NS & Associates

Website

NS & Associates Tax and Vat Consultant

15/08/2025

📌 লিমিটেড কোম্পানি কী?
বাংলাদেশে লিমিটেড কোম্পানি হলো একটি আইনগতভাবে নিবন্ধিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, যেখানে মালিকদের দায়বদ্ধতা তাদের বিনিয়োগের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। অর্থাৎ, কোম্পানির কোনো ক্ষতি হলে মালিকের ব্যক্তিগত সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

🎯 কেন লিমিটেড কোম্পানি করবেন?
✔️ আইনগত সুরক্ষা (Legal Protection) – মালিকের দায় সীমিত ।
✔️ ব্যবসার গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি।
✔️ টেন্ডার ও সরকারি প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ।
✔️ ব্যাংক লোন ও বিনিয়োগ পাওয়া সহজ হয়।
✔️ ব্যবসা সম্প্রসারণ ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করা যায়।

🎯 কেন লিমিটেড কোম্পানি করবেন না ?

1️⃣ রেজিস্ট্রেশন খরচ বেশি 💰

একক মালিকানাধীন ব্যবসা বা পার্টনারশিপের তুলনায় লিমিটেড কোম্পানি করতে সরকারি ফি, কাগজপত্র তৈরির খরচ ও আইনজীবী/কনসালটেন্ট ফি অনেক বেশি লাগে।

2️⃣ প্রতি বছর রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক 📑

RJSC-তে প্রতি বছর Annual Return, Audit Report ইত্যাদি জমা দিতে হয়।

3️⃣ অডিট খরচ ও ট্যাক্স জটিলতা 📊

লিমিটেড কোম্পানির অডিট একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দিয়েই করতে হয়।
ট্যাক্স ফাইলিং প্রক্রিয়া জটিল, ব্যক্তিগত ব্যবসার মতো সহজ নয়।

4️⃣ ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণ কমে যায় ⚖️

মালিক যদি একা হন, তবুও কোম্পানিতে কমপক্ষে ২ জন পরিচালক থাকতে হয়।
ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় একাধিক শেয়ারহোল্ডারের মতামত মানতে হয়।

5️⃣ ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য অপ্রয়োজনীয় 🏪

যদি ব্যবসা ছোট আকারে হয় (যেমন দোকান, ট্রেডিং, স্থানীয় সাপ্লাই), সেখানে লিমিটেড কোম্পানি করার ঝামেলা ও খরচের দরকার নেই।

📑 লিমিটেড কোম্পানি করতে যা যা কাগজ লাগে:
1️⃣ 🪪 ন্যাশনাল আইডি কার্ড (NID) – প্রত্যেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারের ।
2️⃣ 🖼️ পাসপোর্ট সাইজ ছবি – প্রত্যেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডারের।
3️⃣ 📝 প্রস্তাবিত নাম (Name Clearance) সনদ – RJSC থেকে নিতে হয়।
4️⃣ 📜 মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন (MOA) – কোম্পানির কাজের উদ্দেশ্য উল্লেখ থাকে।
5️⃣ 📄 আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন (AOA) – কোম্পানি পরিচালনার নিয়ম।
6️⃣ ট্রেজারি চালান – সরকারি ফি জমার রশিদ ( একখ বিকাশ/নগদ অ্যাপস মাধ্যমে জমা দেওয়া যায়)

📞 যোগাযোগ করুন
আপনার ব্যবসা লিমিটেড কোম্পানি করতে চান❓
অল্প সময়ে ঝামেলা ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন সেবা পেতে যোগাযোগ করুন –
📲 http://wa.me/+8801611798908 (WhatsApp)

✍ ঘরে বসে ঝামেলা মুক্তভাবে আপনার ব্যবসার সকল ডকুমেন্ট তৈরী করুন আমাদের দক্ষ টিম দ্বারা ।📜আপনি ঘরে বসে যে সেবাগুলো পাবেন-...
06/10/2024

✍ ঘরে বসে ঝামেলা মুক্তভাবে আপনার ব্যবসার সকল ডকুমেন্ট তৈরী করুন আমাদের দক্ষ টিম দ্বারা ।
📜আপনি ঘরে বসে যে সেবাগুলো পাবেন-
🎯 লিমিটেড ও পার্টনারশিপ কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন ।
🎯 ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ।
🎯 এক্সপোর্ট ও ইম্পোর্ট লাইসেন্স ।
🎯 ভ্যাট/বিন সার্টিফিকেট ।
🎯 মাসিক ভ্যাট রিটার্ন সাবমিট ।
🎯 ট্রেডমার্ক রেজিষ্ট্রেশন ।
🎯 চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি মেম্বারশীপ ।
🎯 নতুন ট্রেড লাইসেন্স (ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি)
🎯 LGED,PWD,HED,PHED,EED,FOOD,BIWTA লাইসেন্স।
📞 যোগাযোগঃ 01611-798908
📧 ই-মেইলঃ [email protected]
🏢 উত্তরা অফিসঃ বাড়ী-০৭, রোড-০৮, ‍সেক্টর-০৯, উত্তরা, ঢাকা
🏢 বিজয়নগর অফিসঃ ইস্টার্ন আরজু, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা







✍ ঘরে বসে ঝামেলা মুক্তভাবে আপনার ব্যবসার সকল ডকুমেন্ট তৈরী করুন আমাদের দক্ষ টিম দ্বারা ।📜আপনি ঘরে বসে যে সেবাগুলো পাবেন-...
26/09/2024

✍ ঘরে বসে ঝামেলা মুক্তভাবে আপনার ব্যবসার সকল ডকুমেন্ট তৈরী করুন আমাদের দক্ষ টিম দ্বারা ।

📜আপনি ঘরে বসে যে সেবাগুলো পাবেন-
🎯 লিমিটেড ও পার্টনারশিপ কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন ।
🎯 ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ।
🎯 এক্সপোর্ট ও ইম্পোর্ট লাইসেন্স ।
🎯 ভ্যাট/বিন সার্টিফিকেট ।
🎯 মাসিক ভ্যাট রিটার্ন সাবমিট ।
🎯 ট্রেডমার্ক রেজিষ্ট্রেশন ।
🎯 চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি মেম্বারশীপ ।
🎯 নতুন ট্রেড লাইসেন্স (ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি)
🎯 LGED,PWD,HED,PHED,EED,FOOD,BIWTA লাইসেন্স।
📞 যোগাযোগঃ 01611-798908
📧 ই-মেইলঃ [email protected]
🏢 উত্তরা অফিসঃ বাড়ী-০৭, রোড-০৮, ‍সেক্টর-০৯, উত্তরা, ঢাকা
🏢 বিজয়নগর অফিসঃ ইস্টার্ন আরজু, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা








26/09/2024
25/09/2024

চেম্বার অব কমার্স মেম্বারশীপ গ্রহন করার উপায়

চেম্বার অব কমার্সের মেম্বারশিপ গ্রহণ করা হলো একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা আপনার ব্যবসার প্রসারে সহায়ক হতে পারে। মেম্বারশিপ গ্রহণ করার জন্য আপনাকে সাধারণত নিম্নোক্ত ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে:

১. সঠিক চেম্বার অব কমার্স নির্বাচন:
প্রথমে আপনাকে আপনার এলাকার বা ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সঠিক চেম্বার অব কমার্স নির্বাচন করতে হবে। সাধারণত, ব্যবসায়ীরা স্থানীয়, আঞ্চলিক, বা শিল্পভিত্তিক চেম্বার অব কমার্সে যোগদান করেন।

২. যোগ্যতা যাচাই:
প্রতিটি চেম্বার অব কমার্সের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকতে পারে, যেমন:
- আপনার ব্যবসার বৈধ রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে।
- আপনার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড চেম্বার অব কমার্সের নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

৩. প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ:
মেম্বারশিপের জন্য আবেদন করতে সাধারণত কিছু নথি প্রয়োজন হয়, যেমন:
- ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স
- প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
- টিআইএন সার্টিফিকেট
- আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল

৪. আবেদনপত্র পূরণ:
চেম্বার অব কমার্সের অফিসে বা তাদের ওয়েবসাইট থেকে মেম্বারশিপ ফর্ম সংগ্রহ করুন। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করুন।

৫. ফি প্রদান:
চেম্বার অব কমার্সের সদস্যপদ গ্রহণ করতে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হয়। এই ফি চেম্বারের উপর নির্ভর করে ভিন্ন হতে পারে। এটি বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি বা এককালীন মেম্বারশিপ ফি হতে পারে।

৬. আবেদন জমা:
পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং নথি চেম্বার অব কমার্সের অফিসে জমা দিন। তারা আপনার আবেদন পর্যালোচনা করবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনাকে ফলাফল জানাবে।

৭. মেম্বারশিপ গ্রহণের নিশ্চিতকরণ:
আপনার আবেদন অনুমোদিত হলে, চেম্বার অব কমার্স আপনাকে সদস্যপদ প্রদান করবে এবং একটি মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট বা আইডি ইস্যু করবে। এছাড়াও, আপনার প্রতিষ্ঠান চেম্বারের সদস্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

৮. মেম্বারশিপ সুবিধা উপভোগ:
মেম্বারশিপ পাওয়ার পর আপনি চেম্বার অব কমার্সের সকল সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন, যেমন:
- নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট
- ব্যবসায়িক পরামর্শ
- ট্রেড শো এবং কনফারেন্সে অংশগ্রহণ
- সরকারি নীতি প্রণয়নে অংশগ্রহণ

