Advocate Md. Rajaul Islam

Advocate Md. Rajaul Islam Income Tax Advisor

07/01/2025
20/11/2020

বিন BIN Certificate কি:

প্রতিটি ব্যবসায় একটি অদ্বিতীয় বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর থাকে। এই নম্বরটিকে বিন নম্বর বলা হয়। এই নম্বরটি পেতে হলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে নিবন্ধন করতে হয়।

#কেন_বিন_করতে_হয়:
঳ ব্যবসা পরিচালনার জন্য (যে কোন ধরণের সার্ভিস প্রদান ব্যবসা)
঳ টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করার জন্য
঳ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য
঳ আমদানি ও রপ্তানির সকল ক্ষেত্রে

#বিন_সার্টিফিকেট:
বাংলাদেশে প্রথমে ৯ ডিজিটের অ্যানালগ বিন সার্টিফিকেট ছিল। এরপর ২০১৮ সালে অনলাইন হওয়ার পর সেটা ১১ডিজিট করা হয়েছিল। বর্তমানে নতুন ভ্যাট আইনের অধীনে সকল বিন সার্টিফিকেট ১৩ ডিজিটের।

যে সকল ব্যবসায়ীরা পূর্বের কোন বিন সার্টিফিকেট নিয়েছেন, তাদেরকেও অবশ্যই ১৩ ডিজিটের এই বিন সার্টিফিকেট করে নিতে হবে।

#বিন_সার্টিফিকেট_করতে কি কি লাগবে:

১. ট্রেড লাইসেন্স
২. জাতীয় পরিচয়পত্র
৩. টিন সার্টিফিকেট
৪. ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট
৫. লিমিটেড কোম্পানী বা পার্টনারশীপ ফার্ম হলে অন্যান্য ডকুমেন্টস

#বিন_করার_পর_ভ্যাট_রিটার্ণ_জমা_দিতে হবে কি না..?

বিন সার্টিফিকেট করার পর আপনাকে প্রত্যেক মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে গতমাসের বিক্রয়ের উপর হিসাব করে ভ্যাট রিটার্ণ জমা দিতে হবে।

ভ্যাট আসুক বা না আসুক, রিটার্ণ আপনাকে অনলাইন এবং অফলাইনে অবশ্যই দাখিল করতে হবে।

#রিটার্ণ_দাখিল_না_করলে কি হবে:

রিটার্ণ দাখিল না করলে অনলাইনে আপনার তৈরিকৃত সার্টিফিকেটের বিপরীতে অটোমেটিক মাসিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা যুক্ত হয়ে যাবে। যেটা যে কোন সময় ভ্যাট অফিস আপনার থেকে আদায় করতে পারবে।

বি:দ্র: ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হয় বছরে একবার। আর ভ্যাট রিটার্ন দিতে হয় প্রতি মাসে একবার।

20/03/2020

আয়কর রিটার্ন কি ?

আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট বাৎসরিক আয়ের সংক্ষিপ্ত বিবরণ উপস্থাপন করার মাধ্যম হচ্ছে আযকর রিটার্ন। আয়কর রিটানের কাঠামে আয়কর বিধি দ্বারা নির্দিষ্ট করা আছে। আয়কর আইন অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কতৃর্ক নির্ধারিত ফরমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়।

o আয়কর রিটার্ন কেথায় পাওয়া যায়?।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের web page: www.nbr.gov.bd থেকে রিটার্ন ফ্রি download করা যায়। তাছাাড়া আয়কর অফিস থেকে ও বিনামূল্যে এটি সংগ্রহ করা যায়। রিটার্ন ফরমের ফটোকপি ও গ্রহণযোগ্য।

o আয়কর রিটার্ন কোথায় জমা দিব ?

প্রত্যেক শ্রেণীর করদাতার রিটার্ন দাখিলের জন্য আয়কর সাকেল নিধারণ করা আছে। সকল বেসামরিক সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী ও পেনশনভূক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীর নাম শুরু হয়েছে তাঁদের কে নির্দিষ্ট অঞ্চলের নির্দিষ্ট সার্কেলে রিটার্ন্ জমা দিতে হবে। পুরানো করদাতারা তাঁদের বর্তমান সার্কেলে রিটার্ন্ জমা দিবেন। নতুন করদাতারা তাঁদের নাম, চাকুরীস্থল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানার ভিত্তিতে নির্ধারিত সার্কেলে ১২ সংখ্যার ই-টিআইএন উল্লেখ করে আয়কর রিটার্ন্ দাখিল করতে পারবেন। করদাতারা প্রয়োজনে কাছাকাছি আয়কর অফিস বা কর পরামর্শ কেন্দ্র থেকে আয়র রিটার্ন্ দাখিল করার সার্কেল সম্পকেৃ জানতে পারবেন। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত আয়কর মেলায় করদাতাগণ আয়কর রিটার্ন্ দাখিল করতে পারেন। রিটার্ন্ দাখিলের সময় করদাতা বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসেও রিটার্ন্ দাখিল করতে পারেন।

o সময় মত আয়কর রিটার্ন্ দাখিল না করলে কি হয় ?

সময় মত রিটার্ন দাখিল না করলে জরিমানা করারা বিধান আছে । এ ক্ষেত্রে উপ কর কমিশনার সর্বশেষ কর নির্ধারণে প্রদেয় করের ১০% পর্যন্ত এককালীন জরিমানা করতে পারেন। তবে এককালীন এ জরিমানার পরিমান ১,০০০/- টাকার কম হবে না। এ ছাড়া ও আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরবর্তী প্রতিদিনের ব্যর্থতার জন্য ৫০/- টাকা হারেও জরিমানা করারা বিধান রয়েছে।

o ই-টিআইএন ফরম কোথায় পাওয়ো যায় ?

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েব সাইট থেকে টিআইএন ফরম ডাউন লোড করা যায়। সার্কেল অফিস থেকে বিনামূল্যে এটি সংগ্রহ করা যায়। টিআইএন ফরম এর ফটোকপি গ্রহণ যোগ্য

o টিআইএন সনদ নিতে কিকি কাগজ পত্র জমা দিতে হয় ?

