01/07/2026
নবী ঈসা আলাইহিস সালাম এর যুগ ছিল মেডিকেল এর যুগ ,চিকিৎসা শাস্ত্রের যুগ।
নবী শোয়েব আলাইহিস সালামের যুগ ছিল এগ্রিকালচার বা কৃষি বিপ্লবের যুগ, কৃষিবিদদের যুগ ছিল।
নবী মুসা আলাইহিস সালাম এঁর সামনে ফিরাউনের বড় রাজত্ব আর শাসনতন্ত্র ছিল।
নবী ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এঁর সামনে নমরুদের বড় রাজত্ব ছিল এবং শাসনতন্ত্র ছিল।
নবী হুদ আলাইহিস সালাম (আদ জাতি) ও নবী সালেহ আলাইহিস সালাম (সামুদ জাতি) এর যুগ ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর যুগ।
দাউদ আলাইহিস সালাম যুদ্ধের পোশাক তৈরি করতেন। তিনি চৌকস যোদ্ধা, সমরবিদ (Military Strategist), সফল রাষ্ট্রনেতা ও ন্যায় পরায়ণ বাদশাহ ছিলেন। আবার তিনি ঈমানের দিক থেকে একজন বহুত বড় নবীও ছিলেন।
দাউদ আলাইহিস সালাম এর ছেলে সুলায়মান আলাইহিস সালাম কে আল্লাহ্ তায়ালা সারা বিশ্বব্যাপী হুকুমত তথা রাজত্ব প্রদান করেছিলেন। যার কতৃত্ব জীনদের উপরও ছিল, অনুরূপভাবে পাখি প্রাণীদের উপরও তার রাজত্ব আর হুকুমত ছিল তথা সমস্ত সৃষ্টিজগতের উপরই সুলায়মান আলাইহিস সালামের কতৃত্ব ছিল। আবার নবীদের মধ্য থেকে তিনি অনেক বড় একজন নবিও ছিলেন।
সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর সামনে যে জামানা ছিল সেটা ছিল লিটেরেচার, সাহিত্য বা ভাষা পাণ্ডিত্যের যুগ। সারা বিশ্বের মধ্যে সাহিত্যের লাইনে সব থেকে আগে ছিল তারা।
এখানে উল্লেখ্য যে, নবী মূসা আলাইহিস সালামের জামানায় তৎকালীন মিশরে জাদুবিদ্যার ব্যাপক সম্মান ছিল এবং তারা এটাতে ভীষণ পারদর্শীও ছিল। আমরা অনেকেই জানি একটা সমাজে যখন যে দক্ষতার মর্যাদা সবচেয়ে বেশি থাকে, আল্লাহ্ তাঁর নবীদের সে বিষয়ে বিশেষ পারদর্শিতা দান করেন যেন লোকেরা নবীদের বিশিষ্টতা বুঝতে পারেন এবং তাঁর আনুগত্য মেনে নেয়। তাই নবী মূসা আলাইহিস সালামকে এমন মুজিযা দেয়া হয়েছিল যা জাদু বিদ্যাকে হার মানায়। ঈসা আলাইহিস সালামকে দেয়া হয়েছিল অন্ধকে দৃষ্টিশক্তি দান, কুষ্ঠরোগীকে সুস্থ করার ক্ষমতা যা তখনকার মানুষের জন্য এক অভিনব ব্যাপার, যদিও চিকিৎসা বিদ্যায় তাদের সুগভীর জ্ঞান ছিল। আর আমাদের রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠানো হয়েছে কোরআন দিয়ে যার পাতায় পাতায় খুঁজে পাওয়া যায় ভাষাগত অলৌকিকত্ব (liguistic miracle), কারণ তৎকালীন আরবরা তাদের ভাষাগত দক্ষতা নিয়ে অনেক গর্ব করতো।
নবী পয়গম্বরদের সকল যুগেই এ সকল শক্তি আর তাকাত তাদের সামনে ছিল।
আর এই সবগুলোই জরুরাতের জিন্দেগীর, মানুষের জরুরতের সাথে সম্পৃক্ত।
এগ্রিকালচার বা কৃষিকাজ মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। আল্লাহতায়ালা জমিনের মধ্যে বিজ বপনের মাধ্যমে জমিন থেকে অঙ্কুরোদগম করে ফসলের ইন্তেজাম আল্লাহ তায়ালাই করছেন। অনুরূপভাবে ফল-ফসল-শাকসবজি ইত্যাদি এগুলো সব মানুষের প্রয়োজনের জন্য। কৃষিকাজ করা, ক্ষেত-খামার করা কোন খারাপ কাজ নয়। অবশ্যই অবশ্যই অনেক অনেক ভালো কাজ।
কৃষি-ক্ষেত-খামার করার ব্যাপারে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম ফজিলত বাতিয়েছেন, যে ব্যক্তি কৃষক ক্ষেত খামার করবে এই ক্ষেত খামার যে করবে যে সে ব্যক্তি আল্লাহর জিকির করতে করতে এসব উৎপন্ন করবে তাহলে যত মানুষ খাবে তত মানুষ এর ফায়দা পাবে, অথবা এই তামাম খেত সবুজ গাছপালা সব আল্লাহতালার জিকির করতে থাকে আর যতদিন থাকবে এই গাছপালা থাকবে সবুজ খাবার থাকবে যত জিকির করবে এই তামাম জিকিরে যে নেকি হবে তার ফল কৃষক পাবে।
হযরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— কোনো মুসলিম গাছ রোপণ করলে বা ফসল উৎপন্ন করলে তা থেকে যা কিছু খাওয়া হয়, তা ওই ব্যক্তির জন্য সাদকা (দান) হিসেবে গণ্য হবে।
গাছপালা, নদীনালা ও প্রকৃতি সর্বদা আল্লাহর তাসবিহ বা জিকির করতে থাকে। মানুষ বা প্রাণী যখন সেই ফলমূল বা ফসল থেকে উপকৃত হয়, তখন প্রকৃতি ও পরিবেশের সেই ধারাবাহিক জিকিরের নেকির অংশ কৃষকের আমলনামাতেও যুক্ত হয়, কারণ তিনি এর মূল উৎপাদক বা রোপণকারী।
হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— যে ব্যক্তি কোনো পতিত (অনাবাদি) জমি আবাদ করবে, সে এর জন্য পুরস্কৃত হবে এবং তা থেকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে যা কিছু খাওয়া হবে তার বিনিময়ে সে সওয়াব পাবে।
সুতরাং, কৃষিকাজ ও গাছ লাগানো একটি অত্যন্ত বরকতময় ও পুণ্যের পেশা, যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ও অপরের খাদ্যের নিশ্চয়তা বিধানের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত সদকার সওয়াব লাভ করতে পারে।
এমনিভাবে মানুষ কখনো সুস্থ থাকে তখন অসুস্থ থাকে। আল্লাহ্ তায়ালা মানুষের সুস্থতার জন্য চিকিৎসার বিভিন্ন রকম তরিকা বাতিয়েছেন। যে লোক বা ব্যক্তি চিকিৎসা শাস্ত্র চর্চা করবে, ওষুধ তৈরি করবে, মানুষের সুস্থতার জন্য কাজ করবে, সঠিক সেবা প্রদান করবে, চিন্তা-ভাবনা করে মানুষের সুস্থতার জন্য এগুলা তৈরি করবে, মানুষের জন্য কাজ করবে, চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে, পড়াশুনা করে চিন্তা-ভাবনা করে মানুষের সুস্থতার জন্য এগুলো আঞ্জাম দিবে সে তো অনেক বড় নেকির কাজ করবে। এর দ্বারা মানুষের বড় খেদমতের কাজ হবে। এ তো বহুত বড় সওয়াবের কাজ। এর উপর অনেক অনেক নেকি মিলবে, সওয়াব মিলবে।
এরকমভাবে যত বিষয় আছে দুনিয়াতে, যত সাবজেক্ট আছে এ সমস্ত বিষয়ের উপরে যেগুলো নিয়ে মানুষ পড়াশুনা করে থাকে, মেহনত করে থাকে। এগুলো সবই মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিস।
এসমস্ত প্রয়োজনীয় বিষয়ের উপর পড়াশুনা করা, চিন্তা ফিকির করা এগুলো যদি ঈমানের সাথে হয় তাহলে এগুলো মানুষের জন্য বহুত উপকারী।
মানুষের প্রয়োজনের জন্য যত বিষয় রয়েছে সমস্ত সেক্টরে বা বিভাগে, এসমস্ত বিষয়ের উপর পড়াশুনা করা, অভিজ্ঞতা অর্জন করা, জ্ঞান অর্জন করা খুবই জরুরি আর এই পড়াশুনা, অভিজ্ঞতা অর্জন, কিংবা ব্যাবহারিক জ্ঞান অর্জন যদি ঈমানের সাথে হয় তাহলে আল্লাহর সন্তুষ্টি একজন মানুষ লাভ করতে সক্ষম হবে এবং আল্লাহ্ তায়ালার বড় বান্দা বনে যাবে।
খাটি ঈমানের সাথে দুনিয়ার এসকল কায়কারবার এগুলা বহুত বড় উপকারী এবং মহান আল্লাহ্ তায়লার সন্তুষ্টির কারণ হয়।
যেরকম রুহের সাথে প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এগুলো উপকারী হয়ে থাকে। একজন মানুষ, তার কত মূল্য, একজন মানুষের মূল্য কত হতে পারে ? একজন মানুষের মূল্য কেউ লাগাতে পারবে, নির্ধারণ করতে পারবে, যে একজন মানুষের এত মূল্য ? মানুষের বহুমূল্য, অমূল্য, মহামূল্যবান একজন মানুষ। কিন্তু যদি মানুষটির দেহ থেকে রুহ বের হয়ে যায়, তাহলে কোন মূল্য থাকে মানুষটির ?
