Advocate Sheikh Ripon

Advocate Sheikh Ripon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate Sheikh Ripon, Criminal lawyer, Gopalganj, Dhaka.

Imaam Marcellus Williams (Khalifa) has been executed in the US. May Allah Almighty grant you the highest ranks of Paradi...
26/09/2024

Imaam Marcellus Williams (Khalifa) has been executed in the US.

May Allah Almighty grant you the highest ranks of Paradise. Aameen

From Year 1979Now 2024!Next-?
08/04/2024

From Year 1979
Now 2024!
Next-?

https://www.sujood.co আপনি এই ওয়েবসাইটটি তে গিয়ে আপনার মনের বর্তমান অবস্থা লিখলেই তার সাথে মিল রেখে আল কুরআনের দোয়া ব...
16/03/2024

https://www.sujood.co

আপনি এই ওয়েবসাইটটি তে গিয়ে আপনার মনের বর্তমান অবস্থা লিখলেই তার সাথে মিল রেখে আল কুরআনের দোয়া বা আয়াত চলে আসবে। এটাই প্রযুক্তির সবচেয়ে সুন্দর ব্যবহারের উদাহরণ! ❤️

اللهم إني أعوذ بك من شر سمعي، ومن شر بصري، ومن شر لساني، ومن شر قلبي، ومن شر منيي

"বিশ্বাস করুন, কাস্টমার কখনই ফিরে আসে না!"স্যাম ওয়ালটন। বিশ্বের বৃহত্তম রিটেইল চেইন ওয়াল-মার্টের প্রতিষ্ঠাতা। একবার তি...
18/01/2024

"বিশ্বাস করুন, কাস্টমার কখনই ফিরে আসে না!"

স্যাম ওয়ালটন।
বিশ্বের বৃহত্তম রিটেইল চেইন ওয়াল-মার্টের প্রতিষ্ঠাতা।

একবার তিনি তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য
সেলস ও কাস্টমার সার্ভিসের ওপর
একটি ট্রেনিং করাচ্ছিলেন।

ট্রেনিং এ তার শুরুর কথাগুলো ছিলো এরকম:

"আমি সেই লোক
যে রেস্টুরেন্টে গিয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে,
কখন ওয়েটার অন্য কাজ বাদ দিয়ে
আমার অর্ডার নিতে আসবে
তার জন্য।

আমি সেই লোক
যে দোকানে যেয়ে চুপচাপ অপেক্ষা করে,
কখন সেলসম্যানরা তাদের পার্সোনাল কথা শেষ করে
একটু আমার দিকে নজর দিবে
তার জন্য।

আমি সেই লোক
যে পেট্রোল পাম্পে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে
কখন তারা সংবাদপত্র পড়া শেষ করে
আমাকে সময় দিতে পারবে
তার জন্য।

আমি সেই ব্যক্তি
যে কিনা আর্জেন্ট সার্ভিস পাবার জন্য
কাস্টমার কেয়ারে বারবার অনুরোধ করবার পরেও
কয়েক সপ্তাহ পার হবার পর
সেটা পান।

আপনি নিশ্চয় ভাবছেন
আমি একজন
শান্ত, ধৈর্যশীল আর নির্ঝঞ্ঝাট মানুষ!

না, আপনি ভুল।

আমি সেই কাস্টমার
যে কখনই ফিরে আসে না!

আমাকে ফিরিয়ে আনার জন্য
আপনার কোম্পানির
নানারকম চটকদার বিজ্ঞাপনের পেছনে
কোটি কোটি টাকা খরচ করা দেখলে
আমার হাসি পায়।

কারণ
আমি যখন প্রথম আপনার ওখানে গিয়েছিলাম,

আপনার উচিত ছিল
আমার সাথে একটু হেসে কথা বলা
আমার প্রয়োজন কি সেটা বোঝার চেষ্টা করা
একটু আন্তরিকতা দেখানো।

There is only one boss: THE CUSTOMER.

এবং সে কোম্পানির প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে দারোয়ান পর্যন্ত
সবাইকে ফায়ার করতে পারে
তার টাকা
'অন্যত্র' খরচ করার মাধ্যমে।"

Want to be SUCCESSFUL?
Have better CUSTOMER SERVICE than anyone else.