টিআইএন পেতে বাংলাদেশী নাগরিকগণের জাতীয় পরিচয় পত্র/পাসপোর্টে্র ফটোকপি প্রয়োজন হয়

o টিআইএন সনদ পেতে টাকা লাগে কিনা ?

টিআইএন গ্রহনের সময় যে ১,০০০/- টাকার বিধান ছিল তা বাতিল করা হয়েছে। অথ্যার্ৎ্ টিআইএন এর জন্য আলাদা কোন ফি নাই।

o টিআইএন সনদ পেতে কতদিন সময় লাগে

অনলাইনে সকল তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সাথেসাথে ইটিআইএন সনদ পাওয়া যায়।

o অবসরে যাওয়ার পরে পেনশন ছাড়া অন্য কোন আয় না থাকা সত্ত্বে ও কি প্রতি বছর রিটার্ন দাখিল করতে হবে ?

কোন আয় থাকুক না থাকুক প্রত্যেক টিআইএন ধারীর ক্ষেত্রে যেহেতু রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে তাই করযোগ্য আয় না থাকা সত্তেও রিটার্ন দাখিল করতে হবে। কোন কর যোগ্য আয় না থাকলে বা নির্ধারিত কর মুক্ত আয় সীমা অতিক্রম না করলে কোন আয়কর প্রদান করতে হবেনা।

o যে সাকেলে আয়কর নথি খোলা হয় সারা জীবন কি সেই সার্কেলে রিটার্ন্ দাখিল করতে হয় ? নাকি বদলী জনিত কারণে বদলীকতৃ কর্মস্থলের জন্য ধার্য্যকৃত সার্কেলে রিটার্ন্ দাখিল করা সম্ভব ?

সাধারণত যে সার্কেলে আয়কর নথি রয়েছে সেই সার্কেলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা ভাল। তবে বদলীকৃত কর্মস্থলের অধিক্ষেত্র অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল করতে হবে।। পুরোনো সার্কেলে চিঠি লিখে আয়কর নথিটি বদলী করাতে হবে

o রিটান পূরণের সময় স্ত্রীর আয়ের উপর স্বামীকে আয়কর প্রদান করতে হবে কি না ?

স্ত্রীর নামে যদি আলাদা আয়কর নথি না থাকে এবং স্ত্রীর আয়ের উৎস যদি স্বামীর টাকাতে হয়ে থাকে তাহলে স্বামীর হাতেই স্ত্রীর আয় কর যোগ্য।

o স্বামী এবং স্ত্রীর উভয়ের আয়কর নথি থাকলে সংসার খরচ কার রিটার্নে প্রদর্শণ করতে হবে ?

যেকোন একটি নথিতে বা উভয়ের নথিতে অর্ধেক করে পারিবারিক খরচ দেখানো যেতে পারে।

o পূর্ববর্তী বছরে সাধারণ পদ্বতিতে কর নির্ধারণ হয়ে থাকলে পরবর্তী বছরের সর্বজনীন স্ব-নির্ধা্রণী পদ্ধতি রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব কি না ?

রিটান ২ পদ্ধতিতে দাখিল করা সম্ভব এক বছরে সাধারণ পদ্ধতিতে দাখিল করলে ও পরবর্তীতে বছরে স্ব-নির্ধা্রণী পদ্ধতিতে দাখিল করা সম্ভব।

o নিধারিত সময়ের মধ্যে যদি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব না হয় তাহলে পরবর্তীতে কি সার্বজনীন স্ব-নির্ধা্রণী পদ্ধতিতে রিটার্ন্ দাখিল করা সম্ভব ?

নিধারিত সময়ের মধ্যে উপ কর কমিশনারের কাছ থেকে সময়ের আবেদন করে সময় নেয়া থাকলে বর্ধিত সময়ের মধ্যে সার্বজনীন স্ব-নিধারনী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব

o সার্বজনীন স্ব-নিধারনী পদ্ধতিতে রিটার্ন্ দাখিল করলে যে সনদ দেয়া হয় তার পরেও কি সার্টিফিকেট নেওয়ার পয়োজন আছে। ?

সার্বজনীন স্বনিধারনী পদ্ধতিতে যে রশিদ দেয়া হয় সেটি কে সার্টিফিকেট হিসেব গন্য করা হয়। সুতরাং আলাদা সার্টিফিকেট নেয়ার প্রয়োজন নাই

o আমার আয়ের উপর সঠিক ভাবে আয়কর হিসাব করা হল কিনা কিভাবে বুঝব ?

প্রতি বছর অর্থ আইনে আয়করের যে হার দেয়া থাকে সে অনুযায়ী আয়করের পরিমান বের করতে হয়। এ ছাড়াও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের website থেকে "Tax Calculator" নামে একটি software দেয়া আছে। এটি ব্যবহার করে ও আয়করের পরিমান সঠিক হল কিনা নিশ্চিত হতে পারবেন।

o সার্ব্জনীন স্ব-নির্ধা্রণী পদ্ধতিতে দাখিলকৃত রিটার্নে ভুলভ্রান্তি ধরা পড়লে সংশোধিত রিটার্ন দেয়া যাবে কিনা ?

সার্ব্জনীন স্ব-নির্ধা্রণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করলে যে রশিদ দেয়া হয় সেটি কর নির্ধারণী আদেশ হিসেবে গণ্য হয় বিধায় এ ক্ষেত্রে সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের সু্যোগ নাই।

o আমার বিগত ৫ বছর আগে একটা আয় ছিল তখন টি আই এন না থাকায় রিটার্ন্ দাখিল করা হয়নি। এখন আমি টি আই এন নিয়েছি এবং রিটার্ন্ দাখিল করেছি। কিন্ত আমার প্রশ্ন হল ৫ বছর আগের রিটার্ন্ দাখিল করতে পারব কিনা ?

রিটার্ন্ পূর্বে দাখিল করা না হলে পরবর্তীতে যে কোন সময় দাখিল করা যায়।

o কোন কারনে যদি বেতন থেকে উৎসে আয়কর কর্তন প্রদেয় আয়করের বেশি থাকে তাহলে নে টাকা কি ফেরৎ পাওয়া যায়?

