Tasawwuf

Tasawwuf Our purpose is to provide trustworthy assistance for all types of student visa, visitor visa, work permit visa, immigration visa, and medical visas.

Our experienced consultants are sincerely committed to fulfill your dreams with. Explore the world with us.

16/08/2026

জানার নাম দ্বীন নয়। মানার নাম দ্বীন।

আবু জাহেল অনেক জ্ঞান ও বিচক্ষণতার অধিকারী ছিলেন। তিনি নবিজীর (সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম) বাণীর সত্যতা বুঝতে পেরেছিলেন ঠিকই। কিন্তু তার মধ্যে মানার যোগ্যতা ছিল না বিধায় সে অহংকার বশত সত্যকে মেনে নিতে পারেনি। সত্যকে বুঝার পরেও তা প্রত্যাখ্যান করার দ্বারা সে এটাই প্রমাণ করেছিল যে প্রকৃত পক্ষে সে ছিল অত্যন্ত বোকা ও মূর্খ। তার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা তার কোন কাজে আসেনি। ইসলামের প্রতি চরম শত্রুতা, অহংকার ও বোকামিপূর্ণ আচরণের কারণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তার নাম পরিবর্তন করে রাখেন আবু জাহেল বা আবু জাহল, যার অর্থ 'মূর্খতার জনক' বা 'মূর্খের বাপ'।

অন্যদিকে হজরত আবু বকর, উমর, উসমান, খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহুম প্রমুখ সাহাবীদের মধ্যে মানার শতভাগ যোগ্যতা ছিল। তাঁরা জনাবে মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের সমস্ত বাণীকে মেনে নিয়েছিলেন এবং রাসুল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের সকল কথার উপর পুংখানুপুঙ্খভাবে আমল করেছিলেন। এরকম মান্য করার যোগ্যতা থাকার ফল সরূপ আল্লাহ্‌র রাসুলের সকল সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম দুনিয়া এবং আখিরাতে অত্যন্ত উঁচু মর্যাদা লাভ করেছিলেন। তাঁরা এমন দামী বনে গিয়েছিলেন যে মহান আল্লাহ্‌ তায়ালা তাঁদরকে কিয়ামত পর্যন্ত সমস্ত মানবজাতির জন্য আদর্শ বানিয়েছেন। তাঁদের মত এত দামী এবং এত উঁচু মর্যাদা আর কেউ কখনও লাভ করতে পারবে না।

বলছিলাম রামিসা নামের বাচ্চা মেয়েটিকে পাশবিকভাবে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করার কথা।আজকে যদি দেশের শতভাগ অপরাধীর সঠিক ব...
24/07/2026

বলছিলাম রামিসা নামের বাচ্চা মেয়েটিকে পাশবিকভাবে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করার কথা।

আজকে যদি দেশের শতভাগ অপরাধীর সঠিক বিচারও হয়, তাহলে কি যার সাথে অপরাধ করা হয়েছে তার যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়া সম্ভব হবে?

শিশু রামিসা ধর্ষনের অপরাধীর যদি প্রকাশ্যে সবচেয়ে কষ্টদায়ক ভাবে শাস্তিও দেয়া হয় তবুও কি সে বাবার মনে যে ভয়াবহ ট্রমার জন্ম নিয়েছে সেটি মুছে ফেলা যাবে? তার চেয়ে বড় কথা, ঐ বাবা কি আর কোনদিন তার মেয়েকে ফিরে পাবে? বাবা-মায়ের অবশ্যই অনেক স্বপ্ন ছিল তাদের মেয়েকে নিয়ে, এই বাবা-মা কি আর কোনদিন স্বপ্ন দেখতে পারবে? উত্তর হচ্ছে, না! অপরাধীকে প্রকৃত শাস্তি দিলেও যার সাথে অপরাধ করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ চলে আসবে না কোনদিনও। শাস্তি দেয়ার দ্বারা ধর্ষিত-নিহত রামিসার বদলে আরেকটি সুস্থ রামিসা কখনই তার বাবা-মায়ের কোলে আর ফিরে আসবে না। রামিসার বাবা-মা, পরিবারের জীবনটা আর কখনই আগের মত হবে না।

আমরা বলি শরীয়াহ আইন চাই, আইনের শাসন চাই। আমরা বলি যে অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি হলে অপরাধ সংঘটিত হবে না, অপরাধ কমে যাবে। অবশ্যই আইনের শাসন বাস্তবায়ন দ্বারা অপরাধকে দমন করা যাবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি প্রকৃতপক্ষে অপরাধকে গোঁড়া থেকে নির্মূল করা যায় কীভাবে? কোন মানুষ আইনের শাস্তির ভয়ে হয়তো আর অপরাধটি প্রকশ্যে করলো না, কিন্তু তার মানবীয় মনে যে অপরাধটি করার ইচ্ছা কিংবা বাসনা জাগেনি সেটি আপনি কীভাবে বন্ধ করবেন, মানুষের অন্তরকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন? প্রকৃতপক্ষে মানুষের মনস্তত্ত্বকে আপনি কীভাবে পরিবর্তন করবেন কিংবা শাসন করবেন? আপনি কি ভেবে দেখেছেন, একজন মানুষের মনে কখন এই রকম চিন্তা আসে যে সে একটা বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ করবে, বা একটা বাচ্চার সাথে খারাপ কিছু করবে? আপনি কি অপরাধের উৎপত্তিস্থল নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন? আপনি কি গোড়ায় হাত দিয়েছেন কখনও?

মানুষের মনস্তত্ত্ব থেকে অপরাধমূলক চিন্তা আসার রাস্তা বন্ধ করতে হলে, রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনবিধানকে চিরায়িত ভাবে গ্রহণ করার কোন বিকল্প নেই। মানুষের জেহেনেও যেন এমন চরম কদাকার জঘন্যতম চিন্তা প্রবেশ না করতে পারে, তাই বন্ধ করে দিতে হবে প্রবেশদার। আর সেটি একমাত্র সম্ভব আল্লাহর রাসূলের দেখানো পথকে অনুসরণের দ্বারা।

আল্লাহর রসূল যেমন ছিলেন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, ঠিক তেমনি ভাবে তিনি ছিলেন কিভাবে মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা যায়, কীভাবে মানুষকে সুখ-শান্তিতে ভরপুর একটি পুত-পবিত্র জিন্দেগি দান করা যায় সেই মেহনত, সেই চেষ্টায় সদা সচেষ্ট। মানুষের মন নামক জায়গাটিকে সবসময়ের জন্য কীভাবে Positivity দিয়ে ভর্তি করে রাখা যায়, কীভাবে মানুষের চরিত্রকে ফেরেশতা সুলভ বানানো যায়। যেভাবে মানুষের দিলকে তৈরি করলে মানুষ খাঁটি মানুষ হয়, সেই মেহনত নবীজি (সাঃ) তাঁর সমগ্র জীবন দিয়ে মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন। যারা নবিজির শিক্ষাকে অক্ষরে অক্ষরে গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা সত্যিকারের মানুষ হতে পেরেছিলে, সেসকল মহাপুরুষ সাহাবায়ে কেরামদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) ইতিহাস আমরা জানি।

তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্বারোপের পাশাপাশি, আমদের নিজেদের মধ্যে এবং সমাজের মধ্যে তাজকিয়া অর্থাৎ আত্মশুদ্ধির যে দায়িত্ব আমাদেরকে দেয়া হয়েছে সেটির প্রতিও সমান গুরুত্বারোপ করে সকলের কঠোরভাবে কাজ করে যেতে হবে। তবেই জাতির অবস্থা গোঁড়া থেকে পরিবর্তন করা সম্ভব। নতুবা শুধুমাত্র আইনের শাসন শতভাগ প্রতিষ্ঠার দ্বারাও অপরাধকে নির্মূল করা সম্ভব হবে না। একইভাবে আইনের শাসন ছাড়া শুধুমাত্র আত্মশুদ্ধির মেহনত দ্বারাও জাতির পরিবর্তন সম্ভব না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অন্তরের আত্মশুদ্ধি উভয়ের জন্যে একত্রে আমাদের চেষ্টা-মেহনত করতে হবে। তবেই প্রকৃতপক্ষে জাতির অবস্থাকে গোঁড়া থেকে পরিবর্তন করা সম্ভব। অনেক ঘটনা এমন হচ্ছে প্রতিনিয়ত যেগুলোর খবর কোন মিডিয়াতে, সংবাদপত্রে আসে না, কোন মামলা হচ্ছে না, বিচারও হচ্ছে না। কিন্তু ঘটনা তো ঘটছে, বিচারের প্রশ্ন তখনই আসে যখন সেটির কোন মামলা হয়, আলোচিত হয়, সামনে আসে।

আজ সমাজে এত এত অন্যায় এর পিছনে অমরা সকলেই দায়ী, আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। এর কারণ, আমাদের প্রত্যেকের উপর একটি বিশেষ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে - সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ এর আমল করার জন্য। এবং বলা হয়েছে মানুষ যদি তার নিজ নিজ জায়গা থেকে এই দায়িত্ব পালন না করে তাহলে সমাজে, জাতির মধ্যে ফিতনা সৃষ্টি হবে, বিপর্যয় নেমে আসবে। স্রস্টা কর্তৃক আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্বগুলো সম্পর্কে আমরা কতটুকুই বা অবগত আছি আর কতখানিই পালন করি? আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্বগুলোর ব্যাপারে আমাদের গাফিলতি, অবহেলা, আর আমাদের সকলের সম্মিলিত বদ-আমল, এই সব কিছু ধীরে ধীরে আমাদের এই সমাজটিকে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। আজকে জাতির এই শোচনীয় অবস্থার জন্য আমরা সকলেই দায়ী এবং চূড়ান্ত দিবসের দিন আমদের সকলকে অবশ্যই মহান আল্লাহ্‌র আদালতে এরজন্য জবাদিহি করতে হবে!

বর্তমান পরিস্থিতে সমগ্র বিশ্বে নিজের ও সমাজের আত্মশুদ্ধি নিয়ে কাজ করার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী ও সফল পন্থা এটি -
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=961465963592602&set=pb.100091876208699.-2207520000&type=3

21/07/2026

আল্লাহ্‌ আপনাকে দুটো সুন্দর চোখ দান করেছেন। এই চোখ দিয়ে আপনি দেখতে পাচ্ছেন। এই চোখ আপনাকে আল্লাহ্‌র দেয়া কত বড় নিয়ামত আপনি কখনও চিন্তা করেছেন? কোনভাবে এই অমূল্য নিয়ামতের শুকরিয়া কি আদায় করেছেন? অনেক মানুষ জন্মগতভাবেই অন্ধ হয়। অনেক মানুষ দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন হওয়ার পরেও বিভিন্ন দুর্ঘটনা, অসুস্থতার কারণে দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। চোখ আল্লাহ্‌ তায়ালার দেয়া কত বড় নেয়ামত এটা একমাত্র ঐ ব্যাক্তির বুঝে আসে যে চোখের আলো পাওয়ার পরেও তা হারিয়েছে।

আপনার চোখ মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার দেয়া এমন বিশাল নেয়ামত যা ভাষায় প্রকাশ সম্ভব না এবং অবশই এক মহামূল্যবান আমানত। Don't take them for granted. বেশি বেশি আল্লাহ্‌র কাছে এই নিয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করুন। আল্লাহ্‌র দেয়া আমানতের খিয়ানত করবেন না, এর সুস্থতার হেফাজত করুন। এর সুস্থতার হেফাজত করা আপনার চোখের ব্যাপারে আল্লাহ্‌র প্রতি আপনার দায়িত্ব। নিজের দায়িত্ব পালন করুন, অবহেলা করবেন না। চোখকে আল্লাহ্‌তায়ালা যেভাবে ব্যবহার করতে বলেছেন সেভাবে ব্যবহার করা শিখুন। আপনার চোখের প্রাণ আছে, একটি সহ্যসীমা আছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিন দেখে কিংবা চোখের উপর প্রচণ্ড চাপ প্রয়োগ করে কোন কাজ করার দ্বারা আপনার চোখের উপর জুলুম করবেন না। ঠিক যেরকম নিঃস্বার্থভাবে চোখ আপনার যত্ন নিচ্ছে, আপনার প্রয়োজনগুলো পূরণ করছে, আপনিও আপনার চোখের দ্বিগুণ যত্ন নিন। আল্লাহ্‌র দেয়া ফ্রি এই নিয়ামতকে নিজের মত যা ইচ্ছা তাই করে ব্যবহার করবেন না। চোখকে বেশি থেকে বেশি ভালো কাজে ব্যবহার করুন।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এই নেয়ামতের কথা বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘তিনি তোমাদের জন্য কান, চোখ ও অন্তর সৃষ্টি করেছেন; তোমরা খুবই অল্প কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।’ (সূরা সাজদাহ-৯)

ইরশাদ হয়েছে, ‘হে নবী! আপনি বলে দিন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদেরকে দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরণ। তোমরা খুব সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাক।’ (সুরা মুলক : ২৩)