অনুবাদ কার্টেসি: মোর্শেদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল ,...
16/01/2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল , বুয়েট সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহর আজ মৃত্যুবার্ষিকী।

*** জীবনী :

নবাব সুলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আহসানউল্লা (১৮৪৬-১৯০১) এবং দাদা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আবদুল গণি (১৮১৩-৯৬)। এই দুজনই ঊনবিংশ শতকের বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। নিঃসন্দেহে পরিবারটি ছিল অভিজাত ও ধনাঢ্য। কিন্তু অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখকে নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি আকাতরে দান-খয়রাত করে গেছেন।

স্যার সলিমুল্লাহর বাবা আহসানউল্লা ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকায় তথা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো #বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছিলেন, প্রথম বিজলি বাতির আলো জ্বলেছিল #আহসান_মঞ্জিলে।

(১)নবাব সলিমূল্লাহ সেই যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।

(২)ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০২ সালে তিনি ১লাখ ২০হাজার টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকায় এবং তাঁর দান করা জমিতে স্থাপিত হয়েছিল আহসানউল্লা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯২২ সালে যা আহসানউল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৬০ সালে আহসানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে উন্নীত হয়। সেটিই এখনকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।

(৩) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠকে তার নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়ে ইংরেজরা মত দেয়।

(৪)নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

(৫) (DU) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জমিই শুধু দান করেননি, প্রধান অর্থদানকারীও ছিলেন। এতে তাঁর অর্থভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। শেষে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল। জমিদারি চলে গিয়েছিল কোর্ট অব ওয়ার্ডসে।

(৬) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।

(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যার আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।

(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্
মণ্যবাদী চক্রান্তে ব্রিটিশ সামাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।

(৮)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।

(৯)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে।

আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা?
এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনার মাঝেও আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে যেখানে, সেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায়!!

রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়।
কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। এসমসাময়িক সময়েই তার মৃত্যু হয় কলকাতায়। পরে প্রচার করা হয় যে হৃদরোগে তিনি মারা গেছেন।

সেদিনই কলকাতায় অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। পরদিন লাশ ঢাকায় আনা হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকার বেগমবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

আজ ১৬ জানুয়ারী নবাবের মৃত্যুবার্ষিকী। উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি , আল্লাহ্‌ উনাকে জান্নাত দান করুন (আমিন)।

#সংগৃহীত

-: ১ :-বিধবা বিবাহের পক্ষে সই ছিল মাত্র ৯৮৭টি, আর বিপক্ষে সই ছিল ৩৬,৭৬৩টি।বাকিটা ইতিহাস।-: ২ :-গ্যালিলিও কাঠগড়ায় দাঁড়...
15/01/2024

-: ১ :-
বিধবা বিবাহের পক্ষে সই ছিল মাত্র ৯৮৭টি, আর বিপক্ষে সই ছিল ৩৬,৭৬৩টি।

বাকিটা ইতিহাস।

-: ২ :-
গ্যালিলিও কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যেদিন বলেছিলেন, "আমি আবার বলছি, সূর্য স্থির। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে। আমাকে শাস্তি দিয়েও, সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর প্রদক্ষিণ আপনারা বন্ধ করতে পারবেন না, পৃথিবী আগের মতোই ঘুরবে।" সেদিন ওনার কথায় সবাই হেসেছিলো। বিচার সভায় গ্যালিলিও-র শাস্তি হয়েছিল।

বাকিটা ইতিহাস।

-: ৩ :-
সতীদাহ প্রথার মতো জঘন্য এক সামাজিক প্রথার বিরুদ্ধে যেদিন রাজা রামমোহন রায় রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, সেদিন সমাজের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ ওনাকে হাস্যাস্পদ করেছিল।

বাকিটা ইতিহাস।

-: ৪ :-
সিগনেট থেকে প্রকাশিত বিভূতিভূষণের "পথের পাঁচালী"-র সংক্ষিপ্ত সংস্করণ "আম আঁটির ভেঁপু"-র জন্য ছবি আঁকতে আঁকতেই সত্যজিতের মনে হয়েছিল, তিনি যদি কোনোদিন সিনেমা করেন, তবে এটাই হবে তাঁর প্রথম সিনেমা। সিনেমার শুটিং যখন শুরু হয়, তখন শুধু প্রযোজকরাই নন, তৎকালীন বিখ্যাত পরিচালকরাও তাঁর উপর হেসেছিলেন। অনেকে তো ওনাকে পাগল পর্যন্ত বলেছিলেন।

