Legal Counsel With Tax Solutions

Legal Counsel With Tax Solutions Legal Counsel with Tax Solutions

নতুন অর্থ বছরে গোল্ড বিক্রির উপর কর আরোপ করার আইন হয়েছে। এতে অনেকেই তাদের সোনা বিক্রি থেকে যে আয় করেছেন, তা আয়কর রিটার্ন...
03/08/2026

নতুন অর্থ বছরে গোল্ড বিক্রির উপর কর আরোপ করার আইন হয়েছে। এতে অনেকেই তাদের সোনা বিক্রি থেকে যে আয় করেছেন, তা আয়কর রিটার্ন এ সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে অথবা তাকে কত কর দিতে হবে সেটা হিসাব করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এই পোস্টে আপনার গোল্ড বিক্রির আয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

01/08/2026

২০২৬-২০২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) দাখিল করতে চাচ্ছেন?

আয়কর ও ভ্যাট সংক্রান্ত পেশাদার সেবা নিয়ে আমরা আছি আপনার পাশে। ❤️

কোম্পানি ব্যতীত কোনো ব্যক্তির ইতিপূর্বে কখনো কর নির্ধারণ না হয়ে থাকলে এবং তার ব্যবসা খাতে করযোগ্য আয় থাকলে উপকর কমিশনার ...
01/08/2026

কোম্পানি ব্যতীত কোনো ব্যক্তির ইতিপূর্বে কখনো কর নির্ধারণ না হয়ে থাকলে এবং তার ব্যবসা খাতে করযোগ্য আয় থাকলে উপকর কমিশনার স্পটে কর নির্ধারণ করতে পারেন।

আয়কর আইন,২০২৩-এর ধারা ১৯৫ অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে স্পটে কর নির্ধারণ (Spot Assessment) করা হতে পারে:

■ ব্যক্তির ব্যবসা খাতে করযোগ্য আয় থাকে।

■ আইন অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকে।

■ আয়কর আইনের কোনো বিধান পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থাকে।

■ আয়কর আইনের কোনো বিধান কার্যকর বা পরিপালনে ব্যর্থ হলে।

উল্লেখ্য,কর কমিশনার তাঁর এখতিয়ারের অধীন যেকোনো উপকর কমিশনারকে এই ধারার অধীনে স্পটে কর নির্ধারণের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

゚viralシfypシ゚ ゚viralシfypシ゚viralシalシ
আয়কর রিটার্ন জমা ও দাখিল

আয়কর আইন, ২০২৩,সপ্তম তফসিল (মূলধনি আয় ও লভ্যাংশ আয়ের উপর প্রদেয়) বিশেষ করহার১। এই আইনের অধীন “মূলধনি আয়” হিসাবে পরি...
01/08/2026

