Ar law lab এ আর ল' ল্যাব

Ar law lab  এ আর ল' ল্যাব প্রোপারটিস,ফৌজদারি ও দেওয়ানী,ইনকাম টেক্স এর সমাধান ও পরামর্শ প্রদান করি

09/10/2025

ঘুম যখনই ভাঙ্গে শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা আদায় করুন সৃষ্টিকর্তার আপনার জন্য আরেকটা দিন দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ
বহু মানুষ প্রায় ১,৫০,০০০/ দেড় লাখ মানুষ সারা দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় গড়পড়তায়, আমাদের বাচিয়ে রেখেছেন

কে কোথা থেকে যুক্ত আছেন আমার এই পেইজের সাথে?  আমি এডভোকেট আরিফুর  রহমান মাঝী , গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।।
29/04/2025

কে কোথা থেকে যুক্ত আছেন আমার এই পেইজের সাথে? আমি এডভোকেট আরিফুর রহমান মাঝী , গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।।

নামজারি : নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।না...
07/11/2024

নামজারি :
নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।

নামজারির প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

নামজারি করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস।
1. জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
2. এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
3. ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
4. ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
5. বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
6. মোবাইল নাম্বার
7. এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
8. কর/খাজনার রশিদ

✅ ১ম ধাপঃ
সকল ডকুমেন্ট নিয়ে mutation.land.gov.bd প্রবেশ করে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

✅ ২য় ধাপ:
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

✅৩য় ধাপ: এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

নামজারি প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

নামজারি খতিয়ান আবেদন বিষয়ক তথ্যের জন্য কলসেন্টারের 16122 নম্বরে অথবা ভূমিসেবা সংক্রান্ত সমস্যা জানানোর জন্য hotline.land.gov.bd লিংক ব্যবহার করুন।

‘অচল মামলা সচল করা’র গল্প!(যারা বুঝাপড়া না করেই মামলা করতে চান!  তারা সময় নিয়ে হলেও গল্পটা পড়বেন)‘গাজী সেরাজদ্দিন', দাদা...
01/06/2024

‘অচল মামলা সচল করা’র গল্প!
(যারা বুঝাপড়া না করেই মামলা করতে চান! তারা সময় নিয়ে হলেও গল্পটা পড়বেন)

‘গাজী সেরাজদ্দিন', দাদার আমলে অনেক জায়গা-সম্পত্তি ছিল। বাবার আমলেই বিক্রি শুরু। নিজের আমলে তলানিতে তলিয়ে যায় সম্পত্তি। পাতিলের তলার ভাতে যে কারণে ‘কণা’ থাকে সে কারণে তলানির সম্পত্তিতেও সমস্যা থাকে। গাজী সেরাজদ্দিন মামলা করতে আসেন সদরে। এক আইনজীবী কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন ‘মামলা চলে না’। আইনজীবীর কথায় সেরাজদ্দিন খুশি হয়নি। কাগজপত্র ফেরত নিতে চাইলেই, আইনজীবী সাহেব,
- আমার পরামর্শ ফি?
- আমি তো আপনার পরামর্শ নিলাম না।
- কাগজপত্র পরীক্ষা করতে গিয়ে আমার সময় নষ্ট হয়েছে, সেই সময়ের মূল্য?
- সময় নষ্ট তো আমারও হয়েছে।

বে-কায়দায় পড়ে গেলে কোনো উকিলই মক্কেলের সাথে কথায় কুলিয়ে উঠতে পারেন না। মক্কেল কাগজপত্র নিয়ে চলে গেল পাশের চেম্বারে। পাশের চেম্বারে লোকজন গিজগিজ করছে। বাবার সাথে মাঝে মাঝে সদরে আসার কারণে সেরাজদ্দিনকে অনেকেই চেনে। উকিল সাহেবের নজর পড়তেই,
- গাজী সাহেব কী কারণে সদরে?
- আর বলবেন না, এক মাঠে মড়া উকিলের কাছে এসেছিলাম মামলা করতে। আমার দিনটাই মাটি করে দিলো। সারা দিন কাগজ নাড়াচাড়া করে এখন কয়, মামলা চলে না।
- কে বলে মামলা চলে না। চালাতে জানলেই চলতে শুরু করবে। খরচপাতি একটু বেশি লাগে, এই আর কী!

