Voice Of Kajal

Voice Of Kajal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Voice Of Kajal, Legal, Dhak, Dhaka.

23/06/2026

জীবনের চাকা ঘোরাতে জীবন গেল......
রাশিয়ায় গিয়ে মারা যাওয়ার পূর্বে করুণ আর্তনাদ শুনুন। বিদেশে পাঠানোর আগে সতর্ক সাবধান হওয়া দরকার।

জীবনের চাকা ঘোরাতে জীবন গেল মৃদুলেররাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত.....২৩ বছর বয়সী টাঙ্গাইলের কালিহাতীর মৃদুল খান গত জানুয়ারি...
23/06/2026

জীবনের চাকা ঘোরাতে জীবন গেল মৃদুলের
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত.....

২৩ বছর বয়সী টাঙ্গাইলের কালিহাতীর মৃদুল খান গত জানুয়ারি মাসে রাশিয়ায় যান। আশা ছিল পরিশ্রম করে জীবনের চাকা ঘোরাবেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! জীবনের চাকা ঘোরাতে গিয়ে জীবনই দিতে হলো তাকে।

রাশিয়ার সেনাবাহিনীর হয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ নিয়ে নিহত হয়েছেন মৃদুল খান (২৩)। রবিবার যুদ্ধে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

নিহত মৃদুল খান টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কোকড়হরা ইউনিয়নের পাছ-চারান গ্রামের সাঈদ খানের ছেলে। মঙ্গলবার তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মৃদুলের বাবা কৃষক সাঈদ খান বলেন, আমার দুই ছেলের মধ্যে মৃদুল বড়। উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল মৃদুল। তবে দীর্ঘ চেষ্টা করেও ইউরোপের ভিসা না পাওয়ায় অবশেষে চলতি বছর জানুয়ারির ২৯ তারিখে সে রাশিয়ায় যায়।

সেখানে সাধারণ কাজে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও পরে বিভিন্ন চাপে বাধ্য হয়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সময় হামলায় তার মৃত্যু হয়। প্রথমদিকে বিষয়টি গোপন রাখা হলেও রাশিয়ায় অবস্থানরত একই উপজেলার এলেঙ্গার মাইনে পা হারানো আরেক ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের কাছে মৃত্যুর খবর পৌঁছে দেন।

মৃদুলের বাবা আরো বলেন লাশ নাকি এখনো জঙ্গলে পড়ে আছে। মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি। সেইসাথে যারা যুদ্ধে যেতে বাধ্য করেছে সেই অপরাধীদের বিচার চাই।

মৃদুলের মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার বাড়িতে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী ছুটে আসেন। পরিবারের সদস্যদের কান্না ও আহাজারিতে পুরো এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম সিদ্দিক খান বলেন রাশিয়ায় মৃদুল খানের মারা যাওয়ার সংবাদ শুনেছি। আমাদের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে সকল সহযোগিতা করা হবে।

(ভয়েস অফ কাজল)

বিপ্লবী গণেশ ঘোষ (যশোর)(১৯০০-১৯৯২)---------------------------------------------------জন্ম যশোরের বিনোদপুরে ২২ জুন ১৯০০ স...
22/06/2026

বিপ্লবী গণেশ ঘোষ (যশোর)
(১৯০০-১৯৯২)
---------------------------------------------------
জন্ম যশোরের বিনোদপুরে ২২ জুন ১৯০০ সালে। পিতা বিপিনবিহারী ঘোষ ছিলেন চট্রগ্রামে রেলওয়ে কর্মচারি।

সংগ্রামী নেতা গণেশ ঘোষ একজন বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম যুগান্তর দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল সূর্য সেন ও অন্যান্য বিপ্লবীদের সঙ্গে তিনি চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনে অংশ নেন।

বিচারের পর ১৯৩২ সালে তাঁকে পোর্ট ব্লেয়ারে সেলুলার জেলে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯৪৬ সালে মুক্তিলাভের পর তিনি কমিউনিস্ট রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলে পড়াশোনা করার সময় বন্ধু অনন্ত সিং এর মাধ্যমে সূর্য সেনের সংস্পর্শে আসেন গনেশ ঘোষ। এরপর তিনিও বিপ্লবী দলে যোগ দেন।

১৯২১ সালে অসহযোগ আন্দোলনে অংশ নিয়ে স্কুল-কলেজ, চট্টগ্রামের বার্মা ওয়েল মিল, স্টিমার কোম্পানি, আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ে ইত্যাদি ধর্মঘটে সক্রিয় অংশ নেন।

১৯২২ সালে কলকাতায় এসে ভর্তি হন বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে (বর্তমানে যাদবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ)। সেখানে পড়াশোনা করার সময়েই ১৯২৩ সালে বোমা বানানোর অভিযোগে গ্রেফতার হন। কিন্তু সেবার তিনি প্রমাণ অভাবে মুক্তি পান। ১৯২৪ সালে ভারত রক্ষা আইনে গ্রেফতার হয়ে চার বছর জেলে বন্দি থাকেন।