আয়কর আইন, ২০২৩,সপ্তম তফসিল (মূলধনি আয় ও লভ্যাংশ আয়ের উপর প্রদেয়) বিশেষ করহার
১। এই আইনের অধীন “মূলধনি আয়” হিসাবে পরিগণিত হয় “এইরূপ আয়ের উপর” নিম্নবর্ণিতভাবে কর আরোপিত হইবে, যথা:
👉কোম্পানি, ব্যক্তিসংঘ ও ট্রাস্ট কর্তৃক অর্জিত মূলধনি আয়ের উপর ১৫% (পনেরো শতাংশ)
👉কোম্পানি, ব্যক্তিসংঘ ও ট্রাস্ট ব্যতীত অন্যান্য করদাতাদের মূলধনি আয়ের ক্ষেত্রে-
(১) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসরের মধ্যে পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয় মোট আয়ের অন্তর্ভুক্ত হইবে এবং মোট আয়ের উপর নিয়মিত হারে কর প্রযোজ্য হবে ।
(২) যেইক্ষেত্রে মূলধনি পরিসম্পদ অর্জন বা প্রাপ্তির ৫ (পাঁচ) বৎসর অতিক্রান্ত হইবার পর পরিসম্পদ হস্তান্তর হয় সেইক্ষেত্রে এইরূপ মূলধনি আয়ের ১৫% (পনেরো শতাংশ)।
(৩) ব্যবসায়িক পণ্য নহে এইরূপ ব্যক্তিগত গাড়ী, মোটর, স্বর্ণালঙ্কার , রৌপ্যলঙ্কার , রত্ন-হীরক, মুদ্রা ও মূল্যবান ধাতু বিক্রয় হইতে প্রাপ্ত মূলধনি আয়ের উপর ৫% (পাঁচ শতাংশ)।
👉👉বিক্রয়মূল্য থেকে প্রাপ্তিমূল্য বাদ দেওয়ার পর অবশিষ্ট অংশই মূলধনি আয়।পূর্বে আপনার আয়কর রিটার্নের সম্পদ বিবরণীতে সংশ্লিষ্ট স্বর্ণ বা মূল্যবান ধাতুর যে মূল্য দেখানো রয়েছে, সেটিই এর প্রাপ্তি বা অধিগ্রহণমূল্য হিসেবে বিবেচিত হবে। পূর্বে রিটার্নে মূল্য শূন্য দেখানো থাকলে বিক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ অংশই মূলধনি আয় হিসেবে গণ্য হতে পারে।দান,উপহার বা উইল যেভাবেই সম্পদ অর্জিত হোক তা অর্জিত বছরের বাজার মূল্য হিসেবে প্রাপ্তি মূল্য ধরা হবে ।
উদাহরণ: ধরা যাক—
৫ ভরি স্বর্ণ বিক্রয় করা হয়েছে: ১০,০০,০০০ টাকায়।
রিটার্নে ঘোষিত অধিগ্রহণমূল্য: ০ টাকা।
তাহলে ওই স্বর্ণের —
• মূলধনি আয়: ১০,০০,০০০ টাকা
• প্রদেয় কর: ১০,০০,০০০ × ৫%
• মোট কর: ৫০,০০০০ টাকা
👉👉সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত করদায় প্রত্যাহার।
সম্পত্তি যেমন: জমি,বিল্ডিং,ফ্ল্যাট ইত্যাদি হস্তান্তর থেকে অর্জিত মূলধনি আয়ের ক্ষেত্রে আগে চূড়ান্ত করদায়ের বিধান ছিল। বর্তমান আইনে সম্পত্তি কত বছর ধারণ করার পর বিক্রি করা হয়েছে, তার ভিত্তিতে করহার নির্ধারিত হবে—
# # অধিগ্রহণের ৫ বছরের মধ্যে বিক্রি করলে মূলধনি আয় মোট আয়ের সঙ্গে যোগ হবে এবং নিয়মিত স্ল্যাব অনুযায়ী কর দিতে হবে।
# # অধিগ্রহণের ৫ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর বিক্রি করলে মূলধনি আয়ের ওপর ১৫% হারে কর দিতে হবে।

♥টার্নওভার ট্যাক্স-এর লাভ♥অর্থ আইন, ২০২৬ এর মাধ্যমে আয়কর আইনের প্রতিস্থাপিত উপ-ধারা ১৬৩(৬) এর সারণীর ক্রমিক নং-(৪) এ বর্...
01/08/2026

♥টার্নওভার ট্যাক্স-এর লাভ♥

অর্থ আইন, ২০২৬ এর মাধ্যমে আয়কর আইনের প্রতিস্থাপিত উপ-ধারা ১৬৩(৬) এর সারণীর ক্রমিক নং-(৪) এ বর্ণিত অন্যান্য শিল্প, ব্যবসা বা পেশার গ্রস প্রাপ্তির (টার্নওভার) উপর ১% হারে “টার্নওভার ট্যাক্স” আরোপের কারণে বড়, মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা বা পেশার উপর যে প্রভাব পড়েছে তা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:

মনেকরি,
♥ ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্পের পুরুষ উদ্যোক্তা হিসাবে এসএমই ফাউন্ডেশনে নিবন্ধিত (তিন বছরের অধিক পুরাতন) ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প, ব্যবসা বা পেশা হতে ২০২৫-২৬ আয়বর্ষে কোনো শিল্প পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে {ধারা ৪৫, ৪৬, ৪৭ ও ৪৮ এ উল্লিখিত ব্যবসা বা পেশার আয় বা উপ-ধারা ১৬৩(৭) এর ব্যাখ্যায় উল্লিখিত টার্নওভার} মূসক ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত বাৎসরিক টার্নওভার ১,১১,০০,০০০/- টাকা থেকে ষষ্ঠ তফসিল, অংশ-১ এর প্যারা (২৪)(খ) অনুযায়ী মোট আয় বহির্ভূত ৫০,০০,০০০/- টাকা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ৬১,০০,০০০/- টাকা থেকে উক্ত শিল্প, ব্যবসা বা পেশার (ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এ উল্লিখিত বিয়োজন/ব্যয় এবং ধারা ৫৫ ও ৫৬ এ উল্লিখিত অননুমোদনযোগ্য বিয়োজন/ব্যয়)= অনুমিত অনুমোদনযোগ্য ব্যয় ৮৫% বিয়োগ/সমন্বয় করার পরে করযোগ্য মোট আয় (গ্রস মুনাফা) ৯,১৫,০০০/- টাকা হলে-

ধারা ১৬০, তফসিল-২, অনুচ্ছেদ-ক অনুযায়ী ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়ের ধাপ ভিত্তিক কর হার মোতাবেক ৯,১৫,০০০/- টাকা মোট আয়ের (গ্রস মুনাফা) উপর প্রদেয় কর হবে ৬২,২৫০/- টাকা।

অর্থ আইন, ২০২৬ এর মাধ্যমে আয়কর আইন, ২০২৩ এর প্রতিস্থাপিত উপ-ধারা ১৬৩(৬) অনুযায়ী গ্রস প্রাপ্তি (টার্নওভার) ৬১,০০,০০০/- টাকার উপর ১% হারে আরোপিত “টার্নওভার ট্যাক্স” হবে ৬১,০০০/- টাকা।

এ ক্ষেত্রে, উক্ত ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প, ব্যবসা বা পেশার করযোগ্য মোট আয় (গ্রস মুনাফা) ৯,১৫,০০০/- টাকার উপর প্রদেয় কর ৬২,২৫০/- টাকার চেয়ে গ্রস প্রাপ্তি (টার্নওভার) ৬১,০০,০০০/- টাকার উপর ১% হারে “টার্নওভার ট্যাক্স” ৬১,০০০/- টাকা আরোপের বিধান লাভজনক এবং উপ-ধারা ১৬৩(৬) এর দফা (উ) এর শর্তানুযায়ী উক্ত ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প, ব্যবসা বা পেশার উৎপাদন এক থেকে তিন বছরের মধ্যে হলে, গ্রস প্রাপ্তি (টার্নওভার) ৬১,০০,০০০/- টাকার উপর ০.২% হারে “টার্নওভার ট্যাক্স” দিতে হবে ১২,২০০/- টাকা মাত্র।

তাই একতরফাভাবে “টার্নওভার ট্যাক্স” আরোপের বিধান সম্পর্কে সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত মর্মে প্রতীয়মান হয়।

♦পক্ষান্তরে, ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্পের পুরুষ উদ্যোক্তা হিসাবে এসএমই ফাউন্ডেশনে নিবন্ধিত (তিন বছরের অধিক পুরাতন) ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প, ব্যবসা বা পেশা হতে ২০২৫-২৬ আয়বর্ষে কোনো শিল্প পণ্য বিক্রয় বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে {ধারা ৪৫, ৪৬, ৪৭ ও ৪৮ এ উল্লিখিত ব্যবসা বা পেশার আয় বা উপ-ধারা ১৬৩(৭) এর ব্যাখ্যায় উল্লিখিত টার্নওভার} মূসক ও সম্পূরক শুল্ক ব্যতীত বাৎসরিক টার্নওভার ১,১০,০০,০০০/- টাকা থেকে ষষ্ঠ তফসিল, অংশ-১ এর প্যারা (২৪)(খ) অনুযায়ী মোট আয় বহির্ভূত ৫০,০০,০০০/- টাকা বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ৬০,০০,০০০/- টাকা থেকে উক্ত শিল্প, ব্যবসা বা পেশার (ধারা ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ এ উল্লিখিত বিয়োজন/ব্যয় এবং ধারা ৫৫ ও ৫৬ এ উল্লিখিত অননুমোদনযোগ্য বিয়োজন/ব্যয়)= অনুমিত অনুমোদনযোগ্য ব্যয় ৮৫% বিয়োগ/সমন্বয় করার পরে করযোগ্য মোট আয় (গ্রস মুনাফা) ৯,০০,০০০/- টাকা হলে-