বেশি খরচ দিতেই চলতে শুরু করে মামলা। অচল মামলা সচল রাখতে গিয়ে উকিল সাহেব কখনো চঞ্চল, কখনো অস্থির এবং কখনো গম্ভীর হয়ে উঠতেন। উকিল সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে এরকম বিপরীত আচরণ করতেন সেরাজদ্দিনও। উকিল সাহেবের অস্থির ভাব দেখে স্বস্তির ভাব নিয়ে মামলার হালচাল জানতে চাইত সেরাজদ্দিন। উত্তরে আইনজীবী,
- অচল মামলা তো, বড় কষ্ট করে সচল রাখতে হচ্ছে।

সেরাজদ্দিনও মানুষ, হাবভাব দেখেই উকিল সাহেবের কষ্ট বুঝতে পারেন। উকিলের কষ্ট বুঝতে পারেন বলেই অন্যান্য মক্কেল যেখানে ১০ টাকা খরচ করে, সেখানে সেরাজদ্দিন খরচ করেন ২০ টাকা। নিজের পেটের খরচ কমিয়ে উকিল সাহেবের খরচ বাড়িয়ে দেন। বছর পাঁচেক পর মামলা দো-তরফাসূত্রে খারিজ হয়ে যায়।
- এত ভালো মামলা খারিজ হয়ে গেল?
উকিল সাহেবের মুখের দিকে তাকিয়ে বিস্মিত কণ্ঠে প্রশ্ন করেন সেরাজদ্দিন।
- হাকিম মামলা বোঝে না।
বিজ্ঞের মতো উত্তর দেয় বিজ্ঞ আইনজীবী।
- এখন কী করতে হবে?
বিষণ্ণ বদনে প্রশ্ন করেন সিরাজদ্দিন।
- আপিল করতে হবে।
বিজ্ঞের মতো উত্তর দেন আইনজীবী সাহেব।

আপিল দায়ের করতেই আবার চলতে শুরু করে মামলা। উভয় কোর্টের উকিল এক ব্যক্তি হলে কী হবে, নিম্ন আদালত আর আপিল আদালত এক নয়। আপিল আদালত বড় আদালত, খরচও বড়। সর্ব প্রকারের খরচ বাড়িয়ে দেয়া সত্ত্বেও উকিল সাহেবের খাটাখাটির কোনো মূল্যায়ন না করে বছর কয়েক পর বিজ্ঞ বিচারক নির্মমভাবে আপিলও খারিজ করে দেন।
-ওদের (হাকিমদের) মাথায় কিচ্ছু নেই। কী বই পড়ে হাকিম হয়েছে, বুঝতে পারলাম না। আমার ক্ষমতা থাকলে এসব মাথাবিহীন হাকিমদের বান্দরবান পাঠিয়ে দিতাম।

সেরাজদ্দিন কৈফিয়ৎ চাওয়ার আগেই সেরাজদ্দিনকে শুনিয়ে প্রচণ্ড ক্ষোভ নিয়ে হাকিমের মাথা ও বিদ্যা-বুদ্ধির স্বল্পতা নিয়ে অনেক কথা বলেন বিজ্ঞ আইনজীবী সাহেব। আবার আপিল হয়। আবার খারিজ হয়, হয় রিভিশনও। রিভিশনও শেষ হয়। এক দিন শেষ হয় দেশের সর্বোচ্চ আদালতও। মামলা চলাকালে মক্কেলের জ্বালা উকিল বুঝল- উকিলের জ্বালা মক্কেল বুঝল। দু’জনের মিলিত জ্বালা গত ২২ বছরেও বুঝল না বিচারক। মামলা সাথে সাথে জোয়ান সেরাজদ্দিন গাজীর টানটান চামড়াও ঢিলেঢালা হয়। ‘গাজী সেরাজদ্দিন’ নামটিও একসময় সংক্ষিপ্ত আকারে হয়ে পড়ে ‘ছিরোগাজী’।

