Atiq & Or

Atiq & Or Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Atiq & Or, Dhaka.

জাতীয় সংগীত নিয়ে বিতর্ক নানা আঙ্গিকে হতে দেখা যায়, যেমন—লেখক কে, লেখার উদ্দেশ্য কী, এটি প্রতিনিধিত্বমূলক কিনা, ইতিহাস-সং...
14/05/2025

জাতীয় সংগীত নিয়ে বিতর্ক নানা আঙ্গিকে হতে দেখা যায়, যেমন—লেখক কে, লেখার উদ্দেশ্য কী, এটি প্রতিনিধিত্বমূলক কিনা, ইতিহাস-সংগ্রামের প্রতিফলন ঘটায় কিনা, ইত্যাদি। এর পাশাপাশি, জাতীয় সংগীত সম্পর্কিত ধর্মীয় এবং আইনি বিতর্কও রয়েছে, যেগুলি কখনো কখনো সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গিয়েছে।

প্রতিবেশী ভারতের কেরালা রাজ্যে একটি স্কুলের কর্তৃপক্ষ লক্ষ্য করলেন কয়েকজন শিক্ষার্থী এসেম্বলি চলাকালীন জাতীয় সংগীত গাইছে না। জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করায় স্কুল কর্তৃপক্ষ তিনজন শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করে। এ ঘটনা নিয়ে পরবর্তীতে যে মামলা হয়, তা "National Anthem Case" নামে পরিচিত। [Bijoe Emmanuel v. State of Kerala (1986) 3 SCC 615]

এই মামলার তিনজন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ছিলেন "জিহোবার সাক্ষী" সম্প্রদায়ের সদস্য, তাদের ধর্মীয় দর্শন অনুসারে, কোনো গানের কথা বা সুর যদি অন্য কোনো সত্ত্বার প্রতি শ্রদ্ধা বা সম্মান প্রদর্শন করে, তবে তারা তা গাইতে বা শোনাতে অস্বীকৃতি জানান। এই কারণে তারা জাতীয় সংগীত বা অন্য কোনো সংগীত গাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ধর্মীয় আদর্শ অনুসারে আচরণ করে।

স্কুল কর্তৃপক্ষের বহিষ্কার আদেশের বিরুদ্ধে তাদের পিতামাতা কেরেলা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন, দাবি করে যে, স্কুলের সিদ্ধান্ত তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতাকে খর্ব করছে। তাদের মতে, জাতীয় সংগীত না গাওয়া তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অঙ্গ। প্রথমে কেরালা হাইকোর্ট তাদের পিটিশন খারিজ করে, এবং সিদ্ধান্ত দেয় যে স্কুলের ব্যবস্থা যথাযথ।

তবে, স্পেশাল লিভের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে গেলে, সুপ্রিম কোর্ট স্কুলের গৃহীত সিদ্ধান্ত বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে হিসেবে গণ্য করে তাদের পক্ষে রায় প্রদান করে। আদালত উল্লেখ করে, বুদ্ধি ও ধর্মবিশ্বাসের স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার, এবং রাষ্ট্রকে ব্যক্তির বিশ্বাস ও অনুশীলনে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, যতক্ষণ না সেগুলি সামাজিক শৃঙ্খলা, নৈতিকতা বা স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। এর পাশাপাশি, আদালত ওই শিক্ষার্থীদের স্কুলে পুনঃভর্তির নির্দেশও দেয়।

এখানে উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়:

১. এই শিক্ষার্থীরা কখনো জাতীয় সংগীতের অবমাননা করেননি।

২. তারা সংগীতের সময় সম্মানের সহিত শান্তভাবে দাঁড়িয়েছিল এবং অন্য কাউকে গাইতে বাধা সৃষ্টি করেনি।

৩. Jehovah's Witnesses Case (1943 WL 27 496) এবং Minersville School District v. Gobitis (310 U.S. 586, 1940)—এই দুটি আন্তর্জাতিক মামলার আলোকে কোর্ট দেখিয়েছে যে, জিহোবার সাক্ষী সম্প্রদায় জাতীয় মূল্যবোধের অবমাননার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করেন না।

৪. আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংগীত না গাওয়া অপরাধ নয়; অপরাধ হল কাউকে গাইতে বাধা দেওয়া বা অসম্মান প্রদর্শন করা।

এভাবে, জাতীয় সংগীতের সময় দাঁড়ানো বা না দাঁড়ানো নিয়ে ভারতে একাধিক মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জাতীয় সংগীত গাওয়া বা দাঁড়ানোর চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে অন্যান্যদের বাধা দেওয়া বা সম্মান প্রদর্শন না করা।

এভাবে ভারতের উচ্চ আদালত নাগরিক দায়িত্ব ও ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করেছে।

Shyam Narayan Chouksey vs Union Of India; AIR 2018 SUPREME COURT 357
Dr. Tawseef Ahmad Bhat vs State Of J&K & Anr on 9 July, 2021

Atiq Ur Reaz

The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে অনেকগুলো ভালো পরিবর্তন আনা হয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটা পরি...
08/05/2025

The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে অনেকগুলো ভালো পরিবর্তন আনা হয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটা পরিবর্তন শ্লথ দেওয়ানি বিচারব্যবস্থাকে গতিশীল করতে সরাসরি কাজে লাগবে। যেমন-

১. আরজি-জবাবের একই ঘটনা মৌখিকভাবে কয়েক ধার্য তারিখে উপস্থাপনের পরিবর্তে সরাসরি এফিডেফিডের মাধ্যমে দিতে হবে। অর্থাৎ, এক্সামিনেশন-ইন-চীফ করতে মাসের পর মাস /বছর সময় লাগবে না। জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করতে খরচ হওয়া বিচারিক কর্মঘণ্টা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগবে।

২. আগে দেওয়ানি আদালতের রায়-ডিক্রির পরেও ডিক্রি অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়ার জন্য আলাদা জারি মামলা করা লাগতো। এখন একই মামলার শুধু একটা জারির আবেদনের মাধ্যমে সে প্রতিকার পাওয়া যাবে।

৩. পদাতিক ও ডাকসমনের পাশাপাশি বিবাদীর উপর ফোনকল বা এসএমএস এর মাধ্যমেও সমনজারি করা যাবে। এছাড়া আরজিতে বাদী বিবাদীর নাম, ঠিকানার পাশাপাশি ফোন/মোবাইল নাম্বার, এনআইডি & ইমেইল এর তথ্য যদি থাকে তা যোগ করার বিধান রাখা হয়েছে। এওতে পক্ষদের সহজেই সনাক্ত করা যাবে।

ফেসবুকে তিনটি ধর্ষণ মামলার উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ শেয়ার করে একটি পোস্ট করা হয়েছিল। পোস্টদাতা মামলাগুলোর প্রকৃত ঘটনা ও প...
10/03/2025

ফেসবুকে তিনটি ধর্ষণ মামলার উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ শেয়ার করে একটি পোস্ট করা হয়েছিল। পোস্টদাতা মামলাগুলোর প্রকৃত ঘটনা ও প্রেক্ষাপট না বুঝে আদালতের পর্যবেক্ষণকে ভুলভাবে উদ্ধৃত (misquote) করেছেন, যা উচ্চ আদালতের ন্যায্য সিদ্ধান্তকে জনসাধারণের চোখে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাই এর যথাযথ জবাব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছি।
উক্ত মামলাগুলো হলো—
1. Shahjahan Vs State, Criminal Appeal 1323 of 1998
2. Md. Shafi Khan Vs State, 2012, 64 DLR 418
3. Ayub Ali Sheikh Vs State, 2011, 63 DLR 55

