Advocate Anika Mitu

Advocate Anika Mitu আইনজীবী, জেলা ও দায়রা জজ আদালত,ঢাকা।

18/08/2026

♦️ ারি_চাকুরিজীবী_নারী_মৃত্যুবরণ #করলে_তাঁর_পেনশনের_টাকা_কে_পাবেন?

👇 সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী, #পেনশনের ভাগিদার কারা এবং কীভাবে পাবেন, তা নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলোঃ

🔺 স্ত্রী'র মৃত্যুর পর তাঁর পেনশনের টাকা প্রধানত ৩টি পক্ষে ভাগ হবেঃ

✅ স্বামীঃ তিনি #আজীবন বা পুনরায় #বিয়ে না করা পর্যন্ত পেনশনের অংশ পাবেন।

✅ ছেলেঃ ছেলের বয়স ২৫ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তিনি পেনশনের অংশ পাওয়ার যোগ্য। (২৫ বছর পার হয়ে গেলে ছেলে আর পেনশন পাবেন না)।

✅ মেয়েঃ মেয়ের বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি পেনশনের অংশ পাবেন। ( #মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলে বা বিবাহ-বিচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই অংশ পাবেন না)।

👇 অংশ বা বাটোয়ারা কীভাবে হবে?

অনেকে মনে করেন, পেনশনের টাকা মুসলিম ফরায়েজ বা শরিয়াহ আইন অনুযায়ী ৪ ভাগের ১ ভাগ বা নির্দিষ্ট অনুপাতে ভাগ হবে। কিন্তু সরকারি #গ্র্যাচুইটি ও #পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রে নিয়মটি কিছুটা ভিন্ন।

✅ যৌথ পারিবারিক পেনশনঃ স্বামী, ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং #অবিবাহিত মেয়ে এরা সবাই মিলে একটি "পারিবারিক ইউনিট" হিসেবে গণ্য হবেন। পেনশনের মাসিক টাকাটি উত্তোলনের পর তা পরিবারের এই সদস্যদের ভরণপোষণ এবং পড়াশোনার খরচে যৌথভাবে ব্যবহৃত হবে।

✅ স্বামী যদি একাকী হনঃ যদি ছেলে-মেয়েরা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক (ছেলের বয়স ২৫ পার) এবং বিবাহিত (মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে) হয়, তবে স্বামী একাই আজীবন শতভাগ (১০০%) মাসিক পেনশন পাবেন।

✅ স্বামী যদি পুনরায় বিয়ে করেনঃ স্বামী যদি স্ত্রী'র মৃত্যুর পর আবার নতুন কোনো বিয়ে করেন, তবে সরকারি বিধি অনুযায়ী তিনি স্ত্রী'র পারিবারিক পেনশনের যোগ্যতা চিরতরে হারাবেন। তখন পেনশনের বাকি টাকা সম্পূর্ণভাবে ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলে এবং অবিবাহিত মেয়েরা পাবেন।

👇 কীভাবে বা কোন প্রক্রিয়ায় পেনশন পাবেন?

মনোনীত (Nominee) হওয়ার কারণে স্বামী সহজেই টাকাটি উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন। এর জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

✅ ধাপ ১ (প্রয়োজনীয় কাগজপত্র): স্ত্রী'র মৃত্যুর পর সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মৃত্যু #সনদ (Death Certificate) সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট #চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর অফিস থেকে উত্তরাধিকার সনদ (Warisan Certificate) নিতে হবে, যেখানে স্বামী, ছেলে ও মেয়ের নাম ও বয়স স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে।

✅ ধাপ ২ (আবেদন): স্বামী মনোনীত ব্যক্তি হিসেবে স্ত্রী'র নিয়ন্ত্রণকারী দফতরে (যে অফিসে স্ত্রী চাকরি করতেন) পারিবারিক পেনশনের জন্য আবেদন ফরম পূরণ করে জমা দেবেন।