শেষ বিচারের ভার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়ে এখন উকিলের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পালা। এক থলে কাগজপত্র নিয়ে গাজী সেরাজদ্দিন সে-ই আইনজীবীর চেম্বারের সামনে দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছিল, যে-ই আইনজীবী বলেছিলেন, মামলাটি চলে না। সেদিন প্রথম আইনজীবীর পারিশ্রমিক না দিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে চলে গিয়েছিল সেরাজদ্দিন। প্রথম আইনজীবীর অবজারভেশন যে সঠিক ছিল, তা প্রমাণের জন্য মামলার ওপর পরোক্ষ নজর রাখতেন প্রথম আইনজীবীও। গাজী সেরাজদ্দিন ছিরোগাজী খেতাবসহ দ্বিতীয় আইনজীবীর চেম্বার থেকে বিদায় হয়ে যাওয়ার সময় খোঁচা দিয়ে,
- গাজী সাহেব, মামলার খবর কী?
প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই হন্ হন্ করে বের হয়ে যায় ছিরোগাজী। উত্তর দেন দ্বিতীয় আইনজীবী। কারণ, প্রথম আইনজীবীর কথার খোঁচা লেগেছিল দ্বিতীয় আইনজীবীর গায়েও। দ্বিতীয় আইনজীবী প্রথম আইনজীবীর কাছে এসে,
- আপনি তো বলেছিলেন ‘মামলাই চলে না’। আমি ২২ বছর চালাইলাম। জুনিয়ার থেকে সিনিয়র হলাম, ছেলে-মেয়ে মানুষ করলাম, বাড়ি করলাম, গাড়ি করলাম, (বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখের কাছে নিয়ে) আপনি কী করছেন?

- (দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে, মনে মনে) ঠিকই তো, মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেল, কিছুই তো করতে পারলাম না।
অচল মামলা সচল রাখতে কোনো কোনো আইনজীবীর ভাগ্যের চাকা খুলে গেলেও বন্ধ হয়ে পড়ে ক্লায়েন্টের জীবনের চাকা। ‘গাজী সেরাজদ্দিন’ সুন্দর নামটিও মামলাবাজ ‘ছিরোগাজী’তে রূপান্তর হয়ে এলাকায় হয়ে পড়েছিলেন উপহাসের পাত্র।
---------------------------------------------

এবার সিদ্ধান্ত আপনাকে নিতে হবে। ফি দিয়ে সঠিক পরামর্শ নিবেন নাকি চটকদার, মিষ্টি কথায় মুগ্ধ হয়ে ২২ বছর পার করে শূন্য হাতে বাড়ী ফিরবেন। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হলো মানুষ উচিত কথা শুনতে পছন্দ করেনা। উচিত কথা বললে মামলা মোকদ্দমা পাওয়া যায় না বা কম পাওয়া যায়। বরং মক্কেল যে প্রাপ্তি সংবাদ শুনতে চায়, সেটা বললে উপরের ঘটনার মত বেশী ফি আদায় করা যায়।

সংগ্রহ

আইনজীবী হলেন 'আইন ব্যবসায়ী', যিনি একজন অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি, সলিসিটর বা আইনি উপদেশক। আইনজীবী মূলত আইনের ত...
23/05/2024

আইনজীবী হলেন 'আইন ব্যবসায়ী', যিনি একজন অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার, অ্যাটর্নি, সলিসিটর বা আইনি উপদেশক। আইনজীবী মূলত আইনের তাত্ত্বিক বিষয়গুলির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তির বা সংস্থার আইনি সমস্যার সমাধানের কাজ করে থাকেন।

17/03/2024

জমিতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আছে কিনা জমি ক্রয়ের আগে www.land.gov.bd তে গিয়ে মর্টগেজ তথ্য যাছাই করে নিতে পারেন।

সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ---টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন...আশা  করি উপকৃত হবেন ... #সার্টিফিকেট_কেস ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়ার দায়ে আপনার...
17/03/2024