১।
পোস্টদাতার ভাষ্যঃ “Shahjahan Vs State, Criminal Appeal 1323 of 1998: কোর্ট বলছে ফোর্সেবল ইন্টারকোর্সের জন্য প্রাইভেট পার্টস এ ক্ষত থাকতে হবে। যেহেতু নাই, তাই রে*প হয় নাই। আরও বলা হইছে যে ২০ বছরের ভিক্টিমের কনসেন্ট ছাড়া ইন্টারকোর্স হইছে সেটা বিলিভেবল না। “
ঘটনা পরিক্রমাঃ ১৯৯৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মামলার ঘটনাস্থল ছিল চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। ভুক্তভোগী নারী মুন্না এবং অভিযুক্ত শাহজাহান চিওড়া কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। মুন্নার বাবা ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। তাদের মধ্যকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং সে বিষয়ে কলেজের শিক্ষক আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ১৯৯৫ সালের ২৮ আগস্ট তারা বিয়ে করেন এবং বিভিন্ন স্থানে কিছুদিন একসঙ্গে বসবাস করেন। বিয়ের পক্ষে তারা ৩০ আগস্ট ১৯৯৫ ও ৪ অক্টোবর ১৯৯৫ তারিখে এফিডেভিট প্রদান করেন। মুন্না তার বাবা, মা ও ভাইকে চিঠির মাধ্যমে জানান যে তিনি স্বেচ্ছায় শাহজাহানকে বিয়ে করেছেন, পাশাপাশি দুজনের যৌথ ফটোগ্রাফ পাঠান । তবে পরবর্তীতে তিনি দাবি করেন যে কাবিননামা, চিঠি ও এফিডেভিটে তার স্বাক্ষর জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, ৩১ অক্টোবর ১৯৯৫, সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফরের মধ্যস্থতায় মুন্নাকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং ১ নভেম্বর ১৯৯৫ তিনি পিতার কাছে ফিরে যান। স্থানীয় সালিসে মুন্না জানান যে তিনি শাহজাহানের সঙ্গে আর থাকতে চান না, তবে সেখানে অপহরণ বা ধর্ষণের কোনো অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি।

কলেজের শিক্ষক আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে মুন্না কাজী জাফরের সামনে শাহজাহানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের কথা স্বীকার করেছিলেন।

***মুন্নার পুরো দাবির পক্ষে একমাত্র স্বাক্ষী তিনি নিজেই। পাশাপাশি, তার দাবির মধ্যেই উপরোক্ত বেশ কয়েকটি অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা যায়।
উপরোক্ত তথ্য ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে আপনাদের কী মনে হয়— মুন্না ও শাহজাহান স্বেচ্ছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন, নাকি শাহজাহান ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করেছে? আশ্চর্যের বিষয় হলো, সবাই যদি মুন্নাকে অপহরণ করে থাকে, তবে ধর্ষণের অভিযোগ শুধুমাত্র শাহজাহানের বিরুদ্ধে কেন?
যাহোক এ রায়ের ৫২ নাম্বার প্যারার বলা হয়েছে “Munna was examined by the Civil Sergeon, Cumilla on 15-11-1995. Civil Sergeon did not find any sign of r**e and also, did not find any injury. In the event of any forcible in*******se , there would have been marks of violence on the secreat organ of Munna. Even if there would have been any sexual in*******se that was definitely with the consent of Munna.” এখানে আদালত বলতে চাইলেন কী আর ওইটার তর্জমা করা হলো কী! উপরের শব্দগুলো দ্বারা কোথাও কী বলা হয়েছে যে, প্রাইভেট পার্টস এ ক্ষত থাকা ছাড়া ফোর্সেবল ইন্টারকোর্স বা রেপ হবে না? আর ২০ বছরের বিষয়টা পোস্টদাতা যেভাবে উল্লেখ করেছেন তেমন না। আদালত বলেছেন নোটারি, এফিডেভিট ও পি ডব্লিউ ২ এ জবানবন্দী দেয়ার সময় মুন্না নিজে স্বীকার করেছেন যে তার বয়স ২০ বছর। বয়স কেন ধর্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়, তা বুঝতে হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ট) অনুযায়ী শিশুর সংজ্ঞা দেখতে হবে। আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী, "শিশু" অর্থ অনধিক ১৬ বছর বয়সী কোনো ব্যক্তি। আদালত মূলত যাচাই করেছেন যে মুন্না শিশু ছিলেন কি না। যদি তিনি শিশু হতেন, তাহলে তার সম্মতি (consent) থাকলেও সেটি আইনি বৈধতা পেত না এবং সেটি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হতো।

আদালত প্রথমে নারী হিসেবে মুন্না ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, তা বিবেচনা করেছেন। এরপর শিশু হিসেবে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা, সেটিও পর্যবেক্ষণ করেছেন। এ কারণেই ২০ বছর বয়সের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
কারণ ৯ (১) ধারা অনুসারে “যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।…”

২।
পোস্টদাতার ভাষ্যঃ “( Md Shafi Khan Vs State, 2012, 64 DLR 418): ভিক্টিমের বয়স নয় বছর। মেডিকেল এক্সামিনেশনে রে*পের চিহ্ন, ভ্যাজাইনাল টিয়ার, ইনজুরি পাওয়া গেছে।
রায় আসলো এগুলা এনাফ এভিডেন্স না, যেহেতু কোনো এক্সটার্নাল ইনজুরি নাই।
মজার বিষয় কি জানেন? মাইনরের কন্সেন্ট নিয়েও ইন্টারকোর্স ইটসেল্ফ আইন অনুযায়ী রে*প, সেখানে এই রায় আসলো। “

ঘটনা পরিক্রমাঃ

২।
পোস্টদাতার ভাষ্যঃ “( Md Shafi Khan Vs State, 2012, 64 DLR 418): ভিক্টিমের বয়স নয় বছর। মেডিকেল এক্সামিনেশনে রে*পের চিহ্ন, ভ্যাজাইনাল টিয়ার, ইনজুরি পাওয়া গেছে।
রায় আসলো এগুলা এনাফ এভিডেন্স না, যেহেতু কোনো এক্সটার্নাল ইনজুরি নাই।
মজার বিষয় কি জানেন? মাইনরের কন্সেন্ট নিয়েও ইন্টারকোর্স ইটসেল্ফ আইন অনুযায়ী রে*প, সেখানে এই রায় আসলো। “

ঘটনা পরিক্রমাঃ ২৭ ডিসেম্বর ২০০৪ সালে ৯ বছর বয়সী কন্যা তসলিমাকে ধর্ষণের অভিযোগে মো শফীকে অভিযুক্ত করে ঘটনার পরেরদিন ২৮ ডিসেম্বর ২০০৪ ভিক্টিমের বাবা আ হামিদ খান এফ আই আর দায়ের করেন। সেদিন ভিক্টিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়, যাতে she found sign of r**e on her. এ রায়ের ১৫ প্যারায় সে সম্পর্কিত বর্ণনায় আছে "Examination was done by doctor Kharduness with the help of the S.N. Shema Khatun ( not by the doctor, who deposed in court as P.W. 5), no external sign of injury is found over the body.
Va**na - No abnormality detected,
menstruation- not yet started
va**na swab was taken for spermatozoa,
report show- no spermatozoa."
"....Considering all these observation although it is apparently found that there is no
sexual assault on the victim, even though the doctor gave report and make a comment
that "Nature of injury indicate perineal tear due to sexual assault which was absolutely
inconsistent on examination of the victim," The medical report thus did not support the
prosecution story."
পোস্টদাতার ভাষ্য অনুসারে ম্যাডিকেল এক্সামিনেশনে রে*পের চিহ্ন, ভ্যাজাইনাল টিয়ার, ইনজুরি পাওয়া গেছে বলা হয়েছে, কিন্তু ম্যাডিকেল এক্সামিনেশনে ভ্যাজাইনাতে কোনো অস্বাভাবিকতা বা স্পার্ম পাওয়া যায়নি, তা স্বত্তেও ডাক্তার মন্তব্য করে রিপোর্ট দিয়েছেন " Nature of injury indicate perineal tear due to sexual assault" যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