চোখ বা দৃষ্টিশক্তির উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে তোমাদের মাতৃগর্ভ থেকে এমন অবস্থায় নির্গত করেছেন যে, তোমরা কিছুই জানতে না। তিনি তোমাদের দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং হৃদয়। যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’ (সুরা নাহল : ৭৮)

আল্লাহ্‌ বলেন, 'আমি কি তার জন্য সৃষ্টি করিনি দুচোখ?' (সূরা আল-বালাদ আয়াত: ৮)

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘দুটি নিয়ামত রয়েছে, যেগুলোর মূল্য মানুষ কিয়ামতের দিন বুঝতে পারবে একটি হলো অবসর, অপরটি হলো সুস্থতা।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬৪১২)
চোখের সুস্থতা ও সক্ষমতা এই দুইয়ের মধ্যে অন্যতম। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে তাঁর দেয়া প্রত্যেকটি নিয়ামত সম্পর্কে গভীর চিন্তা-ফিকির করার তাউফিক দান করুন। আমীন।

The highest achievement for a man in this world is to attain the wealth of pure faith – Iman. We believe you have alread...
07/07/2026

The highest achievement for a man in this world is to attain the wealth of pure faith – Iman. We believe you have already started your journey towards that.

We shall always celebrate the GOAT-level performances that you gifted the world from the past days until today. We love you Cristiano Ronaldo 💖.

May Allah guide you to the truth. أمين

নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এর যুগ ছিল মেডিকেল এর যুগ ,চিকিৎসা শাস্ত্রের যুগ। নবী শোয়েব আলাইহিস সালামের যুগ ছিল এগ্রিকালচার ব...
01/07/2026

নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এর যুগ ছিল মেডিকেল এর যুগ ,চিকিৎসা শাস্ত্রের যুগ।

নবী শোয়েব আলাইহিস সালামের যুগ ছিল এগ্রিকালচার বা কৃষি বিপ্লবের যুগ, কৃষিবিদদের যুগ ছিল।

নবী মুসা আলাইহিস সালাম এঁর সামনে ফিরাউনের বড় রাজত্ব আর শাসনতন্ত্র ছিল।

নবী ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এঁর সামনে নমরুদের বড় রাজত্ব ছিল এবং শাসনতন্ত্র ছিল।

নবী হুদ আলাইহিস সালাম (আদ জাতি) ও নবী সালেহ আলাইহিস সালাম (সামুদ জাতি) এর যুগ ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর যুগ।

দাউদ আলাইহিস সালাম যুদ্ধের পোশাক তৈরি করতেন। তিনি চৌকস যোদ্ধা, সমরবিদ (Military Strategist), সফল রাষ্ট্রনেতা ও ন্যায় পরায়ণ বাদশাহ ছিলেন। আবার তিনি ঈমানের দিক থেকে একজন বহুত বড় নবীও ছিলেন।

দাউদ আলাইহিস সালাম এর ছেলে সুলায়মান আলাইহিস সালাম কে আল্লাহ্‌ তায়ালা সারা বিশ্বব্যাপী হুকুমত তথা রাজত্ব প্রদান করেছিলেন। যার কতৃত্ব জীনদের উপরও ছিল, অনুরূপভাবে পাখি প্রাণীদের উপরও তার রাজত্ব আর হুকুমত ছিল তথা সমস্ত সৃষ্টিজগতের উপরই সুলায়মান আলাইহিস সালামের কতৃত্ব ছিল। আবার নবীদের মধ্য থেকে তিনি অনেক বড় একজন নবিও ছিলেন।

সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর সামনে যে জামানা ছিল সেটা ছিল লিটেরেচার, সাহিত্য বা ভাষা পাণ্ডিত্যের যুগ। সারা বিশ্বের মধ্যে সাহিত্যের লাইনে সব থেকে আগে ছিল তারা।

এখানে উল্লেখ্য যে, নবী মূসা আলাইহিস সালামের জামানায় তৎকালীন মিশরে জাদুবিদ্যার ব্যাপক সম্মান ছিল এবং তারা এটাতে ভীষণ পারদর্শীও ছিল। আমরা অনেকেই জানি একটা সমাজে যখন যে দক্ষতার মর্যাদা সবচেয়ে বেশি থাকে, আল্লাহ্‌ তাঁর নবীদের সে বিষয়ে বিশেষ পারদর্শিতা দান করেন যেন লোকেরা নবীদের বিশিষ্টতা বুঝতে পারেন এবং তাঁর আনুগত্য মেনে নেয়। তাই নবী মূসা আলাইহিস সালামকে এমন মুজিযা দেয়া হয়েছিল যা জাদু বিদ্যাকে হার মানায়। ঈসা আলাইহিস সালামকে দেয়া হয়েছিল অন্ধকে দৃষ্টিশক্তি দান, কুষ্ঠরোগীকে সুস্থ করার ক্ষমতা যা তখনকার মানুষের জন্য এক অভিনব ব্যাপার, যদিও চিকিৎসা বিদ্যায় তাদের সুগভীর জ্ঞান ছিল। আর আমাদের রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠানো হয়েছে কোরআন দিয়ে যার পাতায় পাতায় খুঁজে পাওয়া যায় ভাষাগত অলৌকিকত্ব (liguistic miracle), কারণ তৎকালীন আরবরা তাদের ভাষাগত দক্ষতা নিয়ে অনেক গর্ব করতো।

নবী পয়গম্বরদের সকল যুগেই এ সকল শক্তি আর তাকাত তাদের সামনে ছিল।
আর এই সবগুলোই জরুরাতের জিন্দেগীর, মানুষের জরুরতের সাথে সম্পৃক্ত।

এগ্রিকালচার বা কৃষিকাজ মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। আল্লাহতায়ালা জমিনের মধ্যে বিজ বপনের মাধ্যমে জমিন থেকে অঙ্কুরোদগম করে ফসলের ইন্তেজাম আল্লাহ তায়ালাই করছেন। অনুরূপভাবে ফল-ফসল-শাকসবজি ইত্যাদি এগুলো সব মানুষের প্রয়োজনের জন্য। কৃষিকাজ করা, ক্ষেত-খামার করা কোন খারাপ কাজ নয়। অবশ্যই অবশ্যই অনেক অনেক ভালো কাজ।

কৃষি-ক্ষেত-খামার করার ব্যাপারে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম ফজিলত বাতিয়েছেন, যে ব্যক্তি কৃষক ক্ষেত খামার করবে এই ক্ষেত খামার যে করবে যে সে ব্যক্তি আল্লাহর জিকির করতে করতে এসব উৎপন্ন করবে তাহলে যত মানুষ খাবে তত মানুষ এর ফায়দা পাবে, অথবা এই তামাম খেত সবুজ গাছপালা সব আল্লাহতালার জিকির করতে থাকে আর যতদিন থাকবে এই গাছপালা থাকবে সবুজ খাবার থাকবে যত জিকির করবে এই তামাম জিকিরে যে নেকি হবে তার ফল কৃষক পাবে।

হযরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— কোনো মুসলিম গাছ রোপণ করলে বা ফসল উৎপন্ন করলে তা থেকে যা কিছু খাওয়া হয়, তা ওই ব্যক্তির জন্য সাদকা (দান) হিসেবে গণ্য হবে।

গাছপালা, নদীনালা ও প্রকৃতি সর্বদা আল্লাহর তাসবিহ বা জিকির করতে থাকে। মানুষ বা প্রাণী যখন সেই ফলমূল বা ফসল থেকে উপকৃত হয়, তখন প্রকৃতি ও পরিবেশের সেই ধারাবাহিক জিকিরের নেকির অংশ কৃষকের আমলনামাতেও যুক্ত হয়, কারণ তিনি এর মূল উৎপাদক বা রোপণকারী।

হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— যে ব্যক্তি কোনো পতিত (অনাবাদি) জমি আবাদ করবে, সে এর জন্য পুরস্কৃত হবে এবং তা থেকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে যা কিছু খাওয়া হবে তার বিনিময়ে সে সওয়াব পাবে।

সুতরাং, কৃষিকাজ ও গাছ লাগানো একটি অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যের পেশা, যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ও অপরের খাদ্যের নিশ্চয়তা বিধানের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত সদকার সওয়াব লাভ করতে পারে।

এমনিভাবে মানুষ কখনো সুস্থ থাকে তখন অসুস্থ থাকে। আল্লাহ্‌ তায়ালা মানুষের সুস্থতার জন্য চিকিৎসার বিভিন্ন রকম তরিকা বাতিয়েছেন। যে লোক বা ব্যক্তি চিকিৎসা শাস্ত্র চর্চা করবে, ওষুধ তৈরি করবে, মানুষের সুস্থতার জন্য কাজ করবে, সঠিক সেবা প্রদান করবে, চিন্তা-ভাবনা করে মানুষের সুস্থতার জন্য এগুলা তৈরি করবে, মানুষের জন্য কাজ করবে, চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে, পড়াশুনা করে চিন্তা-ভাবনা করে মানুষের সুস্থতার জন্য এগুলো আঞ্জাম দিবে সে তো অনেক বড় নেকির কাজ করবে। এর দ্বারা মানুষের বড় খেদমতের কাজ হবে। এ তো বহুত বড় সওয়াবের কাজ। এর উপর অনেক অনেক নেকি মিলবে, সওয়াব মিলবে।

এরকমভাবে যত বিষয় আছে দুনিয়াতে, যত সাবজেক্ট আছে এ সমস্ত বিষয়ের উপরে যেগুলো নিয়ে মানুষ পড়াশুনা করে থাকে, মেহনত করে থাকে। এগুলো সবই মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিস।

এসমস্ত প্রয়োজনীয় বিষয়ের উপর পড়াশুনা করা, চিন্তা ফিকির করা এগুলো যদি ঈমানের সাথে হয় তাহলে এগুলো মানুষের জন্য বহুত উপকারী।

মানুষের প্রয়োজনের জন্য যত বিষয় রয়েছে সমস্ত সেক্টরে বা বিভাগে, এসমস্ত বিষয়ের উপর পড়াশুনা করা, অভিজ্ঞতা অর্জন করা, জ্ঞান অর্জন করা খুবই জরুরি আর এই পড়াশুনা, অভিজ্ঞতা অর্জন, কিংবা ব্যাবহারিক জ্ঞান অর্জন যদি ঈমানের সাথে হয় তাহলে আল্লাহর সন্তুষ্টি একজন মানুষ লাভ করতে সক্ষম হবে এবং আল্লাহ্‌ তায়ালার বড় বান্দা বনে যাবে।

খাটি ঈমানের সাথে দুনিয়ার এসকল কায়কারবার এগুলা বহুত বড় উপকারী এবং মহান আল্লাহ্‌ তায়লার সন্তুষ্টির কারণ হয়।

যেরকম রুহের সাথে প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এগুলো উপকারী হয়ে থাকে। একজন মানুষ, তার কত মূল্য, একজন মানুষের মূল্য কত হতে পারে ? একজন মানুষের মূল্য কেউ লাগাতে পারবে, নির্ধারণ করতে পারবে, যে একজন মানুষের এত মূল্য ? মানুষের বহুমূল্য, অমূল্য, মহামূল্যবান একজন মানুষ। কিন্তু যদি মানুষটির দেহ থেকে রুহ বের হয়ে যায়, তাহলে কোন মূল্য থাকে মানুষটির ?

এরকমভাবে দুনিয়াতে দুনিয়ার লাইনে যতকিছু, যেসমস্ত জরুররাতের বিষয় রয়েছে, মানুষের প্রয়োজন বা জরুরত পুরা হওয়ার জন্য যত আসবাব আর যত উপকরণ রয়েছে আর এগুলোকে হাসিল করার জন্য যে সমস্ত বিদ্যা, যে সমস্ত পড়াশুনা, যেগুলোকে আমরা বিভিন্ন নামে পড়ে থাকি, যেগুলোর উপর আমরা মেহনত করে থাকি, যেগুলোর দ্বারা আমরা জীবিকা অর্জন করে থাকি - Business, Computer Science, Medical Science, Literature, Agriculture, Engineering, Militaary science, Law ইত্যাদি এরকম যত ফ্যাকাল্টি রয়েছে, এই তামাম বিষয়ের মূল্য মহান আল্লাহ্‌র কাছে ততক্ষণ, যতক্ষণ এগুলোর সাথে ঈমান থাকবে।

আর যদি ঈমান না থাকে, এগুলোর চর্চা ঈমানের সাথে না হয় তাহলে রুহ ছাড়া দেহ যেরকম মূল্যহীন, তেমনি ঈমান ছাড়াও এগুলো আল্লাহ্‌র কাছে মূল্যহীন সাব্যস্ত হবে।
এজন্য সবথেকে মূল্যবান যে জিনিস, সেটি হচ্ছে ঈমান। এজন্য সমস্ত নবীরা (আলাইহিমুস সালাম) মানুষের সামনে এই ঈমানের কথাই মানুষের সামনে পেশ করেছেন।

আখেরি নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও এসে মানুষের সামনে এই ঈমানের কথাই পেশ করেছেন।

