Voice Of Kajal

Voice Of Kajal ইতিহাস-ঐতিহ্য প্রকাশ, শেকড়ের সন্ধান ও হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের জীবন কর্ম উপস্থাপন করতে ভালবাসি

পন্ডিত শ্রীনাথ চন্দ্র ( গোপালপুর, টাঙ্গাইল) সাংবাদিক, সংস্কারক ও শিক্ষকশ্রীনাথ চন্দ্র ছিলেন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিক্ষক,...
22/08/2026

পন্ডিত শ্রীনাথ চন্দ্র ( গোপালপুর, টাঙ্গাইল)
সাংবাদিক, সংস্কারক ও শিক্ষক

শ্রীনাথ চন্দ্র ছিলেন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিক্ষক, সমাজসংস্কারক এবং ব্রাহ্মসমাজের নেতা। তিনি ময়মনসিংহ ও বৃহত্তর টাঙ্গাইল অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

নানা প্রতিকূলতাকে জয় করে নিজের মেধা, অধ্যবসায় ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন বিশিষ্ট মনীষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

শ্রীনাথ চন্দ ১৮৫১ সালের ১ এপ্রিল টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন জগন্নাথ চন্দ।

দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়ায় শ্রীনাথের শৈশব কেটেছে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। জীবিকার প্রয়োজনে তাঁর পিতা নিজ গ্রাম ছেড়ে বড়বাজু পরগণার বাঙ্গড়া গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেই বাঙ্গড়া গ্রামেই শ্রীনাথের শিক্ষাজীবনের সূচনা।

মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি গ্রামের পণ্ডিত গোলকচন্দ্র সেনের কাছে বিদ্যারম্ভ করেন। শৈশব থেকেই তাঁর মধ্যে অসাধারণ মেধা ও শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহের পরিচয় পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তিনি পাথরাইল গ্রামের বাংলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখানে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচয় দেন। এক বছরের মধ্যে ‘শিশুশিক্ষা তৃতীয় ভাগ’, ‘বোধোদয়’ ও ‘চরিত্রাবলী’ শেষ করে তিনি চারুপাঠের শ্রেণিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির পড়াশোনা শেষ করে তিনি ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।

১৮৬৫ সালে শ্রীনাথ ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে মাসিক দুই টাকা বৃত্তি লাভ করেন। এরপর জ্ঞাতি ভাই হরচন্দ্রের আশ্রয়ে তিনি ময়মনসিংহের হার্ডিঞ্জ স্কুলে ভর্তি হন। পরের বছর, ১৮৬৬ সালে তিনি চার টাকা বৃত্তি লাভ করে নর্মাল ট্রেনিং স্কুলে ভর্তি হন। শিক্ষকতা পেশায় দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে তিনি সেখানে নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করেন।

১৮৬৯ সালে নর্মাল স্কুলের চূড়ান্ত পরীক্ষায় তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করে যে সীমাহীন দারিদ্র্যও তাঁর জ্ঞানার্জনের আকাঙ্ক্ষাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।

শিক্ষাজীবনের এই সময়েই তাঁর চিন্তাজগতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। ১৮৬৯ সালে তিনি তাঁর সতীর্থ কৃষ্ণকুমার মিত্রের সঙ্গে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। ব্রাহ্মধর্মের উদারনৈতিক ও সংস্কারবাদী আদর্শ তাঁর জীবন ও কর্মে গভীর প্রভাব বিস্তার করে। কুসংস্কার, সামাজিক বৈষম্য ও পশ্চাৎপদতার বিরুদ্ধে তিনি সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

১৮৭০ সালে শ্রীনাথ চন্দ ময়মনসিংহ জেলা স্কুলে হেড পণ্ডিত হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সমাজসংস্কারের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে বিধবা বিবাহ, নারীশিক্ষা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংস্কারের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে তিনি অন্যান্য তরুণ সংস্কারক ও ব্রাহ্মসমাজের কর্মীদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। নারীশিক্ষার প্রসার এবং সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

শুধু শিক্ষকতা নয়, সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রেও শ্রীনাথ চন্দ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ১৮৮০ সালে তিনি ‘সঞ্জীবনী’ পত্রিকা, ‘ময়মনসিংহ সভা’ এবং ‘সারস্বত সমিতি’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত হন। এসব প্রতিষ্ঠান ও প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি সমাজের শিক্ষিত ও সচেতন মানুষের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, সাহিত্যচর্চা, সামাজিক সংস্কার ও দেশীয় চেতনা জাগ্রত করার চেষ্টা করেন। তাঁর সাংবাদিকতা ছিল নিছক সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমাজের অসংগতি তুলে ধরা এবং মানুষকে সচেতন করাই ছিল তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।