প্রসিকিউশন স্টোরি অনুসারে ভিক্টিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়, এতে সে রক্তাক্ত হয়। কিন্তু জোরজবরদস্তির কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। রক্তাক্ত হয়েছে কিন্তু কোনো ইনজুরি মার্ক নেই। পোস্টদাতা ভালোভাবে পয়েন্ট আউট করেছেন যেহেতু ভিক্টিম শিশু ইনজুরি লাগবেনা, শুধু ইন্টারকোর্স ই রেপের সমতুল্য। হোক সেটা মাইনরের সম্মতিতে বা সম্মতি ছাড়া।

এখন আমার প্রশ্ন, ইন্টারকোর্স যে হয়েছে তার প্রমাণ কী? ম্যাডিকেল এক্সামিনেশনে এমন কোনো তথ্য নেই। রিপোর্টে আছে "va**na swab was taken for spermatozoa,
report show- no spermatozoa.
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নেই যা স্বাভাবিক। ভিক্টিমের একক জবানবন্দিও অনেক সময় সাজার ভিত্তি হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে ঘটনার সাথে অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণ করোবোরেট করতে হয়। ভিক্টিমের সাক্ষ্যগ্রহণের সময় দেখা যায় ঘটনার পূর্বে অভিযুক্ত শফিকে দেখে ভিক্টিমের পাশে থাকা ২ জন পালিয়ে যায়, যারা এ মামলায় সাক্ষী দেয়নি।

এটা এমন একটা ঘটনা,
১. যেখানে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নেই,
২. ভিক্টিমকে শেষবার অভিযুক্তের সাথে দেখেছেন এমন ২ জন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সাক্ষ্য নেই,
৩. ম্যাডিকেল এক্সামিনশনে প্রাইভেট পার্টে কোনো অস্বাভাবিকতা নেই।
৪. ভিক্টিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে দাবি করা হয় কিন্তু তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ইনজুরি মার্ক শরীরে নেই;
৫. ইন্টারকোর্স হয়েছে তারও প্রমাণ নেই
শুধু একটা মন্তব্য আছে " Nature of injury indicate perineal tear due to sexual assault", এর উপর ভিত্তি করে কাউকে ধর্ষণের সাজা দেয়া যায়? এই আঘাত অন্য কোনোভাবে প্রাপ্ত হলে। এটা শুধু একটা মন্তব্য, কোনো সাক্ষ্য না যার উপর ভিত্তি করে এককভাবে সাজা দেয়া যায় না।

৩।
পোস্টদাতার ভাষ্যঃ ( Ayub Ali Sheikh Vs State, 2011, 63 DLR 55) : ভিক্টিম ৬ বছরের। রে*পের পর ইনফেকশন হয়ে যায় তার প্রাইভেট অর্গানে। ১০ দিন লাগছিলো মেডিক্যাল এক্সামিনেশনে। কোর্ট বললো ট্রিটমেন্ট টা ছিলো ইনফেকশনের, আর যেহেতু স্পার্ম পাওয়া যায় নাই, তাই এখানেও রে*প কমিটেড হয় নাই।
ঘটনা পরিক্রমাঃ ১৪ আগস্ট ২০০৮ সালে ৬ বছর বয়সী কন্যা মোসা লিপিকে ধর্ষণের অভিযোগে আইয়ুব আলী শেখকে অভিযুক্ত করে ঘটনার ১২ দিন পর ২৯ আগস্ট ভিক্টিমের মা মোসা ফরিদা খাতুন এফ আই আর দায়ের করেন। এফ আই আর দায়েরের পূর্বে ২৬ আগস্ট ২০০৮ ডাক্তারি পরীক্ষায় ভিক্টিমের ফিমেল পার্টে পুজভর্তি ইনফেকশন পাওয়া যায়; যা সেক্সুয়াল এসল্ট এর কারণে হতে পারে আবার চুলকানির (etching) কারণেও হতে পারে । তবে ডাক্তার ভিক্টিমের ফিমেল পার্টে কোন ইনজুরি মার্ক বা স্পার্ম পাননি। ডিফেন্স কেস ছিল পূর্বে এক সালিসে বাদীর পরিবারকে ৫০০ টাকা জরিমানা করায় শত্রুতাবশত বাদী এ মামলা করেছেন। ভিক্টিম মাইনর হওয়ার it is inherently improbable to commit r**e on her. অভিযুক্তের আইনজীবী দাবি করেন এ মামলায় প্রদত্ত ম্যাডিকেল সার্টিফিকেট প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর জবাবে আদালত উলটো এটা বলেন যে, ধর্ষণের মামলায় ম্যাডিকেল সার্টিফিকেটের অনুপস্থিতি need not necessarily result in failure of the case।
এ মামলার রায়ের ১৮ নং প্যারায় উল্লেখ করা হয়েছে , “ … That the victim was taken to the doctor with an allegation of infection on her ge***al organ…such infection might be caused by itching as well. Besides, the victim was not taken to the doctor for treatment of any injury on her female part following the alleged incident of r**e. Admittedly, she was taken to the doctor for treatment of infection on her female part.” এখানে কোথাও বলা হয়নি যে রেপের পর প্রাইভেট অর্গানে ইনফেকশন হয়। ইনফেকশন হওয়ায় ডাক্তারের কাছে নেয়া হয়েছে কিন্তু মধ্যবর্তী ১০ দিনে ফিমেল পার্টের ইনজুরির চিকিতসার জন্য ডাক্তারের কাছে নেয়া হয়নি।
মূলত সাক্ষীদের সাক্ষ্যেও গড়মিল, ভিক্টিমের জবানবন্দি বিশ্বাসযোগ্য না হওয়া এবং অভিযুক্ত অপরাধ করেছে ও করেনি দুটো views are equally reasonable হওয়ার এ মামলায় অভিযুক্তকে খালাস দেয়া হয়। স্পার্ম পাওয়া যায়নি তাই রেপ সংগঠিত হয়নি এমন অবজারভেশন আদালত দেননি। স্পার্ম পাওয়া যায়নি এটা উল্লেখ আছে ডাক্তারের জবানবন্দীতে , যা আদালত সেভাবে কনসিডারেশনে আনেননি। উলটো আদালত এটা বললেন ম্যাডিকেল সার্টিফিকেট নাই মানে রেপের মামলা ব্যর্থ হবে, এমন না।
প্রায় প্রত্যেকটা বক্তব্য মিসলিডিং। যাইহোক, অনেক কথার মাঝে পোস্টদাতা রিফর্ম চেয়েছেন, তা সমর্থন করলাম।

08/03/2025

১.
জাল দিয়ে মাছ ধরা যায়। একজন জেলেকে জাল দেওয়া হলো, কিন্তু যদি জাল ছেঁড়া-ফাটা হয়, তাহলে মাছ আর জালে থাকবে না। পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে সবাই পরিষ্কার দেখছে যেখানে মাছ আছে, সেখানেই জাল ফেলা হয়েছে, তবুও মাছ জালে উঠছে না। এখানে দোষ জেলের না জালের? এমন পরিস্থিতিতে জেলে যতই দক্ষ হোক, ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা সর্বোচ্চ।

একজন কারিগর বা শিল্পী যদি ত্রুটিপূর্ণ সরঞ্জাম পান, তবে তিনি কাঙ্ক্ষিত বস্তু বা শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারবেন না। জেলের জাল ও শিল্পীর তুলির মতো, একজন বিচারকের সামনে থাকে আইন—আইন হচ্ছে বিচারকের সরঞ্জাম। আইন যদি ত্রুটিপূর্ণ হয়, আইনের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে ধূর্ত ও সক্ষম অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যায়।

২.