প্রদেয় করের চেয়ে উৎসে কর্তিত কর বেশি হলে যে ফেরৎযোগ্য কর সৃষ্টি হয় তা পরবর্তী বছর/বছর সমূহে সমন্বয় করা যায়।

o টিআইএন ধারিী বিদেশ থাকলে তার পক্ষে কেউ রিটার্ন দাখিল করতে পারবে কিনা ?

বিদেশে অবস্থান কালে বাংলাদেশী দূতাবাসে আয়কর রিটান দাখিল করা সম্ভব। এ ছাড়া করদাতার স্বাক্ষরকৃত আয়কর রিটার্ন এ দেশে যে কেউ তার পক্ষে দাখিল করিতে পারিবেন।

o সম্পদ বিবরণী মিলানের উপায় কি ?

সম্পদ বিবরনীর ফরমটি এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যাতে করে সম্পদ পরিবৃদ্ধি যোগ্য আয় , করমুক্ত আয় এবং অন্যান্য পাপ্তি দ্ধারা সম্বয় করে মিলানো হয়েছে।। সম্পদের পরিবৃদ্ধি যদি আয় দ্ভারা সমন্বয় না হয় তাহলে বৃদ্ধি প্রাপ্ত সম্পদ কে আয় হিসাবে পরিগণনার সুযোগ আছে।

o বিনিয়োগ রেয়াত বাদে যদি কারে আয়কর ৫,০০০/- টাকার নিচে আসে তবেও কি ৫,০০০/- আয়কর দিতে হবে?

হ্যাঁ। আয়করের সর্বনিম্ন ধাপ অতিক্রম করলেই ৫,০০০/- টাকা কর পরিশোধ করতে হবে। অথ্যার্ৎ বিনিয়োগ রেয়াত বাদে যদি কারো ৫,০০০/- নিচে আসে তবু ও ৫,০০০/- টাকা আয়কর দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটিকর্পো্রেশন এলাকার জন্য সর্বনিম্ন আয়কর ৫,০০০/- দেশের অন্যান্য সিটিকর্পো্রেশন এলাকার সর্বনিম্ন আয়কর ৪,০০০/- এবং দেশের অন্যান্য এলাকার জন্য সর্বনিম্ন আয়কর ৩,০০০/- ধার্য্য করা হয়েছে।

14/11/2019

Thinking about opening a new company?
But you don't know how to register your company.
We are here to help you

The Services we are providing
=======================
Ø TIN Certificate
Ø Income Tax Return submission
Ø Trade license
Ø VAT, IRC, ERC
Ø Tax Appeal
Ø Society/ Foundation Registration
Ø Drafting Memorandum
Ø Company /Partnership Registration
Ø BOI, Deed , Mutation
Ø Land registration
Ø Audit & Accounts
Ø Trade Mark, Copy Right & Patent Registration
Ø Share Transfer, Mortgage
Ø All Tax & Company Related Solution

OFFICE ADDRESS
===============
Rajaul & Associates
7/16 Eastern Plaza, Hatirpool, Dhaka-1205
Contract: +8801917506510
Email: [email protected]

