অ্যাডভোকেট শাফিউল্লাহ্

অ্যাডভোকেট শাফিউল্লাহ্ ⚖️ আইনজীবী
আইনি পরামর্শ | মামলা পরিচালনা |
📞 01796805778

ডিভোর্সের ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী সন্তান—আইনত কার সন্তান? সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১১২ ধারা অনুযায়ী, সন্তানকে আইনত কোন...
30/04/2026

ডিভোর্সের ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণকারী সন্তান—আইনত কার সন্তান?

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১১২ ধারা অনুযায়ী,
সন্তানকে আইনত কোনো ব্যক্তির "বৈধ সন্তান" বলে চূড়ান্তভাবে গণ্য করা হয় যদি-

১)বৈধ বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায়, বা
২)বিবাহ বিচ্ছেদের ২৮০ দিনের মধ্যে (মা অবিবাহিত থাকলে) জন্মগ্রহণ করে।

এই অনুমানটিকে আদালতে “চুড়ান্ত প্রমাণ" হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু এই অনুমান খন্ডন করা যেতে পারে যদি এটি প্রমাণ করা যায় যে,
“সন্তান ধারণের সম্ভাব্য সময়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলিত হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না”।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ: 01796805778

ডিভোর্স হওয়া স্ত্রীর সন্তান কি তার বাবার সম্পত্তিতে অধিকার রাখে ❓ডিভোর্স হওয়া স্ত্রীর সন্তান বাবার সম্পত্তিতে অধিকার রা...
29/04/2026

ডিভোর্স হওয়া স্ত্রীর সন্তান কি তার বাবার সম্পত্তিতে অধিকার রাখে ❓

ডিভোর্স হওয়া স্ত্রীর সন্তান বাবার সম্পত্তিতে অধিকার রাখে। কারণ স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ হলেও সন্তানের সঙ্গে বাবার রক্তের সম্পর্ক শেষ হয় না। ইসলামী শরিয়াহ আইন ও বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বাবা মারা গেলে তার সকল বৈধ সন্তান ছেলে-মেয়ে সবাই সম্পত্তিতে অংশীদার হয়। মায়ের ডিভোর্স হওয়া সন্তানের উত্তরাধিকার অধিকারে কোনো প্রভাব ফেলে না।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ - 01796805778

চলাচলের রাস্তা বন্ধ করলে আইনী প্রতিকার কী? 🔷দেওয়ানি মামলা (Civil Suit) দায়েরআপনি আদালতে নিম্নলিখিত প্রতিকার চাইতে পারে...
21/04/2026

চলাচলের রাস্তা বন্ধ করলে আইনী প্রতিকার কী?

🔷দেওয়ানি মামলা (Civil Suit) দায়ের
আপনি আদালতে নিম্নলিখিত প্রতিকার চাইতে পারেন-
রাস্তা খোলা রাখার জন্য স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction)
অস্থায়ীভাবে রাস্তা খোলার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction)

এতে আদালত প্রতিপক্ষকে রাস্তা বন্ধ করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিতে পারে।

🔷ইজমেন্ট অধিকার (Easement Right) প্রয়োগ
যদি উক্ত রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে ব্যবহার হয়ে থাকে, তাহলে এটি ইজমেন্ট অধিকার হিসেবে গণ্য হবে।
➡️ এ ক্ষেত্রে আপনি দেওয়ানি আদালতে মামলা করে সেই রাস্তা ব্যবহারের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি করতে পারেন।

🔷ফৌজদারি প্রতিকার (Criminal Action)

যদি জোরপূর্বক রাস্তা বন্ধ করা হয়, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হতে পারে—
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৪১ ধারা (Wrongful Restraint) প্রযোজ্য হতে পারে

🔷থানায় অভিযোগ বা মামলা করা যেতে পারে।

🔷নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন-
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ১৪৫ ধারা অনুযায়ী।

➡️ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করা যায়, যাতে রাস্তা অবরোধ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

🔷স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা-
ইউনিয়ন পরিষদ / সিটি কর্পোরেশন / ভূমি অফিসে অভিযোগ করে প্রাথমিক সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে।

