29/06/2019
🌀🌀🌀🌀🌀
🌀মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী নিবন্ধিত সকল ব্যক্তিকে দাখিলপত্র প্রদান করতে হবে। বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও অসামঞ্জস্যতা দূর করার জন্য 'মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬' সংশোধন করে নতুন মূসক-৯.১ জারী করা হয়েছে। এতে মূল ফরম ছাড়াও ৭টি সাবফরম যুক্ত করা হয়েছে। প্রতি কর মেয়াদের পূরণকৃত ফরম করমেয়াদ পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পেশ করতে হবে। মূসক দপ্তর বা ভ্যাট অনলাইন সিস্টেম কর্তৃক গ্রহণের তারিখ দাখিলপত্র পেশের তারিখ হিসেবে বিবেচিত হবে।
🌀🌀🌀🌀🌀
🌀মূসক-৯.১ ফরম(দাখিলপত্র) পূরণের পদ্ধতিঃ
🌀🌀অংশ ১(করদাতার তথ্য): এতে ১-৫ টি ক্রমিক রয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে ৯ ডিজিটের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নম্বর, করদাতার নাম, ঠিকানা, ব্যবসার প্রকৃতি( পার্টনারশিপ/লিমিটেড কোম্পানি), অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রকৃতি(আমদানিকাটক, উৎপাদক) লিখতে হবে। অনলাইনে পূরণের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ হবে।
🌀🌀অংশ ২(দাখিলপত্র জমার তথ্য):
এতে ১-৫ টি ক্রমিক রয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে যে করমেয়াদ বা মাসের দাখিলপত্র জমা দেয়া হচ্ছে ঐ মাসের নাম ও সন উল্লেখ করতে হবে এবং অর্থনেতিক কার্যক্রম থাকলে অংশ ৩-১০ পূরণ করতে হবে। উক্ত কর মেয়াদে কোন অর্থনেতিক কার্যক্রম না থাকলে শুধু অংশ ১০ পূরণ করতে হবে।
🌀🌀অংশ ৩(সরবরাহ প্রদান - প্রদেয় কর): এতে ১-৯ ক্রমিক রয়েছে।
🌀নোট ১ ও ২: কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে শূণ্য হার বিশিষ্ট পণ্য/সেবার সরাসরি/প্রচ্ছন্ন রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, সরাসরি/প্রচ্ছন্ন রপ্তানির সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য(ক) হবে সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য।
🌀নোট ৩: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা মূসক আইনের তফসিল ও এসআরও তে উল্লেখিত অব্যাহতি পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ৪: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা আদর্শ হার অর্থাৎ ১৫% হারে পণ্য/সেবা সরবরাহ করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ৫: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা আইনের ধারা-৫(৩) উল্লেখিত খুচরা মূল্য ভিত্তিক পণ্য বা সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ৬: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা ট্যারিফ মূল্য(বিশেষ স্কিম ভিত্তিক পণ্য বা সেবা) ভিত্তিক পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-গ পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ৭: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা ন্যূনতম মূল্য সংযোজন/আদর্শ করহার ব্যতীত ভিন্ন করহার
ভিত্তিক পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ৮: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা খুচরা/পাইকারী মূল্য ভিত্তিক পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-খ পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট-৯: এই কলামে মোট বিক্রয় মূল্য ও মোট প্রদেয় করের হিসাব লিখতে হবে। যোগফলের নিয়মঃ
৯কঃ ১ক+২ক+৩ক+৪ক+৫ক+৬ক+৭ক+৮ক
৯খঃ ৪খ+৫খ+৬খ+৭খ+৮খ
৯গঃ ৪গ+৫গ+৬গ+৭গ+৮গ
অনলাইন পেশের ক্ষেত্রে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্রয় মূল্য, মোট প্রদেয় কর ও সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
🌀🌀অংশ ৪ (ক্রয় - উপকরণ কর): এতে ১০-২৪ ক্রমিক রয়েছে।
