Sohel Law & Jurists

Sohel Law & Jurists Discuss with us about your legal problems �

তালাক হয়ে যাওয়ার পর স্বামী কোর্ট থেকে বেরিয়ে অটোতে বসলো, আর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী সেই একই অটোতে এসে বসে পড়ল।উদাস স্বাম...
12/12/2025

তালাক হয়ে যাওয়ার পর স্বামী কোর্ট থেকে বেরিয়ে অটোতে বসলো,
আর তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী সেই একই অটোতে এসে বসে পড়ল।
উদাস স্বামী দশ বছর একসঙ্গে থাকা স্ত্রী রৌনকের দিকে এক কাতর দৃষ্টিতে তাকাল।
রৌনক নিভে আসা হাসি দিয়ে বলল —
"বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত শেষ পথটা তোমার সাথেই যেতে চাই।"
স্বামী বলল — "ঠিক আছে!"

রাস্তায় যেতে যেতে স্বামী বলল —
"অ্যালিমনি (ভরণপোষণ) এর টাকা দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে দিয়ে দেবো।
বাড়িটাও বেচে দেবো।
তোমার জন্যই তো বানিয়েছিলাম।
তুমি যদি জীবনেই না থাকো,
তবে সেই বাড়ি দিয়ে কি করব আমি?"

রৌনক তাড়াহুড়ো করে বলল —
"বাড়ি কখনোই বেচো না।
আমাকে টাকা দেয়া লাগবে না।
প্রাইভেট চাকরি করছি, আমার আর মুন্নের খরচ হয়ে যায়।"

হঠাৎ অটোওয়ালা ব্রেক কষলো,
রৌনকের মুখ সামনে থাকা রেলিংয়ে ধা/ক্কা লাগার উপক্রম,
তখনই স্বামী হঠাৎ তার হাত ধরে তাকে বাঁচিয়ে দিল।

স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে রৌনক অশ্রুভরা কণ্ঠে বলল —
"আমরা আলাদা হয়ে গেছি,
তবে তোমার যত্ন নেওয়ার অভ্যাসটা তো যায়নি!"

সে কিছু বলল না।
কিন্তু রৌনক কেঁদে ফেলল।
কাঁদতে কাঁদতে বলল —
"একটা কথা জিজ্ঞেস করি?"

স্বামী চোখ তুলে বলল —
"কি?"

রৌনক ধীরে ধীরে বলল —
"দুই বছর হয়ে গেল আমরা আলাদা থাকছি...
আমার কথা তোমার কখনো মনে পড়ত?"

স্বামী বলল —
"এখন বলেই বা কি লাভ?
এখন তো সব শেষ হয়ে গেছে না?
তালাক হয়ে গেছে।"

রৌনক বলল —
"এই দুই বছরে একবারও সেই ঘুমটা আর পাইনি...
যে ঘুম তোমার হাতকে বালিশ বানিয়ে হতো..."
কথা শেষ করে সে ফুপিয়ে কেঁদে উঠল।

এসময় বাসস্ট্যান্ড চলে এসেছে।
দু’জন অটো থেকে নেমে দাঁড়াতেই স্বামী তার হাত ধরে ফেলল।
অনেকদিন পর স্বামীর স্প/র্শ কব্জিতে অনুভব করে রৌনক আবেগে ভেসে গেল।

স্বামী বলল —
"চলো, নিজের বাড়িতে চলে যাই।"

এটা শুনেই রৌনক বলল —
"তালাকের কাগজগুলো তাহলে?"

স্বামী শান্ত গলায় বলল —
"ছিঁড়ে ফেলব।"

এটা শুনেই রৌনক হাউমাউ করে কেঁদে স্বামীর গলায় মাথা রাখল...

পেছনে আরেকটা অটোতে আসা স্বামী-স্ত্রীর আত্মীয়রা সবকিছু দেখে চুপচাপ কোনো কথা না বলে বাসে উঠে চলে গেল...

