NAS & Associate

NAS & Associate NAS & Associate is a law & consulting firm. we are ensure ur law support. we are help u, make decis

27/05/2024
14/09/2022

#নোটারী

of Notarizing a Document

Notarization is likewise referred as “notarial acts”. It consists of a three-part process through a notary public that consists of vetting, certifying and record keeping. It is essentially the official procedure to prevent fraud and guarantee the parties in the transaction that the document notarized, is genuine. Mostly, files required in banking transactions or court documents are mandatory to be notarized.

Who Can Notarize?

A practicing lawyer having experience of at least 10 years and 7 years for SC, ST category candidates and women candidates may become a notary public in India. A person who has served as a member of judicial services or has held office under state/central government with a position requiring special knowledge of law is also eligible to become a notary public in India.



of Notarization

A notarized document enables to confirm that you are the only signing the document. So, the sole purpose of notarizing a document is to save you any kind of document fraud and or identity theft through preventing someone from presenting a cast document. A notarized letter which is certified through a notary public additionally helps in protecting the rights of the citizens who might otherwise be exploited and also a lot of court proceedings may be avoided if the document of a transaction is certified by a notary.

26/07/2022

আয়কর বর্ষ ২০২২-২০২৩ এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন -

ব্যক্তিগত তথ্য :
1. Photocopy of E-TIN certificate.
2. Photocopy of NID.
3. 1 copy Passport size photo

চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2021 to 30-06-2022.
3. Provident fund info. (if any)

ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট

বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S (যদি থাকে)
2. Insurance certificate (যদি থাকে).
3. Share Market Investment (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র - (যদি থাকে)

সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
2. Land, Car , Furniture , Electronics, etc. (যদি নিজের নামে থাকে)
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Loan (যদি নিজ নামে হয়)।

বি দ্রঃ যদি আপনি আগে রিটার্ন জমা দিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ঐ রিটার্নের এক কপি সাথে নিয়ে আসবেন।

30/06/2022

এখন আর শুধুমাত্র ১২ ডিজিটের টিআইএন (TIN) কপি জমা দিলেই হবে না,আয়,ব্যয়,বিনিয়োগ,ব্যবসা, স্হাবর ও অস্হাবর সম্পদের হিসাব সম্বলিত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে বাধ্যতামূলক।...….................................................................
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে টিআইএন (TIN) জমার পাশাপাশি সেসব সুবিধা নিতে আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমার প্রাপ্তিস্বীকার পত্র (Acknowledgement Slip) / আয়কর প্রত্যয়ন সনদ জমা দিতে হবেঃ

১. সঞ্চয়পত্র ক্রয়: পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্রর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ দেখাতে হবে। যেখানে তিনি সঞ্চয়পত্র কেনার আবেদন করবেন, সেখানেই রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

২. ব্যাংক ঋণ: কোন ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি ঋণ নেয়ার আবেদন করলে আয়কর রিটার্নের প্রমাণপত্র দিতে হবে।

৩. ব্যাংকে জমা: ব্যাংক জমার সুদ আয় থেকে উৎস কর কর্তনে টিআইএন সনদ থাকলে ১০ শতাংশ কাটা হয়ে থাকে। না থাকলে ১৫ শতাংশ কাটা হয়। এখন থেকে টিআইএনের পরিবর্ততে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। তাহলেই তিনি ওই সুবিধা পাবেন। না হলে বেশি উৎস কর দিতে হবে।

৪. জমি-ফ্ল্যাট ক্রয়: সিটি কর্পোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ১০ লাখ টাকা বেশি মূল্যের জমি বা ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি, বিক্রি, দলিল হস্তান্তর, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিতে হলে এতদিন শুধুমাত্র টিআইএন সার্টিফিকেট জমা দিতে হতো। কিন্তু এখন থেকে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রি অফিসে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।

৫. ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ: যেকোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে এখন থেকে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। নাহলে মিলবে না ক্রেডিট কার্ড।

৬. গাড়ি ক্রয়, মালিকানা পরিবর্তন: দুই বা তিন চাকা ছাড়া যেকোনো মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে রিটার্ন জমা স্লিপ দেখাতে হবে। আগে শুধুমাত্র টিআইএন দিতে হতো, কিন্তু এখন থেকে রিটার্ন দাখিলের কপি দিতে হবে।

৭. ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ানো: সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদর, পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যদের আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের আওতায় ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করাতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ জমা দিতে হবে।

৮. গ্যাসের সংযোগ: দেশের যেকোনো স্থানে বাণিজ্যিক বা শিল্প কারখানায় গ্যাসের সংযোগ নিতে হলে এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসা বাড়ির গ্যাসের সংযোগ নিতে বা আগের সংযোগ বজায় রাখতে হলে রিটার্ন জমার স্লিপ বা সনদ লাগবে।

৯. বিদ্যুৎ সংযোগ: সিটি কর্পোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হলে রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র জমা দিতে হবে। গ্রাম বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে অবশ্য এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

