Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল

Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল A Criminal Lawyer in the Supreme Court of Bangladesh.

19/06/2026

মামলার ভবিষ্যৎ না বুঝে কিংবা ভালোভাবে আইন না জেনে মামলা করলে মামলায় পরাজয় নিশ্চিত , এমনকি আপনার জেল জরিমানাও হতে পারে।

Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল
Supreme Court of Bangladesh
Ak Faisal 01633-152012

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলবাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠন ও মেয়াদকাল, এডহক কমিটি  গঠন ও তার মেয়াদকাল।বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কমিট...
19/06/2026

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠন ও মেয়াদকাল, এডহক কমিটি গঠন ও তার মেয়াদকাল।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কমিটি গঠন ও মেয়াদকাল, এডহক কমিটি গঠন ও তার মেয়াদকাল সম্পর্কে মূল বিধান রয়েছে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 (P.O. No. 46 of 1972) এর আর্টিকেল- ৪ কমিটির মেয়াদকাল, আর্টিকেল- ৫ বার কাউন্সিল গঠন, আর্টিকেল- ৬ বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান সম্পর্কিত, আর্টিকেল- ৮ বার কাউন্সিল নির্বাচন সময়কাল ও এডহক কমিটি গঠন, আর্টিকেল ১০ বার কাউন্সিলের কার্যাবলী ও আর্টিকেল ১১ অন্যান্য Standing Committee গঠন সম্পর্কিত।

১. বার কাউন্সিলের গঠন।
4. Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
আর্টিকেল ৪ এ Bar Council গঠন সম্পর্কে বিধান রয়েছে। এতে ১৫ সদস্যের কমিটির বিধান রয়েছে, যার মধ্যে বাংলাদেশের অ্যটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে চেয়ারম্যান।

8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
(3) Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
বর্তমান Article 8(1) অনুযায়ী Bar Council-এর নির্বাচন এমনভাবে অনুষ্ঠিত হবে যাতে মেয়াদ শেষ হওয়ার বছরের ৩১ মে-এর মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। নির্বাচিত সদস্যদের মেয়াদ ৩ বছর।

৩. Ad-hoc Bar Council গঠন
Article 8(2)-এ Ad-hoc Bar Council-এর বিধান রয়েছে। যদি Pandemic, Epidemic, Act of God অথবা সরকারের নির্ধারিত অন্য কোনো অনিবার্য কারণে নির্বাচন সময়মতো সম্ভব না হয়, তাহলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে Ad-hoc Bar Council গঠন করতে পারে।
“সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন অনিবার্য কারণ” (any other unavoidable reason as determined by the Government) বলতে সাধারণত এমন কোনো পরিস্থিতিকে বুঝায়, যা—
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে;
পূর্বানুমান করা কঠিন;
আইন বা বিধিতে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত কারণসমূহের অনুরূপ প্রকৃতির; এবং
যার ফলে নির্ধারিত কাজ, দায়িত্ব বা সময়সীমা পালন করা বাস্তবিকভাবে অসম্ভব বা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
উদাহরণস্বরূপ—
প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প);
মহামারী বা জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা;
যুদ্ধ, দাঙ্গা বা আইন-শৃঙ্খলার গুরুতর অবনতি;
সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা জরুরি প্রশাসনিক ব্যবস্থা;
যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া;
সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে অনিবার্য হিসেবে ঘোষিত অন্য কোনো পরিস্থিতি।
তবে “সরকার কর্তৃক নির্ধারিত” কথাটির অর্থ হলো, কোনো কারণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনিবার্য বলে গণ্য হবে না; সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে তা নির্ধারণ বা স্বীকৃতি দিতে হবে।

৪. Ad-hoc Bar Council-এর মেয়াদকাল
Article 8(2)-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে:
"for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended" অর্থাৎ Ad-hoc Bar Council-এর মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর এবং সেই মেয়াদ আর বাড়ানো যাবে না।

Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল
Supreme Court of Bangladesh
Ak Faisal
01633-152012

পুলিশ যখন FIR নেয় না বা তদন্তে গাফিলতি করে: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ল্যান্ডমার্ক সিদ্ধান্তের আলোকে আইনি বিশ্লেষণফৌজদারি ...
18/06/2026