~নিজের সম্পর্ককে কখনোই আত্নীয়দেয় হাতে ছেড়ে দিও না,
নিজে সিদ্ধান্ত নিজেই নাও, নিজেদের মধ্যে কথা বলো,
ভুল হলে তা স্বীকার করো।
তাহলে সম্পর্ক গুলো আজীবন বেচে থাকবে?

( সংগৃহীত )

08/11/2025

একদিন তুমি ফিরে তাকিয়ে দেখবে — আমি কতবার চেষ্টা করেছি তোমার হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছাতে।
আমি তর্ক করতে চাইনি, শুধু চাইতাম তুমি আমাকে বোঝো। কিন্তু তুমি শুনতে চাওনি।

তুমি মনে করবে, কতবার আমি বলেছিলাম, “এটা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে,” — অথচ তুমি তা গুরুত্ব দাওনি।
তুমি ভাববে সেই মুহূর্তগুলোর কথা, যখন আমি বলেছিলাম, “আমি ধীরে ধীরে দূরে চলে যাচ্ছি,” কিন্তু তুমি বিশ্বাস করোনি, কারণ তুমি ভেবেছিলে আমি সবসময়ই থেকে যাব।

তুমি মনে করবে, আমি কত ছোট ছোট উপায়ে তোমাকে ভালোবেসেছি —
তোমাকে পাঠানো বার্তা, যত্ন, ধৈর্য, নিজের অহংকার গিলে নেওয়া — শুধু সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার জন্য, এমনকি তখনও যখন তুমি ভুল ছিলে।

তুমি মনে করবে আমার চুমু, আমার হাসি, আমার মজার কথা, আর আমি যেভাবে তোমার দিকে তাকাতাম যেন তুমি আমার পুরো দুনিয়া।
তুমি মনে করবে আমি যখন “আমি তোমাকে ভালোবাসি” বলতাম, তখন প্রতিটা শব্দ সত্যি বলতাম — যদিও তুমি এমন আচরণ করেছিলে যাতে আমার পক্ষে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

আর হয়তো তখন তুমি বুঝবে —
যেটাকে তুমি “toxic” বা “বিষাক্ত আচরণ” বলেছিলে, সেটি আসলে আমার গভীর ভালোবাসা ছিল।
আমি তোমার ভুলগুলোকে উপেক্ষা করতে পারিনি, কারণ আমি সত্যিই যত্ন নিতাম।

আমি তোমাকে আমার জীবনের অগ্রাধিকার বানিয়েছিলাম,
আর তুমি আমাকে কেবল একটার বিকল্প হিসেবে দেখেছিলে।

এখন যা বাকি আছে তা হলো নীরবতা —
রাগ থেকে নয়, বরং আমি চেষ্টা করা বন্ধ করে দিয়েছি বলে।

কারণ যখন কেউ শোনা চাওয়া বন্ধ করে দেয়, সেটা অহংকার নয়,
সেটা শান্তি।

আর এই শান্তি আসে তখনই,
যখন কেউ নিজের সমস্ত ভালোবাসা, সময়, আর অনুভূতি দিয়ে ফেলে —
তবু যার কাছে তা কখনো মূল্য পায়নি।

যে ভালোবেসে, বোঝাতে, আর সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে শেষ পর্যন্ত নিজের সবকিছু দিয়ে ফেলেছে। কিন্তু যার জন্য করেছিল, সে কখনো বোঝেনি, গুরুত্ব দেয়নি। শেষে মানুষটা রাগ করে নয়, বরং শান্তির জন্য চুপ করে গেছে।

05/11/2025

নিজের মতো করে বাঁচো !!
কারো কাছে তুমি নগণ্য, কারো কাছে জঘন্য, কারো কাছে তার সবটুকুই তুমি! একটা কথা মনে রেখো, গাঁধার নাম ঘোড়া রাখলেও সেটা গাঁধা থেকে যায়। কারো জাজমেন্টে তোমার মূল্য একটুও কমে যাবে না।

কারণ আলুর ব্যাপারী তো আর সোনা চিনবে না! তুমি নেকা তুমি বোকা, তুমি রাগী, তুমি অহংকারী। আসলে এর কোনটাই তুমি নও। তুমি তাদের কাছে সেরকমই যেরকমটা তারা ডিজার্ভ করে____🦋

দিন শেষে তুমি তুমিই! একটু একটু ভালো একটু একটু মন্দ! সবটুকু ভালো হতে গেলে দেখবে সবাই ভালোই আছে, শুধু তুমি ছাড়া!

