The Lex House - Law Firm

The Lex House - Law Firm It is a reliable Law Firm, with a group of talented, dynamic and experienced Barristers and Advocates.

It deals with Civil & Criminal Litigations, Company Law, Income Tax & Vat, Vetting Documentations, Artha Rin, NI Act & Family matters,

Urgent notice. Bar council is office is fully shut down due to pandemic. Dateline for online form fill up has been exten...
11/07/2021

Urgent notice.
Bar council is office is fully shut down due to pandemic.
Dateline for online form fill up has been extended till 31st August 2021.

To whom it may concern.
06/07/2021

To whom it may concern.

“আগামীকাল ২০ জুন হতে সারা দেশে অধস্তন আদালত সমূহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরীক উপস্হিতিতে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম চলবে” ...
19/06/2021

“আগামীকাল ২০ জুন হতে সারা দেশে অধস্তন আদালত সমূহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরীক উপস্হিতিতে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম চলবে” - এই মর্মে মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট বিজ্ঞপ্তি জারী করেছেন।

10/06/2020

স্ত্রী তালাক দিলেও কি দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে?

তালাক সম্পর্কিত বিষয়ে যারা পরামর্শ চেয়ে থাকেন তাদের অনেকের মাঝেই একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। আর তা হল- স্ত্রী তালাক দিলেও কি দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে?

এক কথায় যদি এর উত্তর দিতে চাই তাহলে বলব- হ্যা, স্ত্রী যদি নিজে থেকেও তালাক দেন (কাবিন নামার ১৮ নং কলামের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে যেটাকে শরীয়তের পরিভাষায় তালাক-ই-তাফইজ বলা হয় কিংবা মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯ এর ২ ধারায় উল্লেখিত কারন সমূহের কোন একটি কারনে আদালতের মাধ্যমে), তাহলেও দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে। শুধু দেনমোহরই না, সাথে সাথে ইদ্দতকালীন সময়ের ভরনপোষন (সাধারনতঃ ৩ মাসের), ও পূর্বের কোন বকেয়া ভরনপোষন থেকে থাকলে তাও পরিশোধ করতে হবে।

তবে হ্যা, স্ত্রী যদি ‘খুলা’ বা ‘মুবারাত’ পদ্ধতি অনুসরন করে তালাক দেন তাহলে দেনমোহর পরিশোধের ব্যাপারে ভিন্ন নিয়ম। যদি কাবিন নামার ১৮ নং কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা না দেয়া থাকে এবং স্ত্রী আদালতের মাধ্যমেও তালাক দিতে না চান, তাহলে ‘খুলা’ বা ‘মুবারাত’ পদ্ধতি অনুসরন করে স্ত্রী তালাক দিতে পারেন।

খুলা তালাক হল পারস্পারিক সম্মত্তির ভিত্তিতে তালাক যেখানে স্বমী এবং স্ত্রী উভয়ই তালাকের ব্যাপারে একমত। এক্ষেত্রে স্ত্রী যেহেতু তালাকের প্রস্তাব দেন এবং স্বামী সেই প্রস্তাব গ্রহন করে স্ত্রী কে বিবাহ বন্ধন থেকে মুক্ত করেন, সুতরাং এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীকে বিনিময় দিতে হয়। সাধারনতঃ বিনিময় হিসেবে স্ত্রী তার দেনমোহর এর দাবী পরিত্যাগ করেন। অন্যদিকে মুবারাত হল- স্বমী চাচ্ছে না কিন্ত স্ত্রী তালাক দিতে চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে যেহেতু স্বামী তালাক দিতে চাচ্ছেন না, তাকে রাজি করানোর জন্য স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীকে বিনিময় দিতে হয়। মুবারাত তালাকেও বিনিময় হিসেবে স্ত্রী সাধারনত তার দেনমোহর এর দাবী পরিত্যাগ করে স্বামীকে রাজি করান। তবে, মুবারাত তালাকের ক্ষেত্রে স্বামী ইচ্ছা করলে দেনমোহর মওকুফ এর বাইরেও আরো বিনিময় দাবী করতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, আমাদের দেশে সাধারনতঃ কাবিন নামার ১৮ নং কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়ে থাকে। সুতরাং কোন ঝামেল ছাড়াই স্ত্রী দেনমোহরের দাবী পরিত্যাগ না করে তালাকের নোটিস প্রেরণ করে তালাক দিতে পারেন।

বিঃ দ্রঃ- যে কোন আইনী পরামর্শ বা সহয়তার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

Courtesy- Barrister Mohi Uddin

Md. Muzammel Hossen RiazLL.B. (Hon’s), LL.M.University of DhakaAdvocateTax, VAT & Customs ConsultantMember, The Lex Hous...
15/05/2020

Md. Muzammel Hossen Riaz
LL.B. (Hon’s), LL.M.
University of Dhaka
Advocate
Tax, VAT & Customs Consultant
Member, The Lex House.

ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে বিচারকাজ করা যাবেকরোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্র...
07/05/2020

ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে বিচারকাজ করা যাবে

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1655130/ভিডিও-কনফারেন্সিংয়ে-বিচারকাজ-করা-যাবে

05/05/2020
বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ...বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন–১৯৯১ এর প্রয়োজনীয় অংশঅগ্রিম ভাড়াঃবাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১-এর ১০...
05/05/2020

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ...
বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন–১৯৯১ এর প্রয়োজনীয় অংশঅগ্রিম ভাড়াঃ
বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১-এর ১০ ও ২৩ ধারা মোতাবেক বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রকের লিখিত আদেশ ছাড়া অন্য কোনোভাবেই বাড়ি মালিক তার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ এক মাসের বাড়ি ভাড়ার অধিক কোনো প্রকার ভাড়া, জামানত, প্রিমিয়াম বা সেলামি গ্রহণ করতে পারবেন না। তা হলে দণ্ডবিধি ২৩ ধারা মোতাবেক তিনি দণ্ডিত হবেন।

ভাড়া বাড়ানোঃ
বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৬ ধারায় স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকরী হবার তারিখ হতে দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়ার পরিবর্তন করা যাবে। এই আইনের ৮ ধারা এবং ৯ ধারায় বর্ণিত রয়েছে যে, মানসম্মত ভাড়া অপেক্ষা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অধিক বাড়ি ভাড়া আদায় করলে সে ক্ষেত্রে প্রথমবারের অপরাধের জন্য মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত যে অর্থ আদায় করা হয়েছে তার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে বাড়ি মালিক দণ্ডিত হবেন এবং পরবর্তী প্রত্যেক অপরাধের জন্য এক মাসের অতিরিক্ত যে ভাড়া গ্রহণ করা হয়েছে তার তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে বাড়ি মালিক দণ্ডিত হবেন।

মানসম্মত ভাড়া নির্ধারণঃ
মানসম্মত ভাড়া সম্পর্কে আইনের ১৫ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়ির বাজার মূল্যের শতকরা ১৫ ভাগের বেশি হবে না। বাড়ির বাজার মূল্য নির্ধারণ করার পদ্ধতিও বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ১৯৬৪ তে স্পষ্ট করা আছে।

বাস উপযোগী বাসস্থানঃ
বাড়ি মালিক তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখতে আইনত বাধ্য। বাড়ির মালিক ইচ্ছা করলেই ভাড়াটিয়াকে বসবাসের অনুপযোগী বা অযোগ্য অবস্থায় রাখতে পারেন না। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বসবাসের উপযোগী করে বাড়িটি প্রস্তুত রাখতে বাড়ির মালিকের উপর এই বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ২১নং ধারায় বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। অর্থাৎ ভাড়াটিয়াকে পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালী নিষ্কাশন ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনবোধে লিফটের সুবিধাও দিতে হবে। কিন্তু উক্তরূপ সুবিধা প্রদানে বাড়ি মালিক অনীহা প্রকাশ করলে কিংবা বাড়িটি মেরামতের প্রয়োজন হলেও ভাড়াটিয়া নিয়ন্ত্রকের কাছে দরখাস্ত করতে পারবেন।

ভাড়া বাসা থেকে উচ্ছেদঃ
বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৮নং ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বা ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের বিধানে যাই থাকুক না কেন, ভাড়াটিয়া যদি নিয়মিতভাবে ভাড়া পরিশোধ করতে থাকেন এবং বাড়ি ভাড়ার শর্তসমূহ মেনে চলেন তাহলে যতদিন ভাড়াটিয়া এভাবে করতে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। এমনকি ১৮(২) ধারা মতে বাড়ির মালিক পরিবর্তিত হলেও ভাড়াটিয়া যদি আইনসম্মত ভাড়া প্রদানে রাজি থাকেন তবে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। চুক্তিপত্র না থাকলে যদি কোনো ভাড়াটে প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করেন, তাহলেও ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করা যাবে না। যুক্তিসংগত কারণে ভাড়াটেকে উচ্ছেদ করতে চাইলে যদি মাসিক ভাড়ায় কেউ থাকে, সে ক্ষেত্রে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে। চুক্তি যদি বার্ষিক ইজারা হয় বা শিল্পকারখানা হয়, তবে ছয় মাস আগে নোটিশ দিতে হবে।

বেআইনি ভাবে বাড়ি ভাড়া বাড়ালে আইনি পদক্ষেপ কি?

