VATAX PRO

VATAX PRO Personal & Company TAX
and
Organization VAT Consultancy and Solution Firm.

31/10/2025

Pain/Burden of Excise Duty:

সবাই জানি, সারা বছর ধরে যেকোনো ব্যাংক হিসাবেই—তা সঞ্চয় (Deposit) হোক বা ঋণ (Loan)—একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে টাকা জমা বা উত্তোলন হলে, সরকারকে Excise Duty দিতে হয়। এর হার নিচে দেওয়া হলো:

২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত – শূন্য টাকা
২ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ৫ লক্ষ পর্যন্ত – ১৫০ টাকা
৫ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ১০ লক্ষ পর্যন্ত – ৫০০ টাকা
১০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ৫০ লক্ষ পর্যন্ত – ৩,০০০ টাকা
৫০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ১ কোটি পর্যন্ত – ৫,০০০ টাকা
১ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ২ কোটি পর্যন্ত – ১০,০০০ টাকা
২ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ৫ কোটি পর্যন্ত – ২০,০০০ টাকা
৫ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে – ৫০,০০০ টাকা

আগে যে কেউ KYC ফরম পূরণ করে ব্যাংক হিসাব না খুলেই সরাসরি FDR বা DPS করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে এই সুযোগ ‌তেমন নাই বল‌লেই চ‌লে। এখন সেভিংস, কারেন্ট বা SND হিসাব ছাড়া (মাদার হিসাব) কোনো DPS বা FDR খোলা প্রায় অসম্ভব । একইভাবে, ব্যাংক থেকে ঋণ (Loan) নিতে গেলেও আগে থেকেই ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।

এখন দেখা যাক—একই টাকার জন্য সাধারণ মানুষ কতবার Excise Duty দিচ্ছে।

ধরুন, মি. মুরসা‌লিন ডিসেম্বর ২০২৪-এ তাঁর সেভিংস অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২০ হাজার টাকা জমা দিলেন এবং সেই টাকা দিয়েই একই মাসে একটি ১ কোটি ১৫ হাজার টাকার FDR করলেন। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে তিনি FDR নগদায়ন করে আবার সেই টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা দিলেন এবং পরে ধা‌পে ধা‌পে উত্তোলন করলেন।

অন্যদিকে, মি. ইজাজ ডিসেম্বর ২০২৪-এ ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকার time loan or term লোন নিলেন ব‌্যবসায় করার জন‌্য, যা তার কা‌রেন্ট অ্যাকাউন্টে ‌বিতরণ করা হলো এবং ধাপে ধাপে উত্তোলন ক‌রে ব‌্যবসায় কা‌জে ব‌্যবহার করলেন। পরের বছর ২০২৫-এ তিনি সেই একই টাকার সমপরিমাণ কা‌রেন্ট হিসা‌বে জমা দিয়ে লোন পরিশোধ করলেন।

এখন Excise Duty-এর প্রভাব বিশ্লেষণ করি:

মি. মুরসা‌লিন:
২০২৪: সেভিংস অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ + FDR অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ = মোট ২০,০০০ টাকা Excise Duty
২০২৫: সেভিংস অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ + FDR অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ = মোট ২০,০০০ টাকা Excise Duty

মি. ইজাজ:
২০২৪: কা‌রেন্ট অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ + লোন অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ = মোট ২০,০০০ টাকা Excise Duty
২০২৫: কা‌রেন্ট অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ + লোন অ্যাকাউন্টে ১০,০০০ = মোট ২০,০০০ টাকা Excise Duty

অর্থাৎ, একই টাকার উপর, ব‌্যা‌ং‌কিং সি‌স্টেম-এর কার‌ণে শুধুমাত্র এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে স্থানান্তর (transfer) করার কারণেই বারবার Excise Duty দিতে হচ্ছে।

বিশ্বের অনেক দেশে ম‌তো বাংলা‌দে‌শেও যেমন Double Tax Avoidance Agreement (DTAA) অনুযায়ী একই আয়ের উপর দু’বার কর দিতে হয় না, তেমনি আমাদের দেশেও একই টাকার উপর গ্রাহ‌কের মাদার হিসাব থে‌কে নিজ অন‌্য হিসা‌বে স্থানান্তর ক‌রার প্রেক্ষি‌তে বারবার Excise Duty নেওয়া অযৌক্তিক ও অন্যায় বলে মনে ক‌রেন প্রায় সকল গ্রাহকগণ।

অসংখ্য সাধারণ মানুষ এ কারণে কষ্টে পড়ছেন, কারণ এই সামান্য টাকার উপরই হয়তো তাদের পুরো পরিবার নির্ভরশীল।

করণীয় কী?
এন‌বিআর তথা সরকারের উচিত—যেহেতু বর্তমানে গ্রাহক তার মাদার অ্যাকাউন্ট ছাড়া কোনো FDR, DPS বা Loan নেওয়া সম্ভব নয়, তাই একই টাকার জন্য শুধুমাত্র গ্রাহ‌কের মাদার হিসাব বা লোন হিসাবেই Excise Duty প্রযোজ্য করা। তাহলেই এই বৈষম্য দূর হবে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবে।

কার্টেসী: মো: মোর‌শেদ আলম

31/10/2025

📢 অডিট নিয়ে বিভ্রান্তি!