28/10/2025

কাউকে তোমার পৃথিবী বানানোর আগে একশ বার ভাবো। একটা মানুষ কখনোই কারো পৃথিবী হতে পারে না, হওয়া সম্ভব না!

কখনো কি ভেবে দেখেছ, এই পৃথিবীর পুরোটাই জল হলে তুমি ভেসে যেতে, পুরোটাই স্থল হলে তুমি তৃষ্ণায় মরে যেতে, সব কিছুতে ব্যালেন্স লাগে।

শুধু চা পাতা দিয়ে চা হয় না, শুধু চিনি দিয়েও চা হয় না, দুটোই লাগে পরিমিত পরিমাণে। তোমাকে পরিমাণটা বুঝতে হবে, কতটুকু তুমি দিচ্ছ একটা মানুষকে? কতটুকু দেয়া দরকার?

সময় থাকতেই প্রশ্ন করো নিজেকে! ভালো লাগা থাকবেই, প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভালো লাগা মানুষকে অন্ধ করে দেয়, অন্ধ মানুষ একটা হাত পেলেই তাকে ভরসা করতে শুরু করে। সে জানে না, ওই হাতটা তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দেবে নাকি মাঝপথে ছেড়ে চলে যাবে!

অন্ধ মানুষগুলো বেশিরভাগ সময় হেরে যায়। ভুল কাউকে বিশ্বাস করে, তার ওপর ভরসা করে নিঃশেষ হয়ে যায়! তাই চোখ থাকার পরেও অন্ধ হয়ে যেও না। এই পৃথিবী হেরে যাওয়া মানুষদের মনে রাখে না!

কাউকে পুরো পৃথিবী বানিয়ে ফেলো না, কাউকে পুরো পৃথিবী দিয়েও ফেলো না। কাউকে এক আকাশ সমান ভালোবাসা দেবার আগে ভেবে নিও, এক আকাশের নিচে তারা গোনার স্বপ্ন দেখেছিলে যে মানুষটার সাথে, সেই মানুষটা থাকবে তো? হয়ত একদিন মানুষটা তোমার ওই আকাশটাও চুরি করে নিয়ে চলে যাবে, তোমার বুকের ভেতর জমে থাকা মেঘগুলো কিন্তু রয়ে যাবে তখনো!

সেই মেঘ ঝরে ঝরে সমুদ্র সমান অশ্রু হবে, সেই সমুদ্রের তীরে তুমি একা দাঁড়িয়ে থাকবে, তুমি টের পাবে, তোমার আকাশ বিহীন পৃথিবীতে তুমি ভীষণ ভীষণ একা, কারণ একটা মানুষকে পুরো পৃথিবী বানানোর সময়টাতে, তাকে হৃদয় নিংড়ে ভালোবাসা দিয়ে, অন্য মানুষগুলোকে তুমি নিজের অজান্তেই সরিয়ে দিয়েছিলে দূরে, অনেক অনেক দূরে!

নিজের "সব" কাউকে দিয়ে দিতে হয় না, "কিছু" দিতে হয়, ওই "কিছু" নিয়ে কেউ চলে গেলে "কিছু" থেকে যায়, সেই বাকি কিছুকে আকড়ে ধরে বাঁচা যায়। সব নিয়ে কেউ চলে গেলে, শুধু শূন্যতা থেকে যায়, শূন্যতা আকড়ে ধরে বেঁচে থাকা যায় না। একদমই বেঁচে থাকা যায় না!
Copied.

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় কোর্টের বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক ১২ হাজার কোটি পাউন্ড ...
20/10/2025

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় কোর্টের বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক ১২ হাজার কোটি পাউন্ড ইমরান খান পাবেন।

ইমরান খান উত্তর দিলেন, আমার তার দরকার নেই।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে গেলেন, জেমিমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কেন এরকম নির্লোভ এবং মহান একজন স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?

