Advocate Nur Kutubul Alam Miron

Advocate Nur Kutubul Alam Miron Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate Nur Kutubul Alam Miron, Legal Service, Dhaka.

Advocate, Human rights Activist
District and Session Judge Court Dhaka
Criminal, Civil, Family Law, Income Tax, Company Law Adviser
Chamber
Nahar complex, 3rd Floor,Room C26.
01718775097
Head of KUTUB Jurist Chamber: Your Trusted Legal Partner.

25/06/2026
21/06/2026

অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি কি চাইলেই বাতিল করা যায়? হাইকোর্টের রায়ের পর্যালোচনা।
- Advocate Saddam Hossen

মামলার সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ

#মামলার নাম: হাসিনা জামশেদ এবং অন্যান্য বনাম বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য (writ petition No. 12318 of 2019) ।

আদালত: হাইকোর্ট বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
বিচারক: মাননীয় বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম এবং মাননীয় বিচারপতি মো. ইকবাল কবির।
রায়ের তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
রিপোর্টঃ 𝟕𝟒 𝐃𝐋𝐑 (𝐇𝐂𝐃), 𝐏𝐚𝐠𝐞- 𝟑𝟏𝟖

#ঘটনার পটভূমিঃ
মিরপুর হাউজিং এস্টেটের সেকশন-৭-এ অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক প্লট (প্লট নং ১, রোড নং ৩) নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। এই জমির মূল লিজগ্রহীতা ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। তিনি ১৯৮৯ সালে হাসিনা জামশেদদের পূর্বসূরি সৈয়দ জামশেদ হোসেন চৌধুরীর অনুকূলে একটি রেজিস্ট্রিকৃত পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (আম-মোক্তারনামা) সম্পাদন করে দেন। দলিলে উল্লেখ ছিল যে, এই পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিটি কোনোভাবেই বাতিল করা যাবে না।

পরবর্তীতে আবুল কালাম আজাদ ২০১০ সালে অন্য একজনের নামে এবং ২০১২ সালে তার ভাই এনামুল হোসেনের নামে বিদেশে বসে (Foreign Power of Attorney) আরও কিছু পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি তৈরি করেন। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ২০১২ সালের সেই নতুন পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিটি অনুমোদন করে । এর প্রতিবাদে হাসিনা জামশেদ এবং অন্যান্য উত্তরাধিকারীরা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।

#মূল আইনি প্রশ্নঃ
১. আগের পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি বহাল থাকা অবস্থায় নতুন পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি অনুমোদন করা বৈধ কি না?

২. পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৬)-এর একটি বিধান সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের সাথে সাংঘর্ষিক কি না?

#মহামান্য হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্তঃ
হাইকোর্ট মামলাটি পর্যালোচনা করে নিচের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেন:

*জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ভুল:

আদালত দেখেন যে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ আগের আম-মোক্তারনামা (Annexure-C) এবং অন্যান্য তথ্য যাচাই না করেই ২০১২ সালের নতুন পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিটি অনুমোদন করেছে, যা আইনত সঠিক ছিল না।

*বাতিল করার প্রক্রিয়া:

আম-মোক্তারনামা দাতা (আবুল কালাম আজাদ) নিজে কখনো আগের আম-মোক্তারনামাটি আইন অনুযায়ী বাতিল করার কোনো উদ্যোগ নিয়েছিলেন এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

*বিরোধ নিষ্পত্তির নিয়ম (ধারা ১৩):

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, রেজিস্ট্রিকৃত পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নিয়ে কোনো বিরোধ তৈরি হলে পক্ষগুলোকে প্রথমে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করতে হবে । যদি আপস-মীমাংসা ব্যর্থ হয়, তবেই উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।

#চূড়ান্ত রায়:
আদালত রায় দেন যে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ২০১২ সালের পাওয়ার অফ অ্যাটর্নিটির অনুমোদন দেওয়া আইনবহির্ভূত হয়েছে এবং এর কোনো আইনি কার্যকারিতা নেই। আদালত উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেন যেন তারা ২০১২ সালের আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করে।