রিসেন্টলি “অডিট” নিয়ে অনেকের মধ্যে কনফিউশন তৈরি হয়েছে —
বিশেষ করে এখন যেহেতু ট্যাক্স অফিস বিভিন্ন ধারায় করদাতাদের চিঠি দিচ্ছে,
যারা আইন জানেন না তারা অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়ছেন।
অনেকের ধারণা, ফাইল শুধু একবারই র‍্যান্ডম অডিটে পড়তে পারে,
এর বাইরে কর অফিস থেকে আর কোনোভাবে অডিট বা যাচাই করা হয় না।

চলুন দেখে নেই —
রিটার্ন সাবমিটের পর ৩ ধাপে ফাইল যাচাই বা অডিট হয়, আর শেষে কর নির্ধারণ হয়।

(বুঝতে পারার সুবিধার্থে ট্যাক্স অফিসের দেওয়া চিঠি সংযুক্ত করা হলো)

রিটার্ন সাবমিটের পর — ৩ ধাপে যাচাই/অডিট হয়

১️। রিটার্ন প্রসেস (প্রাথমিক যাচাই) — ধারা ১৮১

📍 কখন হয়:
যখন করদাতা রিটার্ন দাখিল করেন, তখন উপকর কমিশনার রিটার্নটি পাওয়ার পর প্রথমে সেটি গাণিতিক ও তথ্যগতভাবে যাচাই করেন।
🔹 কী হয়:
যদি রিটার্নে কোনো গাণিতিক ভুল, অসঙ্গতি বা ভুল দাবি ধরা পড়ে, উপকর কমিশনার তা সংশোধন করে প্রদেয় বা ফেরতযোগ্য কর নির্ধারণ করেন এবং করদাতাকে নোটিশ করেন।
🔹 আপনার করণীয়:
নোটিশ পেলে শুনানিতে অংশগ্রহন করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকোমেন্টস দিন।
🔹 যদি না মানেন:
তাহলে উপকর কমিশনার পরবর্তী ধাপে কর নির্ধারণ (ধারা ১৮৩ বা ১৮৪) করতে পারেন।
📌 (এই ধাপটি হয় রিটার্ন সাবমিটের পরই, র‍্যান্ডম সিলেকশন ছাড়াই।)
________________________________________
২️। অডিট (র‍্যান্ডম ভিত্তিক নির্বাচন) — ধারা ১৮২

📍 কখন হয়:
রিটার্ন সাবমিটের পর বোর্ডের (NBR) নির্দেশনা অনুযায়ী র‍্যান্ডমভাবে কিছু ফাইল অডিটের জন্য বেছে নেওয়া হয়। রিটার্ন দাখিল করা করবর্ষের পরবর্তী ২ করবর্ষের মধ্যে অডিট নির্বাচন ও অনুমোদন করা হয়।
🔹 কী হয়:
যদি আপনার ফাইল র‍্যান্ডম অডিটে পড়ে, তাহলে উপকর কমিশনার আপনাকে জানিয়ে ফাইল পর্যালোচনা করেন —
রিটার্নে প্রদর্শিত আয়, ব্যয় ও পরিসম্পদ সঠিক আছে কি না তা যাচাই করেন।
🔹 আপনার করণীয়:
নোটিশ পেলে সময়মতো কাগজপত্র, প্রমাণ ও ব্যাখ্যা দিন, প্রয়োজনে সংশোধিত রিটার্ন ও কর পরিশোধ করুন।
🔹 যদি না মানেন:
তাহলে উপকর কমিশনার পরবর্তী ধাপে কর নির্ধারণ (ধারা ১৮৩ বা ১৮৪) করতে পারেন।
📌 (অর্থাৎ, রিটার্ন জমা দেওয়ার পর ২ বছরের মধ্যেই অডিটে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।)
________________________________________
৩️। ফাইল রিওপেন (কর ফাঁকি বা আয় গোপন ধরা পড়লে) — ধারা ২১২

