Umm Sadman

Umm Sadman বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

অনেক সময় আমরা বদনজরের ভয় থেকে নিজের জীবনের ভালো জিনিসগুলো মানুষের সামনে বলতে চাই না—এটা ভালো। কিন্তু তাই বলে কি নিজের স্...
15/08/2026

অনেক সময় আমরা বদনজরের ভয় থেকে নিজের জীবনের ভালো জিনিসগুলো মানুষের সামনে বলতে চাই না—এটা ভালো। কিন্তু তাই বলে কি নিজের স্বামীর ভালোবাসা, যত্ন, পরিশ্রম কিংবা ছোট-বড় নিয়ামতগুলোর অস্বীকার করতে হবে?
“আমার স্বামী তো কিছুই করেন না…” “আমাকে কিছু কিনে দেন না…” “আমার কোনো শখই পূরণ হয় না…”
অথচ বাস্তবতা হয়তো এমন—স্বামী নিজের সামর্থ্যের মধ্যে স্ত্রীকে খুশি রাখার চেষ্টা করছেন, পরিবারের জন্য পরিশ্রম করছেন, প্রয়োজন মেটাচ্ছেন, নিজের অনেক ইচ্ছা ত্যাগ করছেন।
বদনজরের ভয় থাকলে নিয়ামতের কথা বলার সময় সতর্ক থাকুন, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন এবং হিংসুক দৃষ্টি থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান। কিন্তু বদনজরের ভয়কে অজুহাত বানিয়ে স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়ে যাবেন না।
কারণ, একজন মানুষের ভালো কাজগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করা শুধু বদনজর থেকে বাঁচার উপায় নয়—এতে বরং সম্পর্কের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা নষ্ট হতে পারে।
স্বামী আপনার জন্য যা করেন, ছোট হলেও তা মূল্য দিন।
তার সামর্থ্যের মধ্যে করা চেষ্টাগুলো দেখুন।
প্রতিটি নিয়ামতের জন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। 🤍
আর মনে রাখবেন—নিয়ামত গোপন রাখা এক বিষয়, আর নিয়ামত অস্বীকার করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
আল্লাহ আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে ভালোবাসা, রহমত, বরকত ও পারস্পরিক কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দিন।
আমীন। 🤲🏻
#স্বামী_স্ত্রী #দাম্পত্যজীবন #শুকরিয়া #বদনজর #ইসলামিক_পোস্ট #উম্মাহ

29/07/2026
স্বামীকে উদ্দেশ্য করে লেখা কিছু কথা,,,আমার  মনে হয় বেশিরভাগ বোনেরাই নিজের সাথে রিলেট করতে পারবে
26/07/2026

স্বামীকে উদ্দেশ্য করে লেখা কিছু কথা,,,আমার মনে হয় বেশিরভাগ বোনেরাই নিজের সাথে রিলেট করতে পারবে

25/07/2026

বিশ্বস্ত বন্ধু থাকলে অসময়ে একাকিত্ব অনুভব হয় না!

23/07/2026

স্ত্রীর মোহর আদায় করা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ,,,,

ইসলামে মোহর (মাহর) স্ত্রীর হক। এটি স্বামীর ওপর ফরজ দায়িত্ব।
যদি স্বামী সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মোহর পরিশোধ না করেন, তাহলে তিনি স্ত্রীর হক নষ্ট করেন এবং গুনাহগার হন। কিয়ামতের দিন এই হকের ব্যাপারে তাকে জবাবদিহি করতে হবে। আর যদি মোহর পরিশোধ করার আন্তরিক ইচ্ছা থাকে কিন্তু সাময়িকভাবে অক্ষম হন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব তা আদায় করার চেষ্টা করা উচিত।

আল্লাহ তাআলা বলেন:
"তোমরা নারীদের তাদের মোহর স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রদান কর।"
— সূরা আন-নিসা, ৪:৪

তবে যদি স্ত্রী স্বেচ্ছায় নিজের ইচ্ছায় মোহরের পুরোটা বা কিছু অংশ মাফ করে দেন, তাহলে স্বামীর ওপর সেই অংশ আদায় করা বাধ্যতামূলক থাকে না।