জেমিমার উত্তর ছিল, ইমরান খান যদি লন্ডনে তার সাথে বসবাস করেন তাহলে তিনি এই বিচ্ছেদ চাইবেন না। বিচারক জিজ্ঞেস করলেন জেমিমা আপনি কেনো পাকিস্থানে থাকতে চান না?

জেমিমার উত্তর ছিলো, পাকিস্তানের কলুষিত রাজনৈতিক নোংরা শিকারে পরিণত হচ্ছেন তিনি। নওয়াজ শরিফ সরকার তাকে স্মাগলিং মামলায় ফাঁসিয়েছে।

বিচারক ইমরান খানকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি কেনো লন্ডনে থাকতে চাচ্ছেন না? ইমরান খানের উত্তর ছিলো পাকিস্তান অনেক গরিব দেশ এই দেশে অশিক্ষা দারিদ্র্য অবিচারে ভরপুর তিনি কিছু একটা করতে চান দেশের জন্য। তাই লন্ডনে থাকে তার জন্য সম্ভব নয়।

বিচারক বলেন সে ক্ষেত্রে বাচ্চা দুজন তাদের মায়ের সাথে থাকবে। ইমরান সানন্দে রাজি হলেন এবং বললেন জেমিমা অত্যন্ত চমৎকার একজন স্ত্রী এবং তার চেয়েও চমৎকার একজন মা সুতরাং বাচ্চাদের তার কাছেই থাকা উচিত।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে রইলেন ইমরান খানের দিকে। ইমরান খানের সাথে হাত মেলালেন এবং তার পরপরই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন।

জেমিমা ও ইমরান খান পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকলেন।

(সংগৃহীত)

18/10/2025

বুয়েটে পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।
#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।
#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??
#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।
#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।
#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।
#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।
#পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের গেঁড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন, সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ আনতে পারেনি।
#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।
#এক পরিচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক।
আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!
আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি না। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।

16/10/2025

আমার জেনারেশন যে বয়সে ( ৩০/৩৫+) এসে পড়েছে এই বয়সে-

# ফোনে আজাইরা দীর্ঘ কথা বলতে ভাল লাগে না। কাম টু দা আসল পয়েন্ট।

# তিন দিন বন্ধ পাইলে সুন্দরবন- বান্দরবান ঘুরতে যাওয়ার চেয়ে বাসায় মরার মত ঘুমাইতে ভাল লাগে।

# কারো সাথে তর্ক করার এনার্জি নাই। "জ্বী আপনেই সেরা" বলে তর্কে হার মেনে নিই।

# পরাজয় মানতে এখন আর কষ্ট হয় না।

# অন্যের সাফল্য-ব্যর্থতার গাল-গপ্প শুনতে আর ভালো লাগে না।

# এখন কাউকে জাজ করতে ভাল লাগে না।

# "আইজ আছি কাইল নাই" মুড অলওয়েজ এক্টিভেট।

# রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম-বিপ্লব কোন কিছুই এখন আর উত্তেজিত করেনা। প্রায় মনে হয় " যাহাই লাউ তাহাই পটল"।