১০. বাড়িভাড়া: জমি বা বাড়ি ভাড়া দিয়ে অনেকে আয় করে থাকেন। আয় যাই হোক না কেন, এই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১১. সরকারি আয়: সরকার বা সরকারি কোন সংস্থা, কর্পোরেশন থেকে বেতন হিসাবে মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

১২. বেসরকারি বেতন: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেয়ার সময় বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

১৩. এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অংশ বা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আয় মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

১৪. নকশার অনুমোদন: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী শহরে ভবন নির্মাণের অনুমোদন চাইলে আবেদনপত্রের সঙ্গে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

১৫. জনপ্রতিনিধি: জাতীয় সংসদ, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলায় কোন নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১৬. ফান্ডের রিটার্ন: পেনশন ফান্ড, অনুমোদিত গ্র্যাচুইটি ফান্ড, স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড, অনুমোদিত সুপার এন্যুয়েশন ফান্ড এবং শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ছাড়া অন্যান্য ফান্ডের রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৭. ট্রেড লাইসেন্স: সিটি কর্পোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। তবে এর বাইরের অন্যান্য এলাকায় এই নিয়ম প্রস্তাব করা হয়নি।

১৮. ডিজিটাল পণ্য ও সেবা: ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।

১৯. মোবাইল ব্যাংকিং: মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অথবা ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ হস্তান্তরে কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে হলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

২০. সমবায় সমিতি: সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় কোন সমিতি বা ক্লাব গঠিত হলে বা এ ধরণের ক্লাবের সদস্য হলে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।

এছাড়া আরও যেসব সেবা পেতে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেগুলো হলোঃ
# ডাক্তার, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি ইত্যাদি পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য হলে বা সদস্য হতে চাইলে
# পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট,জনবল বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
# বিবাহ নিবন্ধক বা কাজী হিসাবে লাইসেন্স পেতে
# আমদানি-রপ্তানির সনদ পেতে চাইলে
# আমদানির এলসি খুলতে চাইলে
# কোম্পানি পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার পদ পেতে
# ব্যবসা বা বাণিজ্য সংগঠনের বা সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ
# বীমা কোম্পানির এজেন্ট হিসাবে তালিকাভুক্তি বা নবায়ন করতে
# বীমা বা সার্ভেয়ার হিসাবে নিবন্ধন নিতে
# অস্ত্রের লাইসেন্স নেয়ার আবেদন করলে
# ওষুধ ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স থাকলে বা করাতে
# অগ্নি-নিরাপত্তা লাইসেন্স,
# পরিবেশ ছাড়পত্র
# বিএসটিআই লাইসেন্স পেতে চাইলে
# লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, কার্গো, বার্জ ইত্যাদি নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটের জন্য
# ইটভাটার অনুমোদন নিতে হলে
# পরিবহন সেবার ব্যবসা করলে
# কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর বা এজেন্টশিপ চাইলে।
# পণ্য সরবরাহের ঠিকাদারী।

26/06/2022

is e certificate?
e TIN certificate approach an electronic tax identity number. In Bangladesh, you need to pay text on the basis of your yearly income. Every year the government selects a range of income and if anyone except for that specific income amount then he or she has to pay income tax.

do you need e tin certificate?
There are many reasons why you need e tin certificate in Bangladesh. One of the main is to prove that you are giving income tax properly. Hence, you must have an authentic e tin certificate for this purpose. You need to give a copy of t e tin certificate in case you got it from tax authority authorities. It will be good to provide information on your monthly or annual income information so that a proper fine is levied against you which will not make any future issues on accountability and transparency.

Moreover, TIN Certificate is mandatory in order to continue any business operations.TIN Certificate is not mandatory in order to start any business operations. It is only mandatory once the business has been operational for a certain period of time. You need the TIN Certificate for the following works-

Business
Bank account
Saving paper
DPS
To buy a vehicle
Others necessary

are the necessary documents you need to collect?
You will require the following necessary documents or information during fill-up of the application form:

Passport size photograph of the assessee
Name and TIN of the:
Business
Partners (in case of a firm)
Sponsor Directors (in case of a company)
Incorporation no/registration no
Incorporation/registration date
Postcode of the current address
Postcode of permanent address
National ID/Passport number

যে কোনো আইনি সহায়তায়,  আমরা আছি আপনাদের পাশে__ #ট্রেডমার্ক আইন কি? কেন ট্রেড মার্ক প্রয়োজন বা কিভাবে করবেন?আমরা দৈনন্দিন...
23/06/2022

যে কোনো আইনি সহায়তায়, আমরা আছি আপনাদের পাশে__

#ট্রেডমার্ক আইন কি? কেন ট্রেড মার্ক প্রয়োজন বা কিভাবে করবেন?