🌀নোট ১০: যেসকল স্থানীয় উপকরণ ক্রয় শূণ্যহার বিশিষ্ট সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। এটি মূলত শতভাগ রপ্তানিমুখী বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১১ঃ যেসকল আমদানিকৃত উপকরণ ক্রয় শূণ্যহার বিশিষ্ট সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। এটি মূলত শতভাগ রপ্তানিমুখী বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১২ঃ যেসকল স্থানীয় ক্রয়কৃত উপকরণ মূসক আইনের তফসিল ও এসআরও এর মাধ্যমে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৩ঃ যেসকল আমদানিকৃত উপকরণ মূসক আইনের তফসিল ও এসআরও এর মাধ্যমে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৪ঃ যেসকল উপকরণ আদর্শ হারের(১৫%) মূসক প্রদান করে স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৫ঃ যেসকল উপকরণ আদর্শ হারের(১৫%) মূসক প্রদান করে আমদানি করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৬ঃ যেসকল উপকরণ স্থানীয় ভাবে ক্রয় এর ক্ষেত্রে আংশিক রেয়াত অনুমোদন করা হয়েছে(যেমনঃ গ্যাস, বিদ্যুত, বীমা ইত্যাদি) সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৭ঃ যেসকল উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে আংশিক রেয়াত অনুমোদন করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৮ঃ যেসকল কর চালানপত্র দ্বারা ট্যারিফ মূল্য ভিত্তিক উপকরণ স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-গ পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ১৯ঃ যেসকল কর চালানপত্র দ্বারা ন্যূনতম মূল্য সংযোজন/আদর্শ করহার ব্যতীত ভিন্ন করহার ভিত্তিক মূল্য ভিত্তিক উপকরণ স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ২০ঃ রেয়াতযোগ্য নয় যেসকল
উপকরণ সমূহ টার্ণওভার প্রতিষ্ঠান হতে স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ২১ঃ রেয়াতযোগ্য নয় যেসকল উপকরণ সমূহ অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হতে স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ২২ঃ যে সকল করদাতা শুধুমাত্র অব্যাহতিপ্রাপ্ত/ট্যারিফমূল্যভিত্তিক/ন্যূনতম মূল্য সংযোজন ভিত্তিক পণ্য/সেবা বিক্রয় করেন, তারা স্থানীয়ভাবে ক্রয়কৃত উপকরণ এর তথ্য উক্ত নোট এ উল্লেখ করিবেন এবং নোট-১৪ তে কোন তথ্য প্রদানের প্রয়োজন নেই। যেসকল উপকরণ সমূহ স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ২৩ঃ যে সকল করদাতা শুধুমাত্র অব্যাহতিপ্রাপ্ত/ট্যারিফমূল্যভিত্তিক/ন্যূনতম মূল্য সংযোজন ভিত্তিক পণ্য/সেবা বিক্রয় করেন, তারা আমদানিকৃত উপকরণ এর তথ্য উক্ত নোট এ উল্লেখ করিবেন এবং নোট-১৪ তে কোন তথ্য প্রদানের প্রয়োজন নেই। যেসকল উপকরণ সমূহ আমদানি করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ২৪ঃ এটি মোট উপকরণ কর রেয়াত এর হিসাব। কাগুজে পেশের সময় যোগফল হবেঃ
২৪ক= ১০ক+১১ক+১২ক+১৩ক+১৪ক+১৫ক+১৬ক+১৭ক+১৮ক+১৯ক+২০ক+২১ক+২২ক+২৩ক
২৪খ= ১৪খ+১৫খ+১৬খ+১৭খ+১৮খ+১৯খ
অনলাইন পেশের ক্ষেত্রে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোট উপকরণ কর মূল্য ও মোট উপকরণ কর রেয়াত এর পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
🌀🌀🌀অংশ ৫(বৃদ্ধিকারী সমন্বয়): এতে ২৫-২৮ ক্রমিক রয়েছে। বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের ক্ষেত্রে করদাতার করদায়িতা বৃদ্ধি পায় অর্থ্যৎ এটি সরকারের প্রাপ্য অংশ।
🌀নোট ২৫ঃ উৎসে কর্তনকারী সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদে কর্তিত সমুদয় মূসকের পরিমান এখানে লিখবেন। এ জন্য উৎসে কর্তনযোগ্য সরবরাহের বিপরীতে গৃহীত মূসক ৬.৩ ও ইস্যুকৃত মূসক ৬.৬ থাকিতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ঘ পূরণ করে উৎসে কর্তিত ভ্যাট এর পরিমাণ এর যোগফলগুলো শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।
🌀নোট ২৬ঃ যদি করমেয়াদে এমন কোন সরবরাহ থাকে যার মূল্য এক লক্ষ টাকার বেশি কিন্তু ইহার সমুদয় অংশই নগদে পরিশোধিত হয়েছে এবং মূসক ৬.৩ এর মাধ্যমে বর্তমান দাখিলপত্রে বা পূর্বের কোন দাখিলপত্রের মাধ্যমে রেয়াত গ্রহণ করে থাকিলে ইহার পরিমাণ এখানে লিখতে হবে।
🌀নোট ২৭ঃ কোন সরবরাহের ক্রয়মূল্য বা পরিমাণ পরিবর্তিত হলে/ডেবিট নোটের জন্য প্রদেয় মূসকের পরিমান বৃদ্ধি পেলে যতটুকুর পরিবর্তন হয়েছে ততটুকুর হিসাব(মূসক) এখানে লিখতে হবে।
🌀নোট ২৮ঃ ব্যবসায়ের লেনদেনের ক্ষেত্রে অনেক ধরনের সমন্বয়ের ঘটনা ঘটতে পারে। নোট ২৫, ২৬ ও ২৭ এ বর্নিত সমন্বয় ঘটনাত্রয় ব্যতীত অন্য যেকোন সমন্বয় ঘটনার জন্য এ ঘরে সমন্বয়যোগ্য মোট মূসকের পরিমান লিখতে হবে।
🌀নোট ২৯ঃ এটি মোট বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের পরিমাণ। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের সময় নোট ২৫, ২৬, ২৭ ও ২৮ এর যোগফল এখানে লিখতে হবে। অনলাইন পেশের ক্ষেত্রে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোট বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
🌀🌀🌀.....চলবে