বাকিটা ইতিহাস।

-: ৫ :-
আজ যখন আমরা বলি - লড়াইটা আমাদের জাত নিয়ে নয়, ভাত নিয়ে; বাবরি নিয়ে নয়, চাকরি নিয়ে; অস্ত্র নিয়ে নয়, বস্ত্র নিয়ে; দীক্ষা নিয়ে নয়, শিক্ষা নিয়ে; শ্মশান বা কবরস্থান নিয়ে নয়, বাসস্থান নিয়ে - ওরা হাসে আমাদের উপর।

আমরা যখন বলি - লড়াইটা উগ্র দেশপ্রেম আর মানুষে মানুষে বিভেদ নিয়ে নয়, লড়াইটা খাদ্য বাসস্থান শিক্ষা স্বাস্থ্য নিয়ে; লড়াইটা রোজ সন্ধ্যার ওই টিভি স্টুডিওর টিকি আর দাড়ির জন্য নয়, লড়াইটা স্বাধীনতা গণতন্ত্র আর সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য - ওরা হাসে আমাদের উপর।

আমরা যখন বলি - নারীর পিরিয়ড হওয়া মানে তার শরীর অপবিত্র ঘোষণা করে দিয়ে বিভিন্ন জায়গাতে তার প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া নয় - তখনও ওরা হাসে আমাদের উপর।

ওদের হাসতে দিন। শুধু একটা কথাই মনে রেখে দিন - হাজারটা লোকও যদি একটা পুকুরকে সমুদ্র বলে, রাতারাতি পুকুরটা সমুদ্র হয়ে যায় না।

তাই প্রশ্ন এটা নয় যে আমরা পরিসংখ্যানে কত শতাংশ? প্রশ্ন এটাও নয় যে আমরা নগণ্য!

উত্তর একটাই:
আজ থেকে অনেকগুলো বছর পর কারখানার খেটে খাওয়া ওই শ্রমিকগুলো, অথবা স্কুল কলেজে পড়া ওই ছেলে মেয়েগুলো, মাঠের ধারে ওই বেঞ্চটাতে বসে যখন গল্প করবে, ওরা বলবে,

"জানিস, আজ থেকে অনেকগুলো বছর আগে সবাই যখন ধর্মের নেশাতে মানুষকে মাতিয়ে রেখেছিলো, আমাদের মত খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য ওই ওরাই ঠিক আওয়াজ তুলেছিল"।

পৃথিবীর সব যুদ্ধ জেতা যায় না, কিন্তু লড়াইয়ের ময়দানে থাকতে হয় - এটা বোঝানোর জন্য কেউ তো একজন ছিল, কেউ তো একজন শুরু করেছিল, কেউ তো একজন শাসকের চোখে চোখ রেখে বলতে পেরেছিলো।

রাজা তোর কাপড় কোথায়?

জেতা হারাটা‌ তো সাময়িক, জীবনে নীতিটাই সব।

#সংগৃহীত

14/01/2024

অনেক বছর আগের ঘটনা, একবার এক চাষি তার বাড়ির উঠোনে বসে বিশ্রাম করছিলেন। এমন সময় তার একমাত্র ছেলে ছুটে আসে এবং বাবাকে খবর দেয়, যে রাস্তার ধারের পুকুরে একটি ছেলে ডুবে যাচ্ছে।

শুনে চাষী তৎক্ষণাৎ পুকুরের কাছে পৌঁছায়। গিয়ে দেখে তার ছেলের বয়সী একটি ছেলে জলে হাবুডুবু খাচ্ছে। পোশাক পরিচ্ছদ দেখে কোন শহরের ধনীর দুলাল বলে মনে হচ্ছে।

সাথে বেশ কিছু বন্ধু বান্ধব থাকলেও তারা সাঁতার না জানায় পারে দাঁড়িয়ে বন্ধুর সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। চাষী আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট না কোরে জলে ঝাপিয়ে পরে এবং ছেলেটিকে উদ্ধার করেন।

এই ঘটনার দিন দুয়েক পর হঠাৎ একদিন গ্রামের পথে ধুলো উড়িয়ে এক ঘোড়ায় টানা সুসজ্জিত গাড়ি, আগু পিছু অস্ত্রধারী অশ্বারোহী নিয়ে চাষীর বাড়ির সামনে এসে থামলো।