✅ প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি
জমির খতিয়ান / দলিল
ম্যাপ (নকশা)
দীর্ঘদিন ব্যবহারের সাক্ষী
ছবি বা ভিডিও প্রমাণ

শেষ কথা,
প্রতিবেশী দ্বারা রাস্তা বন্ধ করা হলে প্রথমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করা উচিত। ব্যর্থ হলে, দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আইনি পথই খোলা রয়েছে। দ্রুত আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ : 01796805778

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে তালাক প্রদান করলে কি হবে? স্ত্রী যদি গর্ভবতী অবস্থায় তালাকপ্রাপ্ত হন, তাহলে ইসলামী আইন ও প্রচলিত প...
20/04/2026

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে তালাক প্রদান করলে কি হবে?

স্ত্রী যদি গর্ভবতী অবস্থায় তালাকপ্রাপ্ত হন, তাহলে ইসলামী আইন ও প্রচলিত পারিবারিক আইনে তার ইদ্দতকাল সন্তান জন্ম দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকে।

অর্থাৎ-
i) তালাক দিলেও, সন্তান জন্ম না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রী ইদ্দতে থাকবেন.....
ii) এই সময়ের মধ্যে স্বামীর কিছু দায়িত্ব বহাল থাকে (ভরণপোষণ )....!
iii) সন্তানের পিতৃত্ব অধিকার অক্ষুন্ন থাকে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
এই সময়ে হঠাৎ সিদ্বান্ত না নিয়ে আইনগত পরামর্শ নেওয়া জরুরি, কারন এতে মা ও সন্তানের ভবিষ্যৎ জড়িত।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ : 01796805778

স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদানকৃত গহনা /আসবাবপত্র এগুলো কি "উপহার" নাকি "দেনমোহর" /মোহরানা ? এই প্রশ্ন নিয়ে আদালতে অসংখ্...
17/04/2026

স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদানকৃত গহনা /আসবাবপত্র এগুলো কি "উপহার" নাকি "দেনমোহর" /মোহরানা ?

এই প্রশ্ন নিয়ে আদালতে অসংখ্য মামলা হয়। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিয়েতে দেওয়া গহনাকে " উপহার" বলে পরবর্তীতে মোহরানা পরিশোধ দেখানোর চেষ্টা করা হয়।

আইন অনুসারে,
দেনমোহর হলো মুসলিম বিবাহে স্বামীর উপর স্ত্রীর আইনত এবং অবিচ্ছেদ্য অধিকার। এটি দয়া নয়, উপহার নয়, সামাজিক সৌজন্যও নয়, এটি আইনগত পাওনা।

Muslim family law ordinance, 1961 এবং Dissolution of Muslim Marriages Act, 1339 অনুযায়ী স্ত্রী তার দেনমোহর আদায়ের জন্য আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

গহনা দিয়ে দেনমোহর পরিশোধ দেখানো যায় ?

যদি কাবিননামা /প্রমাণে দেখানো হয় যে গহনা বা স্বর্ণালংকার বাবদ দেনমোহর পরিশোধ করা হয়েছে। তাহলে ওই গহনা উপহার নয়। এটি দেনমোহরের অংশ।

দেনমোহর কখনো,
→ শশুরবাড়ির লোকজন উপহার হিসেবে দাবী করতে পারে না।
→ স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া কেউ তা নিজের দখলে রাখতে পারেন না।

বাস্তব প্রেক্ষাপট,

গহনা থাকে পরিবারের অন্য সদস্যের কাছে। কোন লিখিত রশিদ বা হস্তান্তরের প্রমাণ থাকে না। কাবিননামায় লেখা থাকে দেনমোহর গহনা দিয়ে পরিশোধ। ফলে, end of the day, তালাক বা বিরোধের পর স্ত্রী নিজের গহনা ফেরত নিলে / নিতে চাইলে উল্টো তাকে চুরির অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়।

এই ক্ষেত্রে নারীরা ফৌজদারি বা দেওয়ানী আইনে প্রতিকারে চাইতে পারেন।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ : 01796805778

ব্যাংকের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ না করায় ব্যাংক লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে এবং আপনার বিরুদ্ধে মামলাও করেছে। এমতাবস্থায় আপনার...
16/04/2026