ঈমানের পর যে জিনিসের মূল্য আল্লাহ তায়ালার কাছে সেটি নেক আমলের মূল্য, নেক আমল কি ? নেক আমল সেটি যেটি আল্লাহ্‌ তায়ালা হুকুম করেছেন, নেক আমল সেটি যেটি আল্লাহ্‌ তায়ালা বাতিয়েছেন।

অন্যথায় দুনিয়াতে অনেক এমন কাজ রয়েছে যেগুলো নেকের কাজ না কিন্তু মানুষ সেগুলোকে মানুষ নেক তথা ভালো কাজ বলে থাকে। যেমন মদ পান করার দ্বারা মানুষের দেমাগ বিকৃত হয়ে যায়, এমন মস্তিষ্ক বিকৃতকারী জিনিসকেও মানুষ ভালো কাজ বলে থাকে। আজকের দুনিয়ার মানুষ জুয়া খেলাকেও মানুষ ভালো কাজ মনে করে। আজকে মানুষকে গণহারে হত্যা করাকে, মানুষের উপর বোম্বিং করাকে ভালো কাজ মনে করে।

ভালো কাজের তরিকা, নেক কাজের নামই পরিবর্তন করে ফেলেছে আজকের দুনিয়ার মানুষ। এমনিভাবে আজকের দিনে তরিকা পরিবর্তন করে বিভিন্ন খারাপ কাজকে মানুষ ভাল কাজ হিসেবে পেশ করছে সারা দুনিয়াতে। কিন্তু এই খারাপ কামগুলো যতই তরিকা পরিবর্তন করে ভালো হিসেবে পেশ করা হউক না কেন এই সকল খারাপ কাম কখনও ভালো কাম হবে না। ভালো কাজ ঐটাই যেটা আল্লাহ্‌ তায়ালা হুকুম করেছেন আর নবী মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ বাতিয়েছেন।

ইন্নালাজিনা আমানু ওয়া আমিলু সলিহাত, যারা ঈমান এনেছে আর নেক আমল করেছেন

সূরা আল-কাহফ, আয়াত ১০৭: "নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তাদের আপ্যায়নের জন্য রয়েছে ফিরদাউসের বাগান।

সূরা মারইয়াম, আয়াত ৯৬: "যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, অচিরেই দয়াময় আল্লাহ তাদের জন্য (মানুষের হৃদয়ে) ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন

আজকে যেকোনো ফ্যাকাল্টি টেই আমরা মেহনত করি না কেন, কেউ লো কলেজে, কেউ মেডিকেলে, কেউ ব্যাব সায়, ঐ কাম তাই নেক হিসেবে সাব্যস্ত হবে সেটা হুজুর সা ভালো বলেছেন, ঐ কাম তাই নেক কাজ হিসেবে সাব্যস্ত হবে।

আমরা যে যে বিষয়েই পড়াশুনা করি না কেন, যে ফিল্ডেই মেহনত করি না কেন, যে যে বিষয়ই শিখি বা কাজ করি না কেন, যেমন - Business, Political Science, Military Science Computer Science, Medical Science, Agriculture, Engineering, Law, Literature ইত্যাদি, এগুলো আমাদের জিন্দেগির জরুরাতের সাথে সম্পৃক্ত। এগুলো ছাড়া দুনিয়ার জিন্দেগি চলবে না। এগুলার সাথে আমাদের জিন্দেগিকে সম্পৃক্ত করে দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ্‌ পাকই। এসমস্ত বিষয়গুলো কোনটাই নতুন না। যেমনটি বলেছি পূর্ববর্তী নবীদের যুগে এক এক কওমকে আল্লাহ্‌ তায়ালা এই সমস্ত জিনিসের উপর দক্ষতা আর যোগ্যতা দিয়ে আল্লাহ্‌ তায়ালা পাঠিয়েছেন, আর সেসমস্ত কওমের প্রতি আল্লাহ্‌ তায়ালা নবীদের কে পাঠিয়ে বার বার এই কথাই বোঝাতে চেয়েছেন যে , তোমরা যে সমস্ত দুনিয়ার জরুরতের জিন্দেগির জিনিসের উপর মেহনত করছো, এগুলাকে ছেড়ে দিতে বলি না আমি। এগুলো থেকে তোমাদের বিলকুল ছাড়িয়ে দিতে আমি চাই না। এগুলোকে ভুলে যেতে বলি না, বা এগুলো থেকে পৃথক হতে বলি না। বরং এগুলোর মধ্যে থেকেই আল্লাহ্‌ তায়ালার প্রতি ঈমান নিয়ে আসো, আর নেক আমল করো। আমি যে পদ্ধতি আর তরিকার কথা বলি সে তরিকা অনুপাতে চলো। তাহলে এই জিনিসগুলোর মধ্যে থেকেই তোমরা কামিয়াব হবে, সফল হবে।

যে ব্যক্তি অনেক বেশি পড়াশুনাওয়ালা, উচ্চশিক্ষিত বা Highly Educated, কিংবা যে মানুষ তার কর্মক্ষেত্রে অনেক Highly Qualified বা উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন, Highly Skilled বা উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন এবং সেটা যদি হয় ঈমান ও আমলের সাথে তাহলে সে মানুষ আল্লাহ্‌র তায়ালার কাছেও সবচেয়ে বেশি Highly Qualified হিসেবে সাব্যস্ত হবে এবং আল্লাহ্‌র প্রিয় বান্দা বনে যাবে। কারণ আল্লাহ্‌ তায়ালা এ ধরনের বান্দাদেরকে অনেক বেশি পছন্দ করেন।

তাই, আমরা যে যে ফিল্ডে থাকি না কেন, স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি, ল কলেজ, মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, ব্যবসা ক্ষেত্র, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল; যে ক্ষেত্রেই আমরা পড়াশুনা করছি, কাজ করছি আমরা খাঁটি ঈমানদার বনে থাকব। নেক আমল করনেওয়ালা বনে সেখানে আমরা থাকব। এগুলোর মধ্যে থেকেই যখন ঈমান আর আমলকে আমরা ইখতিয়ার করবো, নেক আমল করবো। তোহ আল্লাহ্‌ জাল্লা শানুহু এসমস্ত জিনিসের মধ্যে রেখেই, এই সমস্ত জিনিসের মাধ্যমেই আমাদেরকে কামিয়াব করবেন।

"নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তাদের আপ্যায়নের জন্য রয়েছে ফিরদাউসের বাগান।" - সূরা আল-কাহফ, আয়াত ১০৭

"যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, অচিরেই দয়াময় আল্লাহ তাদের জন্য (মানুষের হৃদয়ে) ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন।" - সূরা মারইয়াম, আয়াত ৯৬

"নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই সৃষ্টির সেরা।" - সূরা আল-বায়্যিনাহ ,আয়াত ৭