✅ ধাপ ৩ (অ্যাকাউন্টে টাকা জমা): বর্তমানে ইএফটি (EFT) সিস্টেমের মাধ্যমে পেনশনের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে আসে। স্বামী #ব্যাংক থেকে টাকা তুলে সন্তানদের আইনগত #অভিভাবক হিসেবে তাদের বয়স ও বিয়ের অবস্থা বিবেচনা করে বিধি মোতাবেক বন্টন ও খরচ করবেন।

🟥 বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ যদি এককালীন ল্যাম্পগ্র্যান্ট বা গ্র্যাচুইটির (Gratuity) বড় অঙ্কের #টাকা আসে, তবে তা স্বামী নিজের কাছে এককভাবে না রেখে সন্তানদের আইনি অধিকার (বিশেষ করে নাবালক হলে) নিশ্চিত করে খরচ বা ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখবেন।

⛔ পিতা-মাতা পেনশনের টাকা পেতে পারেন কী না কিংবা পেলেও সেটা কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে পাবেন, সেটা নিয়ে কাল পোস্ট করবো। ইনশাআল্লাহ।
©

সরকারের নতুন নির্দেশনা জারী।
12/08/2026

সরকারের নতুন নির্দেশনা জারী।

সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইডে ৭টি আইনের ২৯টি ধারায় বিকল্প  বিরোধ নিষ্পত্তি
12/08/2026

সুপ্রীম কোর্ট লিগ্যাল এইডে ৭টি আইনের ২৯টি ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি

যৌতুক, দেনমোহর, ভরনপোষণ, বন্টন, বিবাহ বিচ্ছেদ,বাড়ি ভাড়া,নারী শিশু নির্যাতন দমন ইত্যাদি আইনের মামলা করতে এখন আর বিচারপ্রা...
12/08/2026

যৌতুক, দেনমোহর, ভরনপোষণ, বন্টন, বিবাহ বিচ্ছেদ,বাড়ি ভাড়া,নারী শিশু নির্যাতন দমন ইত্যাদি আইনের মামলা করতে এখন আর বিচারপ্রার্থীদের আদালতের দরজায় কড়া নাড়তে হবেনা জেলা লিগ্যাল এইড আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার কাছেই সমাধান পাবেন।

এই নোটিশ টি আমলে নিয়ে বার কাউন্সিল কর্তৃক এডভোকেট তালিকাভুক্তি পরীক্ষার বয়স নির্ধারণ করা উচিত।
10/08/2026

এই নোটিশ টি আমলে নিয়ে বার কাউন্সিল কর্তৃক এডভোকেট তালিকাভুক্তি পরীক্ষার বয়স নির্ধারণ করা উচিত।

04/08/2026
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (সংশোধনী)- 2026- এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন মন্ত্রীসভা। এর ফলে সন্তানকে সম্পত্তি দান করেও আ...
04/08/2026

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (সংশোধনী)- 2026- এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন মন্ত্রীসভা।

এর ফলে সন্তানকে সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগাধিকার পাবেন বাবা মা।

04/08/2026

⚖️মোবাইল ফোন এখন সাক্ষী! ডিজিটাল প্রমাণ কী মামলা জিতিয়ে দিতে পারে ?”

বর্তমান যুগে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে—
⚖️ আদালতে এখন শুধু মানুষ নয়, মোবাইল ফোনও সাক্ষ্য দেয়!
ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, কল রেকর্ড, লোকেশন, ইমেইল—সবই এখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—
📌 এগুলো কি সরাসরি আদালতে গ্রহণযোগ্য?