পুলিশ যখন FIR নেয় না বা তদন্তে গাফিলতি করে:
ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের ল্যান্ডমার্ক সিদ্ধান্তের আলোকে আইনি বিশ্লেষণ

ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো FIR (First Information Report) বা এজাহার দায়ের। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায়, কোনো অপরাধ ঘটার পর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়, কিংবা মামলা নিলেও তদন্ত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে পরিচালনা করে না। এমন পরিস্থিতিতে একজন ভুক্তভোগী বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আইনি প্রতিকার কী? তিনি কি সরাসরি উচ্চ আদালতে যাবেন নাকি নিম্ন আদালতের শরণাপন্ন হবেন?
Sudhir Bhaskarrao Tambe vs. Hemant Yashwant Dhage and Others (2010) মামলায় এই আইনি সংকটের একটি স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট সমাধান দেয়। নিচে এই ল্যান্ডমার্ক সিদ্ধান্তের মূল বক্তব্য ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো।

১. মামলার পটভূমি ও মূল আইনি প্রশ্ন
মামলাটিতে মূল আইনি প্রশ্ন ছিল—যদি পুলিশ কোনো আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable Offence) ক্ষেত্রে FIR রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করে অথবা এফআইআর নথিভুক্ত করার পরও তদন্তে চরম গাফিলতি বা পক্ষপাতিত্ব করে, তবে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদ (Article 226) অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারবেন কি না?

২. সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত: সরাসরি হাইকোর্টে রিট নয়
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু এবং এ. কে. পাটনায়েক-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ পূর্বের বিখ্যাত Sakiri Vasu (2008) মামলার নীতি পুনর্ব্যক্ত করে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে:
পুলিশ মামলা না নিলে বা তদন্ত ঠিকমতো না করলে সরাসরি হাইকোর্টে রিট আবেদন করা আইনগতভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।
আইন অনুযায়ী যেখানে একটি কার্যকর 'বিকল্প প্রতিকার' (Alternative Remedy) ইতিমধ্যে বিদ্যমান রয়েছে, সেখানে উচ্চ আদালতের রিট এখতিয়ার ব্যবহার করা যাবে না।

৩. সঠিক আইনি পথ: ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বারস্থ হওয়া
মাননীয় আদালত উল্লেখ করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকর আইনি আশ্রয় হলো ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ১৫৬(৩) ধারা। এই ধারার অধীনে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সরাসরি সংশ্লিষ্ট এলাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করতে পারেন।

৪. ১৫৬(৩) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সীমাহীন ক্ষমতা
আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫৬(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত একটি দরখাস্তের ওপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রাথমিকভাবে (Prima facie) সন্তুষ্ট হন, তবে তিনি অপরাধের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে নিম্নলিখিত শক্তিশালী পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন:

FIR দায়েরের সরাসরি নির্দেশ: পুলিশ যদি পূর্বে মামলা নিতে অস্বীকার করে থাকে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট থানাকে অবিলম্বে এফআইআর নথিভুক্ত করে নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিতে পারেন।

সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিতকরণ ও তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন: যদি মামলা আগেই হয়ে থাকে কিন্তু তদন্তে গাফিলতি দেখা যায়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশকে একটি যথাযথ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আদেশ দেবেন। প্রয়োজনে তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (Investigating Officer - IO) পরিবর্তনের সুপারিশ বা নির্দেশও দিতে পারেন।

তদন্ত প্রক্রিয়া মনিটরিং (Monitoring): ম্যাজিস্ট্রেটের কেবল তদন্তের নির্দেশ দিয়েই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তিনি পুরো তদন্ত প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে এগোচ্ছে কি না, তা নিজে পর্যবেক্ষণ বা মনিটর করার পূর্ণ এখতিয়ার রাখেন।

৫. হাইকোর্টের আদেশ বাতিল
এই মামলায় হাইকোর্ট সরাসরি তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের যে আদেশ দিয়েছিলেন, সুপ্রিম কোর্ট তা আইনগতভাবে টেকসই নয় (Not Sustainable) বলে বাতিল করে দেন।

সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন যে, এই ক্ষমতাটি হাইকোর্টের রিট এখতিয়ারে প্রয়োগ না করে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬(৩) ধারার অধীনে প্রয়োগ করতে দেওয়া উচিত এবং ম্যাজিস্ট্রেটকেই তদন্তের তদারকি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপসংহার ও প্রাসঙ্গিকতা
এই ল্যান্ডমার্ক জাজমেন্টের মূল শিক্ষা হলো—পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা বা অপেশাদারিত্বের বিরুদ্ধে বিচার পাওয়ার জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতই এর জন্য সবচেয়ে দ্রুত ও শক্তিশালী ফোরাম।

Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল
Supreme Court of Bangladesh
Ak Faisal
01633-152012

✅অগ্র ক্রয় (Pre-emption) কী? কারা ও কীভাবে মামলা করবেন?**⚖️ সম্পত্তি কেনাবেচায় নিজের অধিকার রক্ষা করতে ‘অগ্র ক্রয়’ বা ‘...
18/06/2026

✅অগ্র ক্রয় (Pre-emption) কী? কারা ও কীভাবে মামলা করবেন?**

⚖️ সম্পত্তি কেনাবেচায় নিজের অধিকার রক্ষা করতে ‘অগ্র ক্রয়’ বা ‘প্রি-এম্পশন’ আইন সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি। কোনো জমির অংশীদার বা সহ-শরিককে না জানিয়ে তৃতীয় কোনো ব্যক্তির কাছে জমি বিক্রি করে দিলে, আইনগতভাবে সেই জমি নির্দিষ্ট শর্তে নিজের নামে ফেরত নেওয়ার অধিকারই হলো অগ্র ক্রয়।
📖 প্রযোজ্য আইন: State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৯৬ (২০০৬ সালের সংশোধনীসহ)।
👥 কারা অগ্র ক্রয় (Pre-emption) দাবি করতে পারেন? ২০০৬ সালের আইন সংশোধনের পর, এই আইনের অধীনে মূলত:
১. উত্তরাধিকার সূত্রে সহ-শরিক (Co-sharer by inheritance)** অগ্র ক্রয়ের দাবি করতে পারেন।

(নোট: ক্রয়সূত্রে সহ-শরিক বা সংলগ্ন ভূমির মালিকের ক্ষেত্রে অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান ভিন্ন, তবে SAT Act-এর অধীনে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সহ-শরিকরাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পান)।

✅ অগ্র ক্রয়ের মৌলিক শর্তাবলী:
* জমিটি বৈধভাবে বিক্রয় বা হস্তান্তর হতে হবে।
* বিক্রয় দলিলটি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হতে হবে।
* বিক্রিত জমির মূল মূল্য, মূল্যের ওপর **২৫% ক্ষতিপূরণ** এবং বার্ষিক **৮% সরল সুদ** একত্রে আদালতে জমা (Deposit) দিতে হবে।

**⏱️ মামলা করার সময়সীমা (খুবই গুরুত্বপূর্ণ):**
আইনের ৯৬(১) ধারা অনুযায়ী—
* দলিল রেজিস্ট্রেশনের বা হস্তান্তরের খবর জানার তারিখ হতে **২ (দুই) মাসের মধ্যে** আদালতের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
* আইন নির্ধারিত এই ২ মাসের সময়সীমা পার হয়ে গেলে সাধারণত এই অধিকার আর প্রয়োগ করা যায় না।

⚖️ মামলা করার পদ্ধতি:
১. সংশ্লিষ্ট আদালত: জমির মূল্যমান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
২. দরখাস্তের সাথে যা জমা দিতে হবে:
* মূল বিক্রয় দলিলের সার্টিফাইড কপি বা তথ্য।
* আবেদনকারীর সহ-শরিকানার বা স্বত্বের প্রমাণ।
* আদালতের চালানের মাধ্যমে বিক্রয়মূল্য + ২৫% ক্ষতিপূরণ + ৮% সুদ ও প্রয়োজনীয় কোর্ট ফি।
৩. শুনানির পর আবেদনকারীর দাবি প্রমাণিত হলে আদালত অগ্র ক্রয়ের ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করবেন।