"মহাকালের (সময়ের) শপথ! নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তারা ব্যতীত—যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।" - সূরা আসর।

সর্বপ্রকার পীড়া আরোগ্য হওয়ার পরিক্ষিত তদবির (আয়াতে শিফা) পবিত্র কুরআনে কারীমের ৬ টি আয়াত আয়াতে শেফা বা রোগ মুক্তির আয়...
01/07/2026

সর্বপ্রকার পীড়া আরোগ্য হওয়ার পরিক্ষিত তদবির (আয়াতে শিফা)

পবিত্র কুরআনে কারীমের ৬ টি আয়াত আয়াতে শেফা বা রোগ মুক্তির আয়াত নামে পরিচিত। এগুলো পড়ার পূর্বে সূরা ফাতিহা পড়ে নেয়া উত্তম।

১। সূরা তওবা, ১৪ আয়াতের অংশ
وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ
উচ্চারণঃ- ওয়া ইয়াশফি সুদূরা ক্বওমিম মু'মিনীন।
অর্থঃ- আল্লাহ বিশ্বাসীগণের অন্তর আরোগ্য করিবেন।

২। সূরা ইউনুস, ৫৭ আয়াতের অংশ
وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ
উচ্চারণঃ- ওয়া শিফাউল লিমা ফিস-সুদূরি
অর্থঃ- নিশ্চয়ই তোমাদের আন্তরিক রোগসমূহের আরোগ্যকারী ঔষধ রহিয়াছে।

৩। সূরা নাহল, ৬৯ আয়াতের অংশ
يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ
উচ্চারণঃ- ইয়াখরুজু মিম বুতূনিহা শারা-বুম মুখতালিফুন আলওয়া-নুহূ ফীহি শিফাউল লিন্না-ছ।
অর্থঃ- উহাদের (মৌমাছিদের) উপর হইতে নানা রঙ্গের পানীয় (মধু) নির্গত হয়; উহার মধ্যে মানুষের জন্য রোগ আরোগ্যকারী ঔষধ রহিয়াছে।

৪। সূরা বনী ইসরাইল, ৮২ আয়াতের অংশ
وَنُنَزِّلُ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ مَا ہُوَ شِفَآءٌ وَّرَحۡمَۃٌ لِّلۡمُؤۡمِنِیۡنَ
উচ্চারণঃ- ওয়া নুনাঝঝিলুমিনাল কুরআ-নি মা হুওয়া শিফাউওঁ ওয়া রাহমাতুল লিলমু’মিনীন।
অর্থঃ- আমি কোরআনে যাহা অবতীর্ণ করিয়াছি, তাহা বিশ্বাসীগণের জন্য (মনের রোগসমূহের) আরোগ্য ও অনুগ্রহস্বরূপ।

৫। সূরা শোয়ারা, ৮০ আয়াত
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ
উচ্চারণঃ- ওয়া ইযা-মারিদতু ফাহুওয়া ইয়াশফী-ন
অর্থঃ- এবং যখন আমি পীড়িত হই, তখন তিনিই (আল্লাহ) আমাকে আরোগ্য করিয়া থাকেন।

৬। সূরা হা-মীম, ৪৪ আয়াতের অংশ
قُلْ هُوَ لِلَّذِیْنَ اٰمَنُوْا هُدًی وَّشِفَآءٌ ؕ
উচ্চারণঃ- ক্বুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাওঁ ওয়া শিফাউন।
অর্থঃ- বলুন, বিশ্বাসীগণের জন্য সুপথ ও আরোগ্য রহিয়াছে।

খাসিয়তঃ- যে কোন কঠিন রোগে আয়াতগুলি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা পড়িয়া পানিতে ফুঁক দিয়া পান করিবে। অথবা চীনা মাটির বাসনে আয়াতগুলো লিখিয়া ধুইয়া রোগীকে পানি খাওয়াইবে (চিনা মাটির বাসনে কোরআনের আয়াত লিখে তা ধুয়ে পানি পান করার জন্য জাফরান (Saffron) বা পবিত্র ও ভোজ্য যেকোনো কালি ব্যবহার করা যেতে পারে। ইসলামিক স্কলারদের মতে, এটি জায়েজ এবং বরকতময় একটি আমল)। অথবা এই আয়াতগুলি লিখিয়া সাথে রাখিবে। আল্লাহ্‌ চাহে তো যেরূপ কঠিন রোগই হউক না কেন আল্লাহর ফযলে তাহা আরোগ্য হইবে ইনশাআল্লাহ্‌। ইহা সর্বরোগনাশক তদবির। পাক কোরআনের এক নাম শিফা অর্থাৎ আরোগ্যকারী। পাক কোরআনে মানুষের অন্তরের ও শরীরের ব্যাধি আরোগ্য করার গুণ রহিয়াছে। এই আয়াতগুলিতে কোরআনের ঐ গুণসমূহের বর্ণনা রহিয়াছে এবং ইহা দ্বারা রোগ আরোগ্য হয় বলিয়া ইহাদিগকে আয়াতে শিফা বলা হয়। এই আয়াতগুলি মানুষের জন্য রোগ্য আরোগ্য বাণী লইয়া নাযিল হওয়ায় ইহাদের বরকতে রোগ আরোগ্য হইয়া থাকে। ৩য় আয়াতে স্পষ্ট জানা যায় যে, মধু একটি মূল্যবান ও মহোপকারী ঔষধ। সেজন্য সর্বরোগের ঔষধরূপে ব্যবহৃত হইয়া থাকে। তাই এই আয়াতের আমলের সহিত শিফার নিয়তে প্রত্যহ অল্প পরিমাণে মধু সেবন করিবে।