📍 কখন হয়:
যখন পরবর্তীতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে করদাতা —
• আয় গোপন করেছেন,
• আয় কম দেখিয়েছেন,
• অতিরিক্ত ছাড়, অব্যাহতি বা লোকসান দেখিয়েছেন,
• ভুল তথ্য দিয়ে কর দায় কমিয়েছেন,
অর্থাৎ কর পরিশোধ এড়ানোর চেষ্টা করেছেন।
যদি কোনো রিটার্ন না দেওয়া থাকে ➤ যেকোনো সময় নোটিশ দেওয়া যাবে।
যদি রিটার্ন বা কর নির্ধারণ হয়ে থাকে ➤ সর্বোচ্চ ৬ করবর্ষ পেছনে গিয়েও ফাইল রিওপেন করা যায়।
🔹 কী হয়:
উপকর কমিশনার সেই করবর্ষের ফাইল পুনরায় খুলতে পারে এবং করদাতাকে নোটিশ পাঠিয়ে রিটার্ন ও দলিলাদি দাখিল ও বকেয়া কর পরিশোধ করতে বলেন।
🔹 আপনার করণীয়:
নোটিশ পেলে রিটার্ন ও প্রমাণাদি জমা দিন এবং কর পরিশোধ করুন।
🔹 যদি না মানেন:
তাহলে উপকর কমিশনার ধারা ১৮৩ বা ১৮৪ অনুযায়ী কর পুনর্নির্ধারণ করবেন।
📌 (অর্থাৎ, রিটার্ন জমা দিলেও ৬ বছর পর্যন্ত আপনার ফাইল পুনরায় খোলা যেতে পারে।)
________________________________________
📚 বিস্তারিত জানতে আইন দেখুন:
➡️ ধারা ১৮১ — রিটার্ন প্রসেস
➡️ ধারা ১৮২ — অডিট
➡️ ধারা ২১২ — ফাইল রিওপেন
➡️ ধারা ১৮৩ — সাধারণ কর নির্ধারণ
➡️ ধারা ১৮৪ — সর্বোত্তম বিচারভিত্তিক কর নির্ধারণ
________________________________________

ধন্যবাদ সবাইকে

কার্টেসী: সমীর চন্দ্র সূত্রধর
ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার






11/08/2025

‘জিরো রিটার্ন এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস, পাঁচ বছরের জেল’

রিটার্ন দাখিল সহজ করতে অনলাইন রিটার্ন বা ই-রিটার্ন চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ঘরে বসে বা পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে অনলাইনে এই রিটার্ন দেয়া যায়। কিন্তু করফাঁকি দিতে অনেক করদাতা রিটার্নে কোন সম্পদ, ব্যাংকে থাকা এফডিআর, ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ি কিছুই দেখাচ্ছেন না। বাধ্যতামূলক করায় কারো মাধ্যমে বা দোকানে বসে ‘জিরো বা শূন্য রিটার্ন’ দিয়ে দিচ্ছেন। জিরো রিটার্ন নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন জায়গায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। তবে আয়কর আইনে ‘জিরো বা শূন্য রিটার্ন’ কনসেপ্ট বা কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তিনি জিরো রিটার্নকে ‘এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস’ উল্লেখ করে বলেছেন, করদাতা রিটার্নে যা কিছু ডিক্লার করেছেন, সেটা তার বক্তব্য। যদি তা মিথ্যা হয়, তাহলে আয়কর আইনে পাঁচ বছরের জেলের বিধান আছে। সহসাই জিরো রিটার্ন বিষয়ে এনবিআর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে জানান চেয়ারম্যান। শনিবার (৯ আগস্ট) আইসিএমএবি এর একটি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনলাইনে জিরো রিটার্ন দাখিল বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে দেখলাম। একটা আলোচনায়ও আসলো যে, অনলাইনে রিটার্ন দেয়ার ক্ষেত্রে নতুন কনসেপ্ট জিরো রিটার্ন। সব কিছুতে জিরো ফিলাপ করে দিলেই হয়ে যায়।’ এটা এক্সট্রেমলি ডেঞ্জারাস উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের আয়কর আইনে জিরো রিটার্ন বলে কোন কনসেপ্ট কোন নিয়ম নেই। আপনি ট্যাক্সপেয়ার হিসেবে যা কিছু ডিক্লার করছেন, এটা আপনার বক্তব্য। এটা যদি মিথ্যা হয়, আমাদের আয়কর আইনেও আছে যে পাঁচ বছরের জেল। আমাদের অনেক আইন আছে, কিন্তু এনফোর্সমেন্ট এত দুর্বল।’
ICMAB
আমেরিকার উদাহরণ দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমেরিকার জেলে অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষ জেল খাটে করফাঁকির মামলায়। কারণ এটা প্রমাণ করা একেবারে সোজা। কোনো খুনি ১০০টা খুন করেছেন, কিন্তু প্রমাণ হয়নি-সেজন্য সে বেঁচে গেছেন। হয়ত ১০১টার সময় তিনি ধরা পড়ছেন। কিন্তু আয়করের ক্ষেত্রে তা না। খুবই সহজ। আপনার ব্যাংকে এফডিআর আছে। রাজস্ব বিভাগের কাছে তথ্য আছে। আদালতে গিয়ে রেভিনিউ অফিসার বলবেন, মাই লড, উনি জিরো রিটার্ন দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাংকে উনার এফডিআর আছে। এই হলো তার ডকুমেন্ট। সুতরাং মিথ্যা হলফের জন্য সব দেশে আইন আছে, আমাদের দেশেও আছে যে পাঁচ বছরের জেল।’