#রায়ের সারমর্মঃ
আদালত এই রায়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন যে, কোনো রেজিস্ট্রিকৃত পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (বিশেষ করে অপ্রত্যাহারযোগ্য বা Irrevocable হলে) হঠাৎ করে অন্য কারো নামে পরিবর্তন বা অনুমোদন করা যায় না। যদি পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নিয়ে দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে কোনো ঝামেলা হয়, তবে আইন অনুযায়ী (ধারা ১৩) আলোচনার মাধ্যমে বা আদালতের মাধ্যমে তার সমাধান করতে হবে। গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ যথাযথ তদন্ত না করে নতুন পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি অনুমোদন করে ভুল করেছিল, যা আদালত বাতিল করে দিয়েছেন ।
_______________________________
- মো নুর কুতুবুল আলম
অ্যাডভোকেট

#আইনসচেতনতা #হাইকোর্ট #পাওয়ারঅবঅ্যাটর্নি #ভূমিআইন

বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা। আপনি দেশ ছাড়তে পারবেন না! অথচ আপনার নামে কোনো মামলা নেই, কোনো ওয়ারেন্টও নেই। স্রেফ একটা চিঠির জোর...
08/06/2026

বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা। আপনি দেশ ছাড়তে পারবেন না! অথচ আপনার নামে কোনো মামলা নেই, কোনো ওয়ারেন্টও নেই। স্রেফ একটা চিঠির জোরে কি আপনাকে এভাবে আটকে দেওয়া সম্ভব? তাফসির মোহাম্মদ আউয়াল বনাম বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার এবং অন্যান্য মামলার রায় আজ আলোচনা করবো। আইনের শিক্ষার্থী, গবেষণা, আইনজীবী ও সাধারণ নাগরিকদের জানার সুবিধার্থে আলোচনা করবো।

♈রায়ের তারিখ: ২৪/০২/২০২২
♈মাননীয় বিচারপতি ​মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার এবং মাননীয় বিচারপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

মামলার প্রেক্ষাপট (Fact of the Case):
Writ petitioner তাফসির মোহাম্মদ আউয়াল বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন দ্বৈত নাগরিক (Dual Citizen) এবং দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ 'মাল্টিমোড গ্রুপ'-এর অন্যতম পরিচালক।

✅তিনি নিয়মিত ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বিদেশে যাতায়াত করেন। ২৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে তিনি তাঁর যুক্তরাজ্যে বসবাসরত মেয়ের জন্মদিনে যোগদানের উদ্দেশ্যে লন্ডন যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান।

✅বিমানের চেকিং সম্পন্ন করে বোর্ডিং পাস (Boarding Pass) নেওয়ার পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রায় ২ ঘণ্টা বসিয়ে রাখে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশনার অজুহাত দেখিয়ে তাঁকে অফলোড (Off-loaded) করে অর্থাৎ দেশ ত্যাগে বাধা দেয়। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (ACC) কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই স্রেফ একটি অভ্যন্তরীণ স্মারকের (Memo) মাধ্যমে তাঁর ওপর এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা (Travel Ban) জারি করেছে।

✅যদিও আবেদনকারী ইতিপূর্বেই দুদকের তলব অনুযায়ী হাজির হয়ে সব ধরনের তথ্য সরবরাহ করেছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেন্ডিং ছিল না।

✅মামলার কারণ (Cause of Action)
কোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা (Specific Criminal Case) কিংবা আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (Warrant of Arrest) ছাড়াই, স্রেফ প্রশাসনিক চিঠির বা স্মারকের ওপর ভিত্তি করে একজন নাগরিকের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা এবং বিমানবন্দরে তাঁকে হয়রানি করার মাধ্যমেই এই মামলার ‘Cause of Action’ বা মামলার কারণ উদ্ভূত হয়েছে। এটি সরাসরি নাগরিকের মৌলিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ।

✅রিট পিটিশন দায়ের (Filing of Writ Petition)
দুদকের এই স্বেচ্ছাচারী ও বেআইনি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে writ petitioner has challenged under Article 102 of Constitution and challenged the travel ban memo issued by the ACC.