জালের ছিদ্রগুলো মেরামত করে আবার জাল ফেলা হলো। এবার দেখা গেল, মাছের সংখ্যা ও আকার এত বেশি যে, জেলে তার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়েও এ ভার তুলতে পারছেন না। বাড়তি দু’-একজন সহযোগিতা করলে জাল তোলা সম্ভব হতো, কিন্তু এগিয়ে আসার কেউ নেই।

বাংলাদেশে নতুন সমস্যা সমাধানে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয় এবং আইন সংস্কার করা হয়, নতুন আইনে বাড়তি মামলা হয়; কিন্তু নতুন আদালত, বাড়তি বিচারক নিয়োগ সহায়ক কর্মচারী ও লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়া হয় না। তাই আইন প্রণয়ন বা সংস্কার কোনো কিছুই বিচারপ্রার্থী জনগণকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারে না। মামলার চাপ সামলাতে বিচারকরা হিমশিম খান, ফলে পরবর্তী তারিখগুলো দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়। আইনপ্রণেতারা আক্ষেপ করেন—‘আইন আছে, প্রয়োগ নেই’, আর বিচারপ্রার্থীরা বলেন—‘বিচার পাইনি’। এই বাস্তবতায় বিচার বিভাগের দুরবস্থা স্পষ্ট হয়।

৩.

জাল তোলার পর দেখা গেল, পোনা, মাঝারি এবং বড় সাইজের মাছ উঠেছে। গৃহস্থ বলে, ‘পোনা মাছের আকার কেমন হয়েছে তা দেখা হয়ে গেছে, এগুলো আবার পানিতে ছেড়ে দাও। মাঝারি সাইজের কয়েকটি রেখে বাকিগুলো আড়তে পাঠাব বিক্রি করতে। বিক্রয়মূল্য থেকে তুমি মজুরি পাবে।'

বড় মাছটির কী হবে? ঘরের মুরুব্বি বললেন, ‘এটা আমার বিবেচনায় থাকুক, একে গোনায় ধরার দরকার নেই।’ এত মাছ তোলার পর, জেলেকে বলা হলো—‘তোমার মজুরি শুধু উপরে রেখে দেয়া মাছগুলোর হিসাবে দেয়া হবে ।’

বাংলাদেশের ছোট, মাঝারি ও বড় মামলাগুলোর পরিস্থিতিও এমনই। অনেক মামলার পেছনে পারিবারিক দ্বন্দ্ব, কলহ, মারামারি, ব্যক্তিগত ক্ষোভ, ক্ষতিপূরণের উদ্দেশ্য, চাপ প্রয়োগের কৌশল ইত্যাদি থাকে। আদালত সব মামলা সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করলেও, বাস্তবে দেখা যায়, ফলবিহীন জেনেই অনেক মামলা করা হয়। কার দৌড় কতটুকু দেখার জন্য, অপরপক্ষকে কাবু করার জন্য এবং কয়দিন জেলের ভাত খাওয়ানোর জন্য বহু মামলা করা হয়। এর উজ্জ্বল উদাহরণ যৌতুক মামলা।

অনেক মামলা বিচারান্তে সাজা হয়, কিন্তু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নথি, কাগজপত্র ও ওয়ারেন্ট পাঠাতেই বছরের পর বছর কেটে যায়। অপরাধীরা মুক্ত ঘুরে বেড়ায়, আর বিচারপ্রার্থীরা ঘুরতে থাকে দ্বারে দ্বারে। সব ধাপ পেরিয়ে বড় অপরাধীদের সাজার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য ‘প্রেরোগেটিভ অফ মার্সি’ ও সরকারের দণ্ড হ্রাস-পরিবর্তনের ক্ষমতা তো রয়েছেই।

ফলাফল হিসেবে দেখা যায়, মামলার সংখ্যা প্রচুর হলেও সাজা কম হয়। প্রশ্ন ওঠে—এত মামলার পরেও সাজা এত কম কেন?

৪.

জেলে জাল ফেলার পর তার পাশেই প্রতিবেশী বড়শি ফেলল। সে সবাইকে আশ্বস্ত করতে লাগল—‘বরশিতে আমি এর চেয়ে বেশি মাছ ধরতে পারব। ধৈর্য ধরে সময় নিয়ে মাছ ধরার উপায় নেই, উৎসুক দর্শনার্থীরা বলছে 'মাছ তো জালেই পড়েছে, তাড়াতাড়ি জাল তোলো।’

এসব শুনতে শুনতে জেলে অতিষ্ঠ হয়ে চিৎকার দেয়—‘আমার কাজ আমাকে করতে দিন!’ তখন গৃহস্থ, প্রতিবেশী ও মাতব্বর সবাই সমস্বরে বলে—‘তোর জেলেগিরির মেয়াদ ফুরিয়েছে।’

মোবাইল কোর্ট অনেকটা শখের বড়শি বাওয়ার মতো। শৌখিন হওয়ায়, কাজ হলো কি হলো না—তার জন্য দায়বদ্ধতা নেই। প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসাব নেই। পিকনিকের মতো আয়োজনটাই জনগণ উপভোগ করে। আমজনতা ভাবে, এটাই বিচার। তাদের ধারণা, সব অপরাধী আদালতে এসে এভাবেই দোষ স্বীকার করে, আর বিচারক/ম্যাজিস্ট্রেট ইচ্ছে করে সাজা দেন না।

জনগণ বিচার বিভাগকে বেকায়দায় ফেলে, বুঝে কিংবা না বুঝে বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের যথার্থ আইনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। জামিনযোগ্য ধারায় অভিযুক্ত আসামি কেন মুক্তি পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কোনো অপরাধের নির্ধারিত শাস্তির চাইতে বেশি শাস্তি দাবি করে।

সুযোগ পেলে অনেকে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে উপদেশ দেয়, কিন্তু তারা বোঝে না—এসব উপদেশের মূল্য শূন্য, যদি যথাযথ সরঞ্জাম, মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধা, সহায়ক কর্মচারী ও বাজেটের বিচার বিভাগকে না দেয়া হয়।
Atiq Ur Reaz

09/11/2024

সাবজেক্ট মেটার জুরিসডিকশন এবং এখতিয়ার নির্ধারণের সাধারণ নিয়মঃ
দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারা অনুসারে বিষয়বস্তুগত এখতিয়ার বা সাবজেক্ট মেটার জুরিসডিকশন নির্ধারিত হয়। সাবজেক্ট মেটার বা বিষয়বস্তু বলতে বিবাদের বিষয়বস্তুকে বুঝায়।
কোন কোন সম্পত্তি, পদ-পদবি, অধিকারগুলো নিয়ে দেওয়ানি আদালতে স্যুট ইন্সটিটিউট করা যাবে এ ব্যাপারে সহজ দুটি শর্ত দেয়া আছে ৯ ধারায়, সেগুলো হচ্ছে-
১. সিভিল কোর্ট সিভিল নেচারের সব স্যুট ট্রাই করা বা বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন
২. যদিনা সে দেওয়ানি প্রকৃতির বিষয়বস্তুর বিচার করার এখতিয়ার, এক্স-প্রেসলি /সরাসরি বা ইমপ্লাইডলি উইথ নেসেসারি ইপ্লিকেশন বারিত/ বারড করা না হয়।

সহজ ভাষায় সিভিল কোর্ট বা দেওয়ানি আদালতের সকল দেওয়ানি প্রকৃতির বিষয় বিচার করার এখতিয়ার আছে, যদি কোনো আইনগত বাধা না থাকে। স্যুট এর মেনটেনএবিলিটি যাচাই করার জন্য ওই বিষয়ে মামলা করা যাবে তা আইনে উল্লেখ থাকার প্রয়োজন নেই।

