেনা।
১৪৩ ধারা- যখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে।
১৪৪ ধারা- লিপিবদ্ধ বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য।
১৪৫ ধারা- পূর্ববর্তী লিখিত বিবৃতি সম্পর্কে জেরা।
১৪৬ ধারা- জেরায় আইনগত প্রশ্ন।
১৪৭ ধারা সাক্ষীকে যখন উত্তর দিতে বাধ্য করা হবে।
১৪৮ ধারা যখন প্রশ্ন করতে হবে এবং সাক্ষী যখন উত্তর দিতে বাধ্য তা আদালত নির্ধারণ করবেন।
১৪৯ ধারা- যুক্তি সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রশ্ন করা যাবে না।
১৫০ ধারা- যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রশ্ন করা হলে সেক্ষেত্রে আদালতের কার্য পদ্ধতি।
১৫১ধারা- অশ্লীল এবং কুৎসাজনক প্রশ্ন।
১৫২ধারা- অপমান বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন।
১৫৩ ধারা- সত্যবাদিতা পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন করা হলে উহার উত্তরের বিরোধিতা করার সাক্ষ্য বর্জন।
১৫৪ ধারা কোন পক্ষ কর্তৃক নিজের সাক্ষীকে প্রশ্ন করা।
১৫৫ ধারা- সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অভিশংসন করা।
১৫৬ ধারা- প্রাসঙ্গিক বিষয় সমর্থন করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন গ্রহণযোগ্য।
১৫৭ ধারা- একই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষীর পরবর্তী সাক্ষ্য সমর্থনের জন্য পূর্ববর্তী সাক্ষ্য প্রমাণ করা যেতে পারে।
১৫৮ধারা- প্রমাণিত যে সকল বিবৃতি ৩২ ও ৩৩ ধারা অনুসারে প্রাসঙ্গিক সেগুলি সম্পর্কে যে সকল বিষয় প্রমাণ করা যেতে পারে।
১৫৯ ধারা- স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করা, সাক্ষী যখন স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য
দলিলের অনুলিপি ব্যবহার করতে পারে।
১৬০ ধারা- ১৫৯ ধারায় উল্লিখিত দলিলে বর্ণিত বিয়ষ সম্পর্কে সাক্ষ্য।
১৬০ ধারা- ১৫৯ ধারায় উল্লিখিত দলিলে বর্ণিত বিয়ষ সম্পর্কে সাক্ষ্য।
১৬১ ধারা- স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত দলিল সম্পর্কে বিরোধী পক্ষের অধিকার।
১৬২ ধারা আদালতে দলিল উপস্থাপন।
১৬৩ ধারা- তলবকৃত এবং নোটিশ মোতাবেক উপস্থাপিত দলিল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া।
১৬৪ ধারা- নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও যে দলিল উপস্থাপন করতে অস্বীকার করা হয়েছে তা সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার।
১৬৫ ধারা- জজ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার বা কিছু উপস্থাপন করার আদেশ দানের ক্ষমতা।
১৬৬ ধারা- জুরি বা এ্যাসেসরগণ কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার ক্ষমতা।
১৬৭ ধারা- অন্যায়ভাবে সাক্ষ্য গ্রাহ্য বা অগ্রাহ্য করা হলে সেজন্য নতুন করে বিচার করা হবে না।

সংগৃহীত

24/01/2025

জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য (Hearsay Evidence)

আদালতে বিবৃতি প্রদানকারী সাক্ষী যা নিজে প্রত্যক্ষ করেনি বা নিজে যা অনুভব করেনি, কিন্তু অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে শুনেছেন বা জেনেছেন এমন কোন ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিলে তাকে জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য বলে। জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য হলো পরোক্ষ কোন উৎস থেকে শোনা বা জানা ও তা আদালতে বিবৃত করা। অন্য কথায়, শোনা সাক্ষ্য হলো জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য । যেমনঃ ক খ-কে হত্যা করার সময় গ, খ-এর চিৎকার শুনতে পেয়েছে। গ-এর থেকে এই ঘটনা গল্পে গল্পে জেনেছে ঘ, চ, ছ। এখন ঘ, চ বা ছ-এর যে কেউ গ এর কাছে খ এর হত্যাকন্ডের ব্যপারে যা শুনেছে তা আদালতে যেয়ে সাক্ষ্য হিসেবে প্রদান করতে চায় তবে, আদালত ঘ, চ বা ছ এর কাউকেই এসব শোনা কথা সাক্ষ্য হিসেবে প্রদান করার অনুমতি দেবেন না। কারণ এগুলো জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে, ‘Doctrine of best evidence’ বা ‘উৎকৃষ্ট সাক্ষ্য মতবাদ’ কে ভঙ্গ করা হবে, যা ন্যায় বিচারে বাধা প্রদান করতে পারে। এজন্য আইনবীদগণ গুটিকয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্যকে গ্রহণ করতে নারাজ। বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩২ ও ৩৩ ধারায় এ ব্যতিক্রমগুলি বর্ণিত রয়েছে।