# ফোনের রিংটোন আর ভাল লাগে না। সাইলেন্ট ভাইব্রেশনে থাকে সারা বছর।

# রোমান্টিক মুভি দেখলে হাসি পায়। ভুতের মুভি দেখে বিরক্ত লাগে।

# পকেটে টাকা থাকলে মন ভালো থাকে।

# সরাসরি গালি দেওয়ার চাইতে মনে মনে গালি দিতে শান্তি লাগে।

# সেল্ফ রেসপেক্ট বাড়তেছে।

# ক্ষমা করার প্রবনতা বাড়তেছে।

# হৈচৈ নাচা-গানা পার্টি ভালো লাগে না। চুপচাপ এক কোনে দাড়ায়া অন্যদের রঙ-তামসা দেখতে ভাল লাগে।

# চুল-দাড়ি পাকলেও আজকাল খারাপ লাগে না।

# নিজের আনন্দের চেয়ে সন্তানের আনন্দ অধিক সুখ দেয়।

# আত্মীয়-স্বজন্দের বড় একটা অংশ যাদের ভাল মানুষ জানতাম,তাদের এখন শয়তান মনে হয়।

# নতুন করে পড়াশোনা আর ভাল লাগে না।

# পথে ঘাটে হঠাৎ করে কেউ যখন বলে, আমারে চিনছেন? তখন বিপদে পড়ি। চেহারা চিনা চিনা লাগে, মাগার নাম ইয়াদ আসে না।

# স্কুল-কলেজের বেশির ভাগ বন্ধু বান্ধবের চেহারা মনে আছে, নাম ভুইলা গেছি।

# স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি লাইফে যাদের ভয়ানক সুন্দরী মনে হইতো তাদের এখন দেখলে বুঝতে পারি, ঐ বয়সে সবার চোখেই সমইস্যা থাকে। আহামরি কিছু ছিল না।

# বাংলা টয়লেট আর ভালো লাগে না, ইংলিশ টয়লেট ভালো লাগে। কারণ এখানে বসে জীবন নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তা করা যায়.....

আহারে জীবন...

(Collected)

09/10/2025

সবাই প্রতারক হয় না।সবাই ছেড়ে যায় না।
কখনো কখনো নিয়তি দুজন কে আলাদা করে দেয়।
আসলে ভাগ্য বলে একটা জিনিস আছে।
যে মানুষটা তোমার ভাগ্যে নেই শত চেষ্টা করলেও সে মানুষটা কখনো তোমার হবে না।

প্রায়ই দেখা যায় দীর্ঘ আট/দশ বছর সম্পর্ক আগলে রাখার পরেও মানুষ দু'টি আলাদা হয়ে গেছে।দুজনের চাওয়াতে কোন ত্রুটি না থাকার পরেও তারা এক হতে পারেনি।দু'জন দু'জন কে সমানভাবে বোঝা,ভালোবাসা,কেয়ার করা,শ্রদ্ধা ও মূল্যায়ন করা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত বিয়েটা আর হয়নি।কখনো কখনো এমনও হয় যে বিয়ের আসরে বসেও বিয়েটা ভেঙ্গে গেছে।

আবার সবকিছু ঠিকঠাক মতো চলার পরেও দেখা যায় যে মানুষ দুটি মিউচুয়াল ব্রেকআপ করে নিয়েছে।মানুষ দু'টি একে অন্যের হতে পারেনি তবুও যোগাযোগ আছে।শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাটা আগের মতোই আছে।এরকম অনেক উদাহরণ আছে।

আসলে জন্ম,মৃত্যু আর বিয়ে এই তিনটি বিষয়ে মানুষের কোন হাত নেই।সৃষ্টিকর্তা এই বিষয়গুলো নিজের হাতে রেখে দিয়েছেন।এই তিনটি বিষয় পূর্ব নির্ধারিত। জন্মের আগেই সৃষ্টিকর্তা সবার জোড়া নির্ধারণ করে রেখেছেন।তোমার জন্য যা বরাদ্দ না তুমি শত চেষ্টা করলেও তা নিজের করে পাবে না।

পরিবার,চাকরী,ধর্ম,যোগ্যতা এগুলো উছিলা মাত্র।
মোটকথা তুমি সেই মানুষটার জন্যই নির্ধারিত যে মানুষটার পাঁজরের হাড় দিয়ে তুমি তৈরি।অন্যদিকে সেই মানুষটাই তোমার জন্য নির্ধারিত যে মানুষটা তোমার পাঁজরের হাড় দিয়ে তৈরি।তুমি চাইলেও অন্য কাউকে নিজের করতে পারবে না।যে মানুষটা তোমার হাতের রেখায় নেই সেই মানুষটার হাত তুমি যতো শক্ত করেই ধরো না কেন কোন না কোন কারণে সে হাত তোমার হাতের মুঠো থেকে ছুটে যাবেই।