আমরা দৈনন্দিন জীবনে নানা প্রয়োজনে বাজার থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত পণ্য ক্রয় করে থাকি।ভালোভাবে লক্ষ করলে দেখা যাবে প্যাকেটের গায়ে কোনো নিদির্ষ্ট ব্র্যান্ডের একটি স্বতন্ত্র লোগো কিংবা চিহ্ন অঙ্কিত থাকে। এই চিহ্নটিই মূলত ট্রেডমার্ক।
আপনার কোন ব্যবসায় প্রোডাক্ট থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ট্রেডমার্ক করা লাগবে কেননা বাজারে অন্যান্য প্রোডাক্ট থেকে আপনার ব্যবসা বা প্রোডাক্ট আলাদা করার জন্য ট্রেড মার্ক করা প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
স্বত্ত্বাধিকারী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি যেকোন পণ্যের ট্রেডমার্ক নিয়ে ব্যবহার করলে বা বিজ্ঞাপন দিলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং পরবর্তীতে স্বত্বাধিকারী চাইলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

ট্রেডমার্কের সুবিধা কি কি?
ট্রেডমার্ক বা ব্যবসা স্বত্ত্বের বেশ কিছু সুবিধার কারণেই মূলত এটি বেশ জনপ্রিয়। ট্রেডমার্ক মূলত কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর এক মূল্যবান সম্পদ।
ট্রেডমার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে স্বত্বাধিকারীরা দীর্ঘসময় ধরে তার পণ্যের উপর একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে।
এছাড়া ট্রেডমার্ক ব্যবহারের কারণে ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরী হয় এবং এর ফলে উক্ত প্রতিষ্ঠান যেকোনো ধরনের পণ্য বাজারে এনে খুব দ্রুত লাভবান হতে পারে।
অপরদিকে, ট্রেডমার্ক বা ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে কোনো প্রতিষ্ঠানের পণ্য কিরূপ হতে পারে, সে সম্পর্কে ক্রেতার একটি ধারনা তৈরী হয়।
ট্রেডমার্কের কারণে বিক্রেতারা কিছু সুবিধা পেয়ে থাকে। যেমন পণ্যের দাম নিয়ে অহেতুক ক্রেতার সাথে সময় নষ্ট করতে হয় না। ট্রেডমার্কের বা ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে বিক্রেতাগণ, পরিবেশক এবং ডিলারগণ শো-রুমের মাধ্যমে উক্ত পণ্য বিক্রির মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন।

ট্রেডমার্ক প্রতীক এর অর্থ কি ?
ট্রেডমার্কের ধরন বোঝানোর জন্য কিছু প্রতীক ব্যবহৃত হয়। সেসব প্রতীকের বিশেষ অর্থ রয়েছে। সাধারনত R, TM, SM এই তিনটি প্রতীক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। নিম্নে প্রতীকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ
১) ® প্রতীক : ইংরেজী বর্ণ “R” কে গোল চিহ্নের ভিতরে রেখে ট্রেডমার্ক বা লোগোর পাশে কিংবা কোণায় এটি বসানো হয়। এটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ট্রেডমার্কটি যথাযথ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা অনুমোদিত ও নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন ব্যতীত এটি ব্যবহার করা হলে সেটি আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বলে বিবেচিত।
২) ™ প্রতীক : ইংরেজি বর্ন “T” এবং “M” এর সমন্বয়ে (Trade Mark) যে প্রতীকটি ব্যবহৃত হয় সেটি হলো অনিবন্ধিত পণ্যের লোগোতে ব্যবহৃত প্রতীকটি।
এই প্রতীকটি নিবন্ধিত পণ্যের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়। এটি সাধারণত ক্রেতার কাছে পণ্যের ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে খুব কাজে লাগে।
৩) ‍‌℠ প্রতীক : Service Mark বা “SM” প্রতীকটি পণ্যের মতো অনিবন্ধিত সেবার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ অনিবন্ধিত পণ্যের ক্ষেত্রে যেমন ™ প্রতীক ব্যবহৃত হয় তেমনি অনিবন্ধিত সেবার ক্ষেত্রে ℠ প্রতীক ব্যবহৃত হয়।

নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সুবিধা
কোনো সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান,ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ট্রেডমার্ক নিবন্ধিত করলে এক্ষেত্রে তারা আইনগত সুবিধা পেয়ে থাকে।
সেই হিসেবে কোনো ক্রেতা বা ভোক্তা ও প্রতারণার শিকার হন না।

অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের অসুবিধা কি?
কোনো পণ্যের, সেবার শিল্প প্রতিষ্ঠানের ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা না হলে আদালতে ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত জটিলতার সৃষ্টি হলে তার প্রতিকার পাবেন না। এছাড়া ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা না হলে সংশ্লিষ্ট পণ্যের সুনাম বা ব্র্যান্ড ভ্যালু হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা না হলে স্বত্বাধিকারীরা তাদের অব্যাহত ব্যবহারের অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
এক্ষেত্রে অনিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীরা সাধারণত নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীদের চেয়ে কিছুটা কম আইনি সুবিধা পাবেন।

ট্রেডমার্ক আইন কি ?
এবার কথা বলবো ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক সম্পর্কিত বিভিন্ন আইন-কানুন প্রণীত হয়েছে। এর মধ্যে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অধীনে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের অভিযোগে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি আইনকানুন রয়েছে।