চেয়ারম্যান সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনাদের বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সকলকে বলবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সকলকে জানাবেন যে, যারা বলে দোকানে বসে বসে জিরো রিটার্ন দেয়া যায়, তা অ্যাবসুলেটলি ডেঞ্জারাস। করদাতা কিন্তু এই দায় এড়াতে পারবেন না। তিনি যদি তার ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড অন্য কাউকে দিয়ে দেন-তারপর বলেন যে আমি তো দেয়নি, অমুকে দিয়েছেন-এ কথা রকম বলার কোন সুযোগ নেই। পেপার রিটার্নের ক্ষেত্রেও সুযোগ নেই, অনলাইন রিটার্নের ক্ষেত্রে মোটেও সুযোগ নেই। কারণ তাকে ডিক্লার করতে হচ্ছে, তিনি যা কিছু দিয়েছেন-তা সত্য দিয়েছেন।’
মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আমাদের রেভিনিউ এত কম। আমরা সবাই কাজ করে এই রেভিনিউ বাড়াতে পারিনি। ট্যাক্স দিয়ে কিন্তু কেউ দরিদ্র হয় না। তবে পেনাল্ট্রি এবং জরিমানা দিয়ে অনেকে দেউলিয়া হয়ে যায়। আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কোম্পানির মালিক জানেও না তার এমপ্লয়ীরা অতিরিক্ত করে একটা বড় আকারের মিসফাইড করে ফেলেছেন। এখন পেনাল্ট্রি যদি এমন হয় যে, এটা দিতে গিয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয়। রেভিনিউ অফিসার হিসেবে আমাদের টার্গেট হলো, ব্যবসা গ্রো করুক। তার থেকে, তার পরের জেনারেশন থেকে, তার পরের জেনারেশন থেকে আরো ট্যাক্স নেয়। আমরা যদি একটা অপরাধের কারণে বিজনেসগুলোকে মেরে ফেলি, তাহলে তো আমরা পরের জেনারেশন রেভিনিউ পাবো না।’

তিনি বলেন, বড় আকারের যারা ট্যাক্স ফাঁকি দেয়, তাদের কয়জনকে আমরা ধরতে পেরেছি। সত্যিকার অর্থে তা পারিনি। তবে আমাদের গোয়েন্দারা প্রচুর কাজ করছেন। বড় আকারের যেগুলো ট্যাক্স ফাঁকি হয়েছে, আমরা উদ্ঘাটন করে আদায়ও করছি। এদিক থেকে আমাদের সফলতা ভালো। হয়ত ভবিষ্যতে আপনারা আরো কড়া এনফোর্সমেন্ট দেখবেন।©

কার্টেসী: Business PASS

10/08/2025
10/08/2025

ই রিটার্ন অডিটের প্রস্ততি নিন, সাবধান হোন

ই-রিটার্ন (E-return) অডিট মূলত ট্যাক্স কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপনার জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নের সঠিকতা যাচাই করার প্রক্রিয়া। বাংলাদেশে আয়কর আইন অনুযায়ী, এটি ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউ (NBR) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। প্রক্রিয়াটি সাধারণত এইভাবে চলে—

১. প্রাথমিক বাছাই (Risk-based Selection)
• NBR-এর সিস্টেমে সব ই-রিটার্ন স্ক্যান করা হয়।
• যেসব রিটার্নে সন্দেহজনক বিষয় থাকে (যেমন হঠাৎ বড় আয়ের বৃদ্ধি, খরচ ও আয়ের মধ্যে অসামঞ্জস্য, নির্দিষ্ট সেক্টরের রিটার্ন ইত্যাদি) সেগুলো অডিট লিস্টে চলে যায়।
• বাছাই প্রক্রিয়া এলোমেলো (random) ও ঝুঁকিভিত্তিক (risk-based) — দুইভাবে হতে পারে।

২. নোটিশ প্রদান
• যদি আপনার রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়, তাহলে অডিট নোটিশ (সাধারণত ৬ মাসের মধ্যে) ই-মেইল, ডাক বা NBR-এর e-return পোর্টালে দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা থাকবে:
• কোন বিষয় যাচাই হবে
• কী কী ডকুমেন্ট দিতে হবে
• কোন তারিখে বা কোথায় হাজির হতে হবে।

৩. ডকুমেন্ট যাচাই

NBR ট্যাক্স অফিসার আপনার দেওয়া তথ্যের সাথে নিম্নোক্ত প্রমাণ মিলিয়ে দেখবে—
• ব্যাংক স্টেটমেন্ট
• বেতন বা ব্যবসার আয় সংক্রান্ত কাগজপত্র
• সম্পত্তি ও বিনিয়োগের দলিল
• খরচের প্রমাণ (যেমন মেডিকেল, শিক্ষা, হাউস রেন্ট, ডোনেশন ইত্যাদি)
• পূর্ববর্তী বছরের রিটার্ন।

৪. মৌখিক শুনানি বা সাক্ষাৎকার
• ট্যাক্স অফিসার আপনাকে বা আপনার প্রতিনিধি (CA/Tax Lawyer) কে ডেকে প্রশ্ন করতে পারেন।
• অসামঞ্জস্য ধরা পড়লে আপনাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