সুতরাং মানুষটাকে নিজের করে পাওনি বলে,ভালোবেসে ব্যর্থ হয়েছো বলে,মানুষটা তোমাকে ছেড়ে গেছে বলে কষ্ট হতেই পারে আর হবে এটা স্বাভাবিক।তাই বলে তাকে অভিশাপ দিতে হবে,গালি দিতে হবে,তার বদনাম করতে হবে,প্রতারক বলতে হবে এমন তো কোন কথা নেই।ভালোবাসলেই যে তাকে পেতে হবে এমনও তো কোন কথা নেই।

থাকুক না কিছু ভালোবাসা অপূর্ণতায়।ভালোবাসা বেঁচে থাকুক বুকের গভীরে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায়।

01/10/2025

ধর্ম পরিবর্তন না করে হিন্দু মুসলিম নারী-পুরুষের মধ্যে বিবাহ বন্ধন দেশের প্রচলিত আইন এবং ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী অবৈধ বলেছেন বাংলাদেশ হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ বেঞ্চ।

আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যে দম্পতিকে কেন্দ্র করে এই রায়টি দেওয়া হয়েছে, তারা কেউই নিজেদের ধর্ম পরিবর্তন করেননি। ধর্ম পরিবর্তন না করেই বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করা ইসলামী শরীয়ত এবং দেশের প্রচলিত আইন দুটির সঙ্গেই সাংঘর্ষিক। ফলস্বরূপ, এই বিয়ে আইনিভাবে বৈধ নয়।

যদিও বিশেষ বিবাহ আইনে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিয়ের প্রচলন ছিলো। তবে হাইকোর্ট তাদের রায়ে বিশেষ বিবাহ আইন (Special Marriage Act), ১৮৭২ এর সীমাবদ্ধতার দিকটিও তুলে ধরেন। আইনটি মূলত হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ভিন্ন ধর্মের কাউকে বিয়ে করার সুযোগ দিলেও, মুসলিমদের ক্ষেত্রে এর প্রযোজ্যতা আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। আদালত স্পষ্টভাবে বলেন, মুসলিম নারী ও পুরুষ মুসলিম পারিবারিক আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হন বিধায় এই বিশেষ বিবাহ আইনের আওতায় তাদের এমন বিবাহ বৈধ হতে পারে না। ইসলামি শরিয়া আইন মোতাবেক কেবল একজন মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারী কিংবা শর্তসাপেক্ষে আহলে কিতাব নারী (ইহুদি, খ্রিস্টান) বিবাহ বৈধ। তবে মুসলিম নারীদের জন্য কোনোভাবেই মুসলিম পুরুষ ব্যতীত অন্য কোনো ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করা বৈধ নয়।

কেবল বাংলাদেশেই নয়, সম্প্রতি ভারতের আইনি জগতেও একই ধরনের নজির দেখা গেছে। গত বছর ভারতের মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট এক রায়ে জানিয়েছিল, ধর্ম পরিবর্তন না করে হিন্দু-মুসলিম বিবাহ বৈধ নয়। উভয় আদালতের পর্যবেক্ষণে একটি সাধারণ বিষয় উঠে এসেছে: ধর্মান্তর ছাড়া এ ধরনের বৈবাহিক সম্পর্ক মানসিক দ্বন্দ্ব ও বিচ্ছেদের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

প্রসঙ্গত, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিবাহের সুযোগ দিতে ১৮৭২ সালে ব্রিটিশ সরকার বিশেষ বিবাহ আইন প্রণয়ন করে। ১৯৫৪ সালে এতে সংশোধন আনা হলেও, মুসলিমদের ক্ষেত্রে শুরু থেকেই এই আইন প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্টের এই যুগান্তকারী রায়টি সাম্প্রতিক যে লাভ জিহাদ, ভাগওয়া ট্যাপের বিতর্ক চলছে তার লাগাম টানতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা যায়।

15/09/2025

আমি চাই ত্রিশেও আমার একজন ভালো বন্ধু থাকুক মেঘের ছায়ার মতো !!
সময়ে অসময়ে খোঁজ নিক আমার বাতাসে তার গন্ধ বিলিয়ে !!
অনলাইনে বা অফ লাইনে !
আমায় না পেলে মুঠোফনে কল দিয়ে অভিমানী কন্ঠে বলুক
প্রিয় সারাদিন কোথায় ছিলি অনলাইনে পেলাম না যে
অফ লাইনে ম্যাসেজ দেখলে না যে!
তার প্রায়োরিটি লিস্টে অন্তত আমার নাম খানা থাকুক!!
কখনো ছেড়ে না যাক ভুল হলে শুধরে দিক.