বিয়ে পরবর্তী সময়ে স্ত্রীদের উচিত তাদের চাহিদা ও স্বার্থ বুঝে নেওয়া। চলার জন্য যা যা দরকার, তা চাইবে। যা দরকার তা পাওয...
21/07/2026

বিয়ে পরবর্তী সময়ে স্ত্রীদের উচিত তাদের চাহিদা ও স্বার্থ বুঝে নেওয়া। চলার জন্য যা যা দরকার, তা চাইবে। যা দরকার তা পাওয়ার দাবি করবে। তবে অবশ্যই সেটা বিনয় ও সামর্থ্যের ভিতরে থেকে।

কিন্তু অনেক মেয়েরা এই জায়গায় এসে ভুল করে। তারা ভাবে, বিয়ের পর মেয়েদে চাওয়ার কিছু নাই। ভাবে, সবকিছু এখন স্বামী ও স্বামীর পরিবারের মর্জি মত চলবে। তারা যা দিবে, তা গ্রহণ করব। যদি কোন কিছু না-ও দেয়, চাওয়া যাবে না।

এটা একটা মারাত্মক ভুল। বিয়ে হওয়া মানে আপনার স্বাধীনতা হারিয়ে যাওয়া না। বিয়ে হওয়া মানে আপনার প্রয়োজন ও চাহিদা অন্যের হাতে তুলে দেওয়া না। মানুষের অনেক চাহিদা থাকে, অনেক প্রয়োজন থাকে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো দরকারি এবং উপকারী।

এ দরকারি জিনিসগুলো প্রয়োজনের সময় চেয়ে নেওয়া উচিত। চাহিদার কথা স্বামীকে বলা উচিত। বলা উচিত, আমার দুইটা জামা লাগবে। বলা উচিত, আমার এই কসমেটিকস লাগবে। বলা উচিত, একটু বিশ্রামের জন্য আমি আমার বাবার বাড়ি যেতে চাই। এই চাহিদার কথা তাকে বলার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করবেন। এমনভাবে বলবেন, যেন এটা বেয়াদবি না হয়ে যায়। আবার চাওয়ার ক্ষেত্রেও সীমালঙ্ঘন করা যাবে না। স্বামীর যতটুকু সামর্থ্য আছে, এর ভিতরেই চাইতে হবে।

কিন্তু আপনি যদি আপনার প্রয়োজনগুলো আপনার স্বামীর কাছে না বলেন। যদি আপনার মত প্রকাশ করতে না পারেন। যদি আপনার চাহিদাগুলো অপূর্ণ থেকে যায়। তাহলে এক সময়ে এসে আপনাকে ভুগতে হবে। এই ভোগান্তিটা হবে আভ্যন্তরীণ। মানে, আপনি নিজেই নিজেকে হারিয়ে বসবেন।

একজন বুদ্ধিমতী ও আদর্শ স্ত্রী জানে—নিজের ব্যক্তিগত চাহিদা থাকা মানে স্বার্থপর হওয়া নয়। নিজের মত প্রকাশ মানেই বিয়াদবি নয়। একটু সময় চাওয়া, মানসিক বিশ্রাম চাওয়া, নিজের পছন্দের কাজ করা, নিজের পছন্দের কথা জানানো—এগুলো খারাপ না, বরং স্বাভাবিক।

অনেক সময় দেখা যায়, স্ত্রী সারাদিন সবার প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে নিজের প্রয়োজনের কথায় ভুলে যায়। সে যে একটা মানুষ, তার যে বিশ্রাম দরকার, তার যে শখ আহ্লাদ আছে—এগুলো সে এক প্রকার ভুলেই যায়। এক পর্যায়ে এসে গভীর এক শূন্যতা অনুভব করে। নিজের উপর নিজেই অভিমানী হয়ে ওঠে। নিজেই নিজেকে ভর্ৎসনা করতে শুরু করে।

নিজের স্বার্থ বোঝা, চাহিদা ও প্রয়োজনের কথা জানানো খারাপ না‌‌। এগুলো মানুষের বেসিক নিড। এর মাধ্যমে নিজের পছন্দগুলোকে সম্মান জানানো হয়। নিজের চাওয়া ও চাহিদাকে মূল্যায়ন করা হয়।

আপনার লিখতে ভালো লাগে। সময় করে লিখতে চান। তাহলে সবকিছুর পাশাপাশি সময় বের করে লিখে যান। এটা ভেবে লেখা থেকে বিরত থাকবেন না—আমার এই লেখা অন্য কেউ অপছন্দ করে কি না।