সংক্ষিপ্ত তথ্যঃ---টাইম লাইনে রেখে দিতে পারেন...আশা করি উপকৃত হবেন ...
#সার্টিফিকেট_কেস
ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়ার দায়ে আপনার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট কেস হতে পারে। এতে আপনার বাপ দাদার ভোগ দখলকৃত জমি নিলাম হয়ে যেতে পারে। সুতরাং এ দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করুন। প্রয়োজনে সার্টিফিকেট অফিসার/সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
#খতিয়ান_হলো জরিপ শেষে প্রস্তুতকৃত জমির লিখিত হিসাবের দলিল এখানে জমির পরিমাণ, মালিক ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষিত থাকে
- সিএস (CS)-এর পূর্ণরূপ- Cadastral Survey.
- CS জরিপ সম্পন্ন হয়- ১৯১০-১৯২০.
- SA খতিয়ান-এর পূর্ণরূপ- State Acquisition খতিয়ান
- SA খতিয়ান প্রস্তুত হয় ১৯৫৬ সালে
- ২০ বছর পর পর ভূমি জরিপ (ভূমিশুমারি) করা হয়
- বাংলাদেশে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ আইন পাস হয় ১৯৫০ সালে
- আরএস খতিয়ান মানে হলো Revisional Survey.
- RS খতিয়ান তৈরি হয় এসএ খতিয়ানের অধীনে
- নামজারি অর্থ হলো জমির সর্বশেষ মালিকের নামে দলিলপত্র হালনাগাদ করা
- কোনো পরিবার বা সংস্থা ১০০ বিঘার বেশি জমি দখলে রাখতে পারবে না
- ১০০ বিঘা সমান ৩৩.৩৩ একর
- ভূমির পরিমাপ হলো ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক, কাঠা, বিঘা ও একর
- ভূমির যদি দৈর্ঘ্য প্রস্থে ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে ১ একর হবে
- ৪৮৪০ বর্গগজে ১০০ শতাংশ বা ১ একর,১ শতাংশ সমান ৪৩৫.৬ বর্গফুট ভূমি
ধন্যবাদ,

08/03/2024

আমাদের হয়রানি শেষ কোথায়,
নাম-ওমর ফারুক পিতা-জয়নাল আবদিন, জেলা ময়মনসিং
অথচ তাঁর ভোটার আইডি কার্ডে কি আসছে নাম মিল দেখে মো -ফারুক এর পিতা মাতা স্ত্রী ও বয়স এবং জেলা জামালপুর ৫টা তথ্যা পরিবর্তন করে দিয়েছে মাট পর্যায়ে এর নির্বাচন কমিশনে নিয়োগকৃত কর্মচারীরা, ভুল সংশোধন করতে গেলে ওমর ফারুক কে দীর্ঘ দুই বছর দুই টা তদন্ত করেছেন উক্ত তদন্ত কর্মকর্তা সুপারিশ করেছেন
ওমর ফারুক এর সংশোধন আবেদন যুক্তি্যুক্ত সংশোধন করা যায় কিন্তু #মহাপরিচালক মহোদয় জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন সংশোধনী আবেদন টি বাতিল করে দিয়েছেন।
তাঁর কোন রকম স্বাক্ষাতকার না নিয়ে
এখন তাঁর সামনে উচ্চ আদালতে যাওয়া ছাড়া আর কোন পথ আছে...?




কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নকশা।এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া ...
02/03/2024

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।

সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,

১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

ঢাকা তেজগাঁও সাতরাস্তা ভুমি অফিসে সকালে আবেদন করে বিকেলে ম্যাপ সংগ্রহ করতে পারবেন।

রেকর্ড থেকে ম্যাপে জমির পরিমান  কম হলে  করণীয় কি?রেকর্ড এর চাইতে ম্যাপে জমি কম হলে একটা সমাধান হলো পেন্টাগ্রাফ ম্যাপিং ...
29/02/2024

রেকর্ড থেকে ম্যাপে জমির পরিমান কম হলে করণীয় কি?

রেকর্ড এর চাইতে ম্যাপে জমি কম হলে একটা সমাধান হলো পেন্টাগ্রাফ ম্যাপিং পদ্ধতি ব্যবহার করা। আমরা অনেকেই পেন্টাগ্রাফ ম্যাপিং পদ্ধতি সম্পর্কে জানিনা। পেন্টাগ্রাফ ম্যাপ ব্যবহার করলে খুব সহজেই বুঝা যায় ম্যাপে জমি কম হলে উক্ত জমি কোন দাগে আছে। কারন অনেকেই বুঝতে পারে না যে ম্যাপে জমি কম হলে কার বিরুদ্ধে মামলা করবে বা কোন দাগের বিরুদ্ধে মামলা করবে। আপনি যদি পেন্টাগ্রাফ ম্যাপ ব্যবহার করেন তাহলে খুব সহজেই এস.এ এবং বি.এস মৌজা ম্যাপ তুলনা করে বুঝতে পারবেন আপনার জমিটা কোন দাগে ঢুকেছে।

Address

31 Court House Street, Kotowali
Dhaka
1100

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 15:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801911620096

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ar law lab এ আর ল' ল্যাব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ar law lab এ আর ল' ল্যাব:

Share