সাক্ষ্য হচ্ছে আদালতে মামলার একটি অপরিহার্য বিষয়। কোনো মামলার সমাধানে সাক্ষ্যের গুরুত্ব অনেক। বিচার ব্যবস্থায় সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে সাক্ষ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ধারণা। সাক্ষ্যের ওপরই নির্ভর করে বিচারিক প্রক্রিয়ার নির্ভুলতা, নির্ভেজালতা ও ন্যায়পরায়ণতা। একটি মামলার বিচার্য বিষয় প্রমাণের জন্য পক্ষদ্বয়ের দাবিকে প্রমাণ বা অপ্রমাণের জন্য সাক্ষ্য আবশ্যক।

24/01/2025

মৌলিক সাক্ষ্য (Original Evidence)

যে সমস্ত মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য আদালতে আইনত গ্রহণযোগ্য সেসবগুলোকেই মৌলিক সাক্ষ্য বলা হয়। মৌলিক সাক্ষ্য হলো কোন ঘটনা বা ঘটনার প্রমাণ সম্পর্কে সরেজমিনে পাওয়া তথ্য, কোনভাবে অনুলিপি বা পরিবর্তন করা হয়নি এমন তথ্যের প্রাথমিক উত্স। এটি সাক্ষ্যের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং নির্ভরযোগ্য ধরণ। মৌলিক সাক্ষ্যগুলি বস্তুগত হতে পারে, যেমন হত্যার অস্ত্র বা চুরি হওয়া গাড়ি, বা এটি অবস্তুগতও হতে পারে, যেমন সাক্ষীর সাক্ষ্য বা কোনও অপরাধের ভিডিও রেকর্ডিং প্রভৃতি। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, ক খ-কে হত্যা করার সময় গ,খ-এর চিৎকার শুনতে পেয়েছে। আদালতে হাজির হয়ে গ নিজ কানে যে চিৎকার শুনেছে তা জানাবে। এভাবে যা সে নিজে অনুভূত করেছে সেটাই আদালতের কাছে প্রাথমিক সাক্ষ্য হিসেবে মৌলিক সাক্ষ্য।

24/01/2025

শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য (Physical or Forensic Evidence)

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর সর্বশেষ সংশোধনীতে শারীরিক ও ফরেনসিক সাক্ষ্য সংযোজন করা হয়। সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারার বলা আছে, “রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, আইরিস ছাপ এবং পায়ের ছাপ বা অনুরূপ অন্য কোনও উপাদান বা বস্তু সম্পর্কিত সমস্ত উপকরণ বা বস্তু যেগুলো কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিনা তা প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে অথবা কোন অপরাধ ও অপরাধের শিকার বা কোন অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যে সংযোগ বা সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে; এবং কোন বিষয়কে প্রমাণ বা অপ্রমাণ করতে পারবে এমন উপকরণ বা বস্তুকে শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বলা হয়।

24/01/2025

দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary Evidence)

বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, যে সকল দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয় সেসব দলিলকে দালিলিক সাক্ষ্য বলা হয়। দলিল বলতে বোঝায়, কোনও ঘটনা বা বিষয়ের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে এমন কোন লিখিত নথি বা বিবরণ। দালিলিক সাক্ষ্যের কিছু উদাহরণ হলঃ একটি চুক্তির মূল, একটি বিল, একটি জমির দলিল ইত্যাদি।

দালিলিক সাক্ষ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধরনের সাক্ষ্য। এই ধরনের সাক্ষ্য আদালতকে কোনও ঘটনা বা বিষয় সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে যা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রদান করা অসম্ভব বা কঠিন হতে পারে। বাংলাদেশের আইনে দালিলিক সাক্ষ্যকে মৌখিক সাক্ষ্যের চেয়ে কম গ্রহণযোগ্য ধরনের সাক্ষ্য হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

24/01/2025

মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence)

বাংলাদেশের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, বিচার্য বা তদন্তাধীন বিষযয়ে সাক্ষীকে যে সমস্ত বিবৃতি প্রদান করার অনুমতি আদালত দেয় বা সাক্ষীদের যেসব বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয়, সেসব বিবৃতিকে মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়। যেমনঃ একজন ব্যক্তির বক্তব্য যে তিনি একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বা, একজন ব্যবসায়ীর বক্তব্য যে তিনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিয়েছেন।

মৌখিক সাক্ষ্য প্রদানের জন্য সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে হবে এবং তার বক্তব্য শপথ বা প্রতিশ্রুতি সাপেক্ষে দিতে হবে। তবে, মৌখিক সাক্ষ্যের মূল্য নির্ভর করে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর।

মৌখিক সাক্ষ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধরনের সাক্ষ্য। কোনও বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে আদালতকে সরাসরি তথ্য প্রদান করে এই ধরনের সাক্ষ্য।

Address

102/103, Nasiruddin Tower, Kakrail
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamim2digit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share