02/07/2019

#আয়কর #রিটার্ন #দাখিলের #প্রস্তুতি
সম্মানিত করদাতা,
সবাইকে শুভেচ্ছা
নির্ভুল এবং সঠিক আয়কর রিটার্ন জমা করতে শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন । সামান্য ভুলের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা শিকার হতে পারেন । আয়কর রিটার্ন এর জন্য হাতে অনেক সময় আছে এই ভেবে এড়িয়ে না গিয়ে সময় এবং সুযোগ মত প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সমূহ গুছিয়ে নিন ।
দেখে নিতে পারেন নীচের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে আপনার কোন কোন প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র লাগতে পারেঃ-
• ১। চাকরিজীবীগন স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন বিবরণীর উৎসে কর্তন সহ প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে নিন । সেই সাথে যে ব্যাংকের মাধ্যমে বেতন প্রদান করা হয়ছে সেই ব্যাংক হিসাব বিবরণী সংগ্রহ করুন।
২। ব্যাংক এর সঞ্চয়ী/ চলতি/ডিপিএস/ এফডিয়ার/অন্যান্য হিসাবের ০১ জুলাই ২০১৮ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ সময়ের ব্যাংক বিবরণী এবং ব্যাংক হতে প্রাপ্ত মুনাফা এবং মুনাফার বিপরীতে উৎসে কর্তিত করের প্রত্যায়ন পত্র সংগ্রহ করে নিবেন ।
৩। বাড়ি ভাড়ার আয় থাকলে ০১ জুলাই ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০১৮ এই মেয়াদে ভারা প্রদানের চুক্তিপত্র, ব্যাংক এর মাধ্যমে ভাড়া গ্রহণ করে থাকলে ব্যাংক বিবরণী, বাড়ি নির্মাণে/ক্রয়ে কোন ঋণ গ্রহণ করে থাকলে ঋণ দাতা প্রতিষ্ঠান হতে মূল ঋণ এবং সুদ প্রদান এর প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে নিন । তাছাড়া সিটি কর্পোরেশন এ পরিশোধিত কর খাজনার রশিদ, বিদ্যুৎ বিলের হিসাব, গ্যাস বিল বীমা করা থাকলে বীমার প্রিমিয়াম প্রদানের ডকুমেন্টস সহ রক্ষণাবেক্ষণ এর খরচের হিসাব সমূহ প্রস্তুত করে নিন ।
৪। কৃষি খাতে আয় থাকলে যথাযথ আয় ব্যয় এর হিসাব প্রস্তুত করে নিন ।
৫।পেশা/ব্যবসা খাতের আয় নিরুপণে ১লা জুলাই ২০১৭ হতে ৩০শে জুন ২০১৮ পর্যন্ত সময়ের ব্যাংক হিসাব বিবরণী, ১লা জুলাই ২০১৭ হতে ৩০শে জুন ২০১৮ পর্যন্ত আপনার ব্যবসায়ের ক্রয়-বিক্রয়/ নীট লাভ/ স্থিতিপত্র প্রস্তুত করে নিন । পেশার আয় নিরূপণে আপনার পেশাগত আয়ের একটি বিবরণী তৈরী করে নিন।নতুন ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি , যে কোন ধরনের উৎসে কর্তন থাকলে তার প্রত্যায়ন পত্র , ব্যাংক লোন থাকলে লোনের স্থিতি এবং সুদ পরিশোধ এর প্রত্যায়ন পত্র নিয়ে নিন ।
৬। ফার্মের অংশীদারীত্ব থেকে মুনাফার অংশ পেয়ে থাকলে ফার্মের হিসাব বিবরণী, ব্যাংক বিবরণী সংগ্রহ করে নিন ।
৭।স্বামী বা স্ত্রীর যদি টি আই এন না থাকে সে ক্ষেত্রে তার আয় থাকলে আয়ের ব্যাখ্যা এবং যথাযথ প্রমান তেমনি নাবালক সন্তানের কোন আয় থাকলে তার যথাযথ প্রমান হাতে রাখুন।
৮। ১লা জুলাই ২০১৮ হতে ৩০শে জুন ২০১৯ সময়কালে যদি এর মধ্যে কোন স্থাবর/অস্থাবর সম্পদ অর্থাৎ জমি/ফ্লাট/গাড়ি/বাড়ি ইত্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করে থাকেন তবে ক্রয়-বিক্রয় দলিল অগ্রিম আয়করসহ ব্যাংকবিবরণী/প্রমানাদি সংগ্রহ করে নিন ।
৯।সঞ্চয়পত্র/ বন্ড ইত্যাদি ক্রয় এবং প্রাপ্ত মুনাফার প্রত্যায়ন পত্র সংগ্রহ করে রাখুন ।
১০। শেয়ার ব্যবসায়ে বিনিয়োগ থাকলে বিও হিসাব বিবরণী/ পোর্ট-ফোলিও ডিভিডেন্ড প্রাপ্তির প্রত্যতায়ন সংগ্রহ করুন ।
১১। ১লা জুলাই ২০১৮ হতে ৩০শে জুন ২০১৯ সময়কালে যদি কোন গিফট(দান) পেয়ে থাকেন বা গিফট(দান) দিয়ে থাকেন তার যথাযথ প্রমানাদি সংগ্রহ করে নিন।
১২।১লা জুলাই ২০১৮ হতে ৩০শে জুন ২০১৯ সময়কালে যদি অগ্রিম আয়কর কিংবা বকেয়া কর পরিশোধ করা হয়ে থাকে তার যথাযথ প্রমান সংরক্ষণ করে রাখুন ।
*** কর রেয়াতের জন্য যথাযথ বিনিয়োগ/ দান ইত্যাদির প্রমাণাদি সংগ্রহ করে নিন।
#আয়কর #রিটার্নের সাথে #প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা প্রদান না করলে বা অসম্পূর্ণ ডকুমেন্টস জমা করলে আপনার আয়কর নথি #অসম্পূর্ণ হিসাবে #পরিগনিত হতে পারে । ডকুমেন্টস এর #অস্পস্টতা বা #অসম্পূর্ণতায় আপনার আয়কর নথি #অডিটএর আওতায় আসতে পারে ।
আয়কর প্রদানে সচেতন হোন , সময়মতো সঠিকভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন, গুঁজামিল নয় একটু সময় নিয়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন । ৩০ শে নভেম্বর ২০১৯ তারিখ “কর দিবস” এবং আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন ।

সবাইকে ধন্যবাদ

29/06/2019

🌀🌀🌀🌀🌀
🌀মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ অনুযায়ী নিবন্ধিত সকল ব্যক্তিকে দাখিলপত্র প্রদান করতে হবে। বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও অসামঞ্জস্যতা দূর করার জন্য 'মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬' সংশোধন করে নতুন মূসক-৯.১ জারী করা হয়েছে। এতে মূল ফরম ছাড়াও ৭টি সাবফরম যুক্ত করা হয়েছে। প্রতি কর মেয়াদের পূরণকৃত ফরম করমেয়াদ পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পেশ করতে হবে। মূসক দপ্তর বা ভ্যাট অনলাইন সিস্টেম কর্তৃক গ্রহণের তারিখ দাখিলপত্র পেশের তারিখ হিসেবে বিবেচিত হবে।

🌀🌀🌀🌀🌀
🌀মূসক-৯.১ ফরম(দাখিলপত্র) পূরণের পদ্ধতিঃ

🌀🌀অংশ ১(করদাতার তথ্য): এতে ১-৫ টি ক্রমিক রয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে ৯ ডিজিটের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নম্বর, করদাতার নাম, ঠিকানা, ব্যবসার প্রকৃতি( পার্টনারশিপ/লিমিটেড কোম্পানি), অর্থনৈতিক কার্যক্রমের প্রকৃতি(আমদানিকাটক, উৎপাদক) লিখতে হবে। অনলাইনে পূরণের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ হবে।

🌀🌀অংশ ২(দাখিলপত্র জমার তথ্য):
এতে ১-৫ টি ক্রমিক রয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে যে করমেয়াদ বা মাসের দাখিলপত্র জমা দেয়া হচ্ছে ঐ মাসের নাম ও সন উল্লেখ করতে হবে এবং অর্থনেতিক কার্যক্রম থাকলে অংশ ৩-১০ পূরণ করতে হবে। উক্ত কর মেয়াদে কোন অর্থনেতিক কার্যক্রম না থাকলে শুধু অংশ ১০ পূরণ করতে হবে।

🌀🌀অংশ ৩(সরবরাহ প্রদান - প্রদেয় কর): এতে ১-৯ ক্রমিক রয়েছে।

🌀নোট ১ ও ২: কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে শূণ্য হার বিশিষ্ট পণ্য/সেবার সরাসরি/প্রচ্ছন্ন রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে। এখানে উল্লেখ্য যে, সরাসরি/প্রচ্ছন্ন রপ্তানির সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য(ক) হবে সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য।