এরকমভাবে দুনিয়াতে দুনিয়ার লাইনে যতকিছু, যেসমস্ত জরুররাতের বিষয় রয়েছে, মানুষের প্রয়োজন বা জরুরত পুরা হওয়ার জন্য যত আসবাব আর যত উপকরণ রয়েছে আর এগুলোকে হাসিল করার জন্য যে সমস্ত বিদ্যা, যে সমস্ত পড়াশুনা, যেগুলোকে আমরা বিভিন্ন নামে পড়ে থাকি, যেগুলোর উপর আমরা মেহনত করে থাকি, যেগুলোর দ্বারা আমরা জীবিকা অর্জন করে থাকি - Business, Computer Science, Medical Science, Literature, Agriculture, Engineering, Militaary science, Law ইত্যাদি এরকম যত ফ্যাকাল্টি রয়েছে, এই তামাম বিষয়ের মূল্য মহান আল্লাহ্র কাছে ততক্ষণ, যতক্ষণ এগুলোর সাথে ঈমান থাকবে।
আর যদি ঈমান না থাকে, এগুলোর চর্চা ঈমানের সাথে না হয় তাহলে রুহ ছাড়া দেহ যেরকম মূল্যহীন, তেমনি ঈমান ছাড়াও এগুলো আল্লাহ্র কাছে মূল্যহীন সাব্যস্ত হবে।
এজন্য সবথেকে মূল্যবান যে জিনিস, সেটি হচ্ছে ঈমান। এজন্য সমস্ত নবীরা (আলাইহিমুস সালাম) মানুষের সামনে এই ঈমানের কথাই মানুষের সামনে পেশ করেছেন।
আখেরি নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও এসে মানুষের সামনে এই ঈমানের কথাই পেশ করেছেন।
ঈমানের পর যে জিনিসের মূল্য আল্লাহ তায়ালার কাছে সেটি নেক আমলের মূল্য, নেক আমল কি ? নেক আমল সেটি যেটি আল্লাহ্ তায়ালা হুকুম করেছেন, নেক আমল সেটি যেটি আল্লাহ্ তায়ালা বাতিয়েছেন।
অন্যথায় দুনিয়াতে অনেক এমন কাজ রয়েছে যেগুলো নেকের কাজ না কিন্তু মানুষ সেগুলোকে মানুষ নেক তথা ভালো কাজ বলে থাকে। যেমন মদ পান করার দ্বারা মানুষের দেমাগ বিকৃত হয়ে যায়, এমন মস্তিষ্ক বিকৃতকারী জিনিসকেও মানুষ ভালো কাজ বলে থাকে। আজকের দুনিয়ার মানুষ জুয়া খেলাকেও মানুষ ভালো কাজ মনে করে। আজকে মানুষকে গণহারে হত্যা করাকে, মানুষের উপর বোম্বিং করাকে ভালো কাজ মনে করে।
ভালো কাজের তরিকা, নেক কাজের নামই পরিবর্তন করে ফেলেছে আজকের দুনিয়ার মানুষ। এমনিভাবে আজকের দিনে তরিকা পরিবর্তন করে বিভিন্ন খারাপ কাজকে মানুষ ভাল কাজ হিসেবে পেশ করছে সারা দুনিয়াতে। কিন্তু এই খারাপ কামগুলো যতই তরিকা পরিবর্তন করে ভালো হিসেবে পেশ করা হউক না কেন এই সকল খারাপ কাম কখনও ভালো কাম হবে না। ভালো কাজ ঐটাই যেটা আল্লাহ্ তায়ালা হুকুম করেছেন আর নবী মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ বাতিয়েছেন।
ইন্নালাজিনা আমানু ওয়া আমিলু সলিহাত, যারা ঈমান এনেছে আর নেক আমল করেছেন
সূরা আল-কাহফ, আয়াত ১০৭: "নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তাদের আপ্যায়নের জন্য রয়েছে ফিরদাউসের বাগান।
সূরা মারইয়াম, আয়াত ৯৬: "যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, অচিরেই দয়াময় আল্লাহ তাদের জন্য (মানুষের হৃদয়ে) ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন
আজকে যেকোনো ফ্যাকাল্টি টেই আমরা মেহনত করি না কেন, কেউ লো কলেজে, কেউ মেডিকেলে, কেউ ব্যাব সায়, ঐ কাম তাই নেক হিসেবে সাব্যস্ত হবে সেটা হুজুর সা ভালো বলেছেন, ঐ কাম তাই নেক কাজ হিসেবে সাব্যস্ত হবে।
