Advocate Imrul Sheikh

Advocate Imrul Sheikh সৎ পরামর্শ ও সেবাপ্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।
মোবাইল:+৮৮০১৭১৬১৪৯১৯১
+৮৮০১৬৭১১৪৯১৯১

⚖️ জিডি (GD) করতে থানায় টাকা দিতে হয়?না, সাধারণ ডায়েরি (GD) করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।মোবাইল হারানো, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপ...
19/06/2026

⚖️ জিডি (GD) করতে থানায় টাকা দিতে হয়?
না, সাধারণ ডায়েরি (GD) করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
মোবাইল হারানো, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হারানো, হুমকি পাওয়া বা কোনো ঘটনা লিপিবদ্ধ করার জন্য থানায় জিডি করতে কোনো ফি দিতে হয় না।
অনেকেই ভুল ধারণা থেকে মনে করেন জিডি করতে টাকা লাগে। বাস্তবে, জিডি করা নাগরিকের আইনগত অধিকার এবং এর জন্য কোনো সরকারি ফি নির্ধারিত নেই।
📌 মনে রাখবেন:
জিডি করতে গিয়ে কেউ টাকা দাবি করলে তার পরিচয় সংরক্ষণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন।
#জিডি #আইনজানুন

18/06/2026
⚖️ শুধু টাকা দিলেই কি পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব শেষ?না।পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ এর ২(খ) ধারা অনুযায়ী ভরণপোষণ বলতে শু...
15/06/2026

⚖️ শুধু টাকা দিলেই কি পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব শেষ?
না।
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ এর ২(খ) ধারা অনুযায়ী ভরণপোষণ বলতে শুধু অর্থনৈতিক সহায়তা নয়, পিতা-মাতার যত্ন, সেবা ও সঙ্গ প্রদানও বোঝায়।
অর্থাৎ, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ না নেওয়া, তাদের সময় না দেওয়া বা একাকী ফেলে রাখা—এসবও সন্তানের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার শামিল।
আইন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পিতা-মাতার প্রয়োজন শুধু অর্থ নয়; প্রয়োজন সন্তানের সময়, ভালোবাসা ও পাশে থাকার আশ্বাস।
⚖️ পিতা-মাতার জন্য কিছু সময় বের করুন। এটি শুধু নৈতিক দায়িত্ব নয়, আইনগত দায়িত্বও।

⚖️ ডিভোর্সের পর সন্তানের কাস্টডি: বাংলাদেশে আইন ও বাস্তবতাডিভোর্সের পর সবচেয়ে সংবেদনশীল ও জটিল বিষয়গুলোর একটি হলো সন্তান...
13/06/2026