🌀নোট ৩: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা মূসক আইনের তফসিল ও এসআরও তে উল্লেখিত অব্যাহতি পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ৪: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা আদর্শ হার অর্থাৎ ১৫% হারে পণ্য/সেবা সরবরাহ করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ৫: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা আইনের ধারা-৫(৩) উল্লেখিত খুচরা মূল্য ভিত্তিক পণ্য বা সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ৬: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা ট্যারিফ মূল্য(বিশেষ স্কিম ভিত্তিক পণ্য বা সেবা) ভিত্তিক পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-গ পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ৭: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা ন্যূনতম মূল্য সংযোজন/আদর্শ করহার ব্যতীত ভিন্ন করহার
ভিত্তিক পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ৮: যেসমস্ত কর চালান পত্র দ্বারা খুচরা/পাইকারী মূল্য ভিত্তিক পণ্য/সেবা সরবরাহ প্রদান করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-খ পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট-৯: এই কলামে মোট বিক্রয় মূল্য ও মোট প্রদেয় করের হিসাব লিখতে হবে। যোগফলের নিয়মঃ
৯কঃ ১ক+২ক+৩ক+৪ক+৫ক+৬ক+৭ক+৮ক
৯খঃ ৪খ+৫খ+৬খ+৭খ+৮খ
৯গঃ ৪গ+৫গ+৬গ+৭গ+৮গ

অনলাইন পেশের ক্ষেত্রে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্রয় মূল্য, মোট প্রদেয় কর ও সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।

🌀🌀অংশ ৪ (ক্রয় - উপকরণ কর): এতে ১০-২৪ ক্রমিক রয়েছে।

🌀নোট ১০: যেসকল স্থানীয় উপকরণ ক্রয় শূণ্যহার বিশিষ্ট সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। এটি মূলত শতভাগ রপ্তানিমুখী বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১১ঃ যেসকল আমদানিকৃত উপকরণ ক্রয় শূণ্যহার বিশিষ্ট সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। এটি মূলত শতভাগ রপ্তানিমুখী বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১২ঃ যেসকল স্থানীয় ক্রয়কৃত উপকরণ মূসক আইনের তফসিল ও এসআরও এর মাধ্যমে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৩ঃ যেসকল আমদানিকৃত উপকরণ মূসক আইনের তফসিল ও এসআরও এর মাধ্যমে অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৪ঃ যেসকল উপকরণ আদর্শ হারের(১৫%) মূসক প্রদান করে স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৫ঃ যেসকল উপকরণ আদর্শ হারের(১৫%) মূসক প্রদান করে আমদানি করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৬ঃ যেসকল উপকরণ স্থানীয় ভাবে ক্রয় এর ক্ষেত্রে আংশিক রেয়াত অনুমোদন করা হয়েছে(যেমনঃ গ্যাস, বিদ্যুত, বীমা ইত্যাদি) সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৭ঃ যেসকল উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে আংশিক রেয়াত অনুমোদন করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৮ঃ যেসকল কর চালানপত্র দ্বারা ট্যারিফ মূল্য ভিত্তিক উপকরণ স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-গ পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ১৯ঃ যেসকল কর চালানপত্র দ্বারা ন্যূনতম মূল্য সংযোজন/আদর্শ করহার ব্যতীত ভিন্ন করহার ভিত্তিক মূল্য ভিত্তিক উপকরণ স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ২০ঃ রেয়াতযোগ্য নয় যেসকল
উপকরণ সমূহ টার্ণওভার প্রতিষ্ঠান হতে স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ২১ঃ রেয়াতযোগ্য নয় যেসকল উপকরণ সমূহ অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হতে স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ২২ঃ যে সকল করদাতা শুধুমাত্র অব্যাহতিপ্রাপ্ত/ট্যারিফমূল্যভিত্তিক/ন্যূনতম মূল্য সংযোজন ভিত্তিক পণ্য/সেবা বিক্রয় করেন, তারা স্থানীয়ভাবে ক্রয়কৃত উপকরণ এর তথ্য উক্ত নোট এ উল্লেখ করিবেন এবং নোট-১৪ তে কোন তথ্য প্রদানের প্রয়োজন নেই। যেসকল উপকরণ সমূহ স্থানীয়ভাবে ক্রয় করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ২৩ঃ যে সকল করদাতা শুধুমাত্র অব্যাহতিপ্রাপ্ত/ট্যারিফমূল্যভিত্তিক/ন্যূনতম মূল্য সংযোজন ভিত্তিক পণ্য/সেবা বিক্রয় করেন, তারা আমদানিকৃত উপকরণ এর তথ্য উক্ত নোট এ উল্লেখ করিবেন এবং নোট-১৪ তে কোন তথ্য প্রদানের প্রয়োজন নেই। যেসকল উপকরণ সমূহ আমদানি করা হয়েছে সেগুলোর সম্মিলিত কর ব্যতীত মূল্য এই ঘরে লিখতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ক পূরণ করে যোগফল শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ২৪ঃ এটি মোট উপকরণ কর রেয়াত এর হিসাব। কাগুজে পেশের সময় যোগফল হবেঃ

২৪ক= ১০ক+১১ক+১২ক+১৩ক+১৪ক+১৫ক+১৬ক+১৭ক+১৮ক+১৯ক+২০ক+২১ক+২২ক+২৩ক
২৪খ= ১৪খ+১৫খ+১৬খ+১৭খ+১৮খ+১৯খ

অনলাইন পেশের ক্ষেত্রে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোট উপকরণ কর মূল্য ও মোট উপকরণ কর রেয়াত এর পরিমাণ নির্ধারণ করবে।

🌀🌀🌀অংশ ৫(বৃদ্ধিকারী সমন্বয়): এতে ২৫-২৮ ক্রমিক রয়েছে। বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের ক্ষেত্রে করদাতার করদায়িতা বৃদ্ধি পায় অর্থ্যৎ এটি সরকারের প্রাপ্য অংশ।

🌀নোট ২৫ঃ উৎসে কর্তনকারী সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদে কর্তিত সমুদয় মূসকের পরিমান এখানে লিখবেন। এ জন্য উৎসে কর্তনযোগ্য সরবরাহের বিপরীতে গৃহীত মূসক ৬.৩ ও ইস্যুকৃত মূসক ৬.৬ থাকিতে হবে। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের ক্ষেত্রে প্রথমে সাবফর্ম-ঘ পূরণ করে উৎসে কর্তিত ভ্যাট এর পরিমাণ এর যোগফলগুলো শুধু মূল দাখিলপত্রে লিখতে হবে।