চাষী কিছুটা ভয় পেয়েছিল বৈকি। এরপর গাড়ি থেকে যে ব্যক্তি নেমে এলেন তার ব্যক্তিত্ব তার ঐশ্বর্যের পরিচয় বহন করে কিন্তু তার মুখের স্মিত হাসি চাষীকে কিছুটা আস্বস্ত করেন। তিনি স্মিত হেসে বলেন,

--- "আপনি সেই মহানুভব যিনি আমার একমাত্র ছেলের জীবন বাঁচিয়ে ছিলেন?" কৃষক মৃদু হেসে বললেন,

--- "আজ্ঞে হ্যা।" সেই ব্যক্তি এরপর গরিব চাষীর হাত ধরে অশ্রু সজল চোখে বলেন,

--- "আপনার ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না। তবু বলুন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি?" চাষী প্রথমে কিছু নিতে রাজি হয় না, শেষ মেষ অনেক অনুরোধের পর বলেন,

--- "দেখুন আমার সেই ক্ষমতা নেই যে আমার ছেলেকে ভালো স্কুলে পড়াই। তাই যদি আপনি ওর একটা ভালো স্কুলে পড়ার ব্যবস্থা করদেন তাহলেই আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো আপনার কাছে।" এই শুনে সেই ভদ্রলোক হেসে বললেন,

--- "ঠিক আছে এই যদি আপনার ইচ্ছা হয় তবে আজ থেকে আপনার ছেলে আমার ছেলের সাথে একসাথে পড়াশুনো করবে, এবং ওকে আমি আমার বাড়িতে রেখে পড়াবো।"

এরপর অনেক বছর কেটে গেছে। চাষীর ছেলে আর ধনী দুলালের বন্ধুত্ব সময়ের সাথে আরো গভীর হয়েছে। দুজনেই অত্যন্ত মেধাবী, যদিও দুজনের পছন্দ ছিল সম্পূর্ন আলাদা।ধনীর দুলালের আকর্ষণ রাজনীতি, আর তার বন্ধুর চিকিৎসা বিজ্ঞান।

স্নাতক হবার পর একজন মন দেয় অণুজীব নিয়ে গবেষণায়, আর একজন রাজনীতিতে।গবেষক বন্ধুর এক একটা গবেষণা পত্র যখন চিকিৎসা দুনিয়ায় আলোড়ন ফেলছে। তখন আর এক বন্ধুর নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা আকৃষ্ট করছে ইংল্যান্ডের যুব সমাজকে।

এর মধ্যেই সেই রাজনীতিবিদ বন্ধু এক গভীর অসুখে আক্রান্ত হয়। অনেক বড় বড় চিকিৎসক যখন ব্যর্থ হয় ফিরে যায়, তখন সেই গবেষক বন্ধু এগিয়ে আসে।

দিন রাত এক করে নিজের তৈরি ওষুধে চিকিৎসা করতে থাকেন নিজের বন্ধুর। এবং সম্পূর্ন সুস্থ করে তোলেন নিজের প্রাণাধিক প্রিয় বন্ধুকে। কারণ তাকে ছাড়া তো আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস লেখাই অসম্পূর্ন থাকতো

জানেন এই দুজন কে? সেই চাষীর ছেলে হলেন বিশ্ববন্দিত বিজ্ঞানী, পেনিলিসিলিনের আবিস্কারক স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। আর তার বন্ধুটি হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল।
(সংগৃহীত)

সেই আমল আর বর্তমান! ১৯৬৫ সালে মোহাম্মদপুরের একটি বাড়ি যা বর্তমানে সেন্ট জোসেফ উচ্চবিদ্যালয়ের উল্টোদিকে আনসার ভবন নামে পর...
14/12/2023

সেই আমল আর বর্তমান!

১৯৬৫ সালে মোহাম্মদপুরের একটি বাড়ি যা বর্তমানে সেন্ট জোসেফ উচ্চবিদ্যালয়ের উল্টোদিকে আনসার ভবন নামে পরিচিত।

ছবিটি তুলেছিলেন— জনাথন ফ্রাঙ্কলিন

২০১৩ সালে সেই একই স্থান অর্থাৎ মোহাম্মদপুর আসাদ এভিনিউর বাড়িটি।

#সংগৃহীত

'অধিকাংশ' মানেই বিপদ  #অধিকাংশ_লোক কোন_দলিল_নয়ঃ➲অধিকাংশ লোক মিলাদ পড়ে,,➲অধিকাংশ লোক বেনামাজি,,➲অধিকাংশ লোক পীর ভক্ত,,➲অধ...
08/12/2023