১৯২৮ সালে সূর্য সেনের নেতৃত্বে আরও কয়েকজনের সঙ্গে কলকাতায় কংগ্রেস অধিবেশনে যোগ দেন। এই অধিবেশনে সুভাষচন্দ্র বসু যে বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স দল গঠন করেছিলেন, তার আদলে মাস্টারদার চট্টগ্রামের দলে তিনি জিওসি হন।

১৯২৯ সালে চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসে নির্বাচিত হওয়ার পর সূর্য সেন যে ‘বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেছিলেন, গণেষ ঘোষ ছিলেন তাঁর পাঁচ সদস্যের অন্যতম সদস্য। অপর সদস্যরা হলেন মাস্টারদা নিজে, অম্বিকা চক্রবর্তী, নির্মল সেন ও অনন্ত সিং।

পরে পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের নাম পাল্টে ‘ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি, চট্টগ্রাম শাখা’ রাখা হয়। পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন অভিযান সংগঠিত হয়।

এই অভিযানে গণেশ ঘোষ ছিলেন ফিল্ড মার্শাল। পরে ঘটনাচক্রে তিনি অপর কয়েক জন সঙ্গীর সঙ্গে বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ২২ এপ্রিল কলকাতার পথে রওনা হন।

ফেনী স্টেশনে রেলওয়ে পুলিশের হাতে বন্দী হলেও তাঁরা পালাতে সক্ষম হন। কলকাতায় যাবার পর যুগান্তর দলের সহায়তায় তাঁদের চন্দননগরে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

১৯৩০ সালের ১ সেপ্টেম্বর চন্দননগর সংঘর্ষের ঘটনায় অন্যান্য কয়েকজনের সঙ্গে গণেশ ঘোষও বন্দি হন। এই ঘটনায় শহীদ হন কিশোর বিপ্লবী জীবন ঘোষাল।

১৯৩২ সালে অস্ত্রাগার লুণ্ঠন মামলায় দণ্ডিতদের সঙ্গে তাঁকেও সেলুলার জেলে চালান করা হয়।

১৯৪৬ সালে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। ১৯৬৪ সালে কমিউনিস্ট পার্টি বিভাজনের পর তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) নামে নবগঠিত দলটিতে যোগদান করেন। পার্টি নিষিদ্ধ হলে তিনি ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত কারারুদ্ধ থাকেন।

১৯৫২, ১৯৫৭ ও ১৯৬২ সালে তিনি বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে দক্ষিন কলকাতার লোকসভা কেন্দ্র থেকে লোকসভাতেও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

১৯৭০ সালে মাস্টারদা সূর্য সেনের সহকর্মী ও অনুরাগীদের নিয়ে গঠিত ‘বিপ্লবতীর্থ চট্টগ্রাম স্মৃতি সংস্থা’র সভাপতিত্বের ভার গ্রহণ করেন।

বলিউডে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন নিয়ে আশুতোষ গোয়ারিকরের পরিচালনায় 'খেলে হাম জি জান ছে' শীর্ষক একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে ২০১০ সালে, যার অন্যতম প্রধান চরিত্র বিপ্লবী গণেশ ঘোষ।

এই ছবিতে তাঁর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের শিল্পী সম্রাট মুখার্জী। ২২ ডিসেম্বর ১৯৯২ সালে বিপ্লবী গণেশ ঘোষ মৃত্যুবরণ করেন।

(ভয়েস অফ কাজল)

শৈলেন ঘোষের বাড়িবর্তমানে সানফ্লাওয়ার স্কুল, ৩৪, লোয়ার যশোর রোড, খুলনা
21/06/2026

শৈলেন ঘোষের বাড়ি
বর্তমানে সানফ্লাওয়ার স্কুল, ৩৪, লোয়ার যশোর রোড, খুলনা

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়....পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের পাইকগাছা উপজেলার বাড়ুলী গ্রামে অবস্থিত। বা...
20/06/2026

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়....
পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের পাইকগাছা উপজেলার বাড়ুলী গ্রামে অবস্থিত। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলোর একটি।

প্রফুল্ল চন্দ্র রায় (১৮৬১–১৯৪৪) ছিলেন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ এবং Bengal Chemical & Pharmaceutical Works-এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি এই রাড়ুলি গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

বাড়িটি কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী রাড়ুলি গ্রামে অবস্থিত। সদরমহল, নাটমন্দির ও কাচারি ভবনের অংশ বর্তমানে সংরক্ষিত প্রত্নসম্পদ হিসেবে বিবেচিত। ১৯৯৬ সালে বাড়ির গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আসে। বাড়ির সামনে বিজ্ঞানীর একটি স্মৃতিস্তম্ভও রয়েছে।

(ভয়েস অফ কাজল)