⚖️ ডিভোর্সের পর সন্তানের কাস্টডি: বাংলাদেশে আইন ও বাস্তবতা
ডিভোর্সের পর সবচেয়ে সংবেদনশীল ও জটিল বিষয়গুলোর একটি হলো সন্তানের হেফাজত (Custody)। অনেকেই মনে করেন সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে মা বা বাবার নির্দিষ্ট একজনের কাছে চলে যাবে। কিন্তু বাংলাদেশের আইন ও বিচারব্যবস্থা এভাবে কাজ করে না।
আদালতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
👶 “Welfare of the Child” — সন্তানের সর্বোচ্চ কল্যাণ।
এটাই কাস্টডি সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি।
📌 কাস্টডি নির্ধারণে আদালত কী বিবেচনা করেন?
▪️ সন্তানের বয়স, শারীরিক ও মানসিক অবস্থা
▪️ নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ আছে কি না
▪️ অভিভাবকের চরিত্র, সক্ষমতা ও আচরণ
▪️ সন্তানের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ কল্যাণ
▪️ নির্দিষ্ট বয়সের পর সন্তানের মতামত (Child Preference)
📖 এই নীতির ভিত্তি পাওয়া যায় Guardians and Wards Act, 1890 এর Section 17-এ, যেখানে শিশুর কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
👩‍👧 মায়ের হেফাজত (Hizanat) সম্পর্কিত বাস্তবতা
মুসলিম পার্সোনাল ল’ অনুযায়ী ছোট শিশুর ক্ষেত্রে (বিশেষ করে কন্যা শিশু) সাধারণত মায়ের হেফাজতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়—যদি মা সন্তানের জন্য উপযুক্ত, নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হন।
তবে এটি কোনো স্বয়ংক্রিয় বা বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়—প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে বিবেচিত হয়।
👨‍👧 বাবার কাস্টডি পাওয়ার সুযোগ
বাবাও কাস্টডি পেতে পারেন, যদি আদালত মনে করেন—
▪️ মা অযোগ্য বা অনুপযুক্ত
▪️ বাবার পরিবেশ শিশুর জন্য বেশি নিরাপদ
▪️ সন্তানের সার্বিক কল্যাণ সেখানে বেশি নিশ্চিত হবে
⚖️ Interim Custody (অস্থায়ী হেফাজত)
মামলা চলাকালীন সময়ে আদালত সন্তানের জন্য অস্থায়ী হেফাজতের আদেশ দিতে পারেন, যাতে চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত শিশুর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
🤝 Visitation Rights (সাক্ষাতের অধিকার)
যে অভিভাবক কাস্টডি পান না, তিনি সাধারণত সন্তানের সঙ্গে দেখা করার আইনগত অধিকার পান।
আদালত নির্দিষ্ট সময়, দিন ও শর্ত নির্ধারণ করে দেন—যা সন্তানের মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
💰 ভরণপোষণ (Maintenance)
সন্তানের ভরণপোষণ বাধ্যতামূলক দায়িত্ব।
কাস্টডি যার কাছেই থাকুক না কেন—
▪️ শিক্ষা
▪️ চিকিৎসা
▪️ বাসস্থান
▪️ দৈনন্দিন খরচ
এই সবই সন্তানের অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। সাধারণত আর্থিক সক্ষম অভিভাবক এই দায়িত্ব বহন করেন, তবে আদালত প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন সিদ্ধান্তও দিতে পারেন।
⚖️ গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাস্তবতা
✔️ Custody (দৈনন্দিন হেফাজত) ও Guardianship (আইনগত অভিভাবকত্ব) এক নয়
✔️ বাবা আইনগত অভিভাবক হলেও কাস্টডি অন্যজনের কাছে যেতে পারে
✔️ আর্থিক সক্ষমতা একমাত্র সিদ্ধান্তের ভিত্তি নয়
✔️ আদালতের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে সন্তানের কল্যাণ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে
💔 শেষ কথা
ডিভোর্স স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের সমাপ্তি হতে পারে, কিন্তু সন্তানের প্রতি দায়িত্ব কখনো শেষ হয় না।
সন্তান কোনো পক্ষের জয় বা পরাজয়ের বিষয় নয়—সে একটি জীবন, যার নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই আইন ও নৈতিকতার মূল লক্ষ্য।
📚 আইনি ভিত্তি (References):
▪️ Guardians and Wards Act, 1890 (Sections 7, 17, 25)
▪️ Family Courts Act, 2023
▪️ Muslim Personal Law (Hizanat Principles)
▪️ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন বিচারিক সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা
⚖️📖

12/06/2026

আপনার দেওয়া ১০০ টাকার কর কোথায় কীভাবে খরচ করবে সরকার?
খাত
ব্যয় (টাকা)
🍚 খাদ্য ভর্তুকি ও সরবরাহ (সবচেয়ে বড় ব্যয় খাত)
২০.৫০ টাকা
🛡️ ভর্তুকি ও প্রণোদনা
১৭.০০ টাকা
🤝 সাহায্য ও মঞ্জুরি
১৫.৭০ টাকা
👨‍💼 কর্মচারী-কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা
১৪.৮০ টাকা
🛒 পণ্য ও সেবা ক্রয়
৯.০০ টাকা
🏗️ অবকাঠামো ও বিবিধ ব্যয়
৬.৮০ টাকা
👴 পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা
৫.৭০ টাকা
📈 শেয়ার ও ইকুইটি বিনিয়োগ
৫.৩০ টাকা
💰 ঋণমূলধন সংগ্রহ/পরিশোধ
৩.৮০ টাকা
📌 অন্যান্য ব্যয়
২.৬০ টাকা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন
11/06/2026

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার জন্য বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন


⚖️ আইনগতভাবে কখন একজন স্ত্রী দেনমোহর থেকে বঞ্চিত বা আংশিক বঞ্চিত হতে পারেন?​— শরিয়াহ ও প্রচলিত আইনের আলোকে একটি আইনি পর্...
11/06/2026

⚖️ আইনগতভাবে কখন একজন স্ত্রী দেনমোহর থেকে বঞ্চিত বা আংশিক বঞ্চিত হতে পারেন?
​— শরিয়াহ ও প্রচলিত আইনের আলোকে একটি আইনি পর্যালোচনা
​মুসলিম পারিবারিক আইনে দেনমোহর কোনো দয়া, উপহার বা শাস্তি নয়; বরং এটি স্ত্রীর প্রতি সম্মান এবং তাঁর একটি অন্যতম প্রধান আর্থিক ও আইনি নিরাপত্তা (Debt বা ঋণ)। তবে কিছু বিশেষ এবং সুনির্দিষ্ট আইনি ও ধর্মীয় পরিস্থিতিতে স্ত্রী দেনমোহর সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে হারাতে পারেন।
​নিচে এই ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
​১. ইবরা বা স্বেচ্ছায় মাফ (Remission of Dower)
​স্ত্রী যদি সম্পূর্ণ নিজের স্বাধীন ইচ্ছায়, কোনো প্রকার জোর-জবরদস্তি, ভয়-ভীতি বা মানসিক চাপ ছাড়া স্বামীকে দেনমোহর মওকুফ বা মাফ করে দেন, তবে আইন ও শরিয়াহ অনুযায়ী স্বামী সেই দেনমোহর পরিশোধের দায় থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
​সতর্কতা: তবে কোনো ধরনের চাপের মুখে বা বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার শর্তে বাধ্য হয়ে মাফ করলে তা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়।
​২. খুলা তালাক (Khula Divorce)
​যখন স্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ চান এবং স্বামী আর্থিক সমঝোতার ভিত্তিতে তা মেনে নেন, তখন তাকে 'খুলা তালাক' বলা হয়।
​শরিয়াহ অবস্থান: স্ত্রী বিবাহ বন্ধন থেকে মুক্তির বিনিময়ে স্বামীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেনমোহরের অর্থ বা অন্য কোনো সম্পত্তি ফেরত দিতে বা দাবি ছেড়ে দিতে রাজি হতে পারেন।
​আইনি অবস্থান (বাংলাদেশ): খুলার ক্ষেত্রে সাধারণত দেনমোহর মাফ বা আংশিক ফেরত দেওয়ার শর্ত থাকে। তবে চুক্তিতে সুনির্দিষ্ট উল্লেখ না থাকলে বা কোনো জটিলতা তৈরি হলে আদালত সার্বিক দিক বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেন।
​৩. সহবাসের পূর্বে তালাক (Divorce Before Consummation)
​বিবাহ সম্পন্ন হওয়ার পর কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সহবাস (Consummation) হওয়ার পূর্বেই যদি স্বামী স্ত্রীকে তালাক প্রদান করেন, তবে স্ত্রী সম্পূর্ণ দেনমোহর পাবেন না।
​পবিত্র কুরআনের বিধান (সূরা বাকারা, ২:২৩৭): যদি বিয়ের সময় মোহর নির্ধারিত হয়ে থাকে এবং সহবাসের পূর্বেই তালাক হয়ে যায়, তবে স্ত্রী নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক (৫০%) পাবেন।
​৪. বাতিল বা ফাসিদ বিবাহ (Void or Irregular Marriage)
​যদি বিবাহটি শুরু থেকেই আইনগত বা ধর্মীয়ভাবে বৈধ না হয় (যেমন: নিষিদ্ধ রক্তের বা বংশীয় আত্মীয়ের সাথে বিবাহ, কিংবা আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে বিবাহ) এবং সেই বিবাহে যদি সহবাস না হয়ে থাকে, তবে স্ত্রী কোনো দেনমোহর পাবেন না।
​৫. প্রতারণা বা গুরুতর তথ্য গোপন (Right of Annulment)
​ইসলামী ফিকহে একে বলা হয় 'খিয়ারুল ফাসখ' (Right of Annulment)। যদি বিয়ের সময় কোনো পক্ষ গুরুতর প্রতারণা বা তথ্য গোপন করে (যেমন: মানসিক ভারসাম্যহীনতা বা এমন কোনো অক্ষমতা যা দাম্পত্য জীবন অসম্ভব করে তোলে) এবং তার ভিত্তিতে পরবর্তীতে যথাযথ আদালতে গিয়ে বিবাহটি বাতিল বা রদ করানো হয়, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় স্ত্রী দেনমোহরের অধিকার হারাতে পারেন।
​🚫 সমাজ ও বাস্তবতার কিছু চরম ভুল ধারণা (Practical Myths)
​আমাদের সমাজে দেনমোহর নিয়ে কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে, যা আইন ও শরিয়াহ কোনোটির সাথেই মেলে না:
​❌ ভুল ধারণা ১: স্ত্রী রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গেলে দেনমোহর পাবেন না।
​❌ ভুল ধারণা ২: স্ত্রী অবাধ্য হলে বা স্বামীর কথা না শুনলে দেনমোহর বাতিল হয়ে যায়।
​❌ ভুল ধারণা ৩: স্ত্রী কোনো অপরাধ বা পরকীয়ায় লিপ্ত হলে দেনমোহর দেওয়া লাগবে না।
​প্রকৃত সত্য: উপরোক্ত পরিস্থিতিগুলোর কোনোটিতেই স্ত্রীর দেনমোহরের অধিকার খর্ব হয় না। দেনমোহর হলো স্বামীর ওপর একটি অলঙ্ঘনীয় 'ঋণ' (Debt)। এমনকি স্বামী মৃত্যুবরণ করলেও তাঁর রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে সর্বপ্রথম এই দেনমোহরের ঋণ পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক।
​আইনি পরামর্শ ও সহযোগিতায়:
​⚖️ অ্যাডভোকেট ইমরুল শেখ
এলএল.বি (অনার্স), এলএল.এম
📞 মোবাইল: ০১৭১৬-১৪৯১৯১ / ০১৬৭১-১৪৯১৯১