✅রুল ইস্যু (Rule Nisi)
আবেদনটি প্রাথমিক শুনানির পর মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগ প্রতিপক্ষ তথা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর একটি 'Rule Nisi' (রুল নিশি) জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়— কেন আবেদনকারীকে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়ার এই পদক্ষেপ এবং দুদকের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার স্মারকটিকে বেআইনি ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

✅Issuance of Interim Order:
রুল জারির পাশাপাশি আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন বা প্রাথমিক আদেশ (Interim Order) প্রদান করেন। এই আদেশে বলা হয়, যদি আবেদনকারীর বিরুদ্ধে আদালতে কোনো সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পেন্ডিং না থাকে, তবে তাঁকে আগামী ৩ (তিন) মাসের জন্য বিদেশে যাওয়ার এবং পুনরায় দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

✅আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য (Submissions of the Petitioner’s Advocate): আবেদনকারীর পক্ষে বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী অত্যন্ত জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করেন:

🔴তিনি সাবমিট করেন যে, আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি মামলা নেই, কোনো এফআইআর (FIR) নেই এবং আদালত থেকেও কোনো ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়নি।

🔴সংবিধানের Article 36 অনুযায়ী, একজন নাগরিকের চলাচলের স্বাধীনতা (Freedom of Movement) এবং দেশ ত্যাগ ও প্রত্যাবর্তনের অধিকার একটি ইনালিয়েনেবল (Inalienable) বা অবিচ্ছেদ্য মৌলিক অধিকার।

🔴দুদক আইন, ২০০৪ বা দুদক বিধিমালা, ২০০৭-এর কোথাও কমিশনকে স্রেফ সন্দেহের বশবর্তী হয়ে কোনো ব্যক্তির বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট বা পরোক্ষ ক্ষমতা (Express or Implied Power) দেওয়া হয়নি।

🔴UDHRএর ১৩ অনুচ্ছেদ এবং আপিল বিভাগের পূর্ববর্তী নজিরসমূহ (Precedents) উল্লেখ করে বলেন, কোনো নাগরিককে আটকাতে হলে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট মামলা করে আদালতের ‘Custodial Order’ বা হেফাজতের আদেশ নিতে হবে।

🔴 the learned Advocate has has referred to legal decisions taken in the cases of H.M. Ershad vs. Bangladesh reported in 7 BLC(AD)67, Bangladesh vs. Allama Delwar Hossain Sayeedi reported in 16 BLC(AD)51, Mohammad Tajul Islam vs. Bangladesh and others reported in 25 BLT(HC)195 and Arif Hossen vs. Bangladesh reported in 25 BLC(HC)337.

✅দুর্নীতি দমন কমিশন ও সরকারের বক্তব্য (Submissions on behalf of the ACC & Government): দুদকের পক্ষে বিজ্ঞ আইনজীবী এই রিটের বিরোধিতা করে যুক্তি দেখান:

🔴Writ petitioner একজন দ্বৈত নাগরিক এবং আদালতের প্রাথমিক আদেশের সুযোগ নিয়ে তিনি বিদেশে চলে গেছেন এবং বর্তমানে তাঁর 'Whereabouts' বা অবস্থান আদালত বা দুদকের কাছে অজ্ঞাত।

🔴তিনি আপিল বিভাগের একটি সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত Durnity Daman Commission vs. GB Hossain and others reported in 74 DLR (AD) (2022),1 উল্লেখ করে বলেন, সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত চলাচলের অধিকারটি কোনো পরম বা অসীম অধিকার (Non-absolute Right) নয়।