ব্যাংকের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ না করায় ব্যাংক লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে এবং আপনার বিরুদ্ধে মামলাও করেছে। এমতাবস্থায় আপনার করণীয় -

এই সমস্যা সমাধানের কার্যকারী পাঁচটি ধাপ -

→ সমন ( Summon) পাওয়া মাত্রই ঘাবড়ে না গিয়ে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে দ্রুত আদালতে হাজির হয়ে জবাব দাখিল করুন এবং জামিন নিন। হাজির না হলে আপনার নামে "ওয়ারেন্ট" হতে পরে।

→ ADR বা আপোষ মীমাংসার সুযোগ নিন :
আইন অনুযায়ী, বিচার শুরু করার আগে আদালত ADR ( Alternative Dispute Resolution) বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ দেয়। ব্যাংক বিশেষক্ষেত্রে আদালতের বাহিরে সমঝোতা করতে আগ্রহী থাকে।

→ সুদ মওকুফ বা 'Interest Waiver '- এর আবেদন : আপনি প্রয়োজন মনে করলে ব্যাংকে গিয়ে লিখিতভাবে সুদ মওকুফের আবেদন করতে পারেন। ব্যাংক ম্যানেজারকে বলুন- আপনি মূল টাকা ( Principle Amount) পরিশোধ করতে চান।

→ "টোকেন মানি" জমা দেওয়ার সদিচ্ছা প্রকাশ
করুন। শুধু মুখে না বলে অন্তত কিছু টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে জমার রশিদটি ম্যানেজারের কাছে নিয়ে যান। এতে ব্যাংক বুঝবে আপনি লোন পরিশোধ করতে আগ্রহী। ফলে মামলা শিথিল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

→ CIB ক্লিয়ারেন্স-
টাকা পুরোপুরি পরিশোধ করার পর ব্যাংক থেকে অবশ্যই ' Non Liability Certificate ( NLC) সংগ্রহ করুন। এছাড়াও আপনার নামে CIB তালিকা থেকে ক্লিয়ার করে দেওয়া হয় এবং আদালত থেকে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়, তা নিশ্চিত করুন।

একটা বিষয় মনে রাখবেন, ব্যাংক মামলা করে টাকা আদায়ের জন্য, আপনাকে জেলে পাঠানোর জন্য নয়। তাই কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার বুদ্ধিমানের কাজ ।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ : 01796805778

পারিবারিক আদালত বা ফ্যামিলি কোর্টে যেসকল   মামলা দায়ের করা যায়.. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারা মতে,মুসলিম পারিবারি...
15/04/2026

পারিবারিক আদালত বা ফ্যামিলি কোর্টে যেসকল মামলা দায়ের করা যায়..

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারা মতে,
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে পারিবারিক আদালতে সাধারণত ৫ ধরনের মামলা করা যায়-

১) বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত।

২) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার-
স্বামী বা স্ত্রী সংসার চালিয়ে যেতে চাইলে কিন্তু অন্য পক্ষ অস্বীকার করলে।

৩) দেনমোহর-
কাবিননামায় উল্লেখিত দেনমোহরের টাকা আদায়ের জন্য।

৪) ভরণপোষণ-
স্ত্রী বা সন্তানের খরচ না দিলে তা আদায়ের জন্য।

৫) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান-
এক্ষেত্রে দেখা যায় যে স্বামী এবং স্ত্রীর মাঝে ডিভোর্স হয়ে গেলে, custody মামলা করে সন্তান কার কাছে থাকবে সে বিষয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হয়। Custody নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্য একটা আইনি বিষয় রয়েছে, "ছেলে হলে সাত বছর এবং মেয়ে হলে বয়সন্ধিকাল পর্যন্ত মায়ের কাছে থাকবে" এছাড়াও মামলার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে "Welfare of the Child" বিবেচনায় রেখে আদালতের এখতিয়ার অনুসারে ভিন্ন সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ - 01796805778

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের কারীর বিরুদ্ধে যেভাবে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়-নারী ও শিশু নির্যাতন দ...
14/04/2026

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের কারীর বিরুদ্ধে যেভাবে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়-

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৭ ধারা অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের করলে বাদীর বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান আছে।