৫. অডিট রিপোর্ট ও অ্যাডজাস্টমেন্ট
যদি হিসাব সঠিক হয় — অডিট ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
ভুল বা গোপন তথ্য পাওয়া গেলে:
• বাড়তি কর (additional tax) ধার্য করা হবে
• জরিমানা বা সুদ যোগ হতে পারে
• গুরুতর ক্ষেত্রে কর ফাঁকি মামলা হতে পারে।

৬. আপিলের সুযোগ
• আপনি NBR-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ট্যাক্স আপিল ট্রাইব্যুনাল বা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন।

💡 গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
• ই-রিটার্ন দেওয়ার সময় সঠিক তথ্য ও প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
• কমপক্ষে ৫ বছর যাবত রিটার্নের সাথে সম্পর্কিত সকল ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে হবে।
• কর পরামর্শকের সাহায্য নিলে ভুলের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

ই-রিটার্ন অডিটে NBR সাধারণত যে বিষয়গুলো বেশি খতিয়ে দেখে, তার একটি বিস্তারিত তালিকা নিচে দিলাম—

NBR যেসব বিষয় বেশি যাচাই করে:

১. আয় সংক্রান্ত অসামঞ্জস্য:
• বেতন, ব্যবসা, ফ্রিল্যান্স, ভাড়া, সুদ, লভ্যাংশ, পুঁজিগত লাভ ইত্যাদির ঘোষিত পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কম বা বেশি।
• ব্যাংক স্টেটমেন্টে জমা টাকার সাথে রিটার্নে ঘোষিত আয়ের মিল না থাকা।
• পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় হঠাৎ আয়ে বড় পরিবর্তন।

২. খরচ ও ছাড় (Deductions & Exemptions)
• মেডিকেল, শিক্ষা, দান (donation), হাউস রেন্ট, বিনিয়োগ ইত্যাদিতে অস্বাভাবিক বা সর্বোচ্চ সীমার ছাড় দাবি।
• ছাড় বা করমুক্ত আয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ না থাকা।
• প্রমাণপত্র জাল বা অবৈধ উৎস থেকে প্রাপ্ত।

৩. সম্পদ বিবরণী (Statement of Assets & Liabilities)
• ঘোষিত সম্পদের সাথে আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য।
• নতুন সম্পত্তি, গাড়ি, শেয়ার, জমি কেনার উৎস।
• ঘোষিত দায় (loan) এর প্রমাণ।

৪. ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেন:
• ব্যাংক একাউন্টে বড় অংকের জমা বা উত্তোলন যার ব্যাখ্যা নেই।
• একাধিক ব্যাংক একাউন্টে অস্পষ্ট লেনদেন।
• বিদেশি লেনদেন (inward/outward remittance) এর সঠিক ঘোষণা।

৫. বিনিয়োগ ও শেয়ার লেনদেন:
• শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, লাইফ ইন্স্যুরেন্সে বিনিয়োগের তথ্য।
• পুঁজিগত লাভ (capital gain) ঘোষণা না করা।
• বিনিয়োগের উৎসের অসামঞ্জস্য।

৬. বিদেশি আয় ও সম্পদ
• বিদেশি চাকরি, ফ্রিল্যান্স, অনলাইন ব্যবসা বা বিনিয়োগ থেকে আয় ঘোষণা না করা।
• বিদেশে থাকা সম্পদের তথ্য গোপন।
• বিদেশি ভ্রমণ ও তার খরচের উৎস।

৭. ভ্যাট, উৎসে কর ও TDS:
• ব্যবসার ক্ষেত্রে VAT ও উৎসে কর সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে কি না।
• উৎসে কর কেটে রাখা হলেও রিটার্নে ঠিকভাবে সমন্বয় না করা।

৮. পুরোনো রিটার্নের সাথে অসঙ্গতি:
• গত বছরের আয়ের, সম্পদের, দায়ের সাথে চলতি বছরের তথ্যের বড় পার্থক্য।
• পূর্বে করা অডিটের পর্যবেক্ষণ সমাধান না করা।

💡 টিপস:
• সব আয়, খরচ, বিনিয়োগ ও সম্পদের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন।
• বড় লেনদেনের আগে তার ট্যাক্স ইমপ্লিকেশন বুঝে নিন।
• রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বিনিয়োগ সার্টিফিকেট, ভাড়া চুক্তি, রসিদ—সব কপি রেখে দিন।

** কম্পিউটারের দোকান থেকে আয়কর ই রিটার্ণ জমা না দেয়া উচিৎ হবে। ই রিটার্ণ অডিট হবে বৈজ্ঞানিক ও এআই দিয়ে সিলেকশন করে। প্রস্তুত হোন, সাবধান হোন, সচেতন হোন।

07/08/2025

✔️ ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার [ITP] পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন সবাইকে অনেক অনেক কংগ্রাচুলেশন।🎉

সেই সাথে আপনাদের জন্য আমার পক্ষ হতে ৬ টি অনুরোধ রইল:

১। ভালো অডিট ফার্ম থেকে আপনারা কাজ করিয়ে নিবেন যাতে একটি একাউন্টস অডিট হওয়ার পরে ট্যাক্স অফিস আর কোন ভুল ত্রুটি খুঁজে না পায়, এর ফলে আপনার, ওই অডিটরের এবং কোম্পানির সুনাম বৃদ্ধি পাবে, আপনি ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাবেন।

২। সঠিক এবং অথেন্টিক নাম্বার দিয়ে একাউন্টস তৈরি করবেন যাতে প্রতিটা ফিগারের এগেনস্টে সাপোর্টিং থাকে। এর ফলে আপনি এবং উক্ত কোম্পানি বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

৩। প্রতিটি asset addition এবং খরচের জন্য আইন অনুযায়ী যে পরিমাণ TDS এবং VDS দেওয়ার কথা সেই পরিমাণ দেওয়া হয়েছে কিনা নিশ্চিত করবেন। আর যদি না দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে সেটার জন্য Provision রাখা হয়েছে কিনা সেটা নিশ্চিত করবেন।

৪। কোম্পানির মালিকদেরকে সকল ধরনের ইনকাম একাউন্টে দেখাতে উৎসাহ দিবেন কারণ সেটা না করলে একদিন না একদিন ধরা খেতেই হবে কারণ একাউন্টিং সিস্টেম একটি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রক্রিয়া এটি হাইড করার কোন সুযোগ থাকে না। সাময়িকভাবে হাইড করতে পারবেন কিন্তু সঠিকভাবে তদন্ত করলে অবশ্যই ধরা পড়বে।

৫। আমাদের দেশে অনেক ছোটখাটো কোম্পানির রয়েছে যারা ডাবল এন্ট্রি সিস্টেমে হিসাব রাখে না, শুধু ক্যাশ এবং ব্যাংকের হিসাব রাখে। এই ধরনের কোম্পানির ক্ষেত্রে আপনারা Balance Sheet Approach ফলো করে একাউন্টস তৈরি করবেন এবং প্রথমেই Cash Basis Trial Balance কে Accrual Basis Trial Balance এ কনভার্ট করে নিবেন।

৬। আপনার প্রতিটি কাজে যেন মেধা এবং আপনার জ্ঞানের প্রতিফলন ঘটে যেটা আপনাকে ধাপে ধাপে সুন্দর একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

সবার জন্য শুভকামনা রইল।

03/08/2025

ব্যক্তি করদাতাগণের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে বহু বছর ধরে চলে আসা সনাতনি পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন দাখিলের অবসান হলো। নি:সন্দেহে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত। এখন থেকে ট্যাক্স অফিসের দৌরাত্ম ও হ্যাসেল কমে যাবে, কমে যাবে সার্টিফিকেট বানিজ্য।

সতর্কতা: নিজে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে নির্ভুলভাবে করুন, কারন ফাঁকি ধরা এখন অটোমেটেড হয়ে গেছে। বিশেষ করে গাড়ি, ব্যাংক, সন্চয়পত্র, ভবন/বাড়ি নির্মান, ফ্লাট, ডিজিটালি রেজিষ্টার্ড যেকোনো কিছুর একসেস রাজস্ব বোর্ডের রয়েছে।

আয়কর উপদেষ্টা

অনলাইনে রিটার্ন জমা দেয়ার সম্পর্কে নতুন নির্দেশনা।
03/08/2025

অনলাইনে রিটার্ন জমা দেয়ার সম্পর্কে নতুন নির্দেশনা।

02/08/2025

আজকে "VAT (Value added tax )এবং SD(Supplementary Duty) Act 2012"নিয়ে পড়াশোনা করছিলাম তখন "Input Tax credit" বিষয়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। ২০১২ সালের এই আইনের ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে প্রত্যেক রেজিষ্ট্রেশন কৃত ব্যাক্তি Input Tax credit এর সুবিধা পাবেন কিন্তু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে তিনি তা নিতে পারবেন না
সেগুলো হলো

১/ করযোগ্য পণ্যের মূল্য যদি ১,০০,০০০ টাকা ছাড়ায় এবং সেই টাকা ব্যাংকিং চ্যানেল ছাড়া পরিশোধ করা হয়।

২/ আমদানিকৃত সেবার ক্ষেত্রে, রিটার্নে আউটপুট ট্যাক্স উল্লেখ না থাকলে।

৩/ ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট পণ্য কেনার সময় অথবা পরবর্তী ছয় (০৬) কর মেয়াদে না নিলে।

৪/ যদি পণ্য বা সেবা থাকে অন্য কারো জিম্মায় বা তত্ত্বাবধানে।

৫/ যদি পার্চেজ রেজিস্টারে পণ্য বা সেবাটি রেকর্ড না করা হয়।

৬/ ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম, ঠিকানা এবং VAT রেজিস্ট্রেশন নম্বর যদি ট্যাক্স ইনভয়েসে না থাকে।