১৮৯৭ সালে বাংলায় সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে শ্রীনাথ চন্দ মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নেন। বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ তাঁর সমাজসেবামূলক মানসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সমাজের কল্যাণকে তিনি নিজের ব্যক্তিগত দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সমগ্র বাংলায় যে স্বদেশী আন্দোলনের জোয়ার সৃষ্টি হয়, শ্রীনাথ চন্দও তাতে যোগ দেন। দেশীয় পণ্য ব্যবহার, জাতীয় চেতনা জাগ্রত করা এবং ব্রিটিশবিরোধী স্বদেশী ভাবধারার প্রসারে তিনি ভূমিকা রাখেন। এর মধ্য দিয়ে তাঁর সমাজসংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জাতীয়তাবাদী চেতনারও সমন্বয় ঘটে।

দীর্ঘ কর্মময় জীবনের পর ১৯০৬ সালে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তবে অবসর গ্রহণের পরও তাঁর সাহিত্য ও চিন্তাচর্চা থেমে যায়নি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে কাব্যগ্রন্থ ‘ভারত মিলন’ এবং স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ ‘ব্রাহ্মসমাজে চল্লিশ বছর’। তাঁর লেখায় সমাজ, ধর্ম, দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায়।

শ্রীনাথ চন্দের জীবন ছিল সংগ্রাম, শিক্ষা, সমাজসেবা ও আদর্শনিষ্ঠার এক অনন্য সমন্বয়।

১৯৩৮ সালের ২৩ জুলাই এই গুণী ব্যক্তিত্ব মৃত্যুবরণ করেন। সমাজসংস্কার ও মানবকল্যাণে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

পাবনার সেই নীলকুঠি বাড়িইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে যুগ যুগ ধরে। এই ইটের দেওয়ালে মিশে আছে নীল চাষীদের কান্না আর দীর্ঘ...
22/08/2026

পাবনার সেই নীলকুঠি বাড়ি
ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে যুগ যুগ ধরে। এই ইটের দেওয়ালে মিশে আছে নীল চাষীদের কান্না আর দীর্ঘশ্বাসের প্রতিধ্বনি। জীর্ণ প্রাসাদটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় অজানা অনেক কথা।

শামছি আরা সালাম-ঝর্না (কালিহাতী) সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠকশামছি আরা সালামের পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা...
21/08/2026

শামছি আরা সালাম-ঝর্না (কালিহাতী)
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক

শামছি আরা সালামের পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মালতী গ্রামে। তিনি জন্মগ্রহণ করেন বাবার কর্মস্থল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে ।

পিতা ডা. খন্দকার আব্দুল আলী ময়মনসিংহের লিটন মেডিকেল স্কুলের ( বর্তমান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ) প্রথম ব্যাচের (১৯১৮ সাল) ছাত্র ছিলেন। সরকারি চাকরিজীবী চিকিৎসক পিতার সাথে বিভিন্ন কর্মস্থলে বসবাস শেষে ১৯৫৯ সালে বাবা-মার সাথে থিতু হন টাংগাইল শহরের রেজিস্ট্রিপাডার বাবর কেনা নূতন বাড়িতে। মা রাবেয়া খাতুন একজন ছিলেন একজন সফল সমাজসেবী ও সার্থক জননী।

তিনি টাঙ্গাইলের মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজ (কাগমারী) থেকে বিএ পাশ করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিচার্স ট্রেনিং কলেজ হতে বিএড এবং এমএড ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৬৩ সালে তৎকালীন ইপিআইডিসির তরুন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম মোল্লার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে স্বামীর বিভিন্ন কর্মস্থলে বসবাসের এক পর্যায়ে ১৯৭০ সালে ঢাকার হাটখোলায় বর্তমান শেরে বাংলা গার্লস স্কুল এ্যান্ড কলেজে ( তৎকালীন নারীশিক্ষা মন্দির) শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বপালন করেন ।

তিনি ছোট গল্প ও কবিতা লেখার পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তিও করতেন। আবৃত্তি শিল্পী হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন । তাঁর লেখা, সাপ্তাহিক ‘বেগম ও ‘ঝিনুক’ পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হত।

তিনি চাকরি ও সাংসারিক জীবনের পাশাপাশি নানাবিধ কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। স্বামীর কর্মস্থল ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, যশোর, ফরিদপুর, নাটোর এবং দেওয়ানগঞ্জ চিনিকলে অবস্থানকালে তিনি মহিলা ক্লাব গঠন করেন এবং ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পদ অলঙ্কৃত করেন।