মেম্বারশীপ সদস্য হতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
মোবাইল - 01611-798908
উত্তরা অফিসঃ বাড়ী-০৭, রোড-০৮, ‍সেক্টর-০৯, উত্তরা, ঢাকা
বিজয়নগর অফিসঃ ইস্টার্ন আরজু, ৬১, বিজয়নগর, ঢাকা

25/09/2024

**চেম্বার অব কমার্স**
হলো ব্যবসায়ী ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের একটি সংগঠন যা ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে সমর্থন এবং পরামর্শ প্রদান করে। এটি মূলত ব্যবসার উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং সুরক্ষার জন্য কাজ করে। চেম্বার অব কমার্স একটি বেসরকারি সংগঠন, যার সদস্যরা বিভিন্ন শিল্প, ব্যবসা, এবং বাণিজ্যের সাথে যুক্ত থাকে।

চেম্বার অব কমার্সের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো:

**ব্যবসার স্বার্থ রক্ষা:**
এটি স্থানীয় ব্যবসাগুলোর স্বার্থ রক্ষা করে এবং সরকারের কাছে তাদের প্রতিনিধিত্ব করে।

**বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি:**
ব্যবসার মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরির জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও ইভেন্ট আয়োজন করে।

**ব্যবসায়িক পরামর্শ ও সহায়তা:**
চেম্বার অব কমার্স সদস্যদের ব্যবসার বিভিন্ন দিক নিয়ে পরামর্শ প্রদান করে, যেমন— আইনগত পরামর্শ, কর সংক্রান্ত তথ্য, ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট সম্পর্কিত সহায়তা ইত্যাদি।

**প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা:**
ব্যবসায়িক দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে।

**নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম:**
ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য এটি একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে।

চেম্বার অব কমার্স স্থানীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্নভাবে কাজ করতে পারে। প্রতিটি দেশের চেম্বার অব কমার্স ব্যবসার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

23/09/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আজ আমরা নির্মাণ সংস্থা সেবা (এস০০৪) এবং মেরামত বা সার্ভিস সেবা (এস০৩১) এর একটা overlapping বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, ইন শা আল্লাহ।

নির্মাণ সংস্থা সেবার সংজ্ঞার মধ্যে নির্মাণ, মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ maintenance সেবা হলো নির্মাণ সেবা। আবার, নির্মাণ সংস্থা সেবার সংজ্ঞার মধ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ফলস সিলিং, লিফট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ এসি, লিফট, ফলস সিলিং ইত্যাদি কোনো অবকাঠামোর সাথে স্থাপন করার পর তা অবকাঠামোর অংশ হয়ে যায়। তাই, অবকাঠামোর সাথে সংযুক্ত এসি, ফলস সিলিং, লিফট ইত্যাদি যদি মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়, তাহলে তা হবে নির্মাণ সংস্থা সেবা, ৭.৫% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে। এস০৩১ কোডের আওতায় মেরামত বা সার্ভিস হিসাবে ১০% ভ্যাট প্রযোজ্য হবে না।

আশা করি বিষয়টা স্পষ্ট হয়েছে।

ধন্যবাদ এবং শুভ সকাল।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

23/09/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

যাঁরা আমদানি করে বিক্রি করেন অর্থাৎ বাণিজ্যিক আমদানিকারক, তাঁদের ভ্যাট সংক্রান্ত কিছু বিষয় আজ আলোচনা করবো, ইন-শা-আল্লাহ।

অনেকে মনে করেন যে , আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট দিয়েছি , তাই আর ভ্যাট দিতে হবে না । আবার , অনেকে মনে করেন যে, আমদানি পর্যায়ের বেইজ ভেল্যুতে বিক্রি করলে ভ্যাট দিতে হয় না বলে জানতাম। এরকম বিধান আগের ভ্যাট আইনে ছিল। এখন নেই। আবার, অনেকে অপেশাদার পরামর্শকের পাল্লায় পড়ে কিছু লাম্পসাম ভ্যাট জমা দেন। অনেকেই সঠিকভাবে ডকুমেন্টেশন রাখেন না।

এনবিআর-এর সিস্টেমে সকল আমদানি তথ্য রয়েছে। পরবর্তীতে সিস্টেম থেকে তথ্য নিয়ে যখন অডিট করা হয়, তখন নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি হয়। এই জটিলতা সহজেই এড়ানো যেতো যদি বাণিজ্যিক আমদানিকারক একটু ভ্যাট সচেতন হতেন।

যাঁরা আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আগাম কর পরিশোধ করে আসেন, তাঁরা যদি হিসাবপত্র সংরক্ষণ করেন, কোএফিশিয়েনট ঘোষণা দেন এবং রেয়াত নেন, তাহলে তাঁদের প্রদেয় ভ্যাট খুব কম হয়।

সকল বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের অনুরোধ করি, হিসাবপত্র সংরক্ষণ করুন, রেয়াত নিন এবং ঝামেলামুক্ত থাকুন।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

ড. মোঃ আব্দুর রউফ
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NS & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category