'অধিকাংশ' মানেই বিপদ
#অধিকাংশ_লোক কোন_দলিল_নয়ঃ

➲অধিকাংশ লোক মিলাদ পড়ে,,
➲অধিকাংশ লোক বেনামাজি,,
➲অধিকাংশ লোক পীর ভক্ত,,
➲অধিকাংশ লোক অন্ধ ভাবে মাযহাব মেনে চলে,,
➲অধিকাংশ লোক পর্দা করে না,,
➲অধিকাংশ লোক চল্লিশা করে,,
➲অধিকাংশ লোক মাজারে যায়,,
➲অধিকাংশ লোক নেশাদার দ্রব্য পান করে,,
➲অধিকাংশ লোক বিভিন্ন তরিকা অনুসরন করে,,,
➲অধিকাংশ লোক টাখনুর নিচে প্যান্ট পড়ে,,
➲অধিকাংশ লোক নামাজের পরে সম্মিলিত মুনাজাত করে,,,

#এটাই_বাস্তবতা
#অধিকাংশদের_ব্যাপারে_আল্লাহ্_বলেন:

■►“অধিকাংশই অজ্ঞ” [সূরা আনআম : ১১১]

■►“অধিকাংশই নির্বোধ” [সূরা মায়িদাহ ১০৩]

■►“অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত ব্যাপার সম্পর্কে অবগত নয়” [সূরা ইউসুফ : ৬৮]

■►“অধিকাংশ লোকই অবগত নয়” [সূরা আনআম :৩৭]

■►“অধিকাংশই জানে না” [সূরা আরাফ : ১৩১]

■►“তুমি যতই প্রবল আগ্রহ ভরেই চাও না কেন, মানুষদের অধিকাংশই ঈমান আনবে না” [সূরা ইউসুফ :১০৩]

■►“আমি তোমার নিকট সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল করেছি, ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না; বরং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না” [সূরা বাকারাহ: ৯৯-১০০]

■►“আমি তো তোমাদের কাছে সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী” [সূরা যুখরুফ :৭৮]

■►“তাদের অধিকাংশকেই আমি প্রতিশ্রুতি পালনকারী পাইনি, বরং অধিকাংশকে ফাসিকই পেয়েছি” [সূরা আরাফ : ১০২]

■►“তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরন কর তাহলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে ফেলবে, তারা কেবল আন্দাজ-অনুমানের অনুসরন করে চলে; তারা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই করে না” [সূরা আনআম : ১১৬]

■►“ অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে।’’[সূরা ইউসুফ: ১০৬]
ধারনা কোন কাজে আসে না’’ [সূরা ইউসুফ : ৩৬]

■►“আমি কি তোমাদের জানাব কাদের নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট। ওরা কান পেতে থাকে আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী’’ [সূরা শু’আরা :২২১-২২৩]

■►“তারা তাদের পিতৃ-পুরুষদের বিপথগামী পেয়েছিল। অতঃপর তাদেরই পদাংক অনুসরন করে ছুটে চলেছিল। এদের আগের লোকদের অধিকাংশই গুমরাহ হয়ে গিয়েছিল” [সূরা সাফফাত : ৬৯-৭১]

■►আরবী ভাষায় কুরআন,জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদের জন্য সুসংবাদবাহী ও সাবধানকারী। কিন্তু ওদের অধিকাংশই (এ কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, কাজেই ওরা শুনবে না” [সূরা ফুসসিলাত :
সূরা আনআম
[111] ۞ وَلَو أَنَّنا نَزَّلنا إِلَيهِمُ المَلٰئِكَةَ وَكَلَّمَهُمُ المَوتىٰ وَحَشَرنا عَلَيهِم كُلَّ شَيءٍ قُبُلًا ما كانوا لِيُؤمِنوا إِلّا أَن يَشاءَ اللَّهُ وَلٰكِنَّ أَكثَرَهُم يَجهَلونَ
[111] আমি যদি তাদের কাছে ফেরেশতাদেরকে অবতারণ করতাম এবং তাদের সাথে মৃতরা কথাবার্তা বলত এবং আমি সব বস্তুকে তাদের সামনে জীবিত করে দিতাম, তথাপি তারা কখনও বিশ্বাস স্থাপনকারী নয়; কিন্তু যদি আল্লাহ চান। কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুর্খ।