ট্রেড মার্কের দেওয়ানি আইনঃ
২০০৯ সালের ট্রেডমার্ক আইন ৯৬ ধারার অধীনে কোন নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের লঙ্ঘন, নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক সংশ্লিষ্ট কোনো অধিকার, নিবন্ধিত ট্রেডমার্কের সংশোধিত কোনো অধিকার।
এবং সাদৃশ্যপূর্ণ কোনো ট্রেডমার্ক বা প্রতারণামূলকভাবে কোনো ট্রেডমার্ক নিবন্ধিত হয়েছে বা হয়নি চালানো হলে যেকোনো স্বত্বাধিকারী অবশ্যই জেলা জজ আদালতে মামলা এবং অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
এই ধারায় নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত যেকোনো ট্রেডমার্ক নিয়ম-কানুন লঙ্ঘনে উপযুক্ত সাজা,জরিমানা এবং প্রতিকারের ব্যবস্থা রয়েছে।

ট্রেড মার্কের ফৌজদারী আইনঃ
মিথ্যা ট্রেডমার্ক বা ট্রেডমার্কের বর্ণনা ব্যবহার, ট্রেডমার্ক জাল করা ও ট্রেডমার্ক জাল করার যন্ত্র আত্মসাৎ করা ইত্যাদি হলো দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪৮২, ৪৮৩ এবং ৪৮৫ ধারার অপরাধ।
এই কাজের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছর থেকে সর্বনিম্ন ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং সেই সাথে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

ট্রেডমার্ক নকল করলে এর প্রতিকার
নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক নকল করা হলে এর জন্য যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এর জন্য জেলা জজ আদালতে মামলা করতে হয়।
আবার অনিবন্ধিত ট্রেডমার্ক নকল করা হলে তবে পাসিং অফের মামলা করা যায়। পাসিং অফ বলতে বোঝায়, অন্যের পণ্য নিজের নামে চালানো।
এছাড়া মিথ্যা ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হলে এর জন্য মহানগর বিচারক হাকিম কিংবা প্রথম শ্রেণীর বিচারকের আদালতে মামলা করা যাবে।

NAS & Associates

ট্রেডমার্ক কি? ট্রেডমার্ক করার ফি কত বা ট্রেডমার্ক করতে কি কি লাগে সকল তথ্য এইখানে পাবেন। ট্রেডমার্ক এর কি কি সুবি...

21/06/2022

দেনমোহর সংক্রান্ত আইন, আদালত ও প্রতিকার
************************************

বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি। এই চুক্তি সম্পাদনের অন্যতম শর্ত হচ্ছে দেন-মোহর। এই শর্তটি পূরণ ব্যতীত কোনো বিয়ে বৈধ হতে পারে না। দেনমোহরের সংজ্ঞা দিতে ডি.এফ মোল্লা বলেন, মোহর বা মোহরানা হলো কিছু টাকা বা অন্য কিছু সম্পত্তি যা বিয়ের প্রতিদান হিসেবে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে পাওয়ার অধিকারী। মোহরানা স্ত্রীর সম্মানের প্রতীক।সুতরাং বিয়ের আসরে বা অনুষ্ঠানে স্বামী তার স্ত্রীকে মর্যাদা স্বরুপ যে অর্থ বা সম্পদ দেয় বা দেওয়ার অঙ্গীকার করে তাকে দেনমোহর বলে। দেনমোহর স্ত্রীর একচ্ছত্র অধিকার এবং এটা স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রাপ্য। বিয়েতে যদি দেনমোহর নির্ধারণ করা না হয়, তবে স্ত্রী তার মর্যাদা ও যোগ্যতার বিচারে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী।এমন কোনো প্রতিষ্ঠিত নীতি বা যুক্তি কিংবা আইন নেই, স্ত্রী তার স্বামীর নিকট নিজেকে সমর্পণ করলে বা মৌখিকভাবে স্বামী কর্তৃক মাফ চাওয়ার পর মাফ শব্দটি উচ্চারণ করলে আশু দেনমোহরের দাবি নিঃশেষ হয়ে যায়।দেনমোহর স্বামীর ঋণ, যা স্বামী তাঁর স্ত্রীকে পরিশোধ করতে বাধ্য। মাহমুদা খাতুন বনাম আবু সাইদ (২১ ডি.এল.আর) মামলায় মহামান্য বিচারপতি কর্তৃক সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, ‘সহবাসের আগে এবং পরে স্ত্রী স্বামীর কাছে তলবী মোহরানার দাবি করতে পারে এবং স্বামী তলবী দেনমোহর পরিশোধ না করলে স্ত্রী তার স্বামীর অধিকারে অর্থাৎ সহবাসে যেতে স্ত্রী অস্বীকার করতে পারেন।’এ অজুহাতে স্বামী স্ত্রী থেকে দূরে অবস্থান করলে তা পরিশোধে বাধ্য (১১ ডি এল আর (ডবলু পি) লাহোর ১২৪। স্বামী এজাতীয় মোহরানা পরিশোধ ব্যতীত দাম্পত্য অধিকারের ডিক্রি পেতে পারে না। যে কোন বিষয় সম্পত্তি মোহরানার জন্য ধার্য করা যায় না। এটি হতে পারে নগদ অর্থ, কোনো বীমা পলিসি বা অন্য কোনো দ্রব্য সামগ্রী। তবে কোনো হারাম বস্তু হতে পারবে না।স্বামীর দখলে নেই এমন কোনো সম্পত্তি হতে মোহরানা হতে পারে না। ভবিষ্যৎ কোনো বিষয়ও এর অন্তর্ভূক্ত হতে পারবে না।