এজন্য প্রথমে আমাদের নির্ধারণ করতে হবে স্যুট অফ সিভিল নেচার – এই ফ্রেজ দ্বারা কোন কোন বিষয়গুলো বুঝায়। সিভিল নেচার মানে সেটি অবশ্যই ক্রিমিনাল নেচারের নয়। ইট ডিলস উইথ প্রাইভেট রাইটস অফ দ্যা সিটিজেন। বিরোধের বিষয়বস্তু নাগরিকদের ব্যাক্তিগত বিষয়, রাষ্ট্রীয় বিষয় নয়। যদিও রাষ্ট্র বাদী বা বিবাদী হতে পারে। বাদী আদালতের সামনে নিজের অধিকার বলবত করার জন্য আসে, কোনো ব্যাক্তির শাস্তি দাবি করার উদ্দেশ্যে নয়।

যেমন-
• সোশ্যাল রাইটস বা এরেঞ্জমেন্ট যেমন কোনো দাওয়াতে আসবে বলে কেউ না আসলেও সে ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা চলবে না
• রিলিজিয়াস রাইটস ; কেউ নামাজ পড়ে না বলে তাকে মুরতাদ ঘোষণা করার জন্য মামলা করা যাবে না।
• পলিটিকাল রাইটস; কোনো দলের সভাপতি কে হবে তা নির্ধারণ করার জন্য সিভিল কোর্টে মামলা করা যাবে না।

দেওয়ানি প্রকৃতি শব্দগুচ্ছ দেওয়ানি শব্দ থেকেও বিস্তৃত। ধারা ৯ এর এক্সপ্লেনেশন অনুসারে স্যুট অফ সিভিল নেচার মিনস্ স্যুট রিলেটিং টু
• রাইট টু প্রোপার্টি
• রাইট টু অফিস / পোস্ট

রাইট টু প্রোপার্টিকে ওইয়াডলি ইন্টারপ্রিট করা হয়। এতে স্থবর,(ফিশারি, ফেরি, হাট) অস্থাবর সম্পত্তির পাশাপাশি ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি কেও অন্তর্ভুক্ত করা যায়। প্রোপার্টি ইমব্রেসেস অল অবজেক্ট হুইচ ক্যান বি অউন্ড বাই এ পারসন।
কাউকে তার জমি থেকে বেদখল করা হলে ওই জমির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা সিভিল নেচারের অন্তর্ভুক্ত। নির্ধারিত কোন দাগ নং এর জমির মালিকানা কার? অর্থাৎ টাইটেলের মামলাও রাইট টু প্রোপার্টির মামলা। ল্যান্ড, টাইটেল, পোজেশন ইত্যাদি প্রোপার্টির অন্তর্ভুক্ত।

রাইট টু অফিস বা পোস্টের মামলাও সিভিল নেচারের। কোনো স্কুলের হেডমাস্টারের নিয়োগ বৈধ না অবৈধ তা নিয়ে মামলা, কে ওয়াকফ সম্পত্তির মোতয়ালি বা মন্দিরের সেবাইত হওয়ার যোগ্য তা নির্ধারণ করাও স্যুট রিলেটিং টু রাইট টু অফিস।

ওই পোস্ট অনারারি বা বেতনভুক্ত ; রিলিজিয়াস বা সেক্যুলার যাই হোক তা অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু ওই পদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও অধিকার থাকতে হবে যা আইন দ্বারা বলবত যোগ্য । রাইট টু পোস্ট ইনক্লুডস বেনিফিট অফ দ্যা পোস্ট অলসো। অর্থাৎ বেতন, পেনশন ইত্যাদি।
আগেই বলা হয়েছে পলিটিকাল ও রিলিজিয়াস বিষয় সিভিল নেচারের নয়।

কারণ এসব বিষয় নির্ধারণ করতে গেলে কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়
- Matter of neutrality
- Chance of Bias
- Public পলিসি
কাউকে কাস্ট থেকে এক্সপেল করা, বেনামাজি কাউকে নন-মুসলিম ঘোষণা করা পিউরলি রিলিজিয়াস কোয়েশ্চেন, এজন্য সেগুলো সিভিল কোর্টে বিচার্য নয়।
কিন্তু কোনো সিভিল নেচারের প্রশ্ন বা ইস্যু সমাধানের পূর্বশর্ত যদি অন্য একটি পলিটিকাল বা রিলিজিয়াস প্রশ্নের সমাধানের উপর নির্ভরশীল হয়। আদালত ওইসব পলিটিক্যাল বা রিলিজিয়াস বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিবে। বিষয়টা এমন
“বাদাম খাওয়ার জন্য যদি আগে খোসা ছাড়াতে হয় তাহলে তা করতে হবে। কারণ অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য বের করে আনতে ওই কাজটা জরুরি। অর্থাৎ উদ্দেশ্যে পৌছাতে প্রয়োজনীয় সবকিছু করা যাবে, সেজন্য যদি রিলিজিয়াস বা পলিটিক্যাল নেচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাই করতে হবে “
মূল বিষয় হচ্ছে, প্রিন্সিপাল কোয়েশ্চেন যদি সিভিল নেচারের হয়, ওই প্রশ্ন সমাধানে এডিশনাল কোনো রিলিজিয়াস/ পলিটিক্যাল কোয়েশ্চেনের সমাধান সিভিল কোর্ট করতে পারবে।
যেমন, কোনো ব্যাক্তি হিন্দু বা খ্রিস্টান হয়ে জন্মগ্রহণ করার পর ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়। মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কিভাবে বন্টন করা হবে সে বিষয়ে মামলা হয়েছে। সম্পত্তি যেহেতু পার্সোনাল ল অনুসারে বন্টন করা হয় সেজন্য মৃত্যুকালীন সে ব্যাক্তি কোন ধর্মের অনুসারী ছিল তা নির্ধারণ করা জরুরি। সম্পত্তি বন্টন হচ্ছে প্রিন্সিপাল কোয়েশ্চেন, সে কোন ধর্মের অনুসারী তা এডিশনাল কোয়েশ্চেন হচ্ছে রিলিজিয়াস কোয়েশ্চেন। এক্ষেত্রে কোর্টকে রিলিজিয়াস কোয়েশ্চেন ডিটারমাইন করা লাগবে সে অজুহাতে কোর্ট সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকার করতে পারবে না।
একইভাবে মহররমের তাজিয়া মিছিল বা ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে বাধা দিলে। বাধা অপসারণের মামলা করা যাবে। কারণ আর্টিকেল ৪১ রাইট টু রিলিজন & আর্টিকেল ৩৭ রাইট টু এসোসিয়েশন সিভিল-পলিটিকাল রাইটস।
কোনো পার্টির সভাপতির কে হবে তা নিয়ে মামলা মেনটেইননেবল যদি তার নিয়োগ পার্টি গঠনতন্ত্র বা কনস্টিটিউশনের লঙ্ঘন করে নিয়োগ করা হয়। যেমন সভাপতি হওয়ার আগে তাকে কমপক্ষে ৪ বছর পার্টির সদস্য হিসেবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও বিবেচ্য বিষয়।

Unless expressly or impliedly barred
সিভিল নেচারের কিছু বিষয়ের বিশেষ প্রকৃতি, গুরুত্ব ও দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে সরকার কিছু বিষয়ের উপর হতে সিভিল কোর্টের এখতিয়ার সরিয়ে নিয়েছে। এই এখতিয়ার সীমিত করার বিষয়টা দুইভাবে করতে পারে।
প্রথমত, এখতিয়ার এক্সপ্রেসলি / সরাসরি /ক্লিয়ার অস্টার ক্লজ দ্বারা বারিত করলে
দ্বিতীয়ত, জুরিসডিকশন ইমপ্লাইডলি বারড