🌀নোট ২৬ঃ যদি করমেয়াদে এমন কোন সরবরাহ থাকে যার মূল্য এক লক্ষ টাকার বেশি কিন্তু ইহার সমুদয় অংশই নগদে পরিশোধিত হয়েছে এবং মূসক ৬.৩ এর মাধ্যমে বর্তমান দাখিলপত্রে বা পূর্বের কোন দাখিলপত্রের মাধ্যমে রেয়াত গ্রহণ করে থাকিলে ইহার পরিমাণ এখানে লিখতে হবে।

🌀নোট ২৭ঃ কোন সরবরাহের ক্রয়মূল্য বা পরিমাণ পরিবর্তিত হলে/ডেবিট নোটের জন্য প্রদেয় মূসকের পরিমান বৃদ্ধি পেলে যতটুকুর পরিবর্তন হয়েছে ততটুকুর হিসাব(মূসক) এখানে লিখতে হবে।

🌀নোট ২৮ঃ ব্যবসায়ের লেনদেনের ক্ষেত্রে অনেক ধরনের সমন্বয়ের ঘটনা ঘটতে পারে। নোট ২৫, ২৬ ও ২৭ এ বর্নিত সমন্বয় ঘটনাত্রয় ব্যতীত অন্য যেকোন সমন্বয় ঘটনার জন্য এ ঘরে সমন্বয়যোগ্য মোট মূসকের পরিমান লিখতে হবে।

🌀নোট ২৯ঃ এটি মোট বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের পরিমাণ। কাগুজে দাখিলপত্র পেশের সময় নোট ২৫, ২৬, ২৭ ও ২৮ এর যোগফল এখানে লিখতে হবে। অনলাইন পেশের ক্ষেত্রে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোট বৃদ্ধিকারী সমন্বয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।

🌀🌀🌀.....চলবে

27/06/2019

আয়কর বিধিমালায় প্রযোজ্য জরিমানাসমূহঃ

1. রিটার্ন জমা না দিলেঃ
ক. গতবছরে প্রদত্ত করের 10% অথবা 1000 টাকা যা বেশি। এর অতিরিক্ত প্রতিদিন ব্যর্থতার জন্য 50 টাকা হারে।
খ. তবে নতুন করদাতার জন্য জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা 5000 টাকা এবং পুরাতন করদাতার গতবছরে প্রদত্ত করের 50% এর বেশি হবে না।

2. উপকর কমিশনারের নিকট আবেদন করে রিটার্ন জমার সময়(সর্বেোচ্চ 2মাস) বৃদ্ধি করা যেতে পারে। তবে সময় বৃদ্ধি করলেও প্রতিমাসে 2% হারে সুদ প্রদান করতে হবে।

3. কোম্পানী করদাতাদের ভূয়া অডিট রিপোর্ট প্রদানের জন্য সর্বনিম্ন 3 মাস হতে সর্বোচ্চ 3 বছর অথবা 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ড হতে পারে।

4. সরকারের অনুমতি ব্যতিত কোন বিদেশী ব্যক্তিকে কাজে নিয়োজিত করলে সর্বনিম্ন 3 মাস হতে সর্বোচ্চ 3 বছর অথবা 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ড হতে পারে।

5. টিআইএন যাচাইকরণে ব্যর্থতার জন্য যাচাইকারী কর্মকর্তার 50000 টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

6. ব্যাংক সুদ, ডিভিডেন্ড, বেতন ইত্যাদি প্রদানের সময় উৎসে কর কর্তন না করলে বা সরকারী কোষাগারে জমা না দিলে 5000 টাকা জরিমানা হবে এবং এরূপ ব্যর্থতা চলমান থাকলে প্রতি মাসে 1000 টাকা হরে জরিমানা হবে।

7. উপ কর কমিশনারের চাহিদা মোতাবেক তথ্য ও কাগজপত্র প্রেরণে ব্যর্থতার জন্য 25000 টাকা সাথে প্রতিদিন ব্যর্থতার জন্য 500 টাকা।

23/06/2019

আয়কর বিধিমালায় প্রযোজ্য জরিমানাসমূহঃ

1. রিটার্ন জমা না দিলেঃ
ক. গতবছরে প্রদত্ত করের 10% অথবা 1000 টাকা যা বেশি। এর অতিরিক্ত প্রতিদিন ব্যর্থতার জন্য 50 টাকা হারে।
খ. তবে নতুন করদাতার জন্য জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা 5000 টাকা এবং পুরাতন করদাতার গতবছরে প্রদত্ত করের 50% এর বেশি হবে না।

2. উপকর কমিশনারের নিকট আবেদন করে রিটার্ন জমার সময়(সর্বেোচ্চ 2মাস) বৃদ্ধি করা যেতে পারে। তবে সময় বৃদ্ধি করলেও প্রতিমাসে 2% হারে সুদ প্রদান করতে হবে।

3. কোম্পানী করদাতাদের ভূয়া অডিট রিপোর্ট প্রদানের জন্য সর্বনিম্ন 3 মাস হতে সর্বোচ্চ 3 বছর অথবা 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ড হতে পারে।

4. সরকারের অনুমতি ব্যতিত কোন বিদেশী ব্যক্তিকে কাজে নিয়োজিত করলে সর্বনিম্ন 3 মাস হতে সর্বোচ্চ 3 বছর অথবা 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ড হতে পারে।

5. টিআইএন যাচাইকরণে ব্যর্থতার জন্য যাচাইকারী কর্মকর্তার 50000 টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

6. ব্যাংক সুদ, ডিভিডেন্ড, বেতন ইত্যাদি প্রদানের সময় উৎসে কর কর্তন না করলে বা সরকারী কোষাগারে জমা না দিলে 5000 টাকা জরিমানা হবে এবং এরূপ ব্যর্থতা চলমান থাকলে প্রতি মাসে 1000 টাকা হরে জরিমানা হবে।