দেনমোহর নির্ধারণ পদ্ধতি
********************
মোহরানার পরিমান সুনির্দিষ্টভাবে বেঁধে দেয়া হয়নি। তাই তা আপেক্ষিক। অর্থাৎ বর ও কণের উভয়ের দিক বিবেচনান্তে তা নির্ধারিত হয়। দেনমোহর কত হবে তা নির্ণয়কালে স্ত্রীর পিতার পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যদের ক্ষেত্রে যেমন স্ত্রীর বোন, খালা, ফুফুদের ক্ষেত্রে দেনমোহরের পরিমাণ কত ছিল তা বিবেচনা করা হয়।তাছাড়া স্ত্রীর পিতার আর্থ-সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। অপর দিকে বরের আর্থিক ক্ষমতার দিকটাও বিবেচনায় রাখা হয়।এসব দিক বিচার বিবেচনা করেই মূলতঃ দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়।১৯৬১ সালের পারিবারিক আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী দেনমোহর দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিনে বিস্তারিত উল্লেখ না থাকলেও স্ত্রী চাওয়ামাত্র সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হবে।দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারিত থাকলেও এর কোনো সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত নেই। তবে দেনমোহরের পরিমাণ বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করার সময়ে বা বিয়ের আসরে নির্ধারণ করতে হবে।

তবে সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি হল বিয়ের দিন নির্ধারণ করার পূর্বে উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ধার্য্য করা।বর নিজেই এ চুক্তি করতে পারে। এই দেনমোহর দাম্পত্য মিলন, তালাক-বিচ্ছেদ অথবা স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর দ্বারা নিশ্চিত হয়।

দেনমোহরের অংশ
**************
দেনমোহরের দুটো অংশ- (১) মুয়াজ্জল (আশু) দেনমোহর ও (২) মু-অজ্জল (বিলম্বিত) দেনমোহর।

মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর হচ্ছে, নগদে স্ত্রীকে প্রদান করা অর্থাৎ যা বিয়ের আসরে দিতে হয়। বিয়ের আসরে না দিতে পারলে পারিবারিক জীবন চলাকালীন সময়ে দেনমোহরের যে অংশটুকু স্ত্রী চাওয়ামাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকে।মু-অজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর হচ্ছে, দেনমোহরের যে অংশটুকু স্বামীর মৃত্যুর পর কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ে বিচ্ছেদ বা তালাকের পর স্ত্রী পেয়ে থাকে।

জামিনদার
********
যদি কোসো ব্যক্তি একজনের স্বামীর স্ত্রীর মোহরানার দায়িত্ব নেয় তবে সে তা পরিশোধের জন্য দায়ী হবে। বিয়ে পরবর্তী দেনমোহরের জন্য জামিনদার থাকলে সেক্ষেত্রেও জামিনদার দায়ী হবে।স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে।যদি স্বামীর উত্তরাধিকারীরা স্বামীর সম্পত্তি থেকে দেনমোহর দিতে অস্বীকার করেন তাহলে স্বামীর উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারবেন।উল্লেখ্য, যদি স্বামীর আগে স্ত্রীর মৃত্যু হয় এবং স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধিত না হয়ে থাকে তাহলে স্ত্রীর উত্তরাধিকারীরা ঐ দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী।

ফলে স্ত্রীর উত্তরাধিকারীরা দেনমোহর পাওয়ার জন্য আদালতে মামলা করতে পারবেন।

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন
********************************
এই আইনের ধারা ১০ এ মোহরানা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, বিবাহের কাবিননামায় কি ধরনের দেনমোহর স্ত্রীর পাওনা হবে, তা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা না থাকলে দেনমোহরের পুরো অর্থ স্ত্রী চাওয়ামাত্রই পরিশোধযোগ্য।সালিশী পরিষদের আদেশ বলে এটি কার্যকর হলে স্ত্রীর তা পাওনা হয়ে যায়। পরিশোধ না করলে ১ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

স্ত্রী কর্তৃক মোহরানা মওকুফ
********************
স্ত্রী ইচ্ছা করলে তার স্বামী বা স্বামীর উত্তরাধিকারীগণের পক্ষে আংশিক বা সম্পূর্ণ দেনমোহর মওকুফ করে দিতে পারে। হতে পারে তা প্রতিদান ব্যতিরেকে। এজাতীয় হ্রাস বা মওকুফ অবশ্যই স্ত্রীর পূর্ণ সম্মতিতে হতে হবে।স্ত্রী তার স্বামীর মৃত্যুতে ভারাক্রান্ত হয়ে তা মওকুফ বা হ্রাস করলে তা তার জন্য বাধ্যতামূলক নাও হতে পারে। নাবালক স্ত্রীর দেনমোহর মওকুফ অবৈধ।ভালবাসা বা স্নেহ ইত্যাদি পাওয়ার আশায় স্ত্রী যদি দেন-মোহর পরিত্যাগ করে তবে তার জন্য তা বাধ্যতামূলক নয়। তবে মোহরানা যাই থাকুক না কেন স্বামী নিজ উদ্যোগে মোহরানা বৃদ্ধি করতে পারে।