এক্সপ্রেস বারড করার বিভিন্ন প্রক্রিয়া আছে যেমন,
• স্পেশাল আদালত/ ট্রাইবুনাল প্রতিষ্ঠা করার পর, সে বিষয়ে তাদের এক্সক্লুসিভ জুরিসডিকশন দেয়ার মাধ্যমে। ফ্যামিলি কোর্ট, মানি লোন কোর্ট ইত্যাদি। এক্ষত্রে অস্টার ক্লজকে স্ট্রিক্টলি কনস্ট্রু করতে হবে।
• নতুন রাইট/অবলিগেশন তৈরি করে, তা নিষ্পত্তির জন্য স্পেশাল অথরিটি নিয়োগ করলে সিভিল কোর্টের এখতিয়ার বারিত হয়।
• আইনের মাধ্যমে কোনো কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই ফাইনাল ঘোষণা করা হলেও সিভিল কোর্টের এখতিয়ার বারিত হয়
সিয়ারপিসির ১৩৩ ধারার রিমুভাল অফ নুইসেন্স এর মামলা সিভিল কোর্টে আসবে না।
আর্টিকেল ১১৭ অনুসারে প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের বিবেচ্য বিষয়ে সিভিল কোর্টের এখতিয়ার নেই
পিডিয়ার এর মামলায় সিভিল কোর্টের এখতিয়ার নেই (যদিনা বাদী অকশন সেলের পার্টি না হয়)
জুরিসডিকশন বারিত হলেও ন্যাচারাল জাস্টিস লঙ্ঘন করা, ম্যালাফাইড একশন, আইনের বিধান লঙ্ঘন, অথরিটির ফরমেশন সে আইনসম্মত কিনা তা সিভিল কোর্ট নির্ধারণ করতে পারবে।

ইম্পলাইড বারের মাধ্যমে জুরিসডিকশন বারিত করতে কিছু সাপোর্টিং এভিডেন্স দরকার হয়।
অনেকক্ষেত্রে এক্সক্লুশন ক্লজ ছাড়াই, নতুন কোনো অধিকার & তার প্রতিকার সৃষ্টি করা হয়, এই উদ্দেশ্যে স্পেশাল ফোরামও তৈরি করা হয়__ সেক্ষেত্রে এক্সক্লুশন ক্লজ ছাড়াই সিভিল কোর্টের এখতিয়ার ইম্পলাইডলি বারিত হবে।
যেমন, ইলেকশন ট্রাইবুনাল ইম্পাইডলি ইলেকশন ডিসপিউটে সিভিল কোররাতের এখতিয়ার বারিত করে।

জেনারেল প্রিন্সিপাল অফ জুরিসডিকশন অফ সিভিল কোর্টঃ
১. জুরিসডিকশন টু ট্রাই অল সিভিল মেটারস আনলেস বারড, সেটা ধারা ৯ এ আলোচনা করা হয়েছে
২. পক্ষদের সম্মতি সিভিল কোর্টের জুরিসডিকশন কনফার বা টেক এওয়ে, কেড়ে নিতে করতে পারে না।
কারণ, এতে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আইনগত এখতিয়ার কেড়ে নেয়া হয়।
৩. এখতিয়ার বিহীন আদালতের ডিক্রি নাল & ভয়েড
৪. ইররেগুলার এক্সারসাইজ অফ জুরিসডিকশন ইজ ডিফরেন্ট ফ্রম লেক অফ জুরিসডিকশন।
লেক অফ জুরিসডিকশন হোক টেরিটোরিকল বা পিকুনিয়ারি এ এখতিয়ার না থাকায় কোর্ট প্লেইন্ট রিটার্ন করে অর্ডার সেভেন রুল ১০ অনুসারে। কিন্তু মামলা ভিন্ন শ্রেণির আদালতের বিবেচ্য হলে স্যুট হেজ টু বি ডিসমিসড এনটায়ারলি।
কারণ ইররেগুরালিটি মামলার পরবর্তী ধাপে সংশোধন করা যায়।
৫. প্রত্যেক আদালতের নিজের এখতিয়ার নির্ধারণের ইনহেরেন্ট পাওয়ার আছে। জুরিসডিকশন কেড়ে নেয় এমন অস্টিং ক্লজ স্ট্রিকলি কন্সট্রু করতে হবে। এবং অস্টার অফ জুরিসডিকশন প্রমাণের বার্ডেন অফ প্রুফ বর্তায় সে পক্ষের উপর যে পক্ষে অস্টার ক্লেইম করে।
৬. জুরিসডিকশন আছে কি নেই তা নির্ধারণ করা হবে প্লেইন্ট বা আরজির বক্তব্যের ভিত্তিতে
৭. সাবসটেন্স নট দ্যা ফর্ম ইজ ইমপরট্যান্ট

মোঃ আতিকুর রহমান রিয়াজ
সহকারী জজ, শরীয়তপুর

08/11/2024

সাধারণ জ্ঞানঃ
The Civil Courts Act ১৮৮৭ র ৩ ধারা অনুসারে পাঁচ ধরনের দেওয়ানি আদালত আছে-
• the Court of the District Judge;
• the Court of the Additional District Judge;
• the Court of the Joint District Judge
• the Court of the Senior Assistant Judge; and
• the Court of the Assistant Judge
এর মধ্যে সহকারী জজের নিয়োগ হয় বিজেএস পরীক্ষার মাধ্যমে হয়। অন্যান্য বিচারকগণ সহকারী জজ পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে জেলা জজ পদমর্যাদায় যেতে পারেন। কিছু সংখ্যক সিনিয়র জেলা জজ হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি হওয়ার সুযোগ পান। জেলা জজ হিসেবে ৫ বছরের উর্ধ্বে চাকরি করলে তাদের সিনিয়র জেলা জজ বলা হয় যদিও সেটি আলাদা কোনো পদ নয়। বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবীদের মধ্য থেকেই নিয়োগের হারটা বেশি।
দেওয়ানি বিষয়ে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতসমূহকে ৩ ভাবে বিভাজন করা হয়ঃ
১. সাধারণ এখতিয়াসম্পন্ন দেওয়ানি আদালত
২. বিশেষ এখতিয়ারসম্পন্ন দেওয়ানি আদালত
৩. ট্রাইবুনাল
সাধারণ দেওয়ানি আদালতের দুটি বিভাজন আছে, একটি উচ্চ-আদালত, অর্থাৎ সুপ্রিমকোর্টের আপিলেট ও হাইকোর্ট ডিভিশন, অন্যটি হচ্ছে সিভিল কোর্টস এক্টে উল্লেখিত ৫ ধরণের আদালত।

জেলা জজ একটি জেলার অধস্তন আদালতের প্রধান। বিচার বিভাগে বিভাগীয় পর্যায়ে কোনো বিভাগীয় প্রশাসন নেই। বিচারিক ক্ষমতার দিক থেকে অতিরিক্ত জেলা জজ, জেলা জজ হতে নিম্নতর নন। কিন্তু প্রশাসনিক / প্রোপার এডমিনিস্ট্রেশন বজায় রাখার উদ্দেশ্যে তিনি জেলা জজের অধিনস্ত । বর্তমানে যুগ্মজেলা থেকে জেলা জজ পর্যন্ত বিচারকগণ একই সাথে সিভিল ও ক্রিমিনাল মামলা বিচার করেন, এজন্য তারা একই সাথে জেলা ও দায়রা জজ। প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে একটি জেলায় জেলা ও দায়রা জজ পদ একটি হলেও, জেলা জজ পদমর্যাদার একাধিক বিচারক একই জেলায় থাকা সম্ভব। কারণ বিভিন্ন বিশেষ আদালত(শিশু আদালত) ও ট্রাইবুনালের( স্পেশাল ট্রাইবুনাল) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল) বিচারক জেলা ও দায়রা জজদের মধ্য থেকে করা হয়। বর্তমানে অধস্তন আদালত (লোয়ার কোর্ট না) এর সকল বিচারক বিজেএস থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও ১৯৭২ এর সংবিধান অনুসারে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এডভোকেটদের অতিরিক্ত জেলা জজ হিসেবে নিয়োগের বিধান ছিল। এভাবে নিয়োগ পাওয়া একজন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির আসন অলংকৃত করেছেন। কে সে? আপনারা বের করুন!

দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারঃ
বাস্তব জীবনে স্বার্থান্বেষী স্বভাবের কারণে আমাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। প্রাচীনকালে মাইট ইজ রাইট নীতিতে পেশিশক্তি ও ক্ষমতার অধিকারী ব্যাক্তিরা ক্ষমতার ভিত্তিতে বিরোধের ইতি টানার চেষ্টা করতেন, যদিও তা সবসময় সফল হতো না। পরবর্তীতে শান্তিপূর্ণ ও নীতিভিত্তিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিজ্ঞ লোকদের চিন্তার ফসল হচ্ছে আধুনিক বিচার ব্যবস্থা। প্রোপার এডমিনিস্ট্রেশন অফ জাস্টিস নিশ্চিত করার সুবিধার্থে সব বিরোধের বিচার একই কোর্টে না করে, বিরোধের প্রকৃতি বিবেচনায় বিভিন্ন আদালতকে বিভিন্ন বিরোধ মিমাংসার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আইন নির্ধারিত এই ক্ষমতাকে এখতিয়ার বা জুরিসডিকশন বলে। এখতিয়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কোন কোর্টে কোন মামলার বিচার করা হবে, বাদী বা Plaintiff কোন কোর্টে আরজি/ Plaint দাখিল করবে তা নির্ধারণ করা জরুরী। এতে সাক্ষী ও পক্ষদের সুবিধা হয়। আর যদি তা নির্ধারণ করা না হয়ঃ
- পক্ষরা নিজেদের ইচ্ছামত আদালতে মামলা দায়ের করবে,
- কোনো কোর্টে মামলার চাপ বেশি থাকবে কোনো কোর্টে খালি পড়ে থাকবে,
- ধনীরা এর অপব্যবহার করে দুরবর্তী ও খরচ সাপেক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করবে।
- হায়ার কোর্টসমূহে মামলার চাপ থাকবে।
এছাড়া একেক বিষয়ে একেক রকম দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা জরুরি। সেজন্য মামলার প্রকৃতি, গুরুত্ব ও মূল্যমান অনুসারে আদালতসমূহের এখতিয়ার নির্ধারণ করা জরুরি।

জুরিসডিকশন বা এখতিয়ার এর ইটমো-লজিক্যাল অর্থ দাঁড়ায় “I speak by the law”
Jurisdiction means the extent of
- Power
- Authority
- Right
- Competency
- Capacity
• To receive_hear_ try_determine
• A matter/issue/cause/case.

প্রত্যেক আদালতের আইন নির্ধারিত এখতিয়ার আছে। এর বাইরে কোনো বিষয় ওই আদালত বিচার করতে পারেনা। সিভিল কোর্টস এক্টে উল্লেখিত ৫ ধরণের দেওয়ানি আদালতেরও নির্ধারিত এখতিয়ার বা ক্ষমতা আছে।
কয়েকটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে জুরিসডিকশন বা এখতিয়ার নির্ধারিত হয়। অন্যভাবে বললে দেওয়ানি আদালতের কয়েক ধরণের এখতিয়ার আছে।
এখতিয়ার নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে ফিল্টারের সাথে তুলনা করা যায়
– পানি পান করার আগে আমরা পানিকে ফিল্টার করে পান উপযোগী করে তুলি। সেভাবে কোনো আদালতের সামনে একটি মামলা বিচারের জন্য উত্থাপন করা হলে, আদালত প্রথমেই তা নিজের এখতিয়ারে আছে কি নেই সেটা নির্ধারণ করে। এখতিয়ার নির্ধারণের জন্য আদালতের ছাকনিসমূহ হচ্ছে-
• Subject matter or
legal Jurisdiction(conferred by statue)
• Territorial jurisdiction
• Pecuniary Jurisdiction
নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে সাবজেক্ট মেটার জুরিসডিকশন বা বিষয়বস্তুগত এখতিয়ার বলতে আদালতের বিচার্য বিষয় কোনগুলো, কোন বিষয়সমূহ বিচার্য নয় তা বুঝায়। Subject matter means the description, nature, class of the matter in issue. For example, property, money, family, writ etc. Subject matter jurisdiction is determined according to sec 9 of the Code of Civil Procedure, , 1908.

টেরিটোরিআল জুরিসডিকশন বলতে কোন ভৌগোলিক ক্ষেত্র বা এলাকায় কোনো দেওয়ানি মামলার বিচার অনুষ্ঠিত হবে, কোন কোর্টে বিচার প্রার্থীকে আরজি দাখিল করতে হবে তা বুঝায়। সুপ্রিমকোর্টের এখতিয়ার পুরো বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় বিস্তৃত । জেলা জজ কোর্টের এখতিয়ার পুরো জেলায়। আবার কোনো লোকাল আইনে প্রতিষ্ঠিত আদালতের এখতিয়ার সে অঞ্চলে বিস্তৃত। দেওয়ানি আদালতসমূহের এখতিয়ার সিপিসির ১৬-২০ ধারা অনুসারে নির্ধারণ করা হয়, সিসিএ ধারা১৮

সবশেষ, পিকুনিয়ারি জুরিসডিকশন দ্বারা কোন মূল্যমানের মামলা কোন আদালতে গ্রহণ করতে পারবে তা নির্ধারিত হয়। সিপিসির ৬ ও ১৫ ধারা এবং সিভিল কোর্টস এক্টের ১৯ ধারা অনুযায়ী আর্থিক এখতিয়ার নির্ধারণ করা হয়। স্যুট ভ্যালুয়েশন এক্ট, ১৮৮৭। সিপিসির ধারা ৬ অনুসারে আর্থিক এখতিয়ার মেনে মামলা করতে হবে, বিষয়বস্তুর মূল্যমান আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ নির্দিষ্ট আকৃতির গ্লাসে যেমন নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ধারণক্ষমতা থাকে, কোনো আদালতে তার আর্থিক এখতিয়ার বা ক্যাপাসিটির বাইরের মামলা দায়ের করা যাবেনা। দায়ের করতে চাইলে বাড়তি দাবি ত্যাগ করে মামলা করতে হবে।