তিনি বাংলাদেশে ইনার হুইল আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন এবং নাটোর ও জামালপুরে ইনার হুইল ক্লাব গঠন করেন । সেখানেও তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ অলঙ্কৃত করেন ।

বিভিন্ন সময়ে দক্ষতা ও যোগ্যতার সঙ্গে যে পদগুলিতে কাজ করেছেন তা নিম্নরূপঃ ১৯৯৫-৯৬ সালে ইনার হুইল ডিস্ট্রিকট ও ২৪-I.S.O. (Internatinal Service Organizer হিসেবে, ১৯৯৬-৯৭ District Editor, ১৯৯৭-৯৮ District ট্রেজারার, ১৯৯৮-৯৯ District Secretary, এবং ২০০০-২০০১ এবং ২০০৩-২০০৪ Extension Organizer হিসেবে কাজ করেছেন ।

ভারতের ইনার হুইল ক্লাবস association এর আমন্ত্রণে ২০০৪ সালে ৫-৮ ফেব্রুয়ারি পুনরায় অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক কনফারেন্সে যোগদান করেছেন । ২০০৪ সালে ভারতে ইনার হুইল ক্লাবস association এর সম্পাদক মি. করুণাভল্লার আমন্ত্রণে তিনি এলাহাবাদে চেয়ারম্যান শিপ ট্রেনিং গ্রহণ করেন । যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীতে তিনি ইনার হুইল District ৩২৮ এর চেয়ারম্যান পদ লাভ করেন ।

তাঁর স্বামী আব্দুস সালাম মোল্লা বাংলাদেশ সুগার মিলস কর্পোরেশন সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার ছিলেন।

তিনি ২ কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের আদর্শ জননী । সন্তানেরা সবাই সুশিক্ষিত ।

বড় সন্তান শায়লা সালাম রুচি মাস্টার্স শেষ করে ব্যবসায় নিয়োজিত আছেন ।

পুত্র অধ্যাপক ডা. সারওয়ার ইবনে সালাম রোমেল অর্থোপেডিক সার্জন ও শিশু অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ। জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূনর্বাসন প্রতিষ্ঠান বা পংগু হাসপাতালের অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহন করেছেন।

ছোট কন্যা সায়মা সালাম রুনি মার্কিন নাগরিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স শেষ করে গত তিন দশক ধরে নিউ ইয়র্কে বসবাসরত এবং একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিতে কর্মরত আছেন।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

অভিনন্দন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মীর দেওহাটা গ্রামের কৃতি সন্তান ফিরোজ আল মামুন উপ সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তি...
21/08/2026

অভিনন্দন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মীর দেওহাটা গ্রামের কৃতি সন্তান ফিরোজ আল মামুন উপ সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি ৩১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা।

চলতি বছরের ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৭৭ জনকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তারমধ্যে তিনি রয়েছেন।

ফিরোজ আল মামুন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পদোন্নতিতে পরিবার, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষী তাঁর ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করেছেন।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

বঙ্গের আলীগড় খ্যাত সরকারি সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করটিয়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, বাংলাদেশ।
21/08/2026

বঙ্গের আলীগড় খ্যাত সরকারি সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
করটিয়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা, বাংলাদেশ।

অভিনন্দনটাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মঙ্গলহোড় গ্রামের কৃতি সন্তান রাসেল মিয়া বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন...
21/08/2026

অভিনন্দন
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মঙ্গলহোড় গ্রামের কৃতি সন্তান রাসেল মিয়া বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

তিনি বর্তমানে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রথম সচিব হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেছেন বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

অভিনন্দনউপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের ছেলে শেখ জোবায়ের আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ই-গভর্...
20/08/2026

অভিনন্দন
উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন টাঙ্গাইলের ছেলে শেখ জোবায়ের আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ই-গভর্নেন্স-২ শাখায় সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্বে ছিলেন।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ২৭৭ জন কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

শেখ জোবায়ের আহমেদ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র ।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

শিক্ষক থেকে বঙ্গভবনে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারশিক্ষক থেকে বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্...
20/08/2026

শিক্ষক থেকে বঙ্গভবনে
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার

শিক্ষক থেকে বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়েছেন এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ১৬৭ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মির্জা ফখরুল।

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। এর আগে তিনি ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ৫ম জাতীয় কাউন্সিলে আলমগীরকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আলমগীর তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি নবম সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন।