দেনমোহরের মামলা ও তামাদি আইন
****************************
ক. স্ত্রী তার দেনমোহরের টাকা না পেলে তিনি এবং তার মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরাধিকারীরা এর জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
খ) আশু দেনমোহর স্ত্রী চাওয়ামাত্র স্বামী দিতে বাধ্য। স্বামী দিতে অস্বীকার করলে বা না দিলে সেদিন থেকে তিন বৎসরের মধ্যে স্ত্রীকে মামলা দায়ের করতে হবে।

বিলম্বিত দেনমোহর আদায়ের সময়সীমা হল মৃত্যু অথবা তালাকের ফলে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটলে ওই তারিখ হতে তিন বৎসরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। তা না হলে মামলা তামাদি হয়ে যাবে।স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক প্রদানের পর স্ত্রী যেই আদালতের এলাকায় বসবাস করেন ওই আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন। এর জন্য মাত্র পঁচিশ টাকা কোর্ট ফি দিতে হয়। মোজাহেদুল ইসলাম বনাম রওশন আরা (২২ ডি.এল.আর, পৃষ্ঠা-৬৭৭) মামলায় বলা হয়েছে, দেনমোহর কখনই মাফ হয় না।স্বামী যদি মারাও যায় তবে সে স্বামীর সম্পদ হতে দেনমোহর আদায় করা যায়। অর্থাৎ স্বামীর মৃত্যুর পর যদি স্ত্রী সমুদয় অথবা শুধুমাত্র বিলম্বিত দেনমোহরের অর্থ অনাদায়ী থেকে থাকে। তবে স্ত্রী তার প্রয়াত স্বামীর ভূ-সম্পত্তি দখল করত তার রাজস্ব বা মুনাফা হতে তা উসুল করতে পারে। কেননা ইসলামী আইনে দেনমোহরকে দেনা বলে বিবেচনা করা হয়।দেনমোহরের পরিমাণ যত বেশি হোক না কেন, পক্ষগুলোর মধ্যে স্বীকৃত হলে স্বামী তা সম্পূর্ণ রূপে স্ত্রীকে পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে।এমনকি স্বামীর আর্থিক সঙ্গতি না থাকলেও আদালত দেনমোহরানার দায় হতে স্বামীকে মুক্তি দেবে না।
আরেকটি কেস ষ্টাডিতে দেখা যায়, রুমী নামের একটি মেয়ের বিয়ের দুই দিনের মাথায় স্বামীর সাথে তালাক হয়ে যায়। দেনমোহরের মামলায় কাবিননামায় যে পরিমাণ অর্থ উল্লেখ ছিল সে পরিমাণ অর্থ স্ত্রী দাবি করে ওই স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করে।ওই মামলায় স্বামী অর্থাৎ মামলায় যিনি বিবাদীপক্ষ তিনি দাবি তোলেন যে, কাবিননামায় উল্লিখিত অর্থের পরিমাণ ঠিক নয়।বিবাদী পক্ষ উক্ত মামলার জবাবে দম্পতির সহবাস সংগঠনের আগে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে দাবী করে সাকুল্য মোহরানার অর্ধেক পরিশোধ করতে রাজী হয়।এক্ষেত্রে যদি স্বামী সমুদয় অংশ প্রদান করেন তবে কোনো সমস্যা নেই।কিন্তু সহবাস যদি হয়ে থাকে, তবে স্বামী সমুদয় মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য। তবে বলে রাখা উচিত সহবাস হয়েছিল কিনা তা প্রমাণের সম্পূর্ণ দায় বাদীপক্ষের অর্থাৎ স্ত্রীর। অর্থাৎ স্বামী দাম্পত্য মিলনের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক প্রদান করলে স্ত্রী অর্ধেক মোহরানা পাবে। যদি স্বামী দাম্পত্য মিলনের পূর্বেই মারা যায় তাহলে স্ত্রী সম্পূর্ণ মোহরানা পাবে।

collected

 #জেনে_রাখা_ভালো
21/06/2022

#জেনে_রাখা_ভালো

নতুন বাজেটে রিটার্ন জমায় যেসব পরিবর্তন ঘটলঃপ্রতিবারই ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমায় কিছু কর ছাড় দেওয়া হয়, আবার কর আ...
20/06/2022

নতুন বাজেটে রিটার্ন জমায় যেসব পরিবর্তন ঘটলঃ
প্রতিবারই ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমায় কিছু কর ছাড় দেওয়া হয়, আবার কর আরোপ হয়ে থাকে। এবারের বাজেটেও সেই রকম নরম-গরম কিছু শর্ত রয়েছে।

ব্যক্তিপর্যায়ে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়েনি।

দুই লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে টিআইএন লাগবে, রিটার্নও দিতে হবে।