🔴আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং অপরাধের তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি যেন আইনগত প্রক্রিয়া এড়াতে দ্রুত দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য ভ্রমণের ওপর যৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করার এখতিয়ার রাষ্ট্রের রয়েছে। তাই রুলটি খারিজ (Discharge) করার আবেদন জানান।

✅আদালতের পর্যবেক্ষণ (Observations of the Court)
উভয় পক্ষের বক্তব্য ও আইন পর্যালোচনার পর মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু পর্যবেক্ষণ (Observations) প্রদান করেন:

🔴আদালত স্পষ্ট করে বলেন, দুদক আইন বা বিধিমালার কোথাও দুদককে নিজে থেকে কোনো নাগরিকের দেশ ত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা (Embargo) দেওয়ার একক বা চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়নি।

🔴চলাচলের স্বাধীনতা একটি সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। আইন প্রণয়ন ছাড়া স্রেফ প্রশাসনিক বা নির্বাহী আদেশের (Executive Order) মাধ্যমে এই অধিকার খর্ব করা যায় না। বিধিনিষেধের যৌক্তিকতা বিচারের চূড়ান্ত এখতিয়ার বিচার বিভাগের।

🔴আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থে যদি জরুরি ভিত্তিতে কারও বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতেও হয়, তবে তা জারির ৩ কার্যদিবসের (3 Working Days) মধ্যে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের (Court of Jurisdiction) মাধ্যমে অনুমোদন বা নিশ্চিত করিয়ে নিতে হবে। আদালতের সিল বা অনুমোদন ছাড়া দুদকের এমন স্মারকের কোনো আইনি কার্যকারিতা (Legal Efficacy) নেই।

🔴আদালত আবেদনকারীর আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদালতকে না জানিয়ে বিদেশে অবস্থান করা অনুচিত। নাগরিক হিসেবে আদালতের প্রতি আরও যত্নশীল ও শ্রদ্ধাশীল (Respectful to the Law) হওয়া আবশ্যক।

✅রায় (Final Judgement):
মাননীয় আদালত সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করে রিট পিটিশনটি (Rule Nisi) আপিল বিভাগের ‘Durnity Daman Commission vs. GB Hossain and others reported in 74 DLR (AD) (2022),1’ মামলার সিদ্ধান্তের আলোকে নিষ্পত্তি (Disposed of) ঘোষণা করেন।

🔴আদালতের অনুমোদন ব্যতীত আবেদনকারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দুদকের বিতর্কিত স্মারকটির
declared illegal and without lawful authority :

🔴তবে, দুদকের যদি পর্যাপ্ত ও সুনির্দিষ্ট কারণ থাকে, তবে তারা আবেদনকারীর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের কাছে আবেদন করার স্বাধীনতা (Liberty) পাবে।

🔴আবেদনকারীকে আদালতের আদেশের প্রতি ভবিষ্যতে আরও সতর্ক এবং শ্রদ্ধাশীল থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।

যেকোনো মতামত, সংশোধনী, পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। যাচাই-বাছাই পূর্বক সংশোধন করা হবে।

কালেক্টেড

অ্যাডভোকেট নুর কুতুবুল আলম পাটোয়ারী মিরন
কুতুব জুরিস্ট চেম্বার
(অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার ও লিগ্যাল কনসালটেন্টস)
ঠিকানা: রুম নং সি ২৬ এ, ৪র্থ তলা
নাহার কমপ্লেক্স , ঢাকা জজ কোর্ট

মোবাইল: 01718-775097

#আইনি_পরামর্শ

#আইনি_পরামর্শ,
ালত, ,

ঈদের ছুটি শেষে কাজে ফেরার সময়।
03/06/2026

ঈদের ছুটি শেষে কাজে ফেরার সময়।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
27/05/2026

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

03/05/2026

পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির মাধ্যমে চেকের মামলা (NI Act) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ রায়: 56 DLR (AD) 17

মামলার পটভূমি:

আসামি হাসিবুল বাশার তার আত্মীয় আনোয়ারুল ইসলামের কাছ থেকে ৩০,৭৭,০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য তিনি ৩টি চেক প্রদান করেন। কিন্তু চেকে উল্লিখিত টাকা ব্যাংকে না থাকায় বা পেমেন্ট বন্ধ করে দেওয়ায় চেকগুলো বারবার ডিজঅনার হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও টাকা পরিশোধ না করায় আনোয়ারুল ইসলামের নিয়োজিত অ্যাটর্নি (পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রাপ্ত ব্যক্তি) গুলজার রহমান ঢাকার সিএমএম আদালতে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

আসামি পক্ষের বক্তব্য:

আসামিপক্ষ মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে (৫৬১এ ধারা অনুযায়ী) কোয়াশমেন্টের আবেদন করেন। তাদের প্রধান যুক্তি ছিল:

১. এনআই অ্যাক্টের ১৪১ ধারা অনুযায়ী, মামলাটি সরাসরি 'পেয়ী' (Payee) বা যার নামে চেক তাকেই করতে হবে।
২. যেহেতু আনোয়ারুল ইসলামের বদলে তার অ্যাটর্নি মামলা করেছেন এবং জবানবন্দি দিয়েছেন, তাই এই আইনি প্রক্রিয়া অবৈধ।

হাইকোর্ট বিভাগের রায়:

হাইকোর্ট বিভাগ বিভাগ রুলটি খারিজ করে অভিমত দেন যে, পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দ্বারা চেকের মামলা চলতে আইনি কোন বাধা নেই।

আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ:

* পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি আইন অনুযায়ী, একজন আমমোক্তার (Attorney) তার দাতার পক্ষে মামলা করা বা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

* পূর্বের নজির (যেমন- ১৯৯৬ BLD (AD) ২০৬) টেনে আদালত বলেন, পেয়ীর পক্ষে তার অ্যাটর্নি মামলা দায়ের করলে এবং আদালত ২০০ ধারায় ওই অ্যাটর্নির জবানবন্দি গ্রহণ করে আমল (Cognizance) নিলে তা সম্পূর্ণ বৈধ।

ফলাফল:
আপিল বিভাগ হাসিবুল বাশারের লিভ টু আপিল পিটিশনটি খারিজ করে দেন এবং হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখেন।

নজির:
চেক ডিজঅনারের মামলায় মূল পাওনাদারের পরিবর্তে তার আইনগত প্রতিনিধি বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রাপ্ত ব্যক্তি মামলা করতে পারবেন এবং তা আইনের পরিপন্থী নয়।

27/04/2026

এখন থেকে চেক ডিজঅনার মামলা যে আদালতে হবে:-

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে /(NI) Act, 1881 সংশোধন করা হয়েছে। ১০ এপ্রিল, ২০২৬ এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। যারা চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে নিয়মিত আদালতে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য এই পরিবর্তনটি জানা খুবই জরুরি। চেকের টাকার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে এখন আদালত নির্ধারিত হবে।

১. ৫ লক্ষ টাকার বেশি চেকের ক্ষেত্রে: যদি ডিজঅনার হওয়া চেকের ফেস ভ্যালু বা টাকার পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকার বেশি হয়, তবে সেই মামলার বিচার করবেন:
- যুগ্ম দায়রা জজ অথবা মেট্রোপলিটন যুগ্ম দায়রা জজ।

২. ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম চেকের ক্ষেত্রে: যদি চেকের টাকার পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হয়, তবে আগের মতোই:
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এই মামলাগুলো বিচার করবেন।

#চেক_ডিজঅনার #মামলা #আদালত

26/04/2026

লোনের টাকার গ্রান্টর হওয়া মানে পুরো লোনের আইনের দায়িত্ব আপনার ও সমান। যদি মূল ঋণ গ্রহীতা টাকা না দেয়, ব্যাংক আপনার কাছ থেকে আদায় করবে, আপনি লোনের টাকার জন্য পুরোপুরি দায়বদ্ধ থাকবেন।।


