Advocate Bappi Khan

Advocate Bappi Khan আইনি জিজ্ঞাসা, পরামর্শ ও সেবা ফৌজদারী, দেওয়ানী

04/07/2025

“শেষ সময়ে রিটার্ন দিতে গিয়ে যেটা হয়, সেটা আর রিটার্ন না, সেটা হয় বিপদ ডেকে আনা।”

"ভাই, এই নথি লাগবে জানতাম না…"
"এক সপ্তাহ সময় দিলেই হইতো ঠিক করতাম…"
"একজন ভালো আইনজীবী পাইলে এ সমস্যা হতো না…"

এই কথাগুলো শুনতে শুনতে ক্লান্ত আমরা।
✅ সময় থাকতে প্রস্তুত হন
✅ দক্ষ পেশাজীবীর সহায়তা নিন
✅ আপনার ব্যবসা, সম্পদ, সম্মান—সব রক্ষা করুন

📞 আজই যোগাযোগ করুন:01777-788299 [Whatsup]

01/07/2025

“আপোষের নামে অন্যায় মানবেন না”

সবকিছু আপোষে মিটে যায় না।
⚠️ কেউ আপনার জমি দখল করে রাখলে
⚠️ তালাকের পর ভরণপোষণ বন্ধ করলে
⚠️ প্রতারণা করে টাকা নিয়ে না ফিরিয়ে দিলে
👉 চুপ থাকলে অন্যায় উৎসাহ পায়।

আইনি প্রতিবাদ করুন – সাহস নয়, এটা অধিকার।

“আপনার নীরবতা ওদের সাহস বাড়ায়”

আপনি নীরব?
তারা আরো সাহসী হয়ে উঠবে।
✅ জিডি করুন
✅ নোটিশ পাঠান
✅ মামলা করুন
👉 আগে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

“মামলার ভয় দেখানো এক ধরনের মানসিক নির্যাতন”

যদি কেউ বারবার বলে –
❌ "তোর নামে মামলা করে দেবো!"
👉 মনে রাখুন, এটা একটা আইনি হুমকি।
আপনারও আছে আত্মরক্ষার অধিকার।
✅ কনসাল্ট করুন একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে।

জানুন, বুঝুন, লড়াই করুন — আইনের মাধ্যমে।

“আপনার সমস্যা আইনে মীমাংসিত হোক, গল্পে নয়”

বন্ধুরা পরামর্শ দেয়, দোকানদার বলে, প্রতিবেশী সাজেশন দেয় —
কিন্তু আদালত কেবল আইনজীবীর কথা শুনে।
✅ ভুল পরামর্শে না গিয়ে অভিজ্ঞতা বেছে নিন।

যোগাযোগ করুন:
অ্যাডভোকেট বাপ্পী খান,
জজ কোর্ট, ঢাকা
📞 01777-788299

30/06/2025

বিচার চাইলে আইনই আপনার পথ

বন্ধুকে বলবেন না— “তুই দেখে নে…”
আইনজীবীকে বলুন— “আপনি ব্যবস্থা নিন।”
✅ জমি, তালাক, প্রতারণা, মারামারি —
👉 আইনেই সমাধান আছে, শুধু আপনি প্রস্তুত থাকুন।

ন্যায়বিচারের জন্য মুখ নয়, দলিল দরকার

"আমি ঠিক আছি" বললে আদালত কিছু করবে না।
📄 দলিল, প্রমাণ, নোটিশ, মামলা —
এইগুলো ছাড়া আপনি শুধু অভিযোগকারী, ন্যায্য দাবিদার নন।
👉 একজন আইনজীবী আপনাকে দাবিদার বানাতে পারে।

অন্যায়ের প্রতিবাদ মানেই মামলা নয় — পদক্ষেপ

অনেকে বলেন: "আমি মামলা করতে চাই না…"
কিন্তু আপনি জানেন কি?
👉 আইন অনুযায়ী নোটিশ, জিডি, সালিশ, বা মিউচুয়াল সেপারেশন — অনেক বিকল্প আছে।

✅ ভুল পথে নয়, আইন পথে হাঁটুন।

বাপ্পী খান
অ্যাডভোকেট, জজ কোর্ট, ঢাকা
📞 01777-788299
📩 [email protected]

30/06/2025

আইনের বাইরে কোনো সমাধান স্থায়ী নয়

আপনার উপর অন্যায় হলেও আপনি চুপ?
✅ প্রতিবাদ নয়, মামলা করুন।
✅ দালালের কথা নয়, আইনজীবীর মত নিন