7. উপ কর কমিশনারের চাহিদা মোতাবেক তথ্য ও কাগজপত্র প্রেরণে ব্যর্থতার জন্য 25000 টাকা সাথে প্রতিদিন ব্যর্থতার জন্য 500 টাকা। সংগৃহীত

22/06/2019

অর্থ বিল ২০১৯ এ আয়কর আইনের বিবিধ পরিবর্তনের প্রস্তাব সমুহ:

১) পারকুইজিট, রেসিডেন্ট ও রয়্যালিটি এর সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

২) ট্রেড লাইসেঞ্চ নবায়নের সময় যে ট্যাক্স প্রদান করা হয় তার পরিমান পরিবর্তন করা হয়েছেঃ

ক) ঢাকার ২ সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এ ৩,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে।

খ) অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এ ২,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে ।

গ) জেলা শহরের পৌরসভা এলাকাতে ১,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে।

ঘ) অন্যান্য পৌরসভা এলাকাতে ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে।

৩) সরকার নির্ধারিত এলাকাতে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে নির্দিষ্ট পণ্যের ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন করলে নিধারিত হারে কর ছাড় পাওয়া যাবে।

৪) প্রাইভেট উনিভারসিটি, হসপিটাল, ক্লিনিক, ডায়াগনেস্তিক সেন্টার , ফার্ম ও ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দের এখন থেকে উৎসে কর কর্তনের রিটার্ন জমা দিতে হবে।

৫) বিদ্যুতের সংযোগ রাখতে এখন থেকে ই টি আই এন নাম্বার দিতে হবে । সেটা সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং ক্যানটোনমেন্ত এলাকার জন্য প্রযোজ্য ।

৬) বিদেশি অনুদান পায় এমন এনজিও গুলদের ই টি আই এন নাম্বার থাকতে হবে।

৭) ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন প্রতিষ্ঠান ও কোন অনিবাসি করদাতা যাহার বাংলাদেশে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের কে এখন থেকে ট্যাক্স রিতার্ন জমা দিতে হবে।

৮) এক্সপোর্ট ক্যাশ সাবসিডি তে ৩% এর পরিবরতে ১০% ট্যাক্স উৎসে করতন করা হবে।

22/06/2019

্ষ ২০১৮-১৯
্ষ ২০১৯-২০

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা চলতি অর্থবছরের মতো আড়াই লাখ টাকাই রাখা হয়েছে।

নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী করদাতাদের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হবে না। প্রতিবন্ধী করদাতাদের ক্ষেত্রে এই সীমা ৪ লাখ টাকায় রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা চলতি বছরের ন্যায় ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

17/05/2019

আপনি কি আয়কর রেয়াত পেতে চান? আর মাত্র 43 দিন বাকী! বিনিয়োগ ৩০ জুনের মধ্যে করতে হবে. আপনি আয়কর রেয়াত পেতে কোন জায়গায় বিনিয়োগ করবেন? জেনে নিন।

আপনি জানেন কি সঠিকভাবে বিনিয়োগ করলে তার উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়?এবং এর ফলে আপনার আয়কর অনেকাংশে হ্রাস পেতে পারে?

তবে এই আয়কর রেয়াত পেতে হলে আপনাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত কিছু খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।

এর জন্য চাই সঠিক ট্যাক্স প্ল্যানিং। ট্যাক্স প্ল্যানিং এর ফলে আয়কর একদিকে যেমন হ্রাস পায় তেমনি অন্যদিকে বিনিয়োগের অংক বৃদ্ধি পায়।

কিন্তু সেজন্য আপনাকে জানতে হবে কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনি তার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন।

★কোথায় বিনিয়োগ করবেন?

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪-এর ষষ্ঠ সিডিউল পার্ট-বি, ধারা ৪৪ (২) (বি) অনুযায়ী একজন ব্যাক্তি করদাতা কোথায় বিনিয়োগ করলে তার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন তা উল্লেখ রয়েছে। সঠিকভাবে না জানার কারনে অনেকেই আয়কর বেশি দিয়ে থাকেন। আয়কর আইনে সরকার করদাতাদের যে সুবিধা দিয়ে রেখেছে তা জেনে বিনিয়োগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনি মাস শেষে খরচ করে অবশিষ্ট টাকা হয়তো আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রেখে দেন। সেটা হতে পারে সঞ্চয়ী হিসাব বা চলতি হিসাব।

আবার বছর শেষে এই টাকা যখন জমে একটা বড় অংক হয় তখন হয়তো স্থায়ী আমানত হিসেবে রেখে দেন।এখানে আপনি বিনিয়োগ ঠিকই করেছেন এবং সেখান থেকে আপনি মাস শেষে বা বছর সেষে একটা রিটার্নও পাচ্ছেন।

কিন্তু প্রতি বছর যে আপনি আয়কর দিচ্ছেন সেটা কমাতে পারতেন যদি আপনি সেই বিনিয়োগকৃত টাকাটা সঠিক খাতে বিনিয়োগ করতেন।

★তাহলে চলুন জেনে নেই কোথায় বিনিয়োগ করলে আপনার আয়কর কমবেঃ

পুজি বাজারে নিবন্ধিত কোন শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড অথবা ডিবেঞ্চার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত ট্রেজারি বন্ড কোন সিডিউল ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ বাৎসরিক ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিপিএস, জীবন বীমা প্রিমিয়াম (বাৎসরিক মোট বীমাকৃত অংকের সর্বোচ্চ ১০%), রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সেভিংস সার্টিফিকেট, একটা ডেস্কটপ কম্পিউটার (সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা) অথবা একটা ল্যাপটপ কম্পিউটার (সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা), স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডে কন্ট্রিবিউশন ইত্যাদি।

এতো গেলো নিজের জন্য বা পরিবারের সদস্যদের জন্য ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়। কিন্তু এর বাইরে অনেকেই সমাজ সেবামূলক কাজ করে আনন্দ পান।আর্থিক সুবিধার কথা বাদ দিয়ে সমাজের মানুষের উপকার করাটাই তাদের আসল উদ্দেশ্য।

কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মানুষকে সমাজ সেবামূলক কাজে উৎসাহ দেয়ার জন্য কিছু ক্ষেত্রে আয়কর রেয়াতের সুবিধা দিয়েছেন।আপনি উল্লেখিত সেই সব খাতে অনুদান দিয়ে আয়কর রেয়াত নিতে পারেন।

★কোথায় অনুদান দিবেন?