📖 Evidence Act, 1872 অনুযায়ী ডিজিটাল প্রমাণ
🔹 ধারা ৩ (Definition of Evidence)
ডকুমেন্টারি এভিডেন্সের মধ্যে এখন ডিজিটাল ডাটা অন্তর্ভুক্ত।
🔹 ধারা ৬৫B (Electronic Records)
ইলেকট্রনিক রেকর্ড আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে হলে প্রয়োজন—
✔️ সঠিকভাবে সংরক্ষিত ডাটা
✔️ সার্টিফিকেট (65B Certificate)
✔️ সোর্স ডিভাইস শনাক্তযোগ্য হওয়া

⚖️ ডিজিটাল প্রমাণের উদাহরণ
📱 ফেসবুক পোস্ট / ইনবক্স চ্যাট
📞 কল রেকর্ড ও টাওয়ার লোকেশন
📸 ছবি ও ভিডিও (metadata সহ)
💬 WhatsApp conversation
📧 ইমেইল ট্রেইল

🚨 আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান
আদালত এখন বলছে—
👉 “Screenshots alone are not always sufficient evidence.”
অর্থাৎ—
❌ শুধু স্ক্রিনশট যথেষ্ট নয়
✔️ অথেনটিক সোর্স + 65B certificate লাগতে পারে
⚖️ কেন ডিজিটাল প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ?
✔️ ধর্ষণ, হত্যা, সাইবার অপরাধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ
✔️ মিথ্যা মামলা প্রমাণ/খণ্ডনে সহায়ক
✔️ সময় ও ঘটনার সত্যতা নির্ধারণে সাহায্য করে
📌 আইনি ঝুঁকি (অনেকে জানেন না)
অনলাইনে কেউ যদি—
❌ চ্যাট এডিট করে
❌ ফেক স্ক্রিনশট তৈরি করে
❌ মিথ্যা ভিডিও ছড়ায়
তাহলে তা—
🔹 সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩
🔹 দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (মানহানি/প্রতারণা)
এর আওতায় অপরাধ হতে পারে।

👨‍⚖️ গুরুত্বপূর্ণ আইনগত নীতি
👉 “Digital footprints never lie — but they can be manipulated.”
তাই আদালত প্রমাণ যাচাই করে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেয়।

📌 শেষ কথা:
"Modern justice is not only in courtrooms — it is also in your smartphone."
তাই অনলাইনে প্রতিটি শব্দ, ছবি ও ভিডিও হতে পারে ভবিষ্যতের প্রমাণ।
©

📑 ওয়ারিশসূত্রে অর্জিত সম্পত্তির নামজারি দুইভাবে হতে পারে। ১। বন্টননামা দলিল ব্যতীত:কোন মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম ১টি...
29/07/2026

📑 ওয়ারিশসূত্রে অর্জিত সম্পত্তির নামজারি দুইভাবে হতে পারে।

১। বন্টননামা দলিল ব্যতীত:
কোন মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম ১টি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সকল ওয়ারিশ যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে। এসি (ল্যান্ড) খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির মধ্যে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক নামজারি খতিয়ান সৃজন করে দিবেন। এক্ষেত্রে বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন হবে না।

২। বন্টননামা দলিল সহযোগে:
মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণ কে কোন দাগে বা একটি দাগের কোন অংশে জমি ভোগ-দখল করতে চান সকল ওয়ারিশ মিলে তা নির্ধারণপূর্বক একটি আপোষ বন্টননামা দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে বন্টননামা দলিলমূলে ওয়ারিশগণ পৃথক পৃথকভাবে নামজারির আবেদন করলে প্রত্যেক ওয়ারিশদের নামে পৃথক পৃথক নামজারি খতিয়ান সৃজন করা যাবে এবং সকলে আলাদা হোল্ডিং এ নিজ নিজ অংশের খাজনা দিতে পারবেন।

⚠️ এছাড়াও, কোন ওয়ারিশ যদি বন্টননামা দলিল করতে বা যৌথভাবে খারিজ করতে আপত্তি বা অনুপস্থিত থাকেন, সেক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালতে বাটোয়ারা মামলা/সোলেনামা মূলে ওয়ারিশগণ আবেদনের প্রেক্ষিতে পৃথক নামজারি করতে পারবেন।
সংগৃহীত ;

Address

Dhaka

Telephone

+8801759556706

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Anika Mitu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share