অন্যায় সহ্য করলে অন্যায় বাড়ে

জমি দখল হয়ে গেছে?
ভরণপোষণ পাচ্ছেন না?
কেউ প্রতারণা করেছে?
👉 চুপ থাকলে কেউ আপনার পাশে দাঁড়াবে না।

আইনের সাহায্য নিন। ভুল নয়, এটি আপনার অধিকার।

মামলা ঠেকাতে চাইলে আগে পরামর্শ নিন

অনেক সময় মামলা করার আগে একটা লিগ্যাল নোটিশই যথেষ্ট।
✅ আইন জানলে সময়, টাকা, সম্পর্ক — সব বাঁচে।

আজই যোগাযোগ করুন। আপনার সমস্যার সঠিক পথ জানিয়ে দেবো।

অ্যাডভোকেট বাপ্পী খান
📍 জজ কোর্ট, ঢাকা
📞 01777-788299

29/06/2025

ফৌজদারি মামলায় দেরি বিপদ ডেকে আনে

জিডি, মারামারি, হুমকি, চাঁদাবাজি – চুপ থাকবেন?
সাহসিকতা নয়, আইনই আপনাকে বাঁচাতে পারে।
👉 আজই অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

29/06/2025

জমি নিয়ে বিরোধ?

নকল দলিল বা দখল নিয়ে ঝামেলায় আছেন?
জমির আইনি সমাধান জটিল, ভুল পথে গেলে সর্বনাশ।
👉 আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ ও মামলা করুন সঠিক নিয়মে।

⚖️ মামলা সংক্রান্ত পরামর্শ নিচ্ছেন না বুঝে ভুল করছেন?আপনার সমস্যা যদি হয়—জমি/জমা বা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধবিবাহ/তালাক/পারিব...
28/06/2025

⚖️ মামলা সংক্রান্ত পরামর্শ নিচ্ছেন না বুঝে ভুল করছেন?

আপনার সমস্যা যদি হয়—

জমি/জমা বা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ

বিবাহ/তালাক/পারিবারিক মামলা

নারী ও শিশু নির্যাতন আইন

ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলা

চেক ডিজঅনার বা প্রতারণা মামলা

আদালতে মামলা দায়ের বা প্রতিরক্ষা

👉 তাহলে এখনই যোগাযোগ করুন একজন অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত আইনজীবীর সাথে!

---

📝 যা পাচ্ছেন আমাদের সেবায়:

ফোনে বা ইনবক্সে প্রাথমিক পরামর্শ

কাগজপত্র যাচাই

মামলা রেজিস্ট্রেশন, নোটিশ প্রেরণ, ও আইনি সহায়তা

নিয়মিত আপডেট ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ

---

📞 ফোনে কথা বলুন বা ইনবক্স করুন এখনই!
📱 মোবাইল: 01777-788299

⏰ পরামর্শের সময়: সকাল ১০টা – রাত ৯টা (শনিবার–বৃহস্পতিবার)
🛡️ গোপনীয়তা সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করা হয়।

---

📣 আইন জানুন, আইন মানুন — নিজের অধিকার নিজেই সুরক্ষিত রাখুন!
অ্যাডভোকেট বাপ্পী খান — আপনার পাশে আইনের পথে

28/05/2022

ওয়ারিশ সম্পত্তি বা পৈত্রিক সম্পত্তি ক্রয়ের আগে তিনটি ডকুমেন্ট দেখে নিবেন। তিনটি ডকুমেন্ট না থাকলে ক্রয় বায়নাপত্র লেনদেন করবেন না।

#ডোকুমেন্ট_গুলো
১)প্রথম,ওয়ারিশ সনদ পত্র।
২)দ্বিতীয়,পারিবারিক ভাগবন্টন রেজিষ্ট্রেশন দলিল
৩)তৃতীয়,নামজারি খতিয়ান। তারপর অন্যান্য কিছু বিষয় দেখতে হবে।

15/02/2022

*****খুব গুরুত্বপূর্ণ জানা খুব জরুরী*****

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ

👉দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে,যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১) মৌজা 👉 গ্রাম।

২) জে.এল নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩) ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।