সূরা আনআম 37] وَقالوا لَولا نُزِّلَ عَلَيهِ ءايَةٌ مِن رَبِّهِ ۚ قُل إِنَّ اللَّهَ قادِرٌ عَلىٰ أَن يُنَزِّلَ ءايَةً وَلٰكِنَّ أَكثَرَهُم لا يَعلَمونَ
[37] তারা বলেঃ তার প্রতি তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয়নি কেন? বলে দিনঃ আল্লাহ নিদর্শন অবতরণ করতে পূর্ন সক্ষম; কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।

সূরা আনআম 116] وَإِن تُطِع أَكثَرَ مَن فِى الأَرضِ يُضِلّوكَ عَن سَبيلِ اللَّهِ ۚ إِن يَتَّبِعونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِن هُم إِلّا يَخرُصونَ
[116] আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।

সূরা আনআম 116] وَإِن تُطِع أَكثَرَ مَن فِى الأَرضِ يُضِلّوكَ عَن سَبيلِ اللَّهِ ۚ إِن يَتَّبِعونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِن هُم إِلّا يَخرُصونَ
[116] আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।

বাকারাহ'র আয়াত
100] أَوَكُلَّما عٰهَدوا عَهدًا نَبَذَهُ فَريقٌ مِنهُم ۚ بَل أَكثَرُهُم لا يُؤمِنونَ
[100] কি আশ্চর্য, যখন তারা কোন অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়, তখন তাদের একদল তা ছুঁড়ে ফেলে, ব

বাকহারা হ
[99] وَلَقَد أَنزَلنا إِلَيكَ ءايٰتٍ بَيِّنٰتٍ ۖ وَما يَكفُرُ بِها إِلَّا الفٰسِقونَ
[99] আমি আপনার প্রতি উজ্জ্বল নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ করেছি। অবাধ্যরা ব্যতীত কেউ এগুলো অস্বীকার করে না।

সূরা যুখরুফ 78] لَقَد جِئنٰكُم بِالحَقِّ وَلٰكِنَّ أَكثَرَكُم لِلحَقِّ كٰرِهونَ
[78] আমি তোমাদের কাছে সত্যধর্ম পৌঁছিয়েছি; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যধর্মে নিস্পৃহ!

আসুন পবিত্র কোরআন ও সহীহ হাদিসের আলোকে জীবন গড়ি।

[68] وَلَمّا دَخَلوا مِن حَيثُ أَمَرَهُم أَبوهُم ما كانَ يُغنى عَنهُم مِنَ اللَّهِ مِن شَيءٍ إِلّا حاجَةً فى نَفسِ يَعقوبَ قَضىٰها ۚ وَإِنَّهُ لَذو عِلمٍ لِما عَلَّمنٰهُ وَلٰكِنَّ أَكثَرَ النّاسِ لا يَعلَمونَ
[68] তারা যখন পিতার কথামত প্রবেশ করল, তখন আল্লাহর বিধানের বিরুদ্ধে তা তাদের বাঁচাতে পারল না। কিন্তু ইয়াকুবের সিদ্ধান্তে তাঁর মনের একটি বাসনা ছিল, যা তিনি পূর্ণ করেছেন। এবং তিনি তো আমার শেখানো বিষয় অবগত ছিলেন। কিন্তু অনেক মানুষ অবগত নয়।

সূরা ইউনুস
[103] وَما أَكثَرُ النّاسِ وَلَو حَرَصتَ بِمُؤمِنينَ
[103] আপনি যতই চান, অধিকাংশ লোক বিশ্বাসকারী নয়।

ইউনূস 106] وَلا تَدعُ مِن دونِ اللَّهِ ما لا يَنفَعُكَ وَلا يَضُرُّكَ ۖ فَإِن فَعَلتَ فَإِنَّكَ إِذًا مِنَ الظّٰلِمينَ
[106] আর নির্দেশ হয়েছে আল্লাহ ব্যতীত এমন কাউকে ডাকবে না, যে তোমার ভাল করবে না মন্দও করবে না। বস্তুতঃ তুমি যদি এমন কাজ কর, তাহলে তখন তুমিও জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

সংগৃহীত।।।

11/11/2023

New System for

10/11/2023

     #2023
17/10/2023



#2023

Address

Gopalganj
Dhaka

Telephone

+8801933837654

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Sheikh Ripon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share