বুজুর্গানে দ্বীনের অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্তঃ কোনো একটি পানিভর্তি পাত্র হাতে লইয়া মুখের সামনে রাখিয়া আয়াতগুলো একবার মতান্তরে তিনবার পড়িয়া দম করিতে হইবে। এবং ওই পানি পান করিতে হইবে। উপরোক্ত প্রতিটি আয়াতেই কুরআনে মুমিনদের জন্য ‘শিফা’, ‘রহমত’ প্রভৃতির কথা উল্লেখিত হইয়াছে। তাফসীরবিদ ইমাম বায়হাকী (রহ.) ‘শিফা’ অর্থ আত্মা এবং দেহ উভয়ের শিফা বা নিরাময় বলিয়াছেন। অর্থাৎ পবিত্র কুরআনে যেমন আত্মার যাবতীয় রোগ এবং মন্দ প্রবণতার চিকিৎসা রইয়াছে, তেমনি দেহের যাবতীয় রোগ-ব্যাধিরও চিকিৎসা রইয়াছে। হযরত আবূ হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, হুযূর পাক (ﷺ) বলেছেন, “আল্লাহ পাক এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার প্রতিষেধক তিনি সৃষ্টি করেননি। ইমাম সুবকী (রাহ.) উনাকে স্বপ্নে মহান আল্লাহ পাক বলিয়াছেন, “তুমি কুরআন মাজিদের শিফার আয়াতসমূহ একত্র করিয়া তা তোমার ছেলের নিকট পাঠ করিতে থাকো অথবা আয়াতগুলো একটি পাত্রে একত্রে লিখিয়া তা ছেলেকে পান করাও, যতক্ষণ না তাতে সে সুস্থ হইয়া যায়। অতঃপর তিনি অনুরূপ করিলে উনার ছেলেকে মহান আল্লাহ পাক সুস্থতা দান করিয়াছেন।” যে ব্যক্তি কুরআনের মাধ্যমে আরোগ্য তালাশ করে না, তার কোন শিফা নেই। তাই আল কুরআন মানুষের হিদায়াতের পাশাপাশি তাহাদের রোগ-বালাই থেকে পরিত্রানের জন্যও কতই না কার্যকর, কতই না ফলপ্রসু। দুনিয়া ও আখিরাতের সমূহ কল্যাণ লাভের ক্ষেত্রে কতই না বাস্তব এর প্রতিটি তথ্য ও তত্ত্ব। ইমাম যারকাশী (রাহ.) তার কিতাবে আবূল কাসেম আল কুশাইরীর ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, তিনি নবীজী (ﷺ) কে স্বপ্ন দেখেন যে, তিনি তাকে ৬টি আয়াতে শেফা পাঠ করার নির্দেশ দিচ্ছেন।

তথ্যসূত্রঃ
১। বই, নেয়ামুল কোরআন।
২। https://muslimbangla.com/dua/217

02/06/2026

দুনিয়ার বুকে সামাজিক পরিসরে মুসলিম মিল্লাতের সেরা অর্জন কী?

প্রশ্নটির উত্তরে নিবিষ্ট মনে ক্ষণিক ভাবলে আপনিও নিশ্চয় একমত হবেন, মুসলিম মিল্লাতের অন্যতম সেরা অর্জন হলো-শক্তিশালী পারিবারিক কাঠামো নির্মাণ।

মানবদেহের জন্য যেমন খাবার অপরিহার্য, তেমনি মানবসমাজের জন্য অপরিহার্য পরিবার। বিশ্ববাসীর সামনে আমরা এক অনাবিল প্রশান্তির আধার-শক্ত পরিবারব্যবস্থাকে তুলে ধরতে পেরেছি। ইসলামের মহান আলোর মিছিল আজ তামাম দুনিয়াতে যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তার পেছনের প্রধান প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে এই শক্তিশালী পারিবারিকব্যবস্থা। কারণ, যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রথম পাঠ পরিবার থেকেই শুরু হয়।

প্রশান্ত পরিবার ব্যাতীত প্রশান্ত হৃদয় কখনো তৈরি হতে পারে না। আর প্রশান্ত হৃদয় ছাড়া প্রশান্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন কী করে সম্ভব? সুস্থ পরিবারের উদর থেকেই তো জন্য নেয় সুস্থ সমাজ। অন্যদিকে পারিবারিক জীবনের অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা বৃহত্তর মানবজীবনে ছড়িয়ে দেয় অকল্যাণের বিষবাষ্প, যা দ্বারা সংক্রমিত হয় সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গন।

ইট-পাথর-প্রযুক্তির মতো দৃশ্যমান উন্নয়নে ভরপুর দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন-কী নেই তাদের! আকাশ ছোঁয়া বিল্ডিং, চোখ ধাঁধানো অবকাঠামো, প্রযুক্তির বিস্ময়কর আবিষ্কারসহ জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় সব উপাদানই আছে তাদের। কিন্তু কখনো কি তাদের ভেতরটা একবার পড়ে দেখেছেন? নিজের অট্টালিকা ফেলে কেন তারা মদের বারে রাতের পর রাত কাটিয়ে দেয়? কেন সেখানকার সন্তানদের খুঁজতে হয় জন্মদাতা পিতার পরিচয়? কেন সন্তানকে বাবার স্নেহের পরশ খুঁজতে যেতে হয় এক বাড়িতে, আবার মাকে দেখাতে যেতে হয় আরেক বাড়িতে? এত আলিশান অট্টালিকা থাকতেও বৃদ্ধ মানুষগুলোর জন্য সেখানে যেন কোনো আশ্রয়ই নেই। জীবনের পড়ন্তবেলায় যখন স্বজনদের সহচার্য খুবই প্রয়োজন, তখন তাদের আশ্রয় হয় বৃদ্ধাশ্রমের ছোট্ট একটি বেডে। সেখানে খাবারের কোনো অভাব নেই, কিন্তু খাওয়ার লোকের বড্ড অভাব। কেন তাদের এমন ছন্নছাড়া জীবন? উত্তর স্পষ্ট। এই চাকচিক্যময় কৃত্রিম উন্নত সভ্যতা তাদের একটি প্রশান্তচিত্ত হৃদয় উপহার দিতে পারেনি।

উন্নত পারিবারিক কাঠামোর কল্যাণে মুসলিম সমাজ এই বিভীষিকাময় জীবন থেকে মুক্ত ছিল। 'মুক্ত ছিল' বলে অতীতকাল উল্লেখ করতে হচ্ছে অনেক বেদনার সাথে। একুশ শতকের এই সময়ে এসে মুসলিম পারিবারিক জীবনধারাতেও পচন ধরেছে। গৌরবের অর্জন আজ ধ্বংসপ্রায়। আধুনিকতা আর প্রগতির নাম দিয়ে মুসলিম চেতনা, বোধ ও বিশ্বাসের দেয়ালগুলো ভেঙে ফেলার আয়োজন করা হচ্ছে। আমাদের শক্তিশালী পারিবারিকব্যবস্থার দেয়ালের ইটগুলো যেন একটা একটা করে খসে পড়ছে। আমরা আজ সোনা ছেড়ে তামার চাকচিক্য নিয়ে মত্ত।

যদি প্রশ্ন করি-গত দুশো বছরের মধ্যে মুসলিমরা কোন জিনিসটি হারিয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? আপনার সচেতন বোধ থেকে উত্তর আসবে-পরিবার। অনেক গৌরবের মুসলিম পারিবারিক বোধ ও অনুশীলন হারিয়ে আজ আমরা ধুকে বুকে মরছি। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের যেটুকু বাকি আছে, তা ধ্বংস হলে মুসলমানদের সর্বনাশের আর কিছু বাকি থাকবে না।