৪) খং 👉 খতিয়ান।

৫) সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুজায়

৬) হাল 👉 বর্তমান।

৭) বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।

৮) নিং 👉 নিরক্ষর।

৯) গং 👉 আরো অংশীদার আছে।

১০) সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।

১১) তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।

১২) সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩) এজমালী 👉 যৌথ।

১৪) মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।

১৫) পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬) বাস্তু 👉 বসত ভিটা।

১৭) বাটোয়ারা 👉 বন্টন।

১৮) বায়া 👉 বিক্রেতা।

১৯) মং 👉 মবলগ/মোট

২০) মবলক 👉 মোট।

২১) এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।

২২) হিস্যা 👉 অংশ।

২৩) একুনে 👉 যোগফল।

২৪) জরিপ 👉 পরিমাণ।

২৫) এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।

২৬) চৌহদ্দি 👉 সীমানা।

২৭) সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।

২৮) দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।

২৯) নক্সা 👉 ম্যাপ।

৩০) নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১) নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২) পিং 👉 পিতা।

৩৩) জং 👉 স্বামী।

৩৪) দাগ নং 👉 জমির নম্বর।

৩৫) এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।

৩৬) স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।

৩৭) সমূদয় 👉 সব কিছু।

৩৮) ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।

৩৯) পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।



৪০) বিং 👉 বিস্তারিত।

৪১) দং 👉 দখলকার।

৪২) পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩) বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪) মৌকুফ 👉 মাপ।

৪৫) দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।

৪৬) হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭) বাটা দাগ 👉 কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮) অধুনা 👉 বর্তমান।

৪৯) রোক 👉 নগদ।

৫০) ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১) দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।

৫২) দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩) তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪) খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।

৫৫) খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬) জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭) এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮) অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯) তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০) নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১) অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২) আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩) আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।

৬৪) আসলি 👉 মূল ভূমি।

৬৫) আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।

৬৬) ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।

৬৭) ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।

৬৮) ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।

৬৯) এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০) ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১) কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২) কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩) কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪) কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫) কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬) কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭) কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।

৭৮) কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯) কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।

৮০) কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।

৮১) খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২) খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩) খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪) খিরাজ 👉 কর, খাজনা।

৮৫) খানে খোদাঃ মসজিদ।

৮৬) খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭) গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।

৮৮) গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।

৮৯) গির্বিঃ বন্ধক।

৯০) চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।

৯১) জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।

৯২) চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩) চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।

৯৪) চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।

৯৫) চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬) চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭) জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।

৯৮) জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯) জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০) জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।

১০১) জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২) জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।

১০৩) টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪) টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।

১০৫) ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬) ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭) তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।

১০৮) তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯) তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।

১১০) তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১) তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।

১১২) তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩) তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪) তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।

১১৫) তরতিব 👉 শৃংখলা।

১১৬) তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।

🔸১১৭) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮) দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।

১১৯) দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০) দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২) দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।

১২৩) দরবস্ত 👉 সমুদয়।

১২৪) নথি 👉 রেকর্ড।

১২৫) দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬) দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭) দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।

১২৮) নক্সা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯) নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।

🔸১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।

উত্তরাধিকার বা ওয়ারিস সনদ এখন থেকে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে নিতে হবে।
26/01/2022

উত্তরাধিকার বা ওয়ারিস সনদ এখন থেকে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে নিতে হবে।

05/12/2021
18/10/2021

***তালাক কিভাবে প্রত্যাহার করবেন?

*** ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুসারে, তালাক যেভাবেই দেয়া হোক না কেন, মৌখিক তালাক কার্যকর হবে না। বরং বিবাহবিচ্ছেদ করতে হলে তালাক ঘোষণার পর, অপর পক্ষ যে অঞ্চলে থাকেন সে অঞ্চলের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা পৌর মেয়র কিংবা সিটি কর্পোরেশন মেয়রকে অবশ্যই বিবাহবিচ্ছেদের লিখিত নোটিশ দিতে হবে। একই সাথে তালাক গ্রহীতাকে উক্ত নোটিশের একটি অনুলিপি দিতে হবে।

চেয়ারম্যান বা মেয়র কর্তৃক নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনও তালাক বা বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হবে না। কারণ নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান বা মেয়র সংশ্লিষ্ট পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে সালিশি পরিষদ গঠন করবেন এবং এই জাতীয় Settlement বা সমঝোতার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

*** এ ক্ষেত্রে, চেয়ারম্যানের নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে সমঝোতার ৯০ দিনের সময়কাল শুরু হয়; তালাক দেয়া বা নোটিশ লেখার তারিখ থেকে শুরু হয় না।(Shafiqul Islam and Others v. State, 46 DLR page 700)।