তিন কোটি টাকার বেশি সম্পদধারীদের আয় না থাকলে সারচার্জ নেই।

কর রেয়াত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সীমা এক কোটি টাকায় নামল।
প্রত্যেক কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএনধারীর জন্য বছর শেষে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। প্রতি অর্থবছরে, অর্থাৎ চলমান বছরের জুলাই থেকে পরের বছরের জুন মাস পর্যন্ত এক বছরে কত আয়-ব্যয় হলো, তার ভিত্তিতেই কর দিতে হয়।

এদিকে প্রতিবছরই বাজেটে আয়কর ও রিটার্ন জমায় কিছু না কিছু পরিবর্তন হয়ে থাকে। এসব পরিবর্তন দেখেই রিটার্ন জমা দিতে হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গত বৃহস্পতিবার সংসদে যে বাজেট ঘোষণা করেছেন, তাতেও কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে।

আগামী ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, এবারে করদাতাদের গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত আয়ের ওপরই কর দিতে হবে।

চলুন, অর্থমন্ত্রী নতুন বাজেটে আয়কর ও রিটার্নের ক্ষেত্রে কী কী পরিবর্তন এনেছেন, তা দেখে নেওয়া যাক। প্রথমেই বলা যায়, সাধারণ করদাতাদের জন্য এবার সুখবর নেই। করোনাকালে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। অনেকের আয় কমে গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যও মন্দা। এই অবস্থায় অনেকেই আশায় ছিলেন, ব্যক্তিগত আয়ের করমুক্ত সীমা বাড়ানো হবে। কিন্তু করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়নি। করমুক্ত আয়সীমা আগের মতোই বার্ষিক তিন লাখ টাকায় বহাল রয়েছে। ফলে যাঁদের করযোগ্য আয় তিন লাখ টাকার বেশি থাকবে, তাঁদের কর দিতেই হবে।
মনে রাখবেন, সাধারণ করদাতাদের জন্যই কেবল করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকা। নারী, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী করদাতাদের বার্ষিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা ও গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের আয় পৌনে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত।
মনে রাখবেন, সাধারণ করদাতাদের জন্যই কেবল করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকা। নারী, ৬৫ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী করদাতাদের বার্ষিক আয় সাড়ে চার লাখ টাকা ও গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের আয় পৌনে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত। প্রতিবন্ধী সন্তানের পিতা–মাতা বা আইনগত অভিভাবকেরা আরও ৫০ হাজার টাকা ছাড় পাবেন। অর্থাৎ তাঁদের করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। এদিকে নতুন বাজেটে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের আয়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাঁদের করমুক্ত আয়সীমা করা হয়েছে সাড়ে তিন লাখ টাকা।

আবার টিআইএন থাকলে মোটা দাগে সবাইকে করযোগ্য আয় না থাকলেও রিটার্ন দিতে হবে। শুধু জমি বেচাকেনা ও ক্রেডিট কার্ড নেওয়ার জন্য যাঁরা টিআইএন নিয়েছেন, কিন্তু করযোগ্য আয় নেই, তাঁরা ‘মাফ’ পাবেন।
একজন করদাতা এত দিন আয়ের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কিংবা দেড় কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারতেন। নতুন বাজেটে এই সীমা কমিয়ে এক কোটি টাকা করা হয়েছে। তাই রিটার্ন দেওয়ার সময় নতুন পরিবর্তনটি খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।
ধরা যাক, বহু বছর আগে আপনি রাজধানীর আশপাশে কোথাও একটি জমি কিনেছেন, এখন সেখানে বাড়ি করতে চান। কিন্তু আপনি যখন নকশা অনুমোদন করাতে যাবেন, তখন রাজউক বা অন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আপনার টিআইএন আছে কি না জানতে চাইবে। টিআইএন না থাকলে বাড়ির নকশা পাস করানো যাবে না। বাড়ির কাজ শুরু করতে চাইলে নকশা অনুমোদন পর্যায়েই আপনি টিআইএনধারী হয়ে যাবেন। বছর শেষে রিটার্নও দিতে হবে।

সংসারের খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা সঞ্চয় করেন অনেক করদাতা। এই সঞ্চয়ের টাকা অলস ফেলে না রেখে সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে রাখেন। সঞ্চয়পত্র, শেয়ারবাজার, বন্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করলে কর রেয়াত পাওয়া যায়। এ জন্য অনেকে করের বোঝা কমাতে আয় হবে, এমন কোথাও বিনিয়োগ করেন। এবার কিন্তু হিসাব ভিন্ন হবে।

একজন করদাতা এত দিন আয়ের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কিংবা দেড় কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারতেন। নতুন বাজেটে এই সীমা কমিয়ে এক কোটি টাকা করা হয়েছে। তাই রিটার্ন দেওয়ার সময় নতুন পরিবর্তনটি খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে।
দুই লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে টিআইএন নিতেই হবে। অবশ্য একটু ঘুরিয়ে বলা যায়, কেউ যদি দুই লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনেন, তাহলে রিটার্ন জমা দিতে হবে। কারণ, টিআইএন থাকলে রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক।