আমরা যখনই বিপদের মুখোমুখি হই, তখনই ফিরে যাই নবিজির সিরাতের কাছে। আমরা হারিয়ে যাওয়া পথ খুঁজে ফিরি উসওয়াতুন হাসানা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জীবন থেকে। একজন বিপ্লবী তাঁর বিশাল কর্মযজ্ঞের ভিড়েও কী করে এক অনাবিল প্রশান্তির পারিবারিক জীবন গঠন করেছিলেন, আজকের এই সময়ে সে পাঠ খুবই জরুরি। আমরা নবিজির জীবন থেকে শিখব, কীভাবে ভারসাম্যপূর্ণ পারিবারিক জীবন পরিগঠন করতে হয়।

মুসলিম জাহানের পরিবারগুলো জান্নাতের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠুক।

বই - নবী ও নবী পরিবার

19/05/2026

কুরআনে একাধিক বিবাহ প্রসঙ্গঃ

ইতিহাসকে পাঠ করতে হয় সমসাময়িক প্রেক্ষিত ও প্রসঙ্গের সাপেক্ষে । বর্তমান দিয়ে অতীত মাপতে গেলে সেই চিন্তায় গন্ডগোল হতে বাধ্য । এ কথা সত্য যে, নবীজির একসঙ্গে কয়েকজন স্ত্রী ছিলেন । ইন্তেকালের সময় তিনি নয়জন স্ত্রী রেখে যান; বাকি দুজন তাঁর জীবদ্দশায় ইন্তেকাল করেন । তিনি ছাড়া অন্য নবীদেরও একসাথে বহু স্ত্রী ছিল । নবী ইব্রাহিম (আঃ)-এর ছিল দুজন স্ত্রী, ইয়াকুব (আঃ)-এর ছিল অসংখ্য স্ত্রী ও তিনশো উপপত্নী । এ ছাড়া একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করেছিলেন নবীজির দাদা আব্দুল মুত্তালিব। আবু বকর ও উমর (রাঃ) এর ছিল দুই বা ততোধিক স্ত্রী ।

প্রাচীনকালে বহুবিবাহ ছিল একটি সামাজিক প্রয়োজন। যুদ্ধক্ষেত্রে বহু পুরুষ নিহত হতো। আকস্মিক বিধবা হতো অসংখ্য নারী, রাতারাতি ইয়াতিম হয়ে যেত বহু শিশু। এখনকার মতো তখন বিধবা ও ইয়াতিমদের দায়িত্ব নেওয়ার মত কোন প্রতিষ্ঠান ছিল না। ফলে সামাজিকভাবে তাদের দায়িত্বভার ন্যস্ত হতো সামর্থ্যবান পুরুষদের উপর। আর ইসলামপূর্ব আরবে বহুবিবাহ ছিল যুগের চাহিদা। একেকজন পুরুষ ১০-১২ জন স্ত্রীও রাখত। লাগামহীন যৌন সম্পর্ক স্থাপন ছিল সমাজের একটি সাধারণ ব্যাপার। আল্লাহ্ তায়ালা এই অব্যবস্থাপনাকে বিধিবদ্ধ করেছেন সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের আবরণে। সূরা নিসায় তিনি বিধবাদের বিবাহ করতে উৎসহিত করেছেন, যাতে বিধবাদের সাথে সাথে ইয়াতিমরাও অভিবাবক পেয়ে যায়। তিনি বলেন -
'আর যদি তোমরা আশঙ্কা করো, ইয়াতিম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিয়ে করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভালো লাগে - দুই, তিন বা চার; আর যদি আশঙ্কা করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তবে একজনকেই।' সূরা নিসাঃ ৩

নিরপেক্ষভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কুরআন মূলত পুরুষদের ঢালাওভাবে চার বিয়ে বা একাধিক বিয়ে করতে উৎসাহিত করেনি; বরং তৎকালীন সমাজে চলমান বহু বিবাহের সংখ্যাকে কমিয়ে সীমাবদ্ধ করেছে চারের মধ্যে । এভাবে মূলত পুরুষদের ধীরে ধীরে এক বিবাহের দিকেই ধাবিত করেছে পবিত্র কুরআন ।

- বই : নবি ও নবি পরিবার

Golden advice for choosing a spouse A man once came to Hasan Al Basri (rahimahullah) seeking his advice.He said: “I have...
14/05/2026

Golden advice for choosing a spouse

A man once came to Hasan Al Basri (rahimahullah) seeking his advice.

He said: “I have received many proposals for my daughter. Please advise me as to whose proposal should I accept, and give my daughter in marriage to.”

Hasan Al Basri (rahimahullah) replied: “Get her married to the man who fears Allah Subhanahu wa Ta‘ala.”

He then explained the reason thus: “If he is happy with her then he will honour and appreciate her, and if (for some reasons) he is angry with her, then he won’t oppress her."

(Mirqaat vol. 6, pg. 265)

May Allah grant us pious partners who are adequately equipped with Taqwa bijaahi Sayyidil Ujuud ‎ﷺ. Aameen

28/04/2026

যে ব্যক্তি আখেরাতের ফসল চায় আমি তাহার ফসল বৃদ্ধি করিয়া দেই আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার ফসল চায় আমি তাহাকে উহা হইতে কিছু অংশ দান করি ; আর আখেরাতে তাহার কোন অংশ নাই।
(সুরা শূরা -২০)

হাদিস শরিফে আছে, যে মুসলমান পরকালকে আপন লক্ষ্যবস্তু বানাবে আল্লাহ্ পাক তার অন্তরকে চিন্তামুক্ত ও উদার করিয়া দিবেন এবং দুনিয়া অপদস্ত হইয়া তাহার নিকট আসিবে। আর যে ব্যক্তি দুনিয়াকেই আপন লক্ষ্যবস্তু হিসাবে গ্রহন করে সে নানাবিধ পেরেশানিতে গ্রেফতার হয় এবং দুনিয়া হইতে যতটুকু তার ভাগ্যে লিখিত আছে তার চেয়ে অধিক সে পাইতেই পারে না।
অত:পর হুজুর সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহপাক এরশাদ করিয়াছেন, হে আদম সন্তান! তুমি আমার এবাদতের জন্য ঝামেলা মুক্ত হও, আমি তোমার অন্তরকে চিন্তামুক্ত করিয়া দিব এবং তোমার অভাবকে দূর করিয়া দিব। আর যদি না কর তবে তোমার অন্তরকে শত শত পেরেশানি দ্বারা ভর্তি করিয়া দিব এবং দরিদ্রতাও দূর করবনা।
এটাই হল আল্লাহ ও তার রাসুলের ফরমান।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasawwuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share