আপনি পড়তে ভালোবাসেন, সময় করে অতিরিক্ত সময়টা পড়ার পেছনে ব্যয় করুন। জানুন ও সমৃদ্ধ হন। এটা ভেবে জানা ও পড়া থেকে বিরত থাকবেন না—এই বয়সে আমার পড়া ও জানাটা কারো জন্য অসুবিধার কি না।

মনে রাখবেন, এগুলো খারাপ গুণ নয়। এগুলো বিলাসিতাও নয়। এর মাধ্যমে আপনাকে সমাজে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা দেয়া হবে এমনটাও নয়। এগুলো আপনার মানসিক সুস্থতার অংশ। এর মাধ্যমে আপনি আপনাকে সুন্দর মুহূর্ত উপহার দিতে পারবেন। নিজের ক্লান্ত মনটাকে প্রশান্তি দিতে পারবেন।

স্বামী যদি আপনার এই অবস্থা বুঝে, তাহলে ভালো। সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হবে। আর যদি না বোঝে, বিনয়ের সাথে তাকে বোঝান। মনের কথা ব্যক্ত করেন। মন দিয়ে তাকে উপলব্ধি করতে বলেন।

যে নারী নিজের চাহিদা ও স্বার্থ বোঝে, সে কারও ওপর বোঝা হয়ে যায় না। বরং সে সম্পর্কের ভেতরে আরও প্রাণবন্ত হয়, আরও শান্ত হয়। তার কথায় ভারসাম্য থাকে, আচরণে থাকে ওয়াক়ার। আর এই ভারসাম্যই তার মূল্য বাড়িয়ে দেয়—নিজের চোখে, আর অন্যের চোখেও।

নিজেকে জানো। নিজের চাহিদাকে ছোট করে দেখো না। কারণ যে নারী নিজের প্রয়োজনকে সম্মান করতে শেখে, সে অন্যের প্রয়োজনকেও সুন্দরভাবে সম্মান করতে পারে।

এজন্য, স্ত্রীদেরকে অবশ্যই কমিউনিকেশনের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এ ব্যাপারে তাদেরকে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। যেকোনো বিষয়ে, যেকোনো মুহূর্তে, স্বামীর সাথে কমিউনিকেশন টা স্বাভাবিক রাখতে হবে। যা বলার, তা পরিষ্কারভাবে খোলাখুলি বলবে। নিজের অনুভূতি, চাহিদা, সমস্যা—সব পরিষ্কারভাবে স্বামীকে বুঝিয়ে বলবে।

—আমিও হব আদর্শ স্ত্রী, পর্ব: ৮
লেখক: মাহমুদ বিন নূর

স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন না। তাকে অতিরিক্ত ব্যস্ততা দেখাবেন না। স্বামী য...
20/07/2026

স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন না। তাকে অতিরিক্ত ব্যস্ততা দেখাবেন না। স্বামী যখন আপনাকে ডাকবে, অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেবেন। সে যদি সামান্য কিছুর জন্যও ডাক দেয়, অবশ্যই তার ডাকে সাড়া দেওয়া উচিত। যদি একটা কাপড় এগিয়ে দিতেও বলে, এক গ্লাস পানি দিতেও বলে, সেটা করাও আপনার দায়িত্ব।

এমন ব্যস্ত হবেন না, বা এমন ব্যস্ততা দেখাবেন না, যেন স্বামী তার প্রয়োজনে আপনাকে পাশে না পায়। স্বামীরা যখন বাড়ি ফিরে, তখন সে চায়—তার স্ত্রী সব সময় তার পাশে থাকুক। তার সাথে কথা বলুক। তার সাথে খাওয়া-দাওয়া করুক। তার ছোটখাটো প্রয়োজন পুরা করুক।

তাই, সবসময় এমন কাছাকাছি থাকুন, যেন এক মুহূর্তের জন্য তার কাছে মনে না হয়—আপনি তার থেকে দূরে আছেন। শারীরিক মানসিক এবং অনুভূতি দিয়ে তার পাশে থাকুন। তার সাথে এমন অনুভূতি নিবেদন করুন, যেন অনুভূতিটিই আপনার মধ্যে ভালোবাসা খুঁজে পায়।