ধারা ১৬০, তফসিল-২, অনুচ্ছেদ-ক অনুযায়ী ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়ের ধাপ ভিত্তিক কর হার মোতাবেক ৯,০০,০০০/- টাকা মোট আয়ের (গ্রস মুনাফা) উপর প্রদেয় কর হবে ৬০,০০০/- টাকা।

আয়কর আইন, ২০২৩ এর প্রতিস্থাপিত উপ-ধারা ১৬৩(৬) অনুযায়ী গ্রস প্রাপ্তি (টার্নওভার) ৬০,০০,০০০/- টাকার উপর ১% হারে আরোপিত “টার্নওভার ট্যাক্স” হবে ৬০,০০০/- টাকা।

অর্থাৎ, উক্ত ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প, ব্যবসা বা পেশার করযোগ্য আয় (গ্রস মুনাফা) ৯,০০,০০০/- টাকার উপর প্রদেয় কর ৬০,০০০/- টাকা এবং গ্রস প্রাপ্তি (টার্নওভার) ৬০,০০,০০০/- টাকার উপর ১% হারে আরোপিত “টার্নওভার ট্যাক্স” ৬০,০০০/- টাকা সমান।

♥ সুপারিশ: “শিল্প, ব্যবসা বা পেশার প্রসারই রাজস্ব আহরণের প্রসার”-এই মূল নীতির ভিত্তিতে—

“আয়কর আইন, ২০২৩ এর ষষ্ঠ তফসিল (ধারা ৭৭ দ্রঃ), প্যারা (২৪) এর দফা (ক) এ বর্ণিত তিন বছরের অধিক পুরাতন ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা হিসাবে
এসএমই ফাউন্ডেশনে নিবন্ধিত ব্যবসা বা পেশার মালিক নারী/প্রতিবন্ধী হলে, করযোগ্য মোট আয় বহির্ভূত টার্নওভার ৭০,০০,০০০/- টাকার তদূর্ধ্ব এবং দফা (খ) এ বর্ণিত তিন বছরের অধিক পুরাতন ক্ষুদ্র বা মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা হিসাবে
এসএমই ফাউন্ডেশনে নিবন্ধিত ব্যবসা বা পেশার মালিক পুরুষ হলে, করযোগ্য মোট আয় বহির্ভূত টার্নওভার ৫০,০০,০০০/- টাকার তদূর্ধ্ব ৬০,০০,০০০/- টাকা টার্নওভার পর্যন্ত ব্যবসা বা পেশার গ্রস মুনাফার উপর টার্নওভার ট্যাক্স প্রদানের পরিবর্তে {তফসিল-২ (ধারা ১৬০ দ্রঃ) এর প্রথম অংশ, অনুচ্ছেদ-‘ক’ অনুযায়ী} প্রদেয় কর প্রদান করা যাবে। তবে শর্ত থাকে যে, সিটিকর্পোরেশন এলাকায় শিল্প, ব্যবসা বা পেশা পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৭,০০০/- টাকা, পৌর এলাকায় শিল্প, ব্যবসা বা পেশা পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫,০০০/- টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় শিল্প, ব্যবসা বা পেশা পরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৩,০০০/- টাকা প্রদেয় কর পরিশোধ করতে হবে এবং ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় বাধ্যতামূলকভাবে হালনাগাদ আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তি স্বীকার উপস্থাপন করতে হবে।- এই বিধান আয়কর আইন, ২০২৩ এর উপ-ধারা ১৬৩(৬ক) এর মাধ্যমে সংযোজন করা যেতে পারে। ♥

28/07/2026
কৃষি হইতে আয়  ! আয়কর আইন, ২০২৩ | ধারা ৪০কৃষি হইতে আয় (Agricultural Income)আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী কৃষি-সম্পর্ক...
28/07/2026

কৃষি হইতে আয় ! আয়কর আইন, ২০২৩ | ধারা ৪০

কৃষি হইতে আয় (Agricultural Income)