সালিশি পরিষদ মোট ৯০ দিন সময় পেয়ে থাকে। তাই প্রতি ৩০ দিনে ১ টি করে সর্বমোট ৩ টি নোটিশ প্রদান করবে। এই সময়ে, স্বামী-স্ত্রী যদি মনে করেন যে, তাদের মধ্যে পারস্পারিক ভুল বোঝাবুঝির কারণে বিবাহবিচ্ছেদের (তালাক) নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তবে তারা আপসের মাধ্যমে তালাক প্রত্যাহার করে পুনরায় সংসার করতে পারেন, নতুন বিয়ের দরকার হবে না।

তবে নিম্নলিখিত কাজগুলি করা ভাল। যেমনঃ
** সালিশি পরিষদকে বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক) প্রত্যাহার করার বিষয়ে অবহিত করতে হবে এবং প্রাপ্তি স্বীকার ও সীল-স্বাক্ষর করতে হবে।

** এই প্রাপ্তি অনুলিপি অবশ্যই উভয় পক্ষ সংরক্ষণ করবেন। যাতে পরবর্তী সময়ে স্বামী-স্ত্রী তালাক প্রত্যাহারটি অস্বীকার করতে না পারে।

** ক্ষেত্র বিশেষ, সালিশি পরিষদ তালাক প্রত্যাহারের ঘোষণা অবগত সাপেক্ষে তালাক প্রত্যাহারের আদেশ জারি করতে পারেন। উক্ত আদেশের একটি Certified copy (প্রত্যয়িত অনুলিপি) সংগ্রহে রাখা যেতে পারে।

কিন্তু বিবাহ বিচ্ছেদের নোটিশ প্রেরণের পরে যদি ৯০ দিন অতিবাহিত হয়, অর্থাৎ বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার পরে যদি স্বামী বা স্ত্রী অন্য কোথাও বিয়ে না করে থাকেন, তবে তারা পুনরায় নতুনভাবে বিয়ে করে নিতে পারেন।

আরোও উল্লেখ্য যে, একই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তৃতীয়বারের মতো তালাক বলবৎ হলে পুনরায় বিবাহের ক্ষেত্রে কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ বিষয়ে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ আইন, ১৯৬১ এর ৭(৬) ধারায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে। বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশ প্রেরণের সময় স্ত্রী যদি গর্ভবতী থাকেন, তবে সন্তানের প্রসবের আগে যে কোনও সময় বিবাহবিচ্ছেদ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং পুনরায় সংসার করতে পারেন। সন্তান ভূমিষ্টের পর যদি সংসার করতে চান, সেক্ষেত্রে পুনরায় বিবাহ করতে হবে।

নোটিশ প্রাপ্তির ৯০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই যদি তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী অনত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, তবে বিবাহটি অবৈধ বলে বিবেচিত হবে। [Syed Ali Newaz v. Colonel Md. Yusuf, 15 DLR (Appellate Division) Page-9]

কারণ বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক) পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত পক্ষগণ আইনতঃ স্বামী ও স্ত্রী রয়ে যায়। (Shafiqul Islam and Others v. State, 46 DLR page 700)। এছাড়াও এই ৯০ দিন পর্যন্ত স্বামী তার স্ত্রীকে ভরণ-পোষণ দিতে বাধ্য। কেউ যদি আলাদাভাবে বসবাস করেন তবে তারা নতুনভাবে একত্রে থাকার ঘোষণা করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোন বিধিনিষেধ নেই।

অন্যদিকে, স্বামী বা স্ত্রী যদি কোন কারণ বশতঃ সংসার করতে না চান, তবে তাদের যে কেউ দাম্পত্য অধিকার দাবি করে পারিবারিক আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন। এমনকি স্বামী-স্ত্রী যদি সেই সময় আদালতে উপস্থিত হয়ে আপস-মীমাংসা করে পুনরায় দাম্পত্য সম্পর্ক শুরু করতে পারেন।

সর্বোপরি, যদি ভাঙা সংসার নতুন করে জোড়া লাগে, তবে তারা পূর্বের ন্যায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয় পাবেন। আগে যেমন তাদের একে অপরের উপর অধিকার ছিল, সংসার জোড়া লাগার পরেও তাদের একই অধিকার থাকবে। সন্তান ভরণ-পোষণ ও দেনমোহর, সবকিছুই স্বাভাবিক অধিকার হিসাবে থাকবে।

Address

Court House Street
Dhaka

Telephone

+8801777788299

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Bappi Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Bappi Khan:

Share