📌 আইনজীবী বার্তা:
অগ্র ক্রয় কোনো জন্মগত অধিকার নয়, এটি সম্পূর্ণরূপে একটি বিধিবদ্ধ আইনি অধিকার (Statutory Right)। সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে এই অধিকার চিরতরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সম্পত্তি নিয়ে কোনো বিরোধ দেখা দিলে দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

আইন জানুন, নিজের অধিকার ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। 🤝


Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল
Supreme Court of Bangladesh

Mobile: 01633152012

কনডেম সেল কী:-কনডেম সেল হলো কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত রাখার জন্য নির্ধারিত একটি...
18/06/2026

কনডেম সেল কী:-

কনডেম সেল হলো কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত রাখার জন্য নির্ধারিত একটি বিশেষ ও নির্জন প্রকোষ্ঠ।

অন্যান্য সাধারণ বন্দিদের সেলের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং আকারে ছোট এই কক্ষগুলোতে বন্দিদের সম্পূর্ণ ভিন্ন নিরাপত্তা ও আচরণবিধির আওতায় রাখা হয়।

কনডেম সেলের বৈশিষ্ট্য:

নির্জনে বন্দিদশা:
কনডেম সেলে সাধারণত একজন বন্দিকে একা রাখা হয়। এর ফলে সাধারণ বন্দিদের সাথে তাদের কোনো যোগাযোগ থাকে না।

সীমিত সুযোগ-সুবিধা:
এই সেলগুলোতে বন্দির সার্বক্ষণিক চলাফেরা সীমিত। তবে তাদের জন্য খাওয়া, ঘুমানো এবং টয়লেটের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকে।

কড়া নিরাপত্তা:
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগ পর্যন্ত যাতে বন্দি কোনো ধরনের ক্ষতি করতে না পারে বা পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য কারাগার কর্তৃপক্ষ কড়া নিরাপত্তা ও পাহারার ব্যবস্থা করে।

Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল
Supreme Court of Bangladesh
01633-152012

15/06/2026

রাজধানী ঢাকার পল্লবীর সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

এর ফলে নৃশংস ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করলো বিচারিক আদালত।

একই সঙ্গে আদালত সোহেল রানাকে ৫ লাখ ও তার স্ত্রীকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

15/06/2026

🚦 ট্রাফিক পুলিশ মামলা দিলে কী করবেন?

অনেকেই না জেনে ভুল সিদ্ধান্ত নেন। ট্রাফিক মামলা হলে আপনার আইনগত অধিকার কী, জরিমানা পরিশোধের নিয়ম কী, এবং কীভাবে বিষয়টি সমাধান করবেন—এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

🎙️ Advocate A.K. Faisal
Supreme Court of Bangladesh
📞 01633-152012

ভিডিওটি দেখুন এবং আইন সম্পর্কে সচেতন হোন।

15/06/2026

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন :

"আর যখন আমি কোনো জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি, তখন তার বিত্তশালীদেরকে (অবাধ্যতার) নির্দেশ দিই, অতঃপর তারা তাতে পাপাচার করতে শুরু করে। তখন তার ওপর শাস্তির নির্দেশ সত্য হয়ে যায় এবং আমি তাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিই।"

সূরা বনি ইসরাঈল: আয়াত-১৬।

15/06/2026

📢 বয়ফ্রেন্ড, প্রেমিক কিংবা অন্য যে-ই হোক—গোপন ছবি বা ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করলে চুপ থাকবেন না।

⚖️ এটি একটি গুরুতর অপরাধ। কী করবেন, কোথায় অভিযোগ করবেন, এবং আইন আপনাকে কী সুরক্ষা দেয়—জানুন এই ভিডিওতে।

🔒 আপনার নীরবতা নয়, আইনের সহায়তাই হতে পারে সমাধান।

Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল
Supreme Court of Bangladesh
01633-152012

ানুন #সাইবার_অপরাধ #বাংলাদেশ_আইন

14/06/2026

Address

Supreme Court Of Bangladesh
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Ak Faisal অ্যাডভোকেট এ কে ফয়সাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share