17/05/2026
কোম্পানি কি?
কোম্পানি হলো আইন দ্বারা সৃষ্ট এক ধরনের কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা, যার একটি নির্দিষ্ট নাম, নিজস্ব সিলমোহর এবং যৌথ মূলধন থাকে। এটি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে গঠিত একটি ব্যবসায়িক সংগঠন, যা সাধারণ অংশীদারি বা একমালিকানা ব্যবসার চেয়ে বেশ আলাদা। আইনের চোখে কোম্পানি একজন জীবন্ত মানুষের মতোই অধিকার ভোগ করে—অর্থাৎ, কোম্পানি নিজের নামে চুক্তি করতে পারে, সম্পত্তি কিনতে পারে এবং প্রয়োজনে অন্যের বিরুদ্ধে মামলাও করতে পারে।
সহজ কথায়, কোম্পানি হলো অনেক মানুষের যৌথ মূলধনে গড়ে ওঠা একটি বড় আইনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
কোম্পানি কত প্রকার ও কি কি?
কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোম্পানিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়। তবে গঠন কাঠামো ও মালিকানার ওপর ভিত্তি করে কোম্পানি প্রধানত ২ প্রকার। নিচে এর বিস্তারিত শ্রেণীবিভাগ দেওয়া হলো:
১. সাধারণ বা প্রধান শ্রেণীবিভাগ
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (Private Limited Company):
এই জাতীয় কোম্পানিতে সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জন হতে পারে।
এর শেয়ার বাজারে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা যায় না এবং শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয়।
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (Public Limited Company):
এই কোম্পানিতে সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ৭ জন এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা শেয়ারের সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ (কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই)।
এরা জনসাধারণের কাছে শেয়ার ও ডিবেঞ্চার বিক্রি করে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে এবং এর শেয়ার অবাধে কেনাবেচা বা হস্তান্তর করা যায়।
২. অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকারভেদ
এছাড়াও উদ্দেশ্য, নিয়ন্ত্রণ ও দায়-দায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানি আরও কয়েক প্রকার হতে পারে
সীমাবদ্ধ দায় কোম্পানি (Limited Liability Company): এই কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের দায় তাদের কেনা শেয়ারের মূল্যমান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। কোম্পানি দেউলিয়া হলেও শেয়ারহোল্ডারদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি খোয়া যায় না।
অসীম দায় কোম্পানি (Unlimited Company): এই ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের দায় সীমাবদ্ধ থাকে না। কোম্পানির দেনা পরিশোধের জন্য প্রয়োজনে মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিও ব্যবহার করা হতে পারে (এটি খুবই বিরল)।
হোল্ডিং কোম্পানি (Holding Company): যদি কোনো কোম্পানি অন্য একটি কোম্পানির ৫০% এর বেশি শেয়ার বা ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রণ করে, তবে তাকে হোল্ডিং কোম্পানি বলে।
আবার
সাবসিডিয়ারি কোম্পানি (Subsidiary