একবার এক মহিলা একজন আলিমের এর কাছে একটা চিঠি দিয়ে তার দাম্পত্য জীবনের সমাধান চাইল। সে চিঠিতে লিখল—"হুজুর, আমি স্বামীর জন্য এত কিছু করি, স্বামীর সংসারের জন্য এত কিছু করি, এরপরও তার মন জয় করতে পারি না। এরপরও তার ভালোবাসা পাই না। সারাদিন গাধার মত মেহনত করি। বিছানাতে শরীরটা লাগানোর সময়টুকুও পাই না। নিজেকে একটুখানি আরাম পর্যন্ত দিই না, এরপরও আমি আমার স্বামীর কাছে অবহেলিত।

কী করি না! কাপড় ধোয়া, রান্নাবান্না করা, ঘর মোছা, ঘর পরিপাটি রাখা, কতকিছু। এতকিছুর পর এই অবহেলা কীভাবে সহ্য করা যায়?"

চিরকুটটি খুলেই ঐ আলিম বুঝে যান—সমস্যা আসলে এই জায়গায়। তিনি চিঠির অপর পাশের সুন্দর করে লিখে দেন—"ঘরের কাজ কমাও, স্বামীর শারীরিক ও মানসিক শান্তির দিকে খেয়াল করো। তার সাথে সময় কাটাও। তার সাথে কথা বল। তাকে ঘিরেই সবকিছু করো। কাজকামের ব্যস্ততা কমিয়ে ফেলো।"

বাস্তবতা এটাই, আজকালকার স্ত্রীরা ঘরের কাজ কাম করতে করতে ভুলে যায়—ঘরের মালিকের প্রয়োজনেই আমার এই ঘরে আসা। ঘরের কাজ করতে গিয়ে যদি মালিকের প্রয়োজনে পুরা করতে না পারি, তবে এত কাজ করে কী-ই‌বা ফায়দা?

এজন্যে শরিয়ত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে এভাবে অভিহিত করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

هُنَّ لِبَاسٌ لَكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَّهُنَّ

অর্থ, তারা তোমাদের পোশাক আর তোমরা তাদের পোশাক।

এর অর্থ কী? যেমনিভাবে মানুষের পোশাক তাকে ঠাণ্ডা-গরম থেকে রক্ষা করে, তেমনি স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে বিপদ-আপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখে। মানুষের শরীরের সবচেয়ে কাছের বস্তু তার পোশাক। পোশাকের চেয়ে কাছের কোনো বস্তু নেই। শরিয়ত বলে দিয়েছে, হে স্বামী, এখন তোমার ব্যক্তিসত্তার সবচেয়ে কাছের হল তোমার স্ত্রী। আর স্ত্রীকে বলে দিয়েছে, তোমার ব্যক্তিসত্তার সবচেয়ে কাছের হল তোমার স্বামী। এজন্যে যে স্ত্রী তার স্বামীর জন্যে বাদী হবে, সেবার কারণে তার স্বামী তার গোলামে পরিণত হবে।

—আমিও হব আদর্শ স্ত্রী: ০২
©মাহমুদ বিন নুর

দুআ হলো মুমিনের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র এবং আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্কের মাধ্যম। মানুষ যখন সব দিক থেক...
20/07/2026

দুআ হলো মুমিনের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র এবং আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্কের মাধ্যম। মানুষ যখন সব দিক থেকে নিরাশ হয়ে যায়, তখনও দুআর দরজা সবসময় খোলা থাকে। আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।" (সূরা গাফির: ৬০)

তবে দুআ কবুলের জন্য আন্তরিকতা, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা, হালাল উপার্জন এবং ধৈর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাড়াহুড়ো করে নিরাশ হওয়া উচিত নয়। মনে রাখবেন, আল্লাহ কোনো দুআই বৃথা যেতে দেন না—তিনি হয় তা সঙ্গে সঙ্গে কবুল করেন, নয়তো উত্তম কিছু দান করেন, অথবা কোনো বিপদকে দূরে সরিয়ে দেন। তাই সুখে-দুঃখে, প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর কাছেই দুআ করুন।

19/07/2026

ফেতনা থেকে কীভাবে বাঁচবো?

Address

Savar, Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umm Sadman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category