বিষয়বস্তু বা সাবজেক্ট মেটার মিনস দ্যা ভ্যালু অফ দ্যা রিলিফ ক্লেইমড নট দ্যা ভ্যালু অফ দ্যা প্রোপার্টি ইনভলভড। অর্থাৎ প্রতিকারের মূল্য প্লেইন্ট অনুযায়ী ধরা হয়। যদিও মামলা শেষে কোর্টের ডিক্রি পিকুনিয়ারি জুরিসডিকশন অতিক্রম করতে পারবে। আবার মামলা চলাকালীন মূল্যমান বেড়ে গেলেও তা এখতিয়ারে প্রভাব ফেলবে না। সিসিএ অনুসারে আর্থিক এখতিয়ারসমূহ নির্ধারিত হয়-
জেলাজজ ও যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার আনলিমিটেড
সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫-২৫ লক্ষ টাকা মূল্য মানের বিষয়বস্তু।
সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের বিষয়বস্তু।
এ থেকে বুঝা যায় জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ যেকোনো মূল্যমানের সম্পত্তির বিরোধের বিচার করতে পারেন। কিন্তু সিপিসির ধারা ১৫ অনুসারে এভরি স্যুট মাস্ট বি ইন্সটিটিউটেড ইন দ্যা লোয়েস্ট গ্রেড অফ কোর্ট কমপিটেন্ট টু ট্রাই ইট। এই কারণে জেলা জজের কাছে সরাসরি মামলা যায় না, যেহেতু যুগ্ম জেলা জজের এখতিয়ার ই আনলিমিটেড। দুই আনলিমিটেড জুরিসডিকশনের কোর্টের মধ্যে যুগ্ম জেলা জজ কোর্ট অধস্তন, কনকারেন্ট জুরিসডিকশন থাকায় লোয়ার কোর্টে মামলা করতে হবে। কোনোক্ষেত্রে ওভারভ্যালুয়েশন করে হায়ার কোর্টে মামলা করা হলে কোর্টের ডিসক্রেশন অনুযায়ী আরজি গ্রহণ করবে নাকি রিটার্ন করবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। তবে এক্সক্লুসিভ জুরিসডিকশন এর কোনো বিষয়ে তেমন ডিসক্রেশন নেই। যেমন ফ্যামিলি কোর্ট। দেনমোহর ও ভরণপোষণ বাবদ ২৫ লক্ষ টাকার মামলা হলেও তা ফ্যামিলি কোর্টে বিচার হবে।
অর্থাৎ কেউ চাইলেই ইচ্ছামতো যেকোনো আদালতে আরজি দাখিল করতে পারবে না। আবার স্যুট ভ্যালুয়েশন এক্টের কারণে কোর্টের জুরিসডিকশন বাইপাস করার জন্য ইচ্ছামতো মূল্যমান ধরতে পারবেনা। কোর্ট চাইলে বাদীকে ভ্যালুয়েশন প্রোপার তা প্রমান করতে বলতে পারে। অভার ভ্যালুয়েশন বা আন্ডার ভ্যালুয়েশন যদি ফোরাম অফ আপিল পরিবর্তন করে তবে আপিলেট কোর্ট ডিক্রিকে বাতিল করবে না।

এর বাইরেও কোর্টের এখতিয়ারকে বিভিন্ন ভাবে আলোচনা করা যায়।

অরিজিনাল জুরিসডিকশন বলতে বুঝায় কোর্ট অফ ফার্স্ট ইনস্ট্যান্স, অর্থাৎ কোন আদালতে মামলা শুরু করা হবে। প্রথমেই কোন আদালতে মামলা যাবে। অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত ব্যতীত বাকি চারটি আদালতের অরিজিনাল জুরিসডিকশন আছে। জেলা জজ গার্জিয়ানশীপ, প্রোবেট, ইনসলভেন্সি ও এডমিনিস্ট্রেশন অফ স্টেট এর বিষয়ে অরিজিনাল জুরিসডিকশনের অধিকারী। হাইকোর্ট ডিভিশন কোম্পানি ও এডমিরালটি বিষয়ে অরিজিনাল জুরিসডিকশন এপ্লাই করে।এছাড়া রিট জুরিসডিকশন হাইকোর্ট ডিভিশনের স্পেশাল অরিজিনাল জুরিসডিকশনের অন্তর্ভুক্ত।

এপিলেট জুরিসডিকশন হচ্ছে উচ্চতর আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের পুনর্বিচার। বা রি-হিয়ারিং বাই সুপিরিয়র কোর্ট। শুধু হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার আছে। এছাড়া অতিরিক্ত/ যুগ্ম জেলাজজের আপিল এখতিয়ার ওইসব মামলায় থাকবে যেসব মামলা জেলা জজ তাদের ট্রান্সফার করেছেন। জেলা জজ সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের (৫ কোটি টাকা ভ্যালুয়েশনে মামলার) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনবেন। অন্যান্য সকল যুগ্ম জেলাজজ কর্তৃক ৫ কোটির বেশি মূল্যমানের মামলা, অতিঃ জেলাজজ ও জেলাজজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করা যাবে।
সিপিসি ধারা ৯৬ অনুসারে ডিক্রির বিরুদ্ধে, ধারা ১০৪ অনুসারে অর্ডারের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। সিসিএ এর ধারা ২০ অনুসারে এ জুরিসডিকশন এপ্লাই করা হয়। রাইট টু আপিল ইজ এ সাবস্টেনটিভ রাইট, অর্থাৎ আইনে সুস্পষ্ট উল্লেখ করা না হলে কোনো বিষয়ে আপিল করা যায় না। আপিলে মামলা করার সমান কোর্ট ফি লাগে।

রিভিশনাল জুরিসডিকশনও আপিলেট জুরিসডিকশনের মতো উচ্চতর আদালত কর্তৃক প্রয়োগ করা হয়। ইটস রি-এক্সামিনেশন অফ দ্যা লিগ্যালিটি, অর্থাৎ আপিলেট কোর্টের মতো ফ্যাক্ট & ল দুটি বিষয় বিবেচনা করে না। No new withness or fact can be introduced in revisional stage. শুধু হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা জজের এ এখতিয়ার আছে। সিপিসির ধারা ১১৫ অনুসারে এ এখতিয়ার প্রয়োগ করা হয়।

কনকারেন্ট জুরিসডিকশন – এমন বিরোধ যে বিষয়ে একই সাথে একাধিক আদালতের বিচারিক এখতিয়ার থাকে। এক্ষেত্রে যেকোনো একটি আদালতে সম্পূর্ণ বিষয়ের বিচার হয়।

স্পেশাল বা লিমিটেড জুরিসডিকশন সম্পন্ন আদালতের নির্দিষ্ট বিষয়ে এখতিয়ার সীমাবদ্ধ থাকে। পারিবারিক আদালত, অর্থঋণ আদালত ইত্যাদি।

রেফারেন্স জুরিসডিকশন সিপিসির ১১৩ ধারা অনুসারে any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit. অর্থাৎ হাইকোর্ট ডিভিশনের মতামতের জন্য কোনো কোর্ট তা হাইকোর্টের নিকট রেফার করতে পারে।

এডভাইজরি জুরিসডিকশন হচ্ছে অপিনিয়ন অফ দ্যা আপিলেট ডিভিশন ইন কুয়েশ্চন অফ ল অর লিগ্যাল পয়েন্ট। বিডিয়ার বিদ্রোহের বিচার কোন আদালতে হবে তা নিশ্চিত করার জন্য এডভাইজরি জুরিসডিকশন এর সহায়তা নেয়া হয়েছিল।

রিভিও জুরিসডিকশন হচ্ছে সেল্ফ রিফ্লেকশনের মতো। প্রত্যেক আদালত তার নিজের সিদ্ধান্তের রিভিউ করতে পারে। সিপিসির ১১৪ ধারা ও অর্ডার ৪৭ অনুসারে রিভিও করা যায়। নতুন ফ্যাক্ট যা মামলার সিদ্ধান্তঃ পরিবর্তনে সক্ষম তেমন ফ্যাক্টের ভিত্তিতে রিভিউ করা যায়।

এ বাইরেও সিপিসি ১৫১ ধারা ও সিসিএ ৩৭ ধারা অনুসারে কোর্ট সহজাত ক্ষমতা বা ইনহেরেন্ট পাওয়ার এপ্লাই করে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

কোনো পক্ষের জুরিসডিকশন সম্পর্কিত কোনো অবজেকশন থাকলে তা at the earliest possible time. জানাতে হবে। অন্যদিকে কোর্টের প্রথম দায়িত্ব বিরোধের বিষয়ে এখতিয়ার আছে কি নেই তা নিশ্চিত হওয়া। এক্ষেত্রে দুইপক্ষের পারষ্পরিক সম্মতি থাকলেও বা কোনো অবজেকশন না জানালেও কোর্ট নিজ উদ্যোগ্যে তা নির্ধারণ করবে।

মোঃ আতিকুর রহমান রিয়াজ
সহকারী জজ, শরীয়তপুর
১৬'শ বিজেএস

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atiq & Or posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share