আপনি যদি আয়কর রেয়াত পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে রাজস্ব বোর্ড স্বীকৃত বা অনুমোদিত ফান্ডে বা প্রতিষ্ঠানে আপনাকে অনুদান দিতে হবে।কেবল তখনই আপনি সেই দানকৃত অর্থের উপর আয়কর রেয়াত দাবি করতে পারবেন।

★উপরে বর্ণিত সিডিউলে কোন কোন খাতে দান করলে আপনার দান আয়কর রেয়াতযোগ্য হবে এবার চলুন সেগুলো জেনে নেই।

কোন দাতব্য চিকিৎসালয় যেটা সিটি কর্পরেশনের বাইরে অবস্থিত। তবে সেখানে অনুদানকৃত টাকা অবশ্যই সেই চিকিৎসালয় স্থাপনের এক বছর পরে হতে হবে।
সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরের অনুমোদিত কোন প্রতিষ্ঠান যেটা প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের এক বছর পরে অনুদানকৃত টাকা হতে হবে।

যাকাত ফান্ড অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যাকাত ফান্ডে অনুদানকৃত টাকা।
বাংলাদেশে আগা খান উন্নয়ন কর্মসূচী-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত কোন আর্থ-সামাজিক বা সাংস্কৃতিক উন্নয়নমূলক পতিষ্ঠানে দানকৃত টাকা।
সরকার কর্তৃক অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানে অনুদানকৃত টাকা।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদানকৃত টাকা।
জাতির পিতার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে অনুদানকৃত টাকা।
আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি, উপরে বর্ণিত খাতে বিনিয়োগের পূর্বে জেনে নিন অবশ্যই প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদিত।
তা না হলে আপনি সমাজের উপকার ঠিকই করেছেন। কিন্তু আপনি আয়কর রেয়াত পাবেন না।

যেমন অনেকেই মসজিদ-মাদ্রাসায়, এতিমখানায় দান করে থাকেন। সেখানে কেউ আয়কর রেয়াতের কথা চিন্তা করে করেন না।

তারা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের আশায় করে থাকেন।মোট কথা হলো আপনি কি উদ্দেশ্যে করতে চাচ্ছেন তা অর্জন করতে পারছেন কিনা সেটাই আসল কথা।

★কত টাকা বিনিয়োগ সুবিধা পাবেন?

ধারা ৪৪ (২) (বি) এবং (সি) অনুযায়ী আপনি কতো টাকা বিনিয়োগ করলে তার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন তা উল্লেখ রয়েছে।

তবে আপনি এর উপরে বিনিয়োগ করতে পারবেন না সে ধরনের কোনো বাধা নেই। সেক্ষেত্রে আপনি সেই বিনিয়োগকৃত টাকার উপর আয়কর রেয়াত পাবেন না।

★উল্লেখিত তিনটি অংক হলোঃ

১. আপনার মোট করযোগ্য আয়ের ২৫% (কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া)

২. দেড় কোটি টাকা

৩. আপনার প্রকৃত বিনিয়োগকৃত টাকা

উপরে উল্লেখিত তিনটি অংকের মধ্যে যেটি সবচেয়ে কম হবে তার উপরই আপনি আয়কর রেয়াত পাবেন।

আপনার ন্যূনতম কতো টাকা বিনিয়োগ করতে হবে সেটা আয় বর্ষ শেষ হওয়ার আগেই জানতে হবে। আপনি যদি আগে থেকে না জানেন তাহলে অনেক সময় আপনি যে পরিমান বিনিয়োগ সুবিধা পেতেন তা থেকে কম পেতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি আগে থেকেই আয়কর দিয়ে থাকেন তাহলে গত বছরের মোট করযোগ্য আয়কে ভিত্তি ধরে সারা বছর ধরে বিনিয়োগ করে যেতে পারেন।

বছর শেষের দিকে এসে আনুমানিক আপনার কতো মোট করযোগ্য আয় হতে পারে সে হিসেব করে বিনিয়োগের পরিমান কমাতে বা বাড়াতে পারেন।

আর যারা নতুন আয়কর দিতে যাচ্ছেন তারাও সারা বছর কতো আনুমানিক আয় হতে পারে সে মতো বিনিয়োগ করতে পারেন। এবং বছর শেষে দরকার মতো বিনিয়োগ কমাতে বা বাড়াতে পারেন।

★কত আয়কর রেয়াত পাবেন?

২০১৫-১৬ আয় বর্ষের আগে বিনিয়োগযোগ্য অংকের উপর সরাসরি ১৫% হারে আয়কর রেয়াত পেতেন করদাতাগণ।কিন্তু ২০১৫-১৬ থেকে বিনিয়োগকৃত টাকাকে তিনটি ভাগে ভাগ করে তিনটি হার নির্ধারণ করে দিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

★তিনটি হার হলোঃ

১. প্রথম ২,৫০,০০০ টাকার উপর ১৫%

২. পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকার উপর ১২%

৩. অবশিষ্ট বিনিয়োগকৃত টাকার উপর ১০%

অর্থাৎ আপনি উপরে উল্লেখিত হারে আয়কর রেয়াত পাবেন যেটা চূড়ান্তভাবে আপনার মোট আয়কর থেকে বাদ যাবে।

বাদ দিয়ে যেটা থাকবে সেটাই আপনাকে আয়কর হিসেবে জমা দিতে হবে।

তবে আপনি যদি আগে উৎসে কর দিয়ে থাকেন তাও বাদ যাবে। এসব বাদ যাওয়ার পর যা থাকবে কেবল সেটাই আপনাকে আয়কর হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-কে দিতে হবে।

তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)

Address

Green City Regency, 2nd Floor, 26 Kakrail
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md. Rajaul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category