আমরা যে যে বিষয়েই পড়াশুনা করি না কেন, যে ফিল্ডেই মেহনত করি না কেন, যে যে বিষয়ই শিখি বা কাজ করি না কেন, যেমন - Business, Political Science, Military Science Computer Science, Medical Science, Agriculture, Engineering, Law, Literature ইত্যাদি, এগুলো আমাদের জিন্দেগির জরুরাতের সাথে সম্পৃক্ত। এগুলো ছাড়া দুনিয়ার জিন্দেগি চলবে না। এগুলার সাথে আমাদের জিন্দেগিকে সম্পৃক্ত করে দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ্ পাকই। এসমস্ত বিষয়গুলো কোনটাই নতুন না। যেমনটি বলেছি পূর্ববর্তী নবীদের যুগে এক এক কওমকে আল্লাহ্ তায়ালা এই সমস্ত জিনিসের উপর দক্ষতা আর যোগ্যতা দিয়ে আল্লাহ্ তায়ালা পাঠিয়েছেন, আর সেসমস্ত কওমের প্রতি আল্লাহ্ তায়ালা নবীদের কে পাঠিয়ে বার বার এই কথাই বোঝাতে চেয়েছেন যে , তোমরা যে সমস্ত দুনিয়ার জরুরতের জিন্দেগির জিনিসের উপর মেহনত করছো, এগুলাকে ছেড়ে দিতে বলি না আমি। এগুলো থেকে তোমাদের বিলকুল ছাড়িয়ে দিতে আমি চাই না। এগুলোকে ভুলে যেতে বলি না, বা এগুলো থেকে পৃথক হতে বলি না। বরং এগুলোর মধ্যে থেকেই আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি ঈমান নিয়ে আসো, আর নেক আমল করো। আমি যে পদ্ধতি আর তরিকার কথা বলি সে তরিকা অনুপাতে চলো। তাহলে এই জিনিসগুলোর মধ্যে থেকেই তোমরা কামিয়াব হবে, সফল হবে।
যে ব্যক্তি অনেক বেশি পড়াশুনাওয়ালা, উচ্চশিক্ষিত বা Highly Educated, কিংবা যে মানুষ তার কর্মক্ষেত্রে অনেক Highly Qualified বা উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন, Highly Skilled বা উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন এবং সেটা যদি হয় ঈমান ও আমলের সাথে তাহলে সে মানুষ আল্লাহ্র তায়ালার কাছেও সবচেয়ে বেশি Highly Qualified হিসেবে সাব্যস্ত হবে এবং আল্লাহ্র প্রিয় বান্দা বনে যাবে। কারণ আল্লাহ্ তায়ালা এ ধরনের বান্দাদেরকে অনেক বেশি পছন্দ করেন।
তাই, আমরা যে যে ফিল্ডে থাকি না কেন, স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি, ল কলেজ, মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল, ব্যবসা ক্ষেত্র, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল; যে ক্ষেত্রেই আমরা পড়াশুনা করছি, কাজ করছি আমরা খাঁটি ঈমানদার বনে থাকব। নেক আমল করনেওয়ালা বনে সেখানে আমরা থাকব। এগুলোর মধ্যে থেকেই যখন ঈমান আর আমলকে আমরা ইখতিয়ার করবো, নেক আমল করবো। তোহ আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু এসমস্ত জিনিসের মধ্যে রেখেই, এই সমস্ত জিনিসের মাধ্যমেই আমাদেরকে কামিয়াব করবেন।
"নিশ্চয়ই যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তাদের আপ্যায়নের জন্য রয়েছে ফিরদাউসের বাগান।" - সূরা আল-কাহফ, আয়াত ১০৭
"যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, অচিরেই দয়াময় আল্লাহ তাদের জন্য (মানুষের হৃদয়ে) ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন।" - সূরা মারইয়াম, আয়াত ৯৬
"নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তারাই সৃষ্টির সেরা।" - সূরা আল-বায়্যিনাহ ,আয়াত ৭
"মহাকালের (সময়ের) শপথ! নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে রয়েছে। তারা ব্যতীত—যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।" - সূরা আসর।