Nur


25/04/2026

মামলা করে ডিভোর্স স্থগিত করা যায়? আইনগত করনীয় কী? চলুন আলোচনা করি


=================================

🇧🇩বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিশ পাওয়ার পর সরাসরি "ডিভোর্স স্থগিত" করার মতো কোনো স্থায়ী আইনি প্রক্রিয়া নেই।
🇧🇩তবে বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার আগে সমঝোতার মাধ্যমে সংসার টিকিয়ে রাখার সুযোগ থাকে।

🇧🇩​মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী আইনি অবস্থান ও করণীয় নিচে আলোচনা করা হলো:

🇧🇩​১. সমঝোতা ও নোটিশের মেয়াদ
​যদি স্বামী বা স্ত্রী একে অপরকে তালাকের নোটিশ প্রদান করেন, তবে নোটিশ পাওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৯০ দিন (ইদ্দতকালীন সময়) পর্যন্ত তালাক কার্যকর হয় না। এই সময়টুকুই হচ্ছে সমঝোতার মূল সুযোগ।

🇧🇩​২. সালিশি কাউন্সিল (Arbitration Council)
​তালাকের নোটিশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশি কাউন্সিল গঠন করবেন।

🇧🇩​এই কাউন্সিলের উদ্দেশ্য হলো উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দূর করে মিমাংসার চেষ্টা করা।
​যদি কাউন্সিল মনে করে যে সংসার টিকিয়ে রাখা সম্ভব, তবে তারা সমঝোতা করিয়ে দিতে পারেন।

🇧🇩​৩. দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলা (Restitution of Conjugal Rights)
​যদি এক পক্ষ কোনো কারণ ছাড়াই চলে যায় বা বিচ্ছেদ চায়, তবে অন্য পক্ষ আদালতে "দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার" (Restitution of Conjugal Rights) মামলা করতে পারেন। আদালত তখন উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে সংসার চালিয়ে যাওয়ার আদেশ দিতে পারেন। তবে জোর করে কাউকে একসাথে থাকার জন্য বাধ্য করার আইনি ক্ষমতা আদালতের সীমাবদ্ধ।

🇧🇩​৪. তালাক প্রত্যাহার (Revocation)
​৯০ দিন পার হওয়ার আগে যেকোনো সময় যিনি তালাক দিয়েছেন, তিনি চাইলে তা প্রত্যাহার করতে পারেন। একে "তালাক-ই-রাজয়ী" বলা হয়। এতে মামলা করার প্রয়োজন পড়ে না, মৌখিকভাবে বা লিখিতভাবে নোটিশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষকে জানালেই চলে।

🇧🇩​গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
​মিথ্যা অপবাদ বা নির্যাতনের অভিযোগ: যদি ডিভোর্সের কারণ হিসেবে কোনো মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়, তবে সেটি আদালতে প্রমাণ করে ডিভোর্স পরবর্তী বিভিন্ন আইনি সুবিধা (যেমন দেনমোহর বা খোরপোশ) নিশ্চিত করা যায়।

🇧🇩​বিচ্ছেদ কার্যকর হয়ে গেলে: যদি ৯০ দিন পার হয়ে যায় এবং বিচ্ছেদ কার্যকর হয়ে যায়, তবে তা আইনত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এরপর পুনরায় সংসার করতে চাইলে নির্দিষ্ট ধর্মীয় ও আইনি বিধান অনুসরণ করতে হয়।

🇧🇩​পরামর্শ: আপনার যদি সমঝোতার ইচ্ছা থাকে, তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সালিশি বৈঠকে বসার জন্য গুরুত্ব দিন। এছাড়া একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে ব্যক্তিগতভাবে পরামর্শ করা শ্রেয়।

শুভেচ্ছান্তে
এ্যাডভোকেট নুর কুতুবুল আলম পাটোয়ারী
জজ কোর্ট ঢাকা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Nur Kutubul Alam Miron posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category