অত্র আইনের ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে যে,

এই আইনের কোন ধারার অধীনে মামলা বা অভিযোগ করার জন্য আইনানুগ কারণ নাই জেনেও কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা / অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করিয়েছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

⚖️ যেভাবে উক্ত শাস্তির বিধান প্রযুক্ত হবে-

উক্ত আইনের ১৭(২) ধারা অনুযায়ী,

এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল-
★কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে,অথবা
★স্বীয় ক্ষমতায়
উপ-ধারা ১৭ (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে নিয়ে তাহার বিচার করতে পারবে।

১৭(৩) ধারায় বলা হয়েছে যে,

👉উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন,
বিচার শেষে ট্রাইব্যুনাল যদি মনে করেন অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে—

★অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান পূর্বক অভিযুক্তকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। এবং

★প্রয়োজন মনে করলে ক্ষতিপূরণের আদেশের পাশাপাশি অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন।


✅ অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া মানেই অত্র মামলাটি “মিথ্যা মামলা” নয়। আদালতকে নিশ্চিত হতে হয় যে অভিযোগটি অসৎ উদ্দেশ্যে ও জেনে-বুঝে দায়ের করা হয়েছে।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ - 01796805778

টাকা ধার দেওয়ার পূর্বে আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ---- ১। লিখিত চুক্তি করুন – শুধু মুখের কথা নয়, স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি...
12/04/2026

টাকা ধার দেওয়ার পূর্বে আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ----

১। লিখিত চুক্তি করুন – শুধু মুখের কথা নয়, স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিপত্র করুন যেখানে টাকা ফেরত প্রদানের তারিখ ও শর্তাবলী উল্লেখ থাকবে।

২। সাক্ষী রাখুন – টাকা দেওয়ার সময় অন্তত ২ জন বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষী রাখুন এবং চুক্তিপত্রে তাদের স্বাক্ষর নিন।

৩। চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা দিন – নগদ না দিয়ে চেক/ব্যাংক ট্রান্সফার করলে প্রমাণ থাকবে যে আপনি টাকা ধার দিয়েছেন।

৪। নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করুন-
চুক্তিপত্রে টাকা ফেরত প্রদানের সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করুন।

৫। পরিচয় পত্র নিয়ে রাখুন-
ধার গ্রহীতার জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, অফিসের তথ্য সংগ্রহ করে রাখুন। প্রয়োজনে চুক্তিপত্রে সংযুক্ত করুন।

৬। ধার নেওয়ার উদ্দেশ্য লিখে রাখুন-
কেন টাকা নিচ্ছে (ব্যবসা, চিকিৎসা, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ইত্যাদি) তা লিখে রাখলে পরবর্তীতে প্রতারণার অপরাধ প্রমাণে সহায়তা হবে।

৭। আদায়যোগ্য শর্ত যোগ করুন:
চুক্তিতে লিখে দিন— সময়মতো টাকা না দিলে অতিরিক্ত জরিমানা কিভাবে নির্ধারিত হবে। এতে ধারগ্রহীতা সময়মতো ফেরত প্রদানে আগ্রহী থাকবে।

৮। প্রতি কিস্তির রসিদ রাখুন:
যদি কিস্তিতে টাকা ফেরত দেয়, তাহলে প্রতিবার স্বাক্ষর সহ রসিদ নিন ।

৯। অডিও/ভিডিও প্রমাণ রাখুন-
যদি সম্ভব হয়, ধার দেওয়ার সময় সংক্ষিপ্তভাবে মোবাইলে ভিডিও বা অডিও রেকর্ড রাখুন— এটা ভবিষ্যতে বড় সহায়ক হতে পারে।

১০। যৌথ দায় উল্লেখ রাখুন:
চুক্তিতে উল্লেখ করুন যে ধারগ্রহীতা ব্যর্থ হলে তার জামিনদারও দায়ী থাকবে। এতে টাকাটি সুরক্ষিত থাকে।

জনস্বার্থে,
মোঃ শাফিউল্লাহ
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।
যোগাযোগ - 01796805778

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাডভোকেট শাফিউল্লাহ্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অ্যাডভোকেট শাফিউল্লাহ্:

Share