৭/ ব্যাংক গ্যারান্টির আওতায় রিলিজকৃত কাঁচামাল বা পণ্যের উপর ইনপুট ট্যাক্স, যতক্ষণ না গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়।

৮/ অব্যাহতি প্রাপ্ত (Exempted) পণ্য বা সেবা তৈরিতে ব্যবহৃত ইনপুট-এর উপর প্রদত্ত ভ্যাট।

৯/ টার্নওভার ট্যাক্সের আওতায় প্রদত্ত ট্যাক্স এর উপর ইনপুট ক্রেডিট পাওয়া যাবে না।

১০/ যেসব ইনপুট পণ্যে 15%-এর নিচে ভ্যাট বা নির্দিষ্ট হারে ভ্যাট ধার্য আছে, সেসব ইনপুটের ওপর প্রদত্ত ট্যাক্স।

১১/ ইনপুট বা পণ্য যদি ইনপুট-আউটপুট কো-এফিসিয়েন্ট-এ ঘোষণা না করা থাকে।

১২/ ইনপুট মূল্য ৭.৫%-এর বেশি পরিবর্তন হলে, কিন্তু নতুন ইনপুট-আউটপুট কো-এফিসিয়েন্ট ঘোষণা না করা হলে।

১৩/ যদি কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইনপুট মূল্যের চেয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করে, তাহলে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট পাবে না।

সংক্ষেপে:

সঠিক রিটার্ন, ব্যাংকিং মাধ্যমে পেমেন্ট, পার্চেজ রেজিস্টার এন্ট্রি এবং আইনানুগ রেকর্ড ছাড়া ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট পাওয়া যাবে না। ভুল করলে করদাতার আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি।

29/07/2025

📣📣A Challan সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন (VDS/TDS চালান জমা):

অনেকেই VDS বা TDS চালান জমা দিতে গিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করলে সহজেই চালান জমা দিতে পারবেন।
📢স্টেপ-১:

এ চালান ওয়েবসাইটে (https://achallan.gov.bd) গিয়ে “এনবিআর এ জমা” তে ক্লিক করুন।

📢স্টেপ-২:

TDS এর চালান করলে আয়কর এবং

VDS এর চালান করলে মূসক সিলেক্ট করুন।

VDS চালানের ক্ষেত্রে করণীয়ঃ
১/ নিজের কোম্পানির BIN (বিআইএন) নাম্বার দিন
২/ পরিসেবার ধরন সিলেক্ট করুন
৩/ টাকার পরিমাণ লিখুন
৪/ বাইরে মাউস ক্লিক করে পরবর্তী তে ক্লিক করুন

📢স্টেপ-৩:

চিহ্নিত স্থানে আপনার প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট কমিশনারেট সিলেক্ট করুন।
(আপনার BIN সার্টিফিকেটে পাওয়া যাবে)

📢স্টেপ-৪:
আপনার প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট সার্কেল সিলেক্ট করুন
📢 স্টেপ-৫:
যে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের অর্থ জমা দিচ্ছেন তাদের তথ্য দিন:
১/ ধরুন আপনি ১০০ ভেন্ডরের একটি তালিকা তৈরি করেছেন। ১ নম্বর সিরিয়ালে যে ভেন্ডরের নাম আছে তার নাম প্রতিষ্ঠানের নামের জায়গায় বসিয়ে দিন (ABC Ltd and sundry suppliers as per overleaf)
৩/ ঠিকানার জায়গায় ১ম সিরিয়ালের প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা লিখুন

📢 স্টেপ-৬:
যার মাধ্যমে টাকা প্রদান করছেন তার তথ্য দিনঃ
১/ অন্যান্য সিলেক্ট করুন
২/ সনাক্তকরণ নম্বরঃ আপনার কোম্পানির BIN দিন
৩/ আপনার কোম্পানির নাম লিখুন
৪/ আপনার কোম্পানির ঠিকানা লিখুন
৫/ মোবাইল নাম্বার এর স্থানে আপনার নাম্বার দিন
৬/ Self Fill up / OTC তে ক্লিক করুন (ব্যাংকে জমা দিতে চাইলে)
৭/ মন্তব্য থাকলে লিখুন
৮/ ডাই পাশে ক্লিক করুন – আপনার চালান রেডি

✅প্রয়োজনে চালানটি প্রিন্ট করে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিতে পারবেন বা অনলাইন ব্যাংকিং/চালান পোর্টাল ব্যবহার করতে পারবেন। সংগৃহীত।

17/07/2025

অনেকেই মনে করেন আমি সেলফ মেথডে রিটার্ন সাবমিট করে দিয়েছি, আমি প্রাপ্তি স্বীকার পেয়ে গেছি কিংবা আমি রিটার্ন দাখিলের সার্টিফিকেট পেয়ে গেছি, তাহলে আমার রিটার্ন কেন অডিটে পড়বে।

মূলত আয়কর আইনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলো ধারা: 180, 182 এবং 212।