07/09/2025

২১৫ বছর আগে বর্তমান ভারতের কেরালা রাজ্যের রাজা ছিলেন ত্রিভাঙ্কুর । তার আমলে পুরুষরা গোঁফ রাখতে চাইলেও কর দিতে হত আর নারীদের দিতে হত স্তনের জন্য কর । স্থানীয় ভাষায় যাকে বলা হত 'মূলাক্করম' ।

এই বিষয়ে তৎকালীন আইনটি এরকম ছিল, ব্রাহ্মণ ব্যতীত হিন্দু ধর্মের অন্য কোন নারী তার স্তন আবৃত রাখতে পারবে না । নারীদের স্তন রাখতে হবে অনাবৃত, উন্মুক্ত । আবৃত করতে হলে বা স্তন ঢেকে রাখতে চাইলে দিতে হবে স্তন শুল্ক । আবার এই শুল্কের পরিমাণ নির্ভর করবে স্তনের আকারের উপর । যার স্তন যত বড় তার শুল্ক তত বেশী । এই স্তন শুল্কের মোটা অংশ চলে যেত পদ্মনাভ মন্দিরে । গিনেস বুকের তথ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মন্দির ।

সেই সময়ে ৩৫ বছর বয়সী কৃষ্ণ বর্ণের অতীব সুন্দরী একজন নারীকে প্রায়ই কাজের জন্য বাইরে যেতে হত । তবে তিনি সবসময় তার স্তন ঢেকে রাখতেন । হঠাৎ একদিন তিনি শুল্ক সংগ্রাহকের নজরে পড়লেন । শুল্ক সংগ্রাহকরা তার কাছে স্তন শুল্ক দাবী করল । তিনি এই কর দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, ' আমার স্তনকে আমি আবৃত রাখব নাকি অনাবৃত রাখব তা ঠিক করার তুমি কে ? আমি শুল্ক দেব না ।'

প্রতিদিন শুল্ক সংগ্রাহকরা তার বাড়িতে এসে তাকে শুল্ক দেওয়ার জন্য চাপ দিতে লাগল । দিনে দিনে বাড়তে লাগল করের বোঝাও ।

অবশেষে একদিন কর দিতে রাজী হলেন তিনি । শুল্ক সংগ্রাহকদের বাইরে অপেক্ষা করতে বলে দরজা বন্ধ করে ঘরের ভিতরে চলে যান আর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে ফেলেন তার স্তন দু'টি । তারপর নিজের স্তনদ্বয়কে কলাপাতার আবরণে মুড়িয়ে শুল্ক সংগ্রাহকের হাতে শুল্ক স্বরূপ তুলে দেন । সাথের বলেন, 'যে জিনিসের জন্য আমাকে অতিরিক্ত শুল্ক গুনতে হয় সেই জিনিসই আমি রাখব না ।'

এই ঘটনায় বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায় শুল্ক সংগ্রাহকসহ পাড়া প্রতিবেশী সবাই ।
এরপর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় । পরে পুরো ভারতে ছড়িয়ে পড়ে এই ঘটনা । এর কয়েকদিন পর রাজা ত্রিভাঙ্গুর স্তন শুল্কসহ সকল প্রকার অবৈধ শুল্ক বাতিল করতে বাধ্য হন । নিজের অজান্তেই সেই নারী ১৮৫৯ সালে ভারতে সংগঠিত কাপড় দাঙ্গার বীজ বপন করে যান । একবার ভাবুন তো, নিজেকে কতটা ভালবাসলে এবং সম্মান করলে এমনটা করা যায় ?