প্রবাসে থেকে কি দেশে মামলা পরিচালনা করা সম্ভব!!হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব! প্রবাসে থেকেও আপনি বাংলাদেশের আদালতে আপনার আইনি লড়াই...
10/06/2026

প্রবাসে থেকে কি দেশে মামলা পরিচালনা করা সম্ভব!!

হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব!

প্রবাসে থেকেও আপনি বাংলাদেশের আদালতে আপনার আইনি লড়াই বা সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করতে পারেন। দূরত্বের কারণে আপনার আইনি অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

কীভাবে? জেনে নিন সহজ উপায়:

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (আমমোক্তারনামা):
আপনি প্রবাসে বসেই আপনার কোনো বিশ্বস্ত আত্মীয় বা বন্ধুকে আইনি ক্ষমতা দিতে পারেন। তিনি আপনার প্রতিনিধি হয়ে আদালতে যাবতীয় নথিপত্র স্বাক্ষর এবং মামলা তদারকি করবেন। এর জন্য আপনি যে দেশে আছেন, সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাই-কমিশন থেকে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দলিলটি সত্যায়ন (Attestation) করিয়ে দেশে পাঠাতে হবে। পরবর্তীতে দেশে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এর আইনি প্রসেস (যেমন: ডিসি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কাজ) সম্পন্ন করে মামলা পরিচালনা করা যাবে।

ডিজিটাল ট্রায়াল ও অনলাইন মনিটরিং:
ডিজিটাল যুগে বিদেশের মাটিতে বসেই আপনি প্রতিনিয়ত আপনার আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ রেখে মামলার প্রতিটা তারিখের আপডেট নিতে পারেন। এমনকি বিশেষ ক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ দর্শিয়ে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ভিডিও কনফারেন্স বা ভার্চুয়াল মাধ্যমের সাহায্যে প্রবাসীদের সাক্ষ্য (Evidence) গ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে।
আইন জানুন, সচেতন থাকুন এবং সঠিক আইনি পরামর্শ নিয়ে নিজের অধিকার রক্ষা করুন। ⚖️

প্রবাসে অবস্থানরত আপনার পরিচিতজনদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

অ্যাডভোকেট ইমরুল শেখ
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা

Address

Dhaka Bar Association
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Imrul Sheikh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share