মৃত্তিকার কবি আল মুজাহিদী আর নেই......একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি এবং দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সাহিত্য সম্পাদক আল মুজাহিদী...
19/06/2026

মৃত্তিকার কবি আল মুজাহিদী আর নেই......
একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি এবং দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সাহিত্য সম্পাদক আল মুজাহিদী মারা গেছেন। শুক্রবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যাসহ হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন কবি আল মুজাহিদী। এপ্রিলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি ছিলেন।

কবির পুরো নাম- হিশাম আল মুজাহিদী। ১৯৪৩ সালে তিনি টাঙ্গাইলের নারুচি গ্রামের আবদুল হালিম জামালী ও সাখিনা খান-এর ঘরে আলোকবর্তিকা হয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য কবি ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ষাটের দশকের কবি হিসাবে চিহ্নিত। তিন দশকেরও অধিক সময় ধরে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সহকারি সম্পাদকের দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মৃত্তিকার কবি হিসেবেও সুপরিচিত ছিলেন।

কবিতা ছাড়াও তিনি গল্প, উপন্যাস, সমালোচনা ইত্যাদি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রেখেছেন। শিশু সাহিত্যেও তার অবদান উল্লেখযোগ্য। তার গ্রন্থ সংখ্যা শতাধিক। তিনি বাংলার পাশাপাশি উর্দু, হিন্দি ও ইংরেজিতে বক্তৃতা প্রদানে পারদর্শি ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে বাংলা সাহিত্য এবং সমাজবিজ্ঞানে মাস্টার্স করেন।

পুরস্কার পেয়েছেন- জীবনানন্দ দাশ একাডেমী পুরস্কার, কবি জসীমউদ্দীন একাডেমী পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন একাডেমী পুরস্কার, শেরে বাংলা সংসদ পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু সাহিত্য সংসদ পুরস্কার, লেখালেখি সাহিত্য পুরস্কার। এছাড়াও তাকে ২০০৩ সালে একুশে পদক ও ২০১৮ সালে বাসাসপ পদকে তাঁকে ভূষিত করা হয়।

কবির মৃত্যুতে বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর শোক জানাচ্ছি। ছবিটি ২০১৬ সালে একটি কবিতা উৎসবে তোলা।

18/06/2026

এই ক্ষুদেরাই সকলের গর্ব........
প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় (বালিকা) জাতীয় পর্যায়ে ৩য় স্থান অর্জন করেছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। (ভয়েস অফ কাজল)

কবি অসীম সাহা (মৃত্যু বার্ষিকী) একুশে পদকপ্রাপ্ত ----------------------------------------------------অসীম সাহা আমাদের বা...
18/06/2026

কবি অসীম সাহা (মৃত্যু বার্ষিকী)
একুশে পদকপ্রাপ্ত
----------------------------------------------------
অসীম সাহা আমাদের বাংলা ভাষা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও ঔপন্যাসিক।

বাংলাদেশের কবিতায় অসীম সাহা শুধু একটি নামই নয় একজন কবি-শিল্পীর প্রতিকৃতি, একজন কিংবদন্তি। কবিতা ছাড়াও অসংখ্য ঋজু গদ্য রচনা করেছেন তিনি।

বাংলা সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০১২ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ২০১৯ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

জন্ম ১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেত্রকোনা জেলায় মাতুলালয়ে। তাঁর পৈত্রিক নিবাস মাদারিপুর। পিতা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক।

অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। স্নাতক সম্পন্ন করে তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন।

১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তাঁর স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে গেলে ১৯৭৩ সালে সে ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।

পূর্ব-পৃথিবীর অস্থির জ্যোৎস্নায়, কালো পালকের নিচে, পুনরুদ্ধার, উদ্বাস্তু, মধ্যরাতের প্রতিধ্বনি, অন্ধকারে মৃত্যুর উৎসব, মুহূর্তের কবিতাসহ বেশকিছু মূল্যবান গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। অনুবাদ করেছেন অক্টাভিও পাস ও ডেরেক ওয়ালকটের কবিতা।

কবি অসীম সাহা দীর্ঘদিন অসুস্থতা ও বিষণ্ণতায় ভুগেন। ১৮ জুন ২০২৪ এর বিকেলে ঢাকাশ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বরেণ্য কবির মৃত্যু বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

(তাঁরা আমাদেরও
ভয়েস অফ কাজল)

প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা–২০২৬.....বিতর্ক প্রতিযোগিতা (বালিকা) জাতীয় পর্যায়ে ৩য় স্থান অর্জন করেছে টাঙ্গাইল জেলার ভ...
18/06/2026

প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা–২০২৬.....
বিতর্ক প্রতিযোগিতা (বালিকা) জাতীয় পর্যায়ে ৩য় স্থান অর্জন করেছে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলা দল।

ভূঞাপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অভিনন্দন ও শুভ কামনা রইলো ( ভয়েস অফ কাজল)

Address

Dhak
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice Of Kajal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category