বাড়িওয়ালা যদি ভাড়া বাড়ানোর অজুহাতে আপনাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে তাহলে আপনি বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে অভিযোগ বা আরজি দায়ের করতে পারেন। বর্তমানে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ভাড়া নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এ নিয়ন্ত্রক কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে আপনার দরখাস্তের বা আরজির শুনানি গ্রহন করতে পারবেন।
বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন-১৯৯১ অনুযায়ী, প্রতি দুই বছর পর বাড়িওয়ালা বাড়ি ভাড়া বাড়াতে পারবেন। তবে তা-ও হতে হবে যুক্তিসঙ্গত।

এছাড়া বাড়িওয়ালা কোনো কারণে ভাড়া গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে ভাড়াটিয়াকে চুক্তি অনুযায়ী সময়ের মধ্যে অথবা চুক্তি না থাকলে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে মানি অর্ডারযোগে বাড়িওয়ালার ঠিকানায় ভাড়া প্রেরণ করতে হবে।

মানি অর্ডারযোগে প্রেরিত ভাড়ার টাকাও যদি বাড়িওয়ালা গ্রহণ না করেন, তাহলে ওই টাকা ফেরত আসার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ভাড়াটিয়াকে ভাড়া নিয়ন্ত্রক, অর্থাৎ সিনিয়র সহকারী জজের বরাবর দরখাস্ত এবং একই সঙ্গে ভাড়ার টাকাও জমা দিতে হবে।

এ জন্য একজন আইনজীবীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে হবে। ভাড়া নিয়ন্ত্রক প্রাথমিকভাবে শুনানির পর যদি সন্তুষ্ট হন যে ভাড়া প্রদানের জন্য অনুমতি দেওয়া যাবে, সে ক্ষেত্রে ভাড়ার টাকা আদালতে জমা দেওয়া যাবে এবং তা প্রতি মাসেই আদালতে জমা দেওয়া যাবে।

আদালতে ভাড়ার টাকা জমা দিলে আইনতভাবে ভাড়াটিয়াকে ভাড়াখেলাপি হিসেবে বলার সুযোগ থাকবে না।

বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় বাড়িওয়ালার সঙ্গে লিখিত চুক্তি করে নিন। সেই চুক্তিতে কী কী শর্তে ভাড়া দেওয়া হলো এবং করণীয় কী, সেসব নির্দিষ্ট করে দিতে হবে।
চুক্তিপত্রে ভাড়া কখন বাড়ানো যাবে এবং তা কোন হারে বাড়বে, অগ্রিম কত জমা দিতে হবে, কখন বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়াকে বাড়ি ছাড়তে বলতে পারেন, ভাড়াটিয়া কখন বাড়ি ছাড়বেন, তা অবশ্যই চুক্তিপত্রে উল্লেখ করতে হবে।

আর প্রতি মাসে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ভাড়ার লিখিত রসিদ সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

শেয়ার করে সকলের কাছে পৌঁছে দিন

Barrister Azizul Haque MirBar-at-law, Lincoln’s Inn, UKBPTC, University of Northumbria, UKLL.B (Hons), University of Sou...
03/05/2020

Barrister Azizul Haque Mir
Bar-at-law, Lincoln’s Inn, UK
BPTC, University of Northumbria, UK
LL.B (Hons), University of South Wales, UK
Managing Partner

Barrister Mohiuddin Advocate Barrister at Lincoln’s Inn, London BPTC, University of Northumbria, UKLL.B (Hons), Universi...
03/05/2020

Barrister Mohiuddin
Advocate
Barrister at Lincoln’s Inn, London
BPTC, University of Northumbria, UK
LL.B (Hons), University of South Wales, UK
LL.B (Hons), University of Dhaka.
LL.M, University of Dhaka.
Managing Partner

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801784086431

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Lex House - Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share