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী কৃষি-সম্পর্কিত নির্দিষ্ট কার্যক্রম থেকে অর্জিত আয় "কৃষি হইতে আয়" হিসেবে বিবেচিত হয়। কর নির্ধারণ ও রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে এ আয়ের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধারা ৪০ অনুযায়ী কৃষি হইতে আয়

✅ কৃষি-সম্পর্কিত কার্যক্রম হতে অর্জিত আয়
কোনো ব্যক্তি কৃষি কার্যক্রমের মাধ্যমে যে আয় অর্জন করেন, তা কৃষি হইতে আয় হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ হবে।

চা ও রাবার উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান

✅ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাত চা ও রাবার বিক্রয় থেকে প্রাপ্ত অর্থের—

🔹 ৪০% গণ্য হবে ব্যবসা হইতে আয় হিসেবে।

🔹 ৬০% গণ্য হবে কৃষি হইতে আয় হিসেবে।

আয়কর আইনের দৃষ্টিতে কৃষির আওতাভুক্ত কার্যক্রম

নিম্নোক্ত কার্যক্রমসমূহ কৃষি হিসেবে বিবেচিত হবে—

🌱 উদ্যান পালন

🌾 ভূমির প্রাকৃতিক ব্যবহার ও চাষাবাদ

🐄 পশু-পাখি পালন

🐟 মাছের খামার পরিচালনা

🦆 হাঁস-মুরগির খামার

🐊 সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর খামার

🌿 নার্সারি কার্যক্রম

🥚 ডিম উৎপাদন

🥛 দুধ উৎপাদন

🌳 কাঠ, তৃণ ও গুল্ম উৎপাদন

🍎 ফল উৎপাদন

🌸 ফুল উৎপাদন

🍯 মধু উৎপাদন

🌾 বীজ উৎপাদন

কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

ধারা ৪০-এর আওতায় কোন আয় কৃষি আয় হিসেবে গণ্য হবে, তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা কর ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে চা ও রাবারের ক্ষেত্রে আয়ের একটি অংশ ব্যবসা হইতে আয় এবং অবশিষ্ট অংশ কৃষি হইতে আয় হিসেবে গণ্য হওয়ায় যথাযথ শ্রেণিবিন্যাস প্রয়োজন।

📌 কৃষি আয়ের সঠিক উপস্থাপন কর নির্ধারণকে সহজ করে, রিটার্নকে আরও নির্ভুল করে এবং সম্ভাব্য আইনি জটিলতা এড়াতে সহায়তা করে।

সঞ্চয়পত্র ক্রয় করার সময় স্ল্যাব ও বিনিয়োগ সময় ভিত্তিক মুনাফার হার নির্ধারণ পদ্ধতি সম্পর্কে না জানার জন্য অনেকেই বিন...
28/07/2026

সঞ্চয়পত্র ক্রয় করার সময় স্ল্যাব ও বিনিয়োগ সময় ভিত্তিক মুনাফার হার নির্ধারণ পদ্ধতি সম্পর্কে না জানার জন্য অনেকেই বিনিয়োগ করার পর মুনাফা কম পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ।
যাদের পূর্বে বিভিন্ন সময়কালে ৩-মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা আছে তারা বর্তমানে আরও সঞ্চয়পত্র ক্রয় করলে পূর্বের ও বর্তমান মুনাফা কিভাবে পরিবর্তন হবে সেই বিষয় নিয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা করবো । চলুন জানা যাক,সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কিভাবে নির্ধারিত হয়:-
👉👉সঞ্চয়পত্রের মুনাফা মোট বিনিয়োগ এর পরিমান ও বিনিয়োগ সময়কালের স্ল্যাব অনুযায়ী নির্ধারিত হবে ।অর্থাৎ,পূর্বের ও বর্তমান বিনিয়োগ মোট যত টাকা হবে সেই মোট টাকার জন্য ওই সময় যে স্ল্যাব নির্ধারিত ছিলো ও বর্তমানে যত আছে তা আলাদা ভাবে প্রযোজ্য হবে ।
👉👉শুধু মাত্র উৎস কর পরিবর্তন হলে স্ল্যাব পরিবর্তন হয় । যেমন-পূর্বে ৫ লক্ষ বিনিয়োগ করা থাকলে পরে যদি আরও বিনিয়োগ করা হয় তবে ওই ৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ সময়কালের পরবর্তী স্ল্যাব অনুযায়ী নির্ধারিত হবে ।
👉👉কোনও স্ল্যাব শুন্য থাকে না ।অর্থাৎ উৎস কর পরিবর্তন এর জন্য ৫ লক্ষ টাকার মুনাফা পরবর্তী স্লাবে পরিণত হলেও পরবর্তীতে আরও যত টাকা বিনিয়োগ করা হোক ওই ৫ লক্ষের মুনাফা অপরিবর্তিত থাকবে । এরপর ২.৫ লক্ষ টাকা ৭.৫ লক্ষের স্ল্যাব প্রাপ্য হবে ,এর বেশি বিনিয়োগ ৭.৫ লক্ষের বেশি স্ল্যাব প্রাপ্য হবে ।
✅বিভিন্ন সময়কালের স্ল্যাব অনুযায়ী মুনাফা ও বিনিয়োগ এর একটা নমুনা হিসাব নিচের ছকে দেখানো হলো ।আশা করি আপনারা বুঝতে পারবেন ।কোনও সমস্যা হলে কমেন্ট করতে পারেন ।ধন্যবাদ