ধারা:180 তে আমরা সেলফ মেথডে রিটার্ন দিয়ে থাকি, অর্থাৎ আমি স্বাধীনভাবে নিজেই হিসাব করে আমার রিটার্ন টা দাখিল করে, সাথে সাথেই অ্যাসেসমেন্ট এর প্রমাণস্বরূপ প্রাপ্তি স্বীকার এবং সার্টিফিকেট পেয়ে যাই। কিন্তু আপনি আইন অনুসারে এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় রিটার্ন টা সাবমিট করেছেন কিনা সেটি যাচাই বাছাইয়ের জন্য ধারা ১৮২ তে অডিট এর জন্য সিলেকশন করা হতে পারে। যেটি বর্তমানে অটোমেটি সিস্টেম ফলো করে নিরপেক্ষ ভাবে স্যাম্পলিং মেথডে সিলেকশন করা হবে বলে চেয়ারম্যান মহোদয় আশ্বস্ত করেছেন। যদি অডিটে আপনার ফাইলটা পড়েই যায়, তাহলে আপনার ফাইলে যদি কোন অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে আপনাকে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হবে। আপনার জবাবের পর কিংবা নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ধারা: ২১২ হল, আপনার সাবমিটেড রিটার্ন পুন উন্মোচন(Re-open) হবে। অর্থাৎ সাবমিটেড রিটার্ন এর বিপরীতে যদি আয় এবং সম্পদ গোপনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে সেই ফাইলটি পুন:উন্মোচন করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে, রাজস্ব আদায় করা সহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অর্থাৎ মূল বিষয়টি হল আপনি সেলফ মেথডে রিটার্ন সাবমিট করার পরেও আপনি যদি কোন আয় এবং সম্পদ গোপন করেন এবং রাজস্ব ফাঁকি দেন তাহলে সেটা উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

যেমন ধরুন একজন ব্যক্তির করযোগ্য আয় আছে এবং অপ্রদর্শিত সম্পদ আছে। তিনি একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমের শূন্য রিটান দিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এই বলে যে আমি প্রাপ্তি স্বীকার পেয়ে গেছি এবং একই সাথে সার্টিফিকেট পেয়ে গেছি। আমি বেঁচে গেলাম।

অর্থাৎ আপনি নিজের হিসাব নিজে করে সঠিকভাবে যদি আয় এবং সম্পদ প্রদর্শন না করে আপনি যদি সেলফ মেথডে আপনার রিটার্ন দাখিল করেন, বিশেষ করে আয় এবং সম্পদ থাকা সত্ত্বেও যারা শূন্য রিটার্ন দিয়েছেন কিংবা দিবেন, তাহলে আলোচিত ধারাগুলো দ্বারা আপনার অপ্রদর্শিত এবং অঘোĺষিত বিষয়গুলো তদন্ত করা হবে অর্থাৎ কর মামলার আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় সহ অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার গুরুত্বপূর্ণ দুইটি ধারা হল, ধারা:182(selection for audit) এবং 212(re-open) । অতএব এক্ষেত্রে হতাশ না হয়ে সচেতন হওয়ায় জরুরী।

15/07/2025

📢 TIN থাকলে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক — কঠোর হতে যাচ্ছে এনবিআর!
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) ১৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে আয়কর বিভাগের রাজস্ব আদায় পরিস্থিতি পর্যালোচনার সভায় জানায়—

🔴 যাদের TIN আছে কিন্তু রিটার্ন দাখিল করেননি, তাদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📊 পরিসংখ্যান বলছে:—
▪️ প্রায় ৭২ লাখ রিটার্ন দাখিলই করেননি!
▪️ আবার ৩০ লাখের বেশি রিটার্ন ছিল জিরো ট্যাক্স! (কর দেয়নি কেউ)

📌 NBR জানিয়েছে: এখন থেকে রিটার্ন না দেওয়া করদাতাদের শুরু হবে জবাবদিহির প্রক্রিয়া।

যদি রিটার্ন দাখিল না করেন, তাহলে যা হতে পারে:
✅ আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী—
▪️ রিটার্ন দাখিল না করলে করলে জরিমানা ও সুদ ধার্য হতে পারে
▪️ TIN স্থগিত বা বাতিল হতে পারে
▪️ ব্যাংক লোন, ট্রেড লাইসেন্স, বিদেশ ভ্রমণ, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন—এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন
▪️ প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে

🎯 ২০২৫-২৬ অর্থবছরে NBR-এর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সব TIN ধারীকে রিটার্ন দাখিলের আওতায় আনা হবে।

📢 তাই দয়া করে—
যদি আপনার TIN থাকে, আর এখনও রিটার্ন দাখিল না করে থাকেন—এখনই করুন! না হলে পড়তে পারেন বড় ঝামেলায়!

🔁 পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধু, আত্মীয়, সহকর্মীদের সচেতন করুন।

Address

46/2/R, Jigatola, Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when VATAX PRO posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to VATAX PRO:

Share

Category