এই আত্মপ্রেমী নারীর নাম নাঙেলি ।
আত্মত্যাগের বিনিময়ে পুরো কেরালার নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বীরাঙ্গনা নাঙেলি । তিনিও পারতেন বাকী সব নারীদের মত স্তন শুল্ক মেনে নিতে । শুল্ক দেওয়ার মত সক্ষমতাও তার ছিল । কিন্তু পৃথিবীতে কেউ কেউ বুকে আগুন নিয়ে জন্মায় । কোন অন্যায় তাদের সামনে আসলেও তা তাদের বুকে স্থান পায় না, বুকের আগুনে ভস্মিভূত হয়ে যায় সব অন্যায়গুলো । তাইত নিজের সুখ-শান্তি, চাওয়া-পাওয়া সর্বস্ব উজাড় করে দিয়ে নারীদেরকে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছিলেন নাঙেলি ।

এই কাহিনী এখানেই শেষ নয় । নাঙ্গেলির শরীর তখনও চিতায় দাউদাউ করে জ্বলছে ; হঠাৎ একটা লোক দৌড়ে এসে সেই চিতার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন । লোকটা নাঙ্গেলির স্বামী । ভারতের ইতিহাসে স্ত্রীর সঙ্গে সহমরণে যাওয়া কোন পুরুষের এটাই প্রথম এবং শেষ ঘটনা । অথচ ইতিহাস এই প্রেমিক পুরুষের নাম খোদাই করার তাগিদ অনুভব করে নি । কিন্তু প্রতিবাদের যে আগুন নাঙেলি জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় নারীদের মনে, তা আজও জ্বলজল করছে । (সংগৃহীত)

06/09/2025

এক লোক তার পালিত মোরগটাকে জবাই করতে চাইল। কিন্তু সরাসরি না করে ভাবল, একটা বাহানা খুঁজতে হবে।

সে মোরগকে বলল—
“কাল থেকে তুই সকালবেলা ডাকতে পারবি না। যদি ডাকিস, তবে তোকে মেরে ফেলব।”

পরদিন মোরগ ডাকেনি। শুধু পাখা ঝাপটালো।
তখন মালিক বলল—
“কাল থেকে তুই পাখা ঝাপটাতে পারবি না।”

পর দিন মোরগটি শুধু ঘাড় উঁচু করলো ।
তারপর মালিক বলল—
“তুই ঘাড় উঁচু করতে পারবি না, করলে তোকে মেরে ফেলব।”

মোরগ সব শর্ত মেনে একেবারে চুপ হয়ে গেল। কিন্তু মালিক থামলো না। অনেক ভেবে সে শেষ শর্ত দিল—
“কাল থেকে তোকে ডিম দিতে হবে। যদি না দিতে পারিস, তবে তোর মৃত্যু অনিবার্য।”

এ কথা শুনে মোরগ বুঝল—
মালিকের আসল ইচ্ছে তো আমাকে মেরে ফেলা। অজুহাতগুলো শুধু বাহানা।

মোরগ তখন কেঁদে বলল—
— “আমি ভয়ে কাঁদছি না। কারণ ডাকাডাকি করাটাই আমার পরিচয়। যদি সেই কারণে মারা যেতাম, তবে আমি আমার পরিচয় নিয়েই মরতাম। কিন্তু আজ আমি সবকিছু ছেড়ে দিয়ে নিঃশব্দ হয়েছি। অথচ আসল ভুল হলো, আমি লড়াই করিনি। আমি মাথা নত করেছি এমন একজনের সামনে, যার উদ্দেশ্যই ছিল আমার অস্তিত্ব মুছে ফেলা।”

---

শিক্ষা:
সব সময় সমঝোতা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কখনো কখনো লড়াই করাটাই প্রয়োজন, কারণ বারবার নিজের আওয়াজকে দমন করতে করতে মানুষ ধীরে ধীরে তার অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলে। আর যখন পরিচয়ই থাকে না, তখন শুধু বেঁচে থাকা কোনো জীবন নয়—এটা নিছক টিকে থাকা মাত্র।

👉 তাই অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে নিজের পরিচয় দিন এবং কিছু করুন

Address

6-7 Court House Street, Dhaka Bar Association Building, Room No/817
Dhaka
1100

Telephone

+8801921935978

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sohel Law & Jurists posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sohel Law & Jurists:

Share