রিটার্নে ধনীদের করের বাইরে বাড়তি কিছু টাকা পরিশোধ করতে হয়। যেমন তিন কোটি টাকার বেশি সম্পদ থাকলে এর ওপর সারচার্জ দিতে হয় তাঁদের। এ ক্ষেত্রে এবারে দুই ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথমত, তিন কোটি টাকার ওপরে সম্পদ থাকলেও কোনো আয় না থাকলে সারচার্জ দিতে হবে না। অর্থাৎ ন্যূনতম সারচার্জের বিধানটি বাতিল করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, ৫০ কোটি টাকার বেশি সম্পদ থাকলে তার ওপর ৩৫ শতাংশ সারচার্জ হিসেবে দিতে হয়।

দেশে অনেকগুলো বহুজাতিক কোম্পানি ব্যবসা করছে। এসব কোম্পানিতে কাজ করে অনেক বিদেশি নাগরিক। আবার বাংলাদেশও বেশ কিছু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব প্রকল্পে বিদেশি প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। কাজের সুবাদে বাংলাদেশে অবস্থান করায় এসব বিদেশি গাড়িসহ কিছু সম্পদ কিনে থাকেন। তাঁদের টিআইএন নিয়ে রিটার্ন দিতে হয়। এবার থেকে এসব বিদেশি কর্মীকে সম্পদের বিবরণও জানাতে হবে।

আগামী ১ জুলাই থেকেই রিটার্ন দেওয়া যাবে। শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে এখন থেকে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি নিতে থাকুন।
যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

NAS & Associates
01875211336
অ্যাডঃ নুরে আলম সিদ্দিক
নোয়াখালী টাওয়ার
লিফট ১০
৫৫/বি পুরানা পল্টন, ঢাকা।

 #জেনে_রাখতে_পারেন।ইনকাম ট্যাক্স: TIN ও RETURN SUBMISSIONনতুন TIN (Tax payers Indentfication Number) গ্রহণ করেছেন বা আগে...
17/06/2022

#জেনে_রাখতে_পারেন।

ইনকাম ট্যাক্স: TIN ও RETURN SUBMISSION

নতুন TIN (Tax payers Indentfication Number) গ্রহণ করেছেন বা আগে থেকেই TIN আছে, অফিস থেকে প্রতি মাসে tax কেটে রাখছে, আর কি করার আছে,সব তো ঠিক ই আছে!

না সব ঠিক নেই, আপনি ক্রমাগত ভুলের দিকে যাচ্ছেন, যখন ই আপনার বেতন থেকে কর কর্তন শুরু হয়েছে তখনই আপনার বুঝতে হবে, অফিস থেকে যা কর্তন হচ্ছে তা AIT/অগ্রিম কর যা অবশ্যই RETURN SUBMISSION এর মাধ্যমে সমন্বয় করতে হবে, আইন অনুযায়ী প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রতি বছর RETURN SUBMISSION এর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

আপনি সময়মত রিটার্ন দাখিল না করলে বা বেশ কয়েক বছর রিটার্ন দাখিল না করলে, আপনি বিব্রতকর প্যাঁচে পড়ে যেতে পারেন, অনেক ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা, সাবমিট করা সময় ঝামেলাপূর্ণ কাজ।

হঠাৎ করেই এই কথা কেন বলছি,
এখন থেকে ব্যাংক হিসাব সহ অনেক ধরনের কাজে,TIN ছাড়াও RETURN SUBMISSION MONEY RECEIPT/TAX CERTIFICATE লাগবে।

TIN গ্রহণকারী অনেকেই রিটার্ন সাবমিট করেনা, যাদের মধ্যে অনেকেই TIN নিয়েছেন কিন্তু ইনকাম লিমিট ক্রস করেনি সেক্ষেত্রে আপনি আপনার শুন্য করদায় রিটার্ন সাবমিট করতে পারেন। এটাই নিয়ম।

TAX বিষয় টা কে সবাই খুব জটিল মনে করেন তাই সমস্যা মনে হয়। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত Tax Return এর কাজটি যে কেউ সহজেই করে নিতে পারে,

সে নিজে আয়কর অফিসে গিয়ে কাজটি করবে, অথবা আয়কর উপদেষ্টা দিয়ে করাবেন অথবা অনলাইনে/আয়কর মেলাতে নিজেই করবেন।

জন জীবনের প্রয়োজনে আয়কর সনদ হালনাগাদ রাখা প্রয়োজনীয়।

লিঃ কোম্পানি রেজিঃ কিংবা কোম্পানি আয়কর প্রদানে,আমাদের সহায়তা নিতে পারেন। স্বল্প খরচে, অল্প সময়ে, সেরা সেবা দিতে বদ্ধ পরি...
15/06/2022

লিঃ কোম্পানি রেজিঃ কিংবা কোম্পানি আয়কর প্রদানে,আমাদের সহায়তা নিতে পারেন। স্বল্প খরচে, অল্প সময়ে, সেরা সেবা দিতে বদ্ধ পরিকর।।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NAS & Associate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category