28/07/2026

📢 আয়কর রিটার্ন তৈরিতে ১০টি সাধারণ ভুল –
আপনি কি এই ভুলগুলো করছেন?

আয়কর রিটার্ন জমা দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়। একটি সঠিক, পূর্ণাঙ্গ ও আইনসম্মত রিটার্ন আপনাকে ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা, নিরীক্ষা (Audit) বা ব্যাখ্যা প্রদানের ঝামেলা থেকে অনেকটাই রক্ষা করতে পারে।

রিটার্ন প্রস্তুতের সময় করদাতারা সবচেয়ে বেশি যে ভুলগুলো করেন, সেগুলো এক নজরে দেখে নিন—

❌ ১. স্থাবর সম্পত্তির তথ্য অসম্পূর্ণ দেওয়া

ফ্ল্যাট, জমি বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির সঠিক তথ্য উল্লেখ না করা।

❌ ২. কর রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগের ভুল হিসাব

বিনিয়োগের পরিমাণ ভুল দেখানোর কারণে কর কম বা বেশি নির্ধারিত হতে পারে।

❌ ৩. আয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক ব্যয় দেখানো

আয় ও ব্যয়ের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকলে কর কর্তৃপক্ষের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হতে পারে।

❌ ৪. হাতে অতিরিক্ত নগদ অর্থ দেখানো

বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নগদ অর্থ দেখানো থেকে বিরত থাকুন।

❌ ৫. স্বর্ণালংকারের মূল্য বা পরিমাণ অতিরঞ্জিত করা

আপনার আয় ও সম্পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য দিন।

❌ ৬. ঋণ, সঞ্চয় বা প্রদত্ত ঋণের তথ্য গোপন রাখা

সব ধরনের দায় ও পাওনার তথ্য রিটার্নে উল্লেখ করুন।

❌ ৭. উপহার বা অনুদানের তথ্য বাদ দেওয়া

বৈধভাবে প্রাপ্ত অর্থের উৎস উল্লেখ না করলে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে।

❌ ৮. FDR, DPS, সঞ্চয়পত্র বা অন্যান্য বিনিয়োগের তথ্য না দেওয়া

সব ধরনের আর্থিক বিনিয়োগ রিটার্নে অন্তর্ভুক্ত করুন।

❌ ৯. পূর্ববর্তী বছরের নিট সম্পদের হিসাব ভুল দেখানো

Opening ও Closing Net Wealth-এর মধ্যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন।

❌ ১০. উৎসে কর্তিত কর (TDS) ভুলভাবে দাবি করা

প্রকৃত TDS-এর বেশি বা ভুল তথ্য দাবি করলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

✅ মনে রাখবেন

রিটার্ন দাখিলের আগে আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায়, বিনিয়োগ ও উৎসে কর্তিত করের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন। একটি নির্ভুল রিটার্নই আপনার সর্বোত্তম সুরক্ষা।

--

Address

House-02 1st Floor, Rupnogor, Mirpur
Dhaka
1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Counsel With Tax Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category