আইন কী বলে?

আইন কী বলে? A platform containing legal framework of the land and analysis.

The phrase “Big, Beautiful Bill” emerged during Trump’s campaign-style speeches, echoing his flair for alliteration and ...
04/07/2025

The phrase “Big, Beautiful Bill” emerged during Trump’s campaign-style speeches, echoing his flair for alliteration and media-savvy soundbites. According to Trump: “This is going to be a big bill. Beautiful, too. Smart. Fair. It’ll fix the mess the Democrats made and give America a better, stronger system” (Fox News, 2025).

On a knife-edge vote in the United States Senate, President Donald Trump’s signature legislative proposal—coined the “Big, Beautiful Bill”—was passed after

04/07/2025

ট্রাম্পের 'বিগ, বিউটিফুল বিল' এবং বিতর্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দের একটি নতুন আইন প্রস্তাব, যার নাম তিনি দিয়েছেন ‘বিগ, বিউটিফুল বিল’, তা সামান্য ব্যবধানে মার্কিন সিনেটে পাস হয়েছে। সিনেটে ভোটাভুটিতে সমান সমান ভোট পড়ার পর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নিজের ভোট দিয়ে অচলাবস্থা ভেঙে দেন এবং বিলটি পাস হয়।

এই বিল নিয়ে কী বিতর্ক?

এই বিলটি পাস হলে ১ কোটি ২০ লাখেরও বেশি আমেরিকান নাগরিক স্বাস্থ্য বীমা হারাতে পারেন—এমন আশঙ্কা রয়েছে।

ট্রাম্প যেভাবে "বিগ, বিউটিফুল" শব্দ ব্যবহার করেছেন, তাতে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন এই আইনটা হবে বড়, সাহসী এবং সুন্দরভাবে পরিকল্পিত।

কিন্তু বাস্তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, “যত বড় হয় কোনো আইন, তত বেশি জটিল হয়; আর তত কম হয় সেটার সৌন্দর্য।”

বড় বিল মানেই সেটায় থাকে অনেক পৃষ্ঠা, অনেক রকম সমঝোতা, এবং এমন কিছু সুবিধা যেগুলো কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর জন্য লুকানো থাকে।

এমন লুকানো সুবিধার খরচকে আমেরিকায় এক কথায় বলা হয় ‘পর্ক-ব্যারেল খরচ’, যা আসলে করদাতাদের টাকায় কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সুবিধা দেওয়ার পদ্ধতি।

এটা অনেকটা নিজের স্যুটকেসে আবর্জনা ভরে কাস্টমস অফিসারকে বোঝানোর মতো যে, “স্যার, এটা তো স্লিক ক্যারি-অন!”

এলন মাস্কের সমালোচনা

এলন মাস্ক এই বিলের সমালোচনা করে বলেছেন— এই আইনে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি (EV) এবং সৌর শক্তির জন্য দেওয়া সরকারি সহায়তা কমানো হয়েছে, অথচ তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলো এখনো আগের মতোই সুবিধা পাচ্ছে।
এটি শুধু পরিবেশ ও জলবায়ু নীতির দিক থেকে নয়, আইনি দিক থেকেও অসঙ্গতিপূর্ণ। কারণ, পরিবেশ বিষয়ক আইন অনুযায়ী সবাইকে সমানভাবে সুবিধা দেওয়া উচিত।

মাস্ক মূলত অভিযোগ তুলেছেন, "এই ধরনের বিশাল ও জটিল বিল তৈরি করে সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করাটা শেষ পর্যন্ত কাউকেই খুশি করে না। বরং এটাকে 'সুন্দর' বলে বাজারে চালিয়ে দেওয়া হয়।"

কেমন হওয়া উচিত ‘সুন্দর’ বিল?

সুশাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি ভালো বা "সুন্দর" আইন হওয়া উচিত 'স্পষ্ট উদ্দেশ্য-সহ, সুনির্দিষ্টভাবে লেখা, এবং
সবার জন্য ন্যায্য ফলাফল নিশ্চিতকারী। কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য সুবিধা লুকিয়ে রাখলে সেটাকে আর জনস্বার্থবান্ধব আইন বলা যায় না।

ট্রাম্প ও মাস্কের সম্পর্ক

ট্রাম্প যদিও মাস্কের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন না, তবু তিনি ফক্স নিউজকে বলেছেন: “মাস্ক খুবই বুদ্ধিমান। সে ভবিষ্যতে ভালো করবে।” তবে ট্রাম্প এটাও স্বীকার করেছেন যে তাদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে, যার পেছনে এই বিল নিয়ে মাস্কের বারবার সমালোচনাই অন্যতম কারণ।

সব বিতর্কের পরেও, ভাইস প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তমূলক ভোটে 'বিগ, বিউটিফুল বিল' পাস হয়েছে। কিন্তু এর ফলে লাখ লাখ আমেরিকান যদি স্বাস্থ্য বীমা হারায়—তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়: এই বিলটা আসলে কতটা ‘সুন্দর’?

মাজহারুল ইসলাম
জুলাই ২০২৫

12/06/2025

'রেজিস্ট্রি মালিকানা নয়'

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একটি রায় দিয়েছেন, যেখানে স্পষ্ট করা হয়েছে যে সম্পত্তির রেজিস্ট্রি মালিকানার সমতুল্য নয়। রায়ে জোর দেওয়া হয়েছে যে রেজিস্ট্রি একটি প্রশাসনিক কাজ, আর মালিকানা সম্পত্তি ভোগদখল, ব্যবহার এবং নিষ্পত্তির আইনি অধিকার প্রদান করে।

ভূমি কর্তৃপক্ষের কাছে কেবল একজনের নামে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করা আইনিভাবে মালিকানা প্রতিষ্ঠা করে না। এটি শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ, মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।

আইনি মালিকানা অবশ্যই বিস্তারিত নথিপত্র—যেমন বিক্রয় দলিল, শিরোনাম অনুসন্ধান, দায়বদ্ধতা শংসাপত্র, দখল সংক্রান্ত নথি, করের রসিদ—অথবা, যেখানে প্রয়োজন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে।

এই সিদ্ধান্ত উত্তরাধিকারসূত্রে বা ক্রয়ের মাধ্যমে সম্পত্তি অর্জনকারীদের প্রভাবিত করবে, এবং সম্পত্তিধারীদের জন্য এটি তাদের মালিকানার অধিকার আইনিভাবে স্বীকৃত কিনা তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে, যাতে ভবিষ্যতে বিরোধ এড়ানো যায়।

এই সিদ্ধান্ত বিদ্যমান আইনগুলির পুনঃমূল্যায়ন এবং একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির প্রয়োজন হবে, যা রেজিস্ট্রি এবং মালিকানার মধ্যে স্পষ্টভাবে পার্থক্য করবে।

20/04/2025

*High Court Issues Rule on Adoption of Paternity Leave Law in Bangladesh*

On July 9, 2024, the High Court Division of the Supreme Court of Bangladesh issued a rule asking the government to explain why a policy should not be formulated to provide paternity leave for male employees in both public and private institutions.

The bench, comprising Justice Naima Haider and Justice Kazi Zinat Hoque, passed the order following a writ petition filed by Supreme Court lawyer Ishrat Hasan on behalf of her six-month-old child, Nubaid Bin Saadi.

The petition argues that the absence of paternity leave makes it challenging for new fathers to care for their wives and newborns, especially considering the high rate of cesarean deliveries in Bangladesh.

It also notes that *over 78 countries, including neighboring India, Bhutan, Pakistan, and Sri Lanka, have provisions for paternity leave.*

20/04/2025

Lahore High Court: Women Can Claim Dower (Haq Mehr) After Khula

In a landmark ruling, the Lahore High Court has affirmed that women retain the right to claim their dower (Haq Mehr) even after obtaining Khula—a form of divorce initiated by the wife under Islamic law. This decision marks a significant shift in the interpretation of matrimonial rights, reinforcing women's financial entitlements and legal standing in marital dissolutions.