মির্জা ফখরুল ১৯৬০-এর দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র থাকাকালীন তার রাজনৈতিক অভিযান শুরু করেন। সেই সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্রসংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নে (ইপিএসইউ) যোগদান করেন। তিনি সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এসএম হল ইউনিটের মহাসচিব নির্বাচিত হন। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে উঠে আসেন এবং ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান তুঙ্গে ওঠার সময় সংগঠনের মর্যাদাপূর্ণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হন। রাজনৈতিক কারণে তাকে গ্রেপ্তার এবং কারাগারে পাঠানো হয়।

জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ
ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে তিনি নিরপেক্ষ প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেশব্যাপী এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে মির্জা ফখরুলকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়।

প্রাথমিক জীবন
১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণকারী ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করার পর, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (শিক্ষা ক্যাডারের) সদস্য হিসেবে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে সফল শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অন্য সরকারি দায়িত্বের মধ্যে, তিনি বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরে উপপরিচালক এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনে কাজ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৮২ সালে এস এ বারী পদত্যাগ করার পূর্ব পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকায় একটি বীমা কম্পানিতে কর্মরত। এই দম্পতির দুই মেয়ে মির্জা শামারুহ এবং মির্জা সাফারুহ। শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন এবং এই প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকার একটি একটি স্বনামধন্য স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।

মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি পদে আছেন। তিনিও ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র ছিলেন।

মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে জানাই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

মহারাণী হেমন্তকুমারী দেবী (১৮৬৯–১৯৪২)মানিকগঞ্জের কন্যা হেমন্তকুমারী দেবী রাজশাহীর মহারাজা প্রতাপনারায়ণের পত্নী হিসেবে এ...
20/08/2026

মহারাণী হেমন্তকুমারী দেবী (১৮৬৯–১৯৪২)
মানিকগঞ্জের কন্যা হেমন্তকুমারী দেবী রাজশাহীর মহারাজা প্রতাপনারায়ণের পত্নী হিসেবে এই অঞ্চলে আসেন। তবে তিনি শুধু একজন মহারাণী ছিলেন না, ছিলেন শিক্ষাব্রতী, সমাজসেবী ও দানশীলা।

🔸 শিক্ষা প্রসারে অবদান
তিনি রাজশাহী কলেজের ছাত্রদের জন্য “মহারাণী হেমন্তকুমারী হোস্টেল”, রাজশাহীতে “সংস্কৃত কলেজ” প্রতিষ্ঠা এবং অসংখ্য শিক্ষার্থীকে আর্থিক সাহায্য দেন। ছাত্রীদের জন্য আবাসিক হোস্টেল গড়ে তোলেন, যাতে মেয়েরা নিরাপদে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারে।

🔸 পানি সরবরাহ ও জনকল্যাণে অবদান
রাজশাহীর মানুষকে বিশুদ্ধ পানি দেওয়ার জন্য তিনি বিপুল অর্থ অনুদান দিয়ে “ঢোপকল” ব্যবস্থা চালু করেন, যা আজও শহরের ঐতিহ্যের অংশ।

🔸 দানশীলতা ও সমাজসেবা
বিধবা, অনাথ, অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন সর্বদা। হাসপাতাল, আশ্রম, মন্দিরসহ অসংখ্য জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়েছেন।

⚫ জীবনের শেষ অধ্যায়
জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর এই মহান দানশীল নারীর নিজের শেষ জীবন কেটেছিল আর্থিক টানাপোড়েনে, অনেক কষ্টে। অথচ তিনি ছিলেন রাজশাহীর অসংখ্য মানুষের আশীর্বাদস্বরূপ এক মহীয়সী নারী।

মহারাণী হেমন্তকুমারী শুধু রাজশাহীর ইতিহাস নয়, সমগ্র বাংলার নারীশক্তির এক উজ্জ্বল প্রতীক। বিনম্র শ্রদ্ধা।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

এক পরিবারের ৪ জন প্রতিবন্ধী মানবেতর জীবনযাপন ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! দরিদ্র কাঠমিস্ত্রী গোপাল চন্দ্র সূত্রধরের পরিবারের প...
18/08/2026

এক পরিবারের ৪ জন প্রতিবন্ধী
মানবেতর জীবনযাপন

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! দরিদ্র কাঠমিস্ত্রী গোপাল চন্দ্র সূত্রধরের পরিবারের পাঁচ জনের মধ্যে ৪ সদস্যই শারীরিক প্রতিবন্ধী। করেন মানবেতর জীবনযাপন।

তাদের বাড়ি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে। তিন মেয়েই লেখাপড়া করেন। গোপাল সূত্রধর শুধু সরকারি ভাতা পান।

কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে জীবন চালাতে তাদের কষ্টের সীমা নেই। সরকারি কিংবা বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন গোপাল সূত্রধর।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

Address

Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Kajal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category