Traditionally, there has been ambiguity regarding whether a woman forfeits her right to dower if she initiates divorce through Khula. The court's decision clarifies that unless explicitly waived, the dower remains a legitimate claim—upholding both the spirit of Islamic jurisprudence and principles of justice.

This ruling not only empowers women seeking divorce but also sets a precedent for ensuring equitable treatment in family law cases across Pakistan. It is a reminder that personal rights and contractual obligations in marriage are protected by law, regardless of who initiates its termination.

13/03/2023

১৮০১ সালের মার্চ মাসের শুরুর দিকে যখন প্রেসিডেন্ট জন এডামস এর মেয়াদ শেষ হ‌চ্ছিল এবং থমাস জেফারসন আমেরিকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময়ে পৃথিবীতে এক নব-বিপ্লবের সূচনা হতে যাচ্ছিল।
মেয়াদ শেষ হ‌ওয়ার ঠিক আগে, প্রেসিডেন্ট জন এডামস প্রায় ৬০ জন ফেডারেল সমর্থককে নতুন 'সার্কিট জাজ' ও 'জাস্টিস অব পিস' হিসেবে মনোনীত করেন, যাদেরকে জেফারসনের সমর্থকগণ "গভীর রাতের বিচারক" হিসেবে অভিহিত করেছিল। সম্ভবত জন এডামস এক মুহুর্তের জন্য‌ও ভাবতে পারেন নি যে, তার এরূপ 'মনোনয়ন' ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছে।
নতুন মনোনীত জাজদের মধ্যে একজনের নাম ছিল উইলিয়াম মারবারি, যার কমিশন আমেরিকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে থমাস জেফারসনের শপথ গ্রহণের পূর্বে প্রদান করা সম্ভব হয় নি।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই জেফারসন তার নতুন সেক্রেটারি অব স্টেট জেমস ম্যাডিসনকে নির্দেশ দিলেন যে, মারবারি সহ যে সকল মনোনীত জাজদের চাকরিতে প্রবেশের কমিশন প্রদান করা হয় নি, তাদের কমিশন আটকে রাখা হোক। এটা ছিল এমন এক নির্দেশ যেটা ইতিহাস সৃষ্টির পথ সুগম করে।
কয়েকবার প্রত্যাখানের শিকার হয়ে, ১৮০১ সালের ডিসেম্বর মাসে উইলিয়াম মারবারি তার চাকরির কমিশন চেয়ে ম্যাডিসনের বিরুদ্ধে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে এবং এভাবেই বিখ্যাত Marbury Vs Madison মামলাটি শুরু হয়।

উইলিয়াম মারবারি যুক্তি দেন যে, Judiciary Act, 1789 এর সেকশন 13 সুপ্রিম কোর্টকে তার আদি এখতিয়ারাধিন (শুধুমাত্র আপিলেট জুরিসডিকশনভুক্ত নয়) মামলা শুনানির ক্ষেত্রে‌ও আদেশসূচক রিট (Writ of Mandamus) জারি করার ক্ষমতা দিয়েছে।
সেই সময়ের অবস্থা বিবেচনায় প্রধান বিচারপতি মার্শালকে উভয় পক্ষকেই সন্তুষ্ট করার প্রয়োজন ছিল। Judiciary Act, 1789 এর সেকশন 13 ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে, প্রধান বিচারপতি মার্শাল অভিমত দিলেন যে, এই সেকশনটি আমেরিকার সংবিধানের তিন নম্বর অনুচ্ছেদকে লঙ্ঘন করেছে, কারণ এই সেকশনটি সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতার চেয়ে বেশি ক্ষমতা দিয়েছে। (কারণ, আমেরিকার সংবিধানের তিন নম্বর অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের আদি এখতিয়ারের ক্ষেত্রে Writ of Mandamus জারির ক্ষমতা দেয় নি, কিন্তু Judiciary Act 1789 এর সেকশন 13 দিয়েছিল)।

সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হিসেবে উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট Judiciary Act এর সেকশন 13 বাতিল ঘোষণা করে। এইটাই ছিল আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের প্রথম বিচারিক পর্যবেক্ষণ (Judicial Review) ক্ষমতা ব্যবহারের ঘোষণা। এই মামলায় প্রধান বিচারপতি মার্শাল প্রদত্ত অভিমতটি বিচারিক পর্যবেক্ষণ মতবাদ (Doctrine of Judicial Review) এর জন্ম দেয়, যা আইন ও বিচার জগতে নব-বিপ্লবের সূচনা করে।

( ১ মার্চ, ২০২২ এ দেওয়া আমার‌ই একটি ফেসবুক পোস্টের অনুবাদ)
//Copy

A. When does Talaq get effective? A talaq, unless revoked earlier, shall be effective after the expiration of ninety day...
06/03/2023

A. When does Talaq get effective?

A talaq, unless revoked earlier, shall be effective after the expiration of ninety days from the day on which notice is delivered to the Chairman.

However, if the wife be pregnant at the time talaq is pronounced, talaq shall not be effective until the expiration of ninety days or the pregnancy, whichever be later, ends.

(S. 7 of The Muslim Family Laws Ordinance, 1961)

B. The length of the iddah: (How long is iddat period)

1. The length of the iddah under normal circumstances is equal to three menstrual cycles. (Surah al-Baqarah, Ch.2: V.229)

2. for those women who do not menstruate or have not had their monthly courses yet, the prescribed period for them is three months, (Surah al-Talaq, Ch.65: V.5)

3. for those women who are pregnant, their period shall be until they are delivered of their burden.’ (Surah al-Talaq, Ch.65: V.5)

24/12/2022

📢📢নতুন ভূমি আইনে প্রস্তাবিত অপরাধ গুলো দেখে নিন..…...…

ভূমি: জমিজমা সংক্রান্ত যে ২৪ ধরণের অপরাধ ঠেকাতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে সরকার,,
প্রকাশিতঃ- ২৪ জানু ২০২২ ইং

👉 জাল দলিল তৈরি:

যদি কোন ব্যক্তি যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাসভূমি বা কোন প্রতিষ্ঠানের জমির দলিল জাল করেন, তাহলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

👉 মালিকানার অতিরিক্ত জমির দলিল সম্পাদন:

কোন ব্যক্তি যদি যতটুকু জমির মালিকানা রয়েছে, তার চেয়ে বেশি জমির দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 একই জমি একাধিকবার বিক্রয়:

কোন ব্যক্তি যদি তার বিক্রিত জমি পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দলিল করেন, তাহলে তার দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

👉 বায়নাকৃত জমির পুনরায় চুক্তি করা:

বিক্রয় চুক্তি বা বায়না চুক্তি করার পর অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে আবার চুক্তি করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, তিন থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

👉 ভুল বুঝিয়ে দানপত্র:

ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে অথবা প্রতারণা করে যদি কোন ব্যক্তি অন্য আরেকজনের কাছ থেকে জমির দান দলিল করেন, তাহলে সেটা একটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের নামে দলিল:

উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দলিল করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 সহ-উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি:

উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, অন্যকে বঞ্চিত করে নিজের হিস্যার চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করলে সেটা অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 অবৈধ দখল

বৈধ কাগজপত্র না থাকার পরেও কেউ যদি ব্যক্তি মালিকানাধীন, সরকারি খাস ভূমি বা কোন সংস্থার জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য এক বছর থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 সহ-উত্তরাধিকারীর জমি দখল করে রাখা

কোন ব্যক্তি যদি তার শরীক বা সহ-উত্তরাধিকারীর প্রাপ্য জমি জোর করে দখল করে রাখেন, সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
👉 অবৈধভাবে মাটি কাটা, বালি উত্তোলন:

বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারির ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ ইত্যাদি থেকে মাটি বা বালু উত্তোলন করলে (কোন ক্ষতি হোক বা না হোক) অপরাধ হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করার শাস্তি:

বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি করলে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
👉 বিনা অনুমতিতে জমির উপরের স্তর কেটে নেয়া:

জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া যদি উপরের স্তর থেকে মাটি উত্তোলন করা বা করানো হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 অধিগ্রহণের পূর্বে অতিরিক্ত মূল্যে জমির দলিল:

কোন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে, এমন খবর জানতে পেরে কেউ যদি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে ভূমি নিবন্ধন করেন, তাহলে সেটি একটি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 জনসাধারণের ব্যবহার্য বা দাতব্য প্রতিষ্ঠানের জমি দখল:

খেলার মাঠ, জলাশয়, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, দরগা, শিক্ষা বা ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি দাতব্য বা জনপ্রতিষ্ঠানের জমি দখল, সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ করা বা করতে সহায়তা করলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন।

👉 বিনা অনুমতিতে পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বসতি:

অনুমতি ছাড়া কোন পাহাড় বা টিলার পাদদেশে বা পাহাড়ে বসতি স্থাপন করা হলে তাকে যেকোনো সময় উচ্ছেদ করা যাবে। অবৈধভাবে বসতি স্থাপনের জন্য তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে।

👉 রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর সংক্রান্ত অপরাধ:

একই জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল করে দেয়া, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে জমির দলিল দিতে না পারা, ফ্ল্যাট বিক্রয়ের পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারা, ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা হলেও দলিল দিতে ব্যর্থ হওয়া-ইত্যাদি কর্মকাণ্ড অপরাধ বলে গণ্য হবে। সেজন্য ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ লক্ষ থেকে লক্ষ র্টাকা পযন্ত জরিমানা হতে পারে।
👉 চুক্তির পর ভূমি মালিককে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দেয়া:
জমির মালিকের সঙ্গে রিয়েল এস্টেট কোম্পানি চুক্তি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভূমি মালিকের অংশ তাকে বুঝিয়ে না দিলে বা দখল না দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 সরকারি-বেসরকারি বা সংস্থার জমির বেআইনি দখল:
এরকম কর্মকাণ্ড করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে চার লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির ক্ষতি:
মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা, অন্য কোন পদার্থ বা উপায়ে বা অবকাঠামো নির্মাণ করে নদী, হাওর,বিল বা জলাভূমির আংশিক ক্ষতি করা হলে অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড, অনধিক এক লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

আর সম্পূর্ণ ক্ষতি করা হলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 অবৈধ দখল গ্রহণ ও বজায় রাখতে পেশিশক্তি:
অস্ত্র প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি ইত্যাদি দেয়া হলে সেটি জামিন অযোগ্য অপরাধ হবে।

সেজন্য ছয় মাস থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড, এক লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 পুনরায় অপরাধ করা:
এই আইনের অধীন কোন অপরাধে একবার সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর পুনরায় সেই অপরাধ করলে আগে যে ধারায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে, তার দ্বিগুণ শাস্তি হবে।

👉বেশি জমি লিখিয়ে নেয়া:
এক্ষেত্রে যদি জমির পরিমাণ এক একরের বেশি হয় এবং ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার জড়িত থাকে, তাহলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 প্রতিবেশী ভূমি মালিকের ক্ষতিসাধন:
কেউ যদি সহ-মালিক বা পাশাপাশি থাকা জমির ক্ষতি করেন, বা কোন পরিবর্তন আনেন, তাহলে এক বছর থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড, তিন লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

👉 অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা:
এই আইনের বর্ণনা করা যেকোনো অপরাধ সংঘটনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করলে সেই ব্যক্তিরও অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তির মতো সাজা হবে।

16/11/2022

🎤🎤🎤খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 🎤🎤🎤
জমির পরিমাপ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনা।

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

Copy: সার্ভেয়ার মোঃ জোবাইর

Address

Gulshan
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